ইউজার লগইন
ব্লগ
গত মঙ্গলবার থেকে আজ...
গত মঙ্গলবার বাসায় ছিলাম, ভেবেছিলাম কসাই কাদেরের ফাঁসির রায় শুনে আনন্দিত চিত্তে অফিসে যাবো, সেখান থেকে বইমেলা, এটাসেটা আরো অনেক কিছু...
হে সহযোদ্ধা, এবার দেখা হবে রাজপথে, শুধুই রাজপথে
জীবনটা সবসময় সুন্দর নয়। কিন্তু মাঝে মাঝে এত বেশি সুন্দর যে, তখন আবার মনে হয় এটা কি কোনো স্বপ্ন? প্রজন্ম চত্বরে স্বপ্নবান তরুণেরা এক অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছে। যে বিপ্লবের আগুন আজ দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়লো, এটা সমাজকে পরিবর্তন না করা পর্যন্ত নিভবে না। আমি হলফ করে বলতে পারি। সামনে আসছে নতুন দিন।
আজ ৮ম দিন চলছে। বিপ্লবী জনতাকে হাত করার বহু চেষ্টা এরই মধ্যে হয়েছে। চেষ্টা হয়েছে চোখ রাঙিয়ে তাদের ঘরে পাঠানোর। শিবির সপরিবারে হত্যার হুমকি দিয়েছে লাকীকে। ছাত্রলীগ পর্যন্ত সুযোগ বুঝে হাত উঠিয়েছে তার গাএ। এত কিছুর করেও লাকীর কণ্ঠের আগুনকে নেভানো যায় নি। নেভানো যায় নি প্রজন্মের সৈনিকদের বুকের আগুন। এ আগুন কোনো কিছু না জ্বালিয়েই নিভে যাবে, এ কথা আমি বিশ্বাস করি না।
প্রজন্ম চত্বর:: আজ বিকেল ৪টা থেকে তিন মিনিট স্তব্ধ থাকবে দেশ

শাহবাগের নবজাগরণ মঞ্চ থেকে গতকাল নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন ব্লগার ইমরান এইচ সরকার। তিনি বলেন, ‘যে যেখানে আছেন, কলকারখানা, গাড়ি বা রাস্তায়, মঙ্গলবার বিকেল চারটা থেকে চারটা তিন মিনিট পর্যন্ত দাঁড়িয়ে যাবেন। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে বাংলাদেশকে স্তব্ধ করে দেন।’
বিশ্বের যে যেখানেই থাকেন... যেই অবস্থায় আছেন... আসুন আমরা যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে ৩ মিনিট দাড়িয়ে প্রতিবাদ করি। এ আন্দোলন আপনার... আমার... আমাদের... দেশের...
কবিতা: ডায়ালগ থেকে সংলাপ
বাস্তবতার শানানো ছোঁরার আঘাতে আমরা অবাস্তব স্তব্ধ হয়েছি।
আমাদের কেটেছে বিষঁদাত, ছিঁড়েছে ভ্রান্তির নির্মম করাত।
আমরা এখন আত্মাকে ভয় পাই।
লোকে বলে: অবোধ পাগল।
আমরা এখন মিছিলে যাইনা, তবু
ঘন ঘন টি.এস.সি তে যাই।
অথচ মিছেলে গিয়েছি বলে আমরা জন্মকে চি-নে-ছি।
মিছিলে গিয়েই আমরা মৃত্যুকে চি-নে-ছি।
স্লোগানে শিখেছি; ‘মৃত্যুর নামই বেঁ-চে-থা-কা’।
অথবা জন্মের অপর নাম মৃত্যু।
আমরা মিছিলে গিয়েই সম্ভবতঃ মিছিল চিনেছি।
অখন্ড মিছিলকে খন্ড খন্ড দেখেছি।
রক্ত দেখেছি।
রক্তের নৃত্য দেখেছি।
লাশ হতে দেখেছি।
শিক্ষা পেয়েছি।
আমাদের শিক্ষা দোলে ইতিহাসের রোদ্দুরের ভেতর।
আমাদের শিক্ষা দোলে কালের বহমান স্রোতের আলোয়ার ভেতর।
আমরা এখন মিছিলে যাইনা।
পার্কে যাই।
ডেটিং করি।
চিঠি লিখি।
ভালোবাসা চাই।
ভালোবাসা চেয়ে চেয়ে পরিবর্তিত হয়েছি।
অসম্ভব মৃত হয়েছি।
অথবা দ্বিতীয় জন্ম পেয়েছি।
এভাবেই দ্বিতীয় জন্ম আমাদের মৃত্যুর দিকে টানে।
আমরন মৃত্যু।
অথচ আমাদের বেঁচে থাকা প্রয়োজন।
অথচ আমাদের মিছিলে যাওয়া প্রয়োজন।
অথচ আমাদের অশ্লীল সংলাপে আবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।
গ্যালাক্সি এস!
