ইউজার লগইন
ব্লগ
এবি'র পিকনিক : সর্বশেষ সংবাদ
ইতোমধ্যে এবির পিকনিকের সব কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মাসুম ভাইয়ের যোগাড় করা স্পটেই যাচ্ছি আমরা। এজন্য তারে এবিবাসী সবাই থ্যাংকু জানাই। গাড়ী, বাবুর্চি, মেন্যু, পিঠাওয়ালা সবার সাথে সিডিউল ফাইনাল হয়েছে। তাইলে ওই কথাই রইলো। ২৪ ডিসেম্বর সকালবেলায় আমাদের যাত্রা শুরু হচ্ছে। আশা করছি, নির্ধারিত দিনে নির্ধারিত সময়ে সবাই চলে আসবেন। এ পর্যন্ত যারা যারা চাঁদা নিশ্চিত করেছেন, তাদের মধ্যে আছেন :
শওকত মাসুম, লীনা দিলরুবা, টুটুল, নাজ, হাসান রায়হান, নাজনীন খলিল- ২ জন, আসিফ, জয়িতা, জেবীন, বিমা, মাথামোটা, বাফড়া, বৃত্তবন্দী, ফারজানা, বোহেমিয়ান, মামুন ম. আজিজ, ঈশান মাহমুদ- ২ জন, ডটু রাসেল, লিপি, নাজমুল হুদা, শাহাদাত উদরাজী, ভাস্কর, আনিকা, সাঈদ, সোহেল কাজী, নাহীদ, ফিরোজ কবীর, মৌসুম, তাজীন, গৌতম- ২ জন, মুক্ত বয়ান, বিলাই শাওন, ছায়ার আলো- ২ জন, আলী আরাফাত শান্ত, মিতু ভাবী- ৫ জন এবং মেসবাহ য়াযাদ। সব মিলিয়ে: ৪৪ জন।
গণহত্যা-অ্যানথনি ম্যাসকারেনহাস (প্রাককথন)
প্রিয় ব্লগার আদিল মাহমুদ অনেক শ্রম স্বীকার করে অ্যানথনি ম্যাসকারেনহাস এর ১৯৭১ নিয়ে প্রামান্য লেখা 'গণহত্যা' বইটি স্ক্যান করে ব্লগে দিয়েছিলেন। সেটা ডাউনলোড করে পড়েছি, পড়ার পর থেকেই পুরো বইটি পুনরায় টাইপ করে ধারাবাহিকভাবে ব্লগে দেওয়ার একটা ইচ্ছা মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিলো। পুরো বইটি ধারাবাহিকভাবে ব্লগে প্রকাশের পর এটিকে একটি ই-বুক হিসাবে প্রকাশের ইচ্ছে আছে। অন্যান্য কমিউনিটি ব্লগেও লেখাটি দেওয়া হবে।
লেখকের কথা
১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর। বাংলাদেশের রক্তস্নাত বিজয় দিবস। আমি তখন ঢাকায়। নেতৃবর্গের সঙ্গে নানান আলাপ আলচনার সময় কথা উঠে আসে আমার ওইতিহাসিক ১৩ই জুন, ১৯৭১ এর রিপোর্ট খানা নিয়ে; যা লন্ডনের The SUNDAY TIMES পত্রিকায় সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়। অনেকেই চেয়েছিলেন এই রিপোর্টটি ক্ষুদ্র পুস্তিকার আকারে বের হউক।
থিউরি অব ডিজিটাল কান্ট্রি
আবির তার মানি ব্যাগ থেকে একটি সবুজ রঙের কার্ড বের করে কার্ড রিডার মেশিনে প্রবেশ করানোর সাথে সাথেই তার বায়োডাটা বেরিয়ে আসল। নিজের ছবি, নাম, ঠিকানা, পিতা/মাতার ছবিসহ নাম ঠিকানা, রক্তের গ্রুপ, জন্মস্থান, জন্মতারিখসহ প্রয়োজনীয় যাবতীয় ইনফরমেশন। আবিরের বয়স ২১ বছর। সে ড্যালিয়েন্স ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড টেকনোলজী বিভাগের স্নাতক শ্রেণীর শেষ বর্ষের ছাত্র। ছাত্র বলেই তার কার্ডটি সবুজ। যারা স্কুলে এখনো ভর্তি হয়নি তাদের কার্ডটি কালো। আর যারা ছাত্রজীবন শেষ করে কর্মজীবনে পা রেখেছেন তাদের কার্ডটি নীল রঙের। নীল রঙের কার্ডটি আবার দু’ধরনের একটি ব্যবসায়ী অপরটি চাকুরীজীবি। কালার এক হলেও ক্যাটাগরি ভিন্ন হওয়াতে সহজেই ডিফারেন্স বুঝা যায়। চাকুরীজীবন শেষ করার পর একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারী পান হোয়াইট কার্ড। আর যারা স্টুডেন্ট লাইফ শেষ করে এখনো চাকুরী বা ব্যবসায
