ইউজার লগইন
ব্লগ
রোগ শোকে পাপ ঝরে পড়ে
রোগ শোকে পাপ ঝরে পড়ে
নভেম্বরের চার তারিখ থেকে পিঠের ব্যথায় ভূগছি। খুলনায় একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞকে দেখিয়ে ছিলাম। উনি দেখে ইসিজি করে বলেছিলেন, তেমন কোন সমষ্যা নেই। ওজন বেড়ে গেছে। এখন যে ওজন তা হার্ট এ সমস্যা সৃষ্টি করার জন্য যথেষ্ট। আমি সাধারণত ওজন মাপি না। ছোট খাট সমস্যা হলেও ডাক্তারের কাছে যাই না। তাই উনি যে ওজনটা বললেন, তা এর আগে যখন মেপেছিলাম তার চেয়ে আট কেজি বেশী। শুনে রীতিমত আতকে উঠলাম। উনি খাবার কমাতে এবং প্রতিদিন কম পক্ষে একঘণ্টা হাঁটতে বললেন।
আটপৌরে দিনগুলো!
ঝুলছে একটা পোষ্ট, প্রথম পাতার দেয়ালে। নিজেকে অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে রাজী না করতে পেরেই এই পোষ্টটা লিখছি। তবে আদৌ নিশ্চিত না যে পোষ্টটা প্রথম পাতায় দিচ্ছি কিনা। তাও লিখছি, লিখতে তো কোনো দোষ নাই। অদ্ভুত এক দিন কাটলো আজ। সাধারণের ভেতরই অসাধারণ। এমন না যে খুব সিগনিফিকেন্ট কিছু ঘটছে বা করছি, তবুও দিনটা খুব ইন্টারেষ্টিং ভাবে কাটলো। এরকম ইন্টারেষ্টিং দিন আগে সমানে কাটাতাম, এখন কালে ভদ্রে আসে। টিভিতে একটা এ্যাড দেখায়, রোশন সাহেব বলেন কোন সুগন্ধি ইউস করতে আর তা করলেই নাকি হবে বি ইন্টারেস্টিং। আমি অবশ্য কোনো সুগন্ধিতে নাই, গায়ে ঝপজপা ঘামের গন্ধই আমার নিত্য দিনের সঙ্গী। নতুন বইয়ের পাতার ঘ্রান আর সুবাস ছড়ায় এমন ফুল ছাড়া, আর কিছুই ভালো লাগে না নাকে। তবে আমার যে বন্ধু ছিল, যার উপরে কিশোর বেলার প্রেম প্রেম ব্যাপার ছিল তাঁর গায়ের গন্ধ খুব আকর্ষণ করতো। রিকশায় কিংবা এক সাথে যখন বসে থাকতাম, কোচিংয়ে পাশে বসে আড্ড
"৮ নাম্বার বাস"
“৮ নাম্বার বাস” নিয়ে লিখবো এরকম একটা ইচ্ছে বহুদিন ধরেই পুষে আসছি। লেখা হয়ে উঠেনি। কারণ নেই, স্রেফ হয়নি।
ইচ্ছে ছিল ৮ নাম্বার বাসের ঐ হেল্পারের দৃঢ় কন্ঠ নিয়ে গল্প লিখবো, যে কিনা অবিরত বলে চলে, “ঐ যাত্রাবাড়ি-মতিঝিল-পল্টন-শাহবাগ-ফারামগেট-কলেজগেট কিংবা গাবতলি-কল্যানপুর-শ্যামলী-ফারামগেট-মতিঝিল-শাহবাগ।“ বলবো তার খিস্তি খেউর খাওয়ার গল্প। কিভাবে যাত্রীরা তাকে অশ্রাব্য ভাষায় প্রায়শই গালিগালাজ করে। আর বলবো তার এসব ব্যাপারে বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ না করার গল্প। তার তো চটে গেলে চলবেনা, তার আরো কিছু রোজগার দরকার আরেকটু ভালো করে চলার জন্য। তাই সে এসব গ্রাহ্য না করে নিজের মত ডেকে যায় গলা খাকড়িয়ে, “ঐ যাত্রাবাড়ি……………………………,
কথপোকথন
সকাল থেকেই তাথৈ এর মন ভাল নেই। মাঝে মাঝে দিনটা এত বিষণ্ণভাবে শুরু হয় যে ঘুম থেকে উঠেই রাজ্যের ভাল না লাগা এসে মনকে আচ্ছন্ন করে রাখার জন্য যথেষ্ট। একটানা শুনে চলছে লিওনেল রিচির সেই বিখ্যাত গান-
হ্যালো, ইজ ইট মি ইউ লুকিং ফর
কজ আই ওন্ডার হোয়্যার ইউ আর
এ্যান্ড আই ওন্ডার হোয়াট ইউ ডু
আর ইউ সামহোয়্যার ফিলিং লোনলি
অর ইজ সামওয়ান লভিং ইউ
টেল মি হাউ টু উইন ইওর হার্ট
ফর আই হ্যাভন্ট গট আ ক্লু
বাট লে মি স্টার্ট বাই সেয়িং
আই লভ ইউ।
থ্রী- টু -ওয়ান -জিরো একশন !!!!!
