ইউজার লগইন
ব্লগ
সব ফুরোবে
সব ফুরোবে।
সকাল সকাল অনিচ্ছাতে ঘুমকাতুড়ে ঘুম তাড়ানো,
ইচ্ছেবিহীন, শরীর টেনে নিত্যদিনের পথ মাড়ানো,
অপেক্ষাতে পথের পাশে চোখ ফেলা আর চুপ দাঁড়ানো,
কানের কাছে গান জড়িয়ে হঠাত করে মন হারানো।
সব ফুরোবে।
ব্যস্ততা। আর বিরক্তিভর রুটিনমাফিক ট্রাফিক ঠেলা,
সুড়কিবোঝাই পথের তোড়ে রিকশা এবং ঝাঁকনি খেলা,
স্কুল ছুটিতে, রাস্তাজুড়ে, তিড়িং বিড়িং হাঁটার মেলা,
ভরকুয়াশায় রোদ পোহানোর তৃপ্তিটানা সকালবেলা!
সব ফুরোবে।
চেষ্টা নামের মুলোর দিকে নিরুদ্দিশে ছোটার তাড়া,
ভুল হল কী খোঁজার নামে আঙ্গুল তাক আর বলার ধারা,
ভুল করে তা চাপার তাকিদ, আর অকারন সঙ্গছাড়া,
বিশ্বাসে ভর করার আগেই অবিশ্বাসে দৃষ্টিহারা।
সব ফুরোবে।
স্বার্থ বুঝে দায় এড়ানো, পাশ কাটানোর চেষ্টা,
দোষ গেয়ে খুব শুকনো গলা, তাই মেটাতে তেষ্টা
শুরুর শুরু বোঝার আগেই গপ্পে টানা শেষটা,
এক চুমুকের চায়ের সাথের দুরন্ত সন্দেশটা!
সব ফুরোবে।
সেই জীবনটা অবলীলায় আমায় ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল
আজ ট্যাটু আঁকার দোকানে গিয়েছিলাম। আমার বাম হাতে বেশ কিছু ব্লেডের পোচের দাগ রয়েছে। গভীর দাগ। সেগুলোকে সুন্দরভাবে ট্যাটু দিয়ে সাজাবো বলে ঠিক করেছিলাম। যদিও বলছি সাজাবো, কিন্তু আসল উদ্দেশ্য ছিল সেগুলো ঢেকে দেয়া। এককালে সোনালী ডানার চিলের পিছে ছুটতে গিয়ে অমন বহু কাঁটা-ছেড়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল। 'সোনালী ডানার চিল' বাংলা সাহিত্যের এক অসাধারণ চরিত্র। বলতে হবে এই চরিত্রের স্রষ্টা কে? যাহোক, আমি জানি "কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে"- কথাটাতে একবিন্দু সত্যতা নেই। তারপরও ট্যাটু আঁকার দোকানে গিয়েছিলাম বেদনাবিধুর কাঁটা দাগগুলো ঢেকে ফেলতে।
নতুন করে পাবো বলে
আমি কতোদিন লেখালেখি করিনা ভুলেও গেছি, আজকে হঠাৎ কি মনে হতে ভাবলাম একবার ঢুঁ মেরে যাই, দেখলাম এর ভেতরে পাঁচটা বছর পার হয়ে গেছে। কি অদ্ভুত! পাঁচ বছরে আমি তেমন করে কিচ্ছুটি লিখি নাই। অবশ্য এই পাঁচ বছরে যা হওয়ার না এরকম অনেক কিছু ঘটেছে, যা যা ঘটেছে তার কিছুটা ভালো, কিছু তেমন ভালো নয়, আবার কিছু ভীষণ ভয়াবহ! তারপরেও সব মিলিয়ে ভালো আছি। এই কবছরে কতোখানি পাল্টেছি জানিনা, পাল্টানো তো আসলে অবশ্যম্ভাবী। কম বেশী আমরা সবাই রোজ নিয়ম করে পাল্টাতে থাকি। ভাবছি আবার নতুন করে শুরু করে দিই লেখালেখিটা, তবে সময় পেলে হয়। অনিয়মিত হয়ে যেতে হবে ভেবেই মনে হয় উৎসাহ উবে যায়।
ইদানিং জীবনযাপন
