ইউজার লগইন
ব্লগ
কক্সবাজারে অদ্ভুত সমস্যাপূর্ন ভ্রমন বিড়ম্বনা
হঠাৎ মনটা বেশ ঘাপটি মেরে বসেছে। ও যেন রাগ করেছে নিরন্তর এই অভিমানী জীবনের উপর। কেন যেন আজ মনে পড়ে যাচ্ছে পুরোনো কিছু স্মৃতির কথা। বেশামাল এই শান্ত মনকে আবার যে ওই অশান্ত জীবনে ফিরিয়ে নিতেই হবে, স্মৃতিগুলোকে যে আজ ভুলে যেতেই হবে। আমার জীবনে ঘটে চলা অদ্ভুত সব ঘটনার একটি এখানে শেয়ার করলাম(উল্লেখ্য: এটা আমি ২০০৯ সালের মার্চ মাসে লিখেছিলাম)।
ভাঙাচোড়া দিনকাল
গত শুক্রবার যখন সুর্য মেঘের আড়ালে ঢাকলো সেদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ১৬ ডিগ্রী, বাংলাদেশের শীতে এমন রোদ্দুরদিনে গায়ে হালকা চাদর জড়িয়ে তরিয়ে তরিয়ে সুর্যালোক উপভোগ করা যায়, অবশ্য এখানে এখন তেমন সুযোগ নেই। দরিদ্র দেশ থেকে আসা শিক্ষাশ্রমিক আমরা, শ্রমের বিনিময়ে সনদ অর্জন করি, কেউ দেশের নানাবিধ অস্থিরতায় আড় অন্য অধিকাংশ সবাই কিছুটা স্বচ্ছলতা এবং ভালো কাজের পরিবেশের জন্যে বেশ লম্বা একটা জীবন শিক্ষাশ্রমে কাটিয়ে দেন।
গবেষণার আলাদা আনন্দ আছে, যৌক্তিক কল্পনার সাথে কিছুটা উচ্চাশা নিয়ে কোনো একটা পরিকল্পনা তৈরী করা এবং যন্ত্রপাতি হাতিয়ে সে পরিকল্পনা মূর্ত হতে দেখে যেমন তৃপ্তি পাওয়া যায়, প্রায় নিয়মিত ব্যর্থ প্রচেষ্টাগুলোর কষ্ট আর দুর্ভোগ ভুলিয়ে দেয় সেটুকু।
৬ ডিসেম্বর
খুশীর হাওয়া বইছে
আজ বিজয়ের দিনে ।
নাচো হে বীরগঞ্জবাসী
তোমাদের মনও প্রাণও খুলে ।
আজ কেন আছো গো তোমরা,
হয়ে মুখ গোমড়া ।
এই আনন্দমুখরও দিনে ।
ঐ গাছে দিকে আখিঁ
খুলে দেখ চেয়ে....
কোকিলও ডাকছে খুশিরও দিনে ।
something....just try...,
আজকে উত্তরবঙ্গের দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জের পাক হানাদার মুক্ত দিবস ।দিনটি খুব ভাল ভাবে উদ্দযাপিত হচ্ছে । এই দিনে পেয়েছে মুক্তি পাক হানাদারদের থেকে, সদ্য বীরগঞ্জবাসী ।
ট্রেন থেকে লিখছি.........
