ইউজার লগইন
ব্লগ
আপডেট : এবি'র পিকনিক ২০১০
ইতোমধ্যে এবির পিকনিকের সব প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মাসুম ভাই একটা স্পট যোগাড় করে দিয়েছেন। তারে আমরা এবিবাসী সবাই থ্যাংকু জানাই। গাড়ীর সাথে কথা হয়েছে। বাবুর্চির কাছ থেকে মেন্যুর হিসাব নেয়ার পাশাপাশি বাবুর্চির শিডিউল নেয়া হয়েছে। পিঠাওয়ালার সিডিউলও নেয়া হয়েছে। তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ফাইনাল করা হয়েছে। তাইলে আর কী কী বাদ রইলো ? সবার চাঁদা দেয়াটা। সে ব্যাপারে সর্বসম্মতিতে আমরা ১৭ ডিসেম্বর ছবির হাটে আড্ডাবো আর চাঁদা সংগ্রহ করবো। এ যাবৎ যারা যাবেন বলে নিশ্চিত করেছেন, তাদের মধ্যে আছেন :
মনে হয় প্রতীক্ষা.......
আজকাল ভালো লাগে না কিছু...
বুঝি না হায় ;
মনটা ছুটছে কিসের পিছু..!!
ভাবনাগুলো লাগামহীন ,
চলছে ছুটে অন্তহীন।
না খুঁজে পেয়ে গন্তব্য,,,
মুষড়ে পরে যত্রৎত্র..।
শুধু জানি ভাবনাগুলো রঙীন;
বসবাস তাদের মনের গহীন।
কখনোবা ভাসতে থাকে বেলুন হয়ে..
আকাশ----সীমাহীন....।
হঠাৎ কোথা হতে..
আসে উড়ে এক তীর !!
বেগ যার তীব্র ;
বেলুনগুলো সব কল্পনার
করে দেয় ছিদ্র ..।
এরই নাম তবে রিয়্যালিটী ..
যেখানে সমাপ্ত সকল ফ্যন্টাসী !!
আমি নেমে আসি..
আকাশ হতে মাটিতে ।
আবারো হেঁটে চলা ,
সেই একি পথে ;
যারে আমি পারিনা এড়াতে...।।
বন্ধু আমার-৩
কন্নিচুয়া,
সাতি সান দেসু কা?
আমরা কি ভেতরে আসতে পারি?
স্বাতীর বিস্তর যুদ্ধ করতে হয়, নিজেকে সামাল দেবার জন্য। কাঁপা হাতে স্বল্প ভেঁজানো দরোজাটা মেলে ধরে। সাদা পোশাকে নয়, রিতীমত কেজো পোশাকের দুজন কপ দাঁড়িয়ে।
সরু চেহারার নারীটাকে, কিছুতেই পুলিশ বলে মানতে ইচ্ছা করেনা। ওকে দেখে ক্লাস টেনের গার্ল'স গাইডদের কথা মনে পড়ে যায়।
-হাই দোজো, স্বাতী দরোজা থেকে সরে দাঁড়িয়ে ঘরে ঢুকবার জায়গা করে দেয়।
দুজন হাসি হাসি মুখে, খুবই আদবের সঙ্গে ঘরে ঢোকে। চেহারা দেখলে মনে হয়, স্বাতীকে অসময়ে বিরক্ত করার জন্য মরমে মরে যাচ্ছে।
স্বাতী ৫ সেকেন্ড অটোসাজেশন দেয় নিজেকে।
"স্বাতী কিছুতেই প্যানিকড হয়ো না। নিজেকে সামলাও কোন ভুল করোনা। তোমার যাবতীয় ট্রেনিং কাজে লাগাও। আজ তোমার পরীক্ষা। দেখা যাক তোমার নার্ভের জোর।"
ভীষন কষ্টে, এক চিলতে হাসি ঠোঁটে ফুটিয়ে স্বাতী জিজ্ঞাসা করে, আমি তোমাদের কি সাহায্যে আসতে পারি?
