ইউজার লগইন
ব্লগ
ভোগদর্শনের ফলাফল বিষয়ক প্রাথমিক আলাপ
ভোগ-ভোগা-ভোগান বা ভোগেন)-তি
আমরা খুব ভোগান্তিতে আছি।
এ কারনেই ভোগান্তিতে আছি যে,আমরা একদা(বা এখনও) এই ব্যবস্থাটাকে ভোগ করেছি(বা এখনও করছি)।আর সে কারনেই আমরা একদা বা এখনও ভুগছি।সর্বশেষ অবস্থা।আমরা ভুগতে থাকবো।
আমরা যে এক সময় এই ব্যবস্থাটাবে ভোগ করেছিলাম,সেটা বরং বাদ্য হয়েই করেছিলাম।নাকখৎ দিয়ে ভোগ করেছিলাম।আর এখন ভোগ করছি দাসখৎ দিয়ে।
তাহলে আমাদের এখন কি হবে?
আমরা কি এখন এবং ভবিষৎ-এ ও ভোগান্তিতে থাকবো?
হয়তো থাকবো!
হয়তো সম ভোগ বা সম্ভোগের মধ্যে দিয়ে হলেও এই ভোগান্তি জারি রাখবো!
না কী?
আমি জানি না!
হয়তো আমরা জানি না!
আপনি জানেন কিছু?
বলুন না প্লিজ
আমরা সবাই শুনি তাহলে নতুন কোন ইশতেহার
যা অমাদের খৎ দিতে বাধ্য করবে না!
বলুন না প্লিজ কিছু একটা,,
ক্ষ্যাপ ০২
ব্যাক টু দি প্যাভেলিয়ন বলা যায় এটাকে কিংবা এক ধরণের পরাজয়ও, দিনাজপুরে কলেজে ভর্তি হওয়ার সময় কিছুটা অসস্তি ছিলো, মহল্লার খেলার মাঠ সংকুচিত হতে হতে এমন একটা পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে সেখানে প্লাস্টিকের বলে ক্রিকেট খেলা সম্ভব, মোটামুটি সবাই নিজের নিজের ধান্দায় ব্যস্ত, এর ভেতরে একেবারে নতুন করে নতুন মানুষদের সাথে পরিচিত হওয়ার ধাক্কাটা তেমন লাগে নি, কলেজে পরিচিত মানুষ কম নেই কিন্তু তাদেরও নিজস্ব পরিচিত গন্ডী আছে আর আমার অন্তর্মুখীতা বন্ধুত্বউপযোগী তেমন কিছু না। কলেজের পেছনের বেঞ্চে বসি, ক্লাশ শেষ হয়, হেঁটে হেঁটে দুরের ক্যান্টিনে গিয়ে সিগারেট টানি কিংবা শহরের উপকণ্ঠে যেটুকু গ্রাম্য আবহাওয়া সেখানে সময় কাটাই। রাতে বাসায় থাকি না, গভীর রাতে দিনাজপুর শহরের রাস্তায় হাঁটতে যাই, স্টেশন, হাসপাতাল মোড়, স্টেশন, রেললাইন, বাসা এভাবে ফিরতে ফিরতে রাত ২টা ,৩টা।
এখানে সময়
এখানে সময়
থেমে থাকে না
বয়েও চলে না
এখানে ঘাসগুলো
ধ্বংসাবশেষ থেকে দূরে
বিশ্রাম পায়
আমি আসি
বা যাই
কিছুই
পাল্টায় না
মরুভূমির
অদৃশ্য দেবতার
মহাকাল
বদলে না
আমি
অচরিতার্থ
আকাঙ্ক্ষা
আমি তোমার নামের
ধ্বনিগুলো
উচ্চারণ করেছি
আমি তোমার
চোখের আলো
অনুভব করেছি
আমি তোমার মুখের
গ্রহণ
চিনেছি
স্বস্তিহীন
আমি বানাই
ফাঁসির মঞ্চ
যার দেয়ালগুলো
আমাদের পায়ের নিচে
ভেঙ্গে পড়ে
