ইউজার লগইন
ব্লগ
স্বগতোক্তি (প্রবাহমানতা -৩)
স্বগতোক্তি ( প্রবাহমানতা-৩)
এই পৃথিবীর সুখহীন নীড়ে..
"বাদী" বলে না হয় হোক পরিচয় ,
অনেক মামলা রয়েছে ঝুলে..
"বিবাদীর" মুখে কত কথা রয় ।।
তিমিরের মতো কালো আঁধারে
আলো খুঁজিবারে সাহস কোথায় ?
কথা ভেঙে কত কথা পড়ে রয়..
কৌশলীর হাতে আঁধার ঘনায় ।।
সাজা আছে মোর অনেক প্রাপ্য
তাইতো মাথা নুয়ে আছি গো ...
মন বেঁধে যদি সাজা দিতে চাও
দাও সাজা দাও, আমি চুপ রব ।।
প্রতিটি জীবন পুঁতির মতো..
মালা গেঁথে রই, লাগালাগি করে,
আমিও তার বাহিরে নইগো..
বেঁচে আছি অনেক জীবন ধরে ।।
ছোট-বড় সব জীবন মিলিয়ে..
বেঁচে থাকি আমি পাথরের মতো,
ঝড়ো হাওয়া বহে, ধুলি উড়া পথে..
ছায়া ছায়া হয়ে বাড়ায় ততো ।।
কিছু প্রশ্ন, ছায়া হয় হোক..
তাই বলে কি সব ভোলা যায় ?
জীবনের খোঁজে জীবন আছে গো..
বন্দর ছেড়ে দুর পাড়ি দেয় ।।
তবু বন্ধনা চলে জীবন সংগীত,
কোলাহলে মাতে মনের নুপুর,
প্রতিটি মানুষ নিজ নিজ পথে
পাড়ি দেয় নিয়ে অজানার সুর ।।
ঋণগ্রস্থ
ধার করে আর কতদিন চলা যায়?
আজ এরকাছে, কাল ওর কাছে
ধার করতে করতে পৃথিবীশুদ্ধ ডুবে গেছি
গলা সমান ঋণে।
কারো কাছ থেকে কথা ধার করি
কারো কাছ থেকে স্বপ্ন
বুনট শব্দের আদর কিংবা আলস্যের স্বরলিপি।
এখন আমার দুনিয়াশুদ্ধ পাওনাদার
তারা তাড়নাবিহীন দৃষ্টিতে
কেবলই আমার পেছনে দাঁড়িয়ে থাকে ঠায়
পাক্কা কাবুলিওয়ালা সেঁজে ঝুলিভর্তি এগিয়ে দেয়
আগ্রহের সকল রসদ।
আমি বিনাসুদে ধার নেই জল, জনশূন্য পথ
অদ্ভুত সৌকর্যময় জীবনযাপন, আর
এখানে ওখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা
একা একা রাত।
আর করতে করতে আমি ডুবি-ভাসি ঋণের পাথারে
তবু ধার নেই, তবু হাত পেতে চলা
যেন মন্দ্র সমূদ্রের মন্ত্রমুগ্ধ পাড়ে
ওদের ধারের আমি এক চিরস্থায়ী প্রাপক।
(১৯.০৩.১১{c}MNI)
এঞ্জেলিনা জলি পরিচালক, ছবির নাম ইন দ্য ল্যান্ড অব ব্লাড এন্ড হানি
আমাদের জলি আফা। কামিং হোম দেখে জন ভয়েটের অভিনয়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম। অস্কার পাওয়া সেই জন ভয়েটের মেয়ে এঞ্জেলিনা জলি। অরিজিনাল সিনের মতো হট-হাট সিনেমা যেমন আছে, তেমনি আছে মাইটি হার্ট আর চ্যাঞ্জেলিং এর মতো সিনেমা।

সেই এঞ্জেলিনা জলি অবশেষে পরিচালকও হলেন। তিনি একটি ছবি পরিচালনা করেছেন, মুক্তিও পেয়েছে, এবং আমি দেখেও ফেলেছি।
