ইউজার লগইন
ব্লগ
শীতকালীন অবকাশ
মিশন সাকসেস ফুল। গুরু দত্তের অভিনীত ও পরিচালিত সব সিনেমা দেখা শেষ। বাজি ধরে বলতে পারি-- এই শতাব্দীতে উনার মতো পরিচালক আর হিন্দি সিনেমায় আসবেন না। ১০ অক্টোবর ১৯৬৪ সালে দেদারছে ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে মারা গিয়েছিলেন। তাঁর আগেও নাকি তিনবার ট্রাই করেছিলেন সুইসাইডের। তাঁর বন্ধু আবরার আলভির সাথে প্রচুর আলাপ করতেন আত্মহত্যা নিয়ে। piyaasa ও kaagaz ke phool বানিয়েও তিনি নিজেকে নিয়ে দম্ভ করতেন না মোটেও। বলতেন-"Life mein, yaar, kya hai? Do hi toh cheezen hai – kamyaabi aur failure. There is nothing in between.
অভিশপ্ত
আমায় কবর দিয়ে দিতে পারো চাইলে। চিতায় ওঠালেও
রাগ করবো না। অথবা ঢাকা মেডিকেলে পাঠয়ে দাও।
শিক্ষানুবিসরা দেখুক, কাটুক
এক পরাজিতা মৃতদেহ।
আমার শ্বাস চলছে এটা দেখে যেন
না ভাবে আমি বেঁচে।
আহা! ওটা বিভ্রম।
ইশ্বর এমন মায়াজাল খুব ভালোবাসেন। আজ তাই খুব কুয়াশা।
ওখানে যদি হারানো যেতো কিছু সময়ের জন্য!
তাহলে,হয়তো বাঁচতে পারতাম
আসলে
ভেঙে না পরতে পারাটা একটা অভিশাপ।
আর
অভিশপ্ত আমি
ধুমপানের কারণে শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা হয়? আর?
এটি মৃত্যুর কারণ?
বাহ! বেশ তো প্যারাডক্সখানা!
রাবণের চিতাবেশে তোমাদের প্রমাদপ্রমাণ
সন্দেহেও যে শ্বাসপ্রশ্বাসের ভবলীলা সাঙ্গ হওয়ার
উপক্রম! কী মুশকিল! সতর্কীকরণ প্রয়োজন
ছিলো যে!
বারংবার আমাকে অভিযুক্ত যে করো তারপর মৃত্যদন্ড দাও
সেখানা কে দেখলো! তার জন্য সাবধানতাজনিত
বানী কই গো?
নিজেকে বরাবরি সক্রেটিস মনে করি।
অবসন্ন ছন্দ
মগজের ভাঁজে ভাঁজে খুঁজে মরি ছন্দ,
ঘুরে মরা চিন্তায় মেশা ভাল মন্দ,
খুঁজি কিছু স্বস্তি আর কিছু শান্তি,
কেবল ছিটকে আসে জমে থাকা ক্লান্তি!
বিব্রত নিউরন দ্রোহ গুঁজে পকেটে,
নির্দেশে জুড়ে যায় চিন্তার সকেটে,
ইচ্ছারা ধুয়ে যায়, হয়ে যায় অন্য,
ভুলে যায়, ডুবে হয় অবসাদ-ধন্য!
বিশ্রাম, বিশ্রাম, আহাজারি যুঝতে,
সময় পেরোয় অত আর্তিও বুঝতে,
থেমে যায় চিন্তা, হরতালে শব্দ,
নিজের নিজের কাছে সকাতর জব্দ!
ছুটি নেই, বিরামেও, তাই শত শর্ত,
শান্তি দিতেই পারে, চেনা এই মর্ত্য,
তবে দুশ্চিন্তার দায়সারা কর্ম,
শান্তি মোচনই বুঝি শুধু তার ধর্ম!
কবে শেষ? কবে শেষ! জিজ্ঞাসে নিঃশ্বাস,
যত দিন, তত দিন, থেমে থাক বিশ্বাস!
