ইউজার লগইন
ব্লগ
মৎস্য শিকার_------------
ঈদের নামাজ শেষে সকলে যখন কোরবানীর পশু নিয়ে ব্যাস্ত তখন আমার জানের জান জানু মিয়া তার পুত্র-কন্যাসহ এক বিশাল বাহিনী তৈরী করে নেমে গেছে নীচু ধান ক্ষেতে যেখানে বর্ষার সময় পানি জমে ও শীতে শুকিয়ে যায়। সেই পানিতে থাকে অসংখ্য বানে ভেসে আসা মাছ।
এই কচুরীপানা তুলে কাদাপানিতে মাছশিকার।

হয়তো জরুরী নয় তবুও
কঠিন, তাত্বিক কিছু লেখার জন্য যে ধরনের একাডেমিক পড়াশোনা ও চিন্তা ভাবনার গভীরতার প্রয়োজন হয় তা আমার নেই। লেখালেখি, নাচ, নাটক এগুলো আমার বেঁচে থাকার রসদ, নিজেকে সান্ত্বনা দেয়া যে না আমি মরে যাইনি, বেঁচে আছি এখনো। তাই আমি এগুলো থেকে আনন্দ নেয়ার চেষ্টা করি। সারাদিনে অনেক ধরনের স্ট্রেন যায় যেগুলো এড়ানোর কোন রাস্তা নেই, তাই যেই ঝামেলাগুলো এড়ানো সম্ভব সেগুলো অন্তত এড়িয়ে যাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করি। জীবন আমাকে শিখিয়েছে, একটা খারাপ সম্পর্ক মেনটেন করতে যতোটা এফোর্ড দিতে হয়, ভালো সম্পর্ক মেনটেন করতে ততোটা দিতে হয় না। তাই তাত্বিক কিছু নয়, কিছু উপলব্ধি লিখতে কেন যেন আজ ইচ্ছে করছে। ছোটভাইসম গৌতমকে অনেক বার বলেছিলাম নেদারল্যান্ডসের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে লিখবো। মেয়ের স্কুলকে খুব কাছে থেকে ফলো করেছি একটা সময়, নিজেদের স্কুল জীবনের সাথে পদে পদে তুলনা করেছি কিন্তু লিখবো লিখবো করে কয়েক বছর চলে গেছে লেখা হয়ে ওঠেনি।
এক দুই এবং পরবর্তী
দেয়ালে একটা বড় পোস্টার লাগানো আছে, সাফল্য সিক্ত লড়াকু সাকিবের মেজাজি ছবি দেখা যাচ্ছে তাতে । রাতে বাতির আলো কিছুটা শোষন করলেও দেয়ালের হতশ্রী ভাবটা ঢেকে রাখতে পোস্টারটির বিকল্প হতে পারত না কিছুই । নীচের দিকটা বিছানার খুব কাছাকাছি, বিছানার সিংহ ভাগকে দেয়ালের গা থেকে ঝরে পড়া অবশেষ থেকে রক্ষা করতে ব্যবধান কম । কোনার দিকটায় পেনে লেখা কিছু মোবাইল নম্বরের সাথে ঠিকানার এলোমেলো অবস্থান, কথা বলার সময় এগুলোর উল্লেখ এলে তড়িৎ তা টুকে নেবার প্রয়াস থেকে পোস্টারের জমিনে নানান ভাবে লেখা এগুলো । পড়ার টেবিল থেকে চোখ তুলে তাকালে দেবদারু গাছের মাথায় ভর করে থাকা আকাশের নীল দেখা যায়, ঋতু বৈচিত্রে আকাশ আর দেবদারুর বদল কত স্মৃতির পাতা উল্টে যায় অবলীলায় তা তাৎক্ষনিক বুঝা না হলেও জীবন এক সময় ঠিকই টের পায়।
স্বপন-পারের ডাক শুনেছি
আজ একটা রাজ্য পেলাম।একান্তই আমার নিজস্ব।এখানে আমিই সম্রাজ্ঞী।আমি আমার ইচ্ছে মত,ইচ্ছে ঘুড়ি ওড়াবো আকাশে।স্বপ্নরেণু কুড়িতে কুড়িয়ে গেঁথে ফেলবো শব্দমালা। আহা কি আনন্দ !
