ইউজার লগইন
ব্লগ
একটা সুখবর : দাদাভাইয়ের, আমাদেরও

সব আড্ডায়ই একজন থাকে যাকে ছাড়া আড্ডা জমেনা। যিনি আড্ডার প্রধান আকর্ষণ। মানে প্রাণ ভোমরা। যিনি আড্ডাকে মাতিয়ে রাখেন, নিস্তেজ ম্যান্দামারা সময়কে আনন্দের ফুল্লধারা বানান। সেইরকম একজন আমাদের মেসবাহ য়াযাদ ওরফে দাদাভাই ওরফে বিনয় কাকু। উনার মত মাইডিয়ার লোক ইহ তল্লাটে খোঁজ দ্যা সার্চ দিলে খুবই কমই পাওয়া যাবে। দাদাভাইয়ের সাথে যারা পরিচিত হয়েছেন তারা এই বিষয়ে দ্বিমত করবেননা এইটা নিশ্চিত।
পিকনিক নিয়া দুইটা শিক্ষামূলক ঘটনা
পিকনিকে তো যাইতাছেন? বউ নিয়া যাবেন? তাহলে আসেন একটা গল্প কই।
একবার এক কামেল লুক বউ আর ছেলে নিয়া গেল পিকনিকে। এই লুকের মূল কাজ বউয়ের পিছন পিছন ঘুর ঘুর করা। নিজের বউয়ের পিছন যে ঘুর ঘুর করতে পারে সে যে কামেল লুক এই নিয়া আর সন্দেহ নাই।
পিকনিক নেতা দাদাভাই সকাল থেইকাই খালি রান্দে, আর রান্দে। কিন্তু রান্দোন আর শেষ হয় না। সকাল যায়, দুপুর গড়ায়, বিকালও যায় যায়। কিন্দু রান্দা চলতাছেই।
পরে দাদাভাই বুদ্ধি কইরা ভাপা পিডাওয়ালারে বসাইয়া দিল। শীতের বিকালে পিডা বানায়, আর সাথে সাথে ফুরুত। লাইনে না খাড়াইলে পিডা নাই।
ঐ লুকের পোলার লাগছে জবর খিদা। সেও আইসা লাইনে খাড়াইতে চায়, কিন্তু কামেল বাপ কয়, যাও, যাও, এখনই খাবার খাইবা। পিডা খাওন লাগবো না।
কিন্তু দাদাভাইয়ের রান্দোন আর শেষ হয় না।
কামেল লুকটা গেল বউয়ের কাছে। যাইয়া শোনে পুত্র তার মায়েরে বলতাছে,
ঘড়ি
বাড়ির পাশেই স্কুল । রাস্তার সমান্তরালে পূর্ব-পশ্চিম লম্বা একটা সেমিপাকা ভবন ।ইটের দেয়ালের উপর টিনের চাল । প্রাইমারী স্কুল আর হাই স্কুল দুই-ই এই একই ভবনে । একেবারে পূর্ব দিকের পাঁচটি কক্ষ প্রাইমারী স্কুলের জন্য নির্ধারিত । সেখানে ক্লাশ ওয়ান থেকে ক্লাশ ফাইভ পর্যন্ত পড়ানো হতো । আর বাকী অংশে সিক্স থেকে নাইন পর্যন্ত । পশ্চিম দিকে উত্তর-দক্ষিণ লম্বা অন্য একটি পাকা দালান (যেটিতে ছাদ ছিল, টিনের চাল দেওয়া বেশ চওড়া বারান্দাও ছিল) । সে দালানে হেডমাস্টার, অন্যান্য শিক্ষক এবং ক্লাশ টেনের জন্য ছিল একটা করে কক্ষ । এই বিল্ডিংয়ের আরও কয়েকটি কক্ষ লাইব্রেরী ও হেডমাস্টারসহ কয়েকজন শিক্ষকের আবাসিক কক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত হতো । এই স্কুলে একটানা দশ বছর পড়ার পর স্কুল জীবন সমাপ্ত হয়েছিল ।
”তোমার ব্লগ এতো হিট কেন?”