আমি কম্পিউটারের ১৭ ইঞ্চি স্ক্রীনে দেখছি ছেলের চেহারা থেকে শৈশবের ছাপ মুছে যাচ্ছে, কণ্ঠের মসৃনতা উবে গিয়ে কৈশোর আসছে। এই অদ্ভুত সময়টাতে যখন যেকোনো আবদারের শেষে ওকে শুনতে হচ্ছে তুমি কি এখনো বাচ্চা না কি, যাও পড়ার টেবিলটা গুছাও- এখন বড় হয়ে গেছো, আর যেকোনো মতামতের পর অবধারিত শুনতে হচ্ছে এই বয়েসে পাকনা পাকনা কথা বলতে হবে না, তুমি ছোটো আছো এখনও। এই অদ্ভুতুড়ে সময়টা ফিরে আসবে না ওর জীবনে- আমার জীবনেও।
আমার মেয়ে ওয়েবক্যামের সামনে দাঁড়িয়ে আমার সাথে লুকোচুরি খেলে। বাবা বলতো আমি কোথায়? আমি এপাশ থেকে বলি আরে আমার মেয়েটা কোথায় গেলো? আমি তো দেখতে পাচ্ছি না।
ও কম্পিউটার স্ক্রীনের পেছন থেকে বলে- এই তো আমি তোমার পিছনে। তুমি আমাকে দেখতে পাচ্ছো না? তুমি কি বোকা না কি?
বলতে পারি না- পৃথিবীতে বোকা মানুষ না হলে কেউ তোমাদের ছেড়ে দূরে থাকে না।
উইকেন্ডের গল্প
১.
এখন প্রতিদিন বেলা তিনটা থেকে রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত কাজ করি। মাঝখানে দুইটা ছোট ছোট ব্রেক। জার্মান ভাষায় বলে পাউজে। প্রথমে একটা ২৫ মিনিটের পাউজে, টানা চার ঘন্টা কাজ করার পর। তারপর একটা ২০ মিনিটের পাউজে। প্রথম পাউজের ঠিক আড়াই ঘন্টা পাঁচ মিনিট পর। প্রথম চার ঘন্টা টানা কাজ করাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে সোমবারগুলোতে। মঙ্গল-বুধবারের দিকে অতোটা ক্লান্তি লাগে না, যতোটা লাগে সোমবারে। কারণ শনি-রবি দুইদিনের ছুটি শরীরটাকে অলস বানিয়ে দেয় ভালোভাবেই। আর যদি উইকেন্ডগুলোতে হানা দেয় বন্ধুরা, তাহলে তো সেরের ওপর সোয়া সের। সেই উইকেন্ডের পরের সোমবারটার মতো দুর্যোগ আর হয় না।
মালায়লাম নিউ জেনারেশন মুভি!
আজ লেখার মুডে আছি। সাধারণত লিখতে ইচ্ছে করে না।সময় থাকে তাও লিখতে বসি না। সারাদিন পিসির সামনে থেকে রাতেও ল্যাপটপ নিয়ে বসতে ইচ্ছে করেনা। বসলেও সিনেমা দেখা ছাড়া আর কিছু ভালো লাগে না। লেখার মতো অনেক কিছুই থাকে তা কিছুটা ফেসবুকে স্ট্যাটাসে দেই, আর বাকী সব চাপা পড়ে যায় প্রতিদিনের দিন যাপনে। আজ তাই লিখতে বসে গেছি। জানিনা পোষ্ট দেয়া হবে কিনা। শুরু করা যাক। ব্লগ লেখার চেয়ে আনন্দের আর কি। দিন গুলো যাচ্ছে আগের মতোই। আমার সব দিন যাপনই একরকম। পার্থক্য শুধু রাতে আমি এখনো বারেকের দোকানে যাই। আড্ডা মারি। বন্ধু ছোট ভাইদের কথা শুনি, নিজের কথা বলি। শুক্রবারে বন্ধু জেমস আসে, সপ্তাহের সব আলাপ করে ফেলি সকাল থেকে বিকাল। আম্মু ফোন দেয় খেয়েছি কিনা, আব্বু ফোন দেয় এখন কই কি অবস্থা। এই করে করেই যাচ্ছে দিন। ইউটিউবে গান শুনি, স্ট্যান্ডাপ কমেডির ভিডিও দেখি, ফেসবুকে ইস্যু মেপে স্ট্যাটাস দেই, দুটা টিব্যাগ দিয়ে চা খাই, সমা
