ইউজার লগইন
ব্লগ
গোপালপুরের গণহত্যা
৫ই মে, ১৯৭১। নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার গোপালপুর সদর। অপারেশন সার্চ লাইটের নামে বাঙ্গালী নিধনের অংশ হিসেবে রাজশাহীতে অবস্থিত সেনা সদর দফতর থেকে স্থল পথ এবং আকাশপথ ব্যবহার করে সেনা পাঠানো হয় পাবনা, ঈশ্বরদী এবং নাটোরে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে। আধুনিক অস্ত্রে সুসজ্জিত সেনাবাহিনী দখল করে নেয় বাঙ্গালীদের ঘাঁটি গোপালপুরের চিনিকল। প্রায় ২০০ চিনিকলের বাঙ্গালী কর্মচারীকে জড়ো করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাপারে।
রুপান্তর
ঠিক কি কারণে এতোটা বিষাদগ্রস্ত হলাম আমি-
এতোটা পথ হেঁটেও বঞ্চিত হলাম কাঙ্ক্ষিত গন্তব্য থেকে-
আগামীকে পৌঁছে দিতে ব্যর্থ হলাম জরুরী বার্তা-
ঠিক কোন কারণে?
রিকশাওয়ালার সাথে দুর্ব্যবহার করে
শিক্ষকদের অমানবিক আচরণ করতে দেখে?
প্রেমিকার জন্য নিরাপদ আবাস খুঁজে না পেয়ে?
রাস্তায় নগ্ন শিশুদের অনাদরে ঘুমাতে দেখে?
হয়তোবা আমাকে ঘিরে বাবার অশেষ স্বপ্ন শুনতে শুনতে-
হয়তোবা মানুষদের অমানুষে রূপান্তরিত হতে দেখে-
হয়তোবা-
জীবনের অসীম অভাবের তাড়নায় বার বার লজ্জিত হয়ে-
কে জানে?
হয়তোবা এমন আরও অনেক কিছুর কারণে-
আমি ক্ষয়ে যাচ্ছি বুড়ো হাড় হয়ে
বয়ে যাচ্ছি নর্দমায় যুবকের প্রস্রাব হয়ে
পুড়ে যাচ্ছি মাদক হয়ে
বিষে ভরা বায়ুমণ্ডলে মিশে যাচ্ছি
কুকুরের দীর্ঘশ্বাস হয়ে;
মরে যাচ্ছি প্রেমিকার অসহায়ত্ব হয়ে
রাজনীতিবিদ আর সমাজকর্মীদের মিথ্যা হয়ে
ভেঙে যাচ্ছি সন্ত্রাসীর সাবাড় করা মদের বোতল হয়ে
সুনাগরিকের ভোট কার্যক্রম
ছোটবেলায় পরিবেশ পরিচিতি সমাজে পড়েছিলাম রাষ্ট্রের নাগরিকের দ্বায়িত্ব ও কর্তব্য। যারা তা পালন করে তাঁদের সুনাগরিক বলে। সুনাগরিকের অনেক কাজের কয়েকটা হলো রাষ্ট্রের আইন কানুন মেনে চলা ও ভোটে অংশগ্রহণ। ভোট নিয়ে আমার ছোটবেলা থেকেই যথেষ্ট ফ্যান্টাসি। বড়রা ভোট দেয়, আমিও একদিন বড় হবো, খুলনা নেভী স্কুলে আলম আরা ম্যাডামের আঙ্গুলে দেখতাম দাগ, আমি প্রশ্ন করেছিলাম ম্যাডাম কাকে ভোট দিলেন?
