ইউজার লগইন
ব্লগ
আমার বই: কেলেঙ্কারির অর্থনীতি

আমি লেখক না, রিপোর্টার। সম্ভবত আমার কথা ভেবেই প্রমথনাথ বিশী বলেছিলেন, ‘না ভাবিয়া লিখিলে জার্নালিজম, ভাবিয়া লিখিলে সাহিত্য।’ আবার ড. আকবর আলি খানের বইয়ে আছে, ‘সাংবাদিক হচ্ছেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি নিজে যা বোঝেন না তা সবাইকে বুঝিয়ে বেড়ান।’
সেই আমি আবার একটা বই লিখে ফেলেছি। বইটি এখন মেলায় পাওয়াও যাচ্ছে। এর পেছনে ছোট একটা গল্প আছে। দীর্ঘদিন ধরে অর্থনীতির সাংবাদিকতা করি। এখন আর মাঠের রিপোর্টার না আমি। অফিসে বসেই বেশি সময় দিতে হয়। কিন্তু রিপোর্টারের মন, তাই না লিখতে পারলে শান্তি পাই না। মন ভরে না। এখন আমি না লিখলে অফিস ধরবে না। তবুও লিখতে চাই। মনে হয় আবার রিপোর্টার হয়ে যাই।
লিখতে চাইলে বাংলাদেশে বিষয়বস্তুর অভাব হয় না। কখনো শেয়ারবাজার, কখনো পদ্মা সেতু আবার কখনো হল-মার্ক। কিছু না কিছু থাকেই। সুতরাং আমিও লিখে গেছি, আরও লিখতে পারলে ভাল লাগতো। রিপোর্টারের হাতে এখনো মরচে ধরে নি।
নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ পাঁচ!
আজ সকালেই মামা চলে গেলো বাড়ীতে। যাবে জামালপুর সকালের ট্রেন অগ্নীবিনাতে। আমারো যাওয়ার কথা ছিলো কিন্তু এই ক্লাস টাস শাহবাগ অবরোধ ফেলে বাড়িতে যেতে ইচ্ছা করলো না। যদিও বাড়িতে যাওয়াটা খুব ইম্পোর্টেন্ট। তবে মামা এতো সাত সকালে গিয়েও পড়ছে ফ্যাসাদে। ট্রেন ছাড়ার কথা নয়টা ২০য়ে। কিন্তু এখনো ট্রেনের কোনো নাম গন্ধ নাই। সেই নভেম্বরে বাড়ি থেকে এসে আর গেলাম না। অথচ উত্তরবংগ, খুলনা এতো দুরে দূরে বাড়ী থেকেও লোকজন প্রতি মাসেই চলে যায় একটু সময় পেলেই। আর আমার বাড়ীতে যাওয়াই হয় না। আসলে বাড়ী আমার খুব যেতে ইচ্ছা করে। কিন্তু কাহিনী হলো বাড়ীতে এতো আদর যত্নের পরেও বারবার যখন মনে হয় আব্বু আম্মু আমার জন্য এতো কষ্ট করলো তাদের জন্য কি দিলাম? আমি কি করলাম জীবনে?
