ইউজার লগইন
ব্লগ
ছবিতে
একটা সময় ছিল যখন আমরা ব্যাক্তিগত ব্যাবহারে ক্যামেরা কিনতে পারতাম না... এ এক বিশাল বিষয় ছিল। স্টুডিওতে গিয়ে পারিবারিক ফটোসেশন হইতো। তারপর সেই ফটুকের পেছনে ফ্লিমের নাম্বার দেয়া থাকতো... সেই নাম্বারটা যত্নের সাথে লেইখা রাখা লাগতো। আবার নতুন কৈরা ওয়াশের টাইমে ওই নাম্বার নিয়া স্টুডিওতে গেলে সেই ফ্লিম খুইজা ওয়াশ কইরা দিতে স্টুডিও ওয়ালারা।
আমার দখলে থাকা প্রথম ক্যামেরা যতদুর মনে পরে এইটা 

কথার জাদুকর
কথার রাজপুত্র, কথা দাও
কথার অশ্লীল মুদ্রাদোষে-নিজের
রঙ বেরঙ কথা খাবে তুমি
সৌধস্বপ্ন সাজিয়ে রেখেছে কথক পণ্ডিত
কথার সিলমোহরও পড়েছে কথকতার গায়ে
ভালোবেসে যত কথা বল তুমি
অন্য আর কিছু থাকে না প্রেমের পদ্যপিটে।
তবু কথার পিঠে কথা দিয়েই চালো কূটচাল
তোমার কথায় বারবার ডুবিভাসি
কেন কথা শুধু কথার জন্যে নয়
কথা কি তবে বেহায়া সর্বনাশী!
{(c) MNI, 28.04.12}
(আমার প্রিয় লেখক মানিক বন্দোপাধ্যায়কে)
না
১.
মানুষগুলো খুব সীমাবদ্ধ তাই তারা কিছু করতে পারে না।
মানুষগুলো খুব ভঙ্গুর তাই তারা দৃঢ় পায়ে দাঁড়াতে পারে না।
মানুষগুলো খুব লন্ডভন্ড তাই তারা গোছাতে পারে না।
মানুষগুলো বাঙালী তাই তারা নিজের দোষ খুঁজে পায় না।
২.
আমি পছন্দের দল পাই না, তাই সক্রিয় রাজনীতি করি না।
আমি হরতালে পায়ে হেঁটে কাজে যাই, তাই তোমার আন্দোলন সমর্থন করি না।
আমি মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধায় নত, তবু সব মুক্তিযোদ্ধাকে বিশ্বাস করি না।
আমি রাজাকারদের প্রতি ঘৃনায় উদ্ধত, তবু রাস্তাঘাটে তাদের পদাঘাত করতে পারি না।
আমি গনতন্ত্রে বিশ্বাসী, তবু নির্বাচনে ভোট দিতে পারি না।
আমি আইনের শাসনে বিশ্বাসী, তবু পুলিশ দেখে ভরসা পাই না।
আমি সুশীল মানুষের পুস্তক পাঠ করি, তবু তাদের কথায় আস্থা রাখতে পারি না।
আমি বিশ্ববিদ্যালয় পার করেছি দেড়যুগ আগে, তবু দুঃসহ সেশন জট এখনো ভুলতে পারি না।
পুরুষ জীবন
জটিল জীবনের আবর্তে চলো
একটু ঘুরপাক খাই,
কিছু নতুন ধাঁধাঁকে সুযোগ দাও
জেরবার করবার,
কিছু কুটিলতা আর কিছু পরিস্থিতির শিকার হও, ধরা খাও,
হাত কামড়াও আরেকবার।
পার্কে, রাস্তার টংয়ে বা চেনা কোনো ক্যান্টিনে গিয়ে তারপর
কেনো চা-সিগারেট, খোঁজো কোণা;
বসো কিন্তু পাশে কাউকে কাউকে বসতে দিও না
ভাবনায় ভেসে যাও।
তুমি পুরোনো স্মৃতি হাতড়াও,
খুঁজে বের কোরো
আজকের শত্রুর আয়না;
তার জন্য কবে কি করেছিলে, ভাবো;
কারণ খারাপ সময়ের প্রধান ঔষধের নাম ভাবনা।
চায়ের পাত্র নিঃশেষ এবং সিগারেট পুড়ে ছাই হলে পর
তুমি বোধহয় পেয়ে যাবে
সমুদ্রের কালো তলদেশের ঠিকানা।
নিজেকে নিজেই তুলে নাও নিজের কাঁধে
বলো,
‘বাহ্ এই বেশ ভালো আছি, ঠিক কিনা?’
