ইউজার লগইন
ব্লগ
বৃষ্টিতে আমি আর আমার রাজকণ্য়া।
বৃষ্টি হচ্ছে।
ভিজে যাচ্ছি আমি আর আমার বুক পকেটে সযত্নে লুকিয়ে রাখা স্বপ্ন গুলো।
আজ আমার হৃদয়ের ঘরে কড়া নাড়ছে সেই চির কাঙ্খিত মুহূর্ত।
আমি আর আমার রাজকণ্য়া
আজ ভিজবো দুজনে।
বৃষ্টির ফোটাগুলো বেহায়ার মতো ছুঁয়ে যাচ্ছে ওর চোখ, ঠোঁট, চিবুক।
আমি ঈর্ষান্বিত চোখে চেয়ে আছি।
ওর চুলগুলোর অবাধ্য়তা একরাশ ভালোলাগা ছড়িয়ে দিচ্ছে আমার মনে।
আমি কম্পিত পদহ্মেপে এগিয়ে গেলাম।
চুম্বন এঁকে দিলাম একটু একটু কাঁপতে থাকা ঠোঁটে। শক্ত করে বুকের মধ্য়ে জড়িয়ে নিলাম
কখনই যেন হারিয়ে যেতে না পারে ইট পাথরের মেকি ব্য়স্ততায়।
যদি পারতাম সময় ঘড়িটা বন্ধ করে দিতাম।
নিশ্চল পৃথিবীর বুকে ভালোবাসার প্রদীপ হাতে দাঁড়িয়ে থাকতাম।
রাজকণ্য়া, ভালোবাসতে শিখিয়েছো আমায়
শুধু ভালোবাসতে দাও নি তোমায়।
মায়ের কাছে খোলা চিঠি
মাগো কেন তুমি আকাশের তারা হলে!
সুসময়ের ভালোবাসাকে ছেড়ে অসময়ে চলে গেলে ।
বাবা এনেছেন নতুন মা,তাঁর মাঝে আমি তোমাকে খুঁজি,
তোমার হাসি,তোমার হাতের পরশ,তোমার স্নেহ, উষ্ণ আদর ।
কিন্তু কি হিংসুটে নবীন মা!
ঐ সব দিতে তো স্বার্থের দিকে তাকানো লাগে না তাই না মা ?
উপরন্তু তিরস্কার আর অবহেলা আমাকে গ্রাস করে খায়।
মাগো, সংসারের সব কাজ করি একটু ভালোবাসার জন্য ,
ভালো কিছু পাবার আশায়,
কিন্তু হিতে বিপরীত!!
সারা দিনের গা ভাসিয়ে খাটুনির বিনিময়ে ,
এক মুঠো ভাত,আর এক বাটি বাসি তরকারি।
ভালো কিছু চাইলে পড়ে উত্তম-মাধ্যম !!
আচ্ছা মা তুমি ই বল ..।।
আমি তো খুব ছোট্ট!!
বড্ড অবুঝ!
এত কষ্ট আমি কি করে সই?
আচ্ছা মা বলনা
নতুন মা ও তো তোমার মত মা ,
কেন সে তোমার মত হয় না ?
আমার যে এমন নিদারুণ কষ্ট আর সহ্য হয় না !!
আমাকেও তুমি তোমার তারার দেশে নিয়ে যাও না মা ...............।
শীতের বিকেলগুলো
এভাবে কেন চলে যাও
পৌষের এই বিকেলের মত
তোমার সাথে কথা ছিল যত
মুছে দিতে দিতে চাও
এই প্রেমটুকু বিকেলের শেষ নিশ্বাসে?
২
আমার খুব বিষণ্ণ লাগছে
অনেক অনেক দিন ধরে
আর অবিকল এরকম আরও একটি বিষণ্ণ সন্ধ্যা
যখন আমাকে গিলে ফেলেছে প্রায়-
তখনই তোমার সাথে আমার পরিচয়।
বেশ হত যদি বলতে আমি টি এস সি তে-
এক্ষুনি চলে এস আমাকে নিতে
টর্নেডোর মত হাজির হতাম
পাঁচ মিনিটে স্নান সেরে
এতো দেরি করলে কেন- তবুও তুমি গাল ফুলোতে।
অথচ তুমি করে ডাকার অধিকারও আমার হয়নি এখনো।
কেটে যাচ্ছে, রক্ত কিন্তু বের হচ্ছে না...
