ইউজার লগইন
ব্লগ
বিজয়ের মাসে ভালো লাগার বিলাস
ডিসেম্বর মাসটা এলেই আমার খুব খুশি খুশি লাগে। এই খুশি লাগাটা খুব ছোট বেলা থেকেই।ডিসেম্বর মাস এলে শুধু আমার না আমার মনে হয় এদেশের প্রতিটা মানুষেরই খুব খুশি খুশি লাগে। কারণ বিজয়ের এই মাসে খুশি না লাগলে আর কখন খুশি লাগবে।
তবে বিজয়ের এই খুশির পাশাপাশি আমার আরো কিছু ছোট ছোট কারণেও বেশ খুশি খুশি লাগে।
ভালো লাগার প্রথম কারণঃ
হুংকার ভুলে গেছি, কান্নাই সম্বল!
তোমার মন্দিরে আর হয়তো ফিরবনা।
স্নানের নামে পবিত্র জল আর ঘোলা করবনা,
ঘন নিঃশ্বাসে ও বাতাস আর ভারি হবেনা,
আমার গন্ধেও আর কুকুরগুলো ছুটে আসবেনা,
ওদের ঝাঁপাঝাঁপিতে তোমার বাগানও শ্রী হারাবেনা।
পূজোর থালায় উচ্ছিষ্ট বলেও আর কিছু থাকবেনা,
ধ্বংস হবেনা তোমার কষ্টার্জিত প্রসাদ।
তোমার ছায়াই যে তোমার মন্দির, আমি জানি।
ঢেকে রাখো তাকে পরম আদরে, ফুলের চাদরে!
কিংবা যদি একে মসজিদ বলেই বড়াই করো,
মুড়ে ফেল জমজমের পানিতে আর রঙ্গিন কাফনে,
সুগন্ধ তবু ছড়াবে ওই এক আগরবাতিটাই।
এক ফালি আকাশ ঢেকে মোমের আলো ছড়াতে পারো,
পারবে কি একটু সুগন্ধ ছড়াতে?
পারবেনা জানি, শুধুই হা হুতাশ করবে!
ভালোবাসি বলেই আজও তোমায় আঁকড়ে রেখেছি।
কী দিয়েছ আমায়, এক নামটুকু ছাড়া?
দুর্ভিক্ষে আজও ভাটা পড়েনি, তবু বেঁচে আছি!
মেলেনি মুক্ত সহবাসের সুযোগ, তবু বেঁচে আছি!
আমার হুংকার আজ কন্নায় বিলিন, তবু বেঁচে আছি!
গোল্ডলিফের প্যাকেট এবং শীত
শীতের শুরুর কোনও একটা সন্ধ্যায় চায়ের
কাপে টুংটাং আওয়াজ বলে দেয় , বাহিরের
তাপমান
পাতলা চাদরটা ভালোমতো জড়িয়ে নেবার
মতোই কমছে।
রাস্তা পার
হতে গিয়ে অনিচ্ছুক শীতল
হাতটা অত্যুতসাহী এক তপ্ত মুঠোয়
বাঁধা পড়তে গিয়েও পড়েনা। হেমন্তের এই
শেষপ্রান্তের যাযাবর বাতাসে উষ্ণতার
বড্ড অভাব।
সোডিয়ামের বাতিঘর আর ধোঁয়াশার
বিভ্রমে ঝরাপাতার
দলে মিশে যাওয়া একটা পাতার গান
আলাদা করা যায় না।
এই শহরে মমতাময় কোনও শীত আসে না!
এখানে শীত পাশাপাশি দুই ফ্ল্যাটের
অপরিচিত প্রতিবেশির মতো মুখ
ঘুরিয়ে হাঁটে!
ফুটপাতের শীতবস্ত্রের
মেলার দিকে লোভাতুর
দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা শতছিন্ন পোশাকের
' অভদ্র ' বাচ্চাটাকে " ছিঃ! কী নোংরা!"