ঝিম ধরা মগজে ঘুমে থাক ছন্দ,
জেগে নয় উঠবে, আগে যাক মন্দ!
ভাঙাচোড়া দিনকাল ২
জাপানে আসার পর বুঝলাম ভদ্রতা এবং বিনয় পীড়াদায়ক হয়ে উঠতে পারে। বিনয়পীড়িত বাঙালী হিসেবে অসস্তিবোধ করি সময় সময়। আমার সুপারভাইজার অতিশয় বিনয়ী কিন্তু কাজপাগল। তার বিভিন্ন আইডিয়া নিয়ে সময়ে-অসময়ে উপস্থিত হয়ে ভিন্ন জাতির মাতৃভাষায় বুঝানোর চেষ্টা করে, আমিও ভিন্ন একটা ভাষায় সে আইডিয়া বোঝার চেষ্টা করি, সময়ে-অসময়ে নিজের দুর্বল ইংরেজীতে শব্দ সরবরাহের চেষ্টা করি।
সন্ধ্যায় পরবর্তী সপ্তাহের কাজের তালিকা নিয়ে ফিরে এসে, খোশমেজাজে সিনেমা দেখে সকাল বেলা ইলেক্ট্রনিক চিঠি পেলে প্রথম প্রথম বিরক্ত লাগতো, এখন সয়ে গেছে। রাত ২টায় পাঠানো চিঠিতে নতুন কাজের ফরমায়েশ দেখলে হতাশ লাগে না এখন।
বৃষ্টিভেজা কিছু মুহূর্ত আর বিস্মিত আমি
বৃষ্টিটা বেশ জোরেই হচ্ছিল। মনে হচ্ছে আকাশ যেন আজ কেঁদে ভাসাবে।
আমি নিশ্চিত যে আমায় ভিজতেই হবে। জোড়াতালির এই কপালে রিক্সা আমার জুটবে না। কিন্তু বিস্ফোরিত চোখে একটা রিক্সা আসতে দেখে যার পর নাই অবাক হলাম। আমার ভাগ্যের বিরোধী দলীয় নেতা মিঃ বিধাতা যে আজ প্রসন্ন চিত্তে এত সহজে আমায় রিক্সা পাইয়ে দেবে তা আমার চিন্তার ও অতীত।
যা হোক বেশ উত্ফুল্ল মনেই রিক্সায় চড়লাম। আর সাথে সাথে মেঘ বাবাজি সজোরে চিল্লানি দিল আর তার সাথে বিদ্যুত মহাশয়ের অটো ফ্লাস।
কিছুদূর যেতেই দেখলাম অনতিদূরে এক অতিমাত্রায় সুন্দরী তরুণী ছাতা হাতে বৃষ্টির বিরুদ্ধে বৃথা লড়াই করে চলেছে। প্রায় পুরোটাই ভিজে গেছে। বাতাসে চুলগুলো উড়ছে আর মেয়েটা এক হাতে ছাতা সামলাচ্ছে আর অন্য হাতে কামিজ। পুরোই বেসামাল অবস্থা। যদিও আমার বেশ খারাপ লাগছিল মেয়েটির জন্য কিন্তু আশেপাশ উত্সুক লোকের লুল দৃষ্টিভঙ্গী আসলেই বিব্রতকর।
বৃষ্টিতে আমি আর আমার রাজকণ্য়া।
বৃষ্টি হচ্ছে।
ভিজে যাচ্ছি আমি আর আমার বুক পকেটে সযত্নে লুকিয়ে রাখা স্বপ্ন গুলো।
আজ আমার হৃদয়ের ঘরে কড়া নাড়ছে সেই চির কাঙ্খিত মুহূর্ত।
আমি আর আমার রাজকণ্য়া
আজ ভিজবো দুজনে।
বৃষ্টির ফোটাগুলো বেহায়ার মতো ছুঁয়ে যাচ্ছে ওর চোখ, ঠোঁট, চিবুক।
আমি ঈর্ষান্বিত চোখে চেয়ে আছি।
ওর চুলগুলোর অবাধ্য়তা একরাশ ভালোলাগা ছড়িয়ে দিচ্ছে আমার মনে।
আমি কম্পিত পদহ্মেপে এগিয়ে গেলাম।
চুম্বন এঁকে দিলাম একটু একটু কাঁপতে থাকা ঠোঁটে। শক্ত করে বুকের মধ্য়ে জড়িয়ে নিলাম
কখনই যেন হারিয়ে যেতে না পারে ইট পাথরের মেকি ব্য়স্ততায়।
যদি পারতাম সময় ঘড়িটা বন্ধ করে দিতাম।
নিশ্চল পৃথিবীর বুকে ভালোবাসার প্রদীপ হাতে দাঁড়িয়ে থাকতাম।
রাজকণ্য়া, ভালোবাসতে শিখিয়েছো আমায়
শুধু ভালোবাসতে দাও নি তোমায়।
মায়ের কাছে খোলা চিঠি
মাগো কেন তুমি আকাশের তারা হলে!