আমি বলছি না চুপচাপ ব্লগ পড়ে গেলেই চলবে, আমি চাই
কেউ একজন আমার পোস্টে মন্তব্য দিক
শুধু পোস্টের হিট বাড়াবার জন্য
বার বার রিফ্রেশ করতে করতে মাউস প্যাডটা নষ্ট
আমি বলছি না কেবল মন্তব্য দিলেই হবে, আমি চাই
কেউ একটা প্লাস দিক। আমি সিঙ্গেল নিকে
কাউকে মন্তব্য করার জন্য বলছি না।
আমি জানি এই ইন্টারনেটের যুগ
ব্লগারদের মুক্তি দিয়েছে মাত্র একটি নিকে ব্লগানোর দায় থেকে
আমি চাই কেউ একজন জিজ্ঞেস করুক, আমার কাউকে ’ট্যাগিং’ করা লাগবে কিনা
ক্যাচাল পোস্টকে উস্কে দিতে আরো একটা
রিভার্স গেম লাগবে কিনা
ছোটখাট খোঁচাখুঁচি, লাল বাটনে টিপ আমি নিজেও করে নিতে পারি
আমি বলছি না আমাকেই লগইন করতে হবে, আমি চাই
কেউ একজন কমন নিকের পাসওয়ার্ড দিয়ে ব্লগে
লগইন করুক, কেউ আমাকে তাদের ’মালটি নিক’ -টাও দিক
আস্তিক-নাস্তিক সঙ্গী না হোক, কেউ অন্তত আমাকে
জিজ্ঞেস করুক, ”তোমার ব্লগ এত হিট কেন?”
‘আমরা বন্ধু’ যেসব ক্ষেত্রে বন্ধুসুলভ নয়...
ডিসক্লেইমার: ‘আমরা বন্ধু’ অনেকক্ষেত্রেই বন্ধুসুলভ। কিন্তু নিন্দামন্দ না করলে নাকি পেটের ভাত হজম হয় না! গত দুদিনে দুটো বিয়ের দাওয়াত খেয়ে এসেছি, পেট এখনো ভুটভুট করছে। গত কদিন কারো নিন্দামন্দ করি নি বলেই হয়তো রোস্ট, কাচ্চি বিরানী বা টিকিয়া কাবাবগুলো এখনো হজম হচ্ছে না। সামনের শুক্রবারে আবার এবির পিকনিক। ইচ্ছা আছে অন্তত দুটো খাসি আর চার-পাঁচেক মুরগি সাবাড় করা, সাথে এক লিটার কোক আর যা যা থাকে, সেগুলোর একটু একটু করে চেখে দেখা। নিন্দামন্দ না করলে যদি ওগুলো হজম না হয়, তাইলে পিকনিকটা তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করতে পারবো না। তাই এই লেখা। পরিষ্কার কথা- এর মধ্যে কোনো ভংচং নেই। 
এবি'র পিকনিক : সর্বশেষ সংবাদ
ইতোমধ্যে এবির পিকনিকের সব কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মাসুম ভাইয়ের যোগাড় করা স্পটেই যাচ্ছি আমরা। এজন্য তারে এবিবাসী সবাই থ্যাংকু জানাই। গাড়ী, বাবুর্চি, মেন্যু, পিঠাওয়ালা সবার সাথে সিডিউল ফাইনাল হয়েছে। তাইলে ওই কথাই রইলো। ২৪ ডিসেম্বর সকালবেলায় আমাদের যাত্রা শুরু হচ্ছে। আশা করছি, নির্ধারিত দিনে নির্ধারিত সময়ে সবাই চলে আসবেন। এ পর্যন্ত যারা যারা চাঁদা নিশ্চিত করেছেন, তাদের মধ্যে আছেন :
শওকত মাসুম, লীনা দিলরুবা, টুটুল, নাজ, হাসান রায়হান, নাজনীন খলিল- ২ জন, আসিফ, জয়িতা, জেবীন, বিমা, মাথামোটা, বাফড়া, বৃত্তবন্দী, ফারজানা, বোহেমিয়ান, মামুন ম. আজিজ, ঈশান মাহমুদ- ২ জন, ডটু রাসেল, লিপি, নাজমুল হুদা, শাহাদাত উদরাজী, ভাস্কর, আনিকা, সাঈদ, সোহেল কাজী, নাহীদ, ফিরোজ কবীর, মৌসুম, তাজীন, গৌতম- ২ জন, মুক্ত বয়ান, বিলাই শাওন, ছায়ার আলো- ২ জন, আলী আরাফাত শান্ত, মিতু ভাবী- ৫ জন এবং মেসবাহ য়াযাদ। সব মিলিয়ে: ৪৪ জন।
