ইউজার লগইন
ব্লগ
নিস্ফল সাফল্য
ভাবলাম একদিন দিগন্ত ছুতে বেরিয়ে যাবো। দিগন্তে কি আছে জানতে মন চাইতো, সেখানে কি রংধনু সারা বছর দেখা যায় অথবা লাল টুকটুকে সূর্য্যটা কি পরিপাটি হয়ে ঘুমিয়ে থাকে? এসব ভাবনা একসময় আমার কৈশোরবেলা জুড়ে ছিলো ভাবলেই হাসি পায় আনমনে।
: একা একা হাসছো যে?
: এমনি।
: বাড়ি যাবে না?
: আর কোথাও কি যাবার জায়গা আছে?
ইয়েল্দা তাকিয়ে আছে নিশ্চুপ, শুধু ঠোট টেপা হাসি। ঠোট দুটো গাঢ় লালের লিপস্টিক, চোখে টানা কাজল। আফগানী মেয়েদের কারো নাম যে ইয়েল্দা হয় জানতাম না, তাদের চুল এমন লালচে কালো হয় সেটাও ভাবনায় আসেনা।
: যাবে আমার সাথে? চলো কোথায় বসে কফি খাই।
আমি কিছু বললাম না। হাতের সিগারেটে শুধু একটাই টান দেয়া হয়েছিলো, বাকিটা হাতেই পুড়ে শেষ। কখন যে ভাবনার সাগরে ডুবে যাই তার কোনো ইয়েত্তা নেই। ইদানিং মনটাকে লাগাম দিতে পারছি না।
টুকিটাকি ১
ক্ষমতা আদতে তথ্য নিয়ন্ত্রনের অধিকার। সম্রাট তার শক্তিশালী সেনাবাহিনী দিয়ে সম্রাজ্য বিস্তার করতে পেরেছেন কারণ তার রণযাত্রার রসদখরচ জোগাতে গিয়ে নিজের জীবনস্পৃহা হারিয়ে ফেলা সাধারণ মানুষগুলো যে যুদ্ধযাত্রার জন্যে বাড়তি কর দিতে অনাগ্রহী, তারা যে যুদ্ধবিগ্রহের হয়রানি এড়িয়ে শান্তিতে জীবনযাপন করতে চায় এই সত্যটা তিনি তার সেনাপতি আর সৈনিকদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখতে পারেন। এত বিশাল সম্রাটও তার খুনে সেনাবাহিনীকে ভয় পান, তাদের ভেতরে গোপনে গোয়েন্দা অনুচর লুকিয়ে রাখেন- সেনা কর্মকর্তা আর সৈনিকদের অসন্তোষের তথ্য সংগ্রহ করেন, এবং নিজের ক্ষমতায় সেই তথ্যের ব্যবহার করেন। তথ্য ব্যবহারের দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় তিনি জানেন কখন কোন তথ্যের জন্যে প্রকাশ্যে প্রাণ সংহার করতে হবে আর কোন তথ্যটা শুধু একান্তে বলতে হবে। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার দক্ষ ব্যবস্থাপনায় সেনাবাহিনীর প্রতিটা সদস্য বুঝে যায় নিজের নিঃশ্বাসের শব্দেও যদি কোনো অমান্যত
যাই বন্ধুরা যাই
যাই, বন্ধুরা যাই !
যেখানে শেখড়, সে পিতৃভুমে যাই ।
কতকাল পড়ে আছি বিদেশ বিভুইঁয়ে !
প্রতিদিন ডেকে গেছে মা !
'আয় খোকা আয় ' ।
সময় হয়নি সাড়া দেবার !
আজ যাই !
জনমের মতো !
ফিরে যাই মা’র বুকে !
যেখানে মাটির সোঁধা গন্ধ
মৗ মৗ করে সারাক্ষণ ।
আহা ! কি সুন্দর কচুরি পানার ফুলগুলো
পুকুরের ঈশানকোণে ফুটেছিল !
ঝির ঝির হাওয়ায় দোলছিল !