অনেকদিন পরে ব্লগে লিখতে বসলাম। এক সময় ছিলো, যখন প্রতিদিন ব্লগে বিচরণের পাশাপাশি সপ্তাহে ২/৩ টা লেখা লিখতাম। সর্বশেষ কবে লিখেেছি, মনে নেই। মিস করি খুব। ব্লগ, ব্লগের বন্ধুদের। প্রতিদিন একবার করে হলেও আমরা বন্ধুতে ঢু মারি। কদাচিৎ কারো লেখায় কমেন্টস করি। কিন্তু দেখি সবার লেখাই।
দিনকাল কাটছে মহা ব্যস্ততায়। ব্লগের পিকনিক হলো- আমি যেতে পারলাম না। ব্লগের সবার সাথে দেখা হয় না সেও ম্যালাদিন। আড্ডা দেবার কথাতো ভুলেই গেছি ! জীবন আর জীবীকার তাগিদে একদম সময় করে উঠতে পারি না।
অনেকেই ইনবক্সে/ফোনে বা দেখা হলে অভিযোগ করে- আমাকে নাকি সারাদিন ফেবুতে দেখা যায়। আসলে তা কিন্তু নয়। সকালে অফিসে ঢুকেই লগ ইন করি। অফিস থেকে বেরুনোর সময় কেবল সাইন আউট করি।
মানবতা
‘মানবতা’ তুমি সুশীল বাবুদের মুখস্ত বলা বুলি,
অথবা তুমি মুক্তমনাদের
ধর্মের তরে গালি।
মানবতা তুমি আমন্ত্রিত হও পশ্চিমাদের কোন কুকুরের বিয়েতে,
অথবা তুমি জাগ্রত হও সোমালিয়ার কোন ক্ষুদার্থ শিশুর পাকস্থলিতে।
‘মানবতা’ তুমি আমেরিকার তেলের খনি
অথবা তুমি কোন ইরানির শোনা ভয়ংকর শেষ ধ্বনি।
‘মানবতা’ তুমি ইজরাইলিদের হিংস্র হত্যারথ,
অথবা তুমি প্যালেস্টিনি কোন শিশুর বুকের ছিদ্রপথ।
মানবতা তুমি আছো রহিঙ্গাদের রক্তধারায়,
অথবা তুমি আছো আমাদের এই স্বার্থপরতায়।
S
শুধু ফেরা পথ টুকু, ঘেরা পথ টুকু; সেরা পথ হয়ে থেকে যাক..
কিছু কিছু গান আছে, একবার শুনলেই মন কিনে নেয় বিনে পয়সায় - নিমিষেই। কোন একটা সময়ের বা কিছু মুহুর্তের অবয়ব হয়ে সাড়ে তিন হাত মাটির মতন স্থায়ী ঠিকানা গড়ে বসে যায় মরমে, অন্তরে সবচাইতে কাছের অথচ হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর স্মৃতিছোঁয়া ব্যাকুলতায়। অদ্ভুত মাদকতাময় বিষাদে আচ্ছাদিত হয়ে যায় চারপাশ, আপনাতেই। আবার আনমনেই মনের মুকুরে প্রিয় কোন স্মৃতিজাগানিয়া সুখে ঠোটের কোনে উঁকি দিয়ে যায় এক চিলতে হাসি, এলোমেলো হাওয়ায় মন ভালো হয়ে যায়। মনে হয়, কি অদ্ভুত সুন্দর এই বেঁচে থাকা!
"ঝরে ঝরে পড়ে ছিমছাম
শুকনো পাতার স্তুপ,
কবে যেন কাকে চিনতাম
ডাকবাক্সেরা চুপ।
কিছু পিছু ডাকা শার্শীতে আঁকা
চুপ করে থাকা বন্ধু,
স্বপ্নের জালে লন্ঠন জলে
গল্পেরা চলে কোনদুর।
রাস্তা ফেলে..হুহু..হুহুহু..
