ইউজার লগইন
ব্লগ
যদিও আমি নারীবাদী নই
আমার বন্ধুর মা, পাগল । পাগল মা, তিন ভাই এবং আমার বন্ধুর বাবা, আমরা এক ই মহল্লায় থাকি। খালাম্মা আমাদের সমানে ই পাগল হলেন। তখন আমরা মাত্র মাধ্যমিক স্কুলে ঢুকেছি। খালাম্মা খুব চুপচাপ মানুষ। বেশ বই টই পড়তেন। খুব সাধারন জীবন যাপন করতেন। নিজের একটা জগত ছিল তার। মহল্লার মহিলা গসিপিঙ্গ বা শাড়ি গয়না গ্রুপের একটু বাইরে ই ছিলেন। ছেলেদের পড়া শুনা নিয়ে বেশ যত্নবান ছিলেন। নিজে ই পড়াতেন। আমার বন্ধু তার বড় ছেলে যখন ষষ্ঠ শ্রেণীতে এবং ছোট ছেলে যখন আমার ভাইয়ের সাথে চতুর্থ শ্রেণীতে, তখন ওনি সন্তান সম্ভবা। চাচা তখনকার সময়ের সরকারী চাকুরীজীবীরা যেমন ফিট ফাট গোছানো, তেমন ই ছিলেন। শান্ত- শিষ্ট, পরোপকারী, সাধারন মানুষ। বেশ অসুস্থ ছিলেন খালাম্মা সেই সময়টায়। কিছুদিন পর আরেকটি ছেলের মা হলেন। এবং পর পর ই জানতে পারলাম যে খালাম্মা পাগল হয়ে গিয়েছেন। চাচার ওনাকে বন্দি করে রাখতে হচ্ছে। এলাকায় সবাই কানাঘুসা………ঘটনা কি?
চোখ বুঁজিলেই দুনিয়া আঁধার
পথিক, তুমি কি পথ হারাইছো ?
না, আমি হারাইছি দিশা।
তাবৎ সমস্যার মাঝে বসতি আমার।
কোনোভাবেই টিউনিং হচ্ছে না। চেষ্টার কোনো কমতি নেই।
যে, যার মতো করে চলছে। যা খুশি করছে। কেউ কোনো সিস্টেমের মধ্যে থাকতে চাচ্ছে না। শুধু বিদ্যুৎ বা গ্যাস খাতে নয়। জীবনের পরতে পরতে সিস্টেম লস।
এই জীবনের যা কিছু অর্জণ, সবই কি তাহলে ভুল ?
চাওয়া আর সাধ্যের মাঝে কেনো এত্ত ফারাক।
কেনো এই মিছে ভুল বোঝাবুঝি।
চোখ মুদলেইতো জাগতিক সব কিছুর পরিসমাপ্তি।
আর একদিনতো চোখ মুদতেই হবে। সবাইকে।
এ থেকে কারো নিস্তার নেই।
ছুঁয়ে দেখবার মন মরা আশ ভালবাসে জল হয়ে ঝরতে
১.
সেদিন কাউফল্যান্ড থেকে এক জোড়া জুতা কিনছি। ফিলা ব্র্যান্ডের। সাধারণত ওদের জুতা ৪০ ইউরোর নিচে পাওয়া যায় না। অ্যাডিডাসের শুরু ৫০ থেকে। রিবুক ৫৫। দাম দেখলেই ইচ্ছারা চুপসে যায়। তবে সেদিন এক জোড়া পেয়ে গেলাম নাগালের মধ্যে। বিশেষ অফার চলছিল। সাইজমতো পেয়ে আর দেরি করলাম না। বাডা বিম, বাডা বুম।
রবার্টকে বলে রেখেছিলাম শপিং-এ যাবো। পরে একা একাই জুতা কিনে ফেলেছি শুনে রাগের চোটে একটা বিয়ার একাই টেনে ফেললো। তারপর আরেকটা খুলে খুব হম্বিতম্বি শুরু করলো। প্রিসকা ঘটনা শুনে আমাকে ফোন করে দিলো একটা রামধমক। কেন আমি ওকে নিয়ে শপিং-এ যাবার কথা বলেও একা একা জুতা কিনে ফেলেছি? এখন হ্যাপা সামলাবে কে?
