ইউজার লগইন
ব্লগ
শাহবাগকে নিবেদিত
এক
বলেছিলাম ফিরে আসবো
অপেক্ষায় থেকো
থেকো প্রতীক্ষায়
দেরি দেখে ভেবেছো
দিয়েছি উড়াল
গেছি হারিয়ে
স্বপ্নহীনদের ডেরায়
তোমার ভুল ভেংগে
ঠিকই ফিরে এলাম
যেখানে হয়েছে রচনা
বসন্ত বাসর।
বাজছে সানাই
গনমানুষের ,
সেই শাহবাগে
এসো রাখি
হাতেহাত
আমাদের স্বপ্ন হোক
অমর ।
দুই
অনূভবকে অনুভব করবো ভেবে
হাতটা যখনই বাড়াই দেখি
এক রূপালী আলো ছায়া ফেলে হাতে
অনুভবকে খুঁজি চোখের সীমানায়
ও তখন সীমানা পেরিয়েছে
অনুভূতিহীন কোন অন্ধকারে
কিন্তু ওকি জানে সেই রূপালী
আলো এখানে আমার হাতে
হয়ে আছে আজো অদ্ভুত অনুভব!
১০.২.২০১৩
তিন
শাহবাগে আজ কথকতার ফুলঝুড়ি
কথা বলছে জনমানুষ
কথা বলছে জনপথ
এমন করেই যদি কথা বলতে পারতাম
সোচ্চার হতে পারতাম
তোমার দাবিতে, যখন হারিয়েছি তোমাকে !
চার
সব কিছু আজ তারণ্যের দখলে
তাই রাজপথ মেঠোপথের মতো আদুরে
ধূসর আগামীর রঙ এখন বাসন্তি।
শোনা কথায় বইমেলা: ফেব্রুয়ারি ৯
বইমেলা উপলক্ষ্যে সম্ভবত বছর চারেক আগে একটি ওয়েব সাইট প্রকাশিত হয় বেসরকারি উদ্যোগে। সাইটটি তৈরি করেছিলেন আমারই এক পরিচিতজন। এর আগে শুধু বইমেলা নিয়ে কোনো ওয়েব সাইট আমার নজরে আসেনি। ফলে তার তৈরি করা ওয়েব সাইটটি নিয়ে অনেকটাই উচ্ছ্বসিত ছিলাম। তাদের একটা স্টলও বসেছিল মেলা প্রাঙ্গনে- আরও নির্দিষ্ট করে বললে লিটলম্যাগ চত্বরে। সেখানে নতুন আসা বইয়ের নামধাম তোলা হতো। সার্চ করার অপশনও ছিল। সাইটটিতে বইয়ের ক্যাটালগ তৈরি করা হতো ইংরেজিতে, তবে বাংলায় ইমেজ আকারে বইয়ের নাম ও লেখকের নাম থাকতো। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাইট নির্মাতাকে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছিলাম যার একটি হচ্ছে পুরো সাইটটাকে বাংলায় করা আর বইয়ের পরিচিতি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা। শুধু বইয়ের নাম, লেখকের নাম, দাম, ক্যাটাগরি আর প্রচ্ছদ থাকলেই বইয়ের পরিচিতি জানা হয় না। বইটা কী বিষয়ে, সেখানে কী আছে ইত্যাদি বিষয়ও জানা দরকার। প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় স্পেস বা সময়ের সংকট থাকে, সেখানে না হয় এসব কারণে এতো তথ্য দেয়া সম্ভব হয় না; কিন্তু ওয়েব সাইটে তো আর সেই ঝামেলা নেই!