দুলে দুলে ডাকছিল
আয় আয় ফিরে আয় !
আহা কি মধুর ডাক !
শিথিল বাঁধন
ইদানিং মাঝে মাঝেই হারিয়ে যাই আমার অতীত সময়ে। বাবা আমাকে নিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে পড়তেন। বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হলে মাকে বাসায় রেখেআমরা ঘুরতে চলে যেতাম। এটা এলাকার ভেতর কারো বাড়ি বা অফিসের কাজকর্মের জন্য রাজশাহী সদর বা ঢাকা যাওয়া নয়, এটা ছিলো কোনো নাম না জানা গ্রামে ঘুরতে যাওয়া। সেখানে দিনভর ঘুরে তিনি ছোটবেলার বন্ধুদের খুজে বের করতেন। কয়েকদিন কাটাতাম, তারপর ফিরে আসতাম। বাড়ি এসে মনে হতো সময়টা থেমে ছিলো, কিছুই বদলায়নি যেন। বইয়ের পাতা যেখানে খোলা রেখে গিয়েছিলাম, সেটা সেভাবেই পড়ে আছে। জানালার ওপাশে যে ঘুড়িটা কলাগাছের পাতায় ঝুলে ছিলো সেটা বাতাসে সামান্য ছিড়েছে। খাবারের টেবিলে গ্লাসের পানিটা অর্ধেক পড়ে আছে।
এক অদ্ভুত ইচ্ছে পূরণের সকাল
গত ক'দিন ধরে পড়াশোনায় মন বসছে না। আজ একটা মিডটার্ম ছিলো, টেক-হোম। অন্যসময় যেখানে টেক-হোম এক্সামের সময় সারা রাতের ঘুমকে ছুটিতে পাঠিয়ে প্রশ্নের সমাধান করতে থাকি, সেখানে গতরাতে কেমন গা-ছাড়া মেজাজে বিছানায় শুয়ে ছিলাম, এক্সাম না দিয়ে।
সারারাত জেগে ঘুমের সত্যিকারের চেষ্টাটা নিলাম সকাল ০৮ঃ৩০-এর দিকে। যদি ১০ঃ০০ টার ক্লাসটা ধরতে চাই ঠিক সময়ে, বাসা থেকে বেরোতে হবে ঠিক ০৯ঃ৩০-এ আর তাই কোনভাবেই ০৯ঃ১০ এর পরে বিছানায় পড়ে থাকার সুযোগ নেই।
দুর্বার বাংলা
প্রতি বছর শীত আসলে বোঝা যায় আমাদের দেশের গরীব মানুষগুলোর কষ্টের মাত্রা কতটা তীব্রতর 
ছোট এই গরীব দেশের গ্রামের বেশীর ভাগ লোক দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে । আর আমাদের উত্তরাঞ্চল মঙ্গা পীড়িত অঞ্চল নামে বেশি পরিচিত বলতে আমার আপত্তি নেই, তবে এটা বলতে পারি গরীব এই মানুষগুলার মন যে কতটা আকাশের মত বিশাল, তা নিজের চোখে না দেখলে বুঝতে পারবেন না কেউ!!!!!!
পড়াশুনার জন্য রাজশাহীতে জীবনের পাঁচ পাচটি বছর কাটাতে হয়েছে। আমের জন্য বিখ্যাত এই শহরের আবহাওয়া যে কি পরিমান অদ্ভুত তা বুঝতেই আমার কয়েক বছর লেগেছে। দেখা গেল প্রচন্ড মেঘলা আকাশ ,মনে হচ্ছে এই বুঝি আকাশ থেকে অঝোর ধারায় বর্ষন শুরু হবে কিন্তু বাস্তবে ঠিক উল্টা। মূহুরতের মধ্যে আকাশ পরিস্কার। গরমের দিনে যেমন গরম, শিতের দিনে তেমন প্রচুর ঠাণ্ডা 
এ ট্যুর টু রিমেম্বার!