আমি ভাষাকে
ফেলে এসেছি
আর হেঁটে এসেছি
যুগোত্তরে
এমনকি আমার
পদশব্দের ছন্দও
আমি রেখে এসেছি
এমনকি আমার নৈঃশব্দের
শব্দও
উচ্ছন্নে গেছে
এমনকি নিজের কাছে
ফিরে এলেও
দূরেই থাকি
-সিলভিয়া সুপারভিল
ভূতের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথাবার্তা ও বিটলজুস
গত ২৯ এপ্রিলের আনন্দবাজার পত্রিকার প্রধান শিরোনাম দেখে চমকে উঠেছিলাম। আমরা যারা পত্রিকায় কাজ করি তারা সহজে এ ধরণের চমক দিতে পারবো না, সেই সাহস মনে হয় আমরা এখনো অর্জন করিনি। ভারত বা কোলকাতা পেরেছে, কারণ সম্ভবত সিনেমা তাদের জীবর যাপনেরই অংশ।
শিরোনামটা বলি
ভূতেই ভবিষ্যৎ বাঙালির, দেখাল
ব্যতিক্রমী ছবির বেনজির সাফল্য
একটি সিনেমা নিয়েই এতো কথা। আর সিনেমাটার নামও অন্যরকম, 'ভূতের ভবিষ্যৎ'।

আগুন....

শ্যামলীতে আজকে সকালে লাগা আগুনের ছবি...
সকালেই বসের ফোন... তাদের বাসার পাশে আগুন লাগছে... দৌড়াইয়া গেলাম অফিস খালি কইরা... অফিসে কিছু অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি আছে... সিকিউরিটির লোকজন সেগুলো নিয়ে রওনা হলো... আমরা একটা পাশে সর্বৌচ্চ চেষ্টা চালালাম... প্রায় গোটা ৫০ লোক আমাদের... সমন্বিত প্রচেষ্ঠায় একটা সাইডে আগুনকে আর বাড়তে দেই নাই...
অফিস থেকে যাওয়ার সময় মনে হইছিল একবার ক্যামেরাটা নিয়ে বের হই... আবার এটা মনে হইলে ছবি তোলার চাইতে অনেক বড় কাজ হয়তো সেইখানে আছে... নেয়া হইলোনা আসলে ক্যামেরাটা... অনেকেই বলছে চমৎকার কিছু ছবি মিস করলাম... সব ছবি হয়তো তোলা হবে না আমার 
চোরাবালি
মা- বাবার ঝগড়া একদম ভাল লাগেনা অথৈ এর। কিছুদিন যাবত প্রতিনিয়ত তাদের ঝগড়া করতে দেখে হাপিয়ে উঠেছে সে। এইতো কিছুদিন আগেও তারা খুব সুখী একটা পরিবার ছিল। মা, বাবা, অথৈ তিনজন মিলে বেড়িয়ে এল মালয়েশিয়া থেকে। সেখানে কত্ত মজা করলো তিনজন মিলে। কিন্তু হঠাত করেই কেন সবকিছু এত দ্রুত বদলে গেল সে বুঝতে পারেনা। বাইরে থেকে দেখলে অবশ্য কখনোই কিছু বোঝা যায়না। এক সপ্তাহ আগেই তার বাবা- মা খুব জমজমাট করে তার জন্মদিন পালন করল। সেখানে দুজনই এমন ব্যবহার করল যেন কিচ্ছু হয়নি, তাদের মধ্যে কোন সমস্যাই নেই। তবে যতোই আড়াল করুক অথৈ জানে যে তারা কেউই এখন ভাল নেই।
আমার স্ত্রীর মৃত্যুর কোল থেকে ফিরে আসা”-প্রথম মা/বাবা হবার অনুভূতি