গল্প: লিহীন
রওশনের মতো বুনো আর হিংস্র মনের ছেলে এ পৃথিবীতে অনেক কম জন্মেছে। যারা জন্মেছে তাদের বেঁচে থাকা সবসময়ই মানুষকে কষ্ট দিয়েছে, কলুষিত করেছে এবং সবশেষে মানুষ বাধ্য হয়েছে তাদের প্রতি নিষ্ঠুর হতে। এদেরকে মানুষের জন্য দুর্ভাগ্যের নিমিত্ত হয়ে পৃথিবীতে আসা একধরনের প্রাণী হয়তো বলা যায় কিন্তু মানুষ বলা যায় না। প্রকৃতি নিজের কোনো এক অদ্ভুত খেয়ালেই এদেরকে মানুষ বানিয়ে পাঠায় না।
চট্টগ্রাম শহরে সিডিএ বলে একটা এলাকা আছে। সেটার ১২ নম্বর রোডের একদম শেষ মাথায় রওশনদের বাড়ি। জায়গাটা খুব ঘিঞ্জিমতো, যেখানে ওদের বাড়ির পাশ দিয়েই চলে গেছে শহরের বড় বড় স্যূয়ারেজ ড্রেনগুলোর একটি। সেটাকে ওরা বড় নালা বলে।
ভালবাসা
চারটি ধ্বনির মিলনে তোমার অমোঘ উৎপত্তি
সীমাহীন আকাশের কোলজুড়ে তোমার আবির্ভাব
তোমার সাহচর্যে সিন্ধুগর্ভে ফোটে যত আশ্চর্য কুসুম
রহস্যের অতীন্দ্রিয় ইন্দ্রজাল বোনা নর-নারীর হৃদয়ে
উন্মাদ বিলাসী খেলা খেলে তোমারই আনন্দভৈরবী
তবেই চৈতন্য ঘটে নিঃসঙ্গ রক্তমাংসের এই অধম কবির।
আজও প্রত্যেক নর তার নারীকে স্পর্শ করে তোমার বাহুডোরে
যেন জোয়ার-ভাটার সন্ধি নদীবক্ষে উল্লসিত ভাবচ্ছবি
আলিঙ্গনে সৃষ্টি হয় নতুন পাহাড়ে সদ্য তোলা কুটিরের
পলিসিক্ত মাঠে রচিত হয় কোন অলৌকিক সাঁকোর
তোমার অমর রূপের প্রখর আবেগে বিশ্ব হারায় দিশা
ভেসে চলে হাস্যচপল পানসী তোমারই ঢেউয়ে ঢেউয়ে
তখনই চৈতন্য ঘটে নিঃসঙ্গ রক্তমাংসের এই অধম কবির।
তুমি সারাজীবন থেকেছ আমার কাছে অপরিচিত
তোমাকে দেখেছি আমি সবসময় অন্য নরনারীর হৃদয়ে
দেব-দেবীর মত পূজা কর তুমি তাদের
শুধু আমাকেই করেছ তুমি চিরকাল অবহেলা
সারাজীবন নাগালের বাইরেই রয়ে গেলে তুমি
ভালো মানুষ
১৯৭০ সাল । ফেব্রুয়ারি বা মার্চ মাস । অনেকদিন পরে দেশে সাধারণ নির্বাচন নিয়ে জোরেসোরে আলোচনা চলছে । কে কোন দলকে বা কেমন প্রার্থীকে ভোট দেবে সর্বত্রই সে আলাপ জোরদার হচ্ছে ক্রমশ । নির্বাচন নিয়ে জল্পনা-কল্পনার ধরাবাঁধা নিয়ম নেই । সাধারণ নির্বাচনের ওয়াদা ইয়াহিয়া খানের ধাপ্পাবাজী কিনা তা নিয়েও নানান কথাবার্তা হচ্ছে । লেখাপড়ার পাট চুকিয়ে গ্রামের বাড়ীতে বেকার জীবন কাটাচ্ছি । লেখাপড়ার চাপ নেই, চিন্তাও নেই । বাড়ীতে খাই, আর সারাদিন বাইরে বাইরে টোটো কোম্পানির ম্যানেজারী করে বেড়াই ।
