ইউজার লগইন
ব্লগ
মাস্টার থিসিসের আইডিয়া এবং সংশ্লিষ্ট গালগল্প
মাস্টার থিসিস নিয়ে একটু এক্সাইটেড ফীল করছি। আচ্ছা এক্সাইটেডের বাংলা কি হবে এই ক্ষেত্রে? উত্তেজিত কথাটা যাচ্ছে না। অন্য এক অর্থের হাতছানি দিচ্ছে। এই এক্সাইটেড মানে একটা কিছু শুরু করার উত্তেজনা। একটা কিছু যেটাকে নিয়ে আগামী ছয়টা মাস কাটাতে হবে। যেটার পরিকল্পনায় করা প্রতিটি ভুল পরবর্তীতে কাউন্ট হবে। প্রতিটি সঠিক সিদ্ধান্তও কাউন্ট হবে। খানিকটা উত্তেজিত বোধ না করে উপায় কি?
সমসাময়িক ভাবনা, মাস্টার থিসিস রান্নার গল্প এবং আরও কিছু ছাইপাশ
ছোটখাটো ঝুট-ঝামেলার মধ্য দিয়ে সময় কেটে যাচ্ছে। যার মধ্যে হাতের চিকিৎসা, খুব দ্রুত একটা কাজ খুঁজে বের করা, থিসিস শুরু করা ইত্যাদি বেশি ইম্পর্ট্যান্ট। প্রায় কিছুই করা হচ্ছে না অ্যাজ ইউঝুয়াল। শুয়ে-বসে, রান্না করে, ক্লোন ওয়ার্স-স্টার রেবেল-ইত্যাদি দেখে, আর খুব সামান্য পরিমাণ পড়াশোনা করে সময় কাটছে। দরকার ছাড়া রুম ছেড়ে বের হই না দেখে প্রথম দিকে বন্ধুরা অভিযোগ করার চেষ্টা করছিল। তারপর এক সময় বুঝে ফেললাম এখনকার আমিটাকে যারা অভিযোগ ছাড়াই মেনে নিতে পারছে, তারাই প্রকৃত বন্ধু; এখনকার আমিটার। তাদের মধ্যে যারা অন্যান্য সময়ের আমিদেরকেও অভিযোগ ছাড়া মেনে নিতে পেরেছিল, তারা প্রকৃত বন্ধু; সেই প্রত্যেকটা আমির। এবং এভাবে যারা আমার সর্বোচ্চ সংখ্যক ভার্সনের প্রকৃত বন্ধু হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে পেরেছে, তারাই আমার সামগ্রিক অস্তিত্বের প্রকৃত বন্ধু। এরকম বন্ধুর সংখ্যা নগণ্য হওয়াই স্বাভাবিক।
আমরা এমনি এসে ভেসে যাই!
বাসায় মোটামুটি গত এক সপ্তাহ মেহমানে ঠাসা ছিল। আজ বাসা ফাকা, সামনেও কদিন থাকবে ফাকা। কেউ আমার সাথে রুম শেয়ার করছে আমি তার সামনে গোটা গোটা করে ফেসবুকে ব্লগে লিখছি ব্যাপারটা আমার কাছে কেমন জানি লাগে। এই জন্য মেহমান থাকলে আমি ঘুম না আসলেও শুয়ে পড়ি, বাইরে বাইরে থাকি, বসে বই পড়ি। অবশ্য আমার এখন মেহমান দারী করার সময়, যারা বাসায় আসে তারা দুরের কেউ না, তাও আমার সব সময় ওউন করা লাগে। যেমন বন্ধু বান্ধব মামা মামী ভাই ভাবী বাবা মাকে আমার আপন লাগে। এরবাইরে সবাইকে পর, অনেকে চাচাদের খুব ভালো পায়, আমি চাচাদের সাথে দুই কথার বেশী কথা খুজে পাই না। এরপর মানুষ বিয়ে করে, শ্বশুর শ্বাশুরী শালা শালী কত জনের সাথে কত মধুর আলাপ করে, ফোনে গুটুর গুটুর করে আলাপ করে, আমি ক্লোজ রক্তের আত্মীয়ের সাথেই কথা বলার কিছু খুঁজে পাইনা। এরচেয়ে অপরিচিত মানুষের সাথে অনেক কথা বলতে পারি, হেঁটে হেঁটে যে ব্যক্তি দই বিক্রি করে কিংবা রেন্টে ক
সৈয়দ মুর্তজা আলী
রম্যসাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলীর ভাই সৈয়দ মুর্তজা আলী ইতিহাসবিদ ছিলেন। তিনি MUSLIM EDUCATION IN BENGAL 1837-1937শীর্ষক পর্যালোচনায় ব্রিটিশ শাসিত উপমহাদেশে বিশেষত শিক্ষিত মুসলমানদের সংখ্যাসল্পতার বিভিন্ন কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করেছেন। কারণগুলোকে ভৌগলিক, ভাষিক এবং আদর্শিক কাঠামোতে ভাগ করা যায় সহজেই। কোম্পানী ক্ষমতাকাঠামো কোলকাতাকেন্দ্রীক হওয়ায় সেখানে প্রথমে স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে- কোলকাতা নগরের পার্শ্ববর্তী হুগলী এলাকার কিছু ধনী মুসলিম পরিবারের সন্তান ব্যতীত বৃহত্তর বঙ্গ ও আসামের সংখ্যাগুরু মুসলমানদের ইংরেজী শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ ছিলো না।
