ইউজার লগইন
ব্লগ
আই এ্যাম লোনলি ব্রোকেন এঞ্জেল----
"চাকরীটা আমি পেয়ে গেছি বেলা শুনছো" গানটা আমার বড় মেয়ের ঘরে বাজছে বার বার। ওর ঘরে উঁকি দিতেই বললো ---মা গানটা কেমন যেন না? মনে হয় শিল্পীটাই বেলাকে প্রান ধরে ডাকছে।
আমি বললাম ---গানটা শুনলেই মনে হয়, যেখান থেকে পারি বেলাকে ধরে এনে ওদের বিয়ে দিয়ে দেই।
আগে তো টেলিফোনে লাইনই পাওয়া যেত না, খালি রং নাম্বার যেত।
---তা হলে তুমি আমাকে মোবাইল ফোন কিনে দাও না কেন?
নিরুত্তর আমি বসে রইলাম পাথরের মত কিছুক্ষন।
---তোমাকে তো ফোন দেব বলেছিই, তোমার বয়স আঠারো হবার পর।
সারাদিন গুন গুন করে গলায় ভাজছি "কজ দিস ইস পিয়র লাভ-"-- মাঝে মাঝে কানে হেড ফোন লাগিয়েও গানটা শুনছি। আমার গান শোনবার বহর দেখে বাড়ির সবার যে চোখ কপালে উঠেছে তা বুঝতেই পারিনি। তাই বলে এটা ভাববার কোন কারন নেই যে আমি গান শুনি না বা মাঝে মাঝে গুন গুন করি না।
মাছরাঙাটাকে কিছুটা পথ সঙ্গ দিয়েছি আমি
নিষিদ্ধ অনিষিক্ত একটা জীবন আছে আমার। বন্ধুহীন, একাকীত্বময়। একাকীত্ব্টা আবার এমন যে এটা নিয়ে বড়াই করতেও ইচ্ছে হয় না। শুধু রিক্ত ও রক্তাক্ত নিজেকে দেখে মাঝে মাঝে ভাবি, এটা কাকে দেখতে পাচ্ছি?
অনেকদিন আবার এমনভাবে নিজেকে খুঁজি, যেন জানিই না আমি কোথায় আছি। কখনো হয়তো প্রত্যেকটা বন্ধুর ব্যপারেই করার মতো অভিযোগ থাকে আমার কাছে। তখন নিজেকে সবচেয়ে গরীব মনে হয় এবং তারপর গরীবদের মতো করেই রাস্তা ছেড়ে দিই সময়কে।
আশার কথা এই যে, পথশেষে এখানে কোনো আশার প্রদীপ নেই। প্রদীপ থাকলে হয়তো যে আলোটা বের হতো, সেটাকে একটা নাম দিতে হতো। কিন্তু কোনো নাম দেয়ার প্রয়োজন হয় না।
জেগে থাকা এবং বিবিধ...
*
জেগে থাকি, জেগে থাকি
অনিবার্য মৃত্যুর মতন জেগে থাকি।
মন বিবশ করা সৌন্দর্যের মতন জেগে থাকি।
হৃদয় বিদীর্ণ করা বেদনার মতন জেগে থাকি।
শিশুর প্রথম হাসির মতন জেগে থাকি।
ফেলে আসা অতীতের মতন জেগে থাকি।
ঘুম ঘুম চোখ নিয়ে জেগে থাকি তারই প্রতীক্ষায়...