কালচার কথা
লিওপোল্ড’এর লালচে আলো মাখা সন্ধ্যের আঁচ, আধ ঘন্টার মধ্যে যেকোনো মগজে ঝিম নামিয়ে দিতে পারে, মাতাল সহকর্মীগুলোর সঙ্গে মুম্বাই’এর এই পান-তীর্থে এসে বুঝলাম যে কলকাতার দিবাকর সান্যালের জাজমেন্টটা নেহাত ফালতু নয়। টেবিলে সহকর্মীদের এক ঘেয়ে এলকহোলিক আড্ডাবাজি থেকে উঠে এসে, বার ঘেঁষে একটা আরাম-টুলে বসলুম। গেলাসে মন দেব, এমন সময় কাটোয়া লোকাল ছাপ চাহিদা ভেসে এলো; “দাদা দেশলাই আছে?”।
পকেট থেকে দেশলাই বের করে দিতে গিয়ে দেখলাম রঙ চঙে বুশ শার্ট পর এক মধ্য বয়স্ক ভদ্রলোক।
-“বুঝলেন কি করে যে আমি বাঙালি?”, জানতে চাইলাম।
-“জনি ওয়াকারে যে ভাবে হাড়-হাভাতের মত চুমুক লাগলেন তাতেই সন্দেহ হয়েছিল, আর এই মাত্র যে রজনীকান্ত গুনগুণ করছিলেন সেটা ট্র্যাক করে ফেলেছি”, ভদ্রলোক দেশলাই ফেরত দিতে গিয়ে জানালেন, “কানটা আমার বেশ শার্প বুঝলেন”।
-“শার্প শুধু না, সুপার শার্প”
আবারও পেচ্ছাপেচ্ছি
১.
অফিসে আমি ভদ্রলোক। কিন্তু নিষ্ঠুর এই পাপিষ্ট সমাজে ভদ্রলোক হইয়া থাকাটা মুশকিল। সব অফিসের মতো আমার অফিসেও একটা ক্যান্টিন আছে। সেইখানে চা-কফি বিক্রি হয়। ফলে পানি গরম হইতেই থাকে। যে বিল্ডিং-এ পানি গরম হয় সেইখানে ভদ্রলুক হইয়া থাকাটাই নিয়ম।
আমার অফিসের দুষ্ট ছেলেরা নানা বিষয় নিয়ে গল্প করে। এর মধ্যে সবচয়ে চরম মিথ্যা গল্পটা হইল অফিসে নাকি আমার সঙ্গে দেখা করতে কখনোই কোনো ছেলে আসে না (আমার বাড়ি বরিশাল, চিটাগং না)। দুষ্ট ছেলেরা বলে আমার কাছে নাকি সবসময় মেয়েরাই দেখা করতে আসে, তাও আবার সুন্দরী টাইপ মেয়ে (ইয়ে মানে জয়িতা ও জেবীন কি কখনো আমার অফিসে আসছিলা?)।
স্মৃতির আকাশ
স্মৃতির আকাশ
তাহমীদ আবরার
বহুদিন হয় দেখিনা চন্দ্রিমা-তারা ভরা রাত
ভোরের স্নিগ্ধতা কিংবা নীলাকাশে-
মুক্ত হাওয়ায় উড়ন্ত পাখির ডানা,
ভালো লাগার কিছুই দেখিনা এখন আর
পাখির কুঞ্জন, চাঁদের হাসি, নদীর কলতান
আগের মতো কিছুই দেখিনা... এখন আর।