কোটাওয়ারী রাজনীতির প্রাসঙ্গিকতা
পুরানা পল্টনের ফুটপাতের পুরোনো বইয়ের দোকানে ৭০০ পাতার কায়দে আজম জিন্নাহর জীবন ও রাজনীতি শিরোণামের বই খুঁজে পেয়েছিলাম একবার। ১৯৬৯ কিংবা ১৯৭০ এ বাঙালী জাতীয়তাবাদের উত্তুঙ্গ পরিস্থিতিতেও এমন বিশাল বই প্রকাশের সাহস প্রকাশকেরা করেছিলেন- পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে- বিশেষত সামরিক শাসন কবলিত প্রশাসনের সাথে তিক্ততার ভেতরেও মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি এক ধরণের অনুরাগ বাংলাদেশের শিক্ষিত সমাজে ছিলো।
যদি তুমি বৃষ্টিতে ভিজতে আর পিনা কোলাডা পান করতে পছন্দ করো
বছরের প্রথম সপ্তাহের মতো সময় আর হয় না। আজ সকালে যেমন ঘুম ভেঙেছে এক অদ্ভুত স্বপ্নে। চোখ মেলে দেখি কেবল সাড়ে সাতটা বাজে। সাড়ে সাতটা মানে আমার কাছে সকালও না। মধ্যরাত বলা যায়। কারণ আমি ঘুমাতে যাই নূন্যতম চারটায়। ইদানীং আবারও পুরোনো রুটিনে ফিরে গিয়েছি। এটা অনুমিতই ছিল। বন্ধু টোসিনের পরামর্শছিল, dude we have been to real life shit for two months. we need a break.
শিক্ষার মাণ
প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর নতুন বই দেওয়া হচ্ছে। সারা দেশের প্রায় এক কোটি শিক্ষার্থীর জন্যে অন্তত ৫ কোটি বই মুদ্রন এবং বিতরণের দায়িত্ব পালন করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড । তারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। এসব পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষণসহায়িকাগুলো তাদের ওয়েবসাইট থেকেও নামানো যায়।
প্রতিটি পাঠ্যবইয়ের সম্পাদনা পরিষদে অন্তত ৪ জন শিক্ষকের নাম লিপিবদ্ধ আছে। বইয়ের শুরুতে শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের ক্ষুদ্র বক্তব্য এবং বইয়ের শেষের পাতায় কোনো এক অজানা কারণে এ বছর প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংযোজিত হয়েছে।
এক জামরুল-রঙা বিকেলের গল্প
তুমি নাকি করতে চেয়েছো
ছোট্ট একটা সর্বনাশ?
জানো নিশ্চই, এই আমারই দেহের ভেতর
মৃত আত্মা করছে বাস।
মনিটরের কোণার ক্যালেন্ডারটায় একটা দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন এসে পড়েছে। বড় কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই একটা বছর পার করে আসলাম। ব্যক্তি পর্যায়ের অ্যাচিভমেন্ট। পৃথিবীর সবাই যদি কোনো দুর্ঘটনা ছাড়া একটা বছর পার করতে পারে, তাহলে সব অ্যাচিভমেন্ট জোড়া লাগিয়ে একটা শান্তির মহাকাব্য রচনা করা যাবে। অলীক স্বপ্ন। কিন্তু দেখতে সমস্যা কোথায়? জন লেননও তো অলীক স্বপ্ন দেখতো। আর চিৎকার করে বেড়াতো, ইউ মে সে আ'ম এ ড্রিমার।
বন্ধুদের সাথে আড্ডা
স্কুল জীবনটা থাকে সোনায় মোড়ানো। পেরিয়ে যাওয়ার সময় সেটা বোঝা যায়না। পেরিয়ে যাওয়ারও অনেক বছর পর পেছনে ফিরে তাকালে বোঝা যায়। যাহোক এতোকথার অর্থ হলো আমি সবথেকে বেশী মিস করি আমার স্কুলজীবনকে। অনেক বিখ্যাত ব্যক্তির মতো ছিলোনা, তবু আমার স্কুলজীবন ছিলো আমার মতো করে অদ্ভুত মায়া আর আকর্ষণে ভরা। দুপুর ১২টা বাজলেই আমি স্কুলে যাওয়ার জন্য অস্থির হতাম। জানি ক্লাসে পড়া বলতে গেলে হয়তো পারবোনা, প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে যাওয়া যাবেনা, তবু যেতামই। গিয়ে দেখতাম অল্প কয়েকজন বাদে কেউ আসেনি, তখন মন খারাপ হতো। কেন এলোনা? এলে কতো সুন্দর আড্ডা দেয়া যেত, কত কথা বলা যেত!
