ইউজার লগইন
ব্লগ
হটল্যান্ড থেকে ফ্রিজল্যান্ড ৩ : বোলসওয়ার্ডে
কেন আমি ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না (১ম পর্ব)
সমগ্র পৃথিবী শ্রেনীগতভাবে দু’ভাগে বিভক্ত। শোষক ও শোষিত শ্রেণীর দ্বন্দের প্রেক্ষিতে সৃষ্টি হচ্ছে নতুন সমাজ।চেতনার দিক থেকে বস্তবাদ ও ভাববাদের জন্ম সেই আদিম সাম্যবাদী সমাজের গোড়া থেকে। ঐতিহাসিক কারনে শোষিত শ্রেনী বস্তবাদী ও প্রগতিশীল কিন্ত শোষক শ্রেণী ভাববাদী-প্রতিক্রিয়াশীল। আদিম সাম্যবাদী সমাজের ধ্বংসস্তপ থেকে গড়ে উঠা সমাজ কাঠামো গুলোর পূজিবাদী স্থর পর্যন্ত “রাষ্ট্র” নামক শোষন যন্ত্রটি শোষক শ্রেণীর পক্ষে কাজ করে। আর রাষ্ট্র কখনই শোষিত শ্রেণীকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে চায় না। কারন শোষিত-নির্যাতিত-দরিদ্র জনগোষ্টীকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুললে স্বয়ং রাষ্ট্রের অস্থিত্ব চ্যালেন্জের সম্মূখীন হয়ে পড়ে। অপরদিকে আধুনিক শিক্ষা বঞ্চিত দরিদ্র জনগোষ্টীর মন ও মগজ সাধারনত: পশ্চাদপদ ধর্মাশ্রয়ী ভাবনার এক উর্বর আস্তানা হিসেবে গড়ে উঠে। দারিদ্রতা যাহার ইহকালের সুখ কেড়ে নিয়েছে,পরকালের স্বাচ্ছন্দের
শ্রদ্ধেয় তাজউদ্দীন আহমদ: জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি
ভূমিকার আগের অধ্যায়
২৩ জুলাই।
১৯২৫ সাল।
কেমন ছিলো সেদিনের রূপ? সেদিন কী বৃষ্টি ছিলো, কিংবা গরম, রোদের বাড়াবাড়ি সেদিনের মানুষের কাছ কী একটু বেশি মনে হয়েছিলো? অথবা সেদিনের সেই দিনটিতে শাপলার জলে খেলা করেছিলো শালুক, শ্রয়িমান সন্ধ্যায় দহলিজে বসে কেউ কী আপন মনে নিবিড় প্রার্থণায় মগ্ন ছিলো?
সেদিনের দৃশ্যে সবুজের সাথে গাঢ় লালের একটি আভা কী ছড়িয়ে ছিলো না চতুর্দিক- যিশু খ্রিষ্টের মতো মানবিক প্রার্থণায় নিমগ্ন মানুষের কাছে সেদিনটি একেবারেই অন্য রকম ছিলো না? শীতলক্ষ্যার তীর ছুঁয়ে যাওয়া ঢেউয়ের বহমান স্নিগ্ধতায় সত্যিই সেদিন ভালোলাগা বিরাজ করেছিলো। সেদিন ছিলো শীতলক্ষ্যার পূর্ণিমা যৌবন।
শুভ সকাল প্রিয়

শুভ সকাল প্রিয় বাংলাদেশ। প্রিয়তমা রাজধানী। আগে বোধহয় পত্রিকায় একটা কলাম প্রতিদিন চোখে পড়তো, সুপ্রভাত বাংলাদেশ- বা এমন একটা কিছু। অনেক দিন সেই কলামটা দেখি নি। সচেতনভাবে খুঁজি নি যদিও, তবু মনে হয় সেই লেখাটা এখন আর লেখা হয় না। এরকম একটা শুভকামনা অবশ্যই একটা দেশের জন্য প্রতিদিন সকালে দরকার। এতে দেশের দিনটা শুরু হয় ভালোভাবে, খুশিমনে।
লটকন
খুব অল্পবয়সে কাব্যপ্রতিভা দেখা দিলে যা হয় আর কি- আমার নামডাক বেশ ছড়িয়ে পড়লো। বিশেষ করে ইয়ারদোস্তরা এই প্রতিভা দেখে মুগ্ধ!