মা আর প্রেয়সী
মা আর প্রেয়সীর ভালবাসার পার্থক্য
গত কালই বুঝতে পারলাম, গুমের ওউষদ
খেয়ে যখন অচেতন, চেতন ফিরে দেখি
মা কাঁদছে আর প্রিয়া ফেইসবুকে চ্যাট
করছে। এই হল ভালবাসা। সেই গানটির
কথা খুব মনে পরছে, মায়ের কান্দন যাবত
জীবন
কয়েক মাস যায় বইনের কান্দন গো,
ঘরের পরিবারের কান্দন
কয়েক দিন পর থাকে না,
গর্বধারিণী মা ,জনমদঃখিনী মা,
দঃখের দরদী আমার জনম
দুঃখী মা।
অথচ দেখুন মায়ের কথা সারাদিন যত বার না ভেবেছি, তার চেয়ে বেশি ভেবেছি প্রেয়সীর কথা।।।।
দুঃসংবাদ
সুখকর কোনও খবর নেই আপাতত
হতাশাগ্রস্ত তরুন-তরুণীরা বিদায় নিয়েছে অনেক আগেই
বুড়ো সিগারেটওয়ালাটাও নিকোটিনের ভাণ্ডার উজাড় করে দিয়ে
চলে গেছে
রাস্তাগুলো আমাকে বিদায় জানিয়েছে তারও আগে
দিন শেষে আমি ফিরে গেছি আমার বিষণ্ণ কামরায়
আমাকে গিলে খেয়েছে বদ অভ্যাসেরা
আক্রান্ত করেছে আলস্য
দংশন করেছে দুশ্চিন্তা
শীর্ণ হয়েছে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আর বেশভূষা
মনে হচ্ছে আমিও আর মানুষ নই এখন
এ সংবাদ যথেষ্ট আনন্দের নয়
তবে এইমাত্র আবার বৃষ্টি নেমেছে
তোমরা ইতোমধ্যে উপভোগের আসর সাজিয়ে নিয়েছ
গান অথবা কবিতায়
সে আসরে সমাদৃত হবে-এমন খবর নেই এখানে।
বাংলাদেশের দর্শককুল...
একটা সময় ছিল যখন ঢাকা স্টেডিয়ামে মোহামেডান আবাহনীর জাম্পেস খেলা হইতো... গ্যালারী টিকেট পাওয়া যেত না। খেলার দিন মাঠের কাউন্টারে বিশাল লাইনে টিকেট কেনা... সদলবলে খেলা দেখা... প্রতিটা মহল্লায় দুই দলের সমর্থকদের পতাকা টাঙ্গানোর প্রতিযোগীতা... আসলে সে এক উত্তাল সময় ছিল।
মোহামেডানের বিশাল একটা সমর্থকগোষ্টি ছিল ঠাটারী বাজার টু নয়াবাজারের কসাই সম্প্রদায়। শোনা যেত সেই সময় মোহামেডান বিজয়ীর দিন মাংসের দাম কমাইয়া দেয়া হইতো।
ঢাকা স্টেডিয়ামের শেষের দিনগুলোতে মাঠের দর্শকদের অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালির সাথে তখন থেকেই পরিচিত। মাঝে মাঝে মনে হইতো কানে তুলা দিয়া খেলা দেখতে যাই। খেলা চলাকালীন সময়ে ঢাকা স্টেডিয়ামের নিচ দিয়ে হেটে যাওয়া পথচারীদের বৃষ্টিছাড়াই ভিজে যাওয়ার কথা নাই বা বলি 
পৈশাচিকানন্দে উইকেন্ড উদযাপন
টানা দুই ওয়ানডে জিতে ভারতের বিপক্ষে যেভাবে সিরিজ নিজেদের করে নিলো বাংলাদেশ, তা দেখে যারপরনাই সুখ আর শান্তি অনুভূত হয়েছে। এ দুই জয়ে হৃদয়ে সৃষ্ট অনেকগুলো ক্ষত পুরোপুরি সেরে উঠলো। বিশ্বকাপের সময় বানানো মওকা মওকা বিজ্ঞাপনটা ছিল ক্ষতগুলোর মধ্যে গভীরতম। বিশেষ করে উল্লেখ করতে চাই বিজ্ঞাপনের সেই মুহূর্তটির কথা, যেখানে আমাদের প্রাণের মুক্তিযুদ্ধকেও হেয় করা হয়েছিল। যদিও আমি মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি, অপরকে ছোট করার মধ্যে কোনো মাহাত্ম্য নেই। সেটা বরং নিজের দেউলিয়াত্ব খুব খোলাখুলিভাবে প্রকাশ করে দেয়। তারপরও আশা করে ছিলাম বিশ্বকাপেই ভারতকে হারিয়ে ওই বিজ্ঞাপনের একটা দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে। হয়তো সেটা হতোও। কিন্তু বাঁধ সাধল পাকিস্তানি আম্পায়ার আলীম দার।
