ইউজার লগইন
ব্লগ
রেখেছো বামন করে মানুষ করোনি!
মাকাল ফল বলে একটা প্রবাদ আছে! কর্মস্থলের সুবাদে এই মাকাল ফলের দেখা সবচেয়ে বেশি পেয়েছি সিলেট অঞ্চলে। বিদ্যা-বুদ্ধি যা-ই থাক, অর্থকড়িতে এরা কেউ কেউ তুলনামূলক এগিয়ে- নিঃসন্দেহে। আজকাল শিল্প-সাহিত্যেও ভালো 'অবদান' রাখতে শুরু করেছে এরা। দেশীয় কিংবা বিদেশে অর্জিত অর্থে কোরবানির গরুর মতো মোটা-তাজা অনেক লিটলম্যাগ বের হয় সিলেট থেকে...।
সাবেক কর্মস্থলে সংস্কৃতিসেবক বেশ ক'জন সিলেটির দেখা পেয়েছিলাম। পত্রিকার প দূরে থাক, অ-ও না বুঝে এরা পত্রিকা সম্পাদনা করতে আসে। কাজ করার সময় আমার কাছে আবদার আসে- 'ভাইসাব, সম্পাদকীয় লেকিয়া দেউক্কা' কিংবা 'ভাইসাব, লেখক তো লেখার শিরোনাম দিছুইন না, এককান শিরোনাম বানাইয়া দেউক্কা' টাইপ অনেক কিছুই...!
তারপর সময়ের প্রয়োজনে একসময় আমি চাকরিটা ছেড়ে দিলাম।
জাপান ডায়েরী ১
নতুন দেশে,নতুন সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হলে মানুষের "কালচারাল শক" হয়, আমার মনে হচ্ছে আমি "কালচারাল সাইক্লোন" কিংবা "কালচারাল টাইফুন" এর ভেতর দিয়ে যাচ্ছি। ভাষা মানুষের অন্যতম সহায়, ভাষা মানুষের সাথে অন্য মানুষের সেতুবন্ধন, কিন্তু যখন সেই ভাষিক যোগাযোগের পথ আচমকা বন্ধ হয়ে যায় প্রতিনিয়ত ডাঙায় তোলা মাছের মতো হাঁসফাস করতে হয়।
গত এক দেড় বছর একটা ঝড়ের ভেতর দিয়ে গেলাম, ফেব্রুয়ারীর ৫ তারিখের আগেও আমার ধারনা ছিলো না সামনে এমন দিন আসতে পারে, নিজের জীবন আর ভবিষ্যত গুছিয়ে তোলার আগ্রহ ছিলো, ভাবছিলাম বিলম্বিত হলেও নতুন করে জীবন শুরু করে ফেলতে হবে, কাদের মোল্লার যাবজ্জীবনের ধাক্কা দেশের পরিস্থিতি অনেকটা বদলে দিলো আর আমিও সেই স্রতে ভেসে গেলাম।
নিশি কেটে গেলে(দ্বিতীয় পর্ব)
নিশি কেটে গেলে(দ্বিতীয় পর্ব)
কবির অবচেতন মন সিদ্ধান্ত হীনতায় ভুগলেও পরিবেশ পরিস্থিতির সকল কিছু কবি চরম ভাবে উপভোগ করছিল। সৃষ্টিকর্তা তার সৃষ্টির সকল স্তরে সকল স্থানে তার সৃষ্টির জন্য উপভোগ্য উপকরণ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখেছেন। শুধু উপভোগ্য মানসিকতায় তাকে উপভোগ করতে হয় এই যা।
সহসা কিছুর একটা ছোয়া যেন কবিকে আনন্দ উপভোগের শেষ স্পর্শটুকু দিল। স্বর্গ মর্ত আকাশ পাতাল বুঝি না, কোথা থেকে অবর্ণনীয় অকল্পনীয় মহীমাময় সমীরণ কবিকে ছুয়ে গেল। এ যেন আজিকার বিভারবির সকল উত্তম উপহারের সেরা উপহার।
এবার কবি ক্ষনিকে অন্তর চক্ষু দিয়ে ছুটে গেলে কবির কবি মহাকবি্র দ্বার প্রান্তে। কি বলছে কবির কবি মহাকবি এমন অনুভুতিতে,
আমার প্রাণের পরে চলে গেল কে?
