ইউজার লগইন
ব্লগ
পরিনতি
এখানে পোকামাকড়েরা বাসা বাঁধে,
একসময়।
শরীরের
পরতে পরতে লেগে থাকা মার্সিডিজের
অহংকার। দ্বিতল বাড়ির
প্যাঁচানো সিঁড়িতে লুকায়িত
বৈভবের অমৃত। শান
বাঁধানো ঘাটে পড়ে থাকা ধূমায়িত
চায়ের আফিম। শত শত ঘামের বিন্দুর
গড়ে তোলা
সমুদ্রের উত্তরীয়। নামে না কখনও কাঁধ
বেয়ে একবিন্দুও।
ধবধবে সাদা সারসের বুকের উপর
চেপে থাকা
মানুষসকল হেঁটে যায়। বাতাসে তখন
পারফিউমের
গন্ধ। কেউ কেউ নাক চেপে ধরে, বিষাক্ত
রক্তের
বোটকা গন্ধ ভেসে আসে। কেউ কেউ
বুঝতে পারে, কেউ কেউ পারেনা।
একদিন সব মিলিয়ে যায়। দাম্ভিকতার
মুখোশ বাতাসে
ভেসে যায়।
খসে পড়ে রক্তে ভেজা অভিশপ্ত উত্তরীয়।
সাদা
কাফনে ছোপ ছোপ রক্ত পড়ে। কেউ কেউ
দেখে, কেউ কেউ দেখে না।
এখানে পোকামাকড়ের ঘর বসতি হয়,
একসময়।
জীবন পথের যাত্রী
সেই ট্রেন, সেই ঝিকঝিক....
কোন এক রৌদ্রকরোজ্জ্বল সকালে আবার
উঠে পড়েছিলাম নাম না জানা কোন এক
বগিতে..
কত মানুষ! কেউ বসে বসে ঝিমোয়, কেউ বা
সুযোগের অপেক্ষায় দাড়িয়ে সটান, মুখে
খিস্তি ফুটে অবিরাম। কান্নারত
বাচ্চা কোলে
মা চাদর বিছিয়ে পাটাতনে বসে আছে,
তাকিয়ে আছে
অনাগত ভবিষ্যতের দিকে নির্ণিমেষ।
কোন এক ধনীর দুলাল কানে হেডফোন
লাগিয়ে
মেটাল গান শুনছে, দূর থেকেও
ঝাকড়া চুলের
দুলানো দেখা যাচ্ছে স্পষ্ট। কোন এক
ভিখারীর
স্পষ্ট ভরাট গলার মোহমীয় গান
ভেসে আসছে কানে।
এই ট্রেন, ট্রেনে চেপে থাকা উঁচুনিচু
যাত্রীসকল
এরা সবাই স্বভাবতই প্রগাঢ় নিগূঢ় অর্থ বহন
করে।
এরা সবাই জীবন পথের যাত্রী,
এগিয়ে চলে এক
অনিশ্চিত ভবিষ্যত পানে।
↓↓ বৃষ্টিবিলাস ↓↓
শুক্র বার, সময় সকাল ১০ টা। আদ্রিতা পড়ার
টেবিলে, কিন্তু কিছুতেই কনসেন্ট্রেশন
টা পড়ার দিকে রাখতে পারছে না। এর
কারন হচ্ছে জানালা দিয়ে গানের শব্দ
আসছে।
"".. সারাটা পথ জুড়ে আমি একা
হেটে যাই আকাশ তারার পানে চেয়ে
নীল জোছনায় স্মৃতিরও ভীড়ে...""