থ্রী- টু -ওয়ান -জিরো একশন !!!!!
ছোটবেলায় নাটক সিনেমা দেখার সময় কাহিনী বোঝার থেকে বেশী ভাবতাম, কিভাবে নাটক সিনেমা তৈরি করে। আর নায়ক মারা যাওয়ার পর কিভাবে আবার জীবিত হয়! আর ভিলেনের শত শক্তি থাকা সত্তেও কেনই বা সে নায়ক কে হারাতে পারে না???
মাথার ভিতর এইসব প্রশ্ন গিজ গিজ করতে করতেই এক সময় টিভি স্ক্রীন এ লেখা আসত দ্যা এন্ড!
২০০২ সালে পরিচিত গণ্ডি পেরিয়ে অচেনা এক ব্যস্তমুখী শহর ঢাকায় এসেছিলাম পড়াশুনার জন্য, পথে আসার সময় যমুনা সেতু (তখন পৃথিবীর ১১ তম দীর্ঘ সেতু) দেখার আনন্দ ওহ সে এক অদ্ভুত অনুভুতি তা না হয় আর একদিন বলব।
এইভাবে রাত নামে, শহরে শীতের টান বাড়ছে!
সকাল থেকে ভাবছিলাম হুমায়ুন আহমেদকে নিয়ে। কয়েকদিন আগে পোষ্টারে পোষ্টারে ছেয়ে গেছে ঢাকা শহর, ৬৬ তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে জানাতে। আমার ভাবনার পয়েন্ট ছিল, মাত্র ৬৪ বছর বয়সে তিনি চলে গেলেন, আমি তো কত অকম্ম মানুষদের দেখি, যারা সত্তর আশি বছর বেঁচে থাকে মূর্খ ও হতাশ জীবন নিয়ে, হয়তো তাঁদেরও বেঁচে থাকতেও ভালো লাগে না। কিন্তু হুমায়ূন আহমেদ কঠিনভাবে জীবনকেই ভালোবাসতেন। আপসোস করে বলতেন, কচ্ছপ নামের প্রানীর আয়ু ৩০০ বছর, আর মানুষ নামের শ্রেষ্ঠ জীবের আয়ু ৫০-৬০, ঈশ্বরের এই ব্যাপার স্যাপার মেনে নেয়া কষ্টের। ছেলের সাথে ছবি তুলতে চাইতেন, কারন ধারনা ছিল ছেলে হয়তো তাঁকে ভুলে যাবে। মৃত্যুর পর সবাইকে জীবিতরা ভুলে যায়। আমি তখন ক্লাস ফাইভে পড়ি, কলোনীর শোয়েব নামের এক ছেলের বাবা মারা যায়। প্রায় সমবয়সী সে দুদিন পরেই ক্রিকেট খেলতে আসে। আমি আর আমার বন্ধু আক্তার অবাক হয়ে ভাবতাম, কিভাবে পারে খেলতে যার বাবা কোনোদিন ফ
আমার রাজহাঁস আর স্বপ্নের ঘোড়া!!!
