ইউজার লগইন
ব্লগ
To know what really matters
I have a friend who's always worried that she lacks a lot of skills, skills like remembering little things in her daily life that make her lose confidence and she often thinks she can't make her life; if not always, sometimes.
And that's what she was telling me in the last phone call. Now I write about that to put some extra importance in it because its something we all should remember. And that is- it should not upset anyone if he or she sometimes fails to manage the things that are supportive of someone's life, like cleaning dishes and preparing food or managing transport or the place where someone lives; as long as someone is alright with what really matters- the speed and smartness of mind.
ভাল থেকো নীলাকাশ
তুমি কি দেখেছিলে ভয় পাওয়া মানুষদের
শুনতে পেয়েছিলে আকাশে বোমার শব্দ
আর বুঝতে পেরেছিলে কি কেন আমরা পালিয়েছিলাম?
যখন নতুন একটা পৃথিবীর স্বপ্ন জন্ম নিয়েছিল
এই আকাশের নিচে
আগুণ নিভে গেছে অনেক আগে, কিন্তু ব্যথা আছে এখনো।
ভাল থেকো, নীলাকাশ।
মূলঃ রজার ওয়াটার্স, ১৯৭৯ সালে পিঙ্ক ফ্লয়েডের দ্য ওয়াল অ্যালবামে প্রকাশিত।
(লেখাটা ৫০ শব্দের বেশি হওয়া সত্ত্বেও প্রকাশ হচ্ছিলো না। তাই আমি ব্রাকেটের ভিতরে এই লাইনগুলো লিখছি। কিন্তু লেখার আকৃতি সর্বনিম্ন ৫০ শব্দ হতে হবে- এমন বাধ্যবাধকতা থাকার আদৌ কোন প্রয়োজন আছে কি? আমার মনে হয় এই বাধ্যবাধকতার কারনে অনেকেই সমস্যায় পড়তে পারেন, যে সমসসার সমাধান আমাকে এভাবে করতে হল। ধন্যবাদ। )
আমার প্রথম অভিব্যক্তি
ধন্যবাদ দিতে হয় আমরা বন্ধু টীমকে আমাকে এই পৃষ্ঠায় লেখালেখির জন্য অনুরোধ করে ইমেইল করার জন্য।আমি লেখক নই তবে আড্ডাবাজ।প্রচন্ড আলসেমি আমার।মনে হয় অনেক কিছু লিখে ফেলব , কিন্তু মনে এত আবেগের আবির্ভাব ঘটে যে শেষ পর্যন্ত লেখার খেই হারিয়ে ফেলি।এভাবে চলতে থাকলে তো আর কোন দিন লেখাই হবে না।তাই "আমরা বন্ধু" প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করব ভাবছি।তাইলে হয়ে যাক শুরু "" লেখালেখি""।অতঃপর শুরু.................... 
জাপান ডায়েরী ৩
এখানে নদীর নাব্যতা নেই তেমন তবে তীব্র স্রোত, পাহাড় আর সমুদ্র খুব কাছাকাছি তাই পাহাড়সেঁচা জল সমুদ্রে ছুটে যায়। ঘরের পাশেই শানবাঁধানো নদী, কিংবা বড় ড্রেন, ঠিক জানি না, গভীরতা যেমনই হোক ঢাকা শহরের উপকণ্ঠে জমিখেকো আবাসন ব্যবসায়ীরা যেভাবে রাজনৈতিক প্রশাসনের সাথে সমঝোতা করে স্রোতহীন নদী দখল করে প্লট বানিয়েছেন, এখানে পরিস্থিতি একেবারে ভিন্ন। নদীর দুই পার বাঁধানো আর তীর থেকে নদীতট অবধি সিঁড়ি বানানো আছে, সপ্তাহান্তে সপরিবারে নদীর তীরে বনভোজনে যায় মানুষেরা, উচ্ছিস্ট খাওয়ার আর আবর্জনা ব্যাগে ভরে কাছের ডাস্টবীনে ফেলে।
ভ্যাঁ সমাচার.........