**
অন্ধ উইপোকা জানেনা জীবনের মানে
দিনভর বাসা বেঁধে যায় ধ্বংস হবার জন্য।
তেমনি তোমারও জানা নেই ভালোবাসার গান
চোখ বুজে আশ্রয় খুঁজে ফেরো কোমল হৃদয়ে।
***
সীমান্তে, কাঁটাতারের বেড়ায় বাঁধা পড়ে থাকে বিবিধ স্বপ্নাবলী,
সচরাচর বাঁধা পড়ে যাই ব্যাক্তিগত দুঃখের ঘেরটোপে।
স্বপ্নাবলী, সীমান্তে পৌছুবার আগেই আশ্রয় নেয় ক্লান্তি ও বাস্তবতার ওয়েস্ট বাস্কেটে।
****
চাঁদের ঝলমলে পোশাকে অভিজাত রাত
ঘৃণার দৃষ্টি ফেলে ফুটপাথে,
টুকরি বিছানায় গুটিসুটি মেরে থাকা নোঙরা জীবগুলোর পানে।
শিরোনামহীন
প্রবাদ শুনেছি ছেলেবেলায়
উড়িয়ে দেইনি অবহেলায়
চোর-চোট্টা খেজুরের গুড়
আছে যতো ফরিদপুর।
লুটে নিচ্ছে চোরের দল
জনতার সম্পদ
আঁকড়ে আছে মন্ত্রিত্বের
বড় বড় পদ।
স্বাধীনতার বয়স কতো?
নিশ্চয় হয়েছে চল্লিশ
এতোদিনেও কি জনতা
রয়ে গেছে ফুলিশ।
সাধ ছিল এক সময়
সাধ্যও ছিল সমান
এখন কেবলই স্মৃতি
গোলাভরা ধান।
ভারতীয় জনতার যতো
আছে দেশপ্রেম
আমাদের দেশাত্মবোধ
বন্দী যেন ফটোফ্রেম।
বাংলাদেশের নাগরিক
তাই কি বাঙালি
বিদেশীরা দেয় কেন
হীন দৃষ্টিতে গালি।
ঋণ করে ঘি খাওয়ার
অভ্যাস যতো মোদের
প্রতিবেশীর দাদাগিরি
ঠেকায় সাধ্য কাদের।
বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন
মোরা এক জাতি
দুর্নীতিতে ঢের ভালো
আছে বহু কুখ্যাতি।
পুঁজিবাজারে পুঁজি নেই
যতো কেলেঙ্কারি
অর্থ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর
নিত্য আইন জারি।
পুঁজিবাজারে ব্যবসা নাকি
ফটকা এক কারবার
ভূঁতের মুখে রাম নাম
জপে সে বারবার।
এলোমেলো বাচ্চাবেলা
আমি মোটামুটি ভুদাই কিসিমের মানুষ, মীরের লেখাটা পড়ে কিছুটা অনুপ্রাণিত হয়ে অনেক ভেবে-চিন্তেও পুরো ছেলেবেলা হাতড়ে টাতড়েও গুছিয়ে লেখার মতো ডেঁপোমি তেমন পাচ্ছিলাম না। তবে চুপেচাপে ঠারে-ঠুরে আকাজ-কুকাজ নেহায়ে্ৎ কমও করি নাই। আম্মা যখন ইশকুলের মাস্টারনি ছিলো, নানী'র সাথে সাথে থাকতাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটা গ্রামে... গ্রামের নামটা বড়ো আজীব, অবশ্য আর দশটা গ্রামের যেমন হয় আর কি... ছয়ফুল্লাকান্দি। যদিও সেইকালে এই শুদ্ধ নামটা মোটেই জানতাম না... সবাই বলতো ছোবলাকান্দি... আর আমি ভাবতাম সেইখানকার সবাই বুঝি ভীষণ ছ্যাবলা, তাই এই নাম।
চায়নায় আমাদের খাওয়া দাওয়া।
চায়নায় আমার যখন প্রথম যাওয়া হয় তখন চায়নার খাবারের প্রথম অভিজ্ঞতা হয় উড়োজাহাজ এ করে বাংলাদেশ থেকে চায়নায় যাওয়ার পথে। প্লেনের ভিতরে যে খাবার দিল তাতে বোঝার কোনো উপায় ছিল না যে খাবারটা হালাল নাকি হারাম। আমার তো খাবার দেখে কেন যেন বমির উদ্রেক হচ্ছিল। আমি বাকিদের দেখলাম তারা কোনটা খাচ্ছে আর কোনটা খাচ্ছে না। একজন দাড়িওয়ালা ভদ্রলোককে দেখলাম যে উনি পুরোদমে সবগুলো খেয়ে যাচ্ছেন। তখন ভাবলাম যে খাবারটা হালাল। আমরা অবশ্য দুইজন একসাথে ছিলাম, আমি আর ফয়সাল। আমাদের দুইজনের একসাথে চায়নার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিল। ওকে দেখলাম যে ও সব খাবারগুলো দেদারসে খেয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ওকে আমার একটু ভিন্ন মনে হয়েছিল যার কারনে খাবারের ব্যাপারে ওর উপর নির্ভরশীল হয়ে মনে সাহস হচ্ছিল না। যাক তারপর ফল জাতীয টমেটোর মতো দেখতে ওগুলো খেলাম।প্রথমে যখন আমাকে ফ্লাইট এটেন্ডেন্ট খাবর গুলো দেয় তখন খুব ইতস্তত লাগছিল যে কোনটা খাব। তারপরও
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
আজকাল নির্জনতা স্থির হয়ে থাকে মুখোমুখি বারান্দায়
যাবতীয় অভিমান জমে থাকে
ধুলো মাখা ঘড়িতে,
ক্যাকটাসের টবে,
জল শূন্য একুরিয়ামে...