তারপর আবারো প্রতারিত হবার উদ্দেশ্যে
সবকিছু প্রথম থেকে শুরু কোরো
কেউ মানা করবে না।
তবে এইবার জেনে রেখো- এ চক্র তোমায় আবারো পূরণ করতে হবে।
বন্ধু তোমার জন্মদিনে শুভেচ্ছা তোমায়
শুভ জন্মদিন সাঈদ
.
দেখতে দেখতে সময় অনেক চলে গেছে। তোর আর আমার বন্ধুত্ব ১৪ বছরের দীর্ঘ সময় পাড়ি দিয়ে এসেছে।কখন এতটা পথ একসাথে হাঁটা হয়ে গেল টের-ই পাইনি।কত অভিমান কত খুনসুটি কত আড্ডা কত মারামারি। এখন হয়তো আমারা আগের মত নেই তবুও কেউ না জানুক আমারা দুজন ঠিকই জানি এখনও আগের মত কোন কিছুতে আশ্রয় এর দরকার হলে তোর যেমন সবার আগে তোর এই পাগল বন্ধুর কথা মনে হয় তেমনি আমারও আমার বুদ্ধিজীবী বন্ধুর কথাই মনে হয়। আজ তোর জন্মদিনে তোকে নিয়ে হঠাৎ করে লিখে ফেললাম,দেখতো কেমন লাগে...
বন্ধুত্বের গল্প কথা...
“কতখানি পথ একসাথে হেঁটেছি?
আর কতখানি বাকি?
জানিস নাকি?
ভেবেছিস কখনো?
বৃথা মনে হচ্ছে এ
সব ভাবাভাবি...
তবে , কি দরকার
মিছে ভেবে?
শুরু যখন হয়েছে
পথ চলা
দেখা যাক নীলিমা
ছুঁতে পারি কিনা!
না পারি তবু রংধনু
আঁকি পথে।
পথের ধুলায়
আমাদের পায়ের ছাপ
যায় যদি মিলিয়ে
যাক। তবুও-
বাতাস রাখবে মনে
বুক ভরা ব্যথা
ঢাকা পারলিনারে তুই মোর রাঙ্গামাটিরে ভূলিয়ে দিতে,
পারলিনারে মোর নিঃসঙ্গ জীবনে ছন্দ ফেরাতে,
পারলিনারে মোর ধূসর হয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোকে রঙিন করতে,
তুই দিলেনা কিছু বরং কেঁড়ে নিলি মোর অনেক কিছু,
আজ গড়াগড়ি খায় মোর স্বপ্নগুলো তোর পথের ধূলোয়,
আজ মিশে গেছে মোর স্বপ্ন গুলো তোর উড়ন্ত ধোয়ায়,
ভালো লাগে না তোর এসি এর শীতল হাওয়া,
ভালো লাগেনা তোর উচ্চ উচ্চ দালানের ছায়া,
মনে পড়ে যায় মোর রাঙ্গামাটির মায়া,
মনে পড়ে যায় মোর সবুজ গাছের ছায়া,
আমি যাবো আমি যাবো যাবো ফিরে তোরে রেখে,
কাঁদিস না তুই মোরে হারানোর শোকে,
আমি বুঝিরে তোর কষ্ট তুই এমন ছিলি না,
নিষ্টুর মানুষেরা এমন বানিয়েছে তোমায় তুই কাঁদিস না,
এটাইতো বড় মিল তোর আর আমার মাঝে,
হায়রে কি দিলাম আর কি পেলাম,
মানুষ বড় নিষ্টুররে,
তুই কাঁদিস না শুধু দিয়ে যা দিয়ে যা আমার মত করে,
বদলে যাওয়া জীবনের গল্প
কিছুদিন আগে বিপুল উন্মাদনার মধ্যে দিয়ে এশিয়া কাপ ক্রিকেট খেলা হয়ে গেলো দেশে। আমি কোন কারণে তখন একজন ছোট ভাইয়ের সাথে কথা বলছিলাম। সে ভীষন উত্তেজিত। ক্রিকেটে ইনফো ডট কমে খেলার স্কোর দেখেই তার এতো উত্তেজনা। মুহুর মুহুর ফেসবুকে স্ট্যাটাস আপডেট করছে। আমার নিরুত্তাপ গলার জাগতিক ব্যাপার নিয়ে আলোচনা তাকে এতোটাই হতবাক করলো যে সে বলেই ফেললো, আপু খেলা দেখছেন না? আমি বললাম না, সময় নেই। তারপর সে বিস্ময় গোপন না করেই বললো, আপনি বোধহয় খেলা মানে ক্রিকেট ততো ভালবাসেন না। আমি তার কথার উত্তর না দিয়ে শুধুই হেসেছি। কিন্তু কথাটা দিনভর কেন যেনো মাথায় গেঁথে রইলো। “ভালোবাসা” --- কতো দ্রুত সময়ের সাথে বদলে যায়। জীবনের প্রায়োরিটি পরিবর্তন হয় আর তার সাথে এই ভালোবাসা। আমি ফিরে যাই আমার হারানো অতীতে।
স্বপ্ন দেখব বলে
মেঘনীল : আমার একটা ইচ্ছা আছে,জানো..............