আমাদের সমাজ
সমাজ বলতে আলাদা কোন বস্তু নয় বরং একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে মানুষের জীবনধারা, আচারণ-আচরণ ও জীবন ধারার একটা ছককেই বুঝি মশাই। আমি যে সমাজে বড় হয়েছি সেটি খুব উন্নত নৈতিক সমাজ না হলেও যে বর্বর তা বলা যাবে না। ছোট বেলায় যখন স্কুলে যাই তখন মালাউন, মুসলিম এই শব্দগুলোর সাথে পরিচিত হই। ছোট বেলায় বুঝতে পারি; মালাউন একটি নেতিবাচক শব্দ। পিতার কাছে জিজ্ঞেস করলাম মালাউন অর্থ কী? পিতা বলল-যারা বলে তারা না বুঝে বলে এর অর্থ জানার দরকার নেই। কেউ এই নামে ডাকলে উত্তর দেবারও প্রয়োজন নেই। আমার এখনো মনে আছে আমি আমার বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম বাবা মুসলিম কী? বাবা বলেছিল এটা একটা নাম। আমরা সবাই মানুষ এটাই আমাদের পরিচয়। কর্মই ধর্ম এটাই হল আমার বাবার দর্শন। তাই হয়তো কখনো ধর্ম বা হিন্দু-মুসলিম নিয়ে মাথা ঘামানোর ব্যগ্রতা জাগেনি মনে। তাই মানুষের সাথে মেশার ক্ষেত্রে ধর্মীয় চিন্তা ও আঞ্চলিকতপ্রীতি ছিল বিচারহীন ভাবে।
সীসার রাজ্যে পৃথিবী নুডলসময়
বিগত বেশ কয়দিন যাবৎ নুডলসে সীসা পাওয়া গেছে শুনতে শুনতে ভাবলাম সীসার উপস্থিতি নিজে নিজে সনাক্ত করা যায় কিনা। আর করা গেলে সেটা কেমন কঠিন আর ব্যায়বহুল হতে পারে তা জানার চেষ্টা করলাম। উন্নত দেশ গুলোতে "লেড ডিটেকশন কিট" কিনতে পাওয়া যায় আর তা দিয়ে ১৫ মিনিটের মধ্যেই সীসার উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়। আমাদের দেশে খোঁজ করে দেখলাম এমন কিছু পাওয়া যায় না (হয়তোবা আমার সোর্স ভালো না, অন্যরা খুঁজে দেখতে পারেন)। যাই হোক কাজের কথায় আসি। এখানে আমার এক বন্ধুর কাছে জানতে পারলাম সেই লেড ডিটেকশন কিট চাইলে নিজেই বাসায় বানানো যায়। তার কাছে যা শুনলাম তা হুবহু তুলে ধরলাম।
কি কি লাগবে
১) কটন সোয়াব / কান পরিষ্কার করার জন্য তুলা যুক্ত কাঠি
২) পরিষ্কার ডিসপোজেবল প্লাস্টিক কাপ
৩) সাদা রংয়ের পরিষ্কার ডিসপোজেবল প্লেট / থালা
৪) রাবিং এ্যালকোহল (ইথানল) বা নেইল পলিশ রিমুভার (এসিটোন)
অভিমান নাকি নিস্পৃহতা
দিনের পর দিন কারো সাথে কথা না বললে কী হয়
মনের মধ্যে আর কোন গল্প জমে না
কারো জন্যে কোন অপেক্ষা থাকে না।
সবকিছুতেই কী একটা অদ্ভূত নিস্পৃহতা।
আকাশে বড় একটা চাঁদ উঠলে মনে হয়, কী যায় আসে
ভরা পূর্ণিমায় পৃথিবীর গাছপালা হেসে লুটিয়ে পড়লে মনে হয়, বয়েই গেলো তাতে।
রঙিন ফুলে প্রজাপতির ওড়াওড়ি খানিকক্ষণ চুপটি করে দেখার পর
হয়তো অজান্তেই মৃদু নিঃশ্বাস বেড়িয়ে যায়
কিন্তু কী অদ্ভূত জানো
এই নিঃসঙ্গতার মধ্যে অন্য একটি মাদকতা আছে।
কাউকে ছুঁয়ে না ছুঁয়ে থাকার অন্যরকম ভাললাগা
যার নাম জানা যায় না, যার আসলে কোন নাম নেই।
কল্পনা করতে ভাল লাগে, আচ্ছা কেউ থাকলে কী হতো?
