ইউজার লগইন
ব্লগ
মনে পড়ে : ফেরদৌসী মজুমদার
পড়লাম ফেরদৌসী মজুমদারের লেখা আত্মজীবনী ‘মনে পড়ে’। বনেদি, ধনী মুসলিম পরিবারে জন্ম হয়েছিলো তাঁর ১৯৪৩ সালে। চৌদ্দ ভাইবোনের সংসার ছিলো তাঁদের, তিনি ছিলেন এগারো নম্বর। বেশ কড়া শাসন আর আধুনিকতার মিশ্রণে ছিলো তাঁর পারিবারিক জীবন। কবীর চৌধুরী, শহীদ মুনীর চৌধুরীর বোন তিনি, বাকি ভাই বোনেরাও সমাজে বেশ প্রতিষ্ঠিত, রত্নগর্ভা মায়ের সন্তান তাঁরা। আত্মজীবনীতে তিনি তাঁর পারিবারিক ঘটনা বেশ অকপটেই বলেছেন, সে-জিনিসটা আমার ভাল লেগেছে। আমার নিজের ছোটবেলাও কেটেছে মুসলিম রক্ষণশীল পরিবারে। আমি তাঁর পরিবার দিয়ে কিছুটা যেনো নিজের পরিবারটাই দেখতে পেলাম। মাথায় কাপড় দেয়ার জন্যে, পর্দায় থাকার জন্যে মেয়েদেরকে শাসন, সন্ধ্যেয় বাড়ি ফিরতে দেরি করা নিয়ে ছেলেদেরকে শাসন, পড়াশোনা নিয়ে মারধোর, অশান্তি, হয়তো তখন ঢাকার ঘরে ঘরে এরকমই গল্প ছিলো...
শুভ নববর্ষ
বছর আসে বছর যায় মনের মাঝে অনেক স্মৃতি হয়ে রয়েযায়। যা হয়ে যায় তা অতীত হয়ে যায়। অতীত সহজে ভুলার নয়, কেননা অতীত মানে কোন না কোন অভিজ্ঞতা আর ভবিষ্যৎ হচ্ছে অন্ধকার কারণ আমরা জানিনা আগামীকাল কি হবে তারপরও ভবিষ্যৎ আমাদের স্বপ্ন দেখায়। অনেকই আবার অতীত ভুলে ভবিষ্যতের হিসেব কষতে ব্যস্ত হয়েযায়।(আমি নিজেও বাদ নই) কিন্তু সব অতীত কী ভুলেগেলে চলে। অতীতের সাথে মিশে আছে জীবনের কিছু অংশ, প্রেম, না পাওয়া, কিছু পাওয়া, হতাশা, বেদনা, মানুষের আবেগ অনুভূতি, ভালবাসা, মিশে আছে স্বপ্ন এমনকি গেঁথে আছে সময় আর পরিচয় ইত্যাদি।
জানালা ও কিছু বিকেলের গল্প
একটা মিস্টি কন্ঠের গুঞ্জনে শেষ
বিকেলের দিকে ঘুম ভাংলো রুদ্রর,
ঘড়িতে ৪:১৭ বাজে।
জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখলো
পাশের ছাদে একটা মেয়ে
রেলিংয়ে হাত দিয়ে দাড়িয়ে
রবীন্দ্র সংগীত গাইছে,
মেয়েটার কন্ঠে যেন বিধাতা মধু
ঢেলে দিয়েছে।
অপূর্ব সেই সুরের সুধা রুদ্র মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে
গিলতে লাগলো,
শেষ বিকেলের সোনালী আলো এসে
পড়েছে মেয়েটার চোখে মুখে।