সকাল থেকে আকাশটা কেমন জানি মেঘলা, মনে হচ্ছে বৃষ্টি হবে, শরীরটাও খুব একটা ভাল লাগছে না, কেমন জানি মেজমেজ করছে, একটা আলসেমো ভাব। 19 ফেব্রুয়ারী, 2008ইং আমার স্ত্রী সকাল থেকে পেইন অনুভূব করছিলেন। বিষয়টি অবশ্য সে আমাকে জানিয়েছিল, কিন্তু খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি, ভেবেছিলাম হয়তবা গ্যাসটিকের পেইন-টেইন হবে। এই ভেবে চলে আসি অফিসে, অফিস শেষ করে বাসায় ফেরার পর সে আমাকে বিষয়টি আবারও অবগত করে, তখন কথাটি আর ফেলে দেওয়ার মত উপক্রম ছিল না। অনেক সিদ্ধান্তের পর তাকে প্রথমে নিয়ে যাই আজিমপুর মা ও শিশু স্বাস্থ্য ক্লিনিকে, ওখানে সবোর্চ্চ 30 মিনিট চেকআপের পর ডিউটিরত ডাক্তার জানালেন ও কিছু না, ঠিক হয়ে যাবে।অতঃপর সেখান থেকে বের হয়ে আসি বাসার উদ্দেশ্যে, ফেরার পথে ব্যাক সাইডে আবারও জোড়ালো পেইন শুরু হল। তখন কোন উপায়ন্তর না দেখে সিএনজি ড্রাইভারকে নিয়ে মগবাজার আদদীন হাসপাতালে চলে আসি। আদদীন হাসপাতালের ডাক্তা
বাড়ী ও বন্ধু
এর আগে কেউ মোবাইলের বাংলা কি প্যাড দিয়ে পোষ্ট লিখছে কিনা তা আমার জানা নাই। তবে এই অন্ধকারে কারেন্টহীন অবস্থায় ভাবলাম আকাশে মেঘের গর্জনে এই অল্প চার্জ দিয়ে একটা পোষ্ট লিখলে মন্দ হতো না। লেখা যায় অনেক কিছুই। অনেক ভাবনাই মাথায় আসে কিন্তূ তা আর লেখা হয় না সময় সুয়োগের অভাবে। যেমন বলা যায় জামালপুরে আছি গত চারদিন যাবত এর ভিতরে একদিন ছিলাম এক মামার বিয়ের কারনে গেলাম রাজশাহীতে। কত কিছুই ঘটে গেলো। রাজশাহীতে যেয়ে মোবাইলের কারনেই ১২ বছর পরে এক স্কুল ফ্রেন্ডের সাথে দেখা করলাম। দেখলাম সে অনেক ম্যাচিউরড আমি নিতান্তই ছোট মানুষ সেই তুলনায় । তার বাবা মারা গেছে, বোনের বিয়ে হয়েছে, তার বড় তিনভাই সবাই বিয়ে করে আলাদা, বন্ধুদের কারনে একটা দুই নম্বর মামলা খেয়ে রাজশাহীর যত বড় নেতা খেতা আছে সবাইকে সে চিনে ভালো খাতির। ইতিহাসে মাশ্টার্স করছে রাবি থেকে এখন পুলিশের সার্কুলার আর বিসিএস দেয়ার জন্য বসে আছে। লোকজন আছে চাকর
অসমাপ্ত ঝিকিমিকি গল্প
