ইউজার লগইন
ব্লগ
নারী তুমি ঝলসে ওঠো সদ্য কেনা ছুরির ধারে...
ওপরের শিরোনামটি এবির এক বন্ধুর কবিতা থেকে নেয়া, ব্ন্ধুটির নাম মনে নেই, কিন্তু...বাক্যাটি স্মৃতিতে গাঁথা ছিলো (বনধুটির প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা)। নারী -" ডান হাতে খড়গ জ্বলে, বাঁ হাত করে শংকাহরণ" (জেবিনের লেখা থেকে)। সত্যি মহিয়সী নারী এখন কি না করছে!
একুশে ব্লগ
শুরু হলো পথচলা…
আমরা বিজয় রাখিব ধরে, আমরা শির রাখিব উচ্চ,
আমরা হবো না কখনো নত, সকল বিঘ্ন করিব তুচ্ছ।
মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

আজ ১৬ই ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ভূমিষ্ট হয়। বাংলাদেশের এই বিজয় ছিনিয়ে আনতে দীর্ঘ নয় মাস পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রক্তাক্ত যুদ্ধ করেছে এ দেশের দামাল ছেলেরা। এ যুদ্ধ ছিলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের জন্য যুদ্ধ, পরাধীনতার বিরুদ্ধে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ, মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার আদায়ের জন্য যুদ্ধ। মাতৃভুমির কপালে বিজয়ের লাল টিপ পড়াতে লাখো শহীদ তাদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে, হাজারো মা বোন সম্ভ্রম হারিয়েছেন। আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি লাখ লাখ বীর শহীদের যারা তাদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে আমাদের জন্য এনে দিয়েছে স্বাধীনতা।
ফাহমিদা নবীর সাথে কিছুক্ষণ
বাসুগের আয়োজনে তৃতীয় বারের মতো “বাংলাদেশ ডে” উদযাপিত হলো নেদারল্যান্ডসে। এবারের আয়োজনের মূল আর্কষন ছিলেন সুকন্ঠী গায়িকা “ফাহমিদা নবী”। বাসুগের পক্ষ থেকে তার সাথে করা কিছু একান্ত আলাপচারিতার অংশ বিশেষ পাঠকদের জন্য।
১. নেদারল্যান্ডসে এসে আমাদেরকে দেখে কেমন লাগছে?
এতোদূরে যদিও আপনারা অল্প সংখ্যক বাঙ্গালীই আছেন কিন্তু দেশের প্রতি, বাংলা ভাষার প্রতি, সংস্কৃতির প্রতি আপনাদের এতো টান, দেখে খুব ভালো লাগছে।
২. প্রবাসীরা অহরহ মাতৃভূমিকে ছেড়ে আসার যন্ত্রনায় পোড়ে, দেশের মানুষরা কি সেটা অনুভব করতে পারেন?
জ্বী বুঝতে পারেন। আপনারা অনেক কষ্ট করেন, তাদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা ভাবেন, এতোদূর থেকে তাদের সুখ সুবিধার কথা ভেবে টাকা পয়সা পাঠান, তারা সেটা অনুভব করেন।
৩. গানের হাতেখড়ি কি বাবার কাছেই?
না, ঠিক তা নয়। বাবা আমাদের জন্য ওস্তাদ রেখে দিয়েছিলেন, ওস্তাদ আমানউল্লাহ খান।
বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা সবাইকে।
একটা দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধে অনেক রক্ত ঝরবে, শহীদ হবে যোদ্ধা আর মানুষ হারাবে তাদের প্রিয়জন, এটাই পৃথিবীর অলিখিত নিয়ম। এটা ঘটবেই আর আমরা স্বাভাবিক বলে মেনে নেব শত কষ্ট হলেও। যারা প্রিয়জন হারায় তারাও একসময় এটা মেনে নেয় কারণ দেশকে মুক্ত করতে গিয়ে জীবন দিয়েছে তাদের বাবা, মা,ভাই, বোন, স্বামী, সন্তান। কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রহসন হল সেই সব সূর্য সন্তানদের ইচ্ছা করে ভুলে যাওয়া, তাদের অপমান করা। যারা ছিল স্বাধীনতা বিরোধী তারা আজ মুখোশধারী দেশপ্রেমিক সেজেছে । আর কত মুক্তিযোদ্ধা ন্যূনতম সম্মানটুকুও পায়না। দোষ আসলে আমাদেরই। আমরা জানি কে শয়তান কে ভাল, তারপরও আমরা শয়তানকে মাথায় তুলে নাচি। ৩৮ বছর আগের ইতিহাস হাসিমুখে ভুলে গিয়ে ভন্ডদের মিষ্টি কথায় মাথা ঝাকিয়ে চলি। আমরা সুতো দিয়ে ঝুলানো পুতুলের মত আচরণ করি মাঝে মাঝে।