বসন্তের বাতাস টুকুর মত
সে যে ছুয়ে গেল নুয়ে গেল রে
ফুল ফুটিয়ে গেল শত শত
সে চলে গেল বলে না
সে কোথায় গেল ফিরে এল না
সে যেতে যেতে চেয়ে গেল
কি যেন গেয়ে গেল
আমি আছি এর মাঝেই!
শুক্রবারে আমার মন মেজাজ আজকাল ভালো রাখার চেষ্টা করি। সকাল থেকে বের টের হই না। বাসাতে বসেই থাকি। পিসিতে না বসার চেষ্টা করি। সিদ্দিক সালিকের ইংরেজী বইটা প্রায় শেষ করে দিলাম। কোনো এক ইউপিএলের মেলায় কিনে ছিলাম। পড়াই হয় নি। টেবিল আর পিসির চিপায় পড়েছিল। আমার বেশীর ভাগ কিছুই এরকম। এলোমেলো হয়ে পড়ে থাকে। বুয়া চায় গোছাতে। আমি বলি আপনার দরকার নাই, যে কাজ করেন তাই পারেন না আর অন্য কাজ তাও আবার গোছানো। আমার ঘর ভর্তি বই এইভাবে নানান প্রান্তে ছড়ানো, যে কেউ দেখে ভাববে কি দারুন পড়ুয়া ছেলে, আসলে আমি ওতো পড়ুয়া না। রুমে থাকলে বেশির ভাগ সময় কানে হেডফোন দিয়ে পিসি খুলেই বসে থাকি। কিন্তু খুব ভাব নেই যেন পড়তে পড়তে জান নিয়েই টানাটানি। তবে চাইলেই আমি পড়তে পারি এবং ভালোবেসেই পড়ি সবসময়। নামায পড়তেও গেলাম না। সারাদিন বাসায় বসেই থাকলাম। দুপুর হলো ভাত নিয়ে বসলাম। টিভিতে কি হয়?
তুমি যদি(প্রিয়র জন্মদিনে)
তুমি যদি(প্রিয়র জন্মদিনে)
তুমি যদি দৃষ্টির আড়ালে থাক
সান্ধ প্রদীপ জ্বালব কাকে দেখতে
তবে তুমি যদি কাছে আস
আলো জ্বালানোর প্রয়োজন আছে কি?
তুমি যদি মেহেদী না লাগাতে
কি করে বুঝতাম
মেহেদী পাতা এত সৌন্দর্যের অধিকারী।
তুমি যদি......।।
এই পর্যন্ত লিখে রেখেছিলাম, আর সময় হয়ে উঠেনি কবিতাটা শেষ করার,শান্তর লেখা পড়ে জানলাম অল্প সময়ে অতি প্রিয় হয়ে উঠা প্রিয়র আজ জন্মদিন। গেষ্ট রুমে গেষ্ট বসিয়ে রেখে তাই লিখছি।
তোমার হাসি মাখা ছবিখানা না দেখলে
বুঝতেই পারতাম না
কলিজা ছেদ করা এমন হাসি কেউ
হাসতে পারে।
দাতের মাজনের অনেক বিজ্ঞাপন দেখেছি
বলছি তাদের
তোমার অনুমতি নিয়ে
তোমার ছবিটা ধার নিতে,
অবাধ্য ক-খানা চুল
কাউকে
এত মোহনীয় করতে পারে????
তোমার কপালে ছড়ানো
চুলগুলো
না দেখলে জানতেই পারতাম না।
তব গলে দোল খেলা মালা খানি
পদ্ম ডাটার এক পাশের ছালে ছিরে
বন্ধু 'প্রিয়'র জন্মদিনে!
