ইউজার লগইন
ব্লগ
রুপালী ছায়াপথ (সমাপ্তি পর্ব)
একঘেয়ে কর্মমূখর দিনগুলোর চাপে অতিষ্ট হয়ে উঠেছিলো অনিরুদ্ধ; তারপর এখানে এই ভাবনাবিহীন সময়গুলো দারুণভাবে উপভোগ করছিলো। সকাল-দুপুর-বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা আসে। একেকটা ক্ষণ যেন উড়ে চলে যায়।
এখানে জীবন কোন এক অদৃশ্য সূতোয় বাঁধা। ছোট্ট ছোট্ট স্বপ্ন, হাসি-কান্নার বাঁকে হারিয়ে যায় ক্ষুদ্র স্বত্ত্বার চাওয়া পাওয়াগুলো। আজ সারাদিন চা বাগানেই পার করেছে অনিরুদ্ধ। চা শ্রমিকদের সাথে। বাগানের নারী শ্রমিকদের কচি পাতা উত্তোলনের দৃশ্যের কথা এর আগে বিভিন্ন লেখা পড়ে জেনেছে, লোকমুখে শুনেছে। আজ নিজেই দেখছিলো। ক্লান্তিকর সারাদিনের পর কত সামান্যই প্রাপ্তি ওদের! সারাদিন কিভাবে যেন কেটে গেল। দুপুর গড়িয়ে বিকেল নেমে আসে।
যে গল্পের কোন নাম থাকে না
ওয়াজ মাহফিল চলছে-
“নারী তুমি থাকবা খালি পর্দার আড়ালে
কামড়াইয়া দেবে লোকে বাইরে বেরোলে।”
দয়াল বাবা ক্যাবলা কাবা আয়নার কারিগর- গানের সুরে গাওয়া হচ্ছে। আমার বারান্দার ঠিক সামনে একটা মাইক লাগানো হয়েছে। মেজাজ ভীষণ খারাপ হচ্ছে।
রুপালী ছায়াপথ (প্রথম পর্ব)
দিনগুলো একেকটা এমনি করেই ফুরিয়ে যায়।
কাজের চাপে পিষ্ট হওয়া একঘেয়ে ক্লান্তিকর বলয় থেকে বেরিয়ে একটু অবসর খোঁজে উদভ্রান্ত মন। তারপর একদিন হঠাৎ অবসর মিলেও যায়। তখন কেবল মনে হয় দূরে কোথাও ঘুরে এলে নেহায়েত মন্দ হয় না!
বসন্তের শেষ বিকেলে অনিরুদ্ধ যখন শ্রীমঙ্গল ষ্টেশনে নামলো ঘড়িতে তখন পাঁচটা বাজে। ততক্ষণে চা বাগানের ফাঁকে ফাঁকে দাঁড়িয়ে থাকা শেডট্রিগুলোর ছায়ারা পূবদিকে হেলে পড়েছে। আর, নতুন গজিয়ে ওঠা কচি চা-পাতাগুলো বিকেলের সোনালী আলোয় ঝলমল করছিলো। পাহাড়ের ঢালে চা বাগানগুলোতে অদ্ভুত আলো ছায়ার খেলাটা জমে উঠেছিল বেশ।
কিছুটা ভাবনার খোড়াক...
সোবাহান সাহেব, তার স্ত্রী, দুই কন্যা, অবিবাহিত এক শ্যালক, ভাড়াটিয়া বিপত্নীক ভদ্রলোক এবং তার দুই সন্তান, আর ঘরের দুজন কাজের লোক নিয়ে একটি পাগলাটে পরিবার। যে সমাজে ঘরে বিবাহযোগ্যতো দূরের কথা, কন্যা সন্তান থাকলে সে পরিবারের পুত্র সন্তানের বয়স যাই হোক আগে মেয়ের বিয়ে দিতে হবে তার পরেই ছেলের বিয়ে এবং কন্যা সন্তান মানেই যেন এক ধরণের দায়, এমন মতবাদের সমাজে বড় মেয়ে রেখে ছোট মেয়ের বিয়ে দেয়ার মত দৃষ্টান্ত স্থাপণ করে এই পরিবার তাও আবার নব্বইয়ের দশকে। এই সমাজে পুরুষদের যতই বয়স হোক না কেন বিয়ের বাজারে তারা সব সময়ই দামী। অপরদিকে মেয়েদের বয়স বিশ পার হলেই সমাজে তথা আত্মীয় স্বজনদের মাঝে শুরু হয় কানা ঘুষা। কিন্তু এই পরিবার ব্যতিক্রম, তারা এমনটি ভাবেন না।
তিশানের চলে যাওয়া
১.