ছেলেটা বড় হয়েছে খুব আদরে। চার বোনের পর এক ভাই। বোনেরা মোটামুটী অনেক বড় বড়। তাই বোনদের ভালোবাসায় আর দুলাভাইদের আশকারাতেই তার কিশোর বেলা কাটছে। হুট করে ছেলেটার বাবার চাকরী থেকে অবসর। তল্পি তল্পা গুটিয়ে বাড়ীতে থাকা। ছেলেটা তার বোনদের বাসায় থাকার জীবন শুরু। চারবোনের ভিতরে তিনবোনই বিরক্ত তা নিয়ে। যদিও ভাগ্নে ভাগ্নিরা মামা বলতে অস্থির। থাকার জায়গার বড় অভাব। যাত্রাবাড়ীতে থেকে প্রতিদিন কমার্স কলেজের ক্লাস চলে ইন্টারমিডিয়েটের। কাক ডাকা ভোরে যায় আর রাত করে বাসায় ফিরে। দুপুরে সিংগারা খেয়েই কাটাতে হয়। আরেকবোনের বাসা নিকুঞ্জ। সেখানেও কিছুদিন আস্তানা গড়ে। কিন্তু কোথাও স্থায়ী না। সেই সময় নিকুঞ্জতে দুটা ভালো টিউশনী পেয়ে যায়। টাকা পয়সার কিছু মুখ দেখে জীবনে আনন্দ খুজে পায়। ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দেয় যাত্রাবাড়িতে থেকেই। পরীক্ষার শেষ হয়। বন্ধুরা তখন তারা নানান ট্যুর প্ল্যানিং নিয়ে ব্যাস্ত। সে চলে যায় বাড়িতে। বাড়ীতে থাকার কারনে পড়াশুনা কিছুই হয় না আর। বন্ধু বান্ধবের আড্ডা ছাড়া টিভিতে আর লুকিয়ে সিগারেট খাওয়াতেই তার আনন্দ। রেজাল্ট বের হয়। ফলাফল বেশী ভালো না। ঢাকায় এই ভাবে অস্থায়ী থাকাথাকির উপরে জেদ করে সে আর
কবিতা: দোলাচল
দোলাচল
(চেনা-অচেনা-আধোচেনা প্রেক্ষিতের ভেতর গতির সাতকাহন)
আমাদের স্বপ্নের বিরান ক্ষেতে অঙ্কুরিত হতাশার চারা
অনাবিল চলমান বাতাসে দোলে
আর পঁচে যাওয়া বীজগুলো যায় মিশে
ব্যর্থ স্বপ্নের বুকে
নীলিমার নিবিড়তাকে পেছনে ফেলে হয় একাকার
তবু আজও অন্তহীন তিমির অনুভব
যেনবা রাত্রির নক্ষত্র
করুণ আর্তনাদকে দেয় মুছে
গভীরের প্রীতিবোধ- জোৎস্নার পতিত জ্যোতি
আমরা অপেক্ষাতুর তাই
এইসব শস্যহীন পৃথিবীর মাঠে- ইতিহাস সৈকতে
কেননা খসাতে চাই স্বপ্নের লাগাম
ভালোবেসে তুমুল বাজাতে চাই বেদনা আর্তির গান
তবুও আকাঙ্খার মাঠ থেকে সহসা তাড়াতে চায়না সময়
০১/০১/৯৯ ইং।
বাংলা ভাষার উৎসব ২০১৩ ঃ ভাদ্র ভাসান...
