ইউজার লগইন
ব্লগ
অসংলগ্ন
একটা নদীর মৃত্যু হয়েছে সেদিন...
আলফেসানী দাঁড়িয়েছিলো একটা রিকশা কখন এসে টুনটুন নুপুর বাজাবে সেই অপেক্ষায়। সেই রিকশাই এলো, সাথে করে নুপুরের ছন্দের বদলে নিয়ে এলো নদীর মৃত্যু সংবাদ। নদীটার সাথে আলফেসানীর পরিচয় ছিলোনা। শুধু ঢেউয়ের ছন্দটা সে দেখেছিলো কোনো এক আর্ট গ্যালারীর আলো আঁধারীতে।
ঝাঁক বেঁধে দানবেরা ছুটে এসেছিলো মৃত নদীর দৃশ্যমান সম্পদ ছিঁড়ে খুঁড়ে নেওয়ার জন্য। যেটা আলফেসানীর একেবারেই পছন্দ হয়নি। তাই সে জবথবু হয়ে বসে পড়লো গ্যালারীর অন্ধকার সিঁড়ির নীচে। যেখানে তৈলচিত্রদের বৃদ্ধাশ্রম। হঠাতই অন্ধকার ভরে উঠলো ফিসফিস স্বরে। শুনবেনা শুনবেনা করেও আলফেসানী শুনে ফেললো বৃদ্ধ তৈলচিত্রদের একান্ত গোপন কথাগুলো। এর ভেতর কোনো একটা তৈলচিত্র আবার সানাই বাজিয়ে চলেছিলো অবিরাম।
তাফসীর ও হাদিস গ্রন্থ সহ পৃথিবী বিখ্যাত ২ শতাধিক বাংলা ইসলামী বই ডাউনলোড ফ্রি !
''কুরআন হাদিসের আলোকে ধর্মিয় জ্ঞান অর্জনের গুরত্ব''
অনাকাঙ্খিত সর্ম্পক
কি লিখিব আজ আমি তোমার স্বরণে..চেনা মানুষটি যখন হয়ে যায় অচেনা, সইতে পারি না আর কষ্টের সীমানা! পৃথিবীতে কত না বিচিত্র মানুষ। কেউ সর্ম্পক করে সময় কাটার প্রয়োজনে, কেউ মনের আত্নতৃপ্তির জন্য কেউবা ভাল একটি বন্ধুত্বতার জন্য, যে নাকি সুখে দুখে সবসময় তার পাশে দাঁড়াবে। কিন্তু আসলে কি বাস্তবে তা হচ্ছে..? জানি না এর পরিসীমা কি বা এর গন্তব্য কোথায়..?
বাংলা ব্যান্ডের গান
I was born on the dawn of a new society
And I feel lucky that my eyes could see
People standing up and being who they want to be
People made the music and the music made them free
Now I was just a baby through the summer of love they say
But it still feels like it was today
And if the road gets rough I pick up my guitar and play
It's always been right by my side to help me on my way
Now I don't need to worry 'bout tomorrow
Ain't anticipating what's to come
And I don't need to worry 'bout the things I have not done
Long as I got rock and roll I'm forever young
Now we can't always understand this world
Farther along we'll understand it all
The seventies looked like we all were headed for a fall
But those who listened hard enough could hear the summer call
Now I was growing up through all of this
My first beer and love and my first kiss
You never learn the things in school
You learn by living and going through
You taught me how to be myself
"দেভদাস" - ২
দেভু তাঁহার পিতা মাতা সহ জিগাতলার বাড়িতে আসিয়া পৌছাইলো। গাড়ী হইতে নামিয়া বিস্ময়ে চারিদিকে দেখিতে লাগিলো। চারি পাশে উঁচু উঁচু দালান। সব বাড়ির গ্রিলের ডিজাইন একই, বাড়িগুলার ডিজাইন বাহির হইতে দেখিতে একই রকম । সামান্য উনিশ-বিশ আর কি !!! বেলা না গড়াইতেই সুর্যালোক ঢাকিয়া গিয়াছে। ফুটপাতে সেই আগের মতই টং দোকান, আর মানুষ ফুটপাত ছাড়িয়া রাস্তা দিয়া হাটিয়া যাইতেছে। সেই মানব স্রোতের ভিতর দিয়া ঠেলিয়া রিকশা কিংবা ছোট গাড়ী কোনক্রমে যাইতেছে। এই দশ বছরে এই শহরে যেন কয়েক সহস্রাধিক গুন লোকসংখ্যা বাড়িয়াছে।
দেভু তাহাদের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করিলো। ঝা চক চকে মেঝে, কারুকার্য মন্ডিত সদর দরজা। দেখিয়াই তাঁহার আত্মা ভরিয়া গেল। সদর দরজা পেরিয়ে বসার ঘর। তাহাতে সব চাইনিজ সৌন্দর্য সামগ্রী দিয়া ঠাসা। দেখিলে মনে হইবে জাদুঘর। সব দেখিয়া শেষে দেভু তাঁহার জন্য বরাদ্দ করা কক্ষটিতে প্রবেশ করিলো।
আমার প্রিয় মোহামেডান...

