ইউজার লগইন
ব্লগ
ভুতুড়ে হাতের ছায়া
জাস্ট একটা হাত, শরীর নেই, মাথা নেই...
হঠাৎ নেমে এলো ব্যস্ত রাস্তার ব্যস্ততা এড়িয়ে...
যেখানে ধাতব প্রজাপতি স্থির হয়ে...
যেখানে ধাতব প্রজাপতি স্থির হয়ে,
স্থির চোখে গিলে ফেলে
কালো ধোঁয়া, শব্দ দুষণ আর মানুষের শরীর;
ঠিক সেখানেই...
আধো অন্ধকার ভেদ করে নেমে এলো
শুধু একটা হাত
শরীর নেই, মাথা নেই, পা নেই
শুধু একটা হাত
প্রজাপতির ডানা ঝাপটানোর মত নেমে এলো,
আর নিমেষের জাদুতে
অদৃশ্য হয়ে গেলো হাতে থাকা মুঠোফোনের শব্দময়তা
বিস্মিত, দুঃখিত এবং ভীত চোখে তাকিয়ে থাকা সঙ্গিনীর
বিবিধ দুঃস্বপ্নের অনুষঙ্গে যোগ হলো
ভুতুড়ে হাতের ছায়া...
ভালো বাসার আকাল পড়েছে
একটা ভালো বাসা খূঁজে হয়রান হয়ে যাচ্ছি গত দু’সপ্তাহ ধরে।এদিক হলে ওদিক হয় না।বাসার লোকেশন পছন্দ হলে বাসা পছন্দ হয় না।বাসা পছন্দ হলে গ্যাস সংযোগ থাকে না।গ্যাস সংযোগ থাকলে ভাড়া আকাশ ছোঁয়া।পানির সমস্যার কথা বিবেচনায় আনাই যায় না।কারণ কোনো বাসাতেই ২৪ ঘন্টা পানি দেয়ার ব্যবস্থা নেই।বেশির ভাগ বাসাতেই দু’বেলা পানি।আর যারা আরও আধুনিক তাদের একবেলা পানি।গত দু’সপ্তাহে ১২ টা বাসা দেখলাম।দুইটা মোটামুটি নেয়ার মতো পছন্দ হয়েছে।কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হলো একটা বাসাও নিতে পারিনি।দখিণের বারান্দা চাইনি।ঘরের দেয়ালে আকাশ রং চাইনি।চাইনি তেমন কোনো চাকচিক্য।তারপরও পাইনি।
দুই বেড রূমের একটা বাসার ভাড়া যখন ১৮ হাজার টাকা বলল,গ্যাস বিল,কারেন্ট বিল ছাড়া-আমার মনে হয়েছে আমার মাথার ভেতরে একটা চক্কর দিয়েছে।কেন যে বাসাটা পছন্দ হলো তা নিয়েই হা হুতাশ করছিলাম কিছুক্ষণ।
আর একটা বাসা-এক বেড,গ্যাস সংযোগ নাই,বারান্দা নাই,পানি একবেলা, ভাড়া ১২হাজার টাকা।এডভ্যান্স ৫০ হাজার টাকা।
দশ এগার বার
আজ অনেক দিন পর ব্লগে বসা। একদমই সময় করতে পারি না। এবি আমাকে ডাকে, আমি আসতে পারি না। বন্ধুরা আড্ডা দেয়, আমার থাকা হয় না। হঠাৎ হঠাৎ উঁকি মারি ব্লগে। একটু স্থির হতে পারি না। নতুন অফিস। কাজ-কর্ম গুছিয়ে উঠতে উঠতে দিন শেষ। প্রতিদিন ভাবি, আজ ব্লগে বসব, বসা কিন্তু হয়ে উঠে না। আমার অফিস টাইমটা বিচিত্র। যদিও সেটা মেনে চলতে পারি না। সকাল ঠিক দশটার মধ্যে আঙ্গুলের ছাপ মেরে অফিসে ঢুকতে হয়। দুপুর বারোটা নাগাদ ফ্রি হয়ে যাই। তারপর বাসায় যেয়ে দুপুরের খাবার টাবার খেয়ে আবার চারটার দিকে অফিসে আসি। রাত আটটা-নয়টা নাগাদ থাকি। যাবার সময় অফিসকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাই মানে আবারও থাম্ব ইম্প্রেশন দিতে হয়। জয়েন করার দিন দশেকের মাথায় একটা বড় ইভেন্ট করতে হল। এক দুদিনের হলে কথা ছিল। পুরো সপ্তাহ জুড়ে। বই মেলা, ছবি আঁকা, লিখন-পঠন কর্মশালা, ছড়া পাঠ, কবিতা পাঠ, পাঠ উন্মোচন... এইসব করতে করতে জান শেষ।
তুমি আমার.. [কবিতা / গানের কথা!]