এই টাইপ একটা গান। এত জোরে কেউ গান
বাজায়। মেজাজ টা প্রচন্ড রকমের খারাপ
হচ্ছে তার। আগের বাসাটাই
ভালো ছিলো। এই রকম কোন
সমস্যা ছিলো না এই বাসাটায় আজ প্রায়
এক মাস। সেই প্রথম দিন থেকেই এই প্রবলেম
টা হচ্ছে। প্রতিদিন দুই টাইম পাশের
বাসার কে জানি প্রচন্ড জোরে গান
বাজায়। আসলে তার রুম টা তাদের বাসার
একটা কর্ণারে। বেলকনি আছে। পাশের
বাসার যে রুমে গান বাজে সেটা তার
রুমের সোজা। অদ্ভুত ব্যাপার
হলো সে আজো ঐ
রুমে কে থাকে বা কে এত জোরে গান
বাজায় সেই ব্যক্তি টাকে দেখার
সৌভাগ্য তার হয় নি। যদি হত
তবে আচ্ছা মত বকে দেয়া যেত।
রাজনৈতিক স্বপ্ন
তড়িঘড়ি করেই
ঘুমটা ভাঙলো শিহাবের। অনেক মজার
একটা সপ্ন দেখতেছিল সে।
একটা মেয়ে তার দিকে কেমন নিশ্চুপ
চোখে তাকিয়ে ছিল।
মেয়েটাকে মনের ছোট্ট
কুঠিরে নিমিষেই স্থান দিয়ে দেয়
সে! চেয়েছিল ওর সাথে কথা বলবে।
যেই ওর কাছে যাবে ঠিক তখনই
মোবাইলের ভাইব্রেশন ঠের
পেলো সে। কয়েক হাজার বার আভিশাপ
দিয়ে ঘুম ঘুম চোখে দেখে মোবাইলের
স্ক্রিনে তার বন্ধু ঈশানের নাম।
- হ্যালো।
- দোস্ত। তু
ই কই? ঘুমাইতাছস নাকি?
- নারে। আমি ধানক্ষেতে তিমি মাছ
ধরতেছি।
- আরে, ফাইজলামি করিস না তো।
ভালো কইরা কথা বল।
- আরে দোস্ত। আমি ঘুমাইতেছিলাম।
ভালো একটা সপ্ন দেখতেছিলাম।
মেয়েটার কাছাকাছি যাইতেছিলাম
খালি আর তুই বদ আমার সপ্নটার মধ্যে বাম
হাত ঢুকাইয়া দিলি। বল, কি হইছে?
- দোস্ত। ৯ টা কাজে।
জলদি ক্যাম্পাসে আয়। ১১টার সময়
ক্যাম্পাসে আজকে ধরীত্রির অষ্টম আশ্চর্য
দেখবি। মিসাইছ না কিন্তু।
মাই লিটল ম্যাজিশিয়ান ও পিএসসি সার্টিফিকেট
আমার ছোট্ট মেয়েটির নাম জারা সুপ্রীতি। এখনো চোখের সামনে দেখতে পাই ওর জন্মদিন বা জন্মমুহূর্ত। দেখি ওর টলমলে পায়ে প্রথম হাঁটার দৃশ্য। প্রথম প্রথম কথার অস্ফুট উচ্চারণ, পুরো একটি শব্দ বলতে পারত না ও, প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর উচ্চারণ করে নিজের মনের কথা বোঝাতে পেরেছে এমন ভঙ্গি করে সবার দিকে তাকিয়ে বোদ্ধার মতো ওর ঝাকড়া চুলের মাথা দোলাত। যেমন কোককে বলত “কো” বা পাপাকে “পা”, তেমনি বোনকে দিদি বলা শেখানোর চেষ্টায় সে শুধু “দি” বলে নিজের দায়িত্ব শেষ করত। এখন ও পূর্ণাঙ্গ শব্দ উচ্চারণ করলেও বোনকে সেই আগের মতোই “ দি” বলে ডাকে।
জারা এই বছর পিএসসি পরীক্ষা দেবে। লম্বায় সে আমাকে ছুঁয়ে ফেলেছে। আমি ওকে বুকে জড়িয়ে যখন বলি, কেমন লম্বা হয়ে যাচ্ছিস বলতো?
জারা বলে, ভালো তো, তোমাকে আর মাথা নিচু করে কথা বলতে হবে না। মাথা উঁচু করে কথা বলবে এখন থেকে।
আমি রাতের আকাশ শীতের বাতাস তোমার চুলের গন্ধ
আমাদের পুরানো বাড়িটা একতলা ছিল। চারদিকে দেয়াল এবং উপরে টিনের চালা দেয়া বাড়িটার প্যাটার্ন ছিল বাংলোর মতো। চারদিকে বাগানে ঘেরা বাড়িটার নামও ছিল “বাগান বাড়ি”। এমন কোন গাছ নেই যা সেই বাগানে ছিলনা। ফুল-ফল থেকে শুরু করে নানারকম পাতাবাহার, শাক-সবজি এমনকি ঔষধি গাছ পর্যন্ত বাতাসে দুলে দুলে তার অস্তিত্ব জানান দিত। গেটের উপর ছিল একটা মাধবীলতার গাছ। সেটা তার ফুলের ভারে নুয়ে পড়ে পুরো গেটটাকে ঢেকে রাখতো। প্রতিটা ঋতুই বাড়িটাতে আলাদাভাবে ধরা দিত। যখন খুব গরম পড়তো, একটা গাছেরও পাতা নড়তোনা। সজনে গাছ আর নিম গাছটা ছিল পাশাপাশি। আমরা এই গাছ দুটোর নিচে মাদুর বিছিয়ে, হ্যারিকেন জ্বালিয়ে, হাত পাখায় বাতাস করতাম আর শুয়ে শুয়ে আকাশের তারা দেখতাম। যখন বর্ষা নামতো, ঝমঝম বৃষ্টিতে ভেঙ্গে যেতো আমাদের টিনের চালা। সে কি শো শো বাতাসের শব্দ!