উৎসর্গঃ প্রিয় দাদী
৫ ডিসেম্বর, সকাল ৭.৩০। রাজশাহী রেলস্টেশন থেকে গল্পটা যখন লিখছি তখন আমি সিল্কসিটি ট্রেনের ‘ঝ’ বগির ৩৯ নম্বর সিটের যাত্রী, গন্তব্য ঢাকা। পাশের সিটে আমার খুব কাছের প্রিয় এক মানুষ, আমার দাদী।
৭৪ এর দুর্ভিক্ষে আমার আপন দাদীকে হারিয়েছে, তাই আমার সৌভাগ্য হয়নি তাকে দেখা
দাদু পরে আর বিয়ে করেনি। বাকিটা জীবন একা কাটিয়ে দিয়েছেন। ২০০৫ সালে এসে দাদুকেও হারালাম।
তারপর থেকে রাজশাহীতে বাবার এক চাচা-চাচীকে দাদু আর দাদী বলে ডাকি। আপন দাদীর যে আদর থেকে বঞ্চিত হয়েছি তা অনেকটাই পূরণ করেছেন এই দাদী।
দু জনে বসে গল্প করছি আর রাস্তার দু ধারের সরিষা ক্ষেতের মনোরম দৃশ্য দেখছি 
কখনো বা আসেপাশের সিটে বসা মানুষের গল্প শুনছি। আমাদের সামনের সিটগুলোতে দশ জনের এক বিশাল পরিবার। খুব মজা করছে ওরা। ওদের কথার সাথে আমরাও একটু আধটু তাল মিলাচ্ছি।
বিয়ে, ত্বরা ও একটি অসুখ
বর পক্ষ ও কনে পক্ষের পূর্ণ সমর্থনে, হিন্দু ধর্মানুযায়ী পাটি-পত্রের মাধ্যমে বিয়ের দিন ধার্য করা হয়েছিলো জানুয়ারী মাসের ১১ তারিখ এবং ধার্যের তারিখ ছিলো ৬ নভেম্বর। প্রস্তুতি সেভাবেই চলছিলো। ধীর-স্থির ভাবে। হাতে যথেষ্ট সময় রয়েছে এখনো। এভাবেই চলছিলো। তারপর হঠাতই একদিন বিয়ের তারিখ পরিবর্তন করে জানুয়ারীর পরিবর্তে করা হয় ডিসেম্বরে। ত্বরা লেগে যায় চারিদিকে। বিয়ে হঠাতই অতি সন্নিকটে। বিয়ের প্রয়োজনীয় সবকিছু যোগারে এখন সবাই ভীষণ ব্যস্ত।
এই ফাকে পাঠকদের জানানো প্রয়োজন বোধ করছি যে ডিসেম্বরের ১ তারিখে কনের পিতা হঠাত অসুস্থ হোয়ে পরলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা পূর্বক জানান যে তার lungs cancer, আরো জানান যে তার সর্বোচ্চ আয়ু ১ মাস। এতক্ষণে পাঠকরা নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন হঠাতই এত তাড়া কেনো! বলে রাখা প্রয়োজন যে আমি যখন এই অনুগল্পটি লিখছি তখন বর্ষপঞ্জিতে ৩ ডিসেম্বর ২০১৪।
ফিরে আসার গল্প
২০১১ সালে এখানে একাউন্ট খুলেছিলাম। কিঞ্চিৎ পছন্দ হয়েছিল ব্লগটি। লিখা শুরু করার আগেই গোপন চাবি মানে পাসওয়ার্ড হারিয়ে গিয়েছিল।
কিছুদিন আগে গুগলে নিজের লিখা একটা কবিতার দুইলাইন সার্চ দিতে গিয়ে দেখি সবার উপরে গুগল আমার এই ব্লগ খুজে বের করে এনেছে। গুগলের প্রতি কৃতজ্ঞ হলাম।
ফেসবুকে এটা নিয়ে একটা স্ট্যাটাসও দিয়েছিলাম। যাই হোক যে কবিতার জন্য এই ফিরে আসা সেই কবিতাটা এখানে প্রকাশ না করলে বড় বেশী বেমানান হবে,
যাযাবরের পথ চলা সারাবেলা।
যাযাবরের পথ চলা সারাবেলা
সহযাত্রী মেলার আশা নেই আর এবেলায়
জীবনের জীবন্ত চেতনারা অনেক আগেই গনধর্ষিত
তাই নতুন করে ভাবতে হচ্ছে-জীবনের শুরু হয়েছিল বড্ড এলোমেলো
এখন বুঝি, মূর্খ শিক্ষকদের বলে যাওয়া জ্ঞানের কথাগুলো ছিল
সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদদের প্রতিশ্রুতির মত অর্থহীন
আমিও পালিয়েছিলাম বেশ ঘটা করে সম্রাট যাযাবরের বেশে।
তোমার দিদি
ভাবতে খুব অস্বস্তি হচ্ছে যে এখন থেকে সন্ধ্যায় তোমার সাথে দেখা করতে চাইলে মাত্র দুইদিন আগেও যেভাবে নিঃসঙ্কোচে জানতে চাইতাম যে তুমি কোথায়, এখন সেটা হয়তো আর পারবো না। কাকলীর সাথে সন্ধ্যা কাটাতে চাওয়া তোমাকে দোটানায় ফেলার কোন ইচ্ছে আমার নেই। আরও অস্বস্তি হচ্ছে এই ভেবে- হঠাৎ রাতে তোমাকে ফোন দেবার পর অন্য পাশ থেকে কাকলী তোমাকে ফোন দেওয়াতে তোমাকে ছুতো খুঁজতে হচ্ছে এইভাবে যে “তুমি *৬৬৬*১# এ ডায়াল করে আবার কল দাও”...
থ্রি হান্ড্রেড এন্ড মোর!
কালকেই আবিষ্কার করলাম আমার পোষ্ট সংখ্যা ২৯৯, অবাক হচ্ছিলাম। কিভাবে সম্ভব হলো এই জিনিস?