*******
আজ ১৬ই ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস।১৯৭১ সালের এই দিনে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ভূমিষ্ট হয়। বাংলাদেশের এই বিজয় ছিনিয়ে আনতে দীর্ঘ নয় মাস পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রক্তাক্ত যুদ্ধ করেছে এ দেশের দামাল ছেলেরা।এ যুদ্ধ ছিলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের জন্য যুদ্ধ,পরাধীনতার বিরুদ্ধে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ, মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার আদায়ের জন্য যুদ্ধ। মাতৃভুমির কপালে বিজয়ের লাল টিপ পড়াতে লাখো শহীদ তাদের বুকেরে তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে,হাজারো মা বোন সম্ভ্রম হারিয়েছেন । আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি লাখ লাখ বীর শহীদের যারা তাদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে আমাদের জন্য এনে দিয়েছে স্বাধীনতা।
বিদ্রোহ করিবার চাহে এ মন।
গতকালের চরম দুঃখবোধ ও ভীষণতা কেটে উঠেছে সারাদেশ। আজ সকালের নুতন সুর্য্য ইংগিত দিচ্ছে আগামীকালের, আগামীকাল আমাদের মহান বিজয় দিবস। আমাদের স্বাধীনতা, আমাদের বিজয়। এই ধরনের খুশিমাখা দিন এলে আপনাদের সবার মত আমিও আবেগে ভরে যাই। তবে আমার ভিতরে একটা শুন্যতা কাজ করে - মুক্তিযুদ্বে যে পরিবারের সদস্য হারিয়ে গেছে, তার কথা মনে পড়ে সর্বাগ্রে। মনে পড়ে সেই সব পরিবারের কথা। পিতা, সন্তান, ভাই, বোন, স্বামী হারিয়ে এ পরিবার গুলো কি করে এতটা বছর পার করে এলো। ক্ষনে ক্ষনে আমার মনে পড়ে, ওরা আসবে মনে করে যারা আজো বসে আছে! বাবা, আর কত দেরী। আর কত সময় লাগবে তোর!
খোসা টনিক
খোসা টনিক
তাহমীদ আবরার
গোলাপ ফুলের সুভাস এখন
পদ্ম ফুলে পাবে,
ডাবের পানি ফেলে সবাই
খোসা খুলে খাবে।
ধানের খোসা, গমের খোসা
এবং খোসা ডালের,
গরম পানির সাথে আরো
মিক্স করে দাও চালের।
এর পরে দাও এক পেয়ালা
আলুর খোসা ছুলে,
সকাল-বিকাল মাসেক খেলে
স্বাস্থ্য যাবে ফুলে।
মাসেক খেলে বছর খানেক
লাগবেনা আর খিদে,
পরম সুখে বালিশ ছাড়াই
থাকবে শুধু নিদে।
নিত্যদিনের প্রয়োজনীয়
দ্রব্য মূল্যের কাছে,
হারমানতে হবেনা কারোর
ছুটবে না তার পাছে।
কুয়াশা, মেঘ, পাহাড় ছুঁয়ে আসার ধোঁয়াশা গল্প
১.
চাঁদের গাড়ীটা যেখানে নামিয়ে দিয়ে গেছে পথ ওখানেই শেষ। এর পরে ঝোপঝাড়ের ভেতর দিয়ে হাঁটাপথ মাইল খানেক। মাইল খানেকই হবার কথা। ম্যাপ তাই বলছে। শীতের বিকেলে রোদ বেশীক্ষণ থাকে না। রোদ থাকতে পৌঁছে যেতে হবে। নইলে পথ হারাবার সম্ভাবনা।
.
বাতাসে বুনো একটা মিষ্টি গন্ধ। অসংখ্য পাখির বিচিত্র কিচিরমিচির শব্দে কান ঝালাপালা হবার যোগাড়। খিদে তেষ্টা দুটোই আকড়ে ধরেছিল দীর্ঘ লক্কর ধক্কর যাত্রায়। কিন্তু এই পাহাড়ী বুনো পথে নামার পর কোথাও উধাও হয়ে গেল সব খিদে ক্লান্তি। এই জায়গাটা কত উঁচু এতক্ষন খেয়াল করা হয়নি। নীচের পাহাড়ের উপর ভেসে থাকা ধোঁয়াগুলো যে আসলে মেঘ তা বুঝতে পেরে চমকে উঠি। ওরা ঠিকই বলেছিল। এখান থেকে মেঘ ছোঁয়া যায়। কিন্তু শীতকালে মেঘ অত নীচে নামে?
.
ছবি ব্লগ : শহীদ বুদ্ধিজীবি স্মৃতিসৌধ ও অন্যান্য
আমার অবস্থাও মীরের মত। সাঈদের মত মধ্যবিত্ত না আবার মেসবাহ দাদাভাইয়ের মত অভিজাতও না এবং ছবি তোলার শখ আছে। কয়েক মাস আগে রায়ের বাজার স্মৃতি সৌধের কিছু ছবি তুলেছিলাম। আজ শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে সেখানকারও তার আসে পাশের কিছু ছবি দিলাম।