অক্ষর বিহীন সাদা পাতায়...
অথচ,
দুপুরে প্রতিটি রোদ একটা ঘ্রাণ শুকে নেবার জন্য
অপেক্ষায় থাকতো... সাথে আমাকেও অপেক্ষায় রাখত
সাদা ব্লাউজের অমীমাংসিত কৌতূহলের উপর
কখনো সবুজে, কখনো নীলে... কিংবা
গোলাপি সুতা জড়ানো থাকতো..
মাঝে মাঝে
ছায়া ছায়া মেঘদের কারণে
বিজ্ঞাপন বিরতি ঘটতো
চুলেতে বাতাস দুলতো...
দোলাত আমার দৃশ লোক
স্নানের জল হবার সাহস দেখাতাম না
... তবে
ভীষণ তোয়ালে হতে ইচ্ছে করতো
সমস্ত দেহ থেকে ঝিল মিল রোদের ভেতর
ওপারের বারান্দায় ঝরে ঝরে পড়তো চিত্রনাট্য,
দাড়িয়ে দেখতাম
একটা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ।
মিথ্যার ফাঁদে সরলতার সফর [”চক্বর" ২য় কিস্তি]
মিথ্যার ফাঁদে সরলতার সফর
এক একটা বয়স থাকে তখন মানুষের ব্যতিক্রম কিছু করার ইচ্ছা থাকে। চুরি করে আঁচার খেলেও তখন মানুষ বিরাট ঘটনা ঘটাতে পেরেছে বলে নিজের পিঠ নিজেই চাপড়ে দেয়। ক্লাস টেনে উঠে যাওয়াটা স্কুল জীবনে মনে হয় সবচাইতে বড় প্রাপ্তি। নিজেকে কেমন বড় বড় লাগে। মনে হতে থাকে এবার আর অন্য কারো কথা নয় নিজের যা মন চায় তাই বুঝি করার এক্তিয়ার আমাদের হাতে এলো বলে!
আমরা সবাই বাঙ্গালী
উস্কুখুস্কু চুল পরনে ময়লা কাপড় চোপড় নিয়ে
আপিসের সামনে সারিবদ্ধ ভাবে ঠায় দাঁড়িয়ে।
নির্বিকার অভায়ব ,সুখ বিলীন হয়ে যাওয়া মুখের হাসি
মলিনতায় ছেয়ে আছে ।
থাকার জায়গা নাই, রান্নার কিচেন নেই
প্রতিদিন তবু কর্মের বিরাম নেই।ধুলি-মাখা
দেহ পরিষ্কারের জন্য গোসল খানা নেই,এসব অভিযোগের
দরবার নিয়ে দাড়িয়ে গুটিকয়েক প্রবাসী শ্রমিক।
আমি আপিসের কর্মচারী আমার ক্ষমতার
দৌড় সীমাবদ্ধতার মাঝে, তবু উঠে দাড়াই
তাদের কাছে শুধাই , একে একে সব বলে
কষ্টটা আমার বুকে ও বিধে সরু শলাকার মত।
প্রবাসে কষ্টে থাকে অনেকে এত কষ্টে
তা জানার বাইরে ছিল। ছুটি বড়কর্তার
শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে,সব শুনে বলেকি?
