ইউজার লগইন
ব্লগ
শিরোনামহীন-১
বিকেলটা ছিলো বিষন্ন। অফুরন্ত সময়, কারো জন্য অপেক্ষা নেই, চোখে ক্লান্তি নেই, কারো জন্য কোথাও যাওয়া নেই। শুধুই ঘরে ফেরা, নিজের জন্য...আর কোথাও যাওয়ার নেই বলে।বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হলো, হেঁটেছি একা পথে। যেনো শুধু শূন্যতার দিকে যাওয়া।আকাশজুড়ে মেঘেরা থমথমে, কোথাও পাখিদের কিচিরমিচির নেই, গায়ে এক্টুও ঠান্ডা বাতাসের ঝাপটা নেই। বিকট শব্দ করে পাশ ঘেষে কিছু গাড়ি চলে গেলো। আমার একাকিত্বরা বিরক্তিতে ভ্রু কুঁচকায়।ঘোর আমাকে নিয়ে গেলো ঘরের দরজায়। আজ তালা খুলতে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলাম, হাত থেমে থাকলো কিছুক্ষণ। কিছু ভাবিনি আমি। ভাবনাগুলোও ডানা মেলতে পারছে না।তালা খোলার শব্দটাও কানে বাজলো ভীষণ।ঘরের ভেতর জিনিসগলো আগেও তো এমন ছিলো, তবে এমন জড়পদার্থের মতো তো লাগেনি আগে!
৫ হাজার টাকার কমতো নয়ই....!!!
খুব বেশি দিন আগের কথা না। অনেকগুলো ব্রিজ তখনো হয়নি। ঢাকায় আসতে চাইলে লোকজনের পুরা দিন চলে যেত। সকালে রওয়ানা করলে মধ্যরাতে এসে ঢাকায় নামতো। বিশেষ করে ঈদ বা অন্য কোনো ছুটিতে মানুষের ভোগান্তির শেষ ছিলনা। ফেরি পারাপার ছিল। ফেরির জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে থাকতে হত। আহ, কত কষ্ট ছিল মানুষের !
বিশেষ করে যমুনার ওপারের লোকজনের অবস্থা ছিল বেশি খারাপ। ধরুন আপনার বাড়ি সিরাজগঞ্জ। বিশেষ প্রয়োজনে ঢাকায় আসতে হবে আপনাকে। সকালের বাসে রওয়ানা হলেন। নগরবাড়ি ঘাটে পোঁছে গাড়ীর লাইনে পড়লেন। ৫/৭ ঘন্টা পরে ফেরিতে উঠলেন। ফেরি চললো ২/৩ ঘন্টা। আরিচায় আসলেন। তারপর ঢাকায় আসতে আরো ২/৩ ঘন্টা। মানে বাড়ি থেকে বেরুনোর পর আপনার কমপক্ষে ১০/১২ ঘন্টা লাগলো। একইভাবে বৃহত্তর রংপুর, বগুড়া, দিনাজপুর, রাজশাহীর লোকজনের অবস্থা ছিল।
সব দোষ মধ্যবিত্তদের
মধ্যবিত্ত - খুবই পরিচিত শব্দ আমাদের ।
এই মধ্যবিত্তের বলয়েই আমরা বাঁধা আছি যুগ যুগ ধরে। মধ্যবিত্তদের অবস্থা পাহাড়ী পথের মতন, উপরে উঠতেও কষ্ট, নিচেও নামা যায়না। মাঝখান দিয়ে সরু রাস্তার মত জীবন, যার বাঁক গুলো বরাবর অচেনা , বার বার জীবনের বাঁক গুলো পেরুতে হয় সাবধানে।
মধ্যবিত্ত ঘরে জন্ম ও বড় হওয়া - অনেক অসুবিধার। নামে মধ্যবিত্ত হলেও এদের ব্যক্তিত্ব , আত্ম অহংকার, সামাজিকতা, নীতিবোধ সব গুলোই উচ্চমাত্রার। পাছে লোকে কিছু বলে - এটা মধ্যবিত্তরেই একমাত্র মানায়।
কিছুদিন ধরে পত্রিকা পড়ে যে অবস্থা বুঝলাম - তাতে সব কিছু নষ্টের মূলে এই মধ্যবিত্তরা।
ইয়া ভিসুমাই!!!
এদ্দিন বহুত হাঙ্কি- পাঙ্কি কইরা পলায়ে ছিলাম!!!
ব্লগে গেরিলা হামলা চালাইছি! হামলা ঠিক চালাই নাই, কেবল রেকি করছি!! ঘাপটি মাইরা দেখছি, কে কি করে!! এখন হবে আক্রমণ!!