এখন শুধু যোগ দিতে হবে, আর কিছু করতে হবে না
শাহবাগে সাইবার যুদ্ধ চলছে। প্রতি মুহূর্তে বীর সেনানিরা সেখানে যোগ দিচ্ছেন। কাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে যখন মাইকে ঘোষণা শুরু হলো এ যুদ্ধের ব্যপারে, তখন যাচ্ছি-যাবো করেও আর যাওয়া হয় নি। টানা চার দিনের ক্লান্তি মাথায় নিয়ে দেড়টায় বাড়ি ফিরে দেখি ২২০০ সৈনিক ততক্ষণে যোগ দিয়ে ফেলেছেন। আমি আর দেরি করলাম না। সকালে উঠতে দেরি হলো। ততক্ষণে ৩৫৫০ জন যোগ দিয়ে ফেলেছেন সাইবার যুদ্ধে। এ যুদ্ধে যারা এখনো যোগ দেন নাই, তাদের জন্য লিংক এখানে (ক্লিক করুন)। দেরি করার সুযোগ নাই। যোগ দিয়ে ফেলতে হবে এবং তারপর থেকে ছাগু আইডি/ ব্লগ প্রোফাইল যাই পান না কেন, শেয়ার করতে হবে পাতাটাতে। অন্যদের শেয়ার করা একই উপাদানগুলোর ব্যপারে রিপোর্ট করতে হবে। আমার-আপনার কাজ আপাতত এটুকুই।
আমি গর্বিত আমি একজন ব্লগার (বিন্দু থেকে সিন্ধু..…)
ইন্টারনেটের দুনিয়ায় ঘুরাঘুরি করছি চার বছরের কিছু বেশি সময় ধরে। আর ব্লগিঙে তো একেবারেই নতুন, এর আগে মাত্র ২টা কী ৩টা লেখা লিখেছি। ব্লগিঙের দুনিয়ায় অবশ্য ঘুরাঘুরি বছর তিনেক ধরেই, কিন্তু লেখালেখির সাহস হচ্ছিল না। অবশেষে সাহস করে কলম হাতে তুলে নিলাম। প্রথমে খাতায় লিখি, তারপর সেটা কী-বোর্ডে যায়, সেখান থেকে অনলাইনে। থাকি গ্রামে, বুঝতেই পারছেন আমার অবস্থাটা। গ্রামের মুরুব্বীরা এসব ভালো চোখে দেখেন না। তাদের ধারণা ইন্টারনেট আর মোবাইল মানেই আজরাইল। এগুলো দিয়ে যে ভালো কাজও করা যায় এটা তারা মানতেই নারাজ, তাদের মতে ইন্টারনেট আর মোবাইল মানেই পোলাপান নষ্টের যম!
নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ তিন!
ভেবেছিলাম শাহবাগ নিয়ে লিখবো না আর। কারন চারিদিকে এতো বেশী এই নামের লেখালেখি, তাদের এতো শতো ভালোবাসার আবেগের লেখার ভীড়ে আমার সরল দিনলিপির ঠায় কই? তাও লিখি কারন আমার লেখাতো কীবোর্ড টেপার কষ্ট ছাড়া আর কোনো কষ্ট নাই। লেখা যদিও অনেকে ভালো বলে তাও আমি আমার লেখার কোয়ালিটি নিয়া মোটেও সন্তুষ্ট না। তারপর আছে আবার বানান ভুল আর যতি চিন্হ ব্যাবহারের ভুল ভ্রান্তি। তাও লিখি কারন লেখাতেই যাত্রা লেখাতেই শেষ, আমি ভালো আছি এই নিয়ে বেশ!
প্রাণের দাবি
একে এক,
তোরা সবাই রাজাকার
খুঁজে খুঁজে দেখ।
দুই একে দুই,
কাদের মোল্লা, রাজাকার তুই।
তিন একে তিন,
রাজাকারদের
ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিন।
চার
একে চার,
রাজাকার তোরা দুনিয়া ছাড়।
পাঁচ একে পাঁচ,
তোরা সবাই রাজাকারের
লাশের উপর নাচ।
ছয় একে ছয়,
দেশবাসী কয়
রাজাকারেরা মানুষ নয়।
সাত
একে সাত,
সবাই মিলে হাতে রাখি হাত।
আট একে আট,
তোরা সবাই শাহবাগে হাঁট।
নয় একে নয়,
আর ছলনা নয়।
দশ একে দশ,
হবে এবার রাজাকারের নাশ।
শাহবাগ একটুকরো বাংলাদেশ
একজন অনুজ আর একজন অগ্রজ এই দুই প্রজন্মের সাথে আছি আমরা , এই তিন প্রজন্মের মিলনস্হান এখন শাহবাগ। অগ্রজ একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা তিনি প্রতিদিন তার অর্ধাঙ্গিনীকে নিয়ে আসেন শাহবাগে স্বাধীনতা উত্তর প্রজন্মকে উতসাহ দিতে। তারা দুজনই শারীরিক ভাবে অসুস্থ বসতে পারেন না , কিন্তু তাতে কি দাড়িয়ে স্লোগান দিতে ভোলেন না। তার অনেক আশা তাদের শুরু করা কাজ আমরা শেষ করবো।
আর অনুজের বয়স একবছরের কম , সে কথা বলতে পারে না ঠিকমতো , তাই বলে সে কিন্তু থেমে নেই , যখন আমরা সমস্বরে বলে উঠি তুই রাজাকার তখন সেও আনন্দে লাফিয়ে ওঠে। সে এসেছে তার বাবার কাধেঁ চড়ে। এসেছে হয়তো একটি রাজাকার মুক্ত দেশ পাবার আশায়। আমরা ওর এই চাওয়াকে কিভাবে অপূর্ণ রাখবো?