আমার প্রিয় দল..মোহামেডান। খুব ইচ্ছা করছে আপনাদের সবার সঙ্গে মোহামেডানের একটি স্বর্ণযুগের ছবি শেয়ার করতে। এই ছবিটি ১৯৮৬ সালের। মোহামেডানের অন্যতম সেরা বছর। বুকে এমএসসি লেখা এই জার্সি পড়া মোহামেডানের ছবি দেখতে দেখতেই আমাদের বড় হয়ে ওঠা। এই ছবিটির সঙ্গে মিশে আছে আমাদের প্রজন্মের বেড়ে ওঠাও।
যানজট নিরসনে কমিউটার রেল
ঢাকা শহরের যানজট দূর করা নিয়ে নানা মুনির নানা মত। কেউ বলেন বেশি করে ফ্লাইওভার বানাতে। কেউ বলেন প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ করতে। কেউবা বলেন রিকশা উঠিয়ে দিতে। মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে , বাস ট্রানজিট বা বিআরটি ইত্যাদিও জনপ্রিয় সমাধান। কিন্তু এগুলো সবই দীর্ঘমেয়াদী সমাধান হওয়ায় স্বল্পমেয়াদে ঢাকার যানজটের সমাধান থেকে যাচ্ছে অনেক দূরের বিষয়। কিন্তু ঢাকা নগরবাসীর তো যানজট নিয়ে হাপিত্যেশ অবস্থা। এই মুহূর্তে সবচেয়ে সহজ সমাধানটা কী কেউ ভেবে দেখেছেন?
এখানে একটি কথা বলে রাখা ভালো। আমি যে সমাধানটির কথা বলব, সেটা যে আমিই প্রথম বলছি বা ভাবছি, এমনটা ভাবার কোনোই কারণ নেই। বরং এটা আগেও অনেকবার আলোচিত হয়েছে। কিন্তু মেট্রোরেল বা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বা বিভিন্ন আকারের ফ্লাইওভার নিয়ে যে পরিমাণ আলোচনা, এটি নিয়ে তেমন একটা নেই। আমি মেট্রোরেল বা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বিরোধী নই, কিন্তু আলোচ্য সমাধানটির ব্যাপারে সরকার বাহাদুর যদি একটু যত্নশীল হতেন, তাহলে ঢাকার অসহনীয় যানজট থেকে নগরবাসীকে খুব দ্রুতই নিস্তার দেওয়া যেতো। স্বল্প মেয়াদে ওটাই হতো সবচেয়ে ভালো সমাধান।
সম্পর্ক
সম্পর্কগুলো ব্যক্তিগত না কি সামাজিক না কি প্রাতিষ্ঠানিক প্রশ্নটার মীমাংসা হওয়া জরুরী। কয়েক দিন আগে দেখলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের স্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে অভিযোগ করলেন তার স্বামীতারই ডিপার্টমেন্টের এক ছাত্রীর সাথে প্রেম করছে? ২২ বছরের দাম্পত্যজীবন- ২ কিংবা ততোধিক সন্তানের জন্মের পর একজন যদি নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে যায় বিষয়টা পারিবারিক পরিমন্ডোলে থেকে পাবলিক স্ফীয়ারে এমন ঘটা করে উথাপনের প্রয়োজন কি? বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তার দায়িত্ব কি নিজের আবেগ অনুভুতিকে ধামাচাপা দিয়ে জীবনযাপন করা? বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক জুনিয়র শিক্ষকই তো তাদের ছাত্রীর সাথে প্রেম করে বিয়ে করেছেন-
প্রশ্ন অবশ্য নৈতিকতারও, একটি স্ত্রী বর্তমান থাকতে অন্য কারো সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়াটা অনুচিত- ক্ষেত্রবিশেষে অনৈতিক, কিন্তু সেটা সম্পর্কের সাথে জড়িত ব্যক্তিগনের বিষয়- সেটা সংবাদ সম্মেলন করে জনতার রায় নেওয়ার বিষয় না।
বন্ধু হবার জন্য এলাম: হাত বাড়িয়ে দাও...