সম্ভবত ক্লাশ ফাইভেই হবে- কী করে কী করে যেন বুঝে গেলাম ছড়া লেখা খুব একটা কষ্টের ব্যাপার না। হাতির সাথে ছাতি, ডলার সাথে মলা ইত্যাদি শেষ দিকের শব্দগুলোর মধ্যে একটা মিল থাকলেই সহজে ছড়া লেখা যায়। ঠিক সেই সময়েই একটা ছড়া পড়ি যার লাইনগুলো মোটামুটি এরকম- চলে হনহন/ছোটে পনপন/বায়ু শনশন/ফোঁড়া কনকন...। এই ছড়া পড়ে আমার সেই ধারণা আরেকটু পোক্ত হলো।
আমাদের ইস্কুল
(১)
বিয়ে বাড়ী। বেসামাল হৈচৈ।খাওয়া এখনো শুরু হয়নি। দোতালায় কনেকে সাজানো হচ্ছে। কনে সাজবে, বিয়ে পড়ানো হবে তারপর খাওয়া। এটা বরের বাবার হুকুম। আমরা বর যাত্রী। কাজেই বরের বাবার হুকুমের বিপরীতে কউ সচল হ’ল না। এদিকে বর বসে আছে গোমড়া মুখে। বিয়ে করতে এসে এত দুখী থাকতে দেখিনি কাউকে, কখনো। বর থাকবে হাসিখুশি। কনের বান্ধবীরা খুনসুটি করবে আর বর চাপা হাসিতে তাদেরকে প্রলুব্ধ করবে, এটাই বিয়ের চিরচেনা রূপ। কে জানে পুরনো প্রেমিকার কথাই মনে পড়ে গেছে কীনা। উনি বয়সে বড় বলে জিজ্ঞাসা করতেও পারছি না। বরের বন্ধুরা এদিক সেদিক কনের বান্ধবীদের নজরে পড়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে। যদিও কোন ফল হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না। কিছুক্ষণ এদিক সেদিক ঘুরে নিরিবিলি এসে বসেছি দোতলা উঠার সিড়িটার কাছেই।সবে স্কুলে যেতে শুরু করেছে এরকম বাচ্চা কয়েকটা ছেলে-মেয়ে একবার সিড়ি দিয়ে উঠছে একবার নামছে।ফুটফুটে একেকটা। মায়াকাড়া।
‘টক’ টকশো
জংধরা
আরো বেশি রমণীয় হ'য়ে ওঠো তুমি,
রমণের ভেলা ভাসানো আছে অথবা সাম্পাণ
লৌহজং ষ্টেশনের কথা মনে পড়ে
মনে প'ড়ে আনসিন প্যাসেজ
জংধরা,,,
প্রজণন প্রয়োজন হয়ে থাকে বালুকাবেলায়
নাতিসিতষ্ণ অঞ্চলে ঘুম আসে ভরা পেটে
খুব বেশি রমণীয় হ'য়ে ওঠো তুমি
তোমার দেহের থেকে হাতের থেকে মাথার থেকে
আরো বেশি রমণীয় যেন।-
ভোগের কালে মনে প'ড়ে দূর্ভোগের কথা;
হাত ধরার কালে হাতাহাতি
আর গম্ভুজের নিচে প্রার্থণাকালীন নিরাপত্তা বুহ্য থাকে চুলের বেণী।
একদিন স্বপ্নের দিন---
আসকার আলী। সারা দিন ভিক্ষা করে বেড়ায়। হত দরিদ্র। চৌধুরী সাহেবের সহায়তায় শেষ পর্যন্ত একখানা ঘর পেয়েছিল এরশাদ মামুর গুচ্ছগ্রামে। সেই কৃতজ্ঞতা থেকেই প্রতিদিন সকালে চৌধুরী বাড়ি থেকেই ভিক্ষাটা সে শুরু করে।
সাবধানতাঃ সন্তানের জন্যে
আকিদার "অঞ্জলি পেতেছি, জল দাও" লেখাটা রোজ প্রায় একবার খুলি। কিছুদূর পড়ি কিন্তু পুরোটা পড়তে পারি না, মনটা অন্যকোথাও ঘুরতে থাকে। অনেককিছু অনেকভাবে মনে পড়ে একসাথে। নিজের কথা, মায়ের কথা, বন্ধুর কথা। প্রায় প্রতিদিন ভেবে চলেছি কিছু একটা লিখি, কিন্তু আমি এতো আবেগপ্রবণ যে কি লিখবো সেটাই গোছাতে পারছি না। লিখতে চাই অনেক কিছুই কিন্তু কোথা থেকে যে শুরু করি। আবেগটাকে সরিয়ে কিছু বাস্তব সমস্যার ওপর আলোকপাত করার চেষ্টা করবো আজকে। নিজের সম্বন্ধে সর্তক থাকা কিংবা সচেতন হওয়া একটা খুব জরুরী বিষয় জীবনে। অনেক খেয়ে খেয়ে হার্ট নষ্ট করে কিংবা ডায়বেটিস বানিয়ে তারপর সর্তক হলে, নিয়ম মেনে চললে কি হবে?
তাহের পূত্রের দণ্ড মওকুফ একটা স্বাভাবিক আওয়ামি পদক্ষেপ...