নৈঃশব্দরা আজ ভাষা এনে দিল অনেকদিন পর।আমার নিঃসঙ্গ বেদনার গান, অনিশ্চিত অধ্যায় সব জমা করে রাখবো রাজ্যের কোষাগারে।আমি জেনেছি জীবন পোড়াতে জানে যেমন,দিতেও পারে তার চেয়ে ঢের।কে আর বলে কাঙাল আমায় !আমি পেয়েছি স্বপ্নলোকের চাবি।
আজি ওই আকাশ-'পরে সুধায় ভরে আষাঢ়-মেঘের ফাঁক
হৃদয়-মাঝে মধুর বাজে কী উৎসবের শাঁখ।।
একি হাসির বাঁশির তান,একি চোখের জলের গান--
পাই নে দিশে কে জানি সে দিল আমায় ডাক।
পুনশ্চঃ কৃতজ্ঞচিত্তে জানাচ্ছি যে লেখাটির শিরোনাম ও ব্যবহৃত গানটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতবিতান থেকে নেয়া।
মাসব্যাপী কার্ণিভাল ০৫
জনমুখে বাস্তবতা পরিবর্তিত হয়, ক্ষেত্রবিশেষে পুনঃনির্মিত হয়।
ছড়া
ঘর বেঁধেছ নিশ্কলংকপুরে
মন বেঁধেছ বেহদ্দ সাতপাকে
সূর্য্যমামা তোমায় দেখতে গেলে
তার ভাগিনা কাছেপিঠেই থাকে
উঠোন ছিল শর্ত দিয়ে ঘেরা
শর্ত ছিল উপবৃত্তাকার
উপবৃত্তে মজেছে যে তীর
তাকে ফেরায় সাধ্য আছে কার?
আমি থাকি নিস্তরঙ্গপুরে
জীবন থাকে সেমিডাবল খাটে
প্রতিশ্রুত জোৎস্না আসবে বলে
সময় আমার প্রতিক্ষাতে কাটে
মধ্যখানে শর্ত ছিল, আছে
জল ছূয়েছে তোমার চোখের মনি
সে জল আমার ভাগ্যলিপি লেখে:
" উপবৃত্তে তীরের বৈতরনী"
ডাইরী ১১৭
১.
দূরত্ব আসলে কিছু নয়। দূরত্ব আসলে ছদ্মবেশ-অযূহাত। সূর্যের থেকে বহুদূরে থেকেও পুড়েছি অহর্নিশ। আবার তোমার পাশে থেকেও পেয়েছি টের শীতলতা। দূরত্ব কেবল পারে স্মৃতির পসরা সাজাতে-গোছাতে। দূরত্বের মানে তবে স্মৃতির ফ্যাক্টরী...
২.
দূরত্ব ঘোচাতে আমি যতো এগিয়েছি, গন্তব্য ততোই সরেছে সুদূর। আমি একবার মরিচীকা ভেবে এগোতে এগোতে পৌছে গিয়েছিলাম পরীরাজ্যে...ফুল-পাখি-প্রাণীজেরা সেথা মিলেমিশে থাকে। আমি জল ঢালি বৃক্ষের শেকড়ে। বৃক্ষের সাথে আমার দূরত্ব ঘোচে। আমি পরশের ছোয়া দিলে তড়তড়িয়ে বেড়েছে লতা...একদিন গাছ বেয়ে আমি পৌছবো স্মৃতির কাছাকাছি, এমত আশার হাসাহাসি চলে...
৩.
আমার থেকে তুমি
"একটি সড়ক দুর্ঘটনা এবং আমার ছোট ভাইয়ের চলে যাওয়া।"
গত বৃহস্পতিবার দিবা গত রাত ২৮/০১/২০১১ ইং রোজ শুক্রবার যশোর সাগরদাঁড়ির মধুমেলা থেকে ফেরার পথে সতিঘাটা নামক স্থানে এক র্মমান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আমার ছোট ভাই শেখ নাজমুল আহসান (মিশু) নিহত হয়। আমার ভাইয়ের আরও বন্ধু আহত এবং এক বন্ধু নিহত হয়। আমার ভাই যশোর সরকারী এম এম কলেজের অনার্স (একাউন্টিং) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিল।সে কলেজের মেধাবী ও ভাল ছাত্র হিসাবে শিক্ষক ও বন্ধুমহলে পরিচিত ছিল। ঐ দিন রাত ৯ টার দিকে আমার সাথে মোবাইলে কথা হয়। ও আমাকে বলে ওরা ৬-৭ জন বন্ধু একটি প্রাইভেট কার নিয়ে মধু মেলায় গিয়েছে, শুক্র বার সকালে বাড়িতে আসবে।আমার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে মোবাইল রেখে দেয়। হঠাৎ মধ্য রাত ৩টার দিকে আমার বাড়িতে খবর আসে মিশু সড়ক দুর্ঘটনায় পড়েছে। আমার দ্রুত এ্যম্বুলেন্স নিয়ে সতিঘাটা নামক স্থানে পৌছায়। আমরা ওদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পৌছানোর আগেই আমার ভাই এ্যম্বুলেন্স এর ভিতর
