ইউজার লগইন
ব্লগ
পতাকা- দৃশ্যগুলো ধীরে ধীরে তৈরি হবে
প্রথমত বলে দেওয়া ভালো 'পতাকা' শিরোণামে গতকাল যা লেখা হয়েছিলো সেটা কোনো বানানো গল্প না, অবরুদ্ধ ঢাকা শহরে এ ঘটনা ঘটেছিলো ১৯৭১ এর ১৪ই আগস্ট। সে দিন একটি পরিবারের তিন বোন এবং ঢাকা শহরে প্রবেশ করা প্রথম কয়েকজন গেরিলা এই অভাবনীয় ঘটনার জন্ম দিয়েছিলো।
প্রতিটি ঘটনার কোনো না কোনো প্রেক্ষাপট থাকে, এই তিনবোনের নামের বাইরে বেশী কিছু আমার জানা নেই, তাদের পারিবারিক পরিবেশ, তাদের বাসার ঠিকানা আমি জানি না, কিন্তু এদের প্রত্যকেই একটা দীর্ঘ সময়ে এ শহরে বসবাস করেছেন, তাদের এই উজ্জ্বল স্মৃতি হয়তো তাদের সাথেই হারিয়ে যেতো যদি না গেরিলা যোদ্ধাদের একজন এসে জানাতেন।
আমার সিসিমপুর (৬)
১।
অনেকদিন সিসিমপুর লেখা হয় না। এই পোস্ট কত নাম্বার হবে দেখতে গিয়ে মনে হল বছর খানেক আগে লিখসিলাম। এরপর আর না লিখতে পারার অবশ্য যথেষ্ট কারণ আছে।
মেঘলা এসে ঘুরে গেলো। কোনদিক দিয়ে যে সময় গেল বুঝতেই পারলাম না। আর আরভিন, তাহিয়া এখন অনেকটা বড় হইসে। বড় বলতে বকা খাওয়ার সময় চলতেসে ওদের। বেশীর ভাগ সময় ঝাড়ির উপর রাখতে হয়। নাহলে তেলেসমতি কারবার শুরু করে দেয়। ঝাড়ি বলতে চিৎকার করে ধমক দেয়া না। বরং ওদের ঝাড়ি দিতে হয় মিজান ভাইয়ের সেই চোখের ভাঁজে ভাঁজে কবিতা পড়ার মত।
২।
আজ্ঞাবহ
এখানে নয়, ওইখানে দাড়াও
মাথা, ঘাড়, মুখ যেন না নড়ে এতটুকু
চোখের পলক ফেলাও চলবেনা যখন তখন
সারাদিন এইভাবেই কাটবে প্রত্যহ।
ঘোর প্লাবনেও যেন মন নেচেনা ওঠে
আঁততায়ীর জিহ্বার ছুরি যদি
কলজে কেটে নিতেও চায় – তবুও
সুবোধ বালকের মত নিস্পৃহ থাকবে।
এভাবে নয় বোকা, ওই ভাবে বাঁচো
অন্যরা যেমন বেঁচে থাকে
চোখ দিয়ে যেন জল না পড়ে
সেটা কাপুরুষোচিত
ওহ, কষ্ট পাওয়া চলবে না
বড্ড বেশী ন্যাকামি এসব
অদৃশ্য মিঠাই মন্ডা খেয়ে পেট ভরাও
যদি চিৎকার আসে, তবে টিপে ধরবে গলা।
আর যখনি মনে হবে কিছু নিজের মত করে
নিজের আগ্রহেই নিজে চেয়ে নিও বিচ্ছেদের চাবুক।
( ১৯.১১.১২ {C} mni)
পতাকা
ছাদে ওঠার সিঁড়িটার মাঝপথে দাঁড়িয়ে আয়েশা বিষন্ন দৃষ্টিতে দেখছে পতাকাটাকে, দুরের আকাশে কালো ধোঁয়া তখনও পাঁক খেতে খেতে দিগন্তে মিলিয়ে যাচ্ছে। গাঢ় সবুজের মাঝে লাল বৃত্তে আঁকা বাংলাদেশের আকাশে ঘরপোড়া কালো ধোঁয়া, কাল সারারাত গুলির শব্দ, মানুষের চিৎকার, কান্না বিলাপের শব্দে কারো ঘুম আসে নি ঠিকমতো, পুরোনো ঢাকার গলির ভেতরে উদভ্রান্ত মানুষের দৌড়ে পালানোর শব্দ আর দুরাগত বিলাপের ভেতরে না ঘুমানো চোখে আলোটা বালির মতো কিচকিচ করছে।