কেউ চায় না দলছুট শূন্য হোক, এই বাস্তব সব্বাই আঁকড়ে থাক!
খোশমেজাজেই ছিলাম। মামা নেই বাসায়, নেটের স্পিড নেই, ওলোর প্যাকেজ নাই, পকেটে টাকা নাই, তাই টিভি ভরসা। কিন্তু সবকিছুকে স্পয়েল করে দিতে ফেসবুকের কোনো বিকল্প নাই। সেখান থেকেই জানলাম, খুলনা নেভী স্কুলের সন্ধ্যা ম্যাডাম মারা গেছেন। মনটা উদাস হলো। টাইম ট্রাভেলে চলে গেলাম সতেরো- আঠারো বছর আগের দুপুর গুলোয়। ক্লাস ফোরের পরিবেশ পরিচিতি সমাজের মতো নিরীহ বিষয়কে আমাদের জন্য দুর্বোধ্য করে তুলতেন তিনি। লাইন বাই লাইন পড়া ধরতেন, এবং পড়া না পারলে শাস্তি বেঞ্চের উপরে কানে ধরে দাঁড়িয়ে থাকো। সে এক কঠিন সময়, ম্যাডাম খাতায় কত কি ঠিক লিখেও নাম্বার দিতেন ৬৫-৬৬, কাউকে বা করাতেন ফেইল। আমাদের প্রথম স্থানের অধিকারী বর্তমানে ফ্লোরিডার এক ভার্সিটির টিচার শাহারিয়ারের নোট পাবার জন্য সবার তখন কি আকুলতা!
না লেখার মতো লেখা
অনেক দিন ধরেই লেখার চেষ্টা করছি কিন্তু লেখা হচ্ছে না। প্রায় ঘন্টাখানেক সময় লাগিয়ে একটা কিছু লিখেছিলাম, লেখাটা শেষ হওয়ার আগেই উবে গেলো, ব্যাকস্পেস, ফ্রন্টপেজ সব কিছু ঘুরে দেখলাম এক ঘন্টার মানসিক পরিশ্রম শেষ পর্যন্ত বৃথা গেলো। ল্যাপটপে যারা দুর্ঘটনা না ঘটিয়ে লিখতে পারে তারা ভীষণ দক্ষ মানুষ, আমার মোটা মোটা আঙ্গুল তার থ্যাবড়ানো তালুতে কষে থাপ্পর দেওয়া যায় হয়তো কিন্তু ল্যাপটপের কোমল স্পর্শ্বকাতর পরিসরে দুর্ঘটনা না ঘটিয়ে কিছু লেখা সম্ভব না। ল্যাপটপে লেখাটা অনেকটা অফিসটাইমে ভুল করে ভীড় লেডিস বাসে বিশাল ট্রাভেল ব্যাগ নিয়ে উঠে পরার মতো, একটা অঘটন ঘটবেই- সেই অঘটনের সময় গুণে সময় কাটানো।
সম্পর্ক
আজকে অফিসে যখন প্রচণ্ড ব্যস্ততায় খাওয়ার সময়টুকুও পাচ্ছিলাম না ঠিক তখন তিথির ফোন এলো। এতদিন বাদে হঠাত করে ও কি মনে করে ফোন করলো চিন্তা করতে করতেই ফোনটা ধরে বুঝতে পারলাম যে মেয়েটা কাঁদছে। হ্যালো বলতেই ওপাশ থেকে ভেসে এলো,
- আপু, সামির না বিয়ে করে ফেলেছে।
- মানে কি?
- হুম, সত্যিই সামির গতকাল বিয়ে করেছে। আমার ভীষণ কষ্ট হচ্ছে।
ক্ষয়ে যায় চোখ রঙপেন্সিল হয়ে, বুকে জমে অভিমান!