সুসময়ের ভালোবাসাকে ছেড়ে অসময়ে চলে গেলে ।
বাবা এনেছেন নতুন মা,তাঁর মাঝে আমি তোমাকে খুঁজি,
তোমার হাসি,তোমার হাতের পরশ,তোমার স্নেহ, উষ্ণ আদর ।
কিন্তু কি হিংসুটে নবীন মা!
ঐ সব দিতে তো স্বার্থের দিকে তাকানো লাগে না তাই না মা ?
উপরন্তু তিরস্কার আর অবহেলা আমাকে গ্রাস করে খায়।
মাগো, সংসারের সব কাজ করি একটু ভালোবাসার জন্য ,
ভালো কিছু পাবার আশায়,
কিন্তু হিতে বিপরীত!!
সারা দিনের গা ভাসিয়ে খাটুনির বিনিময়ে ,
এক মুঠো ভাত,আর এক বাটি বাসি তরকারি।
ভালো কিছু চাইলে পড়ে উত্তম-মাধ্যম !!
আচ্ছা মা তুমি ই বল ..।।
আমি তো খুব ছোট্ট!!
বড্ড অবুঝ!
এত কষ্ট আমি কি করে সই?
আচ্ছা মা বলনা
নতুন মা ও তো তোমার মত মা ,
কেন সে তোমার মত হয় না ?
আমার যে এমন নিদারুণ কষ্ট আর সহ্য হয় না !!
আমাকেও তুমি তোমার তারার দেশে নিয়ে যাও না মা ...............।
শীতের বিকেলগুলো
এভাবে কেন চলে যাও
পৌষের এই বিকেলের মত
তোমার সাথে কথা ছিল যত
মুছে দিতে দিতে চাও
এই প্রেমটুকু বিকেলের শেষ নিশ্বাসে?
২
আমার খুব বিষণ্ণ লাগছে
অনেক অনেক দিন ধরে
আর অবিকল এরকম আরও একটি বিষণ্ণ সন্ধ্যা
যখন আমাকে গিলে ফেলেছে প্রায়-
তখনই তোমার সাথে আমার পরিচয়।
বেশ হত যদি বলতে আমি টি এস সি তে-
এক্ষুনি চলে এস আমাকে নিতে
টর্নেডোর মত হাজির হতাম
পাঁচ মিনিটে স্নান সেরে
এতো দেরি করলে কেন- তবুও তুমি গাল ফুলোতে।
অথচ তুমি করে ডাকার অধিকারও আমার হয়নি এখনো।
কেটে যাচ্ছে, রক্ত কিন্তু বের হচ্ছে না...