শোনা কথায় বইমেলা: ফেব্রুয়ারি ১০
বইমেলা, বই প্রকাশ, বই বিপণন, ব্যবসায়িক সাফল্য ইত্যাদি নানা বিষয় নিয়ে বিডিনিউজে/বাংলানিউজে রাখাল রাহা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ লিখেছেন। বাইরের দেশের প্রকাশনা সংস্থাগুলোর উদাহরণ দিয়ে তিনি বাংলাদেশের প্রকাশনা সংস্থার কিছু বিচার্য বিষয় আলোচনা করার চেষ্টা করেছেন। পাশাপাশি দেশ ও বিদেশের প্রকাশকদের অবস্থার তুলনামূলক আলোচনার পাশাপাশি এ দেশের প্রকাশকদের পূর্বের ও বর্তমান ধারার চিত্রও তুলনা করেছেন। এ আলোচনা থেকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিতে পারলেও অন্তত উপলব্ধি করা যায় যে, প্রকাশনা সংস্থাগুলোতে যে ধরনের পেশাদারিত্ব আমরা আশা করি, সেটা বাংলাদেশে অনুপস্থিত বললে অত্যুক্তি হবে না।
শুদ্ধতম ৩ মিনিট
জীবনের শুদ্ধতম ৩টা মিনিট পার করলাম আজ বিকেলে। এখন নিজেকে পৃথীবির বিশুদ্ধতম মানুষদের একজন মনে হচ্ছে। আমি সেই হতভাগাদের একজন যারা আজ শাহবাগে প্রজন্ম চত্বরে যেতে পারিনি। কিন্তু তারপরও আজ এই প্রথম নিজেকে বিকেলের তিন মিনিটের জন্য হলেও নিষ্পাপ, বিশুদ্ধ মনে হচ্ছিল। জীবনের আঠারটি বসন্ত পার করে এখন উনিশতম বসন্ত পার করার প্রস্তুতি নিচ্ছি, কিন্তু নিজেকে কখনোই আজকের মত নিষ্পাপ, কলংকমুক্ত লাগেনি।
আজকের তিন মিনিট শুধুমাত্র বাংলাদেশকে স্তব্ধ করে দেওয়ার তিন মিনিটই নয়, এ তিন মিনিট বাংলাকে, বাঙালীকে বিশুদ্ধ করার তিন মিনিটও বটে। অনেকে হয়ত প্রশ্ন করবে কি হবে তিন মিনিট নিরব থেকে? সাহিত্যিক, লেখক ইমদাদুল হক মিলনের সাথে গলা মিলিয়ে তাদেরকে বলতে চাই-" এগুলো করে কি হবে জানিনা কিন্তু এগুলো না করলে যে কিছুই হবে না তা যানি।" তাই কি হবে না হবে তার হিসেব না কষে আমিও দাঁড়িয়ে পড়েছিলাম পুরো বাংলাকে স্তব্ধ আর বিশুদ্ধ করতে চাওয়া মানুষগুলোর একজন হয়ে।
দায়শোধ- [৩য় পর্ব]
আমায় দিয়ে হয় না কিছুই;
নেই স্লোগানে নেইকো বসে থাকায়
নেই মিছিলে পোস্টারে নেই নেই কার্টুন আঁকায়!
বিক্ষোভে নেই, উৎসবে নেই, নেই জাগরণ গানে,
পথ হেঁটে যাই; কেবল দেখি- মানুষ সবই জানে!
তীব্র প্রতিবাদের সুরে এই ঐক্যের দেখা
এতেই থাকুক স্বপন আঁকা ভবিষ্যতের লেখা!
প্রকাশ যা হোক; এই জনতার আবেগটুকুন খঁটি-
আমায় দিয়ে কিছুই না হোক-
ভিড় বাড়াতেই হাঁটি!
[লেখাটা ফেসবুকে ছিল, ওখানেই থাকত শুধু। এই লেখাটা চোখে না পড়লে।]
ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১২
গত মঙ্গলবার থেকে আজ...
গত মঙ্গলবার বাসায় ছিলাম, ভেবেছিলাম কসাই কাদেরের ফাঁসির রায় শুনে আনন্দিত চিত্তে অফিসে যাবো, সেখান থেকে বইমেলা, এটাসেটা আরো অনেক কিছু...
