ইউজার লগইন
ব্লগ
কে এই আবুল

তিনি একসময় টিসিবির একজন সামান্য কর্মচারী ছিলেন। ১৯৭৪ সালের ঘটনা। তখন সব কিছু রাষ্ট্রায়াত্ব, টিসিবি ছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। সব ধরণের পণ্য আমদানি করতো এই সংস্থাটি, রপ্তানিও করতে হত টিসিবির মাধ্যমে।
দুর্নীতিটি ছিল গম নিয়ে। দুর্নীতির ব্যাপকতা এতোটাই বেশি ছিল যে, শেষ পর্যন্ত চাকরি চলে যায় তার। বঙ্গবন্ধুর সময় সরকারি চাকরি হারানো এই লোকটির নাম ছিল সৈয়দ আবুল হোসেন। চাকরি চলে গেলেও লোকটির কোনো সমস্যা হয়নি। কারণ প্রচুর অর্থের মালিক হয়েছিলেন টিসিবিতে চাকরি করতেই। সেই টাকা দিয়ে একটা প্রতিষ্ঠান চালু করলেন। নিজের নামেই প্রতিষ্ঠান। নাম-সৈয়দ আবুল হোসেন কোম্পানি লিমিটেড-সংক্ষেপে এসএএইচসিও বা সাকো। ১৯৭৫ সালে এর প্রতিষ্ঠা।
এক স্রষ্টা-এক বিশ্ব-এক জাত '' মানুষ''
বাউল কথাটির উৎপত্তি নিয়ে বিভিন্ন মতভেদ রয়েছে । ''বাউল'' শব্দের অভিধানিক অর্থ ধর্মীয় সংকীর্নতা ও সংস্কার হইতে মুক্ত সাধক সম্প্রদায়বিশেষ।কারও মতে সংস্কৃত 'বাতুল'শব্দ হতে বাউল শব্দের উৎপত্তি কারন তারা বাতাশের হিসাব করে[[বাতাশের হিসাব মানে কি তা ৪নং ষ্টেপে বলা আছে]]।
কারও মতে বাউল আউল শব্দ হতে আসছে, মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত বাউলরা আউলিয়া স্বরুপ।মুসলিম বাউলরা বে-শরাহ ফকির/সাধক। বে-শরাহ মানে শরীয়ত বা সামাজিকতা বহির্ভুত যেমন নামাজ রোজা হ্জ্জ যাকাত ইত্যাদি বিধি নিষেধ পালন করে না তারা নিজেকে জানার মাধ্যমে আল্লাহকে জানতে চায়।বাউল হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যেও দেখা যায় অনুরুপ ভাবে তারা হিন্দু ধর্মের আনুষ্টানিকতা মানে না তারাও নিজেকে জানার মাধ্যমে ঈশ্বরের খোঁজ করে।
বাউলরা বিশ্বাস করে মানুষের জাত এক 'মানুষ'। একমাত্র সৃষ্টির বা বংশ বিস্তারের তরে নারী ,পুরুষ এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।বাউলরা বিশ্বাস করে,মানব দ্হেতেই সাধন ভোজন ধর্ম কর্ম । দেহের উর্ধে কিছু নাই । আল্লাহ বা ইশ্বর দেহতেই বিরাজমান। বাউলরা বিশ্বাস করে,যা আছে বিশ্বভান্ডে তা আছে দেহ ভান্ডে ।বাউলরা আরএক অর্থে দেহ তত্ববিদ।
আনন্দ বিষাদের দিন রাত্রী!