একটুখানি ছোটবেলা
নিচের খানিকটা কংক্রিটের খোলা জায়গা আছে আমাদের বাসার সামনে। সেইখানে গাড়ী রাখাও চলে আবার বাচ্চারা খেলাধুলাও করে। সব হয় ওই একটু জায়গাতেই। ওইখানেই দেখলাম কয়দিন আগে ব্যাডমিন্টন এর কোট কাটা হয়েছে। পিচ্চিরা খেলে দিনে আর রাতে বুড়োগুলো। আজকে কয় পিচ্চি খেলতেছে, আহিয়ানকে চেনা যাচ্ছে । ছেলেটার খেলা ভালো। আমরাও একসময় খেলতাম। মনে হল সে অনেক আগের ঘটনা। আমাদের খেলার জন্য অনেক মাঠ ছিল। বাসার পাশের ছোট মাঠ, পুকুর পাড়ের বড় মাঠ। তাছাড়া উপজেলা পরিষদের মাঠও ছিল। যেখানে ইচ্ছা খেলো। আমরা রাতে বাল্ব জ্বালিয়ে ছোট মাঠে খেলতাম। মেয়েরা আর ছেলেরা। আমাদের মধ্যে মিঠু ভাই আর সুমন ভাই ভালো খেলতো। ওদের সাথে আমরা পারতামনা, তাও ওরা আমাদেরকে খেলতে নিতো। ছোট বোন বলে কথা। ওরা এই খেলায় না নিলে যে সাতচারা খেলায় ওদেরকেও আমরা নেবনা। আমাদের ভিতর বকুল ভাই নামে সবচেয়ে বড় এক ভাইয়া ছিল। সে অনেক বড়। কিন্তু সেইখানে তার কোন সমবয়সী না থাকায়
জীবন সাথী।
১।
ঘটনা অনেক আগের, আপনাদের এই ঢাকা শহরের। বিবাহ করে জীবন সাথীকে নিয়ে সুখে দিনাতিপাত করছিল। টাকা পয়সার ব্যাপক প্রযোজনীয়তা তখনো নেই। জীবন একটা সাধারন চাকুরী করে, যা পায় তা দিয়ে কোন রকমে চলে যাচ্ছিলো। দুইজনই যেহেতু নিম্ম মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসে ঘর বেধেছিল তাই চাওয়া পাওয়াও কম ছিল। তবে মাসের শেষে বাজার খরচে একটা হালকা টান পড়ে যেত, শেষ দুই চারদিন জীবনের পকেটে টাকা থাকত না। সোজাকথা জীবন ও সাথীর জীবনবোধ তখনো চাঙ্গা হয় নাই। এমনি একদিনে দু’জনে রাতের খাবার খেতে বসে, মাদুর পেতে - ভাত, লাল মরিচভর্তা আর পানিডাল।
আইজকের ডায়লগ-কত আছে?
দুই ভাই। নাম ধরেন দবির আর ছবির। দবির বড়, ছবির ছোট। প্রশ্ন করতে পারেন, নাম দবির আর ছবির কেন? রায়হান আর টুটুল না কেন? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারুম না। তাছাড়াও স্টাট্যাসেও মিলবে না। সিনেমায় থাকা না জীবিত বা মৃত কারো সাথে সম্পর্ক নাই-মনে করেন সেইটাই।
যাই হোক, মূল গল্পে আসি। দবির আর ছবিররা গরীব। তাদের মা একদিন মুড়ি ভাইজা মোয়া বানাইয়া দুই ভাইরে ডাইকা কইলো, যা বাজারে যা, বিক্রি কইরা আয়।
তাদের মা দবির আর ছবিররে কইলো একেকটা মোয়া ১০ পয়সা কইরা বিক্রি করতে হইবো। তারপর বড় ভাই দবিরের হাতে ১০ পয়সা দিয়া কইল, এইটা হইল পথ খরচা। রাস্তায় ক্ষুধা লাগলে কিছু কিনা খাইস।
এক ব্যাগ মোয়া নিয়া রওয়ানা দিল দুই ভাই। পথে লাগছে ক্ষিধা। দবির ছবিররে কইল-তোরে আমি ১০ পয়সা দেই তুই আমারে একটা মোয়া দে।
ছবির একটা মোয়া দিল। ১০ পয়সা এখন ছবিরের কাছে।
জেবীনের জন্মদিনে ঝুড়ি ভর্তি শুভেচ্ছা
অফিস এসে ফেসবুকে ঢুকে দেখলাম , আজ জেবীনের জন্মদিন।খুবই অবাক হলাম। জেবীনের জন্মদিন আর আমি জানি না? ফেসবুকে না ঢুকলে তো জানাই হতো না। সারারাত যেহেতু ফোন করিনি, এসএমএস পাঠাইনি, জেবীনের তো উচিত ছিলো আমাকে ফোন করে বলা যে তার আজ জন্মদিন.... আর আমি কেন উইশ করলাম না? 