ছবিটার নাম ইন দি ল্যান্ড অব ব্লাড এন্ড হানি। শুরুতে ছবিটা নিয়ে আমার তেমন কোনো আগ্রহ ছিল না, উচ্চাসাও না। তবে দেখার পর লিখতে আগ্রহ বোধ করছি। মনে হচ্ছে সবাইকে বলি আপনারাও দেখেন।

এঞ্জেলিনা জলি জাতিসংঘে বসিনিয়ার শুভেচ্ছা দূত। সেখানে যাওয়া আসার মধ্যেই তিনি কাছ থেকে দেখেছেন বসনিয়াকে। সিনেমার পটভূমি বসনিয়ার যুদ্ধ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। গল্পটা এঞ্জেলিনা জলির নিজের লেখা।
ভালবাসার দুর্বলতা
প্রিয় লেখকের একটি উক্তি দিয়েই শুরু করি "অধিকার ছাড়িয়া দিয়া অধিকার রাখিতে যাইবার মতো এমন বিড়ম্বনা আর নাই"।
অধিকার অনেক কষ্টে পাওয়া অমূল্য ধন । আমরা কেউ ই আসলে যন্ত্র নই। যে সব কিছু সিমুলেশন করে ছেড়ে দিলে আপনা-আপনি নির্ভুলভাবে চলবে । আমাদের সবার মন নামক একটা অবুঝ প্রত্যঙ্গ আছে, যাকে কক্ষনোই কোন যুক্তি তর্ক দিয়ে মানানো সম্ভব না ।জন্মগতভাবে আমরা সবাই আবেগী । কারো আবেগের প্রকাশ অনেক দ্রুত, কারো একটু ধীর। যাদের আবেগ অনেক তীক্ষ্ণ তারা যেকোন ব্যাপার খুব দ্রুত বোঝে বা খুব দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায় । আর যারা ধীর তারা সবকিছুতেই স্লো। এর অর্থ এই না যে তাঁর আবেগ কাজ করেনা । সে সবই বোঝে কিন্তু একটু দেরিতে। আর এই ব্যাপারটাকে যদি আমরা তাঁর অপূর্ণতা হিসেবে ধরেনেই তবে তাই । সবার সব যোগ্যতা থাকে না । আর এই অযোগ্য মানুষটিই যদি পরম ভালোবাসার কেউ হয় তাহলে , এই অযোগ্যতা সহজেই উপেক্ষা করা যায় । ভালোবাসার মানুষের জন্য সময় কোন ব্যাপার না। ভালোবাসায় যাই হোক না কেন কক্ষনো এমন অবস্থা আসতে দেওয়া উচিত না যাতে পরে "অনুশোচনার হাড়ি নিয়ে বসলে ওঅতীতকে বদ্লানো যাবে না" টাইপ কথা মনে জাগে ।
ভ্রান্ত নায়ক
"আমি তো আসল হিরো চিনি, আমি তো জানি কার শরীরে রক্ত ভাঙা ঘামের গন্ধ, কার চেহারায় ত্যাগ লেখা আছে, আমাকে ধুন-ফুন বুঝায়া তো লাভ নাই।"
১৮ বছর বয়স
ছেলেটি বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। আদরে আদরে মানুষ হচ্ছে। গরিব মা-বাবা এই একমাত্র সন্তানের কোনো আবদারই অপূর্ণ রাখছেন না। তবে ছেলেটি লেখাপড়ায় ভালো। কিন্তু বাস্তব-জ্ঞান মোটেই ভালো নয়।
গ্রামে থেকে এসএসসি পাস করেছে জিপিএ ফাইভ নিয়ে। মা-বাবা বহু স্বপ্ন নিয়ে ছেলেকে ভর্তি করালেন ঢাকার নামকরা কলেজে। এইচএসসিতেও সে জিপিএ ফাইভ পেল। বহু স্বপ্নের একটা স্বপ্ন ছিল--ছেলে বুয়েটে পড়বে। কিন্তু ইংরেজিতে এ প্লাস না থাকায় সে বুয়েটে আবেদনই করতে পারল না।
