ইউজার লগইন
ব্লগ
আতঙ্কের বাজারে বুঝেশুনে পা ফেলুন
গৌরী সেন ছিলেন ১৭-১৮ শতকের সুবর্ণবণিক সম্প্রদায়ের একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। নানাভাবে তিনি বিপদগ্রস্ত মানুষকে অর্থসাহায্য করতেন। সেই থেকে বলা হয়, ‘লাগে টাকা, দেবে গৌরী সেন’।
জীবনের জন্য প্রয়োজন সঞ্চয়। একটা সময় ছিল, অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য কিছু অর্থ রাখতেই হতো। আর এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের পাশাপাশি যোগ হয়েছে বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্যের আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু এখন আর গৌরী সেন নেই। তবে অর্থ প্রয়োজন। কে দেবে অর্থ?
ছবি রি-সাইজ করুন প্রান খুলে!
আমি একটা বিষয় লক্ষ্য করেছি, আমাদের অনেক ব্লগার ছবি সাইজ ঠিক করতে পারছেন না। একই পোষ্টে নানা সাইজের ছবি দিয়ে তিনি নিজে যেমন লজ্জা (!) পাচ্ছেন তেমনি আমাদেরও চোখের ১২টা (!) বেজে যাচ্ছে। নানা সময় নানা ব্লগার এ ব্যাপারে জানতে চান, কি করে ছবি রিসাইজ করে সুন্দর করে ছবি পোষ্ট দেয়া যায়। গতকাল এমনি আমাদের এক ছোটবোন এমনি একটা আকুতি জানিয়েছিলেন।
ছবি রিসাইজ/ ছবির ফরমেট পরিবর্তনের নানা সফটওয়্যার এ দুনিয়াতে আছে। ফ্রীতে কিংবা টাকা দিয়ে কেনা যায়। তবে আমি যেহেতু সহজ অপারেট, টাইম সেইভ এবং টাকা নিয়ে মাথা ঘামাই তাই আজ আপনাদের আমি এমন একটি রিসাইজ ও রিফরমেট করার সফটওয়্যারের খোজ দিব (অন্য ভার্সান টাকা দিয়ে কিনতে হয়)। এই ভার্সানটি/ ইঞ্জিনটা ফ্রী! যা আমি অনেক দিন ব্যবহার করে উপকার পেয়েছি! আপনিও উপকার পেতে পারেন। তবে উপকার পেয়ে আমাকে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না।
যৌন হয়রানি ও ইত্যাদি বিষয়ক বিচ্ছিন্ন ভাবনা (প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য)
ইদানিং ইভ টিজিং-যৌন হয়রানি -ধর্ষণ নিয়ে মানুষের সচেতনতা বেড়েছে। সম্ভবত ইভটিজিংএর মাত্রাও অনেক বেড়েছে।।।
ধর্ষণ যৌনতা নয়, সন্ত্রাস (খানিকটা বিকারও)। সেখানে মেয়েদের পোশাক ভূমিকা রাখে সেটা মনে করিনা। ছেলে শিশু কিশোররা কেন ধর্ষণ/যৌন হয়রানির শিকার হয়? এখানে পোশাকের কি ভূমিকা? আমি আমেরিকার একটা কলেজ টাউনে ২ বছর ছিলাম। ওখানে শর্টস পরা একটা মেয়ে রাত ২টায় নিরাপদে একা হাঁটতে পারে। ঢাকায় কি হিজাব/বোরকা পরেও পারে? পশচিমা দেশে সীবিচ গুলোতে কি ধর্ষণ -ইভ টিজিং অনেক বেশী? মনে হয় না।
নারায়ণগন্জে একটা মেয়ে (সিমি নাম মনে হয়) সিরিয়াস ইভটিজিংএর শিকার হলো। থানার ওসি বললো তোমার মত মেয়ের আত্নহত্যা করা উচিত। পুলিশই যদি এমন হয় তাহলে ইভ টিজিং না হওয়াটাই তো খবর।
সেক্স, লাইজ এ্যান্ড ভিডিও টেপ...