বাংলা ভাষার উৎসব ২০১৩ উপলক্ষ্যে জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভাষা সৈনিক আব্দুল জলিল, ভাষা সৈনিক অধ্যক্ষ তমিজ উদ্দিন, গবেষক ড. সফিউদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী, সাবেক বিচারপতি সিকদার মকবুল হক, ছড়াকার রফিকুল হক দাদু ভাই, কবি রবীন্দ্র গোপ--গুণীজনদের উপস্থিতিতে শাশ্বত স্বপন রচিত গল্পগুচ্ছ ‘ভাদ্র ভাসান’ বইটির মোড়ক উন্মোচন করছেন কবি মহাদেব সাহা ।
বন্ধ হোক ধর্মের নামে অর্ধমভিত্তিক রাজনীতি
এই র্ধম ভিত্তিক রাজনীতিটা ধর্মের নামে অন্যায়,বিবাদ, জাত বিদ্বেষি মনোভাব ,পবিত্র কোরানী শাষনের নামে অহেতুক হত্যাকান্ড,আত্মঘাতী যা সব ধর্মের জন্য ঘৃনিত অপরাধ, এই সব করে আর এই জন্য এদেরি এটি নিষিদ্ধ করা খুবই প্রয়োজন।অতচ তাদের নেতারা ধর্ষক অবস্তানে থেকেও তাদেরকে পীর মেনে আসছে ,যেন অসুরের নেতা অসুর.. আর এটি হচ্ছে তাদের আসুর ভিত্তিক রাজনীতি।।
পরান আমার শাহবাগে এখন যেন মরে ও শান্তি পাব
শাহবাগ সে যেন পরানের পরান ,আমি তো জানি না রাজনীতি শুধু ভালবাসতে জানি দেশ ও মানুষকে।
যারা ভালবেসেছে তারা সবাই এসে মিলেছে শাহবাগে ,পরান চত্বরে এই ভালবাসা মানুষে মানুষে যার বিবেক জাগ্রত হয়েছে, জাগ্রত হয়েছে যার চেতনা-অনুভূতি।আজ বড় আনন্দের দিন সে কতদিন পরে দেখেছি মানুষের ডাক,এত দিন জানতাম মানুষ তার হারিয়েছে..
তা আজ মিথ্যে হয়ে গেল,,,
মানুষের ডাকে মানুষ এ সেছে .......তাই যত পশু ছিল তারা গেল তলিয়ে।
জয় শাহবাগ,জয় পরান,জয় হোক ভালবাসার।।
একলা চালা, ছেঁড়া চাদর, বন্ধু আসার নয়া খবর
"ভাঙা চালায় হাওয়া আসে, হাড় কাঁপুনি শীত
দুয়ার খুলে শুনতে পাই, বন্ধু আসার নয়া দিনের গীত।"
মলয়দা'র লেখা গান। লেখার শিরোনামটাও এই গানেরই একটা লাইন। মলয়দা' একজন প্রাণের মানুষ ছিলেন। তার ছোট-খাটো ভুড়িটার ওপর তবলার ঠুক-ঠাক করতে আমার এবং আমার জিরাফের খুবই আমোদ লাগতো। বয়সে বড়; তবুও বন্ধু আগে, পরে বড়ভাই। সেই মলয়দা' আজ নেই। যতবার মনে পড়ে, বুকের ভেতর খা খা করে। কক্সবাজারে থাকতেন জীবনের শেষ দিনগুলোতে। সেখানকার এয়ারপোর্ট রোডে এখনো উনার হাতে লেখা একটা চিকা আছে। ছাত্র ইউনিয়ন। ছাত্র শব্দটা সোজা করে লিখে, ইউনিয়নটাকে রাউন্ড শেপে আগের শব্দটার ডানপাশ দিয়ে উঠিয়ে দিতেন। অমন করে চিকা মারতে উনিই শুধু পারতেন। আর আমি শিখছিলাম লেখার কৌশলটা। ক্লাসের খাতায়, হাতে লেখা পোস্টারে কিংবা মধুর টেবিলে চায়ের চামচ দিয়ে সারাদিন ট্রাই করতাম। শুধু দেয়ালেই আর লেখা হলো না।
আমি ত্রাণপ্রার্থী