আরেকটা বড় উছিলা ছিল পরীক্ষা। এখন একটা মোটামুটি বড়সড় ছুটি আছে!! কাজেই এই সময়ে পুরাই কোপায়ে দিবো!!!
আপনাদের দোয়াপ্রার্থী!!! মাথা পাতিয়া দিলাম। আশীর্বাদ করেন, তয় সুযোগ পাইয়া থাবড়া দিয়েন না!!!
আপাতত, একখানা গান শুনি..
http://download.music-com-bd.load-balanced.net/Music/B/Bangla/Prottutponnomoti/8%20-%20Bangla%20-%20Raat%20pohale%20pakhi%20bole%20dere%20khai.mp3
সালিশ
আমার বাল্যকাল কেটেছে ছবির মত সুন্দর একটা গ্রামে । মাথাভাঙ্গা নদীতীরের সে গ্রামটির দৈর্ঘ্য নদীর তীর ঘেসে উত্তর-দক্ষিণে প্রায় মাইল দুয়েক । প্রস্থ কত আর হবে ! হয়তোবা আধা মাইলেরও কম । গ্রামটির একপ্রান্তে সমৃদ্ধ বাজার, গ্রামের বাজারের মত নয় মোটেই, তার আবহ ছিল অনেকটাই শহুরে । সেই পঞ্চাশ-ষাট বছর আগেও সেখানে চায়ের দোকান ছিল, ছিল চা পান করবার মত আয়েশী লোকজনও, যাদের কেউই কম বয়েসী নয় । সে সময় ছোটদের চা পানে মনে হয় কিছুটা অলিখিত নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ছিল ।
২
আতঙ্কের বাজারে বুঝেশুনে পা ফেলুন
গৌরী সেন ছিলেন ১৭-১৮ শতকের সুবর্ণবণিক সম্প্রদায়ের একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। নানাভাবে তিনি বিপদগ্রস্ত মানুষকে অর্থসাহায্য করতেন। সেই থেকে বলা হয়, ‘লাগে টাকা, দেবে গৌরী সেন’।
জীবনের জন্য প্রয়োজন সঞ্চয়। একটা সময় ছিল, অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য কিছু অর্থ রাখতেই হতো। আর এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের পাশাপাশি যোগ হয়েছে বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্যের আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু এখন আর গৌরী সেন নেই। তবে অর্থ প্রয়োজন। কে দেবে অর্থ?
ছবি রি-সাইজ করুন প্রান খুলে!
আমি একটা বিষয় লক্ষ্য করেছি, আমাদের অনেক ব্লগার ছবি সাইজ ঠিক করতে পারছেন না। একই পোষ্টে নানা সাইজের ছবি দিয়ে তিনি নিজে যেমন লজ্জা (!) পাচ্ছেন তেমনি আমাদেরও চোখের ১২টা (!) বেজে যাচ্ছে। নানা সময় নানা ব্লগার এ ব্যাপারে জানতে চান, কি করে ছবি রিসাইজ করে সুন্দর করে ছবি পোষ্ট দেয়া যায়। গতকাল এমনি আমাদের এক ছোটবোন এমনি একটা আকুতি জানিয়েছিলেন।
ছবি রিসাইজ/ ছবির ফরমেট পরিবর্তনের নানা সফটওয়্যার এ দুনিয়াতে আছে। ফ্রীতে কিংবা টাকা দিয়ে কেনা যায়। তবে আমি যেহেতু সহজ অপারেট, টাইম সেইভ এবং টাকা নিয়ে মাথা ঘামাই তাই আজ আপনাদের আমি এমন একটি রিসাইজ ও রিফরমেট করার সফটওয়্যারের খোজ দিব (অন্য ভার্সান টাকা দিয়ে কিনতে হয়)। এই ভার্সানটি/ ইঞ্জিনটা ফ্রী! যা আমি অনেক দিন ব্যবহার করে উপকার পেয়েছি! আপনিও উপকার পেতে পারেন। তবে উপকার পেয়ে আমাকে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না।
যৌন হয়রানি ও ইত্যাদি বিষয়ক বিচ্ছিন্ন ভাবনা (প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য)
ইদানিং ইভ টিজিং-যৌন হয়রানি -ধর্ষণ নিয়ে মানুষের সচেতনতা বেড়েছে। সম্ভবত ইভটিজিংএর মাত্রাও অনেক বেড়েছে।।।
ধর্ষণ যৌনতা নয়, সন্ত্রাস (খানিকটা বিকারও)। সেখানে মেয়েদের পোশাক ভূমিকা রাখে সেটা মনে করিনা। ছেলে শিশু কিশোররা কেন ধর্ষণ/যৌন হয়রানির শিকার হয়? এখানে পোশাকের কি ভূমিকা? আমি আমেরিকার একটা কলেজ টাউনে ২ বছর ছিলাম। ওখানে শর্টস পরা একটা মেয়ে রাত ২টায় নিরাপদে একা হাঁটতে পারে। ঢাকায় কি হিজাব/বোরকা পরেও পারে? পশচিমা দেশে সীবিচ গুলোতে কি ধর্ষণ -ইভ টিজিং অনেক বেশী? মনে হয় না।
নারায়ণগন্জে একটা মেয়ে (সিমি নাম মনে হয়) সিরিয়াস ইভটিজিংএর শিকার হলো। থানার ওসি বললো তোমার মত মেয়ের আত্নহত্যা করা উচিত। পুলিশই যদি এমন হয় তাহলে ইভ টিজিং না হওয়াটাই তো খবর।
সেক্স, লাইজ এ্যান্ড ভিডিও টেপ...