মুক্তিযুদ্ধ- আমাদের গৌরব আমাদের অহংকার
শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা আর সকল আহত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি লাখো সালাম ও শ্রদ্ধা।
পশ্চিম পাকিস্তানের জুলুম-শোষণ আর অত্যাচার এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের অতিস্ঠ না হওয়ার কোন উপায় ছিল না
জনগণের মধ্যে যদিও আগে থেকেই ধারনা ছিল যেকোন মুহূর্তে দেশে যুদ্ধ শুরু হবে কিন্তু সবাই ছিল ঘোষণার অপেক্ষায়। অবশেষে ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু হল আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ।
৭১ এর ভয়াল মার্চ, পাকবাহিনীরা ছড়িয়ে পড়েছে গোটা পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র। । নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর আমরা ছিনিয়েছিলাম মহান বিজয়। অর্জিত হয়েছে একটি স্বাধীন দেশ নাম তার বাংলাদেশ। আমাদের সপ্নের দেশ লাল সবুজের বাংলাদেশ 
মার্চ আর ডিসেম্বর মাস আসলেই মুক্তিযুদ্ধের কথা বেশি মনে পড়ে কারন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের পাতায় এই দু মাসের তাৎপর্য অনেক।
What A Wonderful World!
আজ সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই আমার লুইস আমস্ট্রংয়ের এই শিরোনামের গানটার কথা মনে পড়লো। জলদি ঘুম থেকে উঠেই গানটা শুনলাম টানা। মাদাগাস্কার মুভির কারনেই এই গানটা আমার শোনা। যতবার এইসব টুকটাক অসুখ বিসুখ থেকে শরীর ভালো হয়, ততবারই আমি এই গানটা গাই,যদিও স্মৃতিভ্রষ্টতার কারনে আর লিরিক মনে থাকে না। ইংরেজী গানের কথা মনে রাখা বড়ই কষ্টের, এই বয়সে এত কষ্ট করতে মনে চায় না। তানভীর নামের এক বন্ধু ছিল ক্লাস নাইনের, কই থেকে নানান পদের ইংরেজী গান মুখস্থ করে এসে আমাদের কাছে ঝেড়ে দিত, আমরা অবাক হতাম। কারন বাংলা গান শুনে মনে রাখা খুব কঠিন কিছু না, কিন্তু বইদেশী ভাষার গান টেপরেকর্ডারের মতো গেয়ে চলা যথেষ্ট কামেল ব্যাপার। বিবিসি বাংলায় মেহের আফরোজ শাওনের ইন্টারভিউ হচ্ছিলো শুনলাম অনলাইনেই। সেখানে স্যার শাওনকে টেপরেকর্ডার বলে ডাকতেন, কারন শাওন নাকি এক গান জাষ্ট একবার শুনেই সেরকম ভাবে গেয়ে ফেলতে পারতেন। আমি মনে মনে হাসছি
নিস্ফল সাফল্য
ভাবলাম একদিন দিগন্ত ছুতে বেরিয়ে যাবো। দিগন্তে কি আছে জানতে মন চাইতো, সেখানে কি রংধনু সারা বছর দেখা যায় অথবা লাল টুকটুকে সূর্য্যটা কি পরিপাটি হয়ে ঘুমিয়ে থাকে? এসব ভাবনা একসময় আমার কৈশোরবেলা জুড়ে ছিলো ভাবলেই হাসি পায় আনমনে।
: একা একা হাসছো যে?
: এমনি।
: বাড়ি যাবে না?
: আর কোথাও কি যাবার জায়গা আছে?