এক দেশে ছিল এক রাজকন্যা। রাজকন্যার বাবা কিন্তু রাজা ছিল না, মা'ও রানী ছিল না, তাদের কোনো রাজ্যও ছিল না। তারপরও সবাই মেয়েটিকে রাজকন্যা হিসেবেই জানতো।
ঈদের আনন্দ, আনন্দের ঈদ
দেখতে দেখতে আরেকটা ঈদ চলে এসেছে। ঈদ মানেই বিশাল আনন্দ।বিশাল উৎসব। অথচ আমার কাছে কোনো উৎসবই মনে হচ্ছে না। কারণ ঈদ মানেই আমার কাছে বাড়ি যাওয়ার আনন্দ। বিশেষ করে কোরবানের ঈদ।
টিকেট যুদ্ধে পাশ করার পর গাড়ির জন্য অপেক্ষা, অপেক্ষা, অপেক্ষা...।দীর্ঘ যানজট, ধূলাবালি,প্রখর রোদ,মানুষের ভিড়,সব কিছু ভুলে যেতাম প্রিয়জনদের দেখলে।পথের ক্লান্তি মুছে যেতে একটুও সময় লাগতো না।কী যে খুশি লাগত!! খুশির সেই অনুভব মুখে বলে কিংবা লিখে বোঝানোর সাধ্য আমার নাই।যেদিন বাড়ি যেতাম তার আগের রাত থেকেই শুরু হয়ে যেত আমদের ঈদের আনন্দ। বাড়ি যাওয়া উপলক্ষ্যে ব্যাগ গোছানোর আনন্দ, আর খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠতে হবে এই উত্তেজনায় দেখা যেত বেশির ভাগ সময়ই রাতটা নির্ঘুমই কেটে গেছে।
একান্ত ভাবনা।
ড্যান ব্রাউন আমার প্রিয় একজন উপন্যাসিক। তার সকল বই পড়ার সুযোগ আমার হয়েছে। তার যে বইটি প্রথম পড়ি তাহলো-দ্য দা ভিঞ্চি কোড। খ্রিস্টানিটি থেকে শুরু করে ধর্মীয় অনেক বিতর্কিত বিষয়ের আলোকে উপন্যাসটি লেখা হয়। মজার বিষয় হল তার উপন্যাসের যে কোন কিছু আপনি ইন্টারনেট খুঁজলে তার লিংক পাবেন। যেমন তার একটা উপন্যাসে লেখা আছে ল্যাটিন ভাষার বাইবেল থেকে ইংরেজি ভাষায় বাইবেল অনুবাদ করার সময় অনুবাদকের একটু ভুলে অনুবাদ দাঁড়ায়-মোজেসের মাথায় শিং। মাইকেল অ্যাঞ্জেলো’র একটি ছবি আছে যেখানে দেখা যায় মোজেসের মাথায় শিং।
সবকিছু অথবা কিছুই- না!
শিরোনামটা আমার মাথায় থেকে আসে নাই। 'লাতিন আমেরিকার গল্পসমগ্র' নামে একটা বই কামাল ভাই কিনে দিয়েছিলেন, এই বই মেলায়। সেখানে হোর্হে লুইস বোহের্সের গল্প। বইটা অসাধারন। দারুন সব গল্প, যার ভাষা সহজবোধ্য না, কিন্তু গল্পের এমন অদ্ভুত ছন্দময়তা, মানব মনের নানান অনুভুতির এত বিচিত্র বয়ান তা পড়তে পড়তে শুধু অবাক লাগে। অনেক কিছুই হয়তো বুঝে উঠতে পারি নি, তাও বইটা আমার খুব প্রিয়। বইটা কাগজ প্রকাশনের একটা দারুন উদ্যোগ। আজ ভোরে বাড়ীতে যাবো। তাই লিখতে বসা। জামালপুরে ল্যাপটপ নিতে পারবো না, মোবাইল নষ্ট প্রায়, মন মেজাজ ভালো না, অগ্রিম ট্রেনের টিকেট কাটতে পারি নাই, বাসের জন্য মহাখালী যেতে হবে ভোর বেলায়। ভালোই লাগছে না এবার বাড়ীতে যেতে। শুধু বাবা মা আছে বলেই যাওয়া, নয়তো আমার ঢাকা ছেড়ে এখন জামালপুর তো দূরে থাক, প্রিয় শহর চিটাগাং যেতেও ইচ্ছে করে না। তার সাথে সাথে ব্লগেও লেখা হবে না, যতদিন বাড়ীতে থাকা হবে। কি যে কষ্টে
হৃদয়ের জানালা
হৃদয়ের জানালা
আমার সেল ফোনটা
তোমাকে ডাকলে,
তুমি রিসিভ করো
রিসিভ করে শধু হ্যালো বলো
বলবে তো??