তিশানের ভাল নাম ইশমাম। দুটোই আমার রাখা। তিশানের জন্ম ১৯৯২ সালে, ১২ জুলাই। তথন খুব ইউরোপীয় চিত্রকলা নিয়ে পড়তাম। ইতালীর এক বড় শিল্পীর নাম তিশিয়ান বা তিশান।আমার বড় বোনের ছেলে হল, নাম রাখলাম তিশান।
তিশান আমাদের চার ভাই–বোনের পরিবারের প্রথম সন্তান। সেই যে পিজি হাসপাতাল থেকে ওকে নিয়ে আসলাম সেটা এখনও চোখে ভাসে।তিশান ছিল সবচেয়ে আদরের। চোখ দুটি ছিল অসাধারণ।কখনো রাগ হতে দেখিনি। কিছু বললে কেবল হাসতো।
সেই তিশানের জীবন থেমে গেছে ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর। আমার ভাইবারে তিশানের প্রোফাইলে দেখা যাচ্ছে ‘লাস্ট অনলাইন অন অক্টোবর ১৫’।
গল্পঃ ভাই

অনেকক্ষণ ধরে মোবাইলে রিং বেজে চলেছে। অপু মনে মনে ভাবে, ‘এত রাতে আবার কে ফোন করলো? এই মোবাইলটা হল আরেক যন্ত্রণা, বাথরুমে গিয়েও শান্তি নেই!’ হাতমুখ ধুয়ে দ্রুত বেরিয়ে আসে। ফোনটা হাতে নিতেই দেখে তপুর ফোন।
-কি রে তপু, তুই এত রাতে!
-দাদা, তুই কবে বাড়ি আসবি?
-কেন রে? মাত্র তিন মাস আগে বাড়ি থেকে ফিরলাম।
-মা খুব অসহায় হয়ে পড়েছে রে। সারাক্ষণ তোর কথা বলে।
-কেন? মা’র কি হয়েছে?
-মা’র শরীরটা ভাল যাচ্ছে না রে।
-তুই আছিস না, মা’র দিকে খেয়াল রাখতে পারিস না?
-তা তো রাখি, কিন্তু মা তোকে খুব মিস করে। বলে, অপুর চাকরি করার দরকার নাই, ওরে বাড়ি আইতে ক।
-তুই মাকে বুঝা তপু।
-আমারও তোকে খুব দেখতে ইচ্ছে করে, দাদা।
-কি রে! তোদের হল কি? তুইও কি মা’র মত অবুঝ হলি?
কিস্তিমাতের ককটেল কিস্তি কিংবা হুবহু কপি ব্যাং ব্যাং!