শুভ জন্মদিন : শ্রদ্ধাভাজনেষু আহমাদ মোস্তফা কামাল
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের জাতক তিনি।
আহমাদ মোস্তফা কামাল। নব্বই দশকে লেখালেখির শুরু। তারপর অল্পদিনের মধ্যে সমকালীন বাংলা কথাসাহিত্যে নিজস্ব স্থান করে নিয়েছেন। ছোটগল্প ও উপন্যাসের পাশাপাশি তাঁর প্রবন্ধও বোদ্ধামহলে সমাদৃত হয়েছে।
পাঠকপ্রিয়তার দিক থেকেও পিছিয়ে নেই তিনি। ব্লগে খুব নিয়মিত না হলেও অন্তর্জাল-কেন্দ্রিক পাঠকদের মধ্যেও তাঁর বিপুল গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। ব্লগসহ অন্যান্য মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের লেখকদের সমর্থন প্রদানে তিনি অকুণ্ঠ। গল্পগ্রন্থ ঘরভরতি মানুষ অথবা নৈঃশব্দ-এর জন্য "প্রথম আলো বর্ষসেরা বই" এবং উপন্যাস অন্ধ জাদুকর-এর জন্য "কালি ও কলম শ্রেষ্ঠ তরুণ লেখক" পুরস্কারে ভূষিত আহমাদ মোস্তফা কামালের জন্মদিনে এবির বন্ধুদের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
এবির এই সম্মানিত ব্লগারকে আমরা ব্লগিংয়ে নিয়মিত দেখতে পাবো, এই আশবাদ রইলো।
শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা

আজ ১৪ই ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকহানাদার ও তাদের দেশীয় দোসর রাজাকার, আল শামস ও আল বদর বাহিনীর সহায়তায় বাঙালী জাতির শ্রেষ্ঠসন্তানদের হত্যা করে।
আত্মসমর্পণের মাত্র দুই দিন আগে রায়েরবাজার বধ্যভূমি, মিরপুর টর্চার সেল সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পড়ে থাকতে দেখা যায় পেছনে হাত বাধা অবস্থায় বুলেট বিদ্ধ নিথর দেহ। বাঙালী জাতির মুক্তি সংগ্রামে এইসব বুদ্ধিজীবীদের মেধা, মনন ও লেখনীর মাধ্যমে স্বাধীনতার সংগঠকদের প্রেরণা যুগিয়েছেন। পথ দেখিয়েছেন মুক্তির। আর সেইটিই কাল হয়ে দাঁড়ায় তাদের জন্য।
পোস্টটা খুলতে নিশ্চিতভাবেই ভীষণ বেগ পেতে হবে
ছবি তোলা, ছবি ঘাঁটাঘাটি করা এসব শখের বশে করি। শুনেছিলাম শখের তোলা নাকি লাখ টাকা। যেহেতু সাঈদ ভাই'র দেয়া মধ্যবিত্তের সংজ্ঞায় পড়ি না (গাড়ি-ফ্ল্যাট নাই, রিসোর্টে বেড়াতেও যাই না), তাই আমার শখের মূল্য নিতান্ত দুই-চার-পাশশো টাকার বেশি হবে না। তাই বলে ছবি নিয়ে ঘাটবো না? মোটেও মানি না।
খুঁজে পেতে বড় সাইজের ছবি জোগাড় করেছি। যাতে পোস্ট লোড হইতে বেশি বেশি সময় লাগে। কারণ একটাই, সবাইকে আমার বাসায় একটু বেশিক্ষণ আটকে রাখা।
০১. পেছনে আগ্নেয়গিরি, ছুটছে মানুষ বাঁচার আশায়।

০২. F1 in F1

০৩. নৌ-বহর, কোন দেশের জানি না। মনে পড়ে গেলো, ছোটবেলায় মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার বিয়াপুক খায়েশ ছিলো।

০৪. হু হু বাবা, পারবেন ওর মতো? 
মুক্তিযুদ্ধের আগে
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আর মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে আজ কেন যেন বারবার মনে পড়ছে আনোয়ারা ফেরদৌসীর কথা । আমাদের সহপাঠী ছিল আনোয়ারা ফেরদৌসী । দশটি মেয়ের মধ্যে সে ছিল ব্যাতিক্রম । আমাদের ক্লাশে একমাত্র সে-ই বোরকা পরে আসতো । তখন তো ইউনিভার্সিটিতে বোরকার প্রচলন প্রায় ছিলই না । আমরা ঠাট্টাচ্ছলে বলতাম আনোয়ারা ফেরদৌসী অন্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবার জন্য বোরকা পরে ক্লাশে আসে, অবশ্যই আড়ালে । মেয়েদের সাথে সেসময় আমরা বেশ খানিকটা দূরত্ব বজায় রেখে চলতাম । ‘তুই-তুমি’ বলার মত ঘনিষ্ঠতা হতোই না প্রায় । আমরা একে অপরকে প্রয়োজনে নাম ধরেই ডাকতাম, কিন্তু কথা চলতো ‘আপনি’ বলে । হ্যাঁ, আনোয়ারা য়েরদৌসীকে একদিন দেখেছিলাম বোরকাবিহীন । ক্লাশের সবাই গিয়েছিলাম পিকনিকে মধুপুর । তখন পিকনিক বলতাম না আমরা, বলতাম ‘স্টাডিট্যুর’। তো, সেই স্টাডিট্যুরে যেয়ে সবাইকেই দেখতে পাচ্ছিলাম, কিন্তু বোরকা পরিহিতা কাউকে না দেখে এক সহপাঠিনীকে জিজ্
এই পোস্টটা খুলতে নিশ্চিতভাবেই সবাইকে ভীষণ বেগ পেতে হবে
ছবি তোলা, ছবি ঘাঁটাঘাটি করা এসব শখের বশে করি। শুনেছিলাম শখের তোলা নাকি লাখ টাকা। যেহেতু সাঈদ ভাই'র দেয়া মধ্যবিত্তের সংজ্ঞায় পড়ি না (কারণ আমার গাড়ি-ফ্ল্যাট নাই, রিসোর্টে বেড়াতেও যাই না), তাই আমার শখের মূল্য নিতান্ত দুই-চার-পাশশো টাকার বেশি হবে না। তাই বলে ছবি নিয়ে ঘাটবো না? ঘাটবো তো বটেই। একটু বড় বড় সাইজের ছবি জোগাড় করেছি। যাতে পোস্ট লোড হইতে খানিকটা সময় বেশি লাগে। এর কারণ অতিথিকে নিজের বাসায় একটু বেশিক্ষণ আটকে রাখা।
০১. পেছনে আগ্নেয়গিরি, ছুটছে মানুষ বাঁচার আশায়।

০২. F1 in F1