..........................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
স্বপ্ননীল : হুমম...কি ইচ্ছা?...
মেঘনীল : তুমি আর আমি একদিন বেড়াতে যাব নদীর তীরে..
স্বপ্ননীল : কোন নদী?
মেঘনীল : ধরো যে কোন একটা নদী.....মনে কর পদ্মার তীরে।
স্বপ্ননীল : পদ্মা কেন?..অন্য কোন নদী না কেন?
মেঘনীল : পদ্মার কাছে আমার নানির বাড়ি এ জন্য....আচ্ছা যাও পদ্মা না নীলা নদীর তীরে..
আড্ডার ডাক
ভূমিকা ছাড়াই শুরু করলাম, আমরা যারা দেশের বাহিরে আছি, তারা সব সময় আমরা বন্ধু হওয়া সত্ত্বেও এই গ্রুপের আড্ডা/পিকনিক সব মিস করি। আপনারা যারা আমাদের ফেইসবুক গ্রুপে আছেন তারা হয়তো খেয়াল করেছেন, এইবার আমরা যারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তারা ঠিক করেছি আড্ডা দিব, তবে ভার্চুয়াল। এর জন্য আপাতত নাটকের রিহার্সালের মত একটা ট্রায়াল আড্ডা দিতে যাচ্ছি আমরা এবি এর কতিপয় বখাটে সদস্য।
রুদ্র অনল
আজ এমন শর্তহীন মূঢ়তা বাসা বাঁধতে পারতো না কোনভাবেই ;
এমন করে রক্তের শীতল স্রোতে বইতো না দাসত্বের মারণ জীন , অহেতুক জড়তার প্রকাশহীন আক্ষেপ ;
এভাবে সূর্যের কাছে ধার করতে হতো না আলো কিংবা উত্তাপ -
যদি আমি অনুভুতির এক চিমটিও বারুদ মুখে জন্মাতে পারতাম , তবে আজ এসব নিগুঢ় তত্ত্বজ্ঞান , আস্তাকুঁড়ে হাতের এমন সস্তা কলকাঠি , জাদুকরের ভেলকিবাজি , অথবা স্বপ্নে ডোবানোর চোরাই কারখানা - সব কিছু ছারখার করে দিতাম মুহূর্তের ফুতকারে , সত্যের রুদ্র অনলে , দীপ্ত দহনে পবিত্র হতো সোনার স্বর্গভূমি ।
বেডরূম অথবা রাজপথ
...................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
আমি অনেক ঘুমকাতুরে একজন মানুষ। আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা হল বেডরুম। ভালো একটা বেড্রুম পেলেই আরামের ঘুম। খাওয়া না হলেও চলবে, কিন্তু ঘুমানো আমার চাই ই চাই।
কফির জন্যে ভালোবাসা না ভালোবাসার জন্যে কফি !!!