হে সহযোদ্ধা, এবার দেখা হবে রাজপথে, শুধুই রাজপথে
জীবনটা সবসময় সুন্দর নয়। কিন্তু মাঝে মাঝে এত বেশি সুন্দর যে, তখন আবার মনে হয় এটা কি কোনো স্বপ্ন? প্রজন্ম চত্বরে স্বপ্নবান তরুণেরা এক অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছে। যে বিপ্লবের আগুন আজ দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়লো, এটা সমাজকে পরিবর্তন না করা পর্যন্ত নিভবে না। আমি হলফ করে বলতে পারি। সামনে আসছে নতুন দিন।
আজ ৮ম দিন চলছে। বিপ্লবী জনতাকে হাত করার বহু চেষ্টা এরই মধ্যে হয়েছে। চেষ্টা হয়েছে চোখ রাঙিয়ে তাদের ঘরে পাঠানোর। শিবির সপরিবারে হত্যার হুমকি দিয়েছে লাকীকে। ছাত্রলীগ পর্যন্ত সুযোগ বুঝে হাত উঠিয়েছে তার গাএ। এত কিছুর করেও লাকীর কণ্ঠের আগুনকে নেভানো যায় নি। নেভানো যায় নি প্রজন্মের সৈনিকদের বুকের আগুন। এ আগুন কোনো কিছু না জ্বালিয়েই নিভে যাবে, এ কথা আমি বিশ্বাস করি না।
প্রজন্ম চত্বর:: আজ বিকেল ৪টা থেকে তিন মিনিট স্তব্ধ থাকবে দেশ

শাহবাগের নবজাগরণ মঞ্চ থেকে গতকাল নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন ব্লগার ইমরান এইচ সরকার। তিনি বলেন, ‘যে যেখানে আছেন, কলকারখানা, গাড়ি বা রাস্তায়, মঙ্গলবার বিকেল চারটা থেকে চারটা তিন মিনিট পর্যন্ত দাঁড়িয়ে যাবেন। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে বাংলাদেশকে স্তব্ধ করে দেন।’
বিশ্বের যে যেখানেই থাকেন... যেই অবস্থায় আছেন... আসুন আমরা যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে ৩ মিনিট দাড়িয়ে প্রতিবাদ করি। এ আন্দোলন আপনার... আমার... আমাদের... দেশের...
কবিতা: ডায়ালগ থেকে সংলাপ
বাস্তবতার শানানো ছোঁরার আঘাতে আমরা অবাস্তব স্তব্ধ হয়েছি।
আমাদের কেটেছে বিষঁদাত, ছিঁড়েছে ভ্রান্তির নির্মম করাত।
আমরা এখন আত্মাকে ভয় পাই।
লোকে বলে: অবোধ পাগল।
আমরা এখন মিছিলে যাইনা, তবু
ঘন ঘন টি.এস.সি তে যাই।
অথচ মিছেলে গিয়েছি বলে আমরা জন্মকে চি-নে-ছি।
মিছিলে গিয়েই আমরা মৃত্যুকে চি-নে-ছি।
স্লোগানে শিখেছি; ‘মৃত্যুর নামই বেঁ-চে-থা-কা’।
অথবা জন্মের অপর নাম মৃত্যু।
আমরা মিছিলে গিয়েই সম্ভবতঃ মিছিল চিনেছি।
অখন্ড মিছিলকে খন্ড খন্ড দেখেছি।
রক্ত দেখেছি।
রক্তের নৃত্য দেখেছি।
লাশ হতে দেখেছি।
শিক্ষা পেয়েছি।
আমাদের শিক্ষা দোলে ইতিহাসের রোদ্দুরের ভেতর।
আমাদের শিক্ষা দোলে কালের বহমান স্রোতের আলোয়ার ভেতর।
আমরা এখন মিছিলে যাইনা।
পার্কে যাই।
ডেটিং করি।
চিঠি লিখি।
ভালোবাসা চাই।
ভালোবাসা চেয়ে চেয়ে পরিবর্তিত হয়েছি।
অসম্ভব মৃত হয়েছি।
অথবা দ্বিতীয় জন্ম পেয়েছি।
এভাবেই দ্বিতীয় জন্ম আমাদের মৃত্যুর দিকে টানে।
আমরন মৃত্যু।
অথচ আমাদের বেঁচে থাকা প্রয়োজন।
অথচ আমাদের মিছিলে যাওয়া প্রয়োজন।
অথচ আমাদের অশ্লীল সংলাপে আবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।
গ্যালাক্সি এস!