ঢাকায় যখন বাবা মার সাথে ছিলাম, টিভি ছিলো তখন রবিবার ছিল মন ভালো থাকার দিন। রিসেন্ট কলকাতার সিনেমা, হিন্দী সিনেমা, ইংলিশ সিনেমা, যাবতীয় টিভিতে যা দেখায় তাই ভালো লাগে এই দিন। এমনকি সামান্য টিভি দেখার জন্যে আমি অনেক জায়গাতে যাই নাই যে মিস হবে বলে প্রোগ্রাম। যাই হোক রবিবার মানেই আবার ছিলো প্রথম আলো পড়া। আমার প্রিয় সাপ্লিমেন্টারী স্টেডিয়ামে চোখ বুলানো। ১৯৯৯ সালে তখন ক্রিকইনফো গোল ডটকম কিছুই চিনি না। চিনি খালি জনকন্ঠ, ভোরের কাগজের খেলা নিয়ে সাপ্তাহিক আয়োজন। তখনি পরিচয় হয় প্রথমআলোর স্টেডিয়ামের সাথে। গোগ্রাসে গিলছি ২০০৭ সাল পর্যন্ত। নিজে পত্রিকা কিনি নাই অন্যের বাসা থেকে পকেটে চুরি করে আনছি পড়বো বলে। রবিবার নিয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয় বন্ধু মহিউদ্দিন। তার বাবা কোন কোর্সে গেছিলো বিদেশ, আসার সময় ক্রিকেট সম্পর্কিত বই পত্রিকা আনছিলো কিছু। বাসা থেকে মিথ্যা বলে টাকা নিয়ে সেই বই পড়ছি ভাড়া দিয়ে। ইংরেজি তখন অতো ভালো বুঝি না কিন্তু ছবিওয়ালা সেই বইটা জগতের সেরা শান্তি এনে দিয়েছিলো। যাই হোক যখন থেকে নেটে বসা শুরু করলাম তখনই মনে হলো কোথা থেকে এরা এতো খবর জানে। খোজ পেয়ে গেলাম সবকিছুর। তারপর থেকে আগ্রহ কমতে থা
শীর্ণ শীতের লতা... আমার মনের কথা...
খুব বড় কিছু হয় নি। জীবনের বিশালতার তুলনায় কোন কিছুকেই ইদানীং আর খুব বেশী বড় বলে মনে হয় না।
তারপরও কিছু প্রাপ্তি আর এর পিছনে ফেলে আসা বহু অপ্রাপ্তির হিসাব মিলানোর সময় মাঝে মাঝে অনেক ছোট বিষয়গুলো বড় হয়ে সামনে চলে আসে।
আজ আমার বিসিএস এর চূড়ান্ত ফলাফল দিলো পিএসসি। আমাকে প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার হিসাবে বাংলাদেশ রেলওয়েতে নিয়োগ দেওয়ার জন্যে সুপারিশ করা হয়েছে।
এই ঘটনাটাকেই বললাম তেমন বড় কিছু নয়। আবার বড় কিছুও।
এর পিছনে আমার অনেক দিনের সাধনা রয়েছে। রয়েছে অনেক ত্যাগের ইতিহাস। এভাবে বলছি শুনে কেউ যদি উপহাস করে বলেন, "মনে হচ্ছে যেন রাজ্যজয় করসো মিয়া" তো বলতেই পারেন কিন্তু আমি জানি আমি দীর্ঘ আটটা বছর ধরে কতখানি যন্ত্রণা বুকে চেপে এই একটি দিনের জন্যে অপেক্ষা করে এসেছি।
অপেক্ষার যাতনা বড় ভয়ংকর। আর সেই অপেক্ষা যদি বছরের পর বছর ধরে করতে হয় আর তার শেষে যদি মোটামুটি একটা সুসংবাদ পাওয়া যায়, তাহলে রাজ্যজয়ের অনুভূতিটাই হয়। আমার বিশ্বাস জীবনের কোন না কোন সময়ে প্রত্যেকেই এরকম অনুভূতির স্বাদ পেয়েছেন।
আজ আমি অনেক খুশী।
এলেবেলে সাতকাহন
এক
রোদ্দুর। আমার বড় ছেলে। এইতো সেদিন ওর এই পৃথিবীতে আসা। এক রাতের মধ্যে তার মা'কে ৬ ব্যাগ রক্ত যোগাড় করে দেয়া। পৃথিবীতে এসেই জীবনের প্রথম ২৪ ঘন্টা ও ইনকিউভিটরে কাটালো। সেই ছেলেটা দেখতে দেখতে বড় হয়ে গেলো। ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি। ৬ ক্লাসে পড়ে। গবর্ণমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলে। আজ তার ১২ বছর শেষ হলো। বেঁচে থাক বাবা। মানুষ হ...
দুই
কাল অনেকদিন পরে এক বন্ধুর সাথে দেখা হল। আমার বিগত এক বছরের কাহিনী জানতে চাইলো। বললাম। ... সব শুনে শুভাকাঙ্খী বন্ধুটা বললো, জীবনটা (অর্থনৈতিক) আবার গোড়া থেকে শুরু করেন...