খেরোখাতা থেকে-১
ভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার পর পাখা গজিয়েছিল স্বাভাবিক। ক্যান্টনে বসে গরম গরম কথা বলতাম, এক সপ্তাহের মধ্যে মুরগী হিসেবে বড় ভাইদের চোখে পড়ে গেলাম, সেশনাল থেকে বের হওয়ার পথে গুঞ্জনদা (তখন চিনতাম না) পথ আটকে বলল, নর্থ হল-২০২ এ লাঞ্চের পর আসতে। বুঝলাম rag দিতেই ডাকছে, ভাব দেখায়া গেলাম না, মনে ভাব না গেলে করব কি আমারে। পরের দিন দেখি গ্যালারির জানালায় (শুরুর দিকে ওখানেই ক্লাস হত আমাদের) গুঞ্জনদা মনের সুখে বিড়িতে সুখটান দিচ্ছে। আমি এড়িয়ে যেতে চাইলাম, কিন্তু মুরগী পাহারা দেয়া শিয়ালের থেকে পালানো কি এতই সহজ। আমারে ধইরাই ঝাড়ি কালকে আসি নাই কেন? আগরতলা চৌকির তলা অনেক কিছুই দেখানো হইল। হাল্কা ভয় যে পাচ্ছিলাম না তাও না, ঠিক করলাম আজকে যাব, যা হয় হবে।
একখানি ক্রিয়া পদ দিয়ে
আমাদের বাসায় একজন হাফ বিদেশিনী থাকেন। গায়ের রঙ, খাওয়া – দাওয়া সবই দেশি শুধু মুখ খুললে সমস্যা। তার বাবা মায়ের মাতৃভাষা বাংলা হলেও তার জন্য এটি দ্বিতীয় ভাষা। তিনি তার পছন্দের ভাষাতেই কর কর করতে চান কিন্তু মায়ের আবার বাংলা বাংলা বাতিক আছে। তাই বাসায় রফা হয়েছে, বাবার সাথে অন্য ভাষার চর্চা চললেও মায়ের সাথে শুধু বাংলা আর বাংলা। সর্বস্তরে বাংলা ভাষার চর্চা করতে মা বদ্ধপরিকর। তিনিও কম যান না। একখানা ক্রিয়া পদ ব্যবহার করে তিনি সর্ব ধরনের বাংলা ভাষা ম্যানেজ করে ফেলছেন। তার সাথে থেকে থেকে তার মা, খালা, মামা সবার বাংলা বলার ধরন পালটে যাচ্ছে। নিজে থেকে ডাচকে বাংলায় ভাষান্তর দিয়ে তিনি আজব কিছু বাক্যও গঠন করেন। যেমনঃ স্কুলের বন্ধুর জন্মদিনে গিয়েছেন তিনি। ফিরে এসে বলছেন, মা এভির আম্মু আমাকে অনেক সুন্দর পেলো। কেউ কিছু দিলে, আন্টির জন্য এটা আমি পেতে পারলাম।
উইকিলিক্স প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান আসাঞ্জকে সালাম জানাই।
উইকিলিক্স প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান আসাঞ্জ। গত কদিন ধরে তার খবরা খররের উপর নজর রাখছিলাম। নানা ধরনের নিউজ পড়ছিলাম। জুলিয়ান আসাঞ্জ’র নানা টাইপের ছবি দেখছিলাম। সারা দুনিয়া থেকে নানা মানুষ তার কাছে টাকা পাঠাছিল বলে তার অনেক ব্যাংক একাউন্টও বন্দ করা হয়েছে। গতকাল ইন্টারপোল অবশেষে সমঝোতার ভিত্তিতে (!) তাকে আদালতে নিল। ইংল্যান্ডের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ২০ হাজার পাউন্ডের বদলে তার জামিন চেয়েছিল। আদালত তাকে জামিন না দিয়ে ৭ দিনের রিমান্ড দিল। সুইডেনে তার বিরুদ্দে দুই নারী অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ নামা পড়ে আমার হাসি পেয়েছিল। জুলিয়ান আসাঞ্জ শুধু চেষ্টা করেছিলেন মাত্র! জুলিয়ান আসাঞ্জ’র বিরুদ্দে আসলে এটা ফালতু অভিযোগ বলে মনে হয় কিন্তু ওরা এটাই সত্য বলেই প্রমান করে ফেলবে হয়ত। এই সাহসী বীরের জন্য আমার হ্রদয়ে একটা মায়া জমে গেছে।
প্রেম বা ভাঙনের গল্প (অনুগল্প)
কারও হৃদয় কখনও যদি প্রেম শূন্য হয় তখন সে বেঁচে থাকে কিভাবে?