আজ বহুদিন নতুন কোনো স্বপ্ন দেখি না
লাইপছিশ জার্মানীর সাক্সনী প্রদেশের সবচেয়ে বড় শহর। অতুলনীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা আর তরুণ প্রজন্মের জন্য অবারিত কাজের সুযোগ এ শহরের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য বললে অত্যুক্তি হয় না। জনসংখ্যা অর্ধ-মিলিয়ন, যার বেশিরভাগই আবার বয়সে তরুণ। আমার এ শহরে আসার প্রায় দুই সপ্তাহ পার হতে চললো। এ পর্যন্ত যতো বুড়ো-বুড়ি চোখে পড়েছে তা মনে মনে গুণে ফেলা সম্ভব। এই বিষয়টাই থুরিনজিয়া প্রদেশের ছোট্ট শহর ইলমিনাউয়ের সাথে লাইপছিশের গুণগত পার্থক্য তৈরি করে দিয়েছে। ইলমিনাউ যেখানে সন্ধ্যা সাতটার পর ধীরে ধীরে নিশুতিযাপনের জন্য প্রস্তুত হতে থাকে, সেখানে লাইপছিশে জীবনের সৌন্দর্যটাই ধরা দেয়া সন্ধ্যা নামার পর।
রুটিন
এখন দিনগুলো যেভাবে কাটেঃ
সকাল ৮টায় উঠি। ৯টা পর্যন্ত গড়াগড়ি, ইন্টারনেটিং, তারপর ব্রেকফাষ্ট সেরে ঠিক ১০টায় কামলায় হাজির। লাঞ্চের আগ পর্যন্ত কামলা দিই আর সুন্দরী দেখি। সুন্দরী দেখি আর বসের হুমহাম শুনি। বসের হুমহাম শুনি আর হাওয়া তাড়াই। হাওয়া তাড়াই আর ফেসবুকে সস্তা কৌতুক পড়ি।
লাঞ্চ আওয়ারে চলে যাই সাবওয়েতে, কখনও যাই ম্যাকডোনাল্ডসে কখনওবা অতি সস্তা বাঙালি হোটেলে গিয়ে ডাল ভাত মেরে দিই। খেতে পারলেই হলো, খাওয়া নিয়ে একসময় প্রচুর ফ্যান্টাসী ছিলো, তখন অবশ্য জীবনটা নিয়েই ফ্যান্টাসী ছিলো। এখন কোন ফ্যান্টাসি নেই, অপেক্ষা আছে। সময় থেমে যাওয়ার অপেক্ষা।
লাঞ্চ আওয়ারটা খুব উপভোগ করি। তখন আশেপাশে আরও মানুষ দেখি। মানুষ দেখতে ভালো লাগে, এক একটা মানুষ, এক একটা উপন্যাস। উপন্যাস পড়ার মতো করে মানুষ দেখি।
গল্প: ইরাবতী ডলফিনদের সাথে এক মগ কফি সহকারে এক দুপুরে
আমরা বন্ধু। হাতে হাত রেখে চলো হারিয়ে যাই। আমাদের স্বপ্নের জাহাজে চেপে চলে যাই সেই মহাদেশে যেখানে গিয়ে আমরা সত্যিকার অর্থেই নিজেদের খুঁজে পাবো। ঠিক সেভাবে, যেভাবে আমরা একে অপরকে পেতে চাই। তুমি চাও একজন কুল পার্সন, যে কিনা একইসাথে তোমাকেও বুঝবে এবং আশপাশের পরিবেশটাও বুঝবে। আমি চাই একজন খুব সাধারণ মানুষ, যে শুধু ওখানে থাকবে আমার জন্য। ওই পরিবেশটায়। যার জন্য আমি শেষ মুহূর্তটায় গিয়ে আরেকবার চেষ্টা করার অাগ্রহটা খুঁজে পাবো। আর তারপর আমরা দু'জনে মিলে সার্ফিং করে আগামী গ্রীষ্মকালটা পার করবো ক্যারিবিয়ন দ্বীপপুঞ্জের কোনো একটা ছোট্ট দ্বীপে। চলো হারিয়ে যাই, যাবে?