গণহত্যা-অ্যানথনি ম্যাসকারেনহাস (প্রাককথন)
প্রিয় ব্লগার আদিল মাহমুদ অনেক শ্রম স্বীকার করে অ্যানথনি ম্যাসকারেনহাস এর ১৯৭১ নিয়ে প্রামান্য লেখা 'গণহত্যা' বইটি স্ক্যান করে ব্লগে দিয়েছিলেন। সেটা ডাউনলোড করে পড়েছি, পড়ার পর থেকেই পুরো বইটি পুনরায় টাইপ করে ধারাবাহিকভাবে ব্লগে দেওয়ার একটা ইচ্ছা মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিলো। পুরো বইটি ধারাবাহিকভাবে ব্লগে প্রকাশের পর এটিকে একটি ই-বুক হিসাবে প্রকাশের ইচ্ছে আছে। অন্যান্য কমিউনিটি ব্লগেও লেখাটি দেওয়া হবে।
লেখকের কথা
১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর। বাংলাদেশের রক্তস্নাত বিজয় দিবস। আমি তখন ঢাকায়। নেতৃবর্গের সঙ্গে নানান আলাপ আলচনার সময় কথা উঠে আসে আমার ওইতিহাসিক ১৩ই জুন, ১৯৭১ এর রিপোর্ট খানা নিয়ে; যা লন্ডনের The SUNDAY TIMES পত্রিকায় সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়। অনেকেই চেয়েছিলেন এই রিপোর্টটি ক্ষুদ্র পুস্তিকার আকারে বের হউক।
থিউরি অব ডিজিটাল কান্ট্রি
আবির তার মানি ব্যাগ থেকে একটি সবুজ রঙের কার্ড বের করে কার্ড রিডার মেশিনে প্রবেশ করানোর সাথে সাথেই তার বায়োডাটা বেরিয়ে আসল। নিজের ছবি, নাম, ঠিকানা, পিতা/মাতার ছবিসহ নাম ঠিকানা, রক্তের গ্রুপ, জন্মস্থান, জন্মতারিখসহ প্রয়োজনীয় যাবতীয় ইনফরমেশন। আবিরের বয়স ২১ বছর। সে ড্যালিয়েন্স ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড টেকনোলজী বিভাগের স্নাতক শ্রেণীর শেষ বর্ষের ছাত্র। ছাত্র বলেই তার কার্ডটি সবুজ। যারা স্কুলে এখনো ভর্তি হয়নি তাদের কার্ডটি কালো। আর যারা ছাত্রজীবন শেষ করে কর্মজীবনে পা রেখেছেন তাদের কার্ডটি নীল রঙের। নীল রঙের কার্ডটি আবার দু’ধরনের একটি ব্যবসায়ী অপরটি চাকুরীজীবি। কালার এক হলেও ক্যাটাগরি ভিন্ন হওয়াতে সহজেই ডিফারেন্স বুঝা যায়। চাকুরীজীবন শেষ করার পর একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারী পান হোয়াইট কার্ড। আর যারা স্টুডেন্ট লাইফ শেষ করে এখনো চাকুরী বা ব্যবসায
একটুখানি ছোটবেলা