যাদের সাথে আছে অগ্রজদের আশির্বাদ আর অনুজদের ভালোবাসা তারা কি হারতে পারে? জয় আমাদের হবেই।
কাফন কোরতা
দ্বীপ নিভে নিভে,অশান্ত মন-কুয়াশাচ্ছন্ন হৃদয় কিছু বলতে চাইঃ
মানুষ তার বিবেককে ঠাই দিবে কোথায়?কারও জানা নেই।।
এই রকম রাই বাংলাদেশ সরকারের কাপুরুষতার লক্ষণ নয়কী?
কাদের ও কিসের জন্য ভয়????
আমরা প্রস্তুত, রক্তের উচ্ছাসে বাঁধ ভাঙ্গাব ,
অসীম জোয়ারে তলিয়ে নিব সব বাঁধা।।
বাংলাদেশে থাকবেনা আর রাজাকার আলবদর,
থাকবেনা সেই রাজ কদর।।
গল্প: গরুচোর কাশেমের গল্প
কাশেমের গরুর গোশত্ খুব পছন্দ। প্রতিরাতে তার গো গোশত্ চা-ই, চাই। বউরে সবসময় বলে রাখে, প্রতি রাইতে আমারে গরুর গোশত্ দিবা। বউ প্রায়ই বলে, আপনে গরু খাওন বন্ধ দেন। গরু খান আর আমার উপর অত্যাচার করেন।
কাশেম মুচকি হাসে। বউরে জড়িয়ে ধরে। গালে চুমু খায়। তারপর বলে, তুমিই তো আমার পেয়ারে গাই।
বউ আল্লাদের সুরে সুরে বলে, উউউ... আপনে আমারে গাই বলতে পারলেন?
দুজনে এরপর ভালোবাসাবাসি করা শুরু করে। দুজনের পেয়ার বেশ। জীবনের বড় সময় দুজন একসঙ্গেই পার করে দিয়েছেন। সন্তান আছে দুইজন। একজন সৌদি থাকে, আরেকজন পাকিস্তান।
দুইজনই পুত্র। মাশাল্লাহ দিলে দিনের পথেই আছে। সৌদিতে আল্লাহর দরবারে ইবাদত বন্দেগী করে। আর কাজ করে। কিসের কাজ করে তা অবশ্য কাশেম বলতে পারবে না। কিংবা এ সংক্রান্ত তথ্য জানলেও কাশেম কখনও প্রকাশ্যে কিছুই বলেনি। তাই আমরাও জানতে পারি না কাশেমের বড় পুত্র কুদ্দুস মোল্লা সৌদিতে কি করে।
আমি বাংলাদেশ কাঁপিয়ে দেব
(এই কবিতা লিখেছেন মানুষ, ইতিহাসের মানুষ, শ্যামলিমা ভূগোলের মানুষ। সুতরাং এই কবিতার কোনো নির্দিষ্ট লেখক নেই।)
আমি দাঁড়িয়ে আছি শাহবাগের জনসমুদ্রের মধ্যখানে।
আমি দাঁড়িয়ে আছি আমার ধর্ষিতা বোনের পবিত্র শরীর স্পর্শ করে।
শহীদের স্মৃতির মণিমুক্তার মালা আমার গলায়,
মুক্তিযুদ্ধের বারুদ সঞ্চারিত হয়েছে আমার বুকে,
মূর্তিমান সাহসিকা শহীদজননী আমাকে দেখাচ্ছেন বরাভয় মুদ্রা।
আমার হাতে বাংলাদেশের পতাকা, আমার হৃদয়জুড়ে বাংলাদেশ।
আমি তরুণ। মুক্তিযুদ্ধ আমার অহংকার।
আমি ঘৃণা করি যুদ্ধাপরাধী।
আমার ক্রোধ মুক্ত, আমার ঘৃণা সুস্থ।
আমার ক্রোধ ছড়িয়ে পড়বে শাহবাগ থেকে সারা দেশ, বিশ্বময়।
আমি জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে আছি নিশিদিন।