তুমি আমার দিন প্রতিদিন,
আপনমনের পথ টি চলা..
ক্লান্ত দুপুর;
অলস বিকেল,
হাওয়ার সাথে কথকতা..
তুমি আমার;
রাত্রি জাগা আড্ডা প্রহর,
রাত বিরেতে আনমনা মন..
ভোরের ঘুমে স্বপ্নছোঁয়ায়,
আলতো হাসি..
চোখের কোণে,
না দেখা কোন ফুলের রাশি..
তুমি আমার শীতের সকাল;
ভাপার ঘ্রাণে ঘুম ভাঙা,
আর একফালি রোদ..
তুমি আমার,
বর্ষাকালের অঝোর শ্রাবণ..
জল ভেজা পথ;
বৃষ্টি গায়ে,
শিরশির বুক..
ঠাণ্ডা হাতে;
চায়ের কাপের উষ্ণতাতে,
অপূর্ব সুখ..
তুমি আমার বসন্ত দিন,
সজীব প্রানে নতুন কুঁড়ি..
বিকেল হাওয়ায়;
হরেক ফুলের পাপড়ি মাঝে,
ভালোবাসার গান..
তুমি আমার;
কালবোশেখি ঝড়ের রাতে,
মুগ্ধ প্রহর -
হারিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে হঠাৎ..
তুমি আমার;
হঠাৎ সুখে,
আনন্দ ক্ষণ..
একটু কথায়;
খুব অভিমান,
জল ধরা চোখ..
তুমি আমার;
রাগ ভোলা দিন,
অবিশ্বাসের দুঃখ স্মৃতি..
বিষণ্ণতার সময় শেষে;
একটু হাসি,
উচ্ছ্বসিত প্রান..
তুমি আমার
স্বপ্ন আঁকা;
তোমার চোখে
আমায় দেখা,
আমার আমি..
দিনযাপনের দুঃখ সুখেতে;
পথ হারা পথ,
স্বপ্ন চোখে আকাশ মাখা -
ভালোবাসার গান..।।
আমার কিছুই মনে নাই, মনে থাকে না
মফস্বলের নিস্তব্ধ দুপুরে যখন মহল্লার মাঠে গাছের ছায়াগুলোও অলস ভাতঘুমে আচ্ছন্ন সে সময়ে দুপুরের নিস্তব্ধতা ছিন্ন করে শোনা যেতো মাইকের শব্দ
"ভাইসব ভাইসব"
আমরা জানতাম এই শব্দ দু:সংবাদ বয়ে নিয়ে আসে।
এভাবেই মফ:স্বলের নিস্তরঙ্গ একটানা জীবনে কারো না কারো মৃত্যু সংবাদ ঘোষিত হয়, বড়রা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলতো বড় ভালো মানুষ ছিলেন, পরিবারের মহিলারা শাড়ী ঢাকা রিকশা চেপে মাইয়াত বাড়ী যেতেন সান্তনা দিতে, অনেক দিন পর একটা উপলক্ষ্য পেয়ে পুরোনো দিনের গল্পে মেতে উঠতে পারতেন তারা।
সে শহরে নতুন মানুষেরা আসতো না এমন না, প্রয়শ:ই নতুন কোনো সরকারী কর্মকর্তা আসতেন, তবে শহরের জীবনে তাদের উপস্থিতি ততটা দৃশ্যমান ছিলো না, সরকারী স্কুলের ছাত্ররা জানতো নতুন সহপাঠী এসেছে ,তাদের সাথে সামান্য বন্ধুতাও হয়ে যেতো কারো কারো, পুরোনো ছাত্রদের র্যাগিং এবং ক্ষমতার দাপট সামলে তারা কাটিয়ে দিতো আরও কয়েক বছর, তাদের বাবারা বদলি হয়ে গেলে তারাও হারিয়ে যেতো, কিন্তু মোটের উপরে শহরের গোটাকয় সরকারী যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত মানুষের বাইরে এদের উপস্থিতি ছিলোই না কোথাও
হন্তারক
একটা গল্প শুনবে?