ছোটবেলা থেকেই আমার পশুদের প্রতি একটা আলাদা আকর্ষণ ছিল। নদীর তীরে জেগে উঠা সবুজের সমারোহে ঘেরা আর রাস্তার দু ধারে গাছগাছালি তে ভরা অঁজপাড়া এক গ্রামেই কেটেছে আমার শৈশবকাল। তখন বাবা ঢাকায় থাকতেন, মা আর আপুসহ আমি নানার বাড়িতেই থাকতাম, কারন আমার দাদার বাড়িতে লেখাপড়া করার মত পরিবেশ না থাকায় বাবার এই সিধান্ত, যদিও অনেকে এই সিধান্তটা ঠিক মনে করে নি তখন।
সরি বন্ধু!!!
শৈশব আর কৈশোরের স্কুল জীবনের দিনগুলি সত্যিই অনেক আনন্দের ছিল। মফঃস্বল এলাকায় লেখাপড়ার মান যাই থাকুক না কেন সেটা নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যথাই ছিল না, কারন মান জিনিসটাই আমি সেইসময় বুজতাম না। জীবনের লক্ষ বলে কিছু একটা থাকা আমার ভিতর তখনো ছিল না আজ ও নেই। মাঝে মাঝে ক্ষণিকের জন্য কিছু লক্ষ জন্মালেও তা পরক্ষণেই বিনাশ হয়ে যেত।
বাবা মায়ের একটাই কথা ছিল মানুষের মত মানুষ হতে হবে, আমি এখনো জানি না কি করলে বাবা মায়ের সংজ্ঞা অনুসারে আমি মানুষ হতে পারব।
থাক এবার আসল কথাই আসি, আমি থাকতাম অজপাড়া এক গ্রামে যেখানে ছিল না আধুনিকতার কোন ছোঁয়া, কিন্তু ছিল প্রকৃতির এক নিরমল ছোঁয়া ,সবুজ প্রান্তর পাখির কলতান যা শুনলে জুড়াত মন ও প্রাণ............
মস্তিষ্কে তারুণ্য ধরে রাখার 6টি উপায়
২৫ বছর বয়সের পর মানুষের মস্তিষ্ক
স্বাভাবিকভাবেই ক্ষয় হতে শুরু করে।
এটাকে বন্ধ করার কোন উপায়
এখনো মানুষ আবিষ্কার করতে পারে নি।
কিন্তু কিছু উপায়ে মস্তিষ্ক ক্ষয়ের
গতিকে মন্থর করে তারুণ্য
ধরে রাখা যায়। এই ক্ষয়ের জন্য প্রধানত
দায়ী করা হয় ফ্রি-র্যাডিক্যালকে।
মানুষের শরিরে ফ্রি-
র্যাডিক্যালগুলো প্রবেশ করে ধূমপান, দূষণ
এবং চর্বিজাতীয় খাবার থেকে।
ক্ষতি থেকে বাঁচার সবচেয়ে ভাল উপায়
হল চর্বিযুক্ত মাংস পরিহার করা,
অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ খাবার যেমন
ফলমূল ও
শাকসবজি বেশি পরিমানে খাওয়া।
নিয়মিত ব্যায়াম: ব্যায়াম আমাদের
শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক
রাখতে সাহায্য করে। হার্ট সুস্থ রাখার
জন্য নিয়মিত ব্যায়ামের কোন বিকল্প
নেই। মস্তিষ্ক সুস্থ রাখার জন্যও পরিমিত
ব্যায়াম প্রয়োজনীয়।
শখের কাজ করুন: পেশাগত কাজ
করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়ে আমাদের
মস্তিষ্ক। প্রয়োজন পড়ে বিশ্রামের। আর এই
আলস্যের দিনলিপি ২