অনেকদিন পরে ব্লগে লিখতে বসলাম। এক সময় ছিলো, যখন প্রতিদিন ব্লগে বিচরণের পাশাপাশি সপ্তাহে ২/৩ টা লেখা লিখতাম। সর্বশেষ কবে লিখেেছি, মনে নেই। মিস করি খুব। ব্লগ, ব্লগের বন্ধুদের। প্রতিদিন একবার করে হলেও আমরা বন্ধুতে ঢু মারি। কদাচিৎ কারো লেখায় কমেন্টস করি। কিন্তু দেখি সবার লেখাই।
দিনকাল কাটছে মহা ব্যস্ততায়। ব্লগের পিকনিক হলো- আমি যেতে পারলাম না। ব্লগের সবার সাথে দেখা হয় না সেও ম্যালাদিন। আড্ডা দেবার কথাতো ভুলেই গেছি ! জীবন আর জীবীকার তাগিদে একদম সময় করে উঠতে পারি না।
অনেকেই ইনবক্সে/ফোনে বা দেখা হলে অভিযোগ করে- আমাকে নাকি সারাদিন ফেবুতে দেখা যায়। আসলে তা কিন্তু নয়। সকালে অফিসে ঢুকেই লগ ইন করি। অফিস থেকে বেরুনোর সময় কেবল সাইন আউট করি।
মানবতা
‘মানবতা’ তুমি সুশীল বাবুদের মুখস্ত বলা বুলি,
অথবা তুমি মুক্তমনাদের
ধর্মের তরে গালি।
মানবতা তুমি আমন্ত্রিত হও পশ্চিমাদের কোন কুকুরের বিয়েতে,
অথবা তুমি জাগ্রত হও সোমালিয়ার কোন ক্ষুদার্থ শিশুর পাকস্থলিতে।
‘মানবতা’ তুমি আমেরিকার তেলের খনি
অথবা তুমি কোন ইরানির শোনা ভয়ংকর শেষ ধ্বনি।
‘মানবতা’ তুমি ইজরাইলিদের হিংস্র হত্যারথ,
অথবা তুমি প্যালেস্টিনি কোন শিশুর বুকের ছিদ্রপথ।
মানবতা তুমি আছো রহিঙ্গাদের রক্তধারায়,
অথবা তুমি আছো আমাদের এই স্বার্থপরতায়।
S
শুধু ফেরা পথ টুকু, ঘেরা পথ টুকু; সেরা পথ হয়ে থেকে যাক..
কিছু কিছু গান আছে, একবার শুনলেই মন কিনে নেয় বিনে পয়সায় - নিমিষেই। কোন একটা সময়ের বা কিছু মুহুর্তের অবয়ব হয়ে সাড়ে তিন হাত মাটির মতন স্থায়ী ঠিকানা গড়ে বসে যায় মরমে, অন্তরে সবচাইতে কাছের অথচ হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর স্মৃতিছোঁয়া ব্যাকুলতায়। অদ্ভুত মাদকতাময় বিষাদে আচ্ছাদিত হয়ে যায় চারপাশ, আপনাতেই। আবার আনমনেই মনের মুকুরে প্রিয় কোন স্মৃতিজাগানিয়া সুখে ঠোটের কোনে উঁকি দিয়ে যায় এক চিলতে হাসি, এলোমেলো হাওয়ায় মন ভালো হয়ে যায়। মনে হয়, কি অদ্ভুত সুন্দর এই বেঁচে থাকা!
"ঝরে ঝরে পড়ে ছিমছাম
শুকনো পাতার স্তুপ,
কবে যেন কাকে চিনতাম
ডাকবাক্সেরা চুপ।
কিছু পিছু ডাকা শার্শীতে আঁকা
চুপ করে থাকা বন্ধু,
স্বপ্নের জালে লন্ঠন জলে
গল্পেরা চলে কোনদুর।
রাস্তা ফেলে..হুহু..হুহুহু..
শুধু ফেরা পথ টুকু,
ঘেরা পথ টুকু;
সেরা পথ হয়ে থেকে যাক -
আজ বিকেলে..