খেরোখাতা থেকে-১
ভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার পর পাখা গজিয়েছিল স্বাভাবিক। ক্যান্টনে বসে গরম গরম কথা বলতাম, এক সপ্তাহের মধ্যে মুরগী হিসেবে বড় ভাইদের চোখে পড়ে গেলাম, সেশনাল থেকে বের হওয়ার পথে গুঞ্জনদা (তখন চিনতাম না) পথ আটকে বলল, নর্থ হল-২০২ এ লাঞ্চের পর আসতে। বুঝলাম rag দিতেই ডাকছে, ভাব দেখায়া গেলাম না, মনে ভাব না গেলে করব কি আমারে। পরের দিন দেখি গ্যালারির জানালায় (শুরুর দিকে ওখানেই ক্লাস হত আমাদের) গুঞ্জনদা মনের সুখে বিড়িতে সুখটান দিচ্ছে। আমি এড়িয়ে যেতে চাইলাম, কিন্তু মুরগী পাহারা দেয়া শিয়ালের থেকে পালানো কি এতই সহজ। আমারে ধইরাই ঝাড়ি কালকে আসি নাই কেন? আগরতলা চৌকির তলা অনেক কিছুই দেখানো হইল। হাল্কা ভয় যে পাচ্ছিলাম না তাও না, ঠিক করলাম আজকে যাব, যা হয় হবে।
একখানি ক্রিয়া পদ দিয়ে
আমাদের বাসায় একজন হাফ বিদেশিনী থাকেন। গায়ের রঙ, খাওয়া – দাওয়া সবই দেশি শুধু মুখ খুললে সমস্যা। তার বাবা মায়ের মাতৃভাষা বাংলা হলেও তার জন্য এটি দ্বিতীয় ভাষা। তিনি তার পছন্দের ভাষাতেই কর কর করতে চান কিন্তু মায়ের আবার বাংলা বাংলা বাতিক আছে। তাই বাসায় রফা হয়েছে, বাবার সাথে অন্য ভাষার চর্চা চললেও মায়ের সাথে শুধু বাংলা আর বাংলা। সর্বস্তরে বাংলা ভাষার চর্চা করতে মা বদ্ধপরিকর। তিনিও কম যান না। একখানা ক্রিয়া পদ ব্যবহার করে তিনি সর্ব ধরনের বাংলা ভাষা ম্যানেজ করে ফেলছেন। তার সাথে থেকে থেকে তার মা, খালা, মামা সবার বাংলা বলার ধরন পালটে যাচ্ছে। নিজে থেকে ডাচকে বাংলায় ভাষান্তর দিয়ে তিনি আজব কিছু বাক্যও গঠন করেন। যেমনঃ স্কুলের বন্ধুর জন্মদিনে গিয়েছেন তিনি। ফিরে এসে বলছেন, মা এভির আম্মু আমাকে অনেক সুন্দর পেলো। কেউ কিছু দিলে, আন্টির জন্য এটা আমি পেতে পারলাম।
উইকিলিক্স প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান আসাঞ্জকে সালাম জানাই।
উইকিলিক্স প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান আসাঞ্জ। গত কদিন ধরে তার খবরা খররের উপর নজর রাখছিলাম। নানা ধরনের নিউজ পড়ছিলাম। জুলিয়ান আসাঞ্জ’র নানা টাইপের ছবি দেখছিলাম। সারা দুনিয়া থেকে নানা মানুষ তার কাছে টাকা পাঠাছিল বলে তার অনেক ব্যাংক একাউন্টও বন্দ করা হয়েছে। গতকাল ইন্টারপোল অবশেষে সমঝোতার ভিত্তিতে (!) তাকে আদালতে নিল। ইংল্যান্ডের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ২০ হাজার পাউন্ডের বদলে তার জামিন চেয়েছিল। আদালত তাকে জামিন না দিয়ে ৭ দিনের রিমান্ড দিল। সুইডেনে তার বিরুদ্দে দুই নারী অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ নামা পড়ে আমার হাসি পেয়েছিল। জুলিয়ান আসাঞ্জ শুধু চেষ্টা করেছিলেন মাত্র! জুলিয়ান আসাঞ্জ’র বিরুদ্দে আসলে এটা ফালতু অভিযোগ বলে মনে হয় কিন্তু ওরা এটাই সত্য বলেই প্রমান করে ফেলবে হয়ত। এই সাহসী বীরের জন্য আমার হ্রদয়ে একটা মায়া জমে গেছে।
প্রেম বা ভাঙনের গল্প (অনুগল্প)
কারও হৃদয় কখনও যদি প্রেম শূন্য হয় তখন সে বেঁচে থাকে কিভাবে?