শুধু ফেরা পথ টুকু,
ঘেরা পথ টুকু;
সেরা পথ হয়ে থেকে যাক -
আজ বিকেলে..
দেখো কুয়াশার নেই ডাক নাম
তবু চশমার চোখে বাষ্প,
আমার মন খারাপের সম্ভাব্য কারণগুলি (১)
কয়েকটি অধ্যায়ে যখন কোনকিছু লেখা হয় তখন সাধারণত আগে সূচনা পরে উপসংহার টানা হয়। যেমন গল্প লেখার ক্ষেত্রে প্রথমে কাহিনীর অবতারণ করানো হয়, চরিত্রগুলোর সাথে পরিচয় করানো হয়... পরের অধ্যায়গুলোতে কাহিনীর লতা-পাতা, শাখা-প্রশাখা গঁজায়... কাহিনি বিকশিত হতে থাকে এবং একসময় পরিনতি পায়। পরিনতিটা কখনো অসমাপ্ত হয়, আবার কখনো সমাপ্ত হয় করুনভাবে বা আনন্দের ঘনঘটায়।
ভ্রান্তি নাহি ঘোচে
ভ্রান্তি নাহি ঘোচে
হায়রে অবুজ হৃদয় ভ্রান্তি কিছুতেই ঘোচে না। এ ধরার সকল যুক্তি তর্ক পিছনে ফেলে যার যা কাম্য তার আগমনের পথে তৃষার্ত চাতক সম শ্যেন দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। কিন্তু যে না আসার সেকি কখনও ফিরে আসে??
এই যেমন আমি, মধ্য রাতের কিছু আগে দরজা জানালা বন্ধ করে, ভিতর এবং বাহিরের নিকষ কালো আন্ধকারকে আরো অন্ধকার করার চেষ্টা করছি। অক্ষি নেত্রযুগলকে চেপে ধরে তার মাত্রাকে আরও বাড়িয়ে নিলাম।
মাঝে নাঝেই আমি এই অন্ধকার বিলাস করি।এই বিলাসীতার মাঝে আরও একটি জিনিস অনুধাবন করার চেষ্টা করি। তা হল, কবরের অন্ধকার। আচ্ছা কবরের অন্ধকার কি এর চেয়েও বেশী। তা হলে এই আমি মাঝে মাঝে অন্ধকার বিলাস করে যে সুখ পাই। সেখানেও কি এমন সুখ পাব??
দয়াল চাইলে লইব জোড়া
মুরশিদ চাইলে লইব জোড়া
এমন দয়াল কে আছে??
রশিক আমার মন বান্ধিয়া পিঞ্জর বানাইছে।
scattered thoughts of another chaotic mind slash heart!
#
happiness is the biggest grin that emerges instantly -
just getting one glance of a best friend!
#
happiness is being found by someone
you have been searching for a thousand years!!
#
you'll never know what you might've missed,
when and if you give up trying..
#
as we grow up,
often we learn to use various kinds of masks
along the way - maybe,
that's called 'maturity' nowadays..
#
feel the rain, and wind in your face -
it's no use looking for light, in darkness tonight..
listen; smell, inhale -
it's been enough, give up; give in -
i'm your rain man.
#
happiness needs no reason..
#
funny - how one can get old; to almost anyone, with time..
that too -
given even such lovely time, almost; all the time..
maybe,
কফি হাউজ (দ্বিতীয়)
মান্না দে সহ সকল পাঠক মাফ করবেন।
তখন সবে মাত্র গিটারে সুর তোলা শিখেছি।গিটার শিখি বুয়েটের দাদার কাছে।আজিজ সুপার মার্কেট। দাদাকে এক দিন জিজ্ঞাস করলাম দাদা কোন গানটা গিটারে তুললে তোমার গায়ের লোম ভয়ানক অনুভূতি সৃষ্টি করে?