তিন
গতকাল ছিলো ছোট বোন সুলতানা শিপলুর জন্মদিন। কেমন করে ছোট এই মেয়েটি 'মহিলা' হয়ে গেল। এখন তার ২ কন্যা। অন্যতমা আর বর্ণমালা। দুজনেই স্কুলে পড়ে। সেদিনের সে পুঁচকি মেয়েটা এখন পুরোপুরি গৃহিনী। সময় দ্রুত চলে যাচ্ছে। কিছুই করা হয়নি। দেখা হয়নি কিছুই। হায়রে, জীবন এত ছোট কেনো ?
চার
২ বছর ৪ মাস বয়সি 'সমুদ্দুর' রাতের বেলা তার দাদা 'রোদ্দুর'কে যেয়ে বললো- "হেবি বাদদে দাদা..."। রোদ্দুরের জন্য একটা কালো আর হলুদ মিশেলের হাত ঘড়ি কিনলাম কাল। সেটা সমুদ্দুর গিয়ে তার দাদাকে দিলো...
পাঁচ
ছয়টি ব্লগরব্লগর
১.
এক লোক গলায় দড়ি দিয়ে মরার জন্য দড়ির গাছি নিয়ে গাছে উঠছিল। মাঝপথে উঠে দেখলো গাছের কোটরে একটা সবুজ সাপ সাড়ে তিন প্যাচ দিয়ে বসে বসে ধ্যান করছে। লোকটা আর উপরে উঠতে সাহস পেলো না। সুরসুর করে নেমে এল মাটিতে। সাপটাকে কষে গাল দিল, দুশশালা শান্তিতে মরতেও দিলি না।
২.
টাঙ্গুয়ার হাওর দেখার সাধ আমার অনেকদিনের। কোন সুযোগ পাচ্ছিলাম না। তাই প্রস্তাব পাওয়ামাত্র চাকরীর গুল্লি মেরে টাঙ্গুয়া যাবার জন্য তৈরী হচ্ছিলাম। তখন চাকরীর সাথে সত্যি সত্যি গোলাগুলি চলছিল। যে কোন সময় আমি বা চাকরী যে কেউ যে কাউকে লাল কার্ড দেখিয়ে দিতে পারি। বেপরোয়া সিদ্ধান্ত নেবার মতো চমৎকার একটা পরিস্থিতি। কিন্তু টাঙ্গুয়া যাবার জন্য চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবার কদিন পর একদিন সাদা পতাকা তুললো চাকরী। শান্তি স্থাপন হয়ে গেল চাকরীর সাথে। শান্তি হবার পর পর এমন একটা কাজের শিডিউল পেলাম, আমার টাঙ্গুয়া স্বপ্ন লাটে উঠলো। শান্তিকালীন সময়ে চাকরীকে লালকার্ড দেখানোর কোন কায়দা আছে কি?
৩.
জেনে নিন কিভাবে আপনার ক্যামেরার Firmware Update করবেন

আমি Nikon ইউজ করি তাই যারা নাইকন ইউজার আছেন তাদের বলি। আপনি জানেন কি আপনার ক্যামেরার বডির Firmware আপডেট করা যায়? এইটি খুব সহজে আপনি করে নিতে পারেন। এইটা অনেক টা iphone'র iOS এর মতো আপডেট করে নিলে লেন্স জনিত অনেক সুবিধা বা অনেক বিষয়ে ক্যামেরা বডি কে আপডেট রাখতে পারেন।
আপনি নিজেও নেটের লিঙ্কের বর্ণিত কাজ গুলি স্টেপ বাই স্টেপ করে কাজ টি করে নিতে পারেন।
Nikon'র লেটেস্ট আপডেট ভার্সন গুলা এখানে পাবেন। মিলিয়ে নিন আপনার ক্যামেরা মডেলের লেটেস্ট Firmware টি।
http://support.nikonusa.com/app/answers/detail/a_id/13783
আর Windows user রা কিভাবে আপডেট করবেন সেইটা এখানে পাবেন... ভালো করে পড়ুন কয়েক বার। আশা করছি বুঝতে পারবেন ছবি দেখেই।
http://nikonimglib.com/dcdata/manual/En/lensprofile_win_en_ABF.html
এক রাষ্ট্রদূতের করুণ কাহিনী
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