নত্র আমার জন্যই মেলে ধরেছে নরম আলো,
চাঁদ বিলিয়ে দিচ্ছে মমতা।
আর, দিনভাগে ‘সূর্য আসি অগ্নি ঢালে হৃদয়ে আমার’।
আমার মুষ্টিবদ্ধ হাত নীলাকাশ স্পর্শ করে।
আমার স্লোগান সহস্র কণ্ঠে মিশে রচনা করে প্রতিবাদের মহাকাব্য।
আমি চিনেছি নব্য রাজাকার, দেখেছি তাদের ক্ষমাহীন স্পর্ধা;
কেউ কেউ ঘাপটি মেরে থাকে,
সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে তারা সঞ্চালন করে রাজাকারি ভ্রম।
আমার শাহবাগ
শাহবাগ ঘুরে এসেছি এইমাত্র। কোন ক্লান্তি নেই। সবার জন্য হৃদয় নিংড়ানো ভালবাসা রেখে আসলাম।কাল অফিস, যেতেই হবে।তবে, ফিরবো শাহবাগ হয়েই। ওটাই এখন প্রান।
দু মাসের যে শিশুটি,
শ্লোগান ওর নাম,
যাকে তার মা দুহাতে ধরলো উঁচিয়ে
লাখো জনতার চিৎকারে হল অভিষেক
কী অসামান্য শক্তি সেই মার !
কী বজ্র বীজ গেঁথে দিল ওর সন্তানের ভিতর !
মাগো, তুমিই মা। তুমিই পেরেছিলে “৭১ এ।
ধন্য মা।
তুমিই ছাড়িয়ে গেলে সবাইকে।
ছড়িয়ে গেল আগুন, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।
অনেক দিন চোখে জল আসে না। আজ এসে গেল।
চোখ ছল ছল, চোয়াল কঠিন, মুষ্ঠিবদ্ধ হাত আকাশ ফুঁড়ে উঠে গেল
কন্ঠ ছাড়িয়ে বিস্ফোরিত হল,
”খুনী রাজাকারের রক্ষা নাই
সব রাজাকারের ফাঁসি চাই।”
আমার দেশের জন্য আমি তাই খবরটি শেয়ার দিলাম - আপনি কি না দিয়ে থাকতে পারবেন ?
দেশ অনেক দিয়েছে - দিয়েছে আমাকে - দিয়েছে আপনাকে - প্রতিদানে কখনো কিছু চায়নি সে - আজ চাচ্ছে দেশ - চাচ্ছে আমার আপনার নিরাসক্ত আঙ্গুলগুলোতে একটু সাড়া পড়ুক - চাচ্ছে আমরা যেন মাউসের আদুরে পিঠে আলতো একখানা ক্লিক করি - এক খানা জাতীয় দাবীতে যোগ করি আন্তর্জাতিক মাত্রা - ক্ষুদ্র এই দেশের প্রাণের দাবীটি হোক বিবিসির ইতিহাসে সর্বকালের সেরা দাবী - ভেঙ্গে দিক পূর্বাপর সকল রেকর্ড - আমার দেশের জন্য আমি তাই খবরটি শেয়ার দিলাম - আপনি কি না দিয়ে থাকতে পারবেন ?
Click on the following link and share.
BBC News - Huge Bangladesh rally seeks death penalty for war crimes
http://www.bbc.co.uk/news/world-asia-21383632
Hundreds of thousands rally in Bangladesh to demand the death penalty for a political leader convicted of war crimes from the 1971 independence war.