আজকে আশ্চর্যজনকভাবে সবকিছুই ঠিক যেমনটা হওয়া দরকার প্রতিদিন তেমন। রাত সাড়ে নয়টা এবং আমার ব্যাগে একটা কম্পিউটার। মাথার ভিতরে ঘুমোতে না দেওয়া ঝোড়ো বাতাস, রনি ভাই এবং তিনটি গীটার। আস্থা হারানো এই মন নিয়ে আমি আজ তোমাদের কাছে এসে দুহাত পেতেছি। ঠিক যেন স্বপ্ন দেখবো বলে, আমি দুহাত পেতেছি।
কিন্তু কীসের স্বপ্ন? চারপাশে দুঃস্বপ্নের মত জীবন। সবাই কি যেন হাতড়ে বেড়াচ্ছে। একজন গাইছে আমায় ধরে রাখ, অন্য কেউ গাইছে কোথাও প্রেম খুঁজে না পাবার যন্ত্রণা। আমিও কি জানি একটা খুঁজে বেড়াচ্ছি। এসব এখন শুধু এলোমেলো কথা হচ্ছে হয়ত, হয়ত এরকমই হবে আরও অনেক দিন।
বোধ
আজকের সকাল টা নিশির জন্য খুব একটা সুখের ছিলনা। তারপরও সবকিছুকে পাশে ফেলে ভ্রু যুগলের মাঝে দু'খানা ভাজ নিয়ে ছুটতে ছুটতে বের হওয়া। গন্তব্য চাকুরিস্থল।
দশ মিনিট দেরী মানে আধাঘন্টা জ্যাম।
ধানমন্ডি সাতাশ এর গলি থেকে রিক্সায় উঠে বসল নিশি।কোনদিকে তকাবার সুযোগ হয়নি ওর। উঠে বসেই রিক্সাওয়ালাকে তাড়া দিল...'ভাই একটু জলদি চালান সময় নাই।' রিক্সাওয়ালা নিশির মুখের দিকে তাকিয়ে একটু হাসি ছুড়ে দিল। হাসির কারন বোধগম্য নয়।মেজাজ টা একটু খারাপ হল বৈকি। নিশি নিজ ভাবনায় ডুব দিল।
ভাবনার জাল থেকে বের হয়ে নিশি খেয়াল করল কোথায় যেন একটু গোলমেলে লাগছে। ভালো ভাবে তাকাতে নিশি চমকে উঠল, রিক্সাওয়ালার ছুড়ে দেয়া হাসির মানে স্পষ্ট হল।
একটি মাত্র পা যার সম্বল সে কি পারবে নিশির গতির সাথে তাল মেলাতে।একটা অসস্তি নিশি কে মূহুর্তে গ্রাস করল।একটা বোধ নিশি কে নাড়া দিয়ে গেল।
««একটি অবুজ প্রেমের শেষ পরিনতি»»
কি খাবে?
- কিচ্ছুনা! আগে বলো এত
দেরী করলে কেন?
- বাবারে, এখনি এত জেরা..বিয়ের
পরে বাসায়
ফিরতে দেরী হলে কিযে করবে..
- পরের কথা পরে! এখন বলো কেন এত
দেরী করেছো!
অভিমানে বাচ্চাদের মত গাল
ফুলিয়ে মুখ ভার করে বসে রইলো দীপ্তি।
যেন শ্রাবণের আকাশের একরাশ মেঘ!
- সরি, সরি,
সরি..একটা কাজে আটকা পড়েছিলাম।
তাছাড়া দেখতেও চাইছিলাম আমার
প্রতি তোমার কতটা টান! তাই..
- কিহ! এটা দেখার জন্য
আমাকে এভাবে কষ্ট দেবে! চোখে অশ্রু
টলমল করে দীপ্তির।
- আর করবোনা প্রিয়া...মাফ করে দাও,
প্লীইইইজ! এইযে দুই কানে ধরলাম, দেখো!
শান্তকে সত্যি সত্যি কানে ধরতে দেখে স্কুলের
পড়া না পারা ছাত্রের
কথা মনে পড়লো দীপ্তির।
কান্নাভেজা চোখ মেলে হাসে সে।
মেয়েরা যখন
কান্নাভেজা চোখে হেসে ফেলে, তখন
নাকি দেখতে অনেক সুন্দর দেখায়!