কিছু রিয়াল দিয়ে দাও, বল সব হবে ।
বিনিময়ে তোমার সেলারী দ্বিগুণ হবে।
থমকে দাড়াই কিছু সময় , অনেক টাকার লোভ
না এভাবে চলতে দেবনা । এরা তো আমার ভাই
আমার দেশের সন্তান। এদের জন্য কিছু করা
আমার সবচেয়ে বড় কর্তব্য ।
মমতার ক্ষমতা!
ভারতের মমতা
বড়ই তোমার ক্ষমতা!
তিস্তার পানিবণ্টনে
হলো না তো সমতা।
মমতার নেই সমতা
বাংলাদেশের তরে
কথা দিয়ে চুপটি মেরে
থেকেই গেলেন ঘরে।
তিস্তা নদীর রিস্তা যেমন
আছে তোমার জানা
পানিচুক্তির সমাধান ছাড়া
ট্রানজিট যায় না মানা।
মনমোহন সিং নয়তো কিং
প্রধানমন্ত্রী তবে
পানি সমস্যার সমাধান
মমতা এলেই হবে।
ইন্দিরা আর শেখ মুজিব
করেছিলেন চুক্তি
এতো দিন গড়িয়েও
হলো নাকো মুক্তি।
গ্যাস-বিদ্যুৎ-বন্দর দাও
দেখায় নানান যুক্তি
সমঝোতার ৮ স্মারকে
হবেই এবার মুক্তি।
০৭.০৯.২০১১
এক জীবনের গল্প
এক জীবনের গল্প
তৌহিদ উল্লাহ শাকিল
ঘুমের জড়তা নিয়ে হয় নিত্যদিনের প্রভাত
পেটে খুধা নিয়ে একথালা পান্তা ভাত ।
সাতটা'য় মিলে কাজ সীমাহীন অনেক কষ্ট
ধুলোমাখা সেই শার্ট সপ্নগুলো হয় নষ্ট।
প্রতিদিন ঘামে ভেজা কষ্টের বিশ্রী গন্ধ
সমাজপতিরা হেঁটে যায় করে চোখ বন্ধ।
নিত্য দিনের এই খাটুনি বাঁচার জন্য
উপোস থাকলে কেউ দেয়না মোরে অন্ন।
পঙ্গু বাবা আর বোন সাথে মা-ভাই
তাকিয়ে থাকে কখন খাবার নিয়ে যাই।
যৌতূকের দাবি মেটাতে অক্ষম আমার বাবা
বোনের প্রতি নির্যাতনের নামে ভয়াল থাবা।
পঙ্গু বাবার মেলেনি মিলের পাওনা টাকা
লাভ কি শ্রমদিয়ে জীবন করে ফাঁকা ।
সৎভাবে বেঁচে থাকো সবাই চেঁচিয়ে বলে
এই জীবনকে কি বেঁচে থাকা বলে ?
সকাল থেকে সন্ধ্যা কাজে পার দিনটা
সুখ পেতে উসখুস করে বোকা মনটা ।
(০৬.০৯.২০১১ রিয়াদ সৌদি আরব । সকাল ১০টা )
গল্প: এক মধ্যদুপুরে মনে পড়া টানা বারান্দা
ন্যান্সি যে স্লাগোকে ভালবাসে, সেই কথাটা সেদিন সমুদ্রের বালুর ওপরে লেখার চেষ্টা করছিলো। কিন্তু ঢেউ এসে বার বার লেখাটা মুছে দিয়ে যাচ্ছিলো। দেখে আমার খুব মজা লাগলো। এই দুইটা কমিক চরিত্রকে আমার দারুণ লাগে। আমার বন্ধু আছে ন্যান্সি নামে। সে অবশ্য কমিকের ন্যান্সি হলে আমি স্লাগো হতে রাজি নই। বন্ধুদের সঙ্গে ভালবাসাবাসি করলে নাকি বন্ধুত্ব নষ্ট হয়। আসলেই সত্য কি না কে জানে। ছোটবেলায় তো ক্লাসমেটদের প্রেমে ধুমধাম পড়ে যেতাম। ওদের অনেকে ভালোবন্ধুও ছিলো। সে সময় কখনো মনে হয় নি বন্ধুত্ব ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বড় হওয়ার কত যে জ্বালা!