এসব কোনো ব্যাপার না। ব্যাপার অন্য। প্রাইভেট-কোচিং মিলিয়ে ২ বছরে ছেলের জন্য খরচ হয়ে গেল ৭-৮ লাখ টাকা। ছোট চাকরিজীবী বাবা-মায়ের বেতন পুরোটা তো খরচ হয়েছেই।অবধারিতভাবে ঋণও করতে হয়েছে অনেক। বেতনের পুরো টাকা ছেলের জন্য পাঠিয়ে তাঁরা কী খেয়ে-পরে কাটিয়েছেন সে এক রহস্য।
বুয়েটে আবেদন করতে পারেনি তো কী হয়েছে, ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর তো ছিল। ছেলেটি সেগুলোতেও চান্স পেল না। এটাও ব্যাপর না। চুয়েট-কুয়েট-রুয়েট...তো আছে এখনো। মা-বাবা আশায় বুক বাঁধেন। ছেলেটিও।
কাহিনি এটা নয়।
চোখ
ধরা পড়ে গেছি তোমার চোখে। আমি একশো বার নিশ্চিত হয়ে বলছি, ধরা পড়ে গেছি তোমার চোখের ফাঁদে। নিজেকে হারিয়ে ফেলেছি ওই চোখের গভীরে।
সত্যি বলছি, তোমার চোখের দিকে আমি তাকাতে পারি না, চোখে চোখ রাখলেই আমার ভেতরে কি এক অস্থিরতা শুরু হয়, মনে হয় আমি বুঝি ডুবে যাবো এখনই। সত্যি বলছি ক্রন্দসী কন্যা, মনে হয় আমি নিঃস্ব হয়ে যাবো আরো একটু তাকালে। কি আলো ঝরে চোখ দুটি থেকে, মনে হয় সে আলোয় তুমি দেখো ফেলো আমার সব। আমায় কিনে নিচ্ছো বিনিময় ছাড়া।
পৃথিবীতে আমি আরো বহু চোখের ওপর রেখেছি চোখ, কখনও এমন মধুর ঝড়জলে ভাসি নি। কি নেশা চোখ দুটিতে, একবার তাকোলে আর তাকাতে পারি না। চোখ কখনও এমন নেশার হতে পারে ধারণাও ছিলো না। কি যে নেশা। কি মায়া চোখের ছায়ায়, খুব ইচ্ছে করে চোখ দুটিতে রেখে আসি বাড়ি ফেরার পথ। আমার ভোরবেলা। আমার ঘুমপাহাড়। যা যা আমার সব রেখে আসি চোখের ভেতর। কন্যা সত্যি করে বলো তো তোমারও কি এমন হয়?
আমি তুমি (প্রবাহ মানতা-২)
আমি তুমি আর মন ( প্রবাহমানতা-২)
আমি তুমি আর সবাই হলেম
ওই আকাশের মুক্তোমালা
হেসে হেসে কাঁদি, কেঁদে কেঁদে হাসি
ভেজাই মোদের দুঃখের জালা ।
ভিজিয়ে রাখি, যতটুকু পাড়ি
পাছে যদি আবার না ভূলে যায়,
যোগ-বিয়োগের নানা রূপতলে
হাজার সুখের নদী সাতরায় ।
সাঁতরে সাঁতরে বহুদুর যায়
এক অজানার আলোহীন পাড়ে,
নিঃসঙ্গ যখন জড়িয়ে ধরে
মন বলে আছি তোমার ধারে ।
আমি আর মন, মন আর আমি
দু'জনে মিলে খুনসূটি করি
একটি নদীর দু'কুল ধরে
জোয়ার-ভাটার জল মেপে ভরি ।।
প্রবাহমানতা
প্রবাহমানতা
জীবন নিয়ে জীবন খেলা
ভাসাই মোরা রংঙের ভেলা,
নানান রংঙের দেশে ...
পাগলা মনের খনিক চাওয়া
মন-মাতানো দক্ষিন হাওয়া ,
স্রোতের সাথে মেশে ।
চলতে গিয়ে হোঁচট লাগে
বুকের মধ্যে ব্যাথা জাগে,
তবুও তো নেই বসে ..