মন মেজাজ অত্যন্ত খারাপ। এত খারাপ কেন হচ্ছে কারন বুঝতে পারছি না। এমন তো না যে জানতাম না রায়টা কিংবা এমন হবে তাও খুব বেশী আশার বাইরে ছিল না। এমন তো হবারই কথা ছিল। তাও বিশ্বাস হচ্ছে না সাইয়িদীর রায়। কাল এক আওয়ামীলীগ নেতাই আমাকে বললো 'মামু আপনাগো আশা পূরণ হইবে না, ফাঁসী হবে না। গোলাম আজমের মতোই রায় আসবে'। আমি বলছি দেখা যাক কি হয়। বলা তো যায় না। তবে জামাতের অগ্রীম কোনো হরতাল নেই, আন্দোলন নেই- বলেই মনে হয়েছে জামাতের সাথে সরকারের কোনো মিঊচ্যুয়াল আন্ডারস্ট্যান্ডিং চলছে। সেই সমঝোতাতেই এই রাষ্ট্রীয় স্পন্সরে স্পেশাল ডায়েটে মাওলানা সাবরে জেলে রাখার আয়োজন। জ্ঞানী শিবিরের নেতারা বলতো মাওলানা সাব নির্দোষ, তাই প্রমান হয়ে গেল। এই মন মেজাজের খারাপের দিনে এক আইনজীবি এসে আমাকে বলতেছে, ঠিকই আছে, সাইয়িদী সাহেবকে যে রায় দেয়া হলো তাও অন্যায় এরকম আলেম মানুষকে শাস্তি দেওয়া ঠিক হয় নাই। মনটা চাইছিলো, হালারে বাইন্ধা র
রাজ সমন!
রাজ সমন এসেছে রক্তাক্ত অক্ষরে
গুলিবিদ্ধ দরজায় লেপ্টে দিয়ে গেছে রাজ আদেশ।
যেই গুলিটি পিতার বক্ষ ভেদ করে এই দরজা ছেদ করেছিল;
তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি!
এই দরজার ওপাড়ে আমার মাকে খুবলে খেয়েছিল ওরা;
বেয়োনেট ঢুকিয়ে দিয়েছিল আমার মায়ের যোনিতে;
পিতার হন্তারক গুলিটি খুঁজে পাইনি মায়ের ক্ষতবিক্ষত যোনিতে।
এই দরজার চৌকাঠে আমার বোনের স্তন কেটে ছুড়ে ফেলেছিল ওরা!
ধর্ষিত বোনের কাঁটা স্তনে তন্ন তন্ন করে খুঁজেছি পিতার হন্তারক গুলিটি;
তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি!
অবশেষে একদিন জানা গেল ধরা পড়েছে ৭১এর হায়েনা,
হায়েনার হাতে আমার বোনের স্তনের ঘ্রান, পকেটে পিতার হন্তারক গুলিটির খোলস,
হায়েনার বুকে লেগে আছে আমার মায়ের যঠরের রক্তের ছোপ।
প্রভাতের শিশির হেসে বলেছিল বিচার হবে বিচার,
দোয়েল শালিকেরা চিৎকার করে বলছিল ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি।
এই মৃত্যুমুখী শহর যেন শুন্য মাপার কারখানা!