রুদ্রদের জানালা থেকে মেয়েটার
মুখটা দেখা যাচ্ছিলনা।
ছাদের এক কোনে কয়েকটা ফুলের টব,
তার একপাশে একটা পাখির খাচা
ঝুলানো,
তাতে একজোরা পাখি,
এমন সময় রুদ্রর ফোন বেঝে উঠলো,,
রুদ্র ফোনে কথা বলে আবার জানালার
সামনে এসে দাড়ালো,
মেয়েটা নেই, চলে গেছে
রুদ্র এদিক ওদিক তাকিয়ে রুমের ভেতর
চলে গেল।
এই মেয়েটাকে রুদ্র এই ছাদে আর কখনো
দেখেনি,
সম্ভবত ওই বিল্ডিং য়ে নতুন এসেছে।
পরদিন বিকেলবেলা রুদ্র আগ্রহ নিয়ে
জানালার পাশে গিয়ে দাড়ালো,,
"শহিদ" শব্দটি শহিদ হচ্ছে আজকাল
প্রথমেই বলে নিই শহিদের ধারনাটি ইহুদি এবং খ্রিস্টান ধর্ম থেকে এসেছে। মার্টায়ার কথাটার অর্থ ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মের গোড়ার দিকে ছিল সাক্ষী। নিজের ধর্মবিশ্বাস ত্যাগ করার বদলে যে নিজের মৃত্যু অথবা হত্যা প্রত্যক্ষ করে অর্থাৎ তার সাক্ষী হয়, সে হলো মার্টায়ার। ইসলামে শহিদ কথাটা এসেছে এই ধারণা থেকেই। এবং প্রথমে এর অর্থ ছিলো সাক্ষী। নিজের বিশ্বাসের জন্যে যে স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে মেনে নেয়। অপর পক্ষে, হাদিসের ব্যাখ্যা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার আদেশে ধর্মযুদ্ধে যে নিহত হয়, সে-ই হল শহিদ। বৌদ্ধধর্মে বোধিসত্ত্ব কথাটার সঙ্গেও শহিদের ধারণা খানিকটা যোগ হয়েছে। তবে হিন্দু ধর্মে শহিদের ধারণা নেই। বাঙলা ভাষাতেও নেই
কিছুটা শোক বাকীটা অভিনয়
আতিক মারা গেলো। না কেউ উনাকে মারে নি কিংবা কেউ হত্যার হুমকিও দেয় নি। তিনি মারা গেলেন শারীরিক অসুস্থতায়। বয়সে আমার চেয়ে দু তিন বছরের বড় হবে। সাধারন মানুষ, পড়াশুনা করে নাই, দুইটা বিয়ে করেছেন, কাজ করেন মুলত রড মিস্ত্রি হিসেবে। উনাকে আমার চেনার কথাও না। চিনি মুলত উনি আর আমি এক দোকানে চা খাই বলে, উনি মাঝি সাহেবের আদরের ছোট সন্তান বলে, আর উনি খালি গায়ে সব সময় ঘুরতেন বলে কিংবা সারা শরীরে উনার অনেক কাটা ছেড়ার দাগ আছে বলে। এই তো সেদিন ভারত- বাংলাদেশের ম্যাচের দিনও উনার সাথে বসে ছিলাম খেলা দেখতে। আমি জিগ্যেস করেছিলাম, আপনি রোদে কেন?