আর কিছু না দিলেও চলবে
শুধু বলো হ্যালো।
বলত তুমি
কলিজা এফোঁড়, ওফোঁড় করা
এমন মধু কন্ঠ
তুমি কোথা পেলে??
তুমি কি বসন্ত বাতাসের
শিনি শিনি শব্দ শুনেছ
তা হলে মনে করত
হৃদয়ে প্রবাহিত রক্তের মত আপন
যা না বইলে প্রাণী নামক
কোন প্রাণের অস্তিত্বই থাকে না
তেমন কোন আপন জনের
বিরহের কান্না
হৃদয়কে কেমন ব্যাথিত করে তোলে!!
আমি যে তব বিরহে কাদছি
তুমি কি শুনতে পাও না??
জানালা খোল, বাতাসে কান পাত
কি, শুনতে পাচ্ছ কি?
তাও শুনতে পাও না।।
খোলা বারান্দায়, বা নির্জন প্রান্তরে
বাতাসে কান পাত
এবার শুনতে পাচ্ছ কি?
কি করে পাবে?
হৃদয়ের জানালা যে
রেখেছ বন্ধ করে ।
বন্ধ করে...।
অক্টোবর,০১,২০১৪খ্রীঃ
খুলনা,
"বম্বে টকিজ"
এখন আমার সময় কাটে বেশীর ভাগ 'পার্লজ্যাম' ব্যান্ডের গান শুনতে শুনতেই। টরেন্ট দিয়ে নামিয়েছিলাম, দিনে দিনে তার শুধু আসক্তি বাড়ছে। যদিও আমি অনেক পরে শুনছি পার্লজ্যাম, সবার শোনা শেষে অনেক আগেই। ভালো লাগছে। তার কিছু দিন আগে আরেক ব্যান্ডের গান খুব শুনলাম। কিছুই বুঝি না। কেরালার ব্যান্ড। তাইক্কাডুম ব্রিজ। আগে আমি মানতাম না কিন্তু এখন মানি সুরের কোন দেশ- কাল নাই। এক বিন্দু কথা না বুঝেও আপনি কোন গানের গভীর প্রেমে পড়ে যেতে পারেন। আমার এক পরিচিত ছেলে ছিল, সে হা করে কোরিয়ান চ্যানেলে পড়ে থাকতো, সেখানে গান হতো। তাই তাঁর ভালো লাগতো। কার যে কী ভালো লাগে, বলা মুস্কিল। যেমন পুলকের ভালো লাগে তামিল-তেলেগু সিনেমা। সিনেমা দেখতে দেখতে এখন সে মোটামুটি এইটি পারসেন্ট বুঝে যায় সিনেমায় কি বলা হচ্ছে। আমার আরেক বন্ধু ছিল, কিছুটা দূরের সে আগ্রহ নিয়ে ইরানী সিনেমা দেখতে দেখতে ফারসী ভাষা শিখে ফেলেছে প্রায়। লোকজনের এত প্রতি
ক্লান্ত ক্লারিনেট
কালকের সন্ধ্যাটা ভালো শোরগোল করেছিলাম আমরা। অবশ্য দিনের শুরু থেকেই বিভিন্ন আয়োজন ছিল। বাচ্চাদের জন্য আনন্দ শোভাযাত্রা, সেই সাথে সামনে পিছনে গাড়ি আর মোটরসাইকেল। কিন্তু রাস্তায় কেউ হর্ন বাজাচ্ছিলো না, যাতে বাচ্চাদের কোলাহল এলাকাবাসী শুনতে পায়। এই ছিল শিশুদের জন্য বড়দের সেদিনকার আয়োজনের শুরুটা।
এদিকে আমি কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। সকাল বেলায় বেরিয়েছিলাম আমার রুম থেকে। কিন্তু পথেই দু’চারজনের সাথে দেখা হয়ে গেল- যারা আমার মত বেরিয়ে পড়েছিলো অযথা। আমরা একসাথে ব্রেকফাস্টে ঢুকলাম। রেস্তোরাঁর পচা পাউরুটি আর ডোবার জলের মত লাল চা ফেলে আমি আর মুন শোভাযাত্রার একটা গাড়ির মাস্তুলে ঝুলে পড়লাম।
হারায়ে খুঁজে ফিরি
ঝমঝম করে বৃষ্টি হচ্ছে এর মাঝে সব ভুলে কাথাঁমুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকার আমেজটা নিতে চাইতাম কত করে। কিন্তু বৃষ্টি আসার লক্ষনেই ছুটে গিয়ে উঠান থেকে কাপড় তোলো, পূব-দক্ষিনের জানালা টেনে দাও, বসার ঘরে কার্পেটটার কোনা বড় করে ভাঁজ করে দেও, ঘরে ঘরে বৃষ্টির পানি পড়া জায়গায় ফলস সিলিং সরিয়ে তার নীচ বরাবর ঘটিবাটি দেও, আল্লাহ আল্লাহ করো পশ্চিমের গাছটার ঝাপটায় যেন কাচঁ না ভেঙ্গে পড়ে প্রায় যেমনটা হয় - এমনি কতো, কতো কি যে ছুটাছুটি লেগে যেত এক বৃষ্টি এলেই!