গত পোষ্টেই লেখা প্রসঙ্গে বলছিলাম বন্ধু কামরুলের কথা। ভাগ্য কি অসাধারণ, একদিন পরেই অফিসের কাজে কামরুলের ঢাকায় আগমন। হোটেলে না থেকে- আমার বাসায় থাকা। গত দুদিন তাই অত্যন্ত আনন্দে কাটছে। যদিও তার সময় মেলে কম, তাও যতটুকু তাই মেলা, রাতের বেলা দুই বন্ধু ছাদে বসে বসে গল্প করতে করতে কাটাই। কামরুলের সাথে আলাপের সব চাইতে বড় সুবিধা- ভনিতা করতে হয় না কোনো। এমনিতেও ভনিতা ব্যাপারটা আমার সাথে খুব একটা যায় না। তবুও কামরুলের সাথে তা আরো না। প্রশ্ন করি, জানতে চাই, সব ঘটনা দিন যাপনের কথা জানার চেষ্টা করি। শুনে হো হো করে হাসাই আমার কাজ। কামরুলের সব চাইতে বড় জিনিস হলো সে কোনো কাজই হেলায়ফেলায় করে না। যাই করুক সিরিয়াস, আড্ডা মারার সময়তেও সিরিয়াস হাস্যরস করতে করতেই আড্ডা। দুইটা বোন তার বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্ট শেষ করবে করবে, তাঁদের বিয়ে দিবে কিভাবে তা নিয়ে ইদানিং সে চিন্তিত। যা একদমই নতুন অভিজ্ঞতা আমার জন্য। কারন কা
প্রজন্ম সংলাপ : পর্ব ১ | বিষয় – ‘ইতিহাস বিকৃতি’

প্রজন্ম সংলাপের এই পর্বে আলোকপাত করা হচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় – বাংলাদেশের ইতিহাস – মূলত মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বিকৃত উপস্থাপনা। যদিও সাবেক মন্ত্রী এবং মুক্তিযুদ্ধের সহ প্রধান সেনাপতি এ কে খন্দকারের লিখিত সাম্প্রতিক বই ‘১৯৭১: ভেতরে বাইরে’ নিয়ে বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ, হতাশা আর বিশ্ময় দেখা দিয়েছে, ইতিহাসের এই বিকৃতি, বঙ্গবন্ধু এবং মুক্তিযুদ্ধকে কলঙ্কিত বা হেয় করবার এই প্রচেষ্টা নতুন কিছু নয়। এ বিষয়ে কথা বলা হয়েছে দুই প্রজন্মের দুই শিক্ষাবিদ, গবেষক এবং রাজনৈতিক ভাষ্যকারের সাথে।
প্রজন্ম সংলাপ: পর্ব ১: খন্ড-১
একে খন্দকারের বই
এ কে খন্দকারের ১৯৭১ ভেতর বাহিরের প্রথমাংশ পড়লাম। এ কে খন্দকারের ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ আওয়ামী লীগের প্রতি আনুগত্য দেখানোর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত লোকজনদের ভেতরে এক ধরণের তীব্র আলোড়ন তৈরী করেছে, অনানুষ্ঠানিক ভাবে হলেও সংসদে বইটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে, বর্তমানের মহান জাতীয় সংসদের অনির্বাচিত সদস্য, যাদের পড়ার আগ্রহ এবং রুচি নিয়ে আমার ব্যপক সন্দেহ, তারা পড়ে এবং অধিকাংশই না পড়ে বঙ্গবন্ধু অবমাননার অভিযোগে বইটি নিষিদ্ধ করার এবং এ কে খন্দকারকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় আটকের দাবী জানিয়েছেন। ব্যপক সমালোচনার মুখে প্রথম আলো এবং একে খন্দকার বইটির সংশোধিত দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশ করেছেন সেখানে উল্লেখযোগ্য সংশোধনী হলো শেখ মুজিবুর রহমান ৭ই মার্চের ভাষনে জয় বাংলা জয় পাকিস্তান/জিয়ে পাকিস্তান বলেছেন পূর্বের সংস্করণে ছিলো শেখ মুজিবুর রহমান ভাষণটি জয় পাকিস্তান বলে শেষ করেছিলেন।
আমাদের ছাতা অনুভুতিতে আঘাত!