আশা আলোর হাতটা বাড়ায়
স্বপ্নচারী এসে দাড়ায়,
সপ্ত তারা খসে ।
কি অভিমান গুমড়ে কাঁদে
কোন সে ব্যাথা গোপন খাদে,
সব ফেলে দাও ঝেড়ে..
মনটা করো পাখির মতো
(তাহলে) দুর অজানা সাথি হতো,
ক্লান্ত সময় ছেড়ে ।
ভালবাসার এক এক ধরন
তার ভিতরে কত মরন,
সময়টাকে মেপে..
কেউ হয়তো পেয়ে হাসে
কেউ বা আবার দুঃখে ভাসে,
মুখে হাসি লেপে ।
তাই বলে কি মন ছোঁব না
ওগো আমার সু লোচনা,
পদ্ম হাতে নিয়ে..
যে যার খুশি বলে বলুক
হৃদয়টা ওর পথে চলুক
নব রত্ন দিয়ে ।।
দেশ-দেশান্তর (দুর্যোগ, উৎসব)
ঝড়
৩১ শে অক্টোবর। আজ সকাল সাড়ে সাতটায় ঘর থেকে বেড় হয়ে দেখি শোঁ শোঁ বাতাশ, মুষল বৃস্টি, মধ্য রাতের অন্ধকার। স্যান্ডি তার ঝড়ের মেজাজ নিয়েই আছে, ধার কিছুটা কমেছে এই যা। হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ির লাইন, মানুষ প্রকৃতিকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে নিজেদের কাজে বেরিয়েছ। গতকাল সাড়াদিন আবহাওয়া চ্যানেলে তাকিয়ে ছিলাম, মেজ কন্যার জন্য দোয়ায় ছিলাম, তারা থাকে ম্যানহাটনে, স্যান্ডির তান্দব্ লীলার ঠিক মধ্যখানে। সকালে জানলাম না তাদের খুব বেশি কিছু হয়নি, তারা ভালোই আছে। আজ সকালে টিভিতে দেখছি নিউ ইয়র্কে ফুঁসে ওঠা সমুদ্রের ঢেউ এর মাঝে সার্ফিং করছে বেপরোওয়া কজনা!! লন্ডভন্ড পথঘাট, ভাঙ্গাচোড়া গাছপালা, ঝিমিয়ে পড়া ম্যানহাটন থেকে উন্মত্ত ফনাতোলা পাহাড়সম ঢেউএর সাথে পাঞ্জালড়া মানুষগুলো আমাদের মুগ্ধ করলো।
আ-কি-হ
আ-কি-হ = আমি কি হলামরে হইলো মুই কি হনুরে এই রোগের মর্ডান ভার্সান। যাহাকে অন্তত জলিল ভাইয়ের ইংলিশে “সিকিং এটেনশন ডিসঅর্ডার” ও বলা হইয়া থাকে। আমরা অনেকেই এই রোগে অল্প বিস্তর আক্রান্ত। আজিকে ইহার লক্ষন ও প্রতিকার নিয়া আলোচনা করিবো প্রিয় পাঠকরা, ধৈর্য্য ধরিয়া বসুন, বিজ্ঞাপন বিরতিতেও টিভির রিমোট ঘুরাইবেন না। যাহা মিস করিবেন তাহাই মিস হইয়া যাইবে। মিসকে মিসেস করিবার আর সুযোগ পাইবেন না।
ব্লগানি
শব্দের চে' ভালো নীরবতা
অক্ষরের চে' শূন্যতা অধীর হয়েছে পাতা জুড়ে...
এক.