বলে পাশ কাটায় শীত , শপিংমলের
পাশে বিএমডব্লুকে পার্কিং লট
ছেড়ে দিতে!
শীত বেঁচে থাকে শুধু ফায়ার প্লেসে , রুফটপ
বারবিকিউ পার্টি আর উইন্টার স্পেশাল
বাসা বদল
আমার স্থায়ী কোনো ঠিকানা এখনও নে। ভোটার তালিকায়, জন্মনিবন্ধন সনদে ,সরকারী তালিকায় সবার একটা স্থায়ী ঠিকানা থাকে। শৈশবের স্থায়ী ঠিকানা বদল করে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে নতুন স্থায়ী ঠিকানা নির্ধারণ করে নিয়েছিলাম নিজের মতো, যেহেতু ঢাকায় বসবাস করতেই হবে, ঠিকানাটা ঢাকায় হলেই ভালো। সে স্থায়ী ঠিকানা , ঠিকানা আর রাজ্য বদলের পরেও বদলানো সম্ভব হয় নি, সরকারী নথিতে সে ঠিকানাই লেখা আছে।
জাতিকে মেধাশুন্য করার ভয়ঙ্কর সেই মিশন..
আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকে রাজনীতি হিসেবে আখ্যা দেয়াকে কোনভাবেই সমর্থন করতে পারি না। একাত্তরের আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ছিল দীর্ঘদিন যাবত বাঙ্গালীর আপন অস্তিত্ব এবং অধিকার আদায়ের আন্দোলনের চুড়ান্ত রূপ যার পিছনের কারিগরের ভূমিকায় ছিলেন বঙ্গবন্ধু। বাঙ্গালী জাতির মুক্তিসংগ্রামের আন্দোলনকে রাজনৈতিক সীলটা মারার পিছনে জামায়াতীদের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা কাজ করেছে। তারা সবসময় চেয়েছে আমাদের ইতিহাস বিকৃত করতে। আর এই বিকৃতির পিছনে কারণ একটিই, একাত্তরে নিজেদের কুকর্মের ইতিহাস লুকানোর অপচেষ্টা।
খুব প্রিয় মানুষদের জন্মদিনে!
যদিও আজ বাংলাদেশে খুব একটা সুখের সময় না। প্রথমত আজ বুদ্ধিজীবি হত্যা দিবস। পুরো ৭১ জুড়েই মুলত বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ড ঘটেছে নারকীয় কায়দায়। এই দিনে অনেককে ধরে নিয়ে গেছে শেষ মরণ কামড় হিসেবে। যে সব বুদ্ধিজীবিরা শহীদ হয়েছেন তারা বেঁচে থাকলে দেশটা অন্যরকম হলেও হতে পারতো, এই বিশ্বাস আমার সব সময়ের। প্রত্যেকটা শহীদ বুদ্ধিজীবিকে নিয়েই যখন পড়ি মনে হয়, এরকম মানুষের কত দরকার ছিল এখন। কিন্তু হায় তারা সব বছরের ১ দিনের স্মৃতির জন্যই আমাদের মনে বেঁচে থাকে। শুধু সেইসব বুদ্ধিজীবি না এখনো সাম্প্রতিক সময়ে যারা গুম হয় কিংবা রাষ্ট্রীয় বাহিনী অথবা সন্ত্রাসীর হাতে খুন হয় তাঁদের সবার পরিবারের জন্য ভীষন মন খারাপ হয়। সারা জীবন তপস্যা করলেও তো সেই পরিবারের কাছে নিহত স্বজনরা ফিরে আসবে না আর, এটা কত বড় শোকের তা আমরা বুঝবো না। তাই তা নিয়ে লিখে আমার আর কি হবে। এমনিতেও লেখা নিয়ে বড় চিন্তায় আছি। নোটবুকের মাদারবোর্ড নষ্ট, আজ গ
হারিয়ে গেল দিনগুলো, কুয়াশায়!