টুকরো
আর কত টুকরো হলে তুমি খুশি হবে,
টুকরো হতে হতে তো বালির সমান হয়ে গেলাম।
তুমি কি চাও আরো টুকরো হই?
তবে তাই হোক।
বিভক্ত হতে হহতে একসময় গায়ে মাখা পাউডার এর সমান হব,
এর পর অনু-পরমানুতে বিভক্ত হয়ে যাব,
এরপর আমি বিলীন হয়ে যাব অসীম শক্তির মাঝে,
তখন তুমি চাইলেও আর আমাকে পাবে না।
আর কত নতজানু হলে তুমি খুশি হবে,
নতজানু হতে হতে আমি উপুড় হয়ে যাব।
তুমি কি চাও আরো নতজানু হই?
তবে তাই হোক।
নত হতে হতে একসময় আমি মাটির সাথে মিশে যাব,
পাতলা কাগজের টুকরোর মত পাতলা হয়ে শুয়ে থাকবো,
কাগজের টুকরোও আমাকে দেখে লজ্জা পাবে,
তখন আমার কোন মেরুদন্ড থাকবে না, আর আমাকে ধরলেই আমি ছিঁড়ে যাব।
তখন তোমার আর আমাকে পছন্দ হবে না।
আর কত তরল হলে তুমি আমার হবে?
তরল হতে হতে আমি উদ্বায়ী স্পিরিট এ রূপান্তরিত হলাম,
তুমি কি চাও আমি আরো তরল হই?
তবে তাই হোক,
তরল হতে হতে আমি বাষ্পে রূপান্তরিত হব,
এইসব বাজার-সদাই
বিষয়টা এমন না যে আমি জীবনেও বাজার করি নাই।
আমার বাজার-সদাইয়ের দৌড় কালে ভাদ্রে চিনি-লবন-সাবান পর্যন্ত, তাও আবার নির্দিষ্ট পরিচিত দোকান থেকে যেখানে দামাদামির কোন বিষয় নাই ঠকার কোন চান্স নাই।
তবে তরি-তরকারী মাছ-মাংস কেনার অভিজ্ঞতা আমার নাই বললেই চলে। সেগুলো সর্বদা আব্বার ডিপার্টমেন্ট। আব্বা আমাদের উপর ভরসা করতে পারে না এইগুলোর ব্যাপারে অথবা হয়তো নিজে যাচাই বাছাই করে কিনতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করেন আব্বা সব সময়। কারন বাজার এনে সব সময়ই আম্মা বা ইদানিং বউমাদের বেশ আগ্রহ নিয়ে গল্প করেন ঢেরসটা কিভাবে চিনতে হয়, ডাটাটা কিভাবে বুঝতে হয়, আজ পর্যন্ত কেউ বুড়ো শশা গছিয়ে দিতে পার নাই কেন, ইত্যাদি ইত্যাদি।
It takes a lot to laugh, it takes a train to cry
Desolated, in the beauty of selfness, I travelled a lot last few days, and experienced, when I got all used up on the hills and couldn't find my legs on the way back. I have the view of those lands in the river, in the moonlight the sandy earth shined and the bushes of kans grass could shade anything. Have those time in me, Can't talk much to people I was with either.
Now I come after the movies and can't see why friends here doesn't talk about going to the movies much. As he says he could miss another scene here and don't Answer when asked if he feels the essence of watching them.
They talk about everything and solve riddles and play games. They seem alright, only I can't get into them. Maybe I am not of much help to them.