ইউজার লগইন
ব্লগ
অলিম্পিক ভাবনা
খেলা বিষয়ে আমার নিজস্ব কিছু পক্ষপাতিত্ব আছে, নৌকা বাইচ, অশ্বচালনা, জিমন্যাস্টিক কিংবা ডাইভিং আমি খেলা মনে করি না, সাঁতারও আমার কাছে ঠিক খেলা মনে হয় না যেমন মনে হয় না রেসিং। বর্শা , জ্যাভলিন, শটপুট, শ্যুটিং, তীরন্দাজী ব্যক্তিগত দক্ষতা, মনোসংযোগ কিংবা মানসিক দৃঢ়তার উদাহরণ হতে পারে কিন্তু সেসবকে আমার খেলা মনে হয় না কখনও।
আমি খেলা বিষয়ে রক্ষণশীল, দলীয় কিংবা ব্যক্তিগত লড়াইয়ের জায়গা থেকে টেবিল টেনিস, লন টেনিস, ফুটবল, বাস্কেটবল, ওয়াটারপোলো, ব্যডমিন্টন, এসবের বাইরে অলিম্পিকে তেমন খেলা হয় না। পৃথিবীর নামি-দামি- বিখ্যাত- বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া বাস্কেটবল খেলোয়ারেরা সবাই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র অলিম্পিক বাস্কেটবলে সোনা পায় নি কখনও। একটা পর্যায়ে অবশ্য পেশাদার খেলোয়ারদের অলিম্পিকে অংশগ্রহন করার স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা ছিলো, সে সময়ের পর যখন পেশাদার খেলোয়ারদের জন্য অলিম্পিক উন্মুক্ত হলো সে সময়ের পরেও যুক্তরাষ্ট্রের সেরা খেলোয়ারেরা অলিম্পিকে আসতে নারাজ ছিলো, তারা ব্যক্তিগত অর্জনের জন্যে খেলে দলীয় অর্জন তাদের কাছে খুব বেশী গুরুত্ব পায় না সম্ভবত।
জন্মদিনের শুভেচ্ছা হে প্রিয় রন্টি ভাই!
আগষ্ট মাসটা খালি ইভেন্ট আর ইভেন্টে ভরপুর। বলা যায় দুর্ঘটনার মধু মাস। ১৫ই আগস্ট, ১৭ই আগস্ট, ২১ শে আগস্ট, রবি-নজরুল শামসুর তিন কবির মৃত্যু বার্ষিকী। আবার এই মাসের ভিতরেই আবার ঈদ। ১৪ দিনের মতো সরকারী ছুটি। বলা যায় চকবাজারের ইফতারীর মতোই রমরমা। তবে চকবাজার ইফতারী মোটেও ভাল জিনিস না। আস্ত খাশি ফ্রাই ইহা মাইনষের খাবার না বাঘের খাবার। দূরে থাকাই ভালো। আমার ১৩ ফ্রেন্ড গেছিলো গত বছর উৎসব করতে করতে। পরিনতি ৪০০ মিলিগ্রাম ফ্লাজিল। যাই নাই দেখে মন খারাপ ছিলো পরে তাদের এই ভোগান্তি দেখে মেলা মজা নিছি। কি সব ফাউ প্যাচাল পারতেছি মেইন কথায় আসি!
সন্তানের অপেক্ষায় তারা এভাবেই জেগে থাকেন - চেনা অচেনা কত ব্যালকনিতে - এভাবেই দাঁড়িয়ে থাকেন তারা - উদ্বিগ্ন - উন্মুখ - স্নেহাকুল
সিলেট থেকে ঢাকা - সরলরৈখিক দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার - সড়কপথে ভ্রমণের হিসেবে বোধহয় আরো ৪০ কিলোমিটার যোগ হবে - দূরত্ব যেমনই হোক প্রতি সপ্তাহান্তে আমাকে যেতে হয় - যেতে হবে - ওখানে এক ভদ্রমহিলা নিয়ত অপেক্ষা করেন - তার ছেলে আসবে - দুটো দিন - অন্তত দুটো দিন তার কাছে থাকবে.
এই সপ্তাহে পারছি না যেতে - মা জানেন - তবু বোধহয় অপেক্ষা করবেন - অপেক্ষা তার অস্তিত্বে - অপেক্ষা তার অবচেতন মনে - বড় অদ্ভুত মায়েদের মন.