বরবারের মতো এবারও শিরোনামের সাথে লেখার কোনো মিল নাই। এইটা একটা গানের লাইন। গানটা আমার অসম্ভব প্রিয়। এই গানের আরেক লাইনও আমার একবার পোষ্টের শিরোনাম হয়েছিল- অলিখিত সব স্বপ্নগুলো ভেঙ্গেচুড়ে খানখান। গুগলে সার্চ দিয়ে জানলাম তা গত বছরের জুলাই মাসের। আমি আমার পোষ্ট কখনোই আর ফিরে ফিরে দেখি না। কিছু মনে আসলে গুগল করি, পেয়ে যাই। আর আমার লেখা ঘুরে ফিরে তো সব একই টাইপের। তাই নিজের লেখা দেখে বিগলিত হবার কিছু নাই। আহমদ ছফা প্রথম লেখা ছাপিয়েছিল, ইসলামী একাডেমির পত্রিকায়- সাথে পেয়েছিলেন ৩০ টাকা নগদ। তিনি পাঁচ ছয়বার ডাবলডেকার বাসে সারা শহর ঘুরেছিলেন। নিজের লেখা ছাপানো ও নিজের নাম ছাপার অক্ষরে দেখার এই থ্রিল আমরা সারাজীবনেও পাবো না। কত ব্লগ- পেপারেই না আমাদের লেখা ছাপা হয়, আমাদের কোনো উচ্ছাস থাকে না । শুধু মনে হয় বালের এক লেখা তাও ছাপিয়ে দিলো এরা, ফ্রি লেখা কি আর পায় না!
আলস্যের দিনলিপি
বিকেলটা দেখতে দেখতে চলে গেল। চোখের সামনে। ভাবসিলাম ছাদে যাব, জানালা দিয়ে দূরের সবুজ দেখতে পাচ্ছিলাম একটু আগেও। গাছপালার পাতায় সোনালি রোদ পড়লে কেমন দেখতে হয় তাই ভাবছিলাম। কিন্তু ছাদে ওঠা হল না।
এই শহরের এত মানুষ, কতজনার কত চাওয়া। আমার মত অনেকেরি নিশ্চয়ই অনেক কিছু করা হয়ে ওঠে না। চোখের সামনে বিকেলগুলো পার হয়ে কোথায় যায় কে জানে।
আমারও অনেক কিছু করার কথা ছিল। পড়াশুনার হিসেব নিকেশ, আরও অনেক কিছু। সব ফেলে রেখেছি অনেক দিন ধরে। অদ্ভুত এক আলস্য জড়িয়ে আছে আমার মনে। কোথায় যাওয়া যায়? কি করা যায়?
দেয়ালে পোষ্টার সাঁটাতে ইচ্ছে করে না, সিনেমা দেখতে ইচ্ছে করে না, শেষ রাতে নুডুলস সেদ্ধ করতে ইচ্ছে করে না। লিখতে পড়তে ইচ্ছে করে না, মানুষের সাথে কথা বলতেও ইচ্ছা করে না।
রুমমেটরা ফুল হাতা জামা পরে চুল আঁচড়িয়ে বাইরে বেরচ্ছে। আমি ক্রমশ অন্ধকার হতে থাকা বিকেলের দিকে তাকিয়ে আছি এখনো।
Too much of nothing
There is a moment when it’s time to say goodbye and go home. I know I have it coming. Sometimes I’d think that every night I’d look at the day I passed and see how many things I have done. And sometimes I’d just laugh about me, having spent the day thinking about planning the day. Well, some days, I let the day go by, spending a lot of time, and most of the time I doing nothing. Someone would call me super lazy, I’m the laziest one I seen all my life, always doing things at deadline. So what do I do before the deadlines? Affording leisure someone might say. But that’s hard to figure out.
এখনো তাই... আমরা বেঁচে থাকি!