তোমাদের সাথী হতে চেয়েছিলাম বলে
গুলিবিদ্ধ পাখির মতন
নিশ্চল ডানা আর রক্তাক্ত পাঁজর নিয়ে
আমি ফিরে আসছি মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বুকে-
ওরা রাইফেল আর দূরবীন নিয়ে এখনও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে
তিন ভাগ জল আর এক ভাগ মাটি।
ওদের উদযাপন অপেক্ষা করছে আমার মৃত মাংসের জন্য-
আমি হারিয়ে যাচ্ছি- হারিয়ে যাচ্ছি-
(সড সড স ডর ফে হ হ ক জক ল ফ ড ড)
ডেভ১০১, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক সেমিস্টার, ট্রেইনিং বনাম লার্নিং
ধরুন আপনাকে ২০ জন বাংলা মিডিয়াম এবং ১০ জন ইংলিশ মিডিয়াম, মোট ৩০ জন ছাত্রছাত্রী দেয়া হল। তাদের গড় বয়স ২০ বছর অর্থাৎ যথেষ্টই ম্যাচিউর। আপনার দায়িত্ব বাংলাদেশের ইতিহাস সম্পর্কে এদের কিছু অংশ ‘শেখানো’। আপনাকে বেঁধে দেয়া সময় ত্রিশ দিন। আপনি(আমি) নিজের সুবিধার্থে বেছে নিলেন ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১। প্রথমে আপনি যে কাজটা করতে পারেন তা হল একটি সুষ্ঠু পরিকল্পনা, যেহেতু আপনার হাতে সময় কম এবং শেখানোর বিষয়টা অনেক বিস্তৃত। বলা বাহুল্য আপনার ৩০ জন ছাত্রছাত্রীর ২৭ জন অর্থাৎ ৯০% নিজের দেশ, রাজনীতি ও ইতিহাস সম্পর্কে ‘ব কলম’ এবং ৭০% ‘ক অক্ষর গো-মাংস’। প্রথম ২৭ জনের ৩ জন অর্থাৎ মোট পরিমাণের ১০% মুখস্ত বিদ্যায় অতি মাত্রায় পারদর্শী এবং আরও ৩ জন সত্যিকার অর্থেই মেধাবী। বাকি থাকে ৭০% অর্থাৎ ২১ জন, যাদের সিংহভাগ মাঝারি লেভেলের স্টুডেন্ট আর বাকিরা হালকা থেকে তীব্র মাপের ফাঁকিবাজ। এদের ৮৫% আবার বই পড়ায় বিন্দুমাত্রও আগ্রহী না
শোয়া যায় না
''তা মশাই, কি হচ্ছে এসব?
কি যে হচ্ছে তা ওরাই ভাল জানে। আমি আম গাছ। আমগুলো বতী হচ্ছে আমার- এর বেশি কিছু জানি নে।''
আমরা ছয়জন আমগাছের সাথে কথা বলছিলাম। শাহবাগের এটিএম বুথটার সামনে দাড়িয়ে। সবাই হা করে তাকিয়ে আছে হলদে রঙ ধরা আমগুলোর দিকে। আমরা টানা কয়েক ঘণ্টা ধরে কয়েকটা জায়গায় দাড়িয়ে বসে রাত পৌনে বারোটার দিকে শাহবাগের গাছের আমের নিচে দাড়িয়ে আছি।
আমাদের দেশ, আমাদের গল্প, আমাদের স্বপ্ন
নেদারল্যান্ডসে প্রাইমারী স্কুলের শেষের দুই ক্লাশে বাচ্চাদেরকে স্কুলে প্রেজেনটেশান (spreek beurt) করতে হয়। ল্যাপটপ, স্লাইড, প্রজেক্টর সব দেয়া হয়। বলা হয় তাদের পছন্দমত একটি বিষয়কে বেছে নিতে আর তার ওপর তথ্যমূলক প্রেজেনটেশান বানাতে। বাচ্চারা প্রায় পাঁচ-ছয় মাস সময় পায় কারণ স্কুল শুরু হলেই বছরের শুরুতে তাদেরকে সারা বছরের কারিকুলাম দিয়ে দেয়া হয় এবং সাধারণত তার কোন রদবদল হয় না।
কাঠবিড়ালির দিনযাপন
আমার যা ভাল লাগে না তা আমি কোন সময়ই করি না। এমন কী কেউ যদি আমার অপছন্দের কাজগুলো করে তাও সহ্য করতে পারি না। তবু ক্ষমতা আর দম্ভের পূজারী এই দুনিয়াকে অস্বীকার করা যায় না। আজকাল চোখ বুজে থাকার চেষ্টা করছি; কিছুই দেখিনি বলে কিছুই হয় নি, কাকের কাছ থেকে শেখা এই নিয়মে ভিত্তি করেই দিন যাপন করছি। দুর্বলের কাছে অনিয়মের প্রতিবাদ করার চেয়ে শত নিয়ম পালনের দোহাই দেয়াটাই শ্রেয়, তাই করছি আর কি! মাস খানেক হয় মানিকগঞ্জে আসছি। নিরব, নিথর, শান্ত, ছোট শহর। ছোট বলতে ত্রিশ মিনিট হাঁটলেই শহরের এই প্রান্ত থেকে ঐ প্রান্তে যাওয়া যাবে। এখানে মানুষের কোলাহল নেই, যানযটের মত উদ্ভট যন্ত্রণার বালাই নেই, বিশ্রী রাজনৈতিক ঝামেলারও খুব একটা প্রধান্য নেই, নেই ঢাকার মত ধূলিবালির এত বাতাসও। সব মিলে ভালই।