ছেলেটা বড় হয়েছে খুব আদরে। চার বোনের পর এক ভাই। বোনেরা মোটামুটী অনেক বড় বড়। তাই বোনদের ভালোবাসায় আর দুলাভাইদের আশকারাতেই তার কিশোর বেলা কাটছে। হুট করে ছেলেটার বাবার চাকরী থেকে অবসর। তল্পি তল্পা গুটিয়ে বাড়ীতে থাকা। ছেলেটা তার বোনদের বাসায় থাকার জীবন শুরু। চারবোনের ভিতরে তিনবোনই বিরক্ত তা নিয়ে। যদিও ভাগ্নে ভাগ্নিরা মামা বলতে অস্থির। থাকার জায়গার বড় অভাব। যাত্রাবাড়ীতে থেকে প্রতিদিন কমার্স কলেজের ক্লাস চলে ইন্টারমিডিয়েটের। কাক ডাকা ভোরে যায় আর রাত করে বাসায় ফিরে। দুপুরে সিংগারা খেয়েই কাটাতে হয়। আরেকবোনের বাসা নিকুঞ্জ। সেখানেও কিছুদিন আস্তানা গড়ে। কিন্তু কোথাও স্থায়ী না। সেই সময় নিকুঞ্জতে দুটা ভালো টিউশনী পেয়ে যায়। টাকা পয়সার কিছু মুখ দেখে জীবনে আনন্দ খুজে পায়। ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দেয় যাত্রাবাড়িতে থেকেই। পরীক্ষার শেষ হয়। বন্ধুরা তখন তারা নানান ট্যুর প্ল্যানিং নিয়ে ব্যাস্ত। সে চলে যায় বাড়িতে। বাড়ীতে থাকার কারনে পড়াশুনা কিছুই হয় না আর। বন্ধু বান্ধবের আড্ডা ছাড়া টিভিতে আর লুকিয়ে সিগারেট খাওয়াতেই তার আনন্দ। রেজাল্ট বের হয়। ফলাফল বেশী ভালো না। ঢাকায় এই ভাবে অস্থায়ী থাকাথাকির উপরে জেদ করে সে আর
কবিতা: দোলাচল
দোলাচল
(চেনা-অচেনা-আধোচেনা প্রেক্ষিতের ভেতর গতির সাতকাহন)
আমাদের স্বপ্নের বিরান ক্ষেতে অঙ্কুরিত হতাশার চারা
অনাবিল চলমান বাতাসে দোলে
আর পঁচে যাওয়া বীজগুলো যায় মিশে
ব্যর্থ স্বপ্নের বুকে
নীলিমার নিবিড়তাকে পেছনে ফেলে হয় একাকার
তবু আজও অন্তহীন তিমির অনুভব
যেনবা রাত্রির নক্ষত্র
করুণ আর্তনাদকে দেয় মুছে
গভীরের প্রীতিবোধ- জোৎস্নার পতিত জ্যোতি
আমরা অপেক্ষাতুর তাই
এইসব শস্যহীন পৃথিবীর মাঠে- ইতিহাস সৈকতে
কেননা খসাতে চাই স্বপ্নের লাগাম
ভালোবেসে তুমুল বাজাতে চাই বেদনা আর্তির গান
তবুও আকাঙ্খার মাঠ থেকে সহসা তাড়াতে চায়না সময়
০১/০১/৯৯ ইং।
বাংলা ভাষার উৎসব ২০১৩ ঃ ভাদ্র ভাসান...