ছাতা আমাদের ঐতিহ্য। আবহমান কাল ধরেই আমরা দেখে আসছি একজন সৎ ব্যাক্তি তার ছাতাখানি বোগল দাবা করে দরিদ্র জীবনের বিভিন্ন চড়াই উতরাই পার হচ্ছেন, দুয়ারে দুয়ারে উষ্ঠা লাত্থে খাচ্ছেন। বাংলা সিনেমার গরীব বাবা সবসময় বাড়ি থেকে বের হবার সময় ছাতা হাতে নিতে ভুলেননা। বাংলা সিনেমার সৎ কেরানীর চরিত্রটিকে যখন কোন প্রাইভেটকার বা ট্রাক এসে নির্দয় ভাবে চাপা দেয় তখন সবার আগে ছাতাটিকে দেখা যায় আকাশ পানে ছুড়ে দিতে।
আবার ছাতা হচ্ছে বাঙালীর সন্মানের একছত্র প্রতিক। বিভিন্ন জমিদার বাড়ির সামনে দিয়ে ছাতা মাথায় দিয়ে হাটা ছিল চরম বেয়াদবী ও অন্যায়। এই ক্ষেত্রে নায়কের বাবা যখন জমিদার বাড়ির সামনে দিয়ে বেখেয়ালে ছাতা মাথায় দিয়ে হেটে যান তখন তাকে পেয়াদা দিয়ে ধরে এনে চাবুকের আঘাতে আঘাতে রক্তাক্ত করা হয়। বেয়াদব কত্তোবড় সাহস, ছাতা মাথায় দিয়ে জমিদারের ইজ্জত মারিস।
স্যারপোকাদের আপ্যায়নে কেটে যাওয়া ব্যস্ত রাতের পরেও ইচ্ছে করে একটু সকাল দেখতে
ঘুম ভাঙার বিষয়টাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। যখন ঘুম ভাঙ্গে তখন মস্তিষ্কটাকে কোনও রকম চাপ দেওয়া উচিত না। ঘুম ভাঙার পরও চোখ অনেকক্ষণ বন্ধ থাকতে চায়। অনেকসময়ে স্বপ্ন দেখে ঘুম ভাঙ্গে, তাই চোখ বন্ধ করে রেখে স্বপ্নের দৃশ্যে ফিরে যেতে মন চায়; ঘড়ীর দিকে তাকিয়ে সময় দেখতে ইচ্ছা করে না। পেপার পত্রিকায় গুম খুনের হেডলাইন বা সন্তান হারানো মায়ের ছবির দিকে চোখ রাখতে ইচ্ছা করে না। এ রকম সময়ে চোখ বন্ধ করে রেখে সুন্দর ভাবনায় মাথাটাকে আপ্লূত করে রাখা উচিত। সেই সাথে সুরেলা সঙ্গীত শুনতে পারলে আরও ভালো লাগে।
শরৎ
১
কাশবনে ঢেউ খেল যায়
বুকের ভেতর বলে যায়
ওই এলো ওই এলো রে
আবার শরৎ এলো রে ।
২
পেঁজা মেঘের নাও ভেসে
যায় চলে যায় দূর দেশে
খুশির স্বপ্ন ভাসায় ভেলা
শিউলি ঝরে ভোরবেলা ।
৩
শাপলা ফোটে পুকুরে
হাল্কা রোদের দুপুরে
উচ্ছ্বাসে রঙ মাখছে
আগমনী সুর গাইছে ।
I Like Trains
Close to life once again. I had to think every night-why these lights are on everywhere, because I don't like electric lights unless when its needed. But tonight it's a big moon on the sky and I can see everything in that light. I'm lying on a train, along with others. The train will take us to Islampur, a place up in the north. Now I think I did the right thing this weekend.
Me and Autonu just learned that its quite a thing to lay on the rooftop of the train, its bumpy. The train leans left and right and we have to be careful with ourselves. I can hear the jhik jhik and feel the body of the train. Its like riding on a big eel fish that flys in the sky. Thats how we can find the moon and the stars close to our bodies.
ফিলথি
জনাব এ কে খন্দকারের বইটির ব্যাপারে বলছি ! বইটিতে লেখা “জয় পাকিস্তান” বা “জিয়ে পাকিস্তান” নিয়ে পার্লামেন্টে সাংসদদের অনিয়ন্ত্রিত প্রতিক্রিয়া, ক্ষিপ্ততা, অশোভন উক্তি, বিশ্রি গালাগাল মাননীয় সাংসদদের নীচ মানসিকতার কথাই শুধু জানান দেয় যা আদৌ গ্রহণযোগ্য নয় । ব্যাপারটাতো সামান্যই, এত সামান্য যে এটাকে ফিলথি বা ফালতু হিসেবে ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেওয়াই হতো বুদ্ধিমানের কাজ । তাজকন্যা শারমিন আহমদের বইটির ব্যাপারে তাই করা হয়েছিল । ফলে বইটি নিয়ে তেমন হৈচৈ হয়নি । অথচ ওটাতেও আওয়ামীদের জন্য ব্যাপক আপত্তিকর মাল মসলা ছিল !