আবার পড়ে শেষ করলাম বদরুদ্দীন ওমরের নির্বাচিত প্রবন্ধ- দুই খন্ড। অনেকেই বদরুদ্দীন ওমরকে সহ্য করতে পারেন না, অনেকে তাঁর হিপোক্রেসী নিয়ে ব্যাখা বিশ্লেষন করেন। কিন্তু আমার উনাকে ভালো লাগে কারন উনার সমাসাময়িকতার জন্য। দীর্ঘ জীবনে অনেকদিন ধরে পত্রিকায় কলাম লেখার কারনে নানান কিছু নিয়েই উনার একই কথা ও চর্বিত চর্বণ লেখা পড়তে পড়তে মনে হলো, বাংলাদেশের সব সমস্যাই ঐতিহাসিক। মানে অতীতেও এমন ছিল, এখনও হচ্ছে, সামনেও হবে। বাহাত্তর সালে উনি যে দুর্নীতি নিয়ে লিখছেন তা ২০১৪তেও প্রায় একইরকম, সাতাত্তরেও তিনি শিক্ষার মান নিয়ে লিখছেন, এখনো আমরা তাই নিয়ে মাথা ঘাবড়াচ্ছি, আশি সালে উনি জামাতের উত্থান নিয়ে প্রশ্ন করছেন এখন সেই উত্থানের বড় রূপ আমাদের সামনে। শুধু এসবে না সব ক্ষেত্রেই আমাদের সমস্যাগুলো ঐতিহাসিক ভাবেই জটিল, যা ভবিষ্যতেও শাখা প্রশাখা নিয়ে অব্যাহত থাকবে। এর মধ্যেই আমরা সবাই বলবো, আমাদের সময়ে ঐটা ভালো ছিল, ত
অমিমাংসিত দীর্ঘশ্বাস.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
কি আর আছে এমন আর?
এতটাই আগ্রহজাগানিয়া?
হৃদস্পন্দন নিয়ে খেলা করে চলে,
অবহেলায়;
নিমিষের আলতো চাহনিতে?
কি ই বা আছে আর এমন,
এতটা ভালোবাসার যোগ্য!
কে-ই বা ফিরিয়ে আনতে পারে,
শীতের হিমেল পরশ;
হৃদমাঝারে অবাক কাঁপা হাওয়া?
এমনকী গ্রীষ্মের শুষ্কতম দুপুরে,
চায়ের কাপের উত্তাপে;
বর্ষার রিনিঝিনি স্পন্দন?
আর কে ই বা পারে অতটা এমন,
খোদ ভীড় কেই ভিড়িয়ে দেয়া;
পথ ভুলিয়ে দেয়া ভীড়ের মাঝে।
কেই বা করে নির্জনতার এমন আবাদ?
কুড়িয়ে এনে জড়ো করে -
ছেঁড়া পকেটেই গুজে দেবে বলে,
নৈঃশব্দের কোলাহলের মতন;
সোনালী ফসল।
হোক তা,
মেঘমল্লার কিংবা সূর্যের দিন।
যখন,
অলীক মেঘেদের গর্জন,
নিজেকেই হারিয়ে চলে
অসীমে -
কে-ই বা আছে আর অতটা এমন?
মাঝরাত্তির - বুকের ভেতর,
তোমার মতন;
অতটা ভীষণ নীল..!
সান্ত্বনা পুরস্কার যেখানে সবকিছুতেই
সাধারণত আমার মন মেজাজ যেদিন ভালো থাকে না সেইদিনই ব্লগে লিখতে বসি। আজ অবশ্য তেমন না। মন মেজাজ ফুরফুরেই বলা চলে, কিন্তু আমার পিসির মনিটরের অবস্থা ভালো না। চি চি শব্দ করে সমানে। জানি না প্রবলেম কোথায়, তবে ইরিটেটিং সাউন্ড। সামনেই হয়তো বড় কোনো সমস্যা হলেও হতে পারে। তাই মন ভালোটা শেষমেশ থাকছেই না- এই শব্দ বিভ্রাটের কারনে। অন্যদিকে নোটবুকেরও মাদারবোর্ড ঠিক করতে হবে, সেই ফিনান্সিয়াল কন্ডিশনও এই মাসের শেষে নাই। এখন আপনি যদি সান্ত্বনা খুঁজে অনেকের মতন ভাবেন- শব্দ করলে করুক বিরক্তিকর, পিসির কাজ তো চলে, দেশের কত মানুষের পিসি নাই তা আপনি জানেন? আমি হয়তো সামনা সামনি মেনে নিবো। মনে মনে বলবো এরকম বিরক্তিকর সাউন্ডের পিসি চালানোর চেয়ে, পিসি না থাকা ভালো, আর কত মানুষের কত হাই কনফিগারেশনের পিসি, আমি কি তা নিয়ে কিছু বলছি! অযথা সান্ত্বনার মুখোশ কেন গায়ে মাখাতে হবে?