অন্ধকার ধোঁয়াতে আবরণের ভীতর
এখন আমার বসবাস,
আমার শ্বাস-প্রশ্বাসে জটিলতার কমান্ড দেখতে পাই
প্রায়শই দেখতে পাই আমার আত্মার মৃত্যু, জ্বলন্ত লাশ
লাশের গন্ধ ইত্যাদি।
কারণ তুমি ছিলে, এখন আর নেই
তুমি নেই বলেই আমার সাজানো উদ্যানে
দখিনা হাওয়ায় পাপড়ি মেলে-
দোল খায়না ফুলকনেরা। এখন তারাও
নিস্তব্ধ, নিবর। বাগানে ভ্রমর আসেনা, আসেনা ফুলপরীরাও,
বসন্তের কোকিলও গান ছেড়ে
কান্নাররোল ধরেছে;
কারণ একটাই, তুমি নেই।
তবে হ্যা, মাঝে মধ্যে আমার স্মৃতির আকাশে
ভেসে ওঠো, আর ভেসে ওঠা থেকেই স্বপ্নের বীজ বুনি,
বীজ অঙ্করিত হয়, পাতা মেলে। অবশেষে আবার
~:: একটি জরুরি নোটিশ ::~
আপনাদের প্রিয় আমরা বন্ধু ব্লগ সাইটটি সার্ভার মেনটেইনেন্সের জন্য বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী আজ দুপুর ১২:০০ ঘটিকা থেকে বেলা ০২:০০ ঘটিকার মধ্যে প্রায় ৩০ মিনিট দেখা যাবে না। হোস্টিং কোম্পানির নিয়মিত চেকাপ এবং সাইটের রক্ষনাবেক্ষনের জন্য আমাদের মাঝে মাঝে কিছুটার অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়।
সাময়িক এই অসুবিধার জন্য বন্ধুদের কাছে আমরা দু:খ প্রকাশ করছি।
আমরা বন্ধু টিম
পুরানো সেই দিনের কথা-৪
বছর বিশেক আগে এই ডিসেম্বর মাস আসলে মনে হতো কত কি জয় করে ফেলেছি।স্কুলের ফাইনাল পরীক্ষা শেষ।সন্ধ্যার পর টিভি দেখলে আব্বা আম্মা কিছু বলতো না।আর তক্কে তক্কে থাকতাম বড় মামা কবে গ্রামে যাবে।গেলেই তার পিছু নিতাম আমাকেও নিয়ে যেতে হবে।
গ্রামে যাওয়ার আগের রাতে কেন জানি আমার ঘুম হতো না টেনশনে।সারারাত গ্রামের ভাষা প্র্যাক্টিস করতাম এই যেমন গোসল করাকে ‘নাইতে’ রাস্তা কে ‘হালুট’ বাজারকে ‘হাটখোলা’ মুড়ি কে ‘উরুম’ বলতে হবে।যাওয়ার সময় আম্মার কড়া বারণ থাকতো রোদে বেশী ঘুরাঘুরি আর নদীতে বেশীক্ষন গোসল করা যাবে না।আমি শুধু মাথা ক্যাত করে বলতাম আচ্ছা ঠিক আছে আর মনে মনে বলতাম খালি গিয়ে নেই।
ভার্যাপতি যোগ
আজ সকাল থেকেই বাতাসে শীতের ধূলো উড়ছে,
সেই ধূলোর মধ্যে কি মানুষের অবয়ব তৈ্রি হয়?
তা নাহলে হায়, সেই ধূলো কেন তৈ্রি করছে তোমার মুখশ্রী?