দাদা চোখ বন্ধ করে গিটারে মাদকতায় পাগল করা "কফি হাউজ" গানটা বাজিয়ে শুনিয়েছিল।বাজানো শেষে বলেছিল " দেখিস এই গানটা কখনো পুরানো হবে না।টিকে থাকবে হাজারো বছর।মানুষ হাজার বছর পরেও এই গান শুনবে একই মাদকতায়।
বলা বাহুল্য আমার প্রথম গিটারের সুর ছিল কফি হাউজ।
চেষ্টা করেছি এবং সফল হয়েছি কফি হাউজ দ্বিতীয় এর সুর তুলতে...
""স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই
নিখিলেশ লিখেছে প্যারিসের বদলে
এখানেই পুজোটা কাটাবে
কী এক জরুরি কাজে ঢাকার অফিস থেকে
মঈদুলকেও নাকি পাঠাবে
দুধ কলা দিয়ে পুষে রেখেছি একটা মরিচা পড়া মগজ
লিখতে বসতে বসতে একটা গান মনে পড়ল। একটি দুটি তিনটি করে ফুলগুলো সব যাচ্ছে ঝরে, ফুলবতী গাছের বুকে ভীষণ হাহাকার। গীটার বাজিয়ে এক বন্ধু গানটা গেয়ে থাকে। গানের কথার সাথে নিজের বাস্তবতার মিল আছে কি? বর্তমানকে বিশ্লেষণ করলে বেশ খানিকটা মিল পাওয়া যেতে পারে।
শীতকালীন নিয়মানুসারে আজও বেলা দুপুরে ঘুম ভেঙ্গেছে একটা নিমন্ত্রণের ফোনে। সন্ধ্যায় জহুরুল হক হলে মুরগী পুড়িয়ে খাবার নিমন্ত্রণ। অনেকেই ভাবতে পারেন মুরগী পোড়ানো টোড়ানো আসলে কিচ্ছু না, আসলে খাবে নেশা পুড়িয়ে। কিন্তু বিশ্বাস করুন বন্ধুগণ পরীক্ষার আগের এই সন্ধ্যাগুলোতে মুরগী পোড়ানোর বিষয়টাই দারুণ রোমাঞ্চকর লাগে।
আজকে প্রাতঃকৃত্য সারার সময়ে পত্রিকার সাহিত্য পাতায় একটা গল্প পড়ছিলাম। লিখেছেন ধ্রুব এশ। দারুণ বস্তাপচা গল্প। তাই আবার কাগজেও ছেপেছে। কিন্তু আমি পড়লাম। মগজের জং টা একটু তাড়াবার জন্য।
অভাব থাকলে হয়না রে ভাব
অভাব থাকলে হয়না রে ভাব
কে বলেছে ভাই
মনে মন মজিলে
হায়রে
অভাব কিছু নাই
রে মনা
অভাব কিছু নাই
একি ছাদের নিচে থাকে
কথা বার্তা নাই
কাড়ি কাড়ি টাকা আছে
ভাবটাই শুধু নাই
রে মনা
ভাবটাই শুধু নাই
ভোলা মন, মনরে আমার………
আবার ভাবের মানূষ খুজতে রে ভাই
সাত সমুদ্দুর পার হয়ে যাই
অভাই কিছু নাইরে
মনা
অভাব কিছু নাই
রাজ প্রাসাদে থাকে হায়রে
খেতে পারে না
হাতের কাছে হাজার খাবার
ডাক্তারের মানা
ভোলা মন, মনরে আমার………
আবার কাচা লংকা ঢলেও ওভাই
পেট পুড়ে ভাই খাই
অভাব কিছ নাই।
ডিসেম্বর, ১৮,২০১৪খ্রীঃ
উত্তরা ঢাকা,
লাশটি উপুর হয়ে পড়েছিল
"অন্যেরা যখন ১৬ই ডিসেম্বর সকালে ছাদে ছাদে পতাকা উড়ায়, গলা ছেড়ে জয় বাংলা ধ্বনিতে বাংলার আকাশ-বাতাস মুখরিত করে, আমি তখন ভাগারে ভাগারে আমার স্বামীর লাশের খোঁজে ব্যস্ত। দমকা হাওয়ায় হারিয়ে যাও সেই প্রিয় মুখটি আর একবার দেখার জন্য সহস্র বন্ধুকের গুলি বুক পেতে নিতে প্রস্তুত। সে সময় কত এলোপাতাড়ি গুলি চলছিলো, কত লোক ১৬ ডিসেম্বরেও গুলি খেয়েছে কিন্তু একটি গুলিও আমাকে স্পর্শ করেনি। আলীম হত্যার সাক্ষী হয়ে থাকবো বলেই হয়তো।"