রাজাকারদের তালিকা
রাজাকারদের তালিকাঃ
গোলাম আযম
আব্বাস আলী খান
মতিউর রহমান নিজামী
আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ- ইসলামী ছাত্রসংঘের সভাপতি এবং আলবদর বাহিনীর ঢাকা মহানগরীর প্রধান।
মো: কামরুজ্জামান- জামাতে ইসলামী বাংলাদেশের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল
দেলোয়ার হোসেন সাঈদী- জামাতে ইসলামীর মজলিসের শুরার সদস্য
আবদুল কাদির মোল্লা, জামাতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক
ফজলুল কাদের চৌধুরী
সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী
ঢাকা বিভাগ
ঢাকা জেলা
রাজাকার আকবর- শাঁখারী বাজার, ঢাকা
রাজাকার তোতা মিয়া- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
রাজাকার ঈমান আলী- রায়েরবাজার, ঢাকা
রাজাকার হেদায়েত উল্লাহ (মৃত)- রায়েরবাজার, ঢাকা
গাজীপুর জেলা
রাজাকার আলাউদ্দীন-গ্রাম-মুদাফা, থানা-টঙ্গী, গাজীপুর
রাজাকার আওয়াল- জয়দেবপুর, গাজীপুর
রাজাকার এমপি নওয়াব আলী- জয়দেবপুর, গাজীপুর
রাজাকার হাকিম উদ্দীন- মাধববাড়ি, জয়দেবপুর, গাজীপুর
রাজাকার মজিব- মাধববাড়ি, জয়দেবপুর, গাজীপুর
রাজাকার মনু- মাধববাড়ি, জয়দেবপুর, গাজীপুর
টাঙ্গাইল জেলা
রাজাকার আনিস-ছাব্বিশা, ভূয়াপুর, টাঙ্গাইল
রাজাকার সাজু-কালামাঝি, মধুপুর, টাঙ্গাইল
তুই রাজাকার তুই রাজাকার
উত্তাল শাহবাগে মিছিলে মিছিলে সায়লাব... চলছে স্লোগান...
আ-তে আবদুল আলিম - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
আ-তে আমার দেশ - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ই-তে ইসলামি ব্যাংক - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ই-তে ইবনেসিনা - তুই রাজাকার. তুই রাজাকার!
ক-তে কাদের মোল্লা - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ক-তে কামারুজ্জামান - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
খ-তে খালেক - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
গ-তে গোআজম - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
জ-তে জামাত - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
দ তে দিগন্ত টিভি - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ন-তে নিজামি চোরা - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ন-তে নয়া দিগন্ত - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ফ তে ফোকাস - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ব-তে বাচ্চু চোরা - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ম-তে মুজাহিদ চোরা - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
ম-তে মীর কাশেম - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
র-তে রেটিনা - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
শ-তে শিবির - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
স-তে সাকা চোরা - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
স-তে সাইদি চোরা - তুই রাজাকার, তুই রাজাকার!
সুদুর কোলকাতায় বসে কবির সুমন লিখছে গান...
গণদাবি
হরতাল বনাম..…।
এস এস সি পরীক্ষা শুরু হয়ে গেল। আর এ উপলক্ষ্যে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীকে টিভিতে দেখলাম করুণ স্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে প্রার্থনা করছেন তারা যেন পরীক্ষার সময়ে কোন হরতাল না দেয়। এটা দেখে একটা ঘটনার কথা মনে পড়ে গেল, মেয়ে যখন গণধর্ষনের শিকার হচ্ছে তখন তার মা তাকে ধর্ষণ থেকে বাঁচানোর কোন উপায় না পেয়ে ধর্ষকদের কাছে করজোড়ে মিনতি করছেন, "বাবারা! ধর্ষণ করছ কর, কিন্তু দেখো আমার মেয়েটা যেন মরে না যায়।" কিন্তু বিধাতার (পড়ুন রাজনৈতিক দলগুলোর) কি লীলাখেলা! শিক্ষামন্ত্রীর এই আকুল আবেদনের এক সপ্তাহ না পেরোতেই একটি রাজনৈতিক দল লাগাতার হরতাল দিয়ে বসল। সত্যি বিচিত্র এই দেশ! বাংলাদেশই মনে হয় পৃথিবীর একমাত্র দেশ যে দেশে হরতালের কারনে পাবলিক পরীক্ষা নির্ধারিত দিন থেকে পিছিয়ে দেওয়া হয়। এটা শুধুমাত্র বাংলাদেশ বলেই সম্ভব। অথচ এই দেশের রাজনীতিবিদ্দরাই দেশের উন্নয়ন নিয়ে বড় বড় গালভরা ফাঁকা বুলি আওড়ান। আসলে এক শ্রেণীর ভন্ড সাধু আছে যারা কখনোই চায় না আমাদের দেশটার উন্নতি হোক। চাইবে কিভাবে? দেশের যুবসমাজ যদি শতভাগ শিক্ষিত হয়ে যায় তাহলে এসব ভন্ড সাধুদের কুকর্মে সহায়তা করবে কারা?