বহুদিন ব্লগে লেখা হয় নাই। বহুদিন ব্লগ লেখা হয় নাই। ব্লগাঞ্চলে লেখালেখি মানেই যেনো অনেক সময় সাপেক্ষ উপলক্ষ্য। এমন এক আরোপিত আচরণে আটকা পড়ে আছি। সময়ের যে খুব টানাটানি তা কিন্তু নয়! তাও কিছু লেখা হয় না। লেখার আগেই মনে হয়, হয়তো এইখানে লেখার মতোন মানসিক অবস্থা আমার নাই। এর চে' ভালো হয়তো অনলাইন নিউজে ডুবে থাকা। আপনমনে হাসাহাসি। দেশ ও দশের অবস্থার পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন নিয়ে চোখ বুজে স্বপ্ন দেখা কখনো; কখনো বা সবকিছু ভুলে গিয়ে মনহীনতার স্তরে ঘোরাঘুরি।
কবিতা: তমা, তোমার চাহনিতে
আমি আজো আমৃত্যু-চঞ্চল মরুর পথের রথি; চলি ছুটে
অ্যাপোলোর সূর্যরথে আহোরন করে সহস্র জনম আগে,
আমি আজো চলেছি জ্বলে পুড়ে হৃদয় আত্মা; বড় ব্যাথা জাগে,
রাত্রি’ আঁধারে, তমা, থাকো কি জেগে? তব চোখে সব ব্যাথা টুটে।
যেমন সহস্র রাত্রির তারাদের ব্যাথায় চন্দ্রের উত্থান;
যেমন মরুর তপ্ত বালুতে জলের প্রবাহ; ঝর্ণার জয়,
অথবা লক্ষ বছরের জীবন্ত অগ্নিগিরি যাতে সুপ্ত হয়,
তমা, তোমার চাহনিতে, চোখের তারায় হৃদয় স্বর্গদ্যান।
তারপর কোন একদিন চাঁদনীতে হবে চোখে চোখে কথা;
হৃদয়ের ভাষা পারবে কি বুঝতে চন্দ্রের আলোয়? কী সেই ব্যাথা!
১৫-২৯/১০/২০১২, ঢাকা।
হে অজ্ঞ, প্রণয়-প্রবণ!
লুক্কায়িত আছো তুমি আঁধার-স্বপ্ন ভেঙে
কেন মিছে মুছে নিয়েছো দীর্ঘশ্বাস?
ছড়িয়ে ছিটিয়ে কোমল রোদ
জ্বালা বুকে উঠে আসে
তুমি কি মিথ্যার লোবানে নিয়েছো শপথ?
নিষিদ্ধ তারকারাজি খসে পড়ে মলয় দৈবাৎ।
এমন ব্যর্থ স্নান হৃদয় রসে ভরে
কেন ছুটে গেলে বিধুর দূরন্ত প্রতাপ
ক্ষণিক জেগে উঠে আবারও করো যদি গভীরে ভ্রম
উত্তর জানা নেই তার আর
হবে সুদূরে গহীন বিভাজন -
হে অজ্ঞ প্রণয়-প্রবণ!
সেরা ছবির সেরা তালিকা
সেরা ছবির অনেকগুলো তালিকা আছে এখানে। ব্রিটিশ ফিল্ম ইন্সটিটিউটের প্রকাশনা সাইট অ্যান্ড সাউন্ড তালিকাগুলো করেছে। এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, মূল তালিকার বাইরে আরেকটি তালিকা আছে। কারণ মূল তালিকায় ১৯৬৮ সালের পর আর কোনো ছবি স্থান পায়নি। ফলে ১৯৬৮ সালের পর মুক্তি পাওয়া ছবিগুলো থেকে আরেকটি সেরা ছবির তালিকা করা হয়েছে।

সাইট অ্যান্ড সাউন্ড ১৯৫২ সাল থেকে প্রতি ১০ বছর পর পর বিশ্বের সেরা চলচ্চিত্রের একটি জরিপ করে। এখানে ভোট নেওয়া হয় বিশ্বের বড় বড় পরিচালক ও সমালোচকদের। এ কারণে এই জরিপটির একটি গ্রহনযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। ১৯৫২ সালের প্রথম জরিপে সেরা চলচ্চিত্র হয়েছিল ভিত্তোরিও ডি সিকোর বাইসাইকেল থিভস। এরপর থেকে প্রতিবারই প্রথম স্থানে ছিল অরসেন ওয়েলস-এর সিটিজেন কেইন।
