ইউজার লগইন
ব্লগ
জীবিকা অথবা জীবন- ৫
রান্নাঘরে খুটখাট শব্দ শুনে মনু মিয়া এগিয়ে গিয়ে দেখলো সালমা বেগম একটি টিন হাতে নিয়ে কিছু করছেন। হয়তো খুলতেই চেষ্টা করছিলেন। তা দেখে সে বললো, নানি আমি কিছু করনের আছে?
করলে তো অনেক কিছুই করা পারছ।
কন কি করন লাগবো? বলতে বলতে এগিয়ে গিয়ে সালমা বেগমের পাশে দাঁড়ায় সে।
তিনি টিনটা এগিয়ে দিয়ে বললেন, এইটার ঢাকনাটা দেখ দেখি খোলা পারছ কি না!
চুলোর পাশেই পেতলের একটি খুন্তি পড়েছিলো মেঝেতে। সেটি তুল নিয়ে টিনের ঢাকনার পাশে লাগিয়ে সামান্য চাড় দিতেই সেটা উঠে এলো। সালমা বেগম খুশি হয়ে বললেন, আরে করছস কি? এই বুদ্ধিটা তো আমারও জাননের কথা আছিলো!
মনু মিয়া হাসে। বলে, নানি, অহন আফনের বুদ্ধিরও বয়স অইছে। এইসব ছোডমোডো বুদ্ধি আফনের মাতাত কাম করে না!
ঠিকই কইছসরে! আমার বয়স হইছে। এই কথাটা মনে থাকে না। অনেক বছর ধইরা নিজে নিজেই সব করতাছি তো, তার লাইগ্যা বুঝা পারি না!
আজকের ডায়লগ : কত নাই?
পয়লাই একটা গফ শুনেন... ব্যাপক প্রচলিত... অনেকেই জানেন
আমরা বন্ধুর ফটোগ্রাফী দল এবং তাদের ফটো ওয়াক
ব্লগে, ফেসবুকে রায়হান ভাই এর তোলা ছবি দেখে ভাবি, এত সুন্দর ছবি তুলে কিভাবে? এক্টু আগেও নীড়দার পোষ্টে রায়হান ভাই এর তোলা এক্টা পাহাড়ের ছবি দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকলাম। প্রায়ই উনাকে বলি , ছবি তুলতে কোথাও যাবেন?আমরা সঙ্গী হবো।উনি বেশীরভাগ সময়ই ভাবের উপড়ে থাকেন। অবশ্য তা না হলে কি আর মানায়?
এই ব্লগের অনেকেই দারুণ ছবি তুলে। ভাস্করদা, সাঈদ ভাই , মীর, বৃত্তবন্দীর এর ছবি দেখেও মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থাকি। মুক্ত, বোহেমিয়ানকেও দেখি ক্যামেরা হাতে। তবে এদের ফটো ব্রগ দেখি না। বিরাট ফাঁকিবাজ পুলাপাইন।আরো হয়ত অনেকেই আছে , যাদের কথা জানি না। সব ফটোগ্রাফাদের নিয়ে যদি একটা এবি ফটোগ্রাফী দল হয়, তাহলে কেমন হয়?ফটোগ্রাফাররা দলবেঁধে কোথাও ছবি তুলতে গেলো, আমার মতো ভক্তরা সঙ্গী হলো একদিন! এটা ব্রগার হিসেবে আমার ভাবনা, প্রস্তাব। দেখি কে কি বলে! আদৌ বাস্তবায়ন হবে কি হবে না সেটা ফটোগ্রফাররাই বলুক!
আজিরা দিনপঞ্জী... ১৫
মাঝে মাঝে কারো লেখা পড়ে নিজেও কিছু একটা লিখতে ইচ্ছে করে, কখনও লেখা হয় আবার কখনও কি লিখবো কিছুতেই খুঁজে পাইনা। আর আজকাল অনেকবার আধাপৃষ্ঠা, এমনকি একটা গোটা পৃষ্ঠা লিখে ফেলেও আবার মুছে ফেলেছি সব। অনুভূতিটা ঠিক অভিমানবোধ কিংবা হতাশাবোধও নয়- কেমন একটা মিশেল অনুভূতি। কেন লিখবো সেই কারণটাকে নিজের কাছে জাস্টিফাই করতে পারিনা। আমি একটা কেমনধারা যেন ! একটা সময় ছিলো নিজেকে নিয়ে কনফিউজড ছিলাম অনেক, এখন আর কনফিউশান নাই সেই মাত্রায়... তবে একেবারেই যে নাই সেই কথা জোরগলায় বলতে পারছিনা।
খালেদা জিয়া তোমাকে বলছি - মনে কি পরে সেই নিকট অতীতদিনের কথা ???