আমার বেশীর ভাগ পোষ্টই কিছুটা উদাস উদাস ভাব থেকে লেখতে বসা শুরু হয়। অথচ আজ পোষ্ট লিখছি খুব মন ভালো থেকে। এরকম মন ভালো থাকার দিন খুব বেশী আসে না আমার জীবনযাপনে, এক ভালো সময়ের ঘোরের ভেতরে আছি। যদিও শরীরটা ভালো না, টানা জার্নির ধকলে কিছুটা টায়ার্ড, তারপর আমি আবার বাসে ঘুমাতে পারি না। তাই কেমন জানি শান্তি লাগছে না শরীরে। জ্বর আর ঠান্ডায় খুব কাহিল কাহিল লাগছে। তবুও শেষ পর্যন্ত মন যেহেতু ভালো খুব তাই এসব টুকটাক অসুবিধায় কিছু যায় আসে না। এই শরীর খারাপ নিয়ে মশার কামড় খেতে খেতে লিখছি এই লেখা। একলা অবসরে আমার ভাবনার প্রিয় বিষয় এ যাবতকালে ব্লগে ব্লগে কি লিখলাম, ভাবতে ভাবতে নানান টুকরো স্মৃতি মনে আসে। সময় যখন আরো চলে যাবে জীবন থাকে, তখন মন হবে এইসব ব্লগে লিখে রাখা টুকরো স্মৃতিগুলোই বেঁচে থাকার আশ্রয়। কারন স্মৃতিশক্তি ক্রমশ প্রতারণাপ্রবণ, সব কিছুই গুলিয়ে দেয়। মনে হয় সব কিছুই ভাসাভাসা, অথচ এই পোষ্টগুলো
দাও, সব কিছু শেষ করে দাও
দাও, শেষ করে দাও সবকিছু !
আমাদের সব বাচ্চাদের চোর-চেঁচরা নকলবাজ বানাও !
জালিয়াত চালিয়াত বানাও !
কষ্ট করে কেন শিখতে যাবে ওরা !
যখন নকলের সিঁড়ি বেয়ে থর থর উঠে যেতে পারবে
রাষ্টের সর্বোচ্চ সোপানের শেষ ধাপে ।
অতএব ফাঁস করো প্রশ্ন পত্র, ফাঁস কর সব ।
আলু কচু না জানলে কি হয় !
সাইনটাতো করতে পারবে !
এতেই হবে !
কি চাই আর জাতিকে ধ্বংস করতে !
চাই, সর্বত্র মুক্তিযুদ্ধ আর স্বাধীনতার চেতনার তাপ্পি !
চাই বিকৃত ইতিহাসের কপি পেষ্ট !
চাই মুক্ত চিন্তার ধ্বংসাবশেষ !
চাই সত্যের সার্বজনীন কবর !
ন্যায়ের চিরকালীন বিলুপ্তি !
অতএব শেষ করে দাও সব কিছু !
আমাদের প্রিয় নব প্রজন্ম নিঃশেষ হোক
রাজনীতির কুট চালে !
তরুণরা মাদকের ছোবলে জর্জরিত থাক নিত্যদিন ।
ইতিহাস-সংস্কৃতি মিথ্যার মোড়কে দৃষ্টি নন্দন হোক !
ঘৃণার বিষ ছড়িয়ে দাও সর্বত্র !
দাও, সব শেষ করে দাও !
ঠিক কি যেনো!
ফটোগ্রাফীর জন্য এক সুন্দর মন দরকার, দরকার নিখুত চাহিদাকে সংজ্ঞায়িত করার ক্ষমতা। এই মুহুর্তে যদি বলা হয় সবচেয়ে নিষ্পাপ ছবি কোনটা তাহলে আমি বলবো বস্তিতে থাকে সেই ৬-৭ বছরের ছেলেটা যে মুখ গোমড়া করে শার্টের এক কোনায় আঙ্গুল গুজে মুখে দিয়ে চুষছে। নাক দিয়ে সর্দির হিঙ্গুল গড়িয়ে পড়ছে একটা ফুটো দিয়ে। দুদিন আগে বাবা চুল কাটাবