ইউজার লগইন
ব্লগ
কিচ্ছু বলার নেই.. :'(
অনেক গুলি চিন্তা -ভাবনা -স্মৃতি মাথায় ঘুরছে। অনেক কিছুই বলতে ইচ্ছে করছে, পারছিনা কিছুতেই।
কিছু কিছু সময় আসে,
মনে হয় বুকের ভেতর সব কিছু ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে। একটা টু শব্দ করতেও ইচ্ছে হয় না।
হঠাত্ হঠাত্ একেকটা ঢোক গিলতে বড় বেশি ভয় করে,
কিছুতেই কারও চোখে চোখ রাখা যায় না।
আজ আমার কোথাও যাওয়ার নেই,
কিচ্ছু বলার নেই..
বাংলা সাহিত্যের নন্দিত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদ আর নেই..
শ্রদ্ধা, দোয়া এবং ভালোবাসা..
সৃষ্টিকর্তা তার আত্মা কে শান্তি দান করুন।
.. :'(
এবং দরজা...
দরজা খুলে দিলে উড়ে আসে ধুলোমাখা মেঘ, পাখিদের পালক;
কার্ণিশে বসে থাকা ঘুম, দুদ্দাড় ছুটে যায় আকাশের দিকে,
ভুলে যাওয়া কবিতারা ভীড় জমায় কিবোর্ড ঘিরে..
সাদা-কালো স্মৃতিগুলো জড়িয়ে থাকে দরজার চৌকাঠে,
বেরোতে কিংবা ঢুকতে, স্বর্ণলতা হয়ে ওঠে।
আদতে,
স্মৃতিরা ফেরেনা ঘরে
হারায়ও না অচেনা রাস্তার ভীড়ে।
চৌকাঠে, দরজায়,
যাপিত দিনের তলানি জমতে থাকে নিরন্তর..
মেঘের দরজা খুলে দেখি বৃষ্টির পদধ্বনি, ভেজা রোদের গান;
সারিবদ্ধ চোখে পলক পড়ে মিলিটারি শৃংখলায়
কাজের ফিরিস্তি লিখে আগামীর খাতায়।
ভয় ঘিরে থাকা আংগুল গুলো গিলে ফেলে নিজেদের অনুভূতি,
ভেসে যাই গতানুগতিক স্রোতে...
দরজার এদিকে পরিচিত দীর্ঘশ্বাস, ওদিকে অপরিচিত...
ব্যাক্তিগত দরজাগুলো যতটাই এঁটে রাখা যাক না কেন,
হাট হয়ে খুলে যায় বাতাসের মৃদু স্পর্শেই...
গল্পপাখিটা মনমরা, উড়ে চলে গেলে
শব্দরা ধীরে ধীরে ফিরে আসে চেনা বারান্দায়।
কেউ কেউ দরজা পার হয়ে ঢুকেও পড়ে অগোছালো বেডরুমে
যেখানে স্মৃতিবুড়োর কাঁপা হাতে ব্যাস্ততা, হারানো শব্দ খোঁজার...
দরজা বন্ধ করে দিলে আড়মোড়া ভাঙ্গে ঘুম
ধূসর গোধূলিঃ (২য় পর্ব) দীর্ঘশ্বাস

বিভা মাষ্টার বাড়ি থেকে ফিরে দেখে তখনো ঘুমাচ্ছে প্রভা। চাল থেকে বৃষ্টির পানি পড়ে ঘরের অনেক জায়গাই ভিজে স্যাঁতসেঁতে হয়ে আছে। প্রভার পায়ের কাছে কাঁথাটার অনেকখানিই ভিজা।
-ইস! বিছনাডা এক্কেবারে ভিইজা গ্যাছে, মাইয়াডা কিছুই দ্যাহে না। এই প্রভা, ওঠ।
চোখ মুছতে মুছতে উঠে বসে প্রভা।
-তুই দ্যাহস না খেতাগুলান ভিইজা গ্যাছে? পইড়া পইড়া খালি ঘুমাস ?
-আমি কি করুম? চালের সব জায়গা থেক্কাই তো পানি পড়ে। খেতাগুলান তো সরাইয়াই রাখছিলাম, বৃষ্টিতে ভিজা গ্যাছে।
বিভা ঘরের চালের দিকে তাকায় আর দীর্ঘশ্বাস ফেলে- ঘরের চালে কত জায়গায় যে ছিদ্র গুণে শেষ করা যাবে না। আট বছর আগে, প্রভার বাপে মরণের আগের বছর ছন দিয়ে ছাওয়া পুরানো ঘর, বৃষ্টিতে ভিজে ছন পঁচে গেছে অনেক জায়গায়।
হুদাহুদাই(৬)
লীনা’পুকে দেখি না অনেকদিন ব্লগে! এমন না যে উনি লিখছেন না, দূর্দান্ত লিখে যাচ্ছেন, সেদিন তো এক প্রতিযোগীতায় পুরষ্কারও পেলেন লেখার জন্যে। কিন্তু ব্লগে উনার লেখা নাই। ফেসবুকে বইপড়ুয়া গ্রুপটাতে দারুন সব আলোচনা হয়। মানুষ কত্তো পড়ে, তায় আবার জীবনের খুটিঁনাটির সাথে তার মিলটাও খুজেঁ নেন, তুলে ধরেন মতামত। ভালোলাগার দারুন সব ব্যাপারস্যাপার। তেমনি একআলাপে লীনা’পু কাকে যেন বলছিলেন যে, ব্লগটা অনেক ডিমান্ডিং, নিয়মিত ব্লগ পড়তে হয় মূলধারার সাথে তাল পাবার নিমিত্তে, আবার যখন লেখা দেও, তাতে পাঠকের প্রতিক্রিয়া দেখো, তায় আবার উত্তর জানাও – একেরপর এক লেগেই থাকতে হয়, এতে করে অনেকটা সময় নিয়ে যায় ব্লগ, নতুন কিছু ভাবনারই অন্তরায় লাগে তা। হুবহু এই কথাই বলেনি উনি, তবে মূলকথা এই ধাচেঁরই। কামালভাইও বেশ আগে এমনি করেই বলে লেখা কমিয়ে দিয়েছিলেন! এইভাবে লেখা বন্ধ করা খুব খারাপ লেগেছে। আরো অনেকেই আছেন এমন, নাম নিয়ে বলছি না আর। হ্যা, হয়তো বুঝেশুনে উত্তর-প্রত্যুত্তর দিতে পারি না, কিন্তু ভালোলাগার মানুষগুলার সবার লেখা পড়ি, তাদের অনেক মিস করি
কবিতা: বিবেকের মাতৃবিয়োগের পর
বুর্জোয়া প্রান্তিকতায় আক্রান্ত
লুম্পেন আমি আজ
সুযোগ পেলেই মহাপরাক্রমে
গরীবের পেটে লাথি মারছি;
বিবেকের মা মারা যাবার পর থেকে
এ কাজে আমার পা, উঠতে দেরি করে না।
অথচ বিবেক নামের বন্ধুটি যতদিন মাতৃলগ্ন ছিলো
ততদিন এ কাজে আমায় বাধা দিতো,
অদ্ভুত সেই ছেলেটি আজকাল নিশ্চুপ হয়ে গেছে কেমন;
আমিও মাজুল হয়ে থাকি টুপভজঙ্গ অবস্থায়
আর অবিবেচক মনোভাব পুষে বেড়াই,
শালা দুনিয়াটাই আজ এরকম হয়ে গেছে।
তাই, আমি আলাদা থেকে মার খাই-
চাই না।
তারচে' বিবেকের মায়ের মৃত্যূতে মনে মনে খুশি আর
বাইরে মাছের মায়ের পুত্রশোক দেখাই,
বানোয়াট পৃথিবীটাকে এভাবেই মন্থন করা সম্ভব; এভাবেই
আমি পথ খুঁজে পাই,
পকেটে পয়সা খুঁজে পাই,
সংসারে ভোগের বস্তু খুঁজে পাই,
আর আয়নায় একটা জানোয়ার
খুঁজে পাই
জানোয়ারদের পালে যোগ করার জন্য।
তবে প্রসাধনচর্চিত এই জানোয়ারটি; বুনোদের চেয়ে
অপেক্ষাকৃত সুন্দর, অনন্য।
---
রকমারি
১.
ফেসবুকে বইপড়ুয়া নামে একটা গ্রুপ আছে। এই গ্রুপে যেতে ভয় লাগে। হীনমন্যতা জাগে। সবাই এতো এতো বই পড়ে যে নিজেকে ওখানে রাখতে অস্বস্থি হয়। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ধরণের বই আছে। সেসব বই অনেকেই নিয়মিত পড়েন, আলোচনাও করেন। অনেকের বিশ্লেষণ ক্ষমতা দেখেও আমার ঈর্ষা হয়। তাই পারতপক্ষে আমি ওই গ্রুপে যাই না। এর নাম যদি হতো বউপড়ুয়া গ্রুপ আমার সেখানে পড়ে থাকতে সমস্যা হতো না।
(বইপড়ুয়া গ্রুপের সঙ্গে আমার পরিচয় করে দিয়েছিল নজরুল। নজরুলরে ধিক্কার)
এরমধ্যে আবার সর্বনাশ করেছে রকমারি ডটকম। অনলাইনে বই কেনার সাইট। কোথাও যেতে হবে না, ঘরে বসেই বই। খরচ মাত্র ৩০ টাকা। গরীব মানুষের টাকা খরচের নতুন একটা জায়গা হয়েছে এই সাইটটি। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী দিয়ে হাতেখড়ি। তারপর আবার রকমারিতে ঢুকি, তৃঞ্চার্তের মতো বইয়ের তালিকার দিকে তাকিয়ে থাকি, অর্ডারের তালিকায় নতুন নতুন বই যুক্ত হয়, টাকার দিকে তাকাই, তালিকা কাটছাট করি, ফাইনাল অর্ডার দিতে দেরি করি। একসময় দিয়েই দেই।
রকমারিতে অনেক আগে প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যাও কম নয়। আমার আগ্রহ এখানেই। এসব বই এখন আর চোখে পড়ে না, তাই কেনাও হয় না। কিন্তু রকমারিতে ঠিকই পেয়ে গেলাম।
২.
ধূসর গোধূলিঃ (১ম পর্ব) শ্রাবন মেঘের দিনে
ভোরের আলো ফুটতে এখনও ঢের বাকি। চারিদিকে একটা আবছা গুমোট অন্ধকার। অনেকটা শ্যাওলা পড়া স্যাঁতসেঁতে দেয়ালের মত হয়ে আছে মেঘলা আকাশটা। থমথমে সময়টা মন খারাপ করা আরেকটা রোদ্দুরবিহীন দিনের দিকে একটু একটু করে এগিয়ে যাচ্ছে। মেঘলা ভোরের এই ঠান্ডা ঠান্ডা আবহাওয়ায় ঘুমের রেশ এখনো কাটেনি শ্যামলপুর গ্রামের বেশীর ভাগ মানুষের। ঘুম ভাঙ্গানিয়া পাখীদের দলও যেন বুঝে গেছে বৃষ্টিভেজা এই বর্ষাভোরে তাদের আরামের ঘুমটুকু এখনই ভাঙ্গিয়ে দিতে নেই। তাইতো ওরাও যেন স্বভাবসুলভ কিচিরমিচির থেকে বিরত রেখেছে নিজেদের। কাল সারারাত মুষলধারে বৃষ্টি ঝরেছে, শেষ রাতের দিকে কিছুটা কমে এলেও থেমে যায়নি পুরোপুরি। ভেজা গাছের পাতা থেকে টুপটুপ করে ঝরে পড়ছে বৃষ্টির পানি। শ্রাবনের ভারী বর্ষণে চারিদিক পানিতে থৈ থৈ, যতদূর চোখ যায় কেবল পানি আর পানি। বর্ষার পানিতে টইটুম্বুর আউশের ক্ষেতগুলোর মাঝে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাড়িগুলোকে একেকটা বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতই লাগছে। সারারাতের বর্ষণে রাস্তার পাশের ভেজা গাছগুলো কেমন যেন বিষণ্ণ সময়ের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আশে পাশের ফসলি জমিগুলোর মাঝখান দিয়ে একেবেঁকে ছুটে চলা কাঁচা রাস্তাটার অনেকটাই তলিয়ে আছে পানির নীচে
ফেলে আসা দিনগুলো
ফেলে আসা দিনগুলো...
(আমরা বন্ধুতে এটাই আমার প্রথম লেখা । যদিও এই এর ছিমছাম আঙিনায় উঁকি ঝুঁকি মেরেছিলাম অনেক আগেই । আমি মূলত পাঠক –ই, লেখালেখির দুরাশা সবার না করাই ভাল । এখানে অনেকের লেখা পড়ি, আনন্দ বেদনায় তাঁদের অজান্তেই তাঁদের সঙ্গী হই । শুধুই পড়ে যাব ভেবে ভেবেই লিখে ফেলা । যা অনেকটাই নিজের সাথে কথোপকথন । পড়ে ভাল মন্দ কিছু বললে আনন্দিত হব, হয়ত হাবিজাবি লিখবও )
হাইস্কুলের নিচের দিকের ক্লাসে পড়ি তখন । এখন আর দিন তারিখ ধরে সঠিক মনে নেই । আমার জগত ছিল আমার ছোট্ট পড়ার ঘরটিকে ঘিরে । অবশ্য কাজের পড়ার চেয়ে অকাজের পড়া হত হাজারগুণ বেশী । অকাজের পড়া মানে ‘আউট বই’ পড়া ।
বলার অপেক্ষা রাখেনা পড়তে হত লুকিয়ে । আশে পাশের সবাই ভাবে মেয়ে যেভাবে পড়াশোনায় মুখ গুজে থাকে সারাদিন, মাশাল্লা না জানি কোন হাতি -ঘোড়া হবে বড় হয়ে ! তাতে আমার বুক ফুলে ফেঁপে উঠলেও মনের ভিতরে পাপভাব রয়েই যায় । আমি ত জানি আমি সারাক্ষণ ওই ঘরের ভিতর কোন কর্মটা করি !
ক্যামেরাবাজী
বেশি দিন আগের কথা না। তখন মানুষের হাতে হাতে ক্যামেরা লাগানো মোবাইলতো দূরের কথা বাসায় টেলিফোন থাকাটাই গল্প করার মতো ব্যপার ছিলো। ডায়াল ঘুড়িয়ে ঘুড়িয়ে ফোন করে ক্রস কানেকশনে প্রেম নিয়ে গানও গাওয়া হতো তখন। পুরো শহর ঘুড়ে এক আধজন মানুষের কাছে ক্যামেরা মিলতো। বাসার সবাই সেজে গুজে মুখে পাউডার লাগিয়ে স্টুডিওতে যেতো ছবি তুলতে। বাসার পুরোনো এলবাম ঘাঁটলে সবার বাসাতেই এমন অনেক ছবি পাওয়া যাবে। সেটা সেই এনালগ যুগের কথা। শেখ হাসিনার হাস্যকর ডিজিটাল বাংলাদেশ হবারও অনেক আগের কথা।
টাঙ্গুয়ার হাওরে একদিন
এক.
সিদ্ধান্তটা হুট করেই। জুন ক্লোজিং এর কাজের চাপ ছিল। তবু ভাবলাম ঘুরে আসি। এমন সুযোগ আবার কবে আসবে কে জানে। সাইদ ভাইর সাথে যোগাযোগ করে আমাদের জন্য ৫ জনের বুকিং দিলাম। যদিও শেষ পর্যন্ত সাতজন গেলাম ট্যুরে । সাথে দুই পিচ্চি। মোট ৯ জন।
বাসের জন্য অপেক্ষা এবং বাস ভ্রমণ:
'আগে আসলে আগে পাবেন' এর ভিত্তিতে সিট দেয়া হবে-এমন একটা প্রচারণা চলছিল। আমরা পৌঁছেও যাই সময়মত। ঢাকার জ্যাম গলে বাস আসতে দেরী করে ফেলে ১ ঘন্টা। বোধহয় স্বজনপ্রিতী হবে, মেসবাহ ভাই আমাদের জন্য সিট বরাদ্দ দিলেন বাসের মাঝ বরাবর। ঢাকা থেকে বের হতে হতে রাত একটার কিছুটা বেশি।
আধো ঘুম আধো জাগরনে চলছিল বাস ভ্রমণ। রাতে একজায়গায় থেমে ফ্রেশ হবার বন্দোবস্ত এবং হালকা নাস্তার ব্যবস্থা। ওখানে আমাদের গ্রুপের আরেকজনের সাথে দেখা। সে যাচ্ছে সিলেট ট্যুরে। ওরা ১০/১২জন। তারপর আবার বাসের এসি পরিবেশ।
দ্য ব্রিজ অন দ্য রিভার পদ্মা

কিছু করার নাই। মানিক বন্দোপাধ্যায় সেই কবে পদ্মা নদীর মাঝি লিখেছিলেন। উপন্যাসের নায়ক বা ভিলেন যাই বলেন, তার নাম হোসেন মিয়া। সেই থেকে পদ্মা নদী নিয়ে সব গল্পের নায়কের নামই হোসেন মিয়া। তবে খানিকটা আধুনিকতা দিতে এই গল্পের নায়ক হোসেনের নামের শেষে মিয়া না লিখে নামের শুরুতেই সৈয়দ লেখা যেতে পারে।
আমাদের এই হোসেন মিয়া আবার রাজনীতি করেন। তার এলাকা পদ্মা নদী থেকে একটু দূরে। ফলে ঠিক সেতু না, সাকো দিয়ে পেশা শুরু করেছিলেন তিনি। তখন দেশটি স্বাধীন হয়েছে বেশি দিন হয়নি। তাই স্থানীয় এক নির্বাচনের আগে হোসেন মিয়া একটা জ্বালাময়ী বক্তৃতা দিলেন। বলা যায় পাঁচ মাইল দীর্ঘ প্রতিশ্র“তি দিলেন। সবশেষে বললেন, নির্বাচিত হলে তিনি এই এলাকায় একটি সাকো বানিয়ে দেবেন, যাতে গ্রামবাসী সহজে খাল পারাপার করতে পারেন। গ্রামের এক বোকা লোক কাচুমুচু হয়ে বললো, আমাদের এখানে তো খালই নেই, সাকো বানাবেন কেমনে? আমাদের গল্পের হোসেন মিয়া এবার গলা ফুলিয়ে বললো, প্রয়োজনে খাল বানানো হবে আগে, তারপর সেই খালের উপর হবে সাকো।
পবিত্র কুরআনের অত্যান্ত গুরত্বপূর্ন ৩৪৬ টি আয়াত !
বিশ্ব সভ্যতায় ইসলাম এবং আল কুরআনের অবদান কতটুকো চিন্তাশীল ব্যক্তি মাত্রই বিষয়টি উপলদ্ধি করে থাকবেন। ধরনীতে এমন কোন জনপদ নেই যেখানে এই মহান গ্রন্থের কোন না কোন কল্যানময় প্রভাব নেই। যুগে যুগে অমুসলিম দার্শনিকগন পর্যন্ত একে এক মহাবিষ্ময়কর গ্রন্থরূপে অভিহিত করেছেন ! সুতরাং এর দ্ধারাই প্রমানিত হয় এই গ্রন্থে এক অদৃশ্য মহাশক্তি লুকায়িত। হাদিস শরিফে মহানবী এরশাদ করেন যে মুসলিম পবিত্র কুরআনের মাত্র একটি অক্ষর পড়ে তার আমলনামায় দশটি নেকি লিখা হয়ে যায় ! অনত্র এরশাদ করেন যে ব্যক্তি রাতে কিছুক্ষন (কুরআন অনুসরন করে) এলমে দ্বীন শিক্ষা করে তার আমলনামায় সাড়া রাত নফল এবাদত করার সওয়াব লিখা হয় ! এই হাদিস দ্ধারা প্রমানিত হয় যে ব্যক্তি শুধু কুরআন পড়ে তারচেয়ে যে ব্যক্তি কুরআনের জ্ঞান অর্জন করে তার মুল্যে মহান রবের নিকট অনেক বেশি! অতপর যে ব্যক্তি কুরআন গবেষনার পর সেই মোতাবেক জীবন পরিচালনা করে তার মযর্াদা যে ব্যক্তি শুধু গবেষনা করে তার চেয়ে অনেক বেশি !