ঘুম ভাঙা সকাল!
চারটায় মোবাইলে কর্কশ এলার্ম দিয়ে রেখেছিলাম খেলা দেখবো বলে। দু ঘন্টা দেখলামও। যেভাবে উইকেট পড়ে গেল হুড়মুড় করে তাতে মন উঠে গেল খেলা থেকে। মামাও জেগে ছিল। মামাও হতাশা নিয়ে শুতে চলে গেল। আমার আর ড্রয়িং রুমে বসে থাকতে ইচ্ছে করলো না। রুমে আসলাম ভাবলাম কি করা যায়। কিছু সময় পত্রিকা পড়লাম ভালো লাগে না। দিনটার কথা ভাবলে মনটাই খারাপ হয়ে যায়। একটা বছর শেষ হয়ে গেল। দিন খালি চলেই গেল। কাল শুরু হওয়া জানুয়ারী মাসটাও চলে যাবে, ফেব্রুয়ারীও চলে যাবে বইমেলা করে করে, দেখতে দেখতে মার্চের শেষে মনে হবে নতুন বছরেরও তিন মাস শেষ। আমার আম্মু সব সময় বলতো যায় দিন ভালো, আসে দিন খারাপ। আমি বলি যায় দিন খারাপ, আসে দিন জঘন্য। সময়কে একটা কারনে আমার ভালো লাগে তা হলো সময় পুরোনো হলে কিছু মুহূর্তের কথা মনে পড়ে। এছাড়া সময় আর কি, কিছু সংখ্যা, যা আপনাকে জানিয়ে দিচ্ছে আপনার দিন ফুরিয়ে যাচ্ছে, আপনি বুড়িয়ে যাচ্ছেন, আপনার অনেক কাজ পেন্
নির্ভরযোগ্য পেশা নয়, নেশা
‘আমরা বন্ধু’ থেকে দীর্ঘসময় বিচ্ছিন্ন। এ ক্ষেত্রে স্বভাবসুলভ তৃতীয় হাতটি (অজুহাত) আমি তুলে ধরতে চাই না। তবে কারণ যে একটি আছে তা অস্বীকার করার উপায় নেই। রুটিরুজির প্রয়োজনে এখন অনেকটাই দৌড়ঝাঁপ করতে হচ্ছে। কোথাও স্থির হতে পারছি না। এটা বয়সের দোষ কী না তাও বোঝার ক্ষমতা অনুপস্থিত।
সাংবাদিকতা পেশাটা বর্তমানে গার্মেন্টসের চেয়েও অসচ্ছল বলেই মনে হয় (একান্তই আমার কাছে?)। অথচ এ পেশায় কেটেছে জীবনের অর্ধেকটা সময়। সেই ১৯৮৮ থেকে বর্তমান ২০১৬ সাল। পেশার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার সংখ্যা বাড়লেও পাল্লা দিয়ে বাড়েনি সচ্ছলতার পরিধি।
অনেক নক্ষত্রের ভীড়ে একজন মহম্মদ রফি!
মহাম্মদ রফি এক গরীব বিধবাকে মানি অর্ডারে টাকা পাঠাতেন। সেই গ্রামীন বিধবা মহিলা জানতো এক বড়লোক নিয়মিত মানি অর্ডার করে তাকে। রফি সাহেব প্রয়ানের পরের মাসে উনি গিয়েছেন টাকা আর আসে না, পরের মাসেও গেলেন টাকা আর আসে না। উনি সেই ঠিকানায় গিয়ে জানলেন উনাকে টাকা পাঠাতেন রফি সাহেব, উনি মারা গিয়েছেন, ভদ্রমহিলা আকাশ থেকে পড়লেন এত বড় শিল্পী উনাকে এত বছর ধরে টাকা পাঠতেন উনি বুঝলেনও না।
যেদিন রফি সাহেব মারা গিয়েছেন, সেদিন তুমুল ঝড় বৃষ্টি, তার ভেতরে ২০-৩০ হাজার লোক উনার লাশবাহী গাড়ী দেখতে দাঁড়িয়ে ছিল রাস্তায়।
সঞ্জয় গান্ধীর সাথে কিশোর কুমারের ঝগড়া হয়েছিলো। উনি সঞ্জয়গান্ধীর বাসায় গেলেন, খুব বিনীতভাবে জানালেন আমার কলিগ কিশোর কুমার যদি কোনো ভুল করে থাকে তবে আমি বিনীত ভাবে ক্ষমা চাচ্ছি।
বুধবার!