দেখেনতো হাসপাতালের বেডে কে শুয়ে আছে ?
![]()
মনে কি পরে খালেদা জিয়া দেখেন তো চেনা যায় এই মহিলাকে ?
দেখেনতো কার শরীর রক্তাক্ত । চেনা যায় ?
![]()
আচ্ছা খালেদা এই লাশের ওজোন কত হতে পারে ??
![]()
আর এইটা -
শ্বাপদ সংকুল রাতের শিহরন পেরিয়ে বৈচিত্রময় দিবসে
আগের কাহিনী জানতে
.
১.
রাত কতো জানি না। ঘড়ি নেই। সময়ের কোন হিসেব রাখবো না বলে ঘড়ি আনিনি।
ঘরটা ভেঙ্গে পড়বে মনে হলেও ছুটে বেরিয়ে যেতে সাহস হচ্ছে না ঘুটঘুটে অন্ধকারে।
.
কুঁড়ে ঘরের চালের উপর থেকে এবার গরররররররর গররররর জাতীয় অদ্ভুত কিছু বিজাতীয় শব্দ ভেসে আসছে। ভীতু মানুষ না হলেও, এই সময়ের জন্য সাহসটা দমে গেল। এডভেঞ্চারের শুরুতে বেঘোরে মারা পড়াটা কোন কাজের কাজ হবে না। তবে ভয়ের চেয়েও একটা বিচিত্র অভিজ্ঞাতর লোভ অনেক বেশী আবিষ্ট করে রেখেছে বলে ভয়টা দাঁত ফোটাতে পারছে না।
.
মেন্যু
আর মাত্র ৩২ দিন!!!!!!!!!!
তারপর বাংলাদেশ।আমার বাংলাদেশ আমার রাজশাহী।ভাবতেই ভালো লাগছে। দেশে গেলে আমাকে কে কি খাওয়াবে তার একটা লিস্ট করেছি।আল্লাহর রহমতে আমার দেশী খাবারের কোনটাতেই অরুচি নাই।তাই বাকী দের মেন্যুর নাম দিয়ে দিলে ভালো হতো কারন আমার শিডিউল করতে হবে তো।
সাঈদ ভাইঃ নতুন ফ্ল্যাটে নতুন ভাবীর হাতের কাচ্চি বিরিয়ানী,ঝাল মুরগীর মাংস,কাবাব,বোরহানী আরো অনেক কিছু।
মেসবাহ ভাইঃ ল্যাবেইডের খিচুড়ী।
জয়িতা ফুপিঃ ধানমন্ডির পাচঁ নাম্বারের ফুচকা,চটপটি।
উদরাজী কাকাঃ শরবত
মেন্যুর নাম দিন আর দোজাহানের অশেষ নেকী হাসিল করুন।

তোমার কী একটু সময় হবে সময় দেবার!
ইচ্ছে ছিল বেড়াতে যাবো অজানাকে সাথে নিয়ে। নেয়া হবে আচানক কোন পথে পা ফেলার সমূহ অনুভূতি। দিন-রাতের ভেদ ভুলে পূরো দিন ধরে আবিস্কার করবো নূতন কোন পথ। যে পথে আর কেউ হাটেনি ও পর্যন্ত। তুমি-আমি ছাড়া যে পথের দিশে পায়নি/পাবেনা কেউ কোনজন।
পৃথিবীর পথে হাটতে গিয়ে অনেকগুলো পথ আমার সাথে পরিচিত হয়েছে। তাদের অনেকের চেহারা মিশে গেছে কালের স্রোতে আবার অনেককেই মনে রেখেছি সজ্ঞানে কিংবা অজ্ঞানে। তাদের কেউ কড়া নাড়ে,কেউ হাতড়ায়। তাই মাঝে মাঝে ভাবতে বসি যদি কখনো পরিচিতের দাবি নিয়ে কেউ সামনে দাঁড়ায় আমার কী আছে করার? এখানে কেমন ভাবছো তুমি!