শহরেও আজকাল কুয়াশা প্রচন্ড পড়ে। দুইদিন আগের রাতে ছাদে দাঁড়িয়ে যখন এক বন্ধুর সাথে কথা বলছিলাম ফোনে দেখি কুয়াশা আর আলোর খেলায় অদ্ভুত লাগছে চেনা জানা রাস্তাটা। সব ফাকা ফাকা আর ঝাপসা। একটা বিশাল গাছ ছিল সামনের বিল্ডিংএর সামনে, কেটে ফেললো কিছুদিন আগে। চোখ কেমন জানি মানিয়ে নেয় সব কিছু, এখন যখন দেখি তখন মনে হয় এখানে কখনোই গাছ ছিল না। সবই মনের ভুল। এরকম আরো হয়, কোনো একটা কিছুর পরিবর্তন হয় তখন খুব মন খারাপ হয়। পুরো শহরকে গালাগালি করি, সিষ্টেমের বাপ মা তুলে পিন্ডি চটকাই, কিন্তু অন্য সবার মতোই কিছুদিন পরেই অভ্যস্ত হয়ে যাই, মনে হয় সব তো ঠিকই আছে। বেমালুম ভুলে যাই আমার আগের সংক্ষুব্ধতার কথা। চোখের সামনে হাউজিং সোসাইটির আট নাম্বার রোডে আটটা নতুন দোকান হলো। পুলকদের বাড়ী বাদে সবাই নিচ তালা ভেঙ্গে দুটা তিনটা করে দোকান করছে। প্রথম প্রথম দেখতে অসস্তি লাগতো, কি গিঞ্জি, একমাসের মধ্যে মনে হচ্ছে ঠিকই আছে, ব্যব
একগুচ্ছ ছড়া
এক.
শর্ত একটি খাসি
কি লিখবো ছড়া
যদি পড়ি ধরা
হয় যদি ফাঁকি
কি করে ঢাকি।
লিখবো ছড়া তবে
অবসর হবো যবে
নেইকো কোলাহল
লিখবো ছলাত ছল।
এতে কি হবে খুশি
নয়তো হবো দোষী
লিখবো ছড়া বসি
শর্ত একটি খাসি।
দাও যদি এক খাসি
বাজবে মধুর বাঁশি
ছন্দ রাশি রাশি
তাইতো ভালোবাসি।
লিখবো ছড়া মধুর
ছাড়িয়ে সাত সমুদ্দুর
গাঁথবো ছন্দের মালা
মেটাবো শব্দের জ্বালা।
(পুনশ্চ: সোহানা লিটার অনুরোধে)
দুই.
কাড়ি কাড়ি টাকা!
থাকতে হলে ভাই ঢাকা
লাগবে তোমার কাড়ি টাকা
টাকা ছাড়া গতি নেই
বন্ধুভাগ্যের অভাব তাই।
মনে কভু হয় না মানুষ
মানুষ হয় স্বভাবে
ক্ষুধায় জ্বালা সইতে নারে
চুরি করে অভাবে।
অভাবে স্বভাব নষ্ট
বলো না ভাই কেউ কারে
ঘুষের টাকায় পাহাড় গড়া
অভাব বলো কে সারে।
বিয়ে করা যন্ত্রণা নয়
সংসার গুরু দায়িত্ব
প্রেম করা সবার সাজে
থাকে নাতো স্থায়িত্ব।
তিন.
মনমরা
হয়ো না তুমি মনমরা
অর্থহীন গল্প
সবারই একটা গল্প থাকে। আছে। তাতে হিরো থাকে,
ভিলেনও। প্রায় ক্ষেত্রেই হিরো কিংবা ভিলেন দুটোই
আর কেউ না। সিম্পলি যার যার গল্প সে সে।
বই কিংবা ফিল্মের গল্পগুলো যেমন মেঘের
মতো আকাশপট নিয়ে বৈচিত্রে ভরা আবার পুনরাবৃত্তির
ভারে নুয়ে থাকে, আমাদের কাহিনীও অনেকটা তেমন।
কারোটা খুব খাপছাড়া, খেপাটে পাগলামিমাখা,অনে
কেরটা ক্লিশে,কমন,রিপিটেড শিট।
যেমনই হোক শেষতক কিছুই যায় আসে না।
হ্যান্স এন্ডারসন বলেছিলেন "জীবনটাই রূপকথা"।
রূপকথায় যেমন প্রায়
অবশ্যম্ভাবী যে হ্যাপি এন্ডিং থাকবেই,পাঠক
তা আগে থেকেই জানে, তেমনি আমাদের জীবনকথার
সবথেকে শেষের পাতায় যে মৃত্যু লেখা আছে এটাও
জানা।
তাতেও কিছু যায় আসে না। মানুষ বাঁচে বেঁচে থাকার জন্যই।
হাসে,কাঁদে,ভালোবাসে,ঘৃণায় মুর্ছায়, সবই
বেঁচে থাকবে বলে।
কোনো বই বা মুভি পড়ে পাঠক আনন্দ পায়, কারণ
বইটা বা ফিল্মটা সুখপাঠ্য কিংবা সুখদর্শনীয় ছিল।
খেলা
পাঁচকড়ি হালদারের এখন ক্রাচের সাহায্য নিয়ে হাটতে হয়। আমরা যারা তাকে দেখি তারা তাকে ক্রাচে ভর দিয়েই হাটতে দেখি। আমরা তখন তার পা ভাঙ্গার রহস্য উদঘাটনে ব্যস্ত হয়ে পরি এবং আমরা অনুসন্ধানে থাকি।
স্বর্নালী দ্বীনতা
১.
বৃষ্টির ফোটায় ডানা ভারী হয়ে গেলো পাখি মাটিতে নেমে আসে। ক্লান্ত হয়ে এবেলা বৃষ্টিতে ভিজেই ফেলে। একটু জিড়িয়ে আবারও উড়াল দেয়, যদি একটা আশ্রয় খুজে পাওয়া যায়। পাখিরা নাকি আগে ভাগে বুঝতে পারে কখন ঝড় হবে, বৃষ্টিরা ভেজাবে জনপদ। তবু পাখি দু'একটা ঠিক ধরতে পারে না, অসহায় হয়ে পড়ে নিজের বোকামীর কাছে। হতে পারে মনটা একটু আনমনা ছিলো অথবা বিক্ষিপ্ত।
বয়ে গেছে সময় নিজের খেয়ালে।
ব্লগ লিখতে আজকাল আমার মোটেও ভালো লাগে না। তাই লেখার অফুরন্ত সময় পাওয়ার পরেও আমি এখন আর লিখতে বসি না। তাও এখন লিখছি কেন, নিজেই জানি না। আমার ভেতরে সবার মতো অসংখ্য ডাবল স্ট্যান্ডার্ড আচরন অবিরাম খেলা করে। তারই ফসল হয়তো এই লেখাটা। অনেক লিখলাম তাই এখন আর লিখতে ইচ্ছে করে না ব্লগ। তাঁর ভেতরে এই ব্লগের, একে একে নিভছে সব দেউটি। আগের ব্যাক্তিগত অনুপ্রেরনাও পাই না যে চোখ বন্ধ করে, ভুলবাল সমানে লিখে যাবো। তাও এই পোষ্ট লিখছি, যদি লিখে শেষ করতে পারি তবে তা প্রথম পাতায় দিবো না। তবে সব যে নিরাশার কথা তা না, কিছু নতুন ব্লগারদের দেখছি, পোষ্ট লিখছে ভালো, কমেন্ট করছে। তাঁদের সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। ভালো লাগুক তাঁদের এই ব্লগটাকে, লিখুক হাত- প্রান খুলে।
সৌরভের জন্য ভালবাসা
এই অবেলায় ফোটা কাশফুল নিয়তির
মতো
যেন আহত কোন যোদ্ধার
বুকে বেঁচে থাকা এক মেঘফুল.........।'
রোদ্দুর,
একসাথে হেঁটে হেঁটে যেতে চাই
বহূদুর
বুকের ভেতর ডানা ঝাপটায় পাখি,
বেপরোয়া ভাংচুর।'
- কি রে জংগল। কত দিন ধইরা শেভ করিস না?এই কি হাল!চুল কাটিস না কেন?
- মহাপুরুষ এমনি হয়!আমি আবার মহাপুরুষ হব! "ঈশ্বর না থাকলে তাকে বানানো হত,কিন্তু প্রকৃতি বলেছে ঈশ্বর আছে"। বলতো এটা কার উক্তি??
- ধুর!পারলাম না!বাদ দে তো এইসব উচ্চলেভেলের কথা!!তোর হাতে কিসের বই রে??
-একটা "দা গডস দেমসেলভ" আর একটা " উইনিংস অফ ফায়ার"।
-ঢাকা আসলি কবে?এডমিট হবি কোথায়?সব এক্সম তো শেষ।
-পৃথিবীর পাঠশালায়!যেখানে আমি শিক্ষক আবার আমিই ছাত্র!একটা সিগারেট খাওয়াবি?টাকা পয়সার সংকট। দুই দিন ধরে হলিউড খাইতেছি।গোল্ডলিফ খাওয়ার টাকা নাই।
বাবার সার্টিফিকেট
বিজয় দিবসের আনন্দ কিংবা ভাললাগা একজন সাধারণ মানুষের যতটুকু থাকে তার চেয়ে অনেক বেশি থাকে একজন কিশোর মুক্তিযোদ্ধার।যে মুক্তিযোদ্ধার বয়স ছিল ১৯৭১ সালে মাত্র ১২ বছর।এই লেখাট শুধু আবেগের বশে লিখা।বলে কয়ে বাবার প্রতি ভালবাসাটা শুধু লোকদেখানোই।তবু লিখি..... হাজার হোক তিনি আমার বাবা।জন্মদাতা বাবা।একজন দরিদ্র বাবা।যিনি ১০ টাকা, ১৫ টাকা, ২০ টাকার হোমিও ঔষধ বিক্রি করেন।
আমার চোখে বিটলস
অগাস্ট ১,১৯৭১
- ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেন নিউইয়র্ক।
স্টেজের পেছনে বসে উত্তেজনায় ঘামাচ্ছেন
গিটার
লিজেন্ড এরিক ক্ল্যাপটন। প্রচন্ড অসুস্থ এরিক।
হেরোইন
এডিকশন তাকে খাদের কিনারে নিয়ে গেছে।
পারবেন
তো ঝর তুলতে গিটারে। যদি ভুল হয়। ঠিক
সে মুহুর্তে ক্ল্যাপটনের চোখে ভেসে উঠে হাজার
মাইল দূরে বাংলাদেশ নামক জন্মযুদ্ধে লিপ্ত এক
দেশের মা হারা সন্তানটার ছবি...এর আগেই
ক্ল্যাপটম
পারফর্ম করতে পারবেন না বলে নিশ্চিত সবাই।
সে ক্ল্যাপটন স্টেজে উঠলেন বাজালেন জয় করলেন।
জর্জ হ্যারিসনের সাথে ক্ল্যাপটনের " হোয়াইল মাই
গিটার
জেন্টলি উইপস" গানে দুই লেজেন্ডের গিটার ডুয়েল
লাইভ কনসার্টের ইতিহাসেরই অংশ হয়ে থাকবে।
অসুস্থ
ক্ল্যাপটন যার বাজাবার কথাই ছিলনা, সে ক্ল্যাপটন
পুরো কনসার্টে একটা কর্ড মিস করলেন না... দিস ইজ
এরিক
ক্ল্যাপটন ফর ইউ।
বব ডিলান তো কনসার্টের আগের দিন থেকে একই