ভালো লাগা
একটা বিষয় আমার ভাবতে খুবই ভাল লাগছে যে আমার দিনকাল বেশ ব্যস্ততায় কাটছে। যদিও পরিমান্ টা অনেক বেশি হয়ে গেছে, তারপরেও ভাল লাগছে এই ভেবে যে কিছুদিন পরে এর সুফল পাওয়া হয়তোবা শুরু করবো। আসলে সব কিছুর ই শেষ আছে। আনন্দের কিংবা দুঃখের! কেন শুধু আনন্দই চিরস্থায়ী হয়না! জানিনা, পালাক্রমই বুঝি বিধাতার নিয়ম। এবার এই পালায় আশা করছি---সামনের কিছুদিন আসছে শুধুই আনন্দের। সেটা না হয় একটু পরেই বলি।
আজ আমার মন ভাল দিন.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
আজ আমার মন ভাল দিন..
দুঃখ যত উড়িয়ে দেব পাহাড়চূড়ায়;
কষ্ট গুলো ভাসিয়ে দিয়ে নদীর জলে,
অভিমান - রাগ চাপা থাক মাটির তলায়..
আজ আমার মন ভাল দিন..
আজ আমি আকাশ ছোঁব;
করে ভর পাখির ডানায়..
আজ আমি আনন্দেতে থাকব ভেসে;
ক্ষনিকের উল্লাসেতে রাখব ভরে হৃদয়খানি,
ক্ষনে ক্ষন উঠবে হেসে নয়নতারা..
আজ আমার মন ভাল দিন..
অকারন খুশির ছোঁয়া লাগুক প্রাণে,
আজ আমি হব-ই সুখী..
উচ্ছাসেতে,
বাঁধনহারা..
আজ আমার মন ভাল দিন..
আজ আমি দিনের শেষে..
রাঙিয়ে মন খানি মোর সুখ - স্মৃতিতে;
বারে বার আনন্দেতে হব-ই সারা,
ঘুম ঘোরে স্বপন মাঝে
আসবে ফিরে পরশ তারি..
আজ আমার মন ভাল দিন..।।
আষাঢ়ে
(ক) রহমত মাষ্টার
আষাঢ় মাস। দুদিনের টানা বৃষ্টি সব কিছুকেই যেন থমকে দিয়েছে।
রহমত মাষ্টারের মেজাজ খিচড়ে আছে ভীষন অসময়ে ঘুম ভাঙার জন্য। রাত প্রায় ৩ টা। ঘুম ভাঙার কারন যে পেটে মোচড় তা আর বুঝতে বাকী নাই তার। বাইরে ভীষন বৃষ্টি। গ্রামের এই এককোনে তার টিনের ঘরখানায় সে একা থাকে। বউটা মেয়েটাকে নিয়ে গেছে বাপের বাড়ী, বেড়াতে। টিনের চালে বৃষ্টির টিপ টিপ শব্দ তাকে আবারও সন্ত্রস্ত করে তুললো। পেটের মোচড় নিবৃত করতে চাইলে তাকে ঘর থেকে অন্তত ১০০ গজ হেটে ঝোপ আর বিশাল বাঁশ ঝাড় এড়িযে পুকুরের পাড় ঘেঁষে বাস্তু ভিটার শেষ সিমানায় ছোট ঘরটাতে যেতে হবে। চেষ্টার কোন ত্রুটি রাখছে না সে যেন কোনভাবেই হোক সকাল পর্যন্ত চেপে রাখা যায়। অন্য স্মৃতি কিছু এদিক সেদিক হাতরে ভুলে যেতে চাইছে ব্যাথাতুর মোচড়টাকে। কিন্তু খুব একটা সুবিধা হচ্ছে না। ঘুরে ফিরে ঘরের খুব কাছে সুন্দর একটা ছোট ঘর নির্মান ও তা ব্যবহারে সুখের কথাই বার বার ভেসে উঠছে।