একটি অসমাপ্ত কামের গল্প
চোখ আটকে গেলো সহজেই! আজকাল সুন্দরী মেয়েরা কবিতা লিখতে আসে না বললেই চলে। হেঁজিপেজিদের দেখতে দেখতে অরুচি ধরে গেছে। একটি দৈনিক পত্রিকার সাহিত্য সাময়িকীতে ছাপা হয়েছে মেয়েটির একগুচ্ছ কবিতা। সাথে তার কবিতাভাবনা ও আলোকচিত্র। ছবিটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখলেন তিনি। সুন্দরীই বটে, আগুনসুন্দরী! সাহিত্য সম্পাদককে কল দিয়ে রুহিনা তাবাসসুমের সেলফোন নম্বর চাইলেন কবি সৈয়দ আবু বকর। ছোকরা সম্পাদক প্রথমে ঘাইগুই করলো; পরে নিমরাজি হয়ে নম্বর দিলো।
এই সমস্যা। এরা মনে করে কবিতা ছাপার বিনিময়ে মানুষটির দখল বুঝে নিয়েছে। এখন ঘরের বউয়ের মতো অধিকার খাটানো যাবে।
দেরি না করে কল দিলেন তিনি- 'রুহিনা তাবাসসুম বলছেন?'
ওপাশ থেকে ভেসে এলো সুরেলা আওয়াজ - 'বলছি'।
'আমি কবি সৈয়দ আবু বকর।'
'সৈয়দ আবু বকর! মানে বাংলাদেশের প্রধান কবি?'
'তা বলতে পারেন! আপনার কবিতা পড়লাম, দৈনিক বগিজগি পত্রিকায়...!'
'তাই! কেমন লেগেছে?'
সে পর্যন্ত সবাই যেন ভাল থাকি আমরা
লেখার কিছু পাচ্ছি না। অথচ কিছু একটা লিখতেও হবে। দিনলিপি তো প্রায়ই লিখি। দিনলিপি কিংবা ছাইপাশ টাইপের কিছু ছাড়া অন্যকিছু লিখতে ইচ্ছে হয় না এখন আর। গল্পের আইডিয়া নিয়ে ভাবতে ইচ্ছে করে না হাঁটতে হাঁটতে। জীবনটা বড় দ্রুতগতিতে পানসে হয়ে যাচ্ছে।
যাবার বেলায়
আমার দুয়ারে শব্দেরা কড়া নাড়ে,
হিমেল বাতাসে কাঁপে সন্ধ্যার ছায়া
অস্ফুটে ডাকে ইশারায় চুপিসারে,
‘আয়, চলে যাই, ফেলে রেখে সব মায়া!
কোথায়, কখন, উড়ে যেতে হবে হুট—
ঝরা পাতাদের তা কি কভু জানা থাকে?
এই পড়ে থাকা, এই দেয়া কোন ছুট,
অচেনা পথের শীতার্ত বাঁকে বাঁকে!
কনীনিকা থেকে কিছু আলো মুছে গেলে
হাতড়ে হাতড়ে গোধূলির পথ চলা,
তবু অবিনাশী কিছু প্রেম-অবহেলা
সযতনে রাখে রূপশালী আলো জ্বেলে!
সাঁঝ-বেলা শেষে ক্রমশ অন্ধকারে
মিশেছে কাদের ধুসর-বরণ পথ?
ক্লান্ত-চিত্তে, অবসাদে, বারে বারে
টেনে নেয়া সেথা জীবনের ভাঙা রথ!
আমার দুয়ারে কালো ছায়া কড়া নেড়ে
যতই বলুক, যাবার সময় হলো—
প্রিয় পৃথিবীকে আরেকটু ভালোবেসে
বলব, ‘দেখি তো! ষোড়শী নেকাব তোলো!’