এটাই আপনার বিশেষ কথা? এর জন্য আমাকে এতদূর আনলেন? যুথি নির্বিকার ভঙ্গিতে কথাগুলো তারেককে বলে।
কেন নৌকায় ঘুরতে তোমার ভালো লাগে না?
তা লাগবে না কেন? খুবই ভালো লাগে। কিন্তু আপনি যে কারণে আমাকে এখানে ডেকেছেন, তা একটা পুরোন কৌশল।
তারেক একটু বিষ্মিত হয়ে যুথির দিকে তাকায়; তোমাকে নিয়ে নৌকায় ঘুরব এটার মধ্যে কৌশলের কি দেখলে তুমি?
যুথি বিজ্ঞের হাসি হাসে। “প্রেমে পড়লে ছেলেগুলো কেন যে এত বোকা হয়ে যায়, বুঝিনা। ‘ভালোবাসি’ এই কথাটা বলতে আমাকে আশুলিয়ায় আনতে হল, এটা কৌশল না?
তারেক তথমত খায়।
আপনি কিন্তু আমার ভালো প্রেমে পড়েছেন?
এভাবে বলছ কেন? তুমি পড়নি?
পড়েছি কিন্তু আপনাকে ঠিক বিশ্বাস করতে পারছি না।
তারেক যুথির দিকে আহত চোখে তাকায়। তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে পারছ না!
মুবাইল puShT
বাংলা লেখা মহা ভেজাল। অফিসে বইসা মুবাইলে পুষ্টানু এত ভেজাল কেনু? জাতির বিবেকের কাছে আজ এই প্রশ্ন। আর কি কি লেখুম মাথা ত চুলকাইতেছ কেউ হেল্পান পিলিজ লাগে । ৫০ শব্দ না হইলে নাকি পুষ্টানু যাবেনা এমা এডা কিছু হইল? দুনিয়াতে এম্নিতেই পেরেশানির অভাব নাই তার উপ্রে এইডা আবার নতুন কুন ভেজালে পর্লাম?
ডাহুক ও রাতের মানচিত্র -১
ডাহুক, গানের পাখি – আঁধার বোরখা পরে
রাতের লাইলি ওহে কোন্ দিকে যাও?
তোমার পাখায় যদি আমার পাখনা রাখি
তোমার দু’চোখে যদি আমার দু’চোখ রাখি –
মুছে যায় বিনিদ্র রাতের ক্ষত–কবিতা কুড়িয়ে নেয়
কিশোর বোশেখ,কাঁচা পাকা আম, নানা বাড়ি–নাও।
আমার সমস্ত কথা এ কোন মোহন সুরে বাজছে ইথারে
আমার সমস্ত প্রেম গলে পড়ে সাগরে সমুদ্রে, স্মৃতির মিনারে।
ঈশ্বর, এ কেমন নিশীথ – ডাহুকের ডাক,রাতের আকাশ
নিয়তির ক্রুর চালে দীর্ণ যেন রাজা ইডিপাস।
জীবন মানে জী বাঙলা

জীবন মানে জী বাঙলা
লেগে থাকে হরদম উৎসবের হলকা
জোড়াতালি দেয়া ধামাকা।
তার ঈশ্বরদের ইশারায় যখন তখন
পালটে যায় খেলা, উলটে যায় মামলা।

জীবন মানে জী বাঙলা
নৃত্যকৌতুকগানে জমে গেল আয়না।
এখানে হিরোরাই ঘুরে দাঁড়ায়
শুভ শক্তির দেখি বিজয়।
হবে না! পাবলিক ডিমান্ডই যে আসল কথা।
জীবন মানে জী বাঙলা
শাড়ি গহনার রোশনাই রমণীর গায়
আর কূটনীতির নোংরা খেলা খেলে যায়।
এসব ভদ্র গেরস্থরা এড়িয়ে চলে
তবু দেখতে থাকে কোন এক জাদু বলে।
জীবন মানে একঘেঁয়ে জীবনে অনর্থক ঘটনার সাঁজ
ধুম্র প্যাঁচের মত যেখানে শুরু
অনেক পথ ঘুরে আবার সেখানেই আসা,
জীবন মানে খল ধরা পড়েও ধরা না যাওয়া
যেন আমেরিকার লাদেন ভুত জিঁয়ে রাখা।
জীবন মানে জী বাঙলা
জীবন থেকে বহু দূরে, জীবনের মৃদু আঁচ লয়ে
বুর্জোয়া শিল্পপতির আরতি
এছাড়া আর দেখবেই বা কী!