আমি যাকে ভালোবাসি-- কবীর সুমন
এই গানটা আমার অসম্ভব প্রিয়। বিশেষ করে যে রাত গুলোতে এমন ঝড় ঝড় ভাব হয়, কারেন্ট আসে যায়, ঘুম আসছে না। তখন আমি টানা শুনেই চলি এই গান। বিশেষ করে জামালপুরে, সেখানে আগে আগে শুয়ে পড়তে হয়, বই পড়তে পড়তে টায়ার্ড লাগে তখন এই গান শুনি, শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়ি। অবশ্য সব সুমন ভক্ত আমার মতো না। যেমন আমার বন্ধু জেমসের ঘুমানোর গান হলো কবীর সুমনের আরেকটা গান 'কাঙ্গালপনা; কিংবা 'ঘুমাও বাউন্ডুলে ঘুমাও এবার'। অঞ্জন দত্তের আবার আরেকটা। উনি সুমনের 'তিনি বৃদ্ধ হলেন' শোনা ছাড়া ঘুমোতে পারেন না বলে এক ইন্টারভিউতে পড়েছিলাম। তুলনাহীন এক প্রতিভা সুমন চাট্টুজ্যের। চলচ্চিত্র পরিচালক সৃজিত বলেছিলো, সকাল সকাল ব্রাশ করতে করতে সুমন দাদা যা লিখেন, তা ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেন। সেই ফেলে দেয়া ঝুড়িতে যা আছে ওরকম লেখা অনেক মানুষ সারাজীবনে লিখতে পারে না। উনার অনেক গানই তো দারুন, এই গান তবুও নিশুতি রাতে শুনতে আমার ভালো লাগে।
মেয়র যদি হতে চাও তবে ঝাড়ুদার হও আগে!
ঢাকার মেয়র ইলেকশনের প্রচারণা দেখে মনে হচ্ছে, মেয়র হচ্ছেন তাঁরা বুঝি শহর ঝাড়ু দেওয়ার জন্যে! কী প্রতারণা দিয়ে এসব ভদ্রলোকদের প্রচারণা শুরু! মেয়রদের কাজ শহর ঝাড়ু দেওয়া নয়, ঝাড়ু দেওয়ানো। ভয় হয়, মেয়র হয়ে তাঁরা মেথর বেচারার চাকরিটাই না খেয়ে দেন!
বিশ্বাসের গালি
জন্মের পর থেকে যে সকল গালি গুলি শুনে বড় হয়েছি তার মধ্যে ৯৮ শতাংশ মা বোন রিলেটেড। যেমন - মাগির পুত,মাদার চোদ,তোর মায়েরে চুদি,ব্যাশ্বার মাইয়া,*নকি মাগি,নডির ছেড়ি,শালীর পুত,তোর বইনরে চুদি.... আরো কত কি....
হ্যাঁ, লিখতে হাত কাঁপলেও লিখাতে হবেই।আমাকে নোংরা কিংবা যাই ভাবুন না কেন তাতে আমার কিছু যায় আসে না।
জন্মের পর থেকে আমরা ধরেই নিয়েছি সকল খারাপ কিছুর মূলে রয়েছে আমার মা বোনরা।আমাদের চুতিয়া সুশীল সমাজ আমাদের তাই শিক্ষা দিয়েছে এবং তা আমরা মেনেও নিয়েছি।কেউ যদি আমাকে গালি দেয় "তুই একটা ব্যাশ্যার পুত" তার মানে দাড়ায় আমার মা ব্যাশ্যা এবং এটা আমরা মেনেও নিয়েছি। জগতের সকল খারাপ আমাদের মা এবং বোন এটা অলিখিত ভাবে মেনে নিয়েছি।
ভোট চাই ভোটারের, দোয়া চাই সকলের!
গত পাঁচ বছর ধরে একটা কাজ আমার খুব নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে করে যেতে হয়, তা হলো কাপড় ধোয়া। যদিও কাজটা অনেকের জন্য খুব সহজ, কিন্তু এই সাতাশ বছর বয়সের ভুড়িওয়ালা মধ্যবিত্ত শরীরে তা করতে করতে ক্লান্ত লাগে। মামী বলে আমি করে দিচ্ছি মামা, আপনি কাপড় গুলো দেন, তাও দেওয়া হয় না। নিজের কাপড় আম্মু ছাড়া কেউ ধুয়ে দিবে ব্যাপারটা খুব বেদনার। আবার বুয়ার ভরসায় থাকলে সেদিন বুয়াই আসে না। এই সামান্য ঘটনাতেই বুঝি আম্মু কত দারুণ, সংসারের শত কাজ করেও আমার কাপড় ধুয়ে দিতো অবলীলায়। কাপড় করতো ঝকঝক, মাঝে মধ্যে শুধু কাজ বেশী থাকলে বলতো, জমিয়ে রাখ কাল পরশু ধুয়ে দিবো। মামা তো আদর করেই, মামীও যথেষ্ট মামার মতোই। খুবই যত্ন আত্মিতে থাকি, দিনকাটে স্মুথলি। আর পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভুড়ি কারন খাই দাই- ঘুমাই -বই পড়ি- সিনেমা দেখি- বাসাতেই থাকি। দিনের পর দিন বাইরে যাওয়া এখন কম। পুলক ঢাকার বাইরে, আবীর চিটাগাং, জেমস অফিসের কাজে ব্যস্ত, ছোট ভাইদ
পর্দার অন্তরালে!