মনের মধ্যে নিশ্চয় কথার ঢেউ বুদবুদ ফুটাতো
সারাদিনের সারাবেলার অর্থহীন টুকিটাকি তাকে হয়তো জানাতে ইচ্ছে করতো
তার গলা জড়িয়ে ধরে কী লুটিয়ে পড়তাম?
সে কি এই আকুলতা অনুভব করতে পারতো?
কোনো কারণ ছাড়াই এক প্রস্তুতিহীন মেরুভালুক বরফ ভাঙছে
ফ্রাঙ্কফুর্ট এয়ারপোর্টে যখন আমার ড্রিমলাইনার ল্যান্ড করে তখন মনের ভেতর অস্থিরতা ছাড়া আর কিছুই চলছিলো না। টানা ১৫ ঘন্টার বিমান ভ্রমণের পর আসলে, কখন এ বন্দিদশা থেকে মুক্ত হবো- তার অপেক্ষায় অস্থির হওয়া ছাড়া কিছু করার থাকে না। মাঝে একবার বিমান পরিবর্তনের জন্য ঘন্টা তিনেকের বিরতি পেয়েছিলাম। তাতে অস্থিরতা বেড়েছেই কেবল, কমে নি কারণ গন্তব্যে পৌঁছে সবকিছু ঠিকঠাকমতো করতে পারবো কিনা, আমার জানা ছিল না। কেবল জানতাম- যেকোন মূল্যে আমাকে গন্তব্যে পৌঁছুতেই হবে। বিকল্প কোনো রাস্তা আমার জন্য খোলা ছিল না।
আমের গপ্পো
চাঁপাই থেকে কিছু আম আনালাম। ল্যাংড়া আর গোপালভোগ। বাসায় লোকবল ৪ জন। বড় পুত্র ক্ষাণিকটা আম পছন্দ করে। সমুদ্দুর একদমই না। মোবাইলে গেম খেলতে দেবো বললে এক পিস খায়। মুখের ভাব দেখে মনে হয়-তিতা ওষুধ খাচ্ছে।
কিন্তু আমের প্যাকেট খুলেতো মেজাজ খারাপ আমার। আমের জাত ঠিকাছে। মাগার সব আম ছোটো। যে পাঠালো তাকে জানালাম। সে স্যরি টরি বলে একাকার। পারলে পা ধরে ক্ষমা চায়। লাভ কী ?
গতকাল এসএ পরিবহন থেকে ফোন করলো। আমার নামে এক খাঁচি আম এসেছে। কোত্থেকে, জানতে চাইলাম। বললো, চাঁপাই থেকে। ওই বেটা আবার আম পাঠাইছে। গেলাম। আমের খাঁচি নিলাম।
বাসায় গিয়ে খুলে দেখলাম, এবারের আম মোটামুটি বড়। ওই লোককে ফোন করলাম। আবার কেনো আম পাঠাইছে, জানার জন্য। বেটা বলে কী, স্যার, আগের আম ছোট পড়ছে। আমি লজ্জিত। তাই আপনের জন্য আবার আম পাঠাইলাম। কত কেজি ? দাম কত ?