আটপৌড়ে ছিন্ন কাব্য?
এই মফস্বলে দিনকাল।
ঘুম আসছে না যদিও ঘুমানো জরুরী। কারন কাল সকালেই ট্রেনে করে রাজধানী বরাবর রওনা দিবো এরকমই কথা আছে। টানা দশ বারোদিন যাবত আমার দেরীতে ঘুমানোর অভ্যাস। রাতে শুয়ে শুয়ে নেটে বসে থাকি। লোকজনের ফেসবুক চর্চা দেখি। রেডিও ফুর্তিতে গান শুনি বিসিএসের পড়ায় চোখ বুলাই এইতো। রাতে টকশো দেখা হয় না মোটেও কারন আব্বু আম্মুর রুমে টিভি। খামাখা বিরক্ত করতে ভালো লাগেনা। তাই এবারের ঈদে লাইভ গানের কোনো প্রোগ্রাম দেখি নাই। আর লাইভ প্রোগ্রাম দেখেও বিনোদন নাই। শিল্পী তার মতো গান গেয়ে যাবে আর দর্শক ফোন করে বলবে ভাইয়া আমি ভুরুংগামারীর অমুক আজ আপনাকে খুব সুন্দর লাগতেছে। আপনার পছন্দ মতো একটা গান গায়েন। এখন প্রশ্ন হলো সবাই ভালো পোষাক পড়ে কড়া মেকাপ নিয়েই টিভিতে গান গায়। সেখানে সুন্দর লাগবেই তা গাটের পয়সা খরচ করে ফোন দেয়ার দরকারটা কি? আর শিল্পীদের নিজের সব গানই প্রিয় যা গায়। বেশীর ভাগ লাইভ শোর উপস্থাপক বেকুব সুন্দরী তরুনী। এদের না আছে মিউজিক সেন্স না আছে কমনসেন্স!
বলবো না
দেখো আজ এমন বাদল দিনে
তুমিহীন না ভিজলেও পারতাম ,
তাই বলে ভেবনা যে তোমাকে ইঙ্গিত দিয়ে বলছি ।
ইদানিং এমন আবেগ কোন তাড়িয়ে বেড়ায়না আমায়
যে দু একটা প্রশস্তি , পংক্তি লিখা প্রয়োজন ।
প্রয়োজন নেই কোন , না থাক , প্রয়োজন ছাড়াও তো কত কিছু আমাদের চাই ।
চাই যত কিছু , না পাই , তবু পেলাম না এই বলে ধরনা দিতে তো চাইনি ।
রাত তো ফুরালো কত , ঘুম নেই তা তো বলিনি , আমি একা একথা ও বলিনি ।
কেন মিছেমিছি এই ভাব ধরে থাকার প্রয়াস , এ অভিনয় মানায় না তোমায় , আমায় ।
ফিরে এসো একথা বলিনি , চলে যাও তাও বলিনি , বলিনি কিছুই আমি , বলবোনা আর কোন কিছু , কোন দিন ।
কেবল তোমার স্মৃতিটুকু ডালপালা ছড়িয়ে বুঝি , শেকড়ের গভীরে খুঁজি , পাইনি অগ্রমূল , অথচ বায়ুতে শ্বাসমূলে আছ জেগে , কেমন তীক্ষ্নতায় বিধে আছো হৃতপিন্ডে ।
এটুকু ব্যথার ভার সইবোনা তা তো বলিনি , বলবো না কোন কিছু আর কোনদিন , তবু তোমার ও হাসিটুকু বাঁচিয়ে রেখো চিরদিন ।
ঘাউডি'ঝ ড্যাড (ট্যাকনিক্যাল 18+)
অভ্যাস টা খারাপ হয়া গেছে অনেকদিন হয়... যা কইলে আমার আর হাসি আটকায়না সেইটাই কয়া ফেলি... ঐ দিন বন্ধুস্স্হানীয় আজ্জুরি বচ্চন কইতাছিল তার এক উপজাতি বন্ধুর কথা ... তাদের উপজাতি বন্ধুদের লোকসংখ্যা নাকি এখন মাত্র দুই-আড়াইহাজার... আর পায় কে... আমি উইঠাই কইলাম '' খাইছে!! এদেরে তো বিপন্ন প্রাণীর তালিকাভূক্ত করতে হয়, বস"... এই কয়া আমি নিজেই হাসতে হাসতে গড়াগড়ি
...