আজ সারাদিন বসে বসে বই পড়ছিলাম। বই তেমন কিছু না বদরুদ্দীন ওমরের প্রবন্ধ সংকলন আর একটা ইংরেজি ম্যাগাজিন, যেখানে ইন্ডিয়ান অচেনা সব গল্পকারদের ইংরেজি ভাষায় লিখিত গল্প। কাভার নাই। তাই নাম জানি না। সম্ভবত নীলক্ষেতের কোনো পুরানো ম্যাগাজিনের দোকান থেকে কিনেছিলাম। আমার ইংরেজী সাহিত্য পড়তে মোটেও ভালো লাগে না। ভালো লাগে শুধু এই উপমহাদেশের কারো ইংরেজীতে লেখা ভালো উপন্যাস পড়তে। ইংরেজী বই পড়লেই মনে হয় টেক্সট বুক পড়ছি । অচেনা শব্দ পেন্সিল দিয়ে দাগাচ্ছি, তারপর কম্পিঊটারে বসে তা নিয়ে সার্চ দিচ্ছি। এমবিএ এডমিশন টেষ্টের সময় অনেক নতুন শব্দ শিখেছিলাম, তাই ভরসা। নয়তো টিভিতে সিরিয়ালে সব জায়গাতেই সহজ ইংরেজী, যখনই বই পড়তে যাই তখনই দেখি মাথা ব্যাথা করা সব শব্দ আর আজব সেন্টেন্স প্যাটার্ন। এত কষ্ট করে বই পড়াও খুব কষ্টের। দিগন্ত দুটো ইবুক দিয়েছিল, লিওনার্ড কোহেনের আত্মজীবিনী মুলক। তাঁর গান কিংবা তাঁর জীবন নিয়ে। তা শেষ
ভাবনা পড়ে আছে খুচরো হয়ে, কুড়িয়ে নেবে সময়
শরীরটা কিছুদিন যাবৎ ভাল না। পিঠের ব্যাথাটা বড্ড ভোগাচ্ছে। মেরুদণ্ডের ভেতর চিনচিনে এই ব্যাথাটা আমার সবসময়ের সংগী। কখনো কম কখনো বা বেশী। ইদানীং ব্যাথা বেশী। তাই শারীরিক কষ্ট থেকে আক্রান্ত হচ্ছে মন আর মন থেকে মস্তিষ্ক। “মন” বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব মানব শরীরে নাই, “মন” নামক যন্ত্রের সব কাজ করে মস্তিষ্ক। অথচ এই অস্তিত্বহীন বস্তুটির কাছেই আমরা সবসময় পরাজিত হই। কোন কারণে কষ্ট পেলে মনে হয় বুকের ভেতরে কেউ মন নামক বস্তুটিকে চিপড়ে ধরে আছে যার কারণে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। মন ভাল না থাকলে মানুষ বিষণ্ণতায় ভোগে আর খুব বেশিদিন এই বিষণ্ণতা চলতে থাকলে অনেক সময় জীবনের কাছে আত্নসমর্পণ করে। সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি নামী- দামী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান থেকে “জেণ্ডার কো-অর্ডিনেটর” হিসেবে আমার নামে অফার লেটার এসেছে। তারা চাচ্ছে, আমি আগামী ছয় বছর তাদের সাথে কাজ করি। নিঃসন্দেহে লোভনীয় একটি প্রস্তাব এবং আমি আগ-পাশ কিছু
ফিরে ফিরে আসি, তোমাদের এই নগরে!
ঢাকা শহরের সুখ এখন ইন্টারনেট স্পিডে। ওলোতে ব্যাপক ভালো সার্ভিস দিচ্ছে। এক উইকের প্যাকেজ নিয়েছিলাম অর্ধেক একদিনেই শেষ। কাল বাসায় এসেই ব্যাপক উৎসাহে ডেক্সটপে বসে পড়লাম। কিসের জার্নির ক্লান্তি- কিসের কি? গত দুই সপ্তাহের ব্লগ- পত্রিকা- লিংক- ইউটিউব যা বাকী ছিল সব দেখলাম। দেখতে দেখতে বাজালাম দুটো। তাও আমার ঘুম আসে না। মামার সেট দিয়ে গেম খেললাম তিনটা অবধি। তারপর আমার এক স্কুল বান্ধবী আমেরিকা থেকে ফোন দিল। কি সব আনকমন শহরের নাম বলে, যেখানে বেড়াতে গিয়েছিল, নামই শুনি নাই। ফেসবুকে এড রিকোয়েষ্ট এক্সেপ্ট করতে বললো, আমি বললাম করবো না, বড়লোক বন্ধু বান্ধবের থেকে আমি দূরে থাকি। মন চাইলে ফোন দিবা, কথা বলবো। কথা হতে হতে চারটা। জানতে চাইলো আমার দেবর যাবে দেশে কিছু পাঠাবো তোমার জন্য?
To know what really matters
I have a friend who's always worried that she lacks a lot of skills, skills like remembering little things in her daily life that make her lose confidence and she often thinks she can't make her life; if not always, sometimes.