আমাদের বাড়িতে প্রচলিত অনেকগুলো বদভ্যাসের মধ্যে একটি হলো চা-কফি খাওয়া।এক্টু লক্ষ্য করুন,যদিও পানীয়;পান না করা বলে খাওয়া বলছি।কারণটা হলো এই যে,সবাই মুড়ি-মুড়কির মতো চা কিংবা কফি গিলে যায়।দুবেলা ভাত না খেলেও সমস্যা নাই।কিন্তু ইহা ছাড়া জীবন অচলপ্রায় অবস্থা হয়।আমাদের বাসার এই নাটকের প্রথম এবং প্রধান নায়িকা আমার মা।বলাই বাহুল্য,তিনি এদেশের নামকরা এক মহিলা কলেজের গণিতের প্রফেসর।ভাবসাব দেখলে মনে হয়,দুনিয়ার তাবৎ জ্ঞানসাম্রাজ্য তাঁর হাতের মুঠোয়।তাঁর দীর্ঘদিনের অভ্যাস,দুপুরের খাবার না খেয়ে একমগ চা গেলা।এম্নিতে যদি আমরা দুই ভাইবোন দুপুরের খাবারটা একাধদিন স্কিপ করে যেতে চাই,তখন তাঁর জ্ঞানের কচকচিটা শুনিয়ে আমাদের প্রাণ অতিষ্ঠ করে দেন।প্রথমে কয়েকদিন কানে তুলো গুঁজে বিরস মুখে খেয়ে নিতাম।দিঙ্কতক বাদে,কচকচিটা শুরু হলেই আমরা দুই ভাইবোন চোখে চোখে কথা সেরে নিতাম।এরপর দুজনেই একসাথে মাকে জিজ্ঞেস করতাম,"মা ,ভাত খা
কোথায় পাবো তারে
[কতো যে গল্প পড়েছি জীবনে, কতো কবিতা! মনে স্থায়ীভাবে গেঁথে আছে, এরকম গল্প-কবিতা-উপন্যাস-গানের সংখ্যাও কম নয়। সেসব নিয়ে লিখতে ইচ্ছে করে। কিন্তু লিখতে গেলে যে আকারে বড়ো হয়ে যায়! ভাবছি, কিছু কথা মন্তব্যে জুড়ে দিলে কেমন হয়? ধরা যাক, মন্তব্যগুলোও এই লেখারই অংশ! শহীদুল জহিরের একটা গল্প নিয়ে কথা বলি আজকে। তবে তাঁকে নিয়ে এটিই শেষ লেখা নয়, পরপর কয়েকটা লিখতে হবে।]
পুরুষ জীবন
জটিল জীবনের আবর্তে চলো আরো একটু ঘুরপাক খাই
আরো কিছু নতুন ধাঁধাঁকে সুযোগ দাও
তোমায় জেরবার করবার,
আরো কিছু কুটিলতা আর কিছু পরিস্থিতির শিকার হও,
ধরা খেয়ে হাত কামড়াও আরেকবার।
পার্কে, রাস্তার টংয়ে বা চেনা কোনো ক্যান্টিনেই নাহয় তারপর
গিয়ে একটা চা আর একটা সিগারেট চেয়ে নিও,
এবং নির্জন কোনো কোণা খুঁজে নিয়ে
ভাবনায় ভেসে যেও।
পুরোনো স্মৃতি হাতড়ে খুঁজে বের কোরো
নতুন শত্রুর জন্য এককালে তুমি কি কি করেছিলে
কতভাবে তার প্রতি বিশ্বস্ততার প্রমাণ দেয়ার চেষ্টা চালিয়েছিলে
কতবার তার একটু মায়াভরা হাতের প্রতীক্ষায় সময় কাটিয়েছিলে,
সবগুলো কথা ভেবো, কোনোটা যেন বাদ না পড়ে।
এভাবে এক সময় দেখবে চায়ের পাত্র নিঃশেষ হয়েছে
সিগারেট পুড়ে ফিল্টার ছুঁয়েছে
আর তোমার অন্তর খুঁজে পেয়েছে
সমুদ্রের কালো তলদেশের ঠিকানা।
তখন নিজেকে তুমি নিজেই তুলে নিও নিজের কাঁধে
বোলো, ‘বাহ্ এইতো বেশ আছি, ঠিক কিনা?’
(আমার কিছু কথা .....) লোটাস কামাল ও পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থা প্রসংগ
আমাদের দেশ এখন বিখ্যাত কিসে? নিঃসন্দেহে মন্ত্রী নামের দেবদূতদের মহত কর্মে । বি.এন.পি সরকারের সময় ২/৩ জন মন্ত্রী নিয়ে বিদেশে তদন্ত হয়েছে, হালের আওয়ামী লীগের আবুল হোসেনের কথাতো মহাকাব্য হয়ে গেছে । বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর টাকা বন্ধ করে দিয়েছে । এটা প্রায় নিশ্চিত যে আবুল মিয়া অসৎতা করেছে । তারপরও মন্ত্রীত্ব যায়নি । ভাল ভাল । আর তারেক জিয়া ও কোকো নামের দুই মহান সৎ রাজপুত্রের নামে সিঙ্গাপুর বা কানাডার আদালতের তদন্তের কথা বাদই দিলাম । বাবু সুরজ্ঞিতের কথা বললাম না এই কারণে যে পুরো ব্যাপরটা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে । যাক সে কথা । বর্তমানে আমাদের দেশ পজিটিভলি পৃথিবী চিনে কি করে? মুহূর্ত চিন্তা করেই বলে দেওয়া যায় আমাদের ক্রিকেট নিয়ে । আমাদের তামিম, সাকিবদের দিয়ে ।