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার


ছবিঃ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি ছাপানো হয় এই যন্ত্রটি দ্বারা।
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ দিবাগত রাতে গ্রেপ্তারের আগেই বঙ্গবন্ধু আওয়ামীলীগের ততকালীন নেতাদের আলাদা আলাদাভাবে বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়ে যান। তিনি একাধিক পরিকল্পনা করেছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায় পরবর্তীতে। একাধিক পরিকল্পনার কারণ ছিল, কোন একটি পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে যাতে অন্যটি কাজে লাগানো যায়। বঙ্গবন্ধুর সেই নির্দেশনা অনুসারেই
কিছু কথা
অভিজিৎ রায় খুন হওয়ার এক মাস চারদিন পর খুন হয় ওয়াশিকুর বাবুর। অভিজিৎ দা’র ঘটনা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছিলাম না। অভিজিৎ দা’র সাথে বই মেলায় দেখা হয় ১৯ ফেব্রুয়ারি। এই ফেব্রুয়ারি মাসেই হেফাজত ইসলামের দাবীর মুখে রোদেলা প্রকাশনী বন্ধ করে দেওয়া হয়। অলি দোস্তির বই ‘নবি মুহাম্মদের ২৩ বছর’ বইটির অনুবাদ প্রকাশ করার কারণে বইটি বাতিল করে বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ এবং রোদেলা প্রকাশনী বন্ধ করা দেওয়া হয় এবং নিষিদ্ধ করার হয় আগামী বছরের জন্যে। দুঃখের বিষয় আমাদের সচেতন লেখক গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তেমন কোন প্রতিবাদ আসেনি। অভিজিৎ দা খুন হয়ে যাওয়ার পর অনলাইনে অনেকেই খুব অসহিঞ্চু ও বালখিল্য আচরণ শুরু করে দেন। অদ্ভুত বিষয় হল যারা অনলাইনে অনেক পুরাতন তাদের মধ্যে একই জিনিস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমার কথা শুনে হয়তো অনেকে গোস্বা করে ভাবছেন ব্যাটায় পিট বাঁচানোর জন্য সুশীলদের ভাব ধরছে। আমি তাদেরকে বিনয়ের সাথে বলতে চাই মশাই আগে আম
আরাধ্য আমার স্বপ্ন
বুকের মাঝে বাসা বেধে আছে কিছু। এই কিছু আমার আরাধ্য শত বছরের। আমি অতীতে পা গুনে হেটে চলেছি এ পথ। কখনো মনে হয়নি আমি ছিলাম ধীর। একটা সময় এসে দেখা গেলো হাতে যে মোটেও সময় নেই। মোটেও সময় নেই লক্ষ্যে পৌছাবার। চলে যাবার এই ক্ষনে সাধ জাগে যদি আর একটি বার সুযোগ পেতাম।
আমি দেখেছিলাম ঘুনে ধরা জনপদে অবিচারের ঝুলোঝুলি। যেখানে নিত্য রক্ত ঝরে হাহাকরের। কাল্পনিক ঈশ্বরের আশায় চোখ মুদে ভুলে যায় এই ভেবে একদিন সে ন্যায়বিচার পাবে। সে একদিন কি কখনো এসেছিলো? তাই আমি পালালাম চেনা মুখ গুলোকে পেছনে ফেলে। কিছু কিছু মুখ হারিয়ে যায়, আমিও খোয়াতে থাকি আমার মনের তৃষ্ঞার্ত অঙ্গগুলো। বিকলাঙ্গতা কখনো কারো স্বপ্ন হয় না। শুধু এক মুঠো হাসি মিশে থাকুক পুরোটা জীবন ভরে।
"সংবাদ উপস্থাপনা কৌশল"