সাতটা থেকেই মাইকিং শুরু হয়েছে, ইংরেজী, উর্দু আর উর্দু উচ্চারণের বাংলায় ফরমান জারি হয়েছে, এখন থেকে কোনো বাসায় বাংলাদেশের পতাকা উড়তে দেখা গেলে সেটা সামরিক আইন বিধিভঙ্গ করবে। যার যার বাসার ছাদ থেকে বাংলাদেশের পতাকা নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে, এমন কি কালো পতাকার জন্যেও একই নিয়ম। কোনো রাস্তায় ব্যারিকেড থাকতে পারবে না, যে মহল্লায় ব্যারিকেড দেখা যাবে ব্যারিকেডের আশেপাশের ১০০ গজ দুরত্বের সকল বাসার মানুষ সামরিক বিধি ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত হবে।
চশমিশ আমি আর আমার আম্মু
আজকাল মাঝে মাঝেই দেখি
মানুষজন চোখে লেন্স লাগিয়ে ঘুরে,
আর নয়তো একটুতেই চশমা ফেলে চোখে ল্যাসিক করিয়ে ফেলে।
আর আমি অবাক হয়ে ভাবি -
আয় হায়!
কেউ চশমা এত অপছন্দ করে কেম্পে?!
আমার পিচ্চিবেলার সবচাইতে বিশাল স্বপ্ন ছিল,
বড় হয়ে চশমা পড়ব!
কিন্তু ভাগ্য খারাপ,
চোখ আর খারাপ হয়না!
ইন্টার পরীক্ষার সময় মাথাব্যথার জন্য ডাক্তার দেখাতে গেলাম।ব্যাটা বলে চোখ নাকি খুব ভাল, তবে রিফ্লেক্সের কি সমস্যা নাকি আছে তাই মাথাব্যাথা হয়! পয়েন্ট টু ফাইভ এর চশমা দিয়ে বলল ৬ মাস টানা পড়লেই নাকি ভাল হয়ে যাবে। আমাকে আর পায় কে, চশমা নিয়ে নিলাম। জমিয়ে জমিয়ে পড়ি, টানা পড়ে আর পড়তে না পারলে তো সমস্যা!
এভাবেই বছর পাচ কাটিয়ে দিলাম। কয়েক ফ্রেম আর গ্লাস বদলে এখন একটা ফটোসানের মোটা ফ্রেমের নেভি ব্লু গ্লাস চলছে। রোদে গেলেই আপনাতেই রোদ চশমা হয়ে যায়। কি চমত্কারই না লাগে তখন!আম্মুরও ঠিক এমন একটা চশমা ছিল আমার পিচ্চিবেলায়।
ছোট ছেলেরা আসলে কখনই বড় হয় না তবুও চশমা আছে বলেই বড় বড় ভাবটা অন্তত নেওয়া যায়!
আসলেই,
চশমিশ থাকার মজাই আলাদা!
ব্লগর ব্লগর
ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার আমার পিসিতে বসে ব্লগ পড়া, ব্লগ লেখার অপচেষ্টা করে দারুণ ভালোলাগার সময়গুলো কেড়ে নিচ্ছে। সকালবেলায় অফিস যাওয়ার লম্বা সময়টাতে ফোনে পত্রিকার হেডিং দেখি পাঁচ মিনিট, তারপর ব্লগ পড়া শুরু করি। কখনও ভুলভাল বানানে হলেও কোথাও কমেন্ট করি, পোস্ট শেয়ার করি। ফেসবুকে ঘুরাঘুরি করতেই থাকি। আমার আর পিসিতে বসাই হয় না। পিসিতে বসি মুভি দেখতে। ইদানীং খেয়াল করছি শরীরটা খারাপ লাগে..গা গোলানো ভাব, মোবাইলে বেশী টাইপ করতে পারি না আমি....আঙ্গুলগুলো যেন বলতেই থাকে 'প্লিজ এবার আমাদের বিশ্রাম দাও'।ঘুম হচ্ছে না ঠিকমতো। শান্তর সাথে কয়েকদিন কথা হলো...সেও বলে-- আপু এত রাত জাগেন কেন?