কপালে লাল টিপের সাথে হালকা লাল ঠোঁট,
গলায় ছোপ ছোপ সুগন্ধি পাউডার যেন গ্রাম্যতা এনে দিয়েছে তোমাকে,
সেই সরলতায় খোঁপাভরা শিউলি ফুল আমাকে আমন্ত্রন জানায়;
আহ্, এবার আমায় পাগল কইবে পাড়ার লোকে,
নিন্দের সাথে তোমার সখীর হিংসে জুটবে কপালে;
তাই চুপচাপ রাতের অপেক্ষায় বসে থাকি,
ভালবাসার মাঝখানে হঠাৎই শরীরটা জীবন্ত হয়ে উঠে,
কামুক প্রেমিক হয়েও, তখন আর লজ্জা অনুভব করি না।।
অহনার অজানা যাত্রা (আট)
ভিন দেশে অচেনা পরিবেশে স্বল্প পরিচিত একটা ছেলের সাথে জীবন কাটানো অহনার জন্য সব সময় সোজা ছিলো না। একবার এখানের অনেক কিছু চিনেছি বুঝেছি ভেবে মানসিক যে শক্তি সে অর্জন করতো পর মুর্হূতেই অন্য একটা ঘটনায় সেটা উবে যেতো। আশা নিরাশার দোলায় সে দুলতো সারাবেলা। ছোটখাটো অনেক ঘটনা, যেগুলো বিশ্লেষন করলে কোন যুক্তিতেই হয়তো গুরুতর নয় কিন্তু সেগুলোও সে সময় মনে প্রচন্ড প্রভাব ফেলতে লাগলো। যার কারনে অনেক সময় আপাতঃ সামান্য ব্যাপারেও অহনা অনেক অস্বাভাবিক আর তার স্বভাবের চেয়ে অনেক বেশি রুক্ষ আচরন করে বসতো। একবার অহনা বাসে করে স্কুলে যাচ্ছিলো। বাসে খুব আনমনা ছিলো সে। বাসের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে নিজের মনে আকাশ পাতাল সব ভেবে যাচ্ছিলো। যখন লক্ষ্য করলো তখন দেখলো বাস এক অজানা জায়গা দিয়ে যাচ্ছে। ভয় পেয়ে অহনা পরের স্টপেজে নেমে, রাস্তার পাশের ফোন বুথ থেকে প্রায় কাঁদতে কাঁদতে অর্নকে ফোন করে বললো, “আমি হারিয়ে গিয়েছি, আম
ভ্রমণ অভ্রমণের গল্প
চলো, একদিন দূরে কোথাও বেড়াতে যাবো।
.
না। ট্যুর, ট্রিপ, পিকনিক..... এসব না। এই সব প্রতিবছরই কোন না কোনভাবে হয়। কিন্তু তৃপ্তি হয় না। যেখানেই যাই মনে হয় বিয়ে বাড়ীতে নিমন্ত্রন খাচ্ছি। সেই একই ভ্রমন, একই পথে একই যাত্রা, চেনা রেস্তোঁরায় চেনা খাওয়া, চেনা হোটেলের চেনা বিছানায় ঘুমানো, চেনা সমুদ্রের চেনা ঢেউ গোনা, চেনা পাহাড়ের চেনা কুয়াশার ঘ্রান নেয়া।
.
বন্ধু আমার-২
![images[47].jpg](/sites/default/files/users/anamika/images%5B47%5D.jpg)
কারিনার রুম থেকে বেরিয়ে স্বাতী একছুটে করিডোর টা পেরিয়ে - ড্রাইভ ওয়েতে নেমে এলো। একই কম্পাউন্ডের মধ্যে বেশ কয়েকটা এপার্টমেনট। হাতের বাম দিকের এপার্টমেন্টটায় ওদের এ্যানোনিমাস কাউন্সেলিং রুম, কিন্তু সংশ্লষ্ট ব্যাক্তিরা ছাড়া কেউ জানে না। এমন কি এপার্টমেন্টের বাসিন্দারাও না। খুব কঠিনভাবে এর গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়।
এম্নিতে এপার্টমেন্টের বাযার আছে। কল বাটনে ২০৩ তিন চাপলেই, যে কোন কর্মী এসে খুলে দেয়। কিন্তু আজকের ব্যাপারটা ভিন্ন। আজকের সকালের শিফট টা ওরই। অন্য কেউ এ সময় থাকার কথা না।
কেউ না থাকলে, এপার্টমেন্টে ঢুকতে হয় অন্য ভাবে।