সেবার আমাদের ডিপার্টমেন্ট থেকে ছেলেমেয়েদের জন্য ইন্টার্নশীপ অফার করা হয়েছিলো। প্রতিবছর এ অফার করা হয় না। ডানিডা নামের একটা প্রতিষ্ঠান আছে। শুধু ওরা যখন টাকা দেয়, তখন ছেলেমেয়েরা সুযোগটা পায়। আমাকে বলা হলো, ক্লাসের ফার্স্টবয় সজলের সঙ্গে ডেনমার্কে গিয়ে ইন্টার্নী করতে হবে। ভালো লাগলো। এই সুযোগে বিমানভ্রমণ হবে। কিছুদিন পোড়ামন নিয়ে পোড়া শহরে ঘুর ঘুর করতে হবে না এবং একই ছকে বাঁধা জীবনটাকে রিপিট করতে হবে না। অনিশ্চয়তা আর উত্তেজনা নিয়ে আমরা দু'জন ভাইকিংদের রাজ্যে পদার্পণ করার জন্য অপেক্ষা শুরু করলাম। ভিসা পেতে জটিলতা পোহাতে হলো না। ডানিডা'র সব বন্দোবস্ত যারপরনাই ভালো ছিলো।
' আমার ফেরার উপায় নেই '
শিবাজী ভদ্রলোকের গান অসম্ভব ভালো লাগে। সময় পেলেই তার গান শুনতাম আমি আর ছোট বোনটা। বাসায় আমার একটা সুন্দর ছোট টেপ রেকর্ডার ছিলো। আর ছিলো রাজ্যের ক্যাসেট। ক্যাসেট কেনার একটা নেশা ছিলো আমার। সপ্তাহে ৩-৪ টা ক্যাসেট অবশ্যই কিনতাম। পাশাপাশি সনি বা টিডিকে ক্যাসেট ভরে পছন্দের গান রেকর্ড করে অনতাম। আমাদের বাসায় নিয়ত ছোটবোনের কলেজ পড়ুয়া বান্ধবীরা আসতো। সারাদিন বাসায় থেকে আড্ডা মেরে হাড়ির সব খাবার শেষ করে ওরা হলে ফিরে যেত। যাবার সময় নিজের মনে করে ২/১ টা ক্যাসেট নিয়ে যেত। সে ক্যাসেট আর কোনোদিন ফিরিয়ে দিতো না।
ক্ষ্যাপ ০২
উন্নত মানের শিক্ষা প্রদানের পারিবারিক চাপের কারণে ঢাকায় চলে না আসলে হয়তো দিনাজপুরের অলিতে গলিতে ক্রিকেট ফুটবল খেলে কোনোমতে জীবনটা আনন্দে কেটে যেতো- মহল্লার প্রথা মেনে প্রায় পারিবারিক হয়ে ওঠা রাজবাড়ী ক্রিকেট ক্লাবের হয়েও দিনাজপুরের লীগ ম্যাচও খেলা হতো- কিন্তু গুরুজনদের আগ্রহে ঢাকা চলে আসলাম। রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ এখন পর্যন্ত সার্বিক সুবিধা বিবেচনায় ঢাকা শহরের সেরা স্কুল আর কলেজ, ১৩টা ফুটলব মাঠ, একটা ক্রিকেট মাঠ, দুটো বাস্কেট বল কোর্ট, অডিটোরিয়াম সব মিলিয়ে বেশ চমৎকার জায়গা। হোস্টেলের নিয়ম কানুন এবং প্রায় অপরিচিত মানুষজনকে বাদ দিলে হয়তো খুব চমৎকার সময় কাটতো ওখানে।
আমি নাহয় রাবণই হব
তোমরা নাহয় রাম হও
কিংবা অচিন রাজপুত্র
অর্ধ রাজ্য - পূর্ণ কন্যা - বলিহারি রাজত্ব
আমি নাহয় রাবণই হব
দশ মাথার অসুর সম
সীতা তোমার ঘরেই থাকুক
পারলে নিও (বি) ভীষণ টাকেও
ও দেবতা ভালই আছ
তুন ভরে তীর সাজছ আরো
তীরের মাথায় আমায় রেখো
এবার মাথা ছেড়ে দিও
বুকের বাঁয়ে - অচিন তলে
এবার সেথায় আঘাত কর.