এই ক'দিন আমি একটা হতাশার পাখি দেখেছি যে রোজ রোজ আকাশ ছেড়ে আমাতে এসে বাসা বাঁধে। আমি ফি-বার তাকে তাড়াতে গিয়ে বৃথা মনোরথে ঘরে ফিরি। সেও আমাকে ছাড়েনা যেন আমিই তার কাংখিতজন। আমি তাকে দেখে হতাশ হই আর ব্যর্থজনের মতো অভিসম্পাত ছুঁড়ি বাতাসে; কেন তবে পেলে না আর অন্যকোনজন-অন্য কেউ!
রোগ-সুন্দর
ভূমিকা: ভাইরাল, জ্বর-গলা ব্যথা-চোখ লাল-জ্বিভ বিস্বাদ! তবে এসব যন্ত্রণা সহ্য করেও যখন দেখি সোমবার দুপুরে; অফিসের থাবড়ানি ভোগ না করে, মেডিকাল লিভের দৌলতে ঘরে বসে মন দিয়ে ভি সি ডি’তে আইস এজ দেখছি, তখন দিল সুপার খুশ হয়ে যায়। সাবাস ভাইরাল, উইকেন্ডটাকে পাস কাটিয়ে ঠিক রবিবার রাত থেকে গায়ে টেম্পরেচার। কি টাইমিং মাইরি। নাহ, শুধু সেলস টার্গেটি নয়, জীবনে ভগবানও আছেন। বিকেলে বউ সলিড ঝাল ফুচকা নিয়ে আসবে, তাতে নাকি জ্বিভের টেস্ট-বাড’রা জেগে উঠবে। এই বডি টেম্পরেচার আর দু দিন টানতে পারলেই হল, বিষ্যুদ-শুক্কুর অফিসে টুকি মেরেই ফের উইকেণ্ড, ক্লাস সিচুয়েশন!
অতএব কনক্লুশান?, রোগ-ভোগ মানে যে হামেশাই টেনশন-দুশ্চিন্তা-কষ্ট তা নয়। প্রাসঙ্গিক দুটি কেস:
1। জনডিস
জীবিকা অথবা জীবন- ৪
বেশ নিশ্চিন্ত মনে কাজে লেগে যায় মনু মিয়া। গরুছাগল আর হাঁস-মুরগির যত্ন-আত্তি সে ভালোই পারবে। কিন্তু রাতের বেলা যখন রান্নাঘরে বসে হাঁড়ি-পাতিল, এঁটো বাসন-পেয়ালা ধুতে বসলো তখনই তার মনটা খারাপ হয়ে গিয়েছিলো কিছুক্ষণের জন্য।
জ্বরাক্রান্ত, জরাক্রান্ত
গত কয়েক দিনে থেমে থেমে আমার জ্বর হয়েছে কয়েকবার। সর্দি-জ্বর। একটু ঠান্ডা পানি ধরেছিতো, ব্যাস শুরু হয়ে গেল হাপিশ-শো...
জ্বরের সময় সবচেয়ে কষ্ট লাগে রাতে। জ্বর বাড়ে। ১০১, ১০২...
ঘুম হয় না। একটা ঘোর। তন্দ্রা। ছটফটানি। ঘুম, ঘোর, তন্দ্রা মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। এক অন্যরকম জগতে হাবুডুবু খাওয়ার মতো। যেন অনেকগুলো অন্ধকার দলা পাকিয়ে ধেয়ে আসছে আমার দিকে। বাঁচাও, বাঁচাও। কখনো যেন বা পড়ে যাচ্ছি- খাট ভেদ করে ফ্লোরে; ফ্লোর থেকে তিন তলায়, দোতলায়, নিচ তলায়; মাটি ফেটে গিয়ে পাতালে। পতন, পতন...।
আবার কখনো যেন উড়ছি আকাশে। উড়তে উড়তে একেবারে সূর্যের কাছাকাছি। উফ, কত উষ্ণতা, কত আলো! চোখ ধাঁধিয়ে যায়, শরীর পুড়ে যায়। সমুদ্র চাই, সমুদ্র। পড়ে যাই সমুদ্রে। ভেসে উঠি, ডুবে যাই। দম আটকে যায়। চিৎকার দিয়ে জেগে উঠি।
সকালের দিকে আবার ভালো লাগে। পত্রিকা পড়ি। টিভি দেখি।
এখনো আলোর অপেক্ষায়....
আত্মাটা ভেবে ভেবে ক্ষত-বিক্ষত......
কেন এত রক্তক্ষয়,অনিয়ম আর ধ্বংসযজ্ঞ !!
লক্ষ্যটা হলো কতটুকু অর্জিত??