এ প্রশ্নটি করেছিল অনিল, হেমাকে।
বেঁচে থাকে, থাকে মৃত শহরের মতন..........হেমার হালকা জবাব ছিল।
সত্যি......... বলেছ বেশ, মৃত শহরের মত, যা কিনা অন্তসারশূন্য। অনিল কথাটি এমনিই বলেছিল আর হেসেছিল হেমা।
হৃদয় কখনও প্রেমশূন্য হয় তা ছিল অচিন্তনীয়। হেমা হাটত, অনিলও পাশাপাশি। বহুদূর বহুক্ষন ধরে তারা হেটে যেত। বৈশাখের উদাস হাওয়া থেকে বসন্তের কচি ঘাস মাড়িয়ে তারা হাটত।। অনিল কখনও হঠাৎ চমকে উঠত হেমার হাত হারিয়ে। হেমার হাতে তখন হয়তো বকুল বা শিউলী।
সে ফুল একটু পরে অবহেলায় মাটিতে, সে হাত অনিলের হাতে।
এভাবে কত সোনারঙা দিন যে তাদের আবেশে কেটে গেছে। কত কিছু তখন তুচ্ছ মনে হত এই ভাবে দিনযাপনের পাশে। ক্লাশের পড়া, বন্ধুত্বের উষ্ণ আবাহন, জ্বরা ব্যাধি সব, সব কিছুই তুচ্ছ মনে হত তখন। শুধু যেন হেটে চলা, দুজনে পাশাপাশি।
ক্ষুদ্র ঋণ : তুলো ধুনো ড: ইউনুস
সপ্তাহ জুড়েই বাংলাদেশে গ্রামীন ব্যাংক এবং মাইক্রোক্রেডিট হট আইটেম। কি চায়ের কাপে, কি পত্রিকার কলামে, অথবা কোন সাংবাদিক সম্মেলনে। তুলোধুনা মাইক্রোক্রেডিট। ক্ষুদ্রঋণ আজ সুদের ব্যবসা হিসেবে আখ্যায়িত। এটা কিন্তু বদরুদ্দিন ওমর অথবা আনু মোহাম্মদ এর বক্তব্য নয়
... কারো সাথে মিলে গেলে সেটা একেবারেই কাকতালীয় 
কয়েক দিন আগেই ক্ষুদ্র ঋণ মেলার আয়োজন সফল ভাবে সম্পন্ন হলো সরকারের অঙ্গসংগঠন পিকেএসএফ এর উদ্যোগে। সেখানে পিকেএসএফ এর চেয়ারম্যান ইউনুসকে বাদ দিয়ে দলীয় আনুগত্যে নিয়োগ পাওয়া বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ জনাব খলিকুজ্জামানকে নিয়োগ দিয়ে তাকে দিয়ে যথারীতি উদ্বোধন ও সমাপনী অনুষ্ঠানে আসন অলংকৃত করালেন। ঘটনা এটা না... জনাব খলিকুজ্জামান মাইক্রোক্রেডিটের বিপক্ষের লোক.. লাইক বদরুদ্দিন ওমর। ক্ষুদ্রঋণের সহায়ক সংস্থা হয়ে সেই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হয়ে সেই সংস্থার বিরোধিতা কি ডাবল স্ট্যান্ডার্ড হয়?