বর্তমানে 'সংবাদ উপস্থাপনা' বিষয়টির পরিসর বেড়েছে বহুগুনে, সেই সাথে এর আকর্ষনীয়তাও। একসময় বলা হতো, খবর পাঠক তোতাপাখির ন্যায় কেবল সুনির্দিষ্ট স্ক্রিপ্ট পড়ে যান। এখন আর একথা বলার জো নেই। খবর পড়ে যাওয়াতেই সীমাবদ্ধ নেই আজকের সংবাদ পাঠকের দায়িত্ব। খবর তৈরীর সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কাজের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকতে হয় তাদের, যাতে করে স্বতস্ফুর্তভাবে খবরের তাৎক্ষনিক পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব হয়। তাই বর্তমানে কেবল সংবাদ পাঠক নন, তারা একেকজন সংবাদ উপস্থাপক বলা যায়।
বসন্ত
শীতের সম্পূর্ণ সময়টা উষ্ণ সূর্যের প্রতীক্ষায় ছিলা। স্যাঁতস্যাঁতে শীত রাতের বিছানায় সরীসৃপের মতো শরীর আকড়ে ধরে । ঘরের দরজা খুললেই দুরের সাদা পাহাড় দেখার প্রথম উত্তেজনা ক্রমাগত ফিকে হয়ে যায়। ক্যালেন্ডারের পাতা বদলের মতো কবে আটপৌরে শীতল দৃশ্যপট চোখের আড়াল হবে- অপেক্ষায় ছিলাম। এই ভয়াবহ শীতের ভেতরেও ফুল ফুটেছে। রাস্তায়, এপার্টমেন্টের সামনে ফুলের কেয়ারী সাজানো শুরু হয়েছে মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে। জলবায়ু প্রতিবেদন বলছে মার্চে ৮ দিন তুষার পরবে, ৭ দিন পরেছে সব মিলিয়ে। বাতাসের উষ্ণতা বেড়েছে। ফুটপাতের ফুলের কেয়ারীগুলোতে নানা রঙ এর ফুল ফুটেছে। ততটা চমক ছিলো না দৃশ্যগুলোতে।
আকাশ বাবুর রাগের কারনে (প্রথম পর্ব)
আকাশ বাবুর রাগের কারনে (প্রথম পর্ব)
বিকেলে আকাশ বাবু হঠাত ভীষন রেগে গেল। এমনই রেগে গেলেন, যে চিল্লাচিল্লি হাত পা ছুড়াছুড়ি করতে আরম্ভ করলেন। সামনে যাকে পাচ্ছেন তাকেই তুলোধুনো করছেন । তারই জেড়ে গাছপালা পত্রপল্লবের দোলাদুলি, শুকনা পাতা, ছেড়া কাগজের টুকড়া, পাকপাখালি, ঘড়ের বাইরের মানুষের আরম্ভ হল ছুটাছূটি। কোথায় গেলে আকাশ বাবুর এই সংহার মূর্তি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
সুন্দরী মেয়ে সুবর্ণ এক্সপ্রেস তিনটার সময় ঢাকা থেকে চিটাগাং যাবার জন্য বের হয়েছিল। কিসের চিটাগাং যাওয়া, আকাশ বাবুর মেজাজ দেখে সেই যে পণ্ডিত মশাইয়ের দেশ ব্রাহ্মণ বাড়িয়ার ছোট পণ্ডিতের ঢেড়ায় আশ্রয় নিয়েছে, কখন বাবুর রাগ পড়বে আর কখন বের হবে, ভবিতব্যই জানেন।
সীমাহীন নির্লিপ্ততা!
কোরিয়ান থ্রিলার ঘরনার মুভিগুলা খুব ভালো হয়। টানটান উত্তেজনা। তবে শিউর থাকবেন বড় চরিত্রের কেউ না কেউ মরছে, কারন জীবিত রেখে থ্রিলার শেষ করার মতো আইডিয়া তাঁদের এখনো মাথায় আসে না। ওয়াশিকুর রহমান বাবুকে জবাই করার তিনদিন পর আমার খালি মনে- পথের পাশে অনেক আগে যে পোষ্টার দেখতাম, ডিপজল বিশাল রাম দা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, রক্তাক্ত পাঞ্জাবী লুঙ্গি। এমন একটা ভাব- সবাইকে কোপানোর জন্যই তাঁর এই সিনেমায় অংশগ্রহন। আমার এখন শুধু মনে হয়, এরকম কোনো ডিপজল, কোরিয়ান থ্রিলারের মতো নিখুঁত ভাবে, তামিল সিনেমার রগরগে খুনের দৃশ্যের মতোই আমাদের সবার সামনে উপস্থিত। কেউ দেখছি, কেউ দেখছি না, আর বেশীর ভাগ ভাবছি আমার কিছু হবে না। এখন এই যুগে আমার কিছু হবে না এইটা ভাবা কত বড় অন্যায় তা আরেকবার প্রমান দিলেন ওয়াশিকুর রহমান বাবু। তিনি আমার আপনার মতো সাধারণ, সাধারন লেখা লিখতেন, কিছু তর্ক করতেন ধর্ম নিয়ে, আশেপাশের কেউ জানতেনই না তিনি ব