কান্তনগরের কান্তগিড় মন্দির।
দিনাজপুরের কান্তগির এ কান্তগির মন্দির। এটা কান্তনগরের কান্তগিরে অবস্থিত। কান্তগির আমি ঠীক জানি না এটা কি ভাবে কান্তজির হলো। রাস্তায় সে সাইনবোর্ড তাও কান্তগীর। অথচ সকল বই বাংলাপিডিয়া সর্বত্র কান্তজীর। কান্তজির নিয়ে আমার আসলে লেখার কিছুই নেই। এর ইতিহাস এক গঠন সবই বাংলা পিডিয়ায় আছে। আমি তাই এখানে দেব শুধু ছবি।



শুভ জন্মদিন মামুন ভাই---
মামুন
ভাইয়ের সাথে পরিচয় আমার বছরখানেকের বেশি সময় ধরে। একবছর একজন মানুষ চেনার জন্যে
যথেষ্ট নয়। আমার জন্যে তো নয়ই। আমি অহরহ মানুষ চিনতে ভুল করি। দৌড়ে গিয়ে যার গলায়
মালা দিয়ে আসি, কিছুখন পরে দেখা যায় সেই লোকই পাথর হাতে আমাকে তাড়া করে ফিরছে।
আমি
একটু আধটু লেখালেখি করি সচলায়তন নামের লেখক সমাবেশে। মামুন ভাইয়ের সাথে আমার পরিচয়
ঐখানেই। একদিন আমার অনুজপ্রতীম সহব্লগার সাইফ অস্থির হয়ে হাঁকডাক শুরু করে দিল
গুগুল টকে।
মাসব্যাপী কার্ণিভাল ০৪
যে ছেলেটা বইয়ের বোঝা নিয়ে যাচ্ছে দোকানে তার পিঠে লেখা ' বই হোক নিত্য সঙ্গী', জনপ্রিয় প্রকাশনীর জনপ্রিয় লেখকের প্রথম মুদ্রনের বোঝা বয়ে সে যাচ্ছে বইমেলা চত্ত্বরের পাশ দিয়ে, বয়েস খুব বেশী হলে ১০ থেকে ১২, পরনের প্যান্টে ময়লা, সোহওয়ার্দি উদ্যানের গাছের পাতা, ময়লা প্লাস্টিক আর কাগজ টোকাতে হয়তো ও, বই মেলার সামনের রাস্তায় ওর বন্ধুরা সবাই কোন না কোন ধান্দায় ঘুরছে, সেও এই বইমেলায় সামিল হয়েছে, রিকশা বই নামিয়ে দেয় দোয়েল চত্ত্বর আর রাজু ভাস্কর্যের কাছে, সেখান থেকে বই বয়ে আনবার ঝক্কি সামলাবে কে, ২০টাকা খরচ করলেই ওরা কেউ না কেউ বইয়ের বোঝা বয়ে দিয়ে যাবে দোকানঅবধি, নুর হোসেন বুকে আর পিঠে গণতন্ত্র মুক্তিপাক শ্লোগান লিখে বিখ্যাত হয়েছিলো, এ ছেলের তেমন রাজভাগ্য নেই, তার বুকের সামনে তবুও বই কিনুন আর পিঠে বই হোক নিত্য সঙ্গী শ্লোগান লেখা থাকলেও এই বাজারে বইয়ের বদলে তার নিত্যসঙ্গী কাগজ আর ময়লা টোকানোর ঝোলা, তবুও স
ওড টু মাই ফ্যামিলি-১
পাড়ার মোড়ের মুদি দোকান থেকে প্রথম একটা সিগারেটের প্যাকেট কিনি যখন তখনও স্কুলে ভর্তি হইনাই। সময় কাল ১৯৮৫র দিকে হবে। এব্যাপারে আমার প্রধান ইন্সিপিরেশন হইলো আমার বাপ। আব্বা একের পর এক সিগারেট খান আর বিশাল গ্রুপ নিয়ে তুমুল রাজনীতি আলোচনা করেনঃ শেখ হাসিনা নির্বাচন করবে কি না, আব্দুর রাজ্জাকের বাকশাল কি করবে, এরশাদের সরকারের পতন কি আসন্ন, ইত্যাদি। মাঝে মাঝে চলে যান ট্যুরে, তার ৩ টা পাঞ্জাবি, ২ টা পায়জামা আর একটা কালো বাটার স্যান্ডেল আছে। সময়ের