লেখকরঙ্গ
চার্লস ডিকেন্স লোকটা অন্য রকম ছিলেন। পত্রিকায় তিনি ধারাবাহিক উপন্যাস লিখতেন। তাঁর উপন্যাসের কিস্তি পড়ার জন্য অধীর আগ্রহে পাঠকেরা অপেক্ষা করতেন। মাস্টার হামফ্রেজ ক্লক নামের একটা সাপ্তাহিকে তাঁর উপন্যাস প্রকাশিত হতো। দি ওল্ড কিউরিসিটি শপ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ হতে শুরু করে ১৮৪০ সালে। উপন্যাসটি ইংল্যান্ডের গণ্ডি ছাড়িয়ে আমেরিকায়ও তুমুল জনপ্রিয় হতে শুরু করে।
কাহিনি তখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আর মাত্র একটি পর্ব বাকি। সবার আগ্রহ উপন্যাসের নায়িকা নেলের পরিণতি নিয়ে। সে কি বাঁচবে, নাকি মারা যাবে। তখন সাপ্তাহিকটি আমেরিকা যেত জাহাজে করে। জাহাজ যেদিন ভিড়বে, সেদিন ঘাটে হাজার হাজার মানুষের ভিড়। পত্রিকা হাতে পেয়ে পড়ার জন্য সবাই অস্থির। আর সহ্য করতে না পেরে জনতা চিৎকার করে জাহাজের নাবিকদের কাছেই জানতে চাইল, ‘নেল কি মারা গেছে?’
রাজকন্যা
সে ছিল দুরের এক নক্ষত্র
যেন মায়াবী এক কল্পলোক !
এক দুখিনী মা তার আটপৌরে ঘরে
রোজ রাতে বসে বসে
জোনাকির ইন্দ্রজালে দোলনা বুনতো।
তবুও মাঝে মাঝে অদ্ভুত একটা কষ্ট
স্যাঁতস্যাতে স্যাওলার মত
সেই মায়ের বুকের ভেতরটা ভিজিয়ে দিত
আঁধারের উষ্ণ অনুরাগে ফুঁপিয়ে ওঠতো সে
তার ঘর, উঠোন, বিছানা
বুকের ভেতরটায়- ছিল এক সমূদ্রের শূন্যতা ।
মাঝে মাঝে সেই শূন্যতার সমূদ্র হত উত্তাল
সাইক্লোন বা সুনামী থেকেও ভয়ংকর,
ভয়াবহ বিস্ফোরণ-
দুখিনী মা তলিয়ে যেত বেদনার অতলে
বিষাক্ত সরিশৃপেরও চেয়েও
বেশী বিষ ধারণ করেছিল সে তার মাতৃত্বে।
একদিন, মেঘ পরীরা আকাশ থেকে
ফেলে দিল এক টুকরো মেঘ
দুখিনী মায়ের ছেঁড়া আঁচলে,
মমতার চাদরে মেঘটিকে কোলে তুলে নিতেই
আশায় আছি, ভালোবাসায়, দুরাশায়, অস্থিরতায় আর দুঃসময়ে; সবসময় তোমার পাশেই আছি
আজকে মনটা দারুণ ভালো! একজন আমাকে বলেছে, আমি নাকি খুব জোরে সাইকেল চালাই কিন্তু আমার কন্ট্রোল ভালো। এইটা শোনার পর থেকে মন ভালো।
বন্ধুবান্ধবের বিষয়টাই আসলে এমন। ছোট-খাটো কথা বা কাজের মধ্য দিয়ে কখন যে তারা মনের অনেক গভীরে ঢুকে নাড়া দিয়ে আসে, টেরই পাওয়া যায় না।
তবে এটা সবসময় ইতিবাচক ভাবেই ঘটে, তা কিন্তু না। অনেক সময় নিজের অজান্তে আমরা বন্ধুকে অনেক বেশি কষ্ট দিয়ে ফেলি। তাই সময় পেলেই ভাবুন, আজ-কাল বা পরশু যদি সে এসে দাঁড়ায়… (কথার মধ্যে গানে ঢুকে পড়লাম! ধুত্তোরি। বলতে চাচ্ছিলাম, ভাবুন রিসেন্টলি না বুঝে কাউকে কষ্ট দিয়েছেন কিনা। মন দিয়ে ভাবলে ঠিকই বুঝতে পারবেন। আর বুঝতে পারলে ঘটিয়ে দিতে পারবেন পৃথিবীর সবচে' সুন্দর ঘটনাটি। সেটা কি জানেন না? সেটা হচ্ছে বন্ধুত্ব ভাঙার মতো একটা বিষয়কে ঠেকিয়ে দেয়া। বলেন এটা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ঘটনা না?)