বিষধর গোঙ্গানী
বিধ্বস্ত হতে চেয়েছিলে তুমি রক্তিম সান্ধ্য আঁধারে
কাব্যনন্দিত সম্ভাষণ।
কালের কন্ঠ চেপে এলে
পাখিরা সব জড়ো হয়ে তোমার দু'চোখে আবার
ঝাঁক বেঁধে উড়ে গেছে একত্রে
তুমি স্পর্শহীনই হয়ে রইলে
আবার কবে যে কোথায় রজনীগন্ধার ঘ্রাণ শুনে
বিষধর সাপ গোঙ্গানী দেবে হিসেব করে দাওনি এখনো।
রাত্রি জাগা বিকেল সহসা মিলিয়ে গেলে
বাচ্চাদের হৈ-হল্লা কানে এসে লাগে না …
জানি না বোকা।
জরায়ুর জখম
ব্যাক্তিগত অনুভব অধিকাংশ সময়ই আমাদের ভাবনা আর বিচার বিশ্লেষণকে আচ্ছন্ন করে ফেলে, প্রাপ্য কিংবা উপযুক্ত পর্যালোচনা কিংবা প্রয়োজনীয় গুরুত্ব পায় না বক্তব্যগুলো। সৈয়দা রুবাইয়াত হোসেন পিতার কর্মকান্ডে বিতর্কিত হওয়ার আগেই নিজগুণে বিতর্কিত হয়েছেন, তার পরিচালনায় নির্মিত মেহেরজান ছবির মাণের বিষয়ে অনেকের অনেক ধরণের বক্তব্য ছিলো, তিনি নিজের ছবি তৈরির বিষয়বস্তু নির্বাচন এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ইতিহাসে নিজের বুৎপত্তি প্রমাণের জন্য তার স্নাতকোত্তর গবেষণানিবন্ধও পেশ করেছিলেন বিজ্ঞজনের বিবেচনার জন্য।
ইলেকশন সুখের হয় রমনীর গুনে
ইলেকশন সুখের হয় রমনীর গুনে
এই কথা সত্যি হয়েছিল (ওবা) মায়ের জীবনে।
শেষ বেলায় স্যান্ডি মাথায় দিলো বাড়ি
নির্বাচনী ভাগ্য দিলো নাড়ি
যেটুকু সংশয় ছিল মনে
তাও উড়ে গেলো হায় গগনে
এই কথা সত্যি হয়েছিল (ওবা) মায়ের জীবনে।
পরাজয় দিয়ে তুমি জয় নিলে
হেসে হেসে টিভিতে ভাষন দিলে
মা আমার চেষ্টা করো
শান্তি যেনো থাকে এই ভুবনে
এই কথা সত্যি হয়েছিল (ওবা) মায়ের জীবনে
তানবীরা
০৭/১১/২০১২
হেমন্তের লোকায়ত মিথ
ষড়ঋতুর বাংলাদেশে হেমন্ত এক অদ্ভুত ঋতু। শরৎ শেষে প্রকৃতি কিছুটা মলিন হতে থাকে। আগাম পড়তে শুরু করে শীতের হিম কুয়াশা। ছাই রঙ কুয়াশার চাদর মুড়িয়ে ফেলে সকাল-সন্ধ্যার সুনীল আকাশ। ফসলহীন মাঠ যেন, পরিত্যক্ত জনপদ; এর উল্টো পিঠও আছে। কৃষকের ঘর জুড়ে আনন্দের বন্যা। মাঠশূন্য করা ফসল যে তার গোলা ভরিয়েছে। মিটেছে অভাব। তাই তো দিকে দিকে শুরু হয়ে যায় নবান্ন উৎসব। শুধুই কি নবান্ন! হেমন্তে আরও কত কত উৎসব উদযাপন হয়ে আসছে সেই সুদীর্ঘকাল থেকে।
‘ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা--যমের দূয়ারে পড়ল কাঁটা, যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা--আমি দিলাম আমার ভাইকে ফোঁটা।--ভাইয়ের কপালে বোন এই ছন্দ বা মন্ত্র পাঠ করে চন্দন, ঘি, মধু দিয়ে ফোঁটা দেয়; ভাই যেন বিপদ মুক্ত থাকে। ভাইও বোনকে সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু দিয়ে আশির্বাদ করে।’--কবে যে এই ভাই ফোঁটা উৎসব শুরু হয়েছে--তা কেউ বলতে পারে না। বলা হয়ে থাকে, এটা অনার্যদের আচার অনুষ্ঠান; কেউ বলে, অনার্য নারী-পুরুষ উভয়েই জঙ্গলে শিকারে যেত, চাষবাস করত আর আর্যদের মধ্যে সাধারনত পুরুষরা যুদ্ধ করত বা শিকারে যেত, তাই বোনরা ভাইদের বিপদ মুক্তির জন্য এই অনুষ্ঠান করত, তাই এটা অনার্যদের