পরিচিত কেউ কেউ প্রশ্ন করে, দিনলিপি লেখা ছেড়ে দিলাম কেন? আমার দিনলিপির ব্লগ নাকি ভালো লাগতো। আমি অবাক হই। কখনো কমেন্ট করতে দেখি না এরকম লোকজন কেন আমার দিনলিপি ব্লগের কথা বলবে। আমি তো লিখতামই কতিপয় বন্ধু বান্ধবের জন্য। এইটাই হয়তো ব্লগের মজা। সেই কবে কার লেখা কেউ যদি আজ নতুন পড়ে ভালো লাগে, ফেসবুকে খুঁজে ইনবক্স করে তখন অবাক লাগে। যেমন আজ এক মেসেজ পেলাম সন্ধ্যায়, অদ্ভুত। এক ছেলে জানাচ্ছে আমার ২০১৩ সালের এক লেখা তার খুব ভালো লেগেছে। কিন্তু তার প্রশ্ন হলো, আমার দিনলিপির বিশ্বাসযোগ্যতা কতটুকু নাকি বানিয়ে লিখি? প্রথম কথা হলো, এটা কোনো প্রশ্নের মধ্যে পরে?
ট্রিবিউট টু কামাল ভাই এন্ড লীনা আপু!
ডিসেম্বর জন্মদিনের মাস। আমার ভাতিজির জন্মদিন। তিনজন ক্লোজ বন্ধুর জন্মদিন। মামার সন্তান সাইকের জন্মদিন। জেবীন আপার জন্মদিন। ছায়ার আলো ওরফে ইমরান ভাইয়ের জন্মদিন। খুঁজলে হয়তো আরো অনেক পাওয়া যাবে। তবে এই শীতের রাতে লিখতে বসেছি ব্লগে আমার দুই প্রিয় এনলাইটেন মানুষের জন্য। এই দুইজন মানুষকেই আমি ব্যাক্তিগত জীবনে খুবই পছন্দ করি, তারা আমাকে পছন্দ করে সেটা একটা কারন হতে পারে। তবে সব চেয়ে বড় কারন তাদের লেখা, মতামত, অপিনিয়ন আমার খুব প্রিয়। এইজন্য ব্লগ আমি এখনো লিখি টুকটাক, কারন ব্লগের কারনেই একটা জানালা আমার খুলে গেছে। সেটা পড়ার জানালা, যারা পড়ে তাদের সাথে তাল মিলিয়ে পড়ার জানালা। সেই জানালার খোজ সবাই পায় না। আর পেলেও বন্ধ করে দেয়। কিন্তু আমি মনে করি পড়ার জানালাই আমার জীবন। এই যে দুচারটা কথা লিখতে পেরে আনন্দিত হই এটা পড়ার ফল। নয়তো সবাই অফিসে প্রতিদিন পিসিতে কত কিছুই লিখে, কোনও কিছুতেই এই ব্লগ লেখার আনন্
কাল্পনিক এক প্রাপকের কাছে কখনও না লেখা চিঠি
প্রিয় ছটফটানি,
তোমার একটা ছবি দেখলাম অনলাইনে। আজকে দিনটা এমনিতেই কেমন যেন খারাপ যাচ্ছিল। খারাপ মানে ঠিক খারাপ না কিন্তু মেলানকোলিক আরকি। তখন এক বন্ধুকে বলছিলামও কথাটা। তোমার ছবিটা দেখে ভাবটা বেড়ে গেল আরও।
জানি না কেন। গত ক'দিন ধরেই এই অবস্থা। কোথায় যেন আমি হারিয়ে গেছি। খুঁজে পাচ্ছি না কোনোভাবেই। কোনোকিছুতেই। ছোট ছোট কিছু পাওয়া মাঝে মাঝে নিজেকে উদ্বেলিত করে। পরক্ষণেই বুঝতে পারি, শুধুমাত্র ওই অতোটুকু পাওয়ার জন্য মানবজন্ম লাভের দরকার ছিল না। স্বচ্ছলতা তো আরও বাতুলতা হয়ে গেছে তার ওপরে।