ভাল লাগা ভাবনারা - ৪
এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়
এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়
মিছিলের সব হাত
কন্ঠ
পা এক নয় ।
সেখানে সংসারী থাকে, সংসার বিরাগী থাকে,
কেউ আসে রাজপথে সাজাতে সংসার ।
কেউ আসে জ্বালিয়ে বা জ্বালাতে সংসার
শাশ্বত শান্তির যারা তারাও যুদ্ধে আসে
অবশ্য আসতে হয় মাঝে মধ্যে
অস্তিত্বের প্রগাঢ় আহ্বানে,
কেউ আবার যুদ্ধবাজ হয়ে যায় মোহরের প্রিয় প্রলোভনে
কোনো কোনো প্রেম আছে প্রেমিককে খুনী হতে হয় ।
যদি কেউ ভালোবেসে খুনী হতে চান
তাই হয়ে যান
উৎকৃষ্ট সময় কিন্তু আজ বয়ে যায় ।
এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়
এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময় ।
-হেলাল হাফিজের কবিতা। নাম- নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়। রচনাকাল- ১৯৬৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি। হেলাল হাফিজকে নিয়ে আসলে বেশি কথা বলা যাবে না। অল্প সংখ্যক কবিতা লিখেছেন এবং তাই দিয়ে বাংলা কবিতাকে নিজের স্থান থেকে আরো বেশ খানিকটা উপরে উঠিয়ে দিয়েছেন। ক্ষণজন্মা প্রতিভা।
দুই এবিবাসীর জন্মদিনের শুভেচ্ছা...
যদিও পার্টি পুর্টির দাবাত ইত্যাদি পাইনাই, তবুও সবাইরে জানায়া দিয়া যাই...
আজ এই মহান দিনে, মহান লগ্নে, দুই জন মহামানব এসেছিলেন এই পাপিষ্ঠ ধরাধামে।
এই দু'জনে আগমনে হেসে উঠেছিলো পৃথিবী, নেচে উঠেছিলো সকল ব্যলেরিনারা, নতুন গানে সুর দিয়েছিলো অনেক সুরকার (এগুলো সব কাব্যিক কথাবার্তা)। আসলে তাদের আগমনে সবচাইতে খুশি হয়েছিলেন তাদের জন্মদাতা জন্মদাত্রীরা।
এই দু'জনকে নিয়ে আমার অনেক কিছু বলবার আছে, কিন্তু সময় হাতে কম। তাই শুধু এটুকু বলে যাই যে, উনারা দুইজনেই আমার খুব ভালো বন্ধু। উনাদের মত বন্ধুসুলভ বন্ধু আমি খুব কমই পেয়েছি আমার জীবনে।
শুভ জন্মদিন প্রিয় হাসান রায়হান ভাই এবং রাসেল আশরাফ ভাই...
অনেক অনেক বছর বেঁচে থাকেন, অনেক অনেক বছর বন্ধু হয়ে থাকেন...
দুজনে
দুজনে
এম আর মামুন
তোমায় আমার ভালবাসা
রাখতে চাই সারা জীবন
মরন এলে একসাথে
মরবো দুজন
ভালবাসার ফুলদানিতে
রাখতে চাই তোমাকে ধরে
তোমাকে কাছে না পেলে যাব মরে
প্রেমের কসম দিচ্ছি তোমায়
তুমি আছ হৃদয়ে
একা একা গোপনে
আমি তোমাকে ছাড়া
কিছুই চাই না জীবনে
এই মনে ছিল কত আসা
তুমি আমার ভালবাসা
এই জীবনে হারাতে চাই না
এই মন দিয়েছি তোমাকে
তুমি ছাড়া কিছুই চাই না
তোমার আমার ভালবাসা
রাখতে চাই সারা জীবন
মরন এলে মরব একসাথে দুজন
সারা দিন বসে ভাবি
সারা রাত বসে ভাবি
আমি তোমাকে নিয়ে
চাঁদের দেশে দেব পারি
এ আমার স্বপ্ন কি স্বপ্ন হবে নাকি?
সুখে আছে যারা সুখে থাকো এ সুখ সইবেনা/ দূঃখে আছো যারা বেচে থাকো এ দুঃখ রইবে না!