লালপদ্ম
প্রখর রোদ। ঘামে ভিজে যাচ্ছে পুরো শরীর।
আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখছি সেই প্রিয়মুখ।কত বছর পর দেখা!এভাবে কোনোদিন দেখা হবে ভাবতেও পারিনি।খুব দামী কিছু হারিয়ে ফেললে মাঝে মাঝে বুকের মধ্যে যেমন হাহাকার জেগে উঠে, মিতালীদি’কে ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে মাঝে মাঝে ঠিক সে রকম হাহাকারই জেগে উঠত আমার।
মিতালীদি আমার স্কুল টিচার ছিল।তার চেয়ে বেশি সম্পর্ক ছিল তারা আমাদের প্রতিবেশি ছিল বলে।আমি আর আমার ছোট বোন নকশী দিনের বেশির ভাগ সময়ই মিতালীদি’দের বাসায় থাকতাম।মা কোথাও বেড়াতে গেলে আমাদেরকে মিতালীদি’র মায়ের জিম্মায় রেখে যেত।মিতালীদি’র ছোট বোন চিত্রাদি কি সুন্দর গান করতো!মুগ্ধ হয়ে শুনতাম।মিতালীদি’র বাবা একটা সরকারী চাকরী করতো।আর মিতালীদি’র ভাই মৃত্যুঞ্জয়দা’তো ছিল আমার স্বপ্নের মানুষ।
অজানা কথা
ভালো আছি বললে হয়তো সত্য বলা হবে,
লোভী বললে হয়তো ঠিক উপমা দেওয়া হবে না,
বানিয়ে বানিয়ে হয়তো অনেক কিছুই বলবে,
সিওর হয়ে বলতে বললে জানি কিছুই বলবে না ।
তোমায় নিয়ে ঘর বাঁধার স্বপ্ন কি সত্যি হবে ?
মায়ার জালে জড়িয়ে রাখতে পারবে কি আমাকে ?
কে কি বললো তা যদি অগ্রাহ্য কর, তবে জেনো ,
মিলিত হব যখন মোরা চন্দ্রালোকে,
নিভিয়ে দেবো সকল বাতি
কাঁদিয়ে ছাড়বো তোমায় এই যে তোমার নিয়তি ।
কি লিখি?
১) সরাসরি ব্লগের পাতায় লিখি না কখনো। আগে লিখি রাফ খাতায়, তারপর ফাইনাল, তারপর ব্লগে কপি পেষ্ট। পাবলিকও তাই করে বলে মনে হয়। আজকে সরাসরি ব্লগের খাতায় লিখতে বসলাম। কারণ গুরুতর নয়, আমার কপিপেষ্ট বোতামের কোমর ধরে গেছে হেমন্তের হঠাৎ ঠাণ্ডা বাতাসে।
২) বাজারে এখন নতুন টাকার রূপে ঝলমল। একেকটা নোটের কয়েক রকম রূপ। ৫০০ টাকা ৩ রকম, ১০০ টাকা ৩ রকম, ১০০০ টাকা ২ রকম। টাকার নোটের এই তামাশার কারণে ঈদের দিন সিএনজি ওয়ালারে ৫০০ টাকার নোট মনে করে আক্কেল সেলামি দিলাম ১০০০ টাকার একটা নোট। ভাড়া পেয়ে এতটা খুশী হতে দেখিনি কোন টেক্সিওয়ালাকে। সে যাবার পর মানিব্যাগ খুলে বুঝলাম ঘটনা।
৩) বাংলাদেশে কোরবানীটা যতটা ধর্মীয় তার চেয়ে বেশী সাংস্কৃতিক হয়ে গেছে। চট্টগ্রামে এটা আরো বেশী। ফলে বড় গরু কেনার উৎসব চলে ধনী লোকদের। এবার গরু সস্তা হওয়াতে মওকা আরো বেড়ে গেছে। আমার এক আত্মীয় ১ লাখ ৩০ হাজার দিয়ে বিশাল এক গরু কিনে আনলো। কিন্তু কোরবানীর আগের রাতে গরুটা হঠাৎ করে ইহধাম ত্যাগ করলো সবাইকে চরম বিপদের মধ্যে ফেলে। আগে মরা জিনিসে ভেজাল হতো, এখন জীবন্ত জিনিসেও ভেজাল শুরু হয়ে গেছে।