'অর্জন"----কথাটি যাবে কি রয়ে ;
কেবলই একটি শব্দ হয়ে..!
তাকিয়ে দেখি....
উড়ন্ত ক্রমশ বিবর্ণ পতাকাখানি
বাড়ন্ত এক ক্ষত হয় দৃষ্টিগোচর...
এ যেন হৃদয়ে ক্ষরণ রক্তের...
আর সবুজের গায়ে হলুদ ব্যাধি...।
একি তবে প্রতিবাদের নতুন এক হাতছানি !!
দৃষ্টি সমূখে অদ্ভুত আঁধার এক ;
আসছে কেবলই ধেয়ে....
কালো ধূসর মেঘ ।।
অপেক্ষায় থাকি,কবে দেবে দেখা...
মেঘের আড়ালে লুকিয়ে থাকা
রূপোলী সেই রেখা ।
মনে মনে শুধু জানি
হতে থাকে যার প্রতিধ্বনি......
----------------------
আঁধারেই আলোর কোলাহল ;
অন্ধকারই আলোর কারণ
নিকষ আঁধার চিরেই হবে আলোর বিস্ফোরণ।।
বাড়ী থেকে ফিরে
সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।পোস্ট লিখবো লিখবো করছিলাম কিন্তু লেখা হয়ে উঠলো না কিবোর্ড নষ্ট থাকার কারনে।গরীবের সংসারে আর কি একসময় পিসি নস্ট আবার হার্ড ডিস্ক নস্ট সব ঠিক যখন তখন আবার কিবোর্ড নস্ট।এইভাবেই চলতেছে মেস জীবন।কি আর করার তাই আবারো সাইবার ক্যাফেতে বসেই পোস্টটা লিখছি।গত দুই মাসে যা সাইবার ক্যাফেতে টাকা দিছি তা দিয়ে মনে হয় একটা মডেম কেনা যেতো/#)
মনটা বেজায় ভাল
১৪ ডিসেম্বর আমার চাকরত্বের ৬ বছর পূর্ণ হল। কাল ১৫ তারিখ চাকুরীতে ইস্তফা দিলাম। ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে অপেক্ষায় ছিলাম। মনের আনন্দে দুপুরে কয়েকজন সহকর্মীকে খাওয়ালাম। মোরগ-পোলাও...। সারা অফিসের কেন্দ্রবিন্দু- আমার ইস্তফাপত্র। কারো ধারনা, কিছু না বলে আমাকে নিরিবিলি ছেড়ে দেবে। কারো কারো মতে, আমাকে ডাকবেন। ভাল অফার দেবেন। রাখার চেষ্টা করবেন। আমার মতামত জানতে চাইলে আমি হাসি। তেমন কিছু বলিনা।
ডাক আসবে, জানি। সারাদিন গেল। ধৈর্য্যধারণ অসম্ভব হয়ে পড়ছিল। ৫.৪৬ মিনিটে ডাক আসলো। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ আমার সাথে কথা বলতে চায়। রুদ্দদ্বার বৈঠক হল। ওপারের মানুষটি সাকুল্যে ৬টি বাক্য বললেন। আমি শুধু উত্তর দিলাম। বাড়তি মাত্র ২টি বাক্য বললাম। আমাদের দুজনের মোট বাক্য বিনিময় হল- ১৫টি।
০ এইটা কী পাঠিয়েছ ?
০০ নিশ্চুপ
০ কেন যেতে চাচ্ছো, সমস্যা কী ?
০০ ভাল একটা অফার পেয়েছি
১১৭৭২৯ আর সেই নয়টা মাস
- “খবরদার! সরাতে না মানা করেছি ওটা।”
- “হুহ! কিচ্ছু করা যায় না ছাতার এই মেশিন দিয়ে তাও রেখে দিছেন, এত্তো করে বলছি এটাকে স্টোররুমে রাখি, তা না অকাজের জিনিসটা রাখতে হবে একদম সামনে!”
- “যতন না করলে রতনও চমকায় না, মুছে পুছে রাখবি, ঠিকই কাজ দেবে। এতো ভালো মেশিন আজকাল তৈরীই হয় না, আজ ৪০ বছরেও চলছে এটা। আর সবচেয়ে বড়ো কথা এটার সাথে জড়িয়ে আছে আমার কতো স্মৃতি। মুক্তিযুদ্ধের সেই কষ্টের সময়ও তোদের বাপ-দাদাও পারেনি আমার কাছ থেকে এটাকে দূরে রাখতে।”