হেডলাইন দেখে চমকিত হবার কিছু নাই। ইহা কবীর সুমনের গান। বলা যায় অসাধারন গান। গানের টাইটেল " আমেরিকা প্রবাসী বাঙ্গালীর গান"। গানটার প্রত্যেকটা লাইন অসাধারন। তার ভেতরে আমার ভালো লাগে এই চার লাইন। গানের কথা গুলো অনেক টা এরকম---
আজ জানলার কাচে ডেকে গেছে এক পাখির মতন সকাল
যেনো রাখালিয়া বাশী এই শহুরে গলার ফাসি
বলে সুখে আছো যারা সুখে থাকো এ সুখ সইবেনা
দূঃখে আছো যারা বেচে থাকো বন্ধু এ দুঃখ রইবে না।।
আমি ভিটে মাটি ছেড়ে এসেছি মহান টাকা পয়সার দেশে
এই দুনিয়া সর্বনেশে এরা সাগর ডিঙ্গিয়ে বোমা ফেলে আসে বীরপুরুষের বেশে
মরে কখনো বাচেনি যারা
আহা তাদের খিদের ইতিহাস এক বিশ্রী অন্ধকারা
বলে সুখে আছো যারা সুখে থাকো এ সুখ সইবেনা
দূঃখে আছো যারা বেচে থাকো বন্ধু এ দুঃখ রইবেনা .।।
আজ সকালকে ডেকে বলি গাও রবি নজরুল গীতি
তাতে আমার ভীষণ প্রীতি দেখো সুরুচির পরিমিতি
আমি দেশ ভেঙ্গে ভেঙ্গে দুখান করেছি হিন্দু মুসলমানে
মুখের ভাষায় দেয়াল উঠেছে এই জল ওই পানি
আমি সবই মানি সবই মানি
শুধু মানি না যখন রহিম পরান ভাইরা মুক্তি চায়
তারা দুবেলাই খেতে চায়
আহা পাকস্থলীতে ইসলাম নেই, নেই কো হিন্দুয়ানী
বেহুদা
বাংলা ব্লগের সাথে পরিচয় ২০০৫ এর ডিসেম্বরে, যখন কেবলমাত্র সামহোয়্যার ইন ব্লগ শুরু হলো- সে হিসেবে বাংলা ব্লগের একেবারে প্রথম দিক থেকেই এরসাথে পরিচয়, বসবাস,গত ৬ বছরে বিচিত্র বিষয়ে লেখা হয়েছে, প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে, কখনও নিজের আগ্রহে কখনও নিতান্ত বাধ্য হয়ে বিক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়েছে, এভাবে ব্লগগুলোতে ধীরে ধীরে লেখার পর লেখা জমেছে। বাংলায় লেখার এমন সহজ সুযোগ পেয়ে সে সুযোগের যাচ্ছেতাই ব্যবহার করেছি, এভাবেই মনে হয় গত ৬ বছর পনেরোশোরও বেশী লেখা লিখে ফেলেছি। অনুভুতি কেমন হওয়া উচিত সেটা নিয়ে চিন্তিত। বিষয়টা আনন্দিত হওয়ার না কি বিব্রত হওয়ার সেটাও বলা কঠিন
ভাল লাগা ভাবনারা - ৩
এডওয়ার্ড এস্তলিন কামিংস্'কে (১৪/১০/১৮৯৪---০৩/০৯/১৯৬২) বলা হয় বিংশ শতাব্দীর সবচে' প্রসিদ্ধ কবিদের একজন। এটা উইকিপিডিয়ার তথ্য। ই ই কামিংস্ নামে পরিচিতি এ কবির জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসচুসেট্স রাজ্যের ক্যামব্রিজ শহরে। তাঁর বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা, পরবর্তী জীবন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন এখানে ক্লিক করে।
আজকে একটু এই ভদ্রলোকের 'মে আই ফীল সেইড হি' কবিতাটি নিয়ে কথা বলি। কবিতাটি কামিংস্-এর ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ নো থ্যাংকস্-এ সংকলিত হয়। এর একটা অনুবাদ করেছিলেন হুমায়ুন আজাদ স্যার। অনুবাদটি প্রথমে দেখে নেয়া যাক। বাংলা নামটি হুমায়ুন আজাদেরই দেয়া।