জীবনে একবার আমি লক্ষীপুর গেছিলাম। তখন সক্রিয় রাজনীতি করি। সংগঠনের একটা শিক্ষানীতি বিষয়ক প্রকাশনা বিক্রি ছিলো উদ্দেশ্য। চারদিনের সফরে লক্ষীপুরের চারটা থানায় প্রাক্তন বামদের সাথে দেখা হবে এইরকম উত্তেজনা তৈরী হইতেছিলো। বাংলাদেশের বাম আন্দোলনের ইতিহাসে লক্ষীপুরে জন্ম নেয়া সংগঠকদের বিশাল ভূমিকা ঐতিহাসিকভাবেই জানা ছিলো। কমরেড তোয়াহা, আ.স.ম আব্দুর রব, দিলীপ বড়ুয়া এমন অনেকেরই রাজনৈতিক সূচনা লক্ষীপুরের মাটিতেই হইছিলো। ফেনী থেইকা দুপুরের দিকে রওনা দিয়া যখন লক্ষীপুরে পৌছাইলাম তখন প্রায় সন্ধ্যা। আমার হাতে কেবল তিনটা যোগাযোগের ঠিকানা, যাদের সাথে দেখা কইরা আমার রাতের থাকা-খাওয়া আর পরবর্তী দিনের পরিকল্পণা করতে হইবো। শহরে ঢোকার মুখেই বাস স্ট্যান্ড। ফেনীর নিখিলদা আমারে ছোট শহরের ম্যাপটা ভালো মতোই বুঝাইয়া দিছেন। আর সেই মতোই হাটতে শুরু করলাম।
মেঘবন্দী (৪) ... এক বরষ দিনের চিঠি / নীড় সন্ধানী
এক বরষ দিনের চিঠি
নীড় সন্ধানী
তুমি আমাকে ভুলে গেছো আমি বিশ্বাস করি না। তবে আমাকে অপেক্ষমান রেখেও তুমি নির্বিকার উপেক্ষা করে চলে যেতে পারো অন্য কারো হাত ধরে, সেও আমি বিলক্ষণ জানি।
আমি আর তোমার কাছে যাই না। তুমি ডাকো না বলে? আমিও তোমাকে ফিরে ডাকি না আর, তুমি আসবে না বলে? তোমাকে কেবল দূর থেকেই দেখি। মন ভরে দেখি, অতৃপ্তি নিয়ে দেখি। বর্ষার দিনে বারান্দায় দাঁড়িয়ে অন্য লোকের সাথে তোমার ঘনিষ্ঠতা দেখে দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে চায়ের কাপে আক্ষেপের চুমুক দেই।
বয়ে নিয়া চলা যাপিত জীবন!
ব্লগ এখন আর আমাকে টানে না।আর আগের মতো পড়ার ধৈর্য পাই না ব্লগের কোন পোষ্ট।ফেসবুকেই এখন বেকুবের মতো বসে থাকি।সেইখানেই যা পড়ার চিরকুট, সংযোগ তা দেখে নেই।তাই ব্লগের দুনিয়া আমাকে আর মুগ্ধ করে না,সকাল হলেই দেখতে বসি আগের মতো যে ব্লগে কি পোস্ট আসলো!এখনকার দিন গুলো কাটাই অন্যরকমের।সকাল হলেই নেটে বাংলা পত্রিকা পড়ি।ফেসবুকে লোকজনের ভাবনা জানি।চ্যাটে কারো সাথে বাতচিত করি।এরপর এমবিএ ভর্তি বিষয়ক বইপত্রের পাতা উল্টাই।এরপর নাস্তা করে চায়ের দোকান তাও আবার আমার বাসা থেকে ১৫ মিনিটের হাটা পথ।চায়ের দোকানে বন্ধু বান্ধব আছে কিছু যাদের সাথে পরিচয় ঐখানেই।সেইখানে নানা চাপা চুপা পিটায়া চারটার দিকে রুমে ফিরি।সেইখানে দেখি মামা আমার জন্য না খেয়ে বসে আছে।বেচারা মামা!জানলোও না তার ভাগিনা কত আকামের লুক:(
হচ্ছেটা কী এসব ?
শবে বরাতের রাতে ৬ যুবককে ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে গ্রামবাসী। টেলিভিশনের কল্যাণে দ্রুতই খবরটি জেনে যাই। কেউ বলেছে আসলেই ডাকাত। ছেলেদের আত্মীয়-স্বজন বলেছে, ওরা ছাত্র আর নিরপরাধ। ঘটনার কিনারা হয়নি। প্রায় সকাল পর্যন্তুই বিভিন্ন টিভিতে খবরটি দেখি। কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেনি- ওরা আসলে ডাকাতি করতে গেছিলো না ঘটনার শিকার। অমিমাংশিত থেকে গেলো দুঃখজনক খুনের ঘটনাটি। বিক্ষিপ্ত মন নিয়ে ভোরের দিকে ঘুমাতে যাই।
ইন্টারন্যশনাল স্কুল ইন ঢাকা
কানাডীয়ান ট্রিলিনীয়াম স্কুল (সিটিএস) ঢাকা শহরে একটি আন্তর্জাতিক স্কুল। কানাডার নিউ ব্রান্সউইকের পাঠ্যক্রম দপ্তর (এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট) দ্বারা স্কুলটির কারিকুলাম পরিচালিত হয়।ঢাকা শহরে একটি ডিপ্লোমেটিক এরিয়াতে স্কুলটির অবস্হান । এটি সম্পূর্ণরূপে একটি ল্যপটপভিত্তিক স্কুল যেখানে অন্যান্য সমস্ত অত্যাধুনিক প্রযুক্তিক সুবিধা বিদ্যমান।