নিচের খানিকটা কংক্রিটের খোলা জায়গা আছে আমাদের বাসার সামনে। সেইখানে গাড়ী রাখাও চলে আবার বাচ্চারা খেলাধুলাও করে। সব হয় ওই একটু জায়গাতেই। ওইখানেই দেখলাম কয়দিন আগে ব্যাডমিন্টন এর কোট কাটা হয়েছে। পিচ্চিরা খেলে দিনে আর রাতে বুড়োগুলো। আজকে কয় পিচ্চি খেলতেছে, আহিয়ানকে চেনা যাচ্ছে । ছেলেটার খেলা ভালো। আমরাও একসময় খেলতাম। মনে হল সে অনেক আগের ঘটনা। আমাদের খেলার জন্য অনেক মাঠ ছিল। বাসার পাশের ছোট মাঠ, পুকুর পাড়ের বড় মাঠ। তাছাড়া উপজেলা পরিষদের মাঠও ছিল। যেখানে ইচ্ছা খেলো। আমরা রাতে বাল্ব জ্বালিয়ে ছোট মাঠে খেলতাম। মেয়েরা আর ছেলেরা। আমাদের মধ্যে মিঠু ভাই আর সুমন ভাই ভালো খেলতো। ওদের সাথে আমরা পারতামনা, তাও ওরা আমাদেরকে খেলতে নিতো। ছোট বোন বলে কথা। ওরা এই খেলায় না নিলে যে সাতচারা খেলায় ওদেরকেও আমরা নেবনা। আমাদের ভিতর বকুল ভাই নামে সবচেয়ে বড় এক ভাইয়া ছিল। সে অনেক বড়। কিন্তু সেইখানে তার কোন সমবয়সী না থাকায়
জীবন সাথী।
১।
ঘটনা অনেক আগের, আপনাদের এই ঢাকা শহরের। বিবাহ করে জীবন সাথীকে নিয়ে সুখে দিনাতিপাত করছিল। টাকা পয়সার ব্যাপক প্রযোজনীয়তা তখনো নেই। জীবন একটা সাধারন চাকুরী করে, যা পায় তা দিয়ে কোন রকমে চলে যাচ্ছিলো। দুইজনই যেহেতু নিম্ম মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসে ঘর বেধেছিল তাই চাওয়া পাওয়াও কম ছিল। তবে মাসের শেষে বাজার খরচে একটা হালকা টান পড়ে যেত, শেষ দুই চারদিন জীবনের পকেটে টাকা থাকত না। সোজাকথা জীবন ও সাথীর জীবনবোধ তখনো চাঙ্গা হয় নাই। এমনি একদিনে দু’জনে রাতের খাবার খেতে বসে, মাদুর পেতে - ভাত, লাল মরিচভর্তা আর পানিডাল।
আইজকের ডায়লগ-কত আছে?
দুই ভাই। নাম ধরেন দবির আর ছবির। দবির বড়, ছবির ছোট। প্রশ্ন করতে পারেন, নাম দবির আর ছবির কেন? রায়হান আর টুটুল না কেন? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারুম না। তাছাড়াও স্টাট্যাসেও মিলবে না। সিনেমায় থাকা না জীবিত বা মৃত কারো সাথে সম্পর্ক নাই-মনে করেন সেইটাই।
যাই হোক, মূল গল্পে আসি। দবির আর ছবিররা গরীব। তাদের মা একদিন মুড়ি ভাইজা মোয়া বানাইয়া দুই ভাইরে ডাইকা কইলো, যা বাজারে যা, বিক্রি কইরা আয়।
তাদের মা দবির আর ছবিররে কইলো একেকটা মোয়া ১০ পয়সা কইরা বিক্রি করতে হইবো। তারপর বড় ভাই দবিরের হাতে ১০ পয়সা দিয়া কইল, এইটা হইল পথ খরচা। রাস্তায় ক্ষুধা লাগলে কিছু কিনা খাইস।
এক ব্যাগ মোয়া নিয়া রওয়ানা দিল দুই ভাই। পথে লাগছে ক্ষিধা। দবির ছবিররে কইল-তোরে আমি ১০ পয়সা দেই তুই আমারে একটা মোয়া দে।
ছবির একটা মোয়া দিল। ১০ পয়সা এখন ছবিরের কাছে।
জেবীনের জন্মদিনে ঝুড়ি ভর্তি শুভেচ্ছা
অফিস এসে ফেসবুকে ঢুকে দেখলাম , আজ জেবীনের জন্মদিন।খুবই অবাক হলাম। জেবীনের জন্মদিন আর আমি জানি না? ফেসবুকে না ঢুকলে তো জানাই হতো না। সারারাত যেহেতু ফোন করিনি, এসএমএস পাঠাইনি, জেবীনের তো উচিত ছিলো আমাকে ফোন করে বলা যে তার আজ জন্মদিন.... আর আমি কেন উইশ করলাম না? 