একটুখানি ছুঁই বললো সে
একটুখানি ছুঁই বললো সে
(কেঁপে উঠবোই বললো সে
শুধু একবার বললো সে)
তবে তো মজার বললো সে
(একটু কাছে টানি বললো সে
ঠিক কতোখানি বললো সে
খুব বেশি হবে বললো সে)
কেনো নয় তবে বললো সে
(চলো আসি ঘুরে বললো সে
নয় বেশি দূরে বললো সে
কতোটা বেশি দূর বললো সে
যতোটা তুমি মোর বললো সে)
একটু ঘষি মুখ বললো সে
(কীভাবে পাবে সুখ বললো সে
“Invictus” ...হার না মানার গল্প

“Invictus” মানে "অপরাজেয়" বা "অপরাজিত"। উইলিয়াম আর্নেস্ট হেনলের এই নামে একটি কবিতা আছে যেটা তিনি হাসপাতালে হাড়ের যক্ষ্মায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় লিখেছিলেন। খুব কম বয়সে তিনি এই রোগে পরেন আর এই কবিতা লেখার কিছু আগে তার পা কেটে ফেলা হয়। জীবনের চরম দুঃসময়েও সাহস এবং নিজের মর্যাদা ধরে রাখার কথাই এই কবিতার প্রতিপাদ্য। “Invictus” কে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান অনুপ্রেরণার কবিতা হিসাবে দেখা হয়। ২৭ বছর কারাবন্দী জীবনে এই কবিতা নেলসন ম্যান্ডেলার নিজের এবং অন্য কয়েদীদের অনুপ্রেরণার শক্তি হিসাবে কাজ করে। “Invictus” সিনেমাতে ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকা রাগবি দলের অধিনায়কের হাতে এই কবিতাটি তুলে দেন যা তাদেরকে রাগবি ওয়ার্ল্ড কাপ জয়ে অনুপ্রাণিত করে।
ধূসর গোধূলিঃ বিষন্ন ছায়াপথ

হারু মেম্বার গদিতে বসে পান চিবাতে চিবাতে হাঁক দেয়- এই তোরা তাড়াতাড়ি কর। সন্ধ্যার আগে কাম শ্যাষ করতে না পারলে সবগুলার হাজিরা কাটুম।
সবাই তাড়াতাড়ি কাজে হাত লাগায়। জানে, মেম্বার সারাক্ষণ হাজিরা কাটার ধান্ধায় থাকে, সুযোগ পেলে ঠিকই টাকা কেটে রাখবে হারামিটা। আড়তের দরজায় এসে দাঁড়ায় বিভা। ওকে দেখে হারু মেম্বরের মুখে কপট হাসি দেখা যায়।
-এই যে পুন্নিমার চাঁন, আপনে আইছেন? যহন কামে হোগগলের দম বাইর হইয়া যায় তহন আপনারে দেহা যায় না, এহন বুজি টাকা পয়সায় টান পড়ছে। তাই এইহানে ধরনা দিতে আইছেন?
-না মেম্বর সাব, কয়দিন শরিলডা খুব খারাপ আছিলো, তাই আইতে পারি নাই।
-আইজকা দিন শ্যাষ, আর কামে নেওন যাইব না। কাইলকা আইও।
-আইচ্ছা, বলে ফিরে যায় বিভা।
সকালে উঠেই কাজে যাবার জন্য তাড়াহুড়া করতে থাকে বিভা। সময়মত চাউলের আড়তে যেতে না পারলে কাজে নিবে না হারু মেম্বর।
-এই প্রভা ওঠ। আমার এহনই বাইর হইতে অইব।
-তুমি একদিনও আমারে ঠিক মতন ঘুমাইতে দেও না
প্রিয়া
প্রিয়া
এম আর মামুন
ও আকাশ তুমি দাওনা বলে
কত ভালবাসি
ও বাতাস তুমি দাওনা বলে
কেন ছুটে আসি
ও আমার কত আপন
জানে শুধু আমার এ মন
শয়নে স্বপনে তুমি যে
প্রিয়া......।
ও ঝর্ণা এ নদী
জানে আমার কথা
ও পাহাড় হে সবুজ
জানে মনের ব্যাথা
এ জীবন করে আশা