শুভ ব্লগিং। আমরা বন্ধু। আমিও এলম এই বন্ধুত্বে যোগদিতে। যদিও অন্য ব্লগে লিখছি বেশ কিছুদিন ধরেই, কিন্তু আমরা বন্ধু ব্লগে এই মাত্র পা দিলাম। নিবন্ধন করেই বেড়িয়ে যাচ্ছিলাম, কিন্তু ঐ মেসেজটা আমাকে একটু ভাবতে বললো, ‘কেন কোন লেখালেখি ছাড়াই বেড়িয়ে যাচ্ছি?’
তাই তো! আমরা বন্ধু ব্লগে এসে বন্ধুদের উদ্দেশ্যে যদি কিছু না বলি তবে তো সৌজন্যবোধটুকু থাকলো কই? তাই সবার প্রতি রইল আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা। অন্য ব্লগে আমাকে কেউ কেউ চিনে থাকবেন। আশা করি এ ব্লগে একটা সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ রয়েছে, তা চিরদিন থাকবে। বুদ্ধির মুক্তিই আমাদের কাম্য।
ব্লগিং আমার অত্যান্ত প্রিয় মাধ্যম হলেও, বর্তমানে আমি চোখের সমস্যায় ভুগছি। ইতোমধ্যে দু চোখে তিনবার করে লেজার সার্জারি এবং তিনবার করে ইনজেকসান নিতে হয়েছে। দৃষ্টি কিছুটা ঝাপসা। জানি না কতদিন এই চোখ ভাল থাকবে। তবে যতদিন আছে কামনা করি লেখালেখি করার চেষ্টা করে যাবো।
বন্ধুতা..
বন্ধু,
বলো বন্ধু তোমার কোন্ জনা?
যখন তোমায় কেউ বোঝে না,
বোঝে তোমায় যেই জনা..
আনন্দেতে ভাসায় যে জন,
দুঃখ পেলেও;
অশ্রু মুছে -
হাসায় আবার যেই জনা..
বন্ধু,
তোমার বন্ধু;
জেনো -
সেই জনা.. সেই জনা..!
[পৃথিবীতে যাদের একটা হলেও প্রাণের বন্ধু আছে,
তাদের সবার কাছেই
বন্ধুত্বের প্রতিটি দিন একেকটা বন্ধু দিবস।
তবুও সেই প্রাণের বন্ধুদের প্রতি আমাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালবাসার যে বন্ধন তার সম্মানে একটা আলাদা স্পেশাল দিন, খারাপ কি?!
হাজার হোক,
বন্ধুরাই তো আমার সেই পরিবার যা বেছে নেয়ার স্বাধীনতা একান্তই আমার!
রক্তের সম্পর্ক থাকুক না থাকুক,
আত্মার সম্পর্কে যে আত্মীয় সেই তো আমার বন্ধু।
ভালবাসার একটা বন্ধুও যেন হারিয়ে না যায়,
এমনটাই হোক এই বন্ধু দিবসের কামনা। ]
ভাল থাকুক সকল হৃদয়,
প্রতিটি দিন - প্রতিটি ক্ষণ।
সব্বাইকে বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা ও অনেক অনেক ভালবাসা। <3
"দেভদাস"
বিমানের আসনে বসিয়া দেভু নিজের নখ নিজে কামড়াইতেছিল। বিমান বলিলে অনেকে আবার বাংলাদেশ বিমান মনে করিয়া থাকে। উহা বাংলাদেশ বিমান নহে, বিদেশী কোন এক বিমান হইবে।
বিমান ঢাকার আকাশে ঢুকিয়াছে, কিছুক্ষনের মধ্যেই বিমানবন্দরের মাটি স্পর্শ করিবে। দেভু জানালা দিয়া ঢাকার আকাশ দেখিতেছিলো। তাহার মন অসম্ভব রকমের ভার হইয়া আছে। বিলাত ওরফে লন্ডনে ১০ বৎসর কাটাইয়া দেশে আসিয়াছে। অনেক চেষ্টা করিয়াছিলো বিলাতেই থাকিয়া যাইবে। কিন্তু কপালে ছিলো না বলিয়া আর থাকা হইলো না, বরং তাহাকে এক প্রকার জোর করিয়াই দেশে ফেরত পাঠাইয়া দেয়া হইলো।
চিঠি
চিঠি
এম আর মামুন
এই শহরে ডাকপিয়নের
আর মেলে না দেখা,
মুঠোফোনের বদৌলতেই
হয় না চিঠি লেখা।
বাবার কাছে টাকা চেয়ে
মেসেজ পাঠায় ছেলে,
ভয়েস মেল ও চিঠির কদর
দিচ্ছে দূরে ঠেলে।
ইমেল, ফ্যাক্স, শর্ট মেসেজে
ব্যস্ত মানুষ আজ,
তাইতো বুঝি জিপিওতেও
থমকে গেছে কাজ।
হারাক চিঠি, তবুও মানুষ
দেখলো দুচোখ ভরে,
সরকার আর বিরোধী দল
চিঠির চর্চা করে।
যেই ছেলেটা যুদ্ধে গেল
করল জীবন দানও,
মায়ের কাছে সেই চিঠিটার
মূল্য কত জানো?
৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থান, মেজর নাসিরের বই ও অনেক অজানা কথা
১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট, ৩ নভেম্বর ও ৭ নভেম্বর-এই তিনটি দিন নিয়ে আমার ব্যাপক আগ্রহ। এ নিয়ে কিছু বইও আছে। সাফায়াত জামিল ৪৬ ব্রিগেডের প্রধান ছিলেন। আবার ৩ নভেম্বরের অন্যতম অভ্যুত্থানকারী। তিনি একটি বই লিখেছেন। সেখানে তিনি অনেক ঘটনার কথা বলেছেন। কর্ণেল হামিদ কোনো অভ্যুত্থানের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন না। তিনি পাশে থেকে বা কাছে থেকে দেখেছেন। ব্রি. সাখাওয়াতও অভ্যুত্থান কাছ থেকে দেখেছেন। তিনিও একটা বই লিখেছেন। মে.জে. মইনুল হোসেন চৌধুরী (অব.) কিছু লিখেছেন, তবে তিনি সেসময়ে দূরেই ছিলেন। ‘সৈনিকের হাতে কলম’ লিখেছেন নায়েক সুবেদার মাহবুবর রহমান, তিনি বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার সভাপতি ছিলেন। তিনি যেসব অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন, তা এক কথায় ভয়াবহ। কিন্তু কোনো বইতেই আমি খালেদ মোশারফের অভ্যুত্থানের অনেক কিছুই জানা যায় না। অথচ এই অভ্যুত্থানটি সফল হলে আজ বাংলাদেশের চেহারা অন্যরতম হতো।
জয়তু বন্ধুতা !
সামুয়েল ইকবাল। ডাক নাম গগন। আমার বন্ধু। রংপুর মুন্সি পাড়ার ছেলে। ওর বৌ শাপলা। সামুয়েলদের রংপুরের বাসায়ও গিয়েছিলাম। সেটা ৯৮ বা ৯৯ সালের গল্প। হঠাৎ একদিন শুনি সে বন্ধুটি দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছে। সাথে তার বৌ। যেদিন তাদের ফ্লাইট- তার ৪/৫ দিন আগে ঢাকায় চলে আসলো ওরা। নবাবপুরের একটা হোটেলে উঠলো। সেখান থেকে ফোন করে জানালো আমায়। হোটেলে উঠায় একটু অভিমানই হয়েছিলো আমার। তারপরও তার সাথে দেখা করতে হোটেলে যাই। সেখানেই পরিচয় তার বৌ শাপলার সাথে। নতুন বৌকে নিয়ে বাসায় আসতে বলি। পরদিন আসে। সারাদিন বাসায় থেকে রাতে আবার হোটেলে ফিরে যায়। সেই সামুয়েল ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দেশ ছেড়ে ইংল্যান্ডের পথে উড়াল মারে। তার সাথে যোগাযোগটা নিয়মিতই রয়ে যায়। এখনও আছে। প্রায়ই ফোনে বলে, চলে আসবে দেশে। আবার বলে- এসে এখানে কী করবে ? গত বছর তাদের একটা কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। এই ছেলেটাকে আমি খুব মিস করি...
তোমার বার্তা
অহেতুক ভিজে ফিরে গেল
অনাহত একাকী এ সন্ধ্যা ,
ছাদের কার্নিশে কার জমা রয়ে গেল
জলেভেজা বিরহগাঁথা ।
রিমঝিম বৃষ্টির গানে ,
অনিয়ত মেঘের গর্জনে
সদ্যজাত কতগুলো দীর্ঘশ্বাস
চাপা পড়ে গেল চিরতরে ।
একে একে নিভে গেল সবকটা
ফ্ল্যাটের আলো ।
এমনি যে কত রাত , কতগুলো বর্ষা ফুরালো ।
ভেবে ভেবে এই একাকিত্ব
এখনো যে থিঁতু হয়ে বসে ,
তোমার বার্তা কেন আজো ভেসে এলোনা
বাদল বাতাসে ।