দীপ্তির দিকে অপলক
চেয়ে থেকে সে কথাটাকে সত্য মনে হয়
শান্তের।
- কি দেখছো এমন হা করে?
শিরোনাম হীন
"তোমাকে সবাই
বুঝবে না ...হাসিমুখে তোমাকে দেখে
সবাই
ধরে নেবে, তুমি সুখে আছো ...
মেসেজে ছোট্ট করে যখন
তুমি লিখোঃ "ভালো আছি" , সবাই
ভেবে নিবে তুমি সত্যি বলছো ...
তোমার অভিনয় সবাই ধরতে পারবে না !!
চোখের দিকে সবাই দুই সেকেন্ড
বেশি সময় নিয়ে মনোযোগ
দিয়ে তাকিয়ে থাকবে না ... চোখের
নিচের কালি দেখে সবাই প্রশ্ন
করবে না, "রাতে কেন ঘুম হয় নি ??" ...
এলোমেলো চুল দেখে সবাই
ধরে নেবে না, তুমি ভালো নেই ...
অতকিছু খেয়াল করার সময় সবার নেই ... অত
কিছু সবাই খেয়াল করে না !!
সবাই ব্যস্ত ... সবাই স্বার্থপর ... তোমার
সাথে কাজের কথা বলে চলে যাবে ...
হয়তো জিজ্ঞেস করবে "কেমন আছো ??" ... ঐ
"কেমন আছো" টায় "ভদ্রতা" মিশে থাকে,
"আবেগ" এর ছিটেফোঁটাও থাকে না !!
পৃথিবী তার নিজের মত ঘুরছে ...
মানুষগুলোও ঘুরছে নিজের মত ... নিজের মত
ঘুরতে থাকা সব মানুষের
মাঝে হয়তো কেউ
তোমাকে বুঝতে চাইছে ... হয়তো কেউ
ক্লাসরুমটা কৃষ্ণচূড়াদের
১.
কি জানি কি
সে ভাবে
যখন
চোখে চোখে গ্রহণ হয়
কি জানি কোথায়
সে চলে যাবে।
২.
ব্ল্যাকবোর্ডে
রাশি রাশি ইনফরমেশন
ইউরোপ আফ্রিকা ফ্রান্সের রাজধানী
তখনই সে হয়ত তাকাবে জানালায়
আর একরাশ চুল উড়ে যাবে শিমূলের তুলোর মতন
আমার ক্রিয়া বিশেষ্য সর্বনাম সব এলোমেলো হয়ে যাবে বারবার।
৩.
কতবার একা হয়েছি জানি না
কতবার হারিয়ে যেতে চেয়েছি কত কত চোখে নাকে ঠোঁটে
তবুও যখন তুমি হাত রাখো গালে
আর নরম চুলে ভেসে ভেসে যায় আঙুল
সুস্মিতা
তখন আমি আবার একা হয়ে যাই
আমার রাজরক্তে ঢুঁকে যায় বিষ
চৈত্রের কথা মনে পড়ে
দৃশ্যমান হয় চৌচির হতে থাকা মাঠ
কতবার আমি একা হয়েছি
সুস্মিতা জানে না।
বুড়ো খোকার জন্মদিন
বুড়ো খোকার জন্মদিন
কাটছে ভালো রাত্রি দিন
কর্মময় জীবন তার
১৮ ঘণ্টায় হচ্ছে পার।
ভোর বিহানে চোখ খুলে
কাজের মাঝে তাই দোলে
অফিস তো নয় যন্ত্র
হর রোজ হাজিরের মন্ত্র।
বয়স সবে পঞ্চাশ
সাক্ষ্য দেবে চারপাশ
বুড়ো খোকার জন্মদিন
এ যেন এক অর্বাচীন।
নিরোগ দেহ সতেজ মন
ন্যায়-নিষ্ঠায় সমর্পণ
অসৎ কাজে নেই ধরা
স্বল্প ভাষায় তাই কড়া।
মন আছে ধন নেই
পণ আছে জন নেই
নুন আনতে পান্তা তাই
আছে বেঁচে এ দশাই।
১০.১১.২০১৪
রাত-৭:৩০মি.