ঘড়ির সময়ে আর মহাকালে যেখানেই রাখি এ হৃদয়
এর আগের দিন গিয়েছিলাম টাঙ্গাইল। সুন্দর জায়গা। বিশেষ করে পাহাড়ী এলাকার দিকে যাওয়ার রাস্তাটা বেশি সুন্দর। কক্সবাজার থেকে লামা যাবার সেই পাহাড়ী পথের মতোন। সেখানে একটা ক্যান্টনমেন্ট আছে। ভেতরে আছে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুল। অনেক পোশাকধারী সেনাসদস্য। কিন্তু ঢাকার জাহাঙ্গীর গেটের ভেতর থাকা সদস্যদের মতো খড়খড়ে নয় তারা। সাইকেলে চড়ে ঘুরে বেড়ায়, বাজার করে, বাজারের দোকানে বসে চা খায়, গুলতানি মারে; অনেক বেশি জনসম্পৃক্ত। মানুষের সঙ্গে মেলামেশা থেকে শুরু করে সবই করে। শুধু নিয়মটা ভাঙ্গে না। আর আমাদের জাহাঙ্গীর গেটের ভেতরের গুলো সারাদিন গেট ধরে দাঁড়িয়ে থাকে এবং এমন একটা ভাব ধরে থাকে যে, ভেতরে না জানি কি রসগোল্লা-মন্ডা-মিঠাই পাকানো হচ্ছে!
সম্ভাষণ
তোমাকে সম্ভাষণ জানাবো ...তাই ভেবেছো হাত পাতবো শিশিরের কাছে
তোমার কাছে বিনীত হবো ...তাই ভেবেছো অনুসরন করবো কৃষ্ণচূড়াকে
তোমাকে নিয়ে উড়াল দেবো...তাই ভেবেছো পরিযায়ী পাখির কাছে শিখবো ডানা মেলা
তোমার কাছে পরাজিত হবো ...তাই ভেবেছো ঘুড়ির কাছে দীক্ষা নেবো
তোমার কাছে সমর্পিত হবো.... তাই ভেবেছো আবেগ শিখবো মেঘের কাছে
আমি তোমাতেই তোমার হবো.... আমি যে তোমার কাছেই শিখেছি ভালবাসতে!
মঞ্চে যাত্রা দেখলাম
কাল রাতে যাত্রা দেখতে গিয়েছিলাম। আমার জীবনে এই প্রথম সরাসরি যাত্রা মঞ্চের সামনে বসে যাত্রা দেখা। যাত্রার নাম “নীচু তলার মানুষ”। আমরা প্রথম সারির দর্শক। উঁচু মঞ্চের দিকে তাকিয়ে আছি। প্রায় আধাঘণ্টা পার হয়ে গেল এই মূহুর্তে শুরু হচ্ছে আজকের যাত্রা ‘নিচু তলার মানুষ’ এই ঘোষনা শুনতে শুনতে। মঞ্চে মাইক টেষ্ট করছে। গঙ্গাজল ছিটাচ্ছে। গঙ্গাজল শব্দটা আমার ভাষায়, কারন এক ধুতি পরা লোক মঞ্চে বোতল থেকে পানি ছিটালেন তারপর মঞ্চকে ছুঁয়ে প্রনাম করলেন।
আমাদের কারখানার কিছু কর্মচারী, শ্রমিক মিলে একটি নাট্টদল তৈরি করেছিল পঁচিশ বছর আগে। সেই নাট্টদলের নাম ‘আদর্শ নাট্টদল’। তাদের পচিঁশ বছর পূর্তি উপলক্ষে তিনদিন ব্যাপী সাংস্কৃতিক আনুষ্ঠানের প্রথম দিনে এই যাত্রা। এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধনি ঘোষনা করবেন আমার জানু। অর্থাৎ আমরা প্রধান অতিথির দলের লোক। প্রথমেই মাঠে প্রবেশ করতেই শুনলাম মাইকে একজন বলছেন--সুধীমন্ডলি একটু অপেক্ষা করুন আমাদের প্রধান অতিথির দেরীর কারনে অনুষ্ঠান শুরু করতে দেরী হচ্ছে, তবে তিনি চলে এসেছেন। প্রধান অতিথির নামের আগের পরের বিশেষন নাইবা বললাম :bigsmile ।
দূর যমুনার তীরে
মেঘের উঠোনে ছায়া দীর্ঘ হতে হতে অসীমে মিলায়।
ছায়ারা ফেরেনা। তবু মেলে রাখি করতল--যদি এক ফোঁটা বৃষ্টি হয়ে কভু ঝরে পড়ে
আহা!