শুধু তোমায় ভালবাসা
আশাতে কাটেনা দিন যে
প্রিয়া......।
তুমি এত কাছে
তবু কতো দূরে
স্বপ্ন ধরা দিয়ে
যায় তবু সরে
মনের এত শাসন
তবু মানেনা মন
কেন যে কাছে আসো না
প্রিয়া......।
বৈদেশ যামু, না যামুনা- ১
বৈদেশ যাইনা অনেকদিন। গরীবের বৈদেশ মানেতো হৈলো ভারত, নেপাল, থাইল্যান্ড বা মালয়েশিয়া। সেই ২০০৯ সালে একবার মালয়েশিয়া গেছিলাম। তারপর দেশের এই মাথা থেকে সেই মাথা, পাহাড় থেইকা নদী, হাওড় থেইকা গাং সবখানে গেছি। খালি বৈদেশ যাই নাই। এইটা একটা বিরাট দুঃখ। আরো দুঃখ আছে। আমার অনেক হলুদ জিনিস আছে। এই যেমন- মোটর সাইকেল, রেনকোট, কলম, সেন্ডেল, শার্ট, টি-শার্ট, ফতুয়া, লাইটার, সানগ্লাস... এইসব কথাবার্তা কৈয়া একটা স্ট্যাটাস দেওনের একদিন পরে আমার প্রিয় মানুষটা মৈরা গেল। তাঁরে লৈয়া তাঁর কন্যাসম স্ত্রী শাওন যা কর্মকান্ড করলো ! রাগে-দুঃখে আর শরমে আমার জান যায়... এই দিকে শাওন বেটির একের পর এক মিথ্যার বেসাতি ...
জনমের মাস
জুকার্বাগের শাইটে ঘুর্ফির কর্তেয়াছিলাম। হঠাশ দেখি ফিডারে কইরা একখান নিউজ খাবাইতে চাইতেছে জুকার্ভাই। সবতের জনমের মাস কবে সেডি জানবার্চায়া পোল খুলছে কুঞ্জানি পোলাপাইনে। কি উদ্দেশ্য-বিধেয় কেডা জানে
তয় আমারেক কাজিন্বোইনে ভোট দিসে দেইখা আমার ফিডেও চইলা আইসে।
তো, নিলাম অনেগদিন পর একখান ইস্কিরিমশট।
দেইখা লই কি আছে সেই শটে
সেই ছুডুকালের মত সুতরাং চিন্নো দিয়া কইতে মঞ্চাইতেছে 
।
।
।
।
।
।
নবেম্বর মাসে মাইনষের অমুক জিনিস মেইবি উত্তাল হইয়া ঊডে

ফলাফ্ল? ফলাফ্ল?ফলাফ্ল?ফলাফ্ল?ফলাফ্ল?ফলাফ্ল?ফলাফ্ল?ফলাফ্ল?ফলাফ্ল?ফলাফ্ল?
অগাস্টে গাদাগাদা পুলাপাইন

ভাল লাগা ভাবনারা - ২
যা সত্য, যা অবিচল, যা ভয়ংকর, যা অটল; তাই অকপটে বলতেন হুমায়ুন আজাদ স্যার। লিখে রাখতেন কালো অক্ষরে। আমি বিশ্বাস করি- যা সত্য নয়, তার জন্য বিশ্বাস শব্দটি আনতে হয়; আর যা সত্য তা বলে ফেললে, মানুষের বিশ্বাস হোঁচট খায়। সক্রেটিসকে হেমলক পান করিয়ে মেরে ফেলা হয়েছিলো তিনি বিশ্বাসের বাইরে সত্যকে এনে ছেড়ে দিয়েছিলেন বলে। হঠাৎ একদিন ঘুম থেকে উঠে সত্যের মুখোমুখি দাঁড়াতে হওয়ায়, ভয় পেয়ে গিয়েছিলো মানুষ। যুগে যুগে এমন ভয় পেয়ে মানুষ অনেক মহাপুরুষের জন্মই দিয়েছে। অনেককে করেছে কালজয়ী। হুমায়ুন আজাদ স্যারও প্রতিক্রিয়াশীলদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলেন। জীবদ্দশাতেই তিনি মহাপুরুষসম উচ্চতায় আরোহণ করতে পেরেছিলেন। তিনি বেঁচে থাকবেন নতুন দিনের পথিকৃৎ হয়ে। সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবার আগ পর্যন্ত। আমি স্যারের আত্মীয় নই, তাই তাঁর প্রয়াণে স্বজন হারানোর বেদনায় আক্রান্ত হই নি। তাঁর ও নিজের ওপর অটুট বিশ্বাস জন্মেছিলো কেবল।