পাহাড়ে উঠার গল্প
এই দেশে আসার আগে পাহাড় দেখছি খুব কম।তাই আসার আগে খালি মনে হতো পাহাড়ের মাঝে হারিয়ে যাবো। কিন্তু সেই হারিয়ে যাওয়ার সাধ আমার দুইদিনের মাথায় শেষ হইয়ে গিয়েছিলো।একটা ক্লাস করতে আমাকে আমাদের মেইন ক্যাম্পাসে যেতো হতো বাস থেকে নেমে দৌড়াতে হতো ক্লাস শুরু হয়ে যাওয়ার কারনে।ক্লাসে বসে মিনিট দশেক হাপাঁতাম।
কিছুদিন আগে সুপারম্যান প্রস্তাব দিলো হাইকিংয়ে যাবে।আমি অনেক চিন্তা করে পেলাম না পাহাড় বেয়ে উঠার মধ্যে কি এমন আছে??আমার ল্যাবমেট বরাবরের মতো হাইকিং নিয়ে একটা বিরাট বড় লেকচার দিয়ে দিলো আর বললো সুপারম্যান যেহেতু যেতে বলেছে সেহেতু আমাদের সবারই যাওয়া উচিত।বললাম যাবো কিন্তু আমার কিছু হয়লে ব্যাটা তোরা আমারে কাধেঁ করে নামাবি ওরা বলে নো প্রবলেম।
ম্যালাক্ষন ধানভানতে হাংগুকগীত গাইলাম।এবার আসল কথায় আসি।কিছু ছবি দিলাম সেই দিনের হাইকিংযের।
যাত্রা হবে শুরু তার আগে ফটোসেশন।
গভীর ভাবের পোষ্ট
অনেকদিন পরে ব্লগের সকলের মন ভালো তাই আমারো মন ভালো। এমনিতে ব্লগটা ঝিমায় অনেক। “আমরা বন্ধু” বাদ দিয়ে “আমরা ঝিমাই” দেয়ার অবস্থায় চলে যায় মাঝে মাঝে। শীতের আনন্দে অনেকেই ব্লগে ফেরত এসেছেন, ব্লগটা একটু চাঙ্গা হয়েছে এই খুশীতে আমিও একটা পোষ্ট দিতে চাই। পোষ্ট দেয়ার মতো কিছুই নাই তবুও দিবো তাই.........
প্রবাসে আমার দশা অনেকটা “ছাই ফেলতে ভাঙ্গা কুলা”, “নাই বনে শিয়াল রাজা” কিংবা “আলু”র মতো। “আলু” মানে সব তরকারীতেই যায় আর কি। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতে কেউ নেই, ঠিকাছে “ওনি, কাচ্চা বাচ্চাদের নাচ দেখিয়ে দেয়ার কেউ নেই, ঠিকাছে “ওনি”, সেমিনারে বিদেশী গেষ্ট আসবে, ইংরেজী - ডাচ বলতে একজন মেয়ে দরকার, তাইলে “ওনি”, প্রধানমন্ত্রী আসবে মানপত্র পাঠ করতে লাগবে, আচ্ছা আর কাওরে না পেলে “ওনি”তো আছেনই। সবার লাষ্ট চয়েস। এহেন আমি কয়দিন ধরে গভীর ভাবে আছি।
জীবিকা অথবা জীবন- ৫
রান্নাঘরে খুটখাট শব্দ শুনে মনু মিয়া এগিয়ে গিয়ে দেখলো সালমা বেগম একটি টিন হাতে নিয়ে কিছু করছেন। হয়তো খুলতেই চেষ্টা করছিলেন। তা দেখে সে বললো, নানি আমি কিছু করনের আছে?