And that's what she was telling me in the last phone call. Now I write about that to put some extra importance in it because its something we all should remember. And that is- it should not upset anyone if he or she sometimes fails to manage the things that are supportive of someone's life, like cleaning dishes and preparing food or managing transport or the place where someone lives; as long as someone is alright with what really matters- the speed and smartness of mind.
ভাল থেকো নীলাকাশ
তুমি কি দেখেছিলে ভয় পাওয়া মানুষদের
শুনতে পেয়েছিলে আকাশে বোমার শব্দ
আর বুঝতে পেরেছিলে কি কেন আমরা পালিয়েছিলাম?
যখন নতুন একটা পৃথিবীর স্বপ্ন জন্ম নিয়েছিল
এই আকাশের নিচে
আগুণ নিভে গেছে অনেক আগে, কিন্তু ব্যথা আছে এখনো।
ভাল থেকো, নীলাকাশ।
মূলঃ রজার ওয়াটার্স, ১৯৭৯ সালে পিঙ্ক ফ্লয়েডের দ্য ওয়াল অ্যালবামে প্রকাশিত।
(লেখাটা ৫০ শব্দের বেশি হওয়া সত্ত্বেও প্রকাশ হচ্ছিলো না। তাই আমি ব্রাকেটের ভিতরে এই লাইনগুলো লিখছি। কিন্তু লেখার আকৃতি সর্বনিম্ন ৫০ শব্দ হতে হবে- এমন বাধ্যবাধকতা থাকার আদৌ কোন প্রয়োজন আছে কি? আমার মনে হয় এই বাধ্যবাধকতার কারনে অনেকেই সমস্যায় পড়তে পারেন, যে সমসসার সমাধান আমাকে এভাবে করতে হল। ধন্যবাদ। )
আমার প্রথম অভিব্যক্তি
ধন্যবাদ দিতে হয় আমরা বন্ধু টীমকে আমাকে এই পৃষ্ঠায় লেখালেখির জন্য অনুরোধ করে ইমেইল করার জন্য।আমি লেখক নই তবে আড্ডাবাজ।প্রচন্ড আলসেমি আমার।মনে হয় অনেক কিছু লিখে ফেলব , কিন্তু মনে এত আবেগের আবির্ভাব ঘটে যে শেষ পর্যন্ত লেখার খেই হারিয়ে ফেলি।এভাবে চলতে থাকলে তো আর কোন দিন লেখাই হবে না।তাই "আমরা বন্ধু" প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করব ভাবছি।তাইলে হয়ে যাক শুরু "" লেখালেখি""।অতঃপর শুরু.................... 
জাপান ডায়েরী ৩
এখানে নদীর নাব্যতা নেই তেমন তবে তীব্র স্রোত, পাহাড় আর সমুদ্র খুব কাছাকাছি তাই পাহাড়সেঁচা জল সমুদ্রে ছুটে যায়। ঘরের পাশেই শানবাঁধানো নদী, কিংবা বড় ড্রেন, ঠিক জানি না, গভীরতা যেমনই হোক ঢাকা শহরের উপকণ্ঠে জমিখেকো আবাসন ব্যবসায়ীরা যেভাবে রাজনৈতিক প্রশাসনের সাথে সমঝোতা করে স্রোতহীন নদী দখল করে প্লট বানিয়েছেন, এখানে পরিস্থিতি একেবারে ভিন্ন। নদীর দুই পার বাঁধানো আর তীর থেকে নদীতট অবধি সিঁড়ি বানানো আছে, সপ্তাহান্তে সপরিবারে নদীর তীরে বনভোজনে যায় মানুষেরা, উচ্ছিস্ট খাওয়ার আর আবর্জনা ব্যাগে ভরে কাছের ডাস্টবীনে ফেলে।
ভ্যাঁ সমাচার.........
এক দেশে ছিল এক রাজকন্যা। রাজকন্যার বাবা কিন্তু রাজা ছিল না, মা'ও রানী ছিল না, তাদের কোনো রাজ্যও ছিল না। তারপরও সবাই মেয়েটিকে রাজকন্যা হিসেবেই জানতো।