সাত-সকালে অস্থির ভাবে কেউ দরজায় কড়া নাড়ছে! বয়স হইছে কড়া নাড়লেই হুট করে দরজা খুলতে পারি না, নড়াচড়া করতে টাইম লাগে, কিন্তু কে বুঝে কার কথা! দেশ থেকে একদিকে যেমন আদব কায়দা উঠে যাচ্ছে অন্য দিকে উঠে যাচ্ছে মাইয়া মানুষের পর্দা! এই দেশের ববিষ্যত অন্ধকার! দরজা খুলতেই দেখি জমসু দাঁড়িয়ে দাঁত কেলিয়ে বে-আদবের মতো হাসছে! জিজ্ঞাস করলাম কি ব্যাপার জমসু? এতো সকালে কি মনে কইরা? জমসু বলল, একটা খবর আছে, হাত মুখ ধুইয়া আসেন বৃত্তান্ত বলতেছি!
প্রাতকর্ম সেরে বাইরে এসে জমসুকে জিজ্ঞাসা করলাম বলো দেখি কি বৃত্তান্ত। জমসু বললো
- কয়দিন ধইরা একটা শিয়াল খুব ত্যাক্ত করতেছিল বলছিলাম না?
- হ! মুরগী খোলা রাখলে শিয়ালতো আনাগোনা করবোই!
- গত তিনিদিন আগেও মুরগীর খোয়াড় থেকে রাতে একটা মুরগী ধইরা নিয়া গেছে। সকালে উইঠ্যা দেখি রক্ত আর কিছু পাখনা ছাড়া মুরগীর আর কোন হদিস নাই!
দিন যায় রে বিষাদে, মিছে দিন যায়
১.
আমাদের বালকবেলা ছিল অন্যরকম। অনেক ছোট ছোট ঘটনা, অনেক বড় বড় বিস্ময় নিয়ে বড় হয়েছি আমরা। আমরা চার ভাইবোন, আমাদের অনেক অনেক খালাতো-মামাতো-চাচাতো-ফুফাতো ভাই বোন নিয়ে আমরা বড় হয়েছি হেসে-খেলে।
নিশ্চই সবার বালকবেলা একরকম হয় না। প্রত্যেকেরই বালকবেলার আলাদা আলাদা গল্প থাকে। সেই গল্প কি রকম? আর বালকবেলা নিয়ে যদি সিনেমা হয় কেমন হবে সেটা? একটা কাজ করলে কেমন হতো? একটা ভিডিও ক্যামেরা যদি সবসময় আমাদের চারপাশে থাকতো তাহলে নিশ্চই গল্পটা জানা যেতো?
আমাদের জীবনের একমাত্র জীবন্ত ছবি সম্ভবত বিয়ের ভিডিও। তবে বিয়ের অনেক অনেক বছর পর কতজন সেটি আনন্দ নিয়ে দেখেন কে জানে?
বৈশাখ ১৪২২
অভিজিৎ রায়, বাবু খুন হওয়ার পর বাংলাদেশের নামকরা সেলিব্রেটি বুদ্ধিজীবিদের কাছ থেকে অনেক সুশীল পোস্ট নাযিল হয়েছিল। বাংলাদেশের মানুষের কোমল অনুভূতি তথা ইসলামের মাহাত্ম্য না বুঝে লেখার জন্যে অভিজিৎ, বাবু, রাজীব মৃত্যুবরন করেছে এটাকে তারা সিরিজ পোস্ট লিখে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছেন ফেবুতে। উদাহরন ছিলো, স্টিফেন হকিং, গ্যালিলিও, ব্রুনো, সক্রেটিস খুন হন নাই, হয়েছে বাংলাদেশের মুক্তমনারা, সুতরাং দোষ লেখকদের, খুনীদের নয়।
বৈশাখের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঈমানী পোস্ট নাযিল হওয়া শুরু হয়েছে ফেসবুকে। হিন্দুয়ানি উৎসবতো বটেই তারওপর মেয়েদের কাপড় চোপড় ঠিক ছিল না, নাভি দেখা গেছে, ওড়না সরে গেছিলো, ভাল মেয়েরা বাড়ি থেকে বের হয় না, মেয়েদের দরকার ছিল কি বৈশাখ উদযাপন করার, আরো কত কী।