ইয়েল্দা তাকিয়ে আছে নিশ্চুপ, শুধু ঠোট টেপা হাসি। ঠোট দুটো গাঢ় লালের লিপস্টিক, চোখে টানা কাজল। আফগানী মেয়েদের কারো নাম যে ইয়েল্দা হয় জানতাম না, তাদের চুল এমন লালচে কালো হয় সেটাও ভাবনায় আসেনা।
: যাবে আমার সাথে? চলো কোথায় বসে কফি খাই।
আমি কিছু বললাম না। হাতের সিগারেটে শুধু একটাই টান দেয়া হয়েছিলো, বাকিটা হাতেই পুড়ে শেষ। কখন যে ভাবনার সাগরে ডুবে যাই তার কোনো ইয়েত্তা নেই। ইদানিং মনটাকে লাগাম দিতে পারছি না।
টুকিটাকি ১
ক্ষমতা আদতে তথ্য নিয়ন্ত্রনের অধিকার। সম্রাট তার শক্তিশালী সেনাবাহিনী দিয়ে সম্রাজ্য বিস্তার করতে পেরেছেন কারণ তার রণযাত্রার রসদখরচ জোগাতে গিয়ে নিজের জীবনস্পৃহা হারিয়ে ফেলা সাধারণ মানুষগুলো যে যুদ্ধযাত্রার জন্যে বাড়তি কর দিতে অনাগ্রহী, তারা যে যুদ্ধবিগ্রহের হয়রানি এড়িয়ে শান্তিতে জীবনযাপন করতে চায় এই সত্যটা তিনি তার সেনাপতি আর সৈনিকদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখতে পারেন। এত বিশাল সম্রাটও তার খুনে সেনাবাহিনীকে ভয় পান, তাদের ভেতরে গোপনে গোয়েন্দা অনুচর লুকিয়ে রাখেন- সেনা কর্মকর্তা আর সৈনিকদের অসন্তোষের তথ্য সংগ্রহ করেন, এবং নিজের ক্ষমতায় সেই তথ্যের ব্যবহার করেন। তথ্য ব্যবহারের দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় তিনি জানেন কখন কোন তথ্যের জন্যে প্রকাশ্যে প্রাণ সংহার করতে হবে আর কোন তথ্যটা শুধু একান্তে বলতে হবে। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার দক্ষ ব্যবস্থাপনায় সেনাবাহিনীর প্রতিটা সদস্য বুঝে যায় নিজের নিঃশ্বাসের শব্দেও যদি কোনো অমান্যত
যাই বন্ধুরা যাই
যাই, বন্ধুরা যাই !
যেখানে শেখড়, সে পিতৃভুমে যাই ।
কতকাল পড়ে আছি বিদেশ বিভুইঁয়ে !
প্রতিদিন ডেকে গেছে মা !
'আয় খোকা আয় ' ।
সময় হয়নি সাড়া দেবার !
আজ যাই !
জনমের মতো !
ফিরে যাই মা’র বুকে !
যেখানে মাটির সোঁধা গন্ধ
মৗ মৗ করে সারাক্ষণ ।
আহা ! কি সুন্দর কচুরি পানার ফুলগুলো
পুকুরের ঈশানকোণে ফুটেছিল !
ঝির ঝির হাওয়ায় দোলছিল !
দুলে দুলে ডাকছিল
আয় আয় ফিরে আয় !
আহা কি মধুর ডাক !
শিথিল বাঁধন
ইদানিং মাঝে মাঝেই হারিয়ে যাই আমার অতীত সময়ে। বাবা আমাকে নিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে পড়তেন। বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হলে মাকে বাসায় রেখেআমরা ঘুরতে চলে যেতাম। এটা এলাকার ভেতর কারো বাড়ি বা অফিসের কাজকর্মের জন্য রাজশাহী সদর বা ঢাকা যাওয়া নয়, এটা ছিলো কোনো নাম না জানা গ্রামে ঘুরতে যাওয়া। সেখানে দিনভর ঘুরে তিনি ছোটবেলার বন্ধুদের খুজে বের করতেন। কয়েকদিন কাটাতাম, তারপর ফিরে আসতাম। বাড়ি এসে মনে হতো সময়টা থেমে ছিলো, কিছুই বদলায়নি যেন। বইয়ের পাতা যেখানে খোলা রেখে গিয়েছিলাম, সেটা সেভাবেই পড়ে আছে। জানালার ওপাশে যে ঘুড়িটা কলাগাছের পাতায় ঝুলে ছিলো সেটা বাতাসে সামান্য ছিড়েছে। খাবারের টেবিলে গ্লাসের পানিটা অর্ধেক পড়ে আছে।
এক অদ্ভুত ইচ্ছে পূরণের সকাল
গত ক'দিন ধরে পড়াশোনায় মন বসছে না। আজ একটা মিডটার্ম ছিলো, টেক-হোম। অন্যসময় যেখানে টেক-হোম এক্সামের সময় সারা রাতের ঘুমকে ছুটিতে পাঠিয়ে প্রশ্নের সমাধান করতে থাকি, সেখানে গতরাতে কেমন গা-ছাড়া মেজাজে বিছানায় শুয়ে ছিলাম, এক্সাম না দিয়ে।
সারারাত জেগে ঘুমের সত্যিকারের চেষ্টাটা নিলাম সকাল ০৮ঃ৩০-এর দিকে। যদি ১০ঃ০০ টার ক্লাসটা ধরতে চাই ঠিক সময়ে, বাসা থেকে বেরোতে হবে ঠিক ০৯ঃ৩০-এ আর তাই কোনভাবেই ০৯ঃ১০ এর পরে বিছানায় পড়ে থাকার সুযোগ নেই।