মেঘবন্দী (৮) ... বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি / আহমাদ মোস্তফা কামাল
বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি
আহমাদ মোস্তফা কামাল
আমার নাকি জন্ম হয়েছিলো বৃষ্টিভেজা শীতের রাতে, মা’র কাছে বহুবার শুনেছি সেই কথা! মায়ের মুখে সেই জন্ম-বর্ণনা, আহা, কী যে মধুর লাগতো শুনতে -
আমার নাম বাসেটঠ!
আমার অপেক্ষা করা ছাড়া কোন গতি নেই কারণ
খেয়া মিস করার খেসারত দিতে হয় সাতার কেটে না হয়
আবার মাঝির পুনরায় ফিরে আসায়
তুমি ফিরে আসবে কখন ?
একটা গল্প লিখতে চেয়েছিলাম প্রতিষ্টাটাসে
পরে ভাবলাম না গল্পটা আমি একান্তগোপনে তাহার কানে কানে বলিতে পারি,চেতনে না হলেও
অর্ধচেতনে,ঘুমে
স্বপ্নের কাছে জমাদিয়ে দিলাম এই গল্পের ঘট।
তুমি ওখান থেকে একটি বের করে দেখে নিও এবং হ্যাঁ
এতকাল জানিতাম গল্প বলিতে পারা যায় শুনিতে পারা যায়
এবার জানিলাম গল্প দেখিতেও পারা যায়,গল্প দেখিয়েও দেয়া যায়।
তুমি অন্য কোন দেশের নাগরিক হইতে চাও না।এটা আমার জন্যে খুব আনন্দের।আনন্দের কারনটা বলা যাবে না তোমাকে।কারণ তুমি যদি কারণটা জেনো ফেলো তাহলে তুমি অন্যকোন দেশ নয়,পৃথিবীর সবগুলো দেশেরই নাগরিক হইতে চাইবে।আর তোমার এই চাওয়াটা যার কাছে,আমি চাইনা,আমার জন্যে তুমি অন্য কারো কাছে অন্য কিছু চাও!
নিছক প্রেমের গল্প
ভালোবাসার অর্থ কি?
জানি না তো!
প্রেমর অর্থ কি?
জানি না তো!
অনুভূতি কাকে বলে?
জানি না তো!
যখন কেউ তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকে; তখন তোমার ভেতরটা কি নাড়া দেয়?
কই, না তো!
ধূর! তোমার এই ‘না তো’ দুটি শব্দ ছাড়া আর কিছু নেই?
হা হা হা। না নেই।
আচ্ছা তোমার সাথে কি সারা জীবন আমার এসএমএসে কথা বলতে হবে?
তাও তো জানি না।
তুমি কি কোনদিন আমার হাত ধরবে না?
হাত ধরবো কেন?
ওমা! আমি তোমাকে ভালোবাসি যে!
ভালোবাসলেই হাত ধরতে হয়?
অবশ্যই! হাত ধরে চুপ করে আমরা দু’জন চোখ বন্ধ করে রাখবো।
তারপর?
তারপর আর কি। ভালোবাসার আবেগটাকে ভাগাভাগি করে নেবো।
তুমি এতো স্বপ্ন কীভাবে দেখো?
স্বপ্ন ছাড়া কি মানুষ হয়? কেন তুমি স্বপ্ন দেখো না?
স্বপ্ন কীভাবে দেখে?
তার মানে কি হলো? ফাজলামি করো?
হা হা হা।
এই হাসি আর কতদিন? দুই মাস কিন্তু পার হয়ে যাচ্ছে।