ওয়াশিকুরের খুনীদের ফাঁসি চাই
এ বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি অভিজিৎ রায় ও বন্যা আহমেদের ওপর আক্রমণের পর আজ ৩০শে মার্চ ২০১৫ সকালে ধর্মীয় মৌলবাদিদের হামলায় ব্লগার মোঃ ওয়াশিকুর রহমান বাবু নিহত হলেন। ওয়াশিকুর রহমান অনলাইনে বেশি কিছুদিন ধরেই লেখালেখি করছিলেন।
বাংলা কমিউনিটি ব্লগ অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে আমরা এই খুনের তীব্র নিন্দা জানাই ও খুনীদের ফাঁসি দাবি করি।
আমরা আরো আশা করি, সরকার লেখালেখির পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ জননিরাপত্তা বিষয়ে আরো দৃশ্যমান ও জোরদার পদক্ষেপ নেবে। ইতিপূর্বে একই ধরনের হামলায় নিহতদের বিচারপ্রক্রিয়া মন্থর গতিতে চলার কারণে এবং এ যাবত আটক হামলাকারীদের শাস্তি দৃশ্যমান না হওয়ার কারণে এ ধরনের হামলা চালানোতে মৌলবাদি জঙ্গিরা উৎসাহ পাচ্ছে বলেও আমরা মনে করি।
মাইনক্যা চিপা
বছর দশেক আগে যখন শহরের কেন্দ্র থেকে শহরের পরিধিতে জায়গা বদলের সিদ্ধান্ত নিলো শহর কতৃপক্ষ তখন এখানে ছোটো ছোটো টিলা আর জঙ্গলের বাইরে কোনো জনবসতি ছিলো না। জঙ্গল পরিস্কার করে টিলা ছেঁটে বিশ্ববিদ্যালয় জায়গা বদলে করে এখানে স্থিতু হলেও শহরের কেন্দ্রে এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের অবশিষ্টাংশ রয়ে গেছে। জনবসতিবিহীন এই জঙ্গলের কোনো নাম ছিলো না, বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ জায়গার নাম ঠিক করেছে "কোণার মাঝখানে বসতি" আমি কিছুটা বদল বদল করে খাঁটি বাংলায় ডাকছি " মাইনক্যা চিপায়"। জায়গাটা দুটো আলাদা শাসনাঞ্চলের সংযোগস্থলে। সম্ভবত দুটো আলাদা শাসনাঞ্চলকে সংযুক্ত করা সড়কের বাইরে এখানে দীর্ঘদিন তেমন জনসমাগম ছিলো না। টিলা ছেঁটে বানানো বিশ্ববিদ্যালইয়ের ভবনগুলো বিভিন্ন মাপের ওভারব্রীজে সংযুক্ত। উত্তর ক্যাম্পাসে কলা ভবন, দক্ষিণ ক্যাম্পাসে বিজ্ঞান ভবন আর দুটোর মাঝের পাহাড়গুলোতে এডমিনিস্ট্রেশন ভবন। পাহাড়ের গা ঘেষে যাওয়া রাস্তা দ
আমি আকাশ যাব( দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব)
আমি আকাশ যাব
দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব
জোকটাকে ছাড়ানোর জন্য ধরছি তো পিছলে যাচ্ছে।শালার বেটা এত শক্ত করে কামড়ে ধরছে যেন ওর বাবার পৈতৃক সম্পত্তি, কিছুতেই ছাড়বে না। হাত দুটা মাটিতে ঘসে নিয়ে ধরলামতো বেটা কুপোকাত। হেচকা টানে জোকটাকে ছাড়ালাম,কিন্তু অনেক রক্ত ঝড়ছে। দেখে কান্না পেল। মনকে শক্ত করলাম। পেন্টটা দিয়ে রক্ত পড়ার জায়গাটা চেপে ধরলাম।
আবার হাটতে লাগলাম। রক্ত এখন ও ঝড়ছে। হঠাত ওয়াহাব ভাই, আমাদের বছর মারি কাজের ছেলেটার কথা মনে পড়ল। তাকে দেখেছি কোথাও কেটে গেলে দুর্বাঘাস চিবিয়ে কাটা জায়গায় লাগিয়ে দিত। এক সময় ভাল হয়ে যেত।
আমিও কিছু দুর্বাঘাস তুলে চিবিয়ে লাগিয়ে দিলাম।চিবানোর সময় কেমন যেন লাগছিল,মনে হচ্ছিল বমি করে দিব।