পাহাড়ে উঠার গল্প
এই দেশে আসার আগে পাহাড় দেখছি খুব কম।তাই আসার আগে খালি মনে হতো পাহাড়ের মাঝে হারিয়ে যাবো। কিন্তু সেই হারিয়ে যাওয়ার সাধ আমার দুইদিনের মাথায় শেষ হইয়ে গিয়েছিলো।একটা ক্লাস করতে আমাকে আমাদের মেইন ক্যাম্পাসে যেতো হতো বাস থেকে নেমে দৌড়াতে হতো ক্লাস শুরু হয়ে যাওয়ার কারনে।ক্লাসে বসে মিনিট দশেক হাপাঁতাম।
কিছুদিন আগে সুপারম্যান প্রস্তাব দিলো হাইকিংয়ে যাবে।আমি অনেক চিন্তা করে পেলাম না পাহাড় বেয়ে উঠার মধ্যে কি এমন আছে??আমার ল্যাবমেট বরাবরের মতো হাইকিং নিয়ে একটা বিরাট বড় লেকচার দিয়ে দিলো আর বললো সুপারম্যান যেহেতু যেতে বলেছে সেহেতু আমাদের সবারই যাওয়া উচিত।বললাম যাবো কিন্তু আমার কিছু হয়লে ব্যাটা তোরা আমারে কাধেঁ করে নামাবি ওরা বলে নো প্রবলেম।
ম্যালাক্ষন ধানভানতে হাংগুকগীত গাইলাম।এবার আসল কথায় আসি।কিছু ছবি দিলাম সেই দিনের হাইকিংযের।
যাত্রা হবে শুরু তার আগে ফটোসেশন।
গভীর ভাবের পোষ্ট
অনেকদিন পরে ব্লগের সকলের মন ভালো তাই আমারো মন ভালো। এমনিতে ব্লগটা ঝিমায় অনেক। “আমরা বন্ধু” বাদ দিয়ে “আমরা ঝিমাই” দেয়ার অবস্থায় চলে যায় মাঝে মাঝে। শীতের আনন্দে অনেকেই ব্লগে ফেরত এসেছেন, ব্লগটা একটু চাঙ্গা হয়েছে এই খুশীতে আমিও একটা পোষ্ট দিতে চাই। পোষ্ট দেয়ার মতো কিছুই নাই তবুও দিবো তাই.........
প্রবাসে আমার দশা অনেকটা “ছাই ফেলতে ভাঙ্গা কুলা”, “নাই বনে শিয়াল রাজা” কিংবা “আলু”র মতো। “আলু” মানে সব তরকারীতেই যায় আর কি। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতে কেউ নেই, ঠিকাছে “ওনি, কাচ্চা বাচ্চাদের নাচ দেখিয়ে দেয়ার কেউ নেই, ঠিকাছে “ওনি”, সেমিনারে বিদেশী গেষ্ট আসবে, ইংরেজী - ডাচ বলতে একজন মেয়ে দরকার, তাইলে “ওনি”, প্রধানমন্ত্রী আসবে মানপত্র পাঠ করতে লাগবে, আচ্ছা আর কাওরে না পেলে “ওনি”তো আছেনই। সবার লাষ্ট চয়েস। এহেন আমি কয়দিন ধরে গভীর ভাবে আছি।