বাংলা ভাষার উৎসব ২০১৩ উপলক্ষ্যে জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভাষা সৈনিক আব্দুল জলিল, ভাষা সৈনিক অধ্যক্ষ তমিজ উদ্দিন, গবেষক ড. সফিউদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী, সাবেক বিচারপতি সিকদার মকবুল হক, ছড়াকার রফিকুল হক দাদু ভাই, কবি রবীন্দ্র গোপ--গুণীজনদের উপস্থিতিতে শাশ্বত স্বপন রচিত গল্পগুচ্ছ ‘ভাদ্র ভাসান’ বইটির মোড়ক উন্মোচন করছেন কবি মহাদেব সাহা ।
বন্ধ হোক ধর্মের নামে অর্ধমভিত্তিক রাজনীতি
এই র্ধম ভিত্তিক রাজনীতিটা ধর্মের নামে অন্যায়,বিবাদ, জাত বিদ্বেষি মনোভাব ,পবিত্র কোরানী শাষনের নামে অহেতুক হত্যাকান্ড,আত্মঘাতী যা সব ধর্মের জন্য ঘৃনিত অপরাধ, এই সব করে আর এই জন্য এদেরি এটি নিষিদ্ধ করা খুবই প্রয়োজন।অতচ তাদের নেতারা ধর্ষক অবস্তানে থেকেও তাদেরকে পীর মেনে আসছে ,যেন অসুরের নেতা অসুর.. আর এটি হচ্ছে তাদের আসুর ভিত্তিক রাজনীতি।।
পরান আমার শাহবাগে এখন যেন মরে ও শান্তি পাব
শাহবাগ সে যেন পরানের পরান ,আমি তো জানি না রাজনীতি শুধু ভালবাসতে জানি দেশ ও মানুষকে।
যারা ভালবেসেছে তারা সবাই এসে মিলেছে শাহবাগে ,পরান চত্বরে এই ভালবাসা মানুষে মানুষে যার বিবেক জাগ্রত হয়েছে, জাগ্রত হয়েছে যার চেতনা-অনুভূতি।আজ বড় আনন্দের দিন সে কতদিন পরে দেখেছি মানুষের ডাক,এত দিন জানতাম মানুষ তার হারিয়েছে..
তা আজ মিথ্যে হয়ে গেল,,,
মানুষের ডাকে মানুষ এ সেছে .......তাই যত পশু ছিল তারা গেল তলিয়ে।
জয় শাহবাগ,জয় পরান,জয় হোক ভালবাসার।।
একলা চালা, ছেঁড়া চাদর, বন্ধু আসার নয়া খবর
"ভাঙা চালায় হাওয়া আসে, হাড় কাঁপুনি শীত
দুয়ার খুলে শুনতে পাই, বন্ধু আসার নয়া দিনের গীত।"
মলয়দা'র লেখা গান। লেখার শিরোনামটাও এই গানেরই একটা লাইন। মলয়দা' একজন প্রাণের মানুষ ছিলেন। তার ছোট-খাটো ভুড়িটার ওপর তবলার ঠুক-ঠাক করতে আমার এবং আমার জিরাফের খুবই আমোদ লাগতো। বয়সে বড়; তবুও বন্ধু আগে, পরে বড়ভাই। সেই মলয়দা' আজ নেই। যতবার মনে পড়ে, বুকের ভেতর খা খা করে। কক্সবাজারে থাকতেন জীবনের শেষ দিনগুলোতে। সেখানকার এয়ারপোর্ট রোডে এখনো উনার হাতে লেখা একটা চিকা আছে। ছাত্র ইউনিয়ন। ছাত্র শব্দটা সোজা করে লিখে, ইউনিয়নটাকে রাউন্ড শেপে আগের শব্দটার ডানপাশ দিয়ে উঠিয়ে দিতেন। অমন করে চিকা মারতে উনিই শুধু পারতেন। আর আমি শিখছিলাম লেখার কৌশলটা। ক্লাসের খাতায়, হাতে লেখা পোস্টারে কিংবা মধুর টেবিলে চায়ের চামচ দিয়ে সারাদিন ট্রাই করতাম। শুধু দেয়ালেই আর লেখা হলো না।