বাংলাদেশের সাহস বেড়ে গেছে। একটি শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিটলামি শুরু করছে দিপুমনির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রদূতটি সম্প্রতি দায়িত্ব নিয়ে এসেছেন বাংলাদেশে। তিনি এসেই বক্তৃতা দিয়ে বেড়াচ্ছেন, নানা ধরণের কথা বার্তা বলছেন। সারাদিন ছুটে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু বাসায় গিয়ে শান্তি নাই। ঘরে বউ নাই। কারণ বাংলাদেশ বাংলাদেশ বার বার তাঁর ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান করছে।
একটি দীর্ঘশ্বাস- শুধুই একটি দীর্ঘশ্বাস এনেছি আমার সমস্ত পার্থিব জীবনের বিনিময়ে
বয়স বাড়ছে - মনটা বোধহয় আগের মত আর সজীব নেই - পথ চলতি তরুণদের দিকে তাকালে কিছুটা ঈর্ষাই যেন বোধ করি ইদানিং - চিরশত্রু মেদ শরীরে অনুপ্রবেশ করেছে - তিন দশকের গল্প শেষ - স্বাভাবিক নিয়মে চললে আর বাকি দু'দশক - আশা করি নিয়মের ব্যতিক্রম হবে - সময়টা এত দীর্ঘ হবে না - মাঝেই মাঝেই পিছু ফিরে দেখি - মনে আশা - ফেলে আসা পথে ভালো কিছু কাজ কি দেখা যায় - ক্ষুদ্র বিন্দুসম হোক তবু এমন কোনো কিছু যার প্রতিদান স্রষ্টার কাছে প্রত্যাশা করতে পারি - বৃথা অন্বেষণ - কিঞ্চিতকর একটি আকরও আমি সংগ্রহ করে আসিনি - শুধু বয়সে বড় হলাম - মনের দিক থেকে - কর্মের দিক থেকে রয়ে গেছি শূন্য পাত্র - আমি বহু হাত ছুঁয়েছি - সম্পর্কের বহু মাত্রিক সমীকরণে নিত্যনতুন সহগের ভূমিকায় নেমেছি - প্রাপ্তি হয়ত নগণ্য - তবু এই ছিল জীবনের ধারা - এই ধারাতেই হাঁটছি এখনো - 'আজরাইল' নামের সেই প্রিয় মুখ ধারে কাছেই আছেন জানি - কিন্তু তিনি কতটা সময় নেবেন তা শুধু নিয়তিই জানেন - তারপরে অন্তিম যাত্রা - অলক্ষ্যের পথে - শবাধারে শুয়ে পড়ব - বুজে যাবে দুই চোখ - পার্থিব কাহিনীটা শেষ হবে - ওই মুহূর্ত টা নিয়ে আমি মাঝে মাঝেই ভাবি - অন্ধকার ঘরটা কেমন হবে - খুব কষ্টকর ?
খরার পরে বৃষ্টি (শেষ পর্ব)
দুপুরের কাঠফাঁটা রোদে আবার রাস্তায় নামে অমিয়। শান্তিনগর মোড়ের দিকে হাটতে থাকে, রাস্তায় প্রচুর যানজট। বাস, প্রাইভেট কার, সিএনজি, রিকশা, ভ্যানে রাস্তা গিজ গিজ করছে। যানজটে মানুযের জীবনযাত্রা দিনকে দিন কঠিন হয়ে উঠছে। প্রচণ্ড গরমে অস্থির। এর মধ্যে ঘন্টার পর ঘন্টা জ্যামে বসে থাকা ! বেঁচে থাকার তাগিদে ছুটে চলে শহরের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত। বড় বড় অফিসের ব্যাস্ত কর্মকর্তা থেকে শুরু করে খেটে খাওয়া দিন মজুর পর্যন্ত। সবাই ছুটছে জীবিকার প্রয়োজনে !
শান্তিনগর মোড়ে এসে অমিয় ভাবতে থাকে কোথায় যাওয়া যায় ? ঠিক এই মুহূর্তে ওর কোন কাজ নেই। কাজ না থাকাও একটা সমস্যা। ফাঁকা বাসায় একা একা সময়ও কাটবে না, ভাবতে ভাবতে একটা রিকশায় উঠে পড়ে।
-রিকশাওয়ালা জিজ্ঞেস করে- কই যাইবেন ?