তোমার চিঠির একমাত্র পাঠক হিসেবে বলছি
প্রিয় ছটফটানি,
দূরে চলে যাও। ভাল থাকো কিন্তু দূরে থাকো। আই লাভ ইউ বাট আই কান্ট ডিল উইথ ইউ এনিমোর। প্লীইইইইজ। আর যদি দূরে চলে যেতে না পারো, তাহলে কমে যাও যতোটা পারো। এতটুকু কি তুমি করতে পারো? তোমার কারণে আমি ক্ষত-বিক্ষত হয়ে আছি। না পারছি সহ্য করতে, না পারছি অগ্রাহ্য করতে। তুমি একটা খারাপ। খুব ভীষণ খারাপ।
বাইরে থেকে আমার ক্ষত দেখা যায় না কিন্তু ভেতরে উঁকি দিলেই সব পরিস্কার বোঝা যায়। আমি তোমাকে চাই না আর। একবারও না, একটুও না, একদমই না। সরে যাও। ভুলে যাও। আর কাছে এসো না। আমাকে আমার মতো থাকতে দাও। প্রিয় ছটফটানি দূরে চলে যাও। দিগন্তে মিলিয়ে যাও। মেঘ হয়ে উড়ে যাও। দরিয়ায় ভেসে যাও। জাস্ট প্লীজ চলে যাও।
বিরাজনীতিকরণ
স্পেনে গত ১ বছর ধরেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত কোনো সরকার নেই। এক বছরের ভেতরে দুটো নির্বাচন হলেও কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে ব্যর্থ, শিথিল শর্তে কিংবা দেশ ও জাতির বৃহত্ত্বর স্বার্থে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা কোনো ধরণের জোট গঠন করতে ব্যর্থ হয়েছে। সাধারণ মানুষেরা এই সরকারবিহিন রাষ্ট্রে বেশ খুশী। একদল দুর্নীতিগ্রস্ত, স্বার্থপর সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র- রাজনৈতিক দল এবং নেতাদের সম্পর্কে তাদের সাধারণ মূল্যায়ন এমনটাই। প্রতিটি রাজনৈতিক সরকার কোনো না কোনো পর্যায়ে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছে এবং ব্যক্তিগত উপঢৌকন গ্রহন করেছে, এদের কাউকেই বিশ্বাস করা যায় না। নাগরিক সেবার অধিকাংশই স্থানীয় সরকারের অধীনে ফলে নির্বাচিত সরকারবিহিন সার্বভৌম রাষ্ট্রে খুব বেশী দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে না নাগরিকদের। দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা চুক্তি, নির্বাচিত সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন এমন সব উন্নয়ন প্রকল্প বাধাগ্রস্ত হচ
ডুবে আছি বিষাদে!
বাসায় অনেকদিন ধরেই আমি একা একা থাকি। সেই যে মামী গিয়েছে ঈদের সময় আর আসে নাই।অফিস থেকে বাসায় ফিরি, সন্ধ্যা গড়িয়ে সকাল আসে, কারোর মুখ দেখি না। কারন মামা থাকে অফিসের নানান ট্যুরে অথবা শ্বশুরবাড়িতে। বুয়ার মুড ভালো থাকলে আসে নয়তো নাই, তাই বাইরে বাইরে খেতে হয়্ কিংবা আলসেমীতে খাই না, এভাবেই যাচ্ছে দিন। আবার সেই চিলেকোঠার এক রুমের জীবনের স্বাদ পাচ্ছি। সেই ব্লগ লেখার জীবনের, যখন রাতে ব্লগ লেখা ছাড়া বাসায় আমার করার কিছু থাকতো না। খালি মনে হতো এই দিন গুলো নিয়ে কিছু কথা লেখা থাক। না লেখা থাকা দিনগুলোর আসলে ফেসবুক মেমোরী ছাড়া আর কিছুই স্পেসিফিক মনে আসে না। যা মনে আসে সবই ভাসাভাসা আর অনুমান নির্ভর। যেমন ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসের শুরুর সপ্তাহে আমি কি করেছি মাথাতেই আসে না। যখন ব্লগে আসি তখন মনে হয়, ও আচ্ছা এই এই করে বেড়াচ্ছিলাম। এই এই ভাবছিলাম তখন দিনগুলোতে। তখন ভালো লাগে। আমার হাতে লেখা ডায়রী আছে, সেখানে