প্যারেডি গানের কী ছিরি...
অনেকদিন আগে কোনো একজন বিবাহিত লোকের মুখে শোনা গান।
'তুমি কি দেখেছো কভু, জীবনের পরাজয়। দুখের দহনে করুন রোদনে তিলে তিলে তার ক্ষয়' এর প্যারেডি গান এটি:
সাধে কি বলিগো আমি
এ জীবন জ্বালাময়
বিয়ার পরেতে
বউয়ের জ্বালায়
তিলেতিলে মোর ক্ষয়।।
প্রতিদিন কত শালা-শালী আসে
বোনের খবর নিতে
সারারাত মোর বাইরে কাটে
মশার কামড়েতে।
নিউমার্কেটে পকেট আমার
শূণ্য হয়ে যায়
মুদির দোকানে বাকীর খাতাটা
পূর্ণ রয়ে যায়।
এক সাধের বউ তবু মোর
মুখ ভার করে রয়...
বিয়ের পরেতে বউয়ের জ্বালায়
তিলে তিলে মোর ক্ষয় ।।
স্নো-পাউডার-গহনা পর্লার
প্রতিদিন বায়না
হাইহিল আর সিনেমা ছাড়া
তাকে মানায় না
এই করে করে পকেট আমার
শূণ্য হয়ে যায়
মুদির দোকানী আমার দিকে
আড় চোখে তাকায়
এত সাধের বউ তবু মোর
মুখ ভার করে রয়...
বিয়ার পরেতে
বউয়ের জ্বালায়
তিলেতিলে মোর ক্ষয়।।
সাধে কি বলিগো আমি
এ জীবন জ্বালাময়
বিয়ার পরেতে
দিনশেষে ছাইরঙা স্মৃতিরাই শুধু অপেক্ষা করে
১.
ছোটবেলায় যখন সকালে ঘুম ভাঙ্গতো, তখন এক ধরনের উচ্ছ্বাস ভর করতো মনের ভেতর। দৌঁড়ে গিয়ে রেডি হতাম স্কুলে যাওয়ার জন্য। স্কুল ছিল এক অনন্ত আনন্দের ভান্ডার। যদিও পড়াশোনার পার্টটা খুব বেশি ইন্টারেস্টিং লাগতো না আমার, তবে ওটা ছাড়া অন্য সবকিছুতে আমি হাজির থাকতাম সবার আগে। পারি আর না পারি, ঝাপিয়ে পড়তাম প্রবল বেগে। দুরন্ত একটা শৈশব পার করেছি আমি। অবশ্য পার হয়েছে কিনা জানি না। এখনও নিজেকে শিশুই মনে হয়। ২৫ বছরের যাপিত জীবনের উপলব্ধি এটুকুই।
জিয়াউর রহমান
১৫ খন্ডে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র প্রকাশিত হয়েছিলো। ৯ম খন্ডে স্বাধীনতা যুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের সাক্ষাৎকারভিত্তিক বর্ণনা আছে। চট্টগ্রামে প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশগ্রহন করা শমসের মুবিন চৌধুরী এবং হারুন আহমেদ চৌধুরীর সাক্ষাৎকার আছে সেখানে। কি প্রক্রিয়ায় চট্টগ্রামে প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু হলো তার কিছুটা বর্ণনা সেখানে পাওয়া যায়। শমসের মুবিন চৌধুরীর সাক্ষাৎকারটি নেওয়া হয়েছিলো ২০শে অক্টোবর ১৯৭৩ এবং হারুন আহমেদ চৌধুরীর সাক্ষাৎকারটি নেওয়া হয়েছিলো ১৭ই জানুয়ারী ১৯৭৫ এ।
২৩শে মার্চ খালেকুজ্জামান চৌধুরী, অলি আহমেদ, মাহফুজুর রহমান, শমসের মুবিন চৌধুরী এবং হারুন আহমেদ চৌধুরী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের বাসায় আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করে তাদের জানান " আমরা আপনাদের সাথে আছি। আপনাদের পক্ষ থেকে যদি ঠিক সময়ে কোনো সাড়া বা আভাস পাই আমরা কিছু করতে পারি।"