-মতিঝিলের দিকে চলেন।
রিকশা ধীরে ধীরে এগুতে থাকে মতিঝিলের দিকে। রিকশাওয়ালা লোকটা বেশ বয়স্ক। রুগ্ন শরীর, বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে। প্রচন্ড গরমে দরদর করে ঘামছে।
-চাচা, আপনার বাড়িতে কে কে আছে ?
-আমি আর আমার স্ত্রী।
-ছেলেমেয়ে নাই?
-তিনডা পোলা আছে, তারা যার যার সংসার নিয়া আছে।
-আপনারে দেখে না?
যাচাই করে নিন ক্যামেরা টি নতুন কিনছেন কিনা
ফটোগ্রাফির জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে ওয়ার্ল্ড মার্কেটে ক্যামেরার চাহিদাও বেড়েছে সমান ভাবে। কারন ফটোগ্রাফি করতে প্রথমেই যেটি দরকার হয় তা হল একটি ক্যামেরা। ক্যামেরা কেনার সময় আমরা অনেকে দ্বিধাদব্ধে ভুগি, ক্যামেরা টা নতুন কিনা তা নিয়ে। বাংলাদেশে অসাধু ভাবে সব কিছু হয় বলে সন্দেহ টা মাথায় এসে যায়। পুরান ক্যামেরা Refurbished করে আবার সেল করছে নাতো? অথবা Refurbished ক্যামেরা বাইরে থেকে কিনে গচাই দিচ্ছে নাতো? এই রকম অসংখ্য চিন্তা মাথায় এসে যায়। আসুন আজ জেনে নেই, কিভাবে সবচেয়ে সহজে আপনি প্রিয় ক্যামেরাটা ব্রান্ড নতুন কিনা জেনে নেই...
আমরা গাড়িতে একধরনের মিটার দেখতে পায়। একে Odometer বলে। গাড়িটি কত কিলোমিটার পথ চালানো হয়েছে তার হিসাব দেখতে পাই। গাড়ির এই মিটার দেখেই অভিজ্ঞরা সহজেই গাড়ির ব্যাবহার জনিত তথ্যাদি সম্পর্কে ধারনা পেয়ে যান। কত কিলোমিটার পথ চলেছে সহজেই দেখা যায়। নিচেই Odometer এর একটি ছবি দিলাম...
কোন এক হরিৎ বিকেলে স্মিত হাসিতে ভরবে উঠোন
সপ্তর্ষি প্রেমে অবাক জলস্রোতের নতজানু একাঙ্কিকা থেমে গেলে স্থানু সময় ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকে এক অকৃত্রিম মহীরূহ। যার সফেদ রেশম চিকচিকে হাসিকান্নার আলোয়ানে খেলা করে গুচ্ছ গুচ্ছ স্বপ্নকথিকা। বালকবেলার দোমড়ানো হাহাকার ঘিরে বসে থাকে একরাশ উঠোন-গোধূলি; আমি যার আধো আধো স্মৃতির ওপিঠে নিরলস এঁকে যাই একটি মুখ- রোগাটে, বিবর্ণ এবং জংধরা সূর্যের পিঠে আলো ঝলমল অপার আঁধার।
আমাদের শৈশব সেই আধো জাগরণগন্ধী সুপুরুষ সন্তময় হয়ে বেয়ারী বিলের ছনক্ষেতে ঝরে পড়ে হঠাৎ শালিখ হয়ে হেসে ওঠে, সুর তোলে, গেয়ে যায় ঘুমপাড়ানী স্বপ্নময় বাস্তবতা। একটি কাগজের পিঠে বিমান ওড়াতে যেয়ে পবিত্র মন্দির কবুতরের গন্ধে সোঁদা হয়ে উঠলে ঘামঝরা বিকেলের অধর কেঁপে কেঁপে ওঠে তার অজস্র চুম্বনে।
মোল্লাপুকুরের নরম তরল জলাধার গাঢ় বিকেলের রঙ হয়ে ভেসে থাকে। হঠাৎ অজানা সাম্পানে তার পলায়ন ভীত হয়ে আমাদের ঘরে ঢুকে পড়লে ভুলে যাই সকালের মৃদু আওয়াজ, মেহেদীর ভালবাসা আর চাপিলা মাছের নাদুস নুদুস ঘ্রাণ। একরত্তি ডাহুক বিকেলে ডাকের ছেঁড়া তারে আসে ডাওরীর জলে ভেসে থাকা কবিতা এফোঁড় ওফোঁড় বুলেটে।