করলে তো অনেক কিছুই করা পারছ।
কন কি করন লাগবো? বলতে বলতে এগিয়ে গিয়ে সালমা বেগমের পাশে দাঁড়ায় সে।
তিনি টিনটা এগিয়ে দিয়ে বললেন, এইটার ঢাকনাটা দেখ দেখি খোলা পারছ কি না!
চুলোর পাশেই পেতলের একটি খুন্তি পড়েছিলো মেঝেতে। সেটি তুল নিয়ে টিনের ঢাকনার পাশে লাগিয়ে সামান্য চাড় দিতেই সেটা উঠে এলো। সালমা বেগম খুশি হয়ে বললেন, আরে করছস কি? এই বুদ্ধিটা তো আমারও জাননের কথা আছিলো!
মনু মিয়া হাসে। বলে, নানি, অহন আফনের বুদ্ধিরও বয়স অইছে। এইসব ছোডমোডো বুদ্ধি আফনের মাতাত কাম করে না!
ঠিকই কইছসরে! আমার বয়স হইছে। এই কথাটা মনে থাকে না। অনেক বছর ধইরা নিজে নিজেই সব করতাছি তো, তার লাইগ্যা বুঝা পারি না!
আজকের ডায়লগ : কত নাই?
পয়লাই একটা গফ শুনেন... ব্যাপক প্রচলিত... অনেকেই জানেন
আমরা বন্ধুর ফটোগ্রাফী দল এবং তাদের ফটো ওয়াক
ব্লগে, ফেসবুকে রায়হান ভাই এর তোলা ছবি দেখে ভাবি, এত সুন্দর ছবি তুলে কিভাবে? এক্টু আগেও নীড়দার পোষ্টে রায়হান ভাই এর তোলা এক্টা পাহাড়ের ছবি দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকলাম। প্রায়ই উনাকে বলি , ছবি তুলতে কোথাও যাবেন?আমরা সঙ্গী হবো।উনি বেশীরভাগ সময়ই ভাবের উপড়ে থাকেন। অবশ্য তা না হলে কি আর মানায়?
এই ব্লগের অনেকেই দারুণ ছবি তুলে। ভাস্করদা, সাঈদ ভাই , মীর, বৃত্তবন্দীর এর ছবি দেখেও মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থাকি। মুক্ত, বোহেমিয়ানকেও দেখি ক্যামেরা হাতে। তবে এদের ফটো ব্রগ দেখি না। বিরাট ফাঁকিবাজ পুলাপাইন।আরো হয়ত অনেকেই আছে , যাদের কথা জানি না। সব ফটোগ্রাফাদের নিয়ে যদি একটা এবি ফটোগ্রাফী দল হয়, তাহলে কেমন হয়?ফটোগ্রাফাররা দলবেঁধে কোথাও ছবি তুলতে গেলো, আমার মতো ভক্তরা সঙ্গী হলো একদিন! এটা ব্রগার হিসেবে আমার ভাবনা, প্রস্তাব। দেখি কে কি বলে! আদৌ বাস্তবায়ন হবে কি হবে না সেটা ফটোগ্রফাররাই বলুক!
আজিরা দিনপঞ্জী... ১৫
মাঝে মাঝে কারো লেখা পড়ে নিজেও কিছু একটা লিখতে ইচ্ছে করে, কখনও লেখা হয় আবার কখনও কি লিখবো কিছুতেই খুঁজে পাইনা। আর আজকাল অনেকবার আধাপৃষ্ঠা, এমনকি একটা গোটা পৃষ্ঠা লিখে ফেলেও আবার মুছে ফেলেছি সব। অনুভূতিটা ঠিক অভিমানবোধ কিংবা হতাশাবোধও নয়- কেমন একটা মিশেল অনুভূতি। কেন লিখবো সেই কারণটাকে নিজের কাছে জাস্টিফাই করতে পারিনা। আমি একটা কেমনধারা যেন ! একটা সময় ছিলো নিজেকে নিয়ে কনফিউজড ছিলাম অনেক, এখন আর কনফিউশান নাই সেই মাত্রায়... তবে একেবারেই যে নাই সেই কথা জোরগলায় বলতে পারছিনা।
খালেদা জিয়া তোমাকে বলছি - মনে কি পরে সেই নিকট অতীতদিনের কথা ???
দেখেনতো হাসপাতালের বেডে কে শুয়ে আছে ?
![]()
মনে কি পরে খালেদা জিয়া দেখেন তো চেনা যায় এই মহিলাকে ?
দেখেনতো কার শরীর রক্তাক্ত । চেনা যায় ?
![]()
আচ্ছা খালেদা এই লাশের ওজোন কত হতে পারে ??
![]()
আর এইটা -