অভাবে কিনা জানিনা, তবে আব্বার বাটার স্যান্ডেলের পিছনের বকলেস কখনো লাগাননি, ওটাসহ কেমন করে যেন পায়ে গলিয়ে নিতেন। হাতের কালো ব্যাগে থাকতো তার খাতা, সেইভ এর ব্যাগ আর ৪-৫ টা কলম বিভিন্ন রঙয়ের। তো যেদিন আমি সিগারেট কিনে মহাআনন্দে আমার ছোটবোনকে নিয়ে বাড়ী ফিরছি (তখনও ঢাকা শিশুদের জন্য তত অনিরাপদ নয়), আব্বার সাথে দেখা আজিমপুর কলোনির গেটের মুদিদোকান পার হয়ে। উনি আমাদের দেখে রিকশা ভাড়া মিটিয়ে নেমে আমাদের কাছে আসলেন। আমার বোনকে জিগেশ করলেন কি কিনেছে, সে টিকটিকির ডিম নামে একটা ৫০ পয়সার বাক্স দেখালো। আমার দিকে তাকাতেই আমি গা মুঁচড়ায়ে গাঁইগুঁই করা
মধ্যরাতের চা খাওয়া
রাত এগারোটারও বেশি বাজে। বাবা খেয়ে ঘুমিয়ে গেছেন। বাসায় জেগে আছি আমরা তিন জন। টিভিতে তেমন কোন জমজমাট প্রোগ্রাম নেই। তিনজনেই আমার রুমে বসে আড্ডা দিচ্ছি। কাজের মেয়েটা ড্রইংরুমে বসে টিভি দেখছে। ঘুমােত যেতে বলা হয়েছে তাকে। চোখে ঘুম, অথচ ঘুমাতে যাচ্ছে না। এই এক সমস্যা কাজের মানুষদের নিয়ে। যতক্ষণ টিভি চলবে, সুযোগ পেলে ততক্ষণ টিভি দেখবে। দেখুকগে...
আমার যাদুমনি (২)
একটা মেয়ে "মা" হওয়ার পর তার বোন এর কাছ থেকে যে সাহায্য পায়, তা মনেহয় দুনিয়ার অন্য কাউকে দিয়ে পূরন যোগ্য না। কিন্তু আমি ছোট বোন হয়ে আমার বড় বোন'কে সেই সাহায্য'টুকু করতে পারিনি। কারন, আমার বোন আর আমি প্রায় একই সময়ে মা হয়েছি। ঋহানের ১৫ দিন পর, ১৬ দিন এর দিন আমার বড় বোনের মেয়ে নোরা'র আগমন।
যাকগে, আসল কথা সেটা না। আসল কথা হচ্ছে, এই ঋহান আর নোরা যখন আরেকটু বড় হবে, তখন তারা একসাথে হলে যে কি কি করবে, সেটা ভাবলে এখনই চোখে সরষে ফুল দেখি! 
কেন?
তাহলে আপনারাও দেখুন তাদের এক ঝলক......

Nora: এই যে ভাইয়াটা দেখি ঠিক মত বসতেও পারে না, খালি পড়ে যায় 

হ-য-ব-র-ল
ব্লগে খুব বেশী আসা হয়না ইদানিং , মাঝে মাঝে আসি তাও অফলাইনে। কেন জানি কমেন্টও করতে ইচ্ছা হয়না ।
আবার মাঝে কিছুদিন ছিলাম চট্টগ্রামে, অফিসের কাজে।
মীরপুরে এখন সাজ সাজ রব । আর্মির লোকজন উন্নয়নের কাজ তত্ত্বাবধান করছে, রাস্তা গুলো কার্পেটিং করা হচ্ছে , অবশ্য যদিও দেখে মনে হচ্ছে না যে নতুন কার্পেটিং করা। আশা করা যায় বিশ্বকাপ পর্যন্ত এগুলো ঠিক থাকবে।
ফুটপাত গুলো ঠিক করা হয়েছে, অনেক আগেই ফুটপাত থেকে হকারদের উচ্ছেদ করা হয়েছে । মাঝে আইল্যান্ড গুলো তে সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ চলছে , রাস্তার খানিকটা দখল করে সেখানে সৌন্দর্য বর্ধনের উপকরন ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা। রাস্তায় বাঁধছে জ্যাম । স্টেডিয়াম থেকে ক্যামেরা যতদূর যাবে সম্ভবতঃ ততদূর পর্যন্ত ঠিক ঠাক করা হচ্ছে। কারন মীরপুর ১১-১২ নম্বরের অবস্থা আগের মতই । এদিকে ক্যামেরা আসবে না , বিদেশী মেহমানরা আসবেন না ধরেই নিয়েছে সরকার।