সময় নিহত অবিরত - শেষ পর্ব
৪
ভাল লাগছিলো না সৌরভের। দু'সপ্তাহ ছুটি শেষ হয়ে গেলে, অফিসে ফোন করে জানিয়ে দিয়েছে যে, আরো দু'সপ্তাহ আগে সে অফিসে আসতে পারবে না। একটা সুযোগ দিতে চায় বস সৌরভকে, তার পূর্বতন রেকর্ড এবং পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনা করে।
নারীটি সৌরভের বাসায় যথেষ্ট স্বতঃস্ফূর্ত এবং সাবলীল হয়ে উঠেছে। নিজের মত করে সে ঘর-দোর গুছিয়ে রাখছে। আগের চেয়ে ঘন্টা দু'য়েক আগে বাসায় এসে রান্না-বান্নায়ও হাত লাগাচ্ছে। এর জন্য কি সৌরভ অপেক্ষা করছিলো? নারীটিকে এই ঘরেরই একটা অংশ মনে হয় তার। শুধু ছোঁয়াছুঁয়ির দূরত্ব রেখে চলেছে তারা যথাসম্ভব।
বাতিঘর
প্রেমের সাগর দিচ্ছি পাড়ি
উথাল-পাথাল ঢেউ
আসছি প্রেমের নদী ছাড়ি
তা জানে না কেউ।
যখন সরু ধারায় ছিলাম
স্রোত ছিল না মোটে;
হাওয়ার টানেই ভাসতেছিলাম
ছোট্ট জীবন বোটে।
ধারা বেয়ে ধীরে ধীরে
নদীর বুকে আসি,
লক্ষ্য, হাজার জনের ভীড়ে
দেখবো তোমার হাসি।
বেয়ে বেয়ে জীবন তরী
প্রেমের নদী ফেলে
অথৈ সাগর বুকে পড়ি
বাঁচবো তোমায় পেলে।
প্রেম সাগরে অথৈ পানি
কূলের দিশা নেই,
লক্ষ্যবিহীন হলেই জানি
হারিয়ে যাবে খেই।
অথৈ সাগর মাঝে আমার
তুমিই বাতিঘর,
লক্ষ্যবিহীন হব না আর
যতই আসুক ঝড়।
ঢেউয়ের টানে যত দূরে
যাই না কেন আমি
তোমার কাছেই সাগর ঘুরে
এসে যাব থামি।
দুঃখবিলাস-১
সময়গুলো বড্ড স্বার্থপর । চলে যাবার পথে সব মলিন করে দিয়ে যায়। কেড়ে নেয় আবেগের কেন্দ্রে থাকা বস্তু বা ব্যক্তিগুলোকেও। যে মানুষটা সবচেয়ে আপন ছিলো , সে ও পর হয়ে যায়। কিংবা যে ভাবতে শিখিয়েছিলো আমি তার সবচেয়ে প্রিয়জন, সময়ের আবর্তে সেই মানুষটাও কেমন বদলে যায়। হয়তো এটাই রীতি। কিন্তু স্বার্থপর সময় কেনো বয়ে নিয়ে যায়না সুন্দর স্মৃতিগুলোও। সকল সম্পর্ক ও ভালোবাসাকে ম্লান করে দিয়ে যায়, কিন্তু কি নিষ্ঠুরভাবে সাজিয়ে রাখে স্মৃতিগুলোকে।কি তরতাজা সেই স্মৃতিগুলো।
মনে হয় এইতো সেদিনই তুমি বলেছিলে, আমি তোমাকে পেয়েছি, আমার আর অন্য কারো প্রয়োজন নেই।
মনে পড়ে তোমার?
তুমিই বলেছিলে আমিই তোমার জীবনে শ্রেষ্ঠ উপহার। আজ তুমিই ভাবছো সেই আমিই তোমার বোঝা!
তুমি চলে যাবে?
যাও।
কিন্তু পারবে কী আমার সব স্মৃতিগুলো মুছে দিতে?
তুমি পারবেনা কিছুই, না পারবে আমার হতে, না পারবে স্মৃতি মুছে দিতে। আর আমি বসে বসে দেখবো সময়ের স্রোতে ভেসে ভেসে তোমার অবগাহন।
তোমায় ভুলে থাকা অসম্ভব নয়, কিন্তু তোমার স্মৃতিগুলো যে সেটা অসম্ভব করে দেয়।