ব্লগার মুরুব্বিগো কাছে আবদার, আমারে একটা রুটিন কইরা দেন। রুটিনে ৮ ঘন্টা থাকব ঘুম। ৬ ঘন্টা থাকব চরম বিতৃষ্নার কাম, সুশিল সমাজ যারে কয় "লেখাপড়া"(সাবজেক্ট হইতাছে পদার্থবিঞ্জান নামের মোটামুটি সুখাদ্য, রসায়ন কথিত রস-কষবিহীন আজরাইল, গনিত নামের কুখ্যাত মাস্তান এবং উদ্ভিদবিঞ্জান ও প্রাণিবিঞ্জান নামের খচ্চর দুই ভাই-বোন)। আর ৪ ঘনটা থাকব নেটে গুঁতাগুঁতির কাম। মুরুব্বিরা, বড়ই বিপদে পইড়া আপনাগ কাছে সাহাইয্যের আবদার লইয়া আইছি। কলম আর কাগজ লইয়া যুদ্ধ কইরা আইজকা আমি ক্লান্ত, বিধ্বস্ত, পরাজিত। কলমের কালি আর খাতার কাগজ নষ্ট কইরা জাতীয় সম্পদের ক্ষতি সাধন করাই সার হইছে, কিন্তু কুনো কাম হয় নাই। আমি জানি আপনেরা আমারে খালি হাতে ফিরাইবেন না(ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করলাম, হে…হে…হে…)। আমি আপনাগো ত্রাণের আশায় অপার হইয়া বইসা আছি…
নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ চার!
অনেক দিন পর আমি সকালে লিখতে বসলাম। রাতে রাতে লিখতে লিখতে এমন অবস্থা হইছে যে রাত ছাড়া লেখারই ইচ্ছা থাকেনা। কিন্তু সারাদিন এই চেচামেচির পরিবেশে থেকে, মাথা ব্যাথা আর মশার কামড় খেতে খেতে বিরক্ত লাগে। আর না লিখলে মনে হয় হুদেই লেখলাম না। এই জটিল পরিস্থিতিতে আজ সকাল সাড়ে সাতটাতেই ঘুম থেকে উঠলাম। চা বানাতে বানাতে ভাবলাম পোস্ট লিখে ফেলি। ক্লাস টেনে থাকতে আমার বাসার উপর তালায় থাকতো ক্লাস মেট মেধাবী ছাত্রী। আম্মু ফজরে উঠেই তার চেয়ার টানাটানির শব্দ শুনতো। আর আমাকে বলতো শান্ত উইঠা পড়, মেয়ে মানুষ হয়ে কত সকালে ঘুম থেকে উঠে! আমিও উঠে যেতাম। এইসব সকালে আম্মুর কথা খুব মনে পড়ে। এখন আর ভোরে ডাক দেয়ার কেউ নাই মায়ের মতো। যখন যতক্ষন খুশী ঘুমানো যায় বলার কেউ কিছু নাই। কিন্তু নিজেরই ঘুমাতে ভালো লাগে না।
গণজাগরণ এবং কিছু কথা
এই আন্দোলন কোন ব্যাক্তির নয়, কোন গোষ্টীর নয়, সমগ্র জাতির আন্দোলন।গত কিছুদিন পূর্বে জামাতশিবির চক্র সারাদেশে যে তান্ডব শুরু করেছিলো তা প্রতিরোধ করতে কোন ছাত্রসংগঠনের তেমন শক্ত কোন সাংগঠনিক তৎপরতা চোখে পড়েনি। ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন সহ প্রগতিশীল কোন সংগঠন ই কোন প্রতিরোধ গড়ে তোলতে পারেনি বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া। জামাত শিবির চক্রের এইসব তান্ডব প্রতিরোধে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দিকে থাকিয়ে খাকতে হয়েছে। এখন যখন সারাদেশের মানুষ জ্বেগে উঠেছে তখন সেই জাগরণ কোন ভাবেই স্থিমিত যাতে না হয় সেদিকে লক্ষ রাখুন। ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রলীগ সহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের যেসব বন্ধুরা এই আন্দোলনে একাত্বতা প্রকাশ করে গত ৬দিন থেকে শাহবাগে অবস্থান করে সারাদেশে যে জাগরণেরর সৃষ্টি করেছেন তার জন্য আপনাদের কৃতজ্ঞতা জানাই। দয়া করে কোন ব্যাক্তি বা গোষ্টী এই আন্দোলনে নিজেদের কতৃত্ব ফলাতে আসবেননা। যদি কোন কারণে এই সংগ্রাম এই ঐক্য বিনষ্ট হয় এই জাগরণ থেমে যায় মনে রাখবেন জাতি আপনাদের ক্ষমা করবেনা। এই আন্দোলনের উদ্যক্তাদের স্বার্থহীন ভাবে সহযোগীতা করুন। আমরা ধবধবে পোষাকের কোন নেতার বক্তৃতা শুনতে চাইনা, আমরা কারো আমিত্ব দে
...এ যেন, স্বপ্নের হাত ধরে কৃষ্ণপক্ষের রাত্রির অন্ধকারে অনন্তের পথে চলেছি আমরা
১৯৪৭-এ বিতর্কিত দ্বিজাতি তত্ত্বের আলোকে দেশ ভাগ, ’৫২ এর
স্বাধীনতার আন্দোলন, ’৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬ এর ছয় দফা আন্দোলন, ’৬৯
এর গণ অভ্যুত্থান, ‘৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা লাভ, ’৯০ এ স্বৈরাচার
পতন--এত রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ, আজ কোথায়, কোন অবস্থায় আছে !
কেমন আছে আমার দেশ, দেশের মানুষ, আমার মাতৃভূমি, আমার প্রিয় জন্মভূমি,
আমার স্বাধীনতা? এ ভাষা আন্দোলনের মাসে পরাজিত রাজাকার আর তাদের বংশধররা
কার বা কাদের সহযোগিতায় ’৭১ এর মানবতাবিরোধী, কুখ্যাত রাজাকারদের মুক্তির
জন্য আন্দোলন করে, দেশ ব্যাপী হরতাল করে ? কোথা থেকে তারা এত সাহস পায়?
পৃথিবীর কোন দেশ ধর্মীয় জাতি সত্ত্বার কারণে বিভাজিত হয়নি, শুধু ভারত
ছাড়া; কোন দেশে স্বাধীনতার যুদ্ধে পরাজিতরা মাথা তোলে কোনদিন দাঁড়াতে
পারেনি; শুধু বাংলাদেশ ছাড়া।
বিজ্ঞান ও সভ্যতার চরম উন্নতির এ যুগেও কোন কোন ধর্মীয় রাজনৈতিক
গোষ্ঠী বেহেস্তে যাওয়ার টিকেট বিক্রি করে। তাদের জেলে ঢুকালে বলে আল্লাহ
তাদের ঈমানের পরীক্ষা করছেন আর উকিলের মাধ্যমে জামিন বা মুক্তি পেলে
শাহবাগ থেকে ফিরে
শাহবাগ থেকে ফিরলাম।
শ্লোগানে শ্লোগানে কম্পিত আমি,, তোমরা।
মাথা ঝাঁকিয়েও সেই শব্দের সংকলন এড়াতে পারছি না, এখনও।
তেড়েফুড়ে বেরিয়ে আসছে............................
”বুকের ভেতর জ্বলছে আগুন
সারা বাংলায় ছড়িয়ে দাও”
বন্ধুরা,
সতর্ক হওয়ার সময় হয়েছে।সতর্ক হও।
শকুনেরা ঘৃণ্য রাজনীতির বিষে মাখামাখি নখর, রক্ত চক্ষু, ভয়ঙ্কর চিৎকারে
ঘরে -বাইরে পাখা মেলতে করেছে শুরু ।
বন্ধু
সতর্ক হও।
নষ্ট রাজনীতি সহজেই নিষ্ফলা করে দিতে পারে তোমায়,
আমার সংহতি, আমাদের শাহবাগ,
সংগ্রামী চেতনা।
বন্ধুরা সাবধান।