স্বামী ডাঃ আলীম চৌধুরীর লাশটি এভাবেই খুঁজেছিলেন শ্যামলী চৌধুরী। সেই লাশটি তিনি পেয়েছিলেন ১৮ই ডিসেম্বর। একটি ইটের ভাটায় পড়েছিলো ডাঃ রাব্বি, আলিম চৌধুরী সহ আরো অনেকের লাশ। লাশটি উপুর হয়ে পড়েছিল।
ব্লগ নয়, ভালবাসা আর দু চার লাইন কথা
১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরের সূর্য্যি কেমন
ছিল জানি না।তবে এটা জানি ৩০ লক্ষ শহীদের
রক্ত একত্রিত করলে যতটুকু লাল
হবে নি:সন্দেহে তার চেয়ে বেশি লাল ছিল।
বিজয়ের মাস।সবাই দেশপ্রেমিক। আমার যে বন্ধু গোলাম আযমকে আল্লাহর অলি বলে এখনো বিশ্বাস করে সকালে তাকেও দেখলাম মাথায় লাল সবুজের পতাকা।শুধু মুখ বুঝে সয্য করেছি।কেঁদেছি....
ইনবক্স ভরে গেছে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছায়।আমি কাউকে শুভেচ্ছা জানাই নি। কিছু কিছু বিজয় প্রাণ খুলে উপভোগ করা যায় না।বুকের ভিতর কোথায় জানি ব্যাথা লাগে।
এই দিনে হাজারো মায়ের সন্তান ফিরে এলেও ফিরে আসেনি "শহীদ রুমি"। ফিরে আসেনি ৩০ লক্ষ সন্তান। বাবা,মা,ভাই,বোন....তারা চলে গেছে। ফিরবেনা।অনেক অভিমান তাদের।রেখে গেছে হাজারো স্মৃতি।এক সাগর রক্ত আর একটি দেশ।
বাংলাদেশ
৪৩ বছর পরেও কোমরের ব্যাথায় কষ্ট পান তিনি
"২২শে নভেম্বর দুপুরে হঠাৎ দেখি আমার বাবাকে সাথে করে এক জীপ সৈন্য এসেছে এবং আমাকে খোঁজ করছে। বুঝলাম আমার মুক্ত জীবনের আয়ু আর বেশি নেই। মাকে সালাম করে ওদের সাথে জীপে গিয়ে উঠলাম। জীপে উঠেই এক অসীম সাহস বুঝে এলো। মনের ভেতরে শুধু একটি মুখ ভেসে উঠেছে, তা মুজিবের। একটি মুখ মানুষকে এত শক্তি দিতে পারে তা আগে জানতাম না। মুজিব মানেই তো বাংলা মুখ।"
এরপর সেই বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব সালেহ মোস্তফা জামিলকে নিয়ে হাজির করা হয় তেজগাঁও ড্রাম ফ্যাক্টরির একটি তিনতলা বাড়ীতে। নীচ তলায় মেজর সালিকের অফিস এবং দোতলায় তাদের নির্যাতন কক্ষ। তিন তলায় রাখা হতো বন্দীদের। জামিল ভাইকে নিয়ে রাখা হলো এক রান্না ঘরে। সেখানে আগে থেকেই বন্দি ছিলো আরো পাঁচজন। তাদের মধ্যে একজন উনারই বড় ভাই, পাড়ার চায়ের দোকানের কালু, নিউমার্কেটের কাপড়ের ব্যবসায়ী একজন। বাকী দুইজনের একজন চাকমা এবং অন্যজন এক শিশু মুক্তিযোদ্ধা।