দেখো কুয়াশার নেই ডাক নাম
তবু চশমার চোখে বাষ্প,
আমার মন খারাপের সম্ভাব্য কারণগুলি (১)
কয়েকটি অধ্যায়ে যখন কোনকিছু লেখা হয় তখন সাধারণত আগে সূচনা পরে উপসংহার টানা হয়। যেমন গল্প লেখার ক্ষেত্রে প্রথমে কাহিনীর অবতারণ করানো হয়, চরিত্রগুলোর সাথে পরিচয় করানো হয়... পরের অধ্যায়গুলোতে কাহিনীর লতা-পাতা, শাখা-প্রশাখা গঁজায়... কাহিনি বিকশিত হতে থাকে এবং একসময় পরিনতি পায়। পরিনতিটা কখনো অসমাপ্ত হয়, আবার কখনো সমাপ্ত হয় করুনভাবে বা আনন্দের ঘনঘটায়।
ভ্রান্তি নাহি ঘোচে
ভ্রান্তি নাহি ঘোচে
হায়রে অবুজ হৃদয় ভ্রান্তি কিছুতেই ঘোচে না। এ ধরার সকল যুক্তি তর্ক পিছনে ফেলে যার যা কাম্য তার আগমনের পথে তৃষার্ত চাতক সম শ্যেন দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। কিন্তু যে না আসার সেকি কখনও ফিরে আসে??
এই যেমন আমি, মধ্য রাতের কিছু আগে দরজা জানালা বন্ধ করে, ভিতর এবং বাহিরের নিকষ কালো আন্ধকারকে আরো অন্ধকার করার চেষ্টা করছি। অক্ষি নেত্রযুগলকে চেপে ধরে তার মাত্রাকে আরও বাড়িয়ে নিলাম।
মাঝে নাঝেই আমি এই অন্ধকার বিলাস করি।এই বিলাসীতার মাঝে আরও একটি জিনিস অনুধাবন করার চেষ্টা করি। তা হল, কবরের অন্ধকার। আচ্ছা কবরের অন্ধকার কি এর চেয়েও বেশী। তা হলে এই আমি মাঝে মাঝে অন্ধকার বিলাস করে যে সুখ পাই। সেখানেও কি এমন সুখ পাব??
দয়াল চাইলে লইব জোড়া
মুরশিদ চাইলে লইব জোড়া
এমন দয়াল কে আছে??
রশিক আমার মন বান্ধিয়া পিঞ্জর বানাইছে।
scattered thoughts of another chaotic mind slash heart!
#
happiness is the biggest grin that emerges instantly -
just getting one glance of a best friend!
#
happiness is being found by someone
you have been searching for a thousand years!!
#
you'll never know what you might've missed,
when and if you give up trying..
#
as we grow up,
often we learn to use various kinds of masks
along the way - maybe,
that's called 'maturity' nowadays..
#
feel the rain, and wind in your face -
it's no use looking for light, in darkness tonight..
listen; smell, inhale -
it's been enough, give up; give in -
i'm your rain man.
#
happiness needs no reason..
#
funny - how one can get old; to almost anyone, with time..
that too -
given even such lovely time, almost; all the time..
maybe,
কফি হাউজ (দ্বিতীয়)
মান্না দে সহ সকল পাঠক মাফ করবেন।
তখন সবে মাত্র গিটারে সুর তোলা শিখেছি।গিটার শিখি বুয়েটের দাদার কাছে।আজিজ সুপার মার্কেট। দাদাকে এক দিন জিজ্ঞাস করলাম দাদা কোন গানটা গিটারে তুললে তোমার গায়ের লোম ভয়ানক অনুভূতি সৃষ্টি করে?
দাদা চোখ বন্ধ করে গিটারে মাদকতায় পাগল করা "কফি হাউজ" গানটা বাজিয়ে শুনিয়েছিল।বাজানো শেষে বলেছিল " দেখিস এই গানটা কখনো পুরানো হবে না।টিকে থাকবে হাজারো বছর।মানুষ হাজার বছর পরেও এই গান শুনবে একই মাদকতায়।
বলা বাহুল্য আমার প্রথম গিটারের সুর ছিল কফি হাউজ।
চেষ্টা করেছি এবং সফল হয়েছি কফি হাউজ দ্বিতীয় এর সুর তুলতে...
""স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই
নিখিলেশ লিখেছে প্যারিসের বদলে
এখানেই পুজোটা কাটাবে
কী এক জরুরি কাজে ঢাকার অফিস থেকে
মঈদুলকেও নাকি পাঠাবে