যদি বৃষ্টির জলের ভেতরে সেই একটি বিকেলের গন্ধ অবিকল
নীপবনে দোলনায় দোল খাওয়া
কাকভেজা
ভিজে অলকে জড়ানো কদম্বের রেনু ;
ফিরবেনা জানি
যদি ফেরে!
ফেরে যদি!
স্মৃতির বারান্দা থেকে দানা খুটে খুটে তুলি চড়ুইয়ের মতো ;
গোধূলির রূপগন্ধ পাখীদের থেকে বেশী আর কে জানে
ভোরের সবুজ ঘ্রাণ
পাখীদের মতো আর কে ছড়ায় পালকে এমন মায়া
ধারালো চঞ্চুতে বিষ !
মুঠোর ভেতরে রাখি ডানার আদর।
মুঠোর ভেতরে রাখি ঠোঁটের হিংস্রতা।
দূর যমুনার তীরে বুঝি বেজেছে বাঁশরী
-----'জলকে চল...............
টানাটানির এই সমাজ সংসারে!
পুরান কথা গুলাই নতুন করে বলতে হয়। ডিসের লাইন কেটে দিছে স্কাই ক্যাবল ট্রেডিং। শেখেরটেকের একমাত্র লাইন যাদের। তাই নেটে বসেই লাইভ খেলা দেখি। তাতে এমবি চলে যায় দেদারছে। কী আর করা মন তো মানে না। আশা ছিলো না জিতলেও ড্র হবে কিন্তু এসে পড়লো লজ্জাজনক পরাজয়। আমার স্কুল বন্ধু আবীর চিটাগাং থাকে। সে আমাকে ফোন করে বলেছিলো বেশী আবেগ্রাক্রান্ত হয়ে স্টেডিয়ামে যাস না কারন লাঞ্চের আগে যদি উইন্ডিজ আউট হয়ে যায় যদি বাংলাদেশ দুই আড়াই সেশন ব্যাট করতে হয় তবে হারবে বাংলাদেশ। আমি তার কথা শুনে বলছিলাম বাংলাদেশ নিয়ে তুই এতো নেগেটিভ কাল যদি জিতেও যায় তাও তুই বাংলাদেশের খারাপটাই খুজবি। আজ যখন ক্লাস শেষে আবীরকে ফোন দিলাম। সাধারণত কারো কথা ফলে গেলে খুব আনন্দ পায় আবীরের মনে আনন্দ নাই। বলতেছে তোদের কে নিয়ে কত ভালো ভালো কথা বলি একটাও ফলে না। অথচ বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে যখন যা বলি তাই লেগে যায়। এতো এতো মানুষের এতো আশা নিমিষেই তলিয়ে গেলো ভাবতেই মন খারাপ। আমি তো অবাক ভুতের মুখে রাম রাম। যাই হোক কী আর করা ৬০ টেষ্টের অর্ধেক ম্যাচই যারা ইনিংস ব্যাবধানে হারে তাদের নিয়ে এতো আশা করাও ঠিক না। যাই হোক খেলা ভালো লাগে। খেলা নিয়ে কথা বল