এ প্রশ্নটি করেছিল অনিল, হেমাকে।
বেঁচে থাকে, থাকে মৃত শহরের মতন..........হেমার হালকা জবাব ছিল।
সত্যি......... বলেছ বেশ, মৃত শহরের মত, যা কিনা অন্তসারশূন্য। অনিল কথাটি এমনিই বলেছিল আর হেসেছিল হেমা।
হৃদয় কখনও প্রেমশূন্য হয় তা ছিল অচিন্তনীয়। হেমা হাটত, অনিলও পাশাপাশি। বহুদূর বহুক্ষন ধরে তারা হেটে যেত। বৈশাখের উদাস হাওয়া থেকে বসন্তের কচি ঘাস মাড়িয়ে তারা হাটত।। অনিল কখনও হঠাৎ চমকে উঠত হেমার হাত হারিয়ে। হেমার হাতে তখন হয়তো বকুল বা শিউলী।
সে ফুল একটু পরে অবহেলায় মাটিতে, সে হাত অনিলের হাতে।
এভাবে কত সোনারঙা দিন যে তাদের আবেশে কেটে গেছে। কত কিছু তখন তুচ্ছ মনে হত এই ভাবে দিনযাপনের পাশে। ক্লাশের পড়া, বন্ধুত্বের উষ্ণ আবাহন, জ্বরা ব্যাধি সব, সব কিছুই তুচ্ছ মনে হত তখন। শুধু যেন হেটে চলা, দুজনে পাশাপাশি।
ক্ষুদ্র ঋণ : তুলো ধুনো ড: ইউনুস
সপ্তাহ জুড়েই বাংলাদেশে গ্রামীন ব্যাংক এবং মাইক্রোক্রেডিট হট আইটেম। কি চায়ের কাপে, কি পত্রিকার কলামে, অথবা কোন সাংবাদিক সম্মেলনে। তুলোধুনা মাইক্রোক্রেডিট। ক্ষুদ্রঋণ আজ সুদের ব্যবসা হিসেবে আখ্যায়িত। এটা কিন্তু বদরুদ্দিন ওমর অথবা আনু মোহাম্মদ এর বক্তব্য নয়
... কারো সাথে মিলে গেলে সেটা একেবারেই কাকতালীয় 
কয়েক দিন আগেই ক্ষুদ্র ঋণ মেলার আয়োজন সফল ভাবে সম্পন্ন হলো সরকারের অঙ্গসংগঠন পিকেএসএফ এর উদ্যোগে। সেখানে পিকেএসএফ এর চেয়ারম্যান ইউনুসকে বাদ দিয়ে দলীয় আনুগত্যে নিয়োগ পাওয়া বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ জনাব খলিকুজ্জামানকে নিয়োগ দিয়ে তাকে দিয়ে যথারীতি উদ্বোধন ও সমাপনী অনুষ্ঠানে আসন অলংকৃত করালেন। ঘটনা এটা না... জনাব খলিকুজ্জামান মাইক্রোক্রেডিটের বিপক্ষের লোক.. লাইক বদরুদ্দিন ওমর। ক্ষুদ্রঋণের সহায়ক সংস্থা হয়ে সেই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হয়ে সেই সংস্থার বিরোধিতা কি ডাবল স্ট্যান্ডার্ড হয়?
অনিকেত... ২
ফ্রিজ খুলে চিন্তা করছিলাম তাড়াতাড়ি করে কি বানানো যায়। গত সপ্তাহে বাজার করেছি, কয়েক পদের সবজি আর ডিম ছাড়া তেমন কিছু নেইও ফ্রিজে। ডিম পরোটা আর কুঁচনো সালাদ বানাবো ঠিক করলাম, খুব বেশি সময় লাগবেনা তাতে। জলদি করে দুটো ডিম ভেংগে নিয়ে পেঁয়াজ আর মরিচ কুঁচি মিশিয়ে নিলাম, রেডিমেড পরোটা ছিলো ফ্রিজে। বের করে আনার সময় ভাবছিলাম জীবনকে কতো সহজ করে ফেলার চেষ্টায় থাকি আমরা। অথচ জীবনটা ভীষণ হতচ্ছাড়া! ঠিকই জটিলতায় ঘুরপাক খেতে থাকে আপন মনে। ডিম পরোটা ভেজে তুলবার ফাঁকে ফাঁকে শসা, আর টমেটো কুঁচিয়ে নিয়ে সাথে কাঁচামরিচ আর ধনেপাতা দিয়ে সালাদ বানিয়ে ফেললাম চটপট। টেবিলে সব তৈরী করে রেখে মাহফুজকে ডাক দিলাম। মাহফুজ এর মধ্যে বাইরের কাপড় পাল্টে নিয়েছে। জানিনা কেন, আজ হঠাৎ মাহফুজকে দেখে মনে হচ্ছিলো অনেকদিন আমি ওকে তেমন করে খেয়াল করিনি, বড্ড ক্লান্ত দেখাচ্ছিলো আজ ওকে।
আমার সেই বন্ধুর সরল স্বীকারোক্তি - ৩
মাঝে মাঝে অনেক বেশি ঝগড়া হতো, কিন্তু তারপর আবার দেখা হলেই সব ঠিক। রেস্টুরেন্টে খুব কাছাকাছি বসে যখন ওর গালে হাত দিতাম তাতেই ওর সব রাগ ঠান্ডা। এভাবে কেটে গেল তিনটি বছর। মাঝে মাঝে রাত জেগে বন্ধুদের সাথে কার্ড খেলার খুব নেশা ছিল আমার, সাথে হাল্কা দেশী কিংবা বার পকেটের অবস্থা বুঝে বিদেশী রঙ্গীন পানীয়।
মেরুদন্ডের ভিসকসিটি বা সিঁড়ি বেয়ে উঠার গল্প
আমাদের মেরুদন্ড চা'য়ে ভেজানো এনার্জি প্লাস বিস্কুট হয়ে উঠতে থাকে, আর আমরা দিন দিন বাঁকা হয়ে যাই। আমাদের পায়ের নিচে মাটি অবশ্য শক্তইতথাকে। তার উপর ইট-বালু পড়ে, পিচ কিংবা কংক্রীট ঢালাই হয়। শক্ত মাটিতে আমরা মাথা নীচু করে দাঁড়িয়ে থাকি। সিঁড়িবাজ মানসুর, আমাদের অর্ধতরল কশেরুকাগুলো দিয়ে তার সিঁড়ির ডেকোরেশন করে। আমরা তখন ঘেসো জমি থেকে কেলে ভুতদের শ্যাওড়া গাছ কেড়ে নিতে ব্যাস্ত থাকি।
রাজনীতির রঙ্গ
দু’জন বৃটিশ এক হলে নাকি আবহাওয়া নিয়ে আলাপ শুরু করেন। দু’জন ফরাসী এক হলে শিল্প-সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনায় করেন। দুজন আমেরিকান এক হলে মশগুল হয়ে পড়েন শেয়ার মার্কেট নিয়ে। আর দু’জন বাঙ্গালী এক হলে নির্ঘাত রাজনীতি নিয়ে ঝগড়া শুরু করে দেন। গণতান্ত্রিক দেশ অথচ গণতন্ত্রের কোন চর্চা নেই, যতটা না রাজনীতির চর্চা হচ্ছে। পল্টন ময়দান থেকে চায়ের দোকান পর্যন্ত, প্রধানমন্ত্রী থেকে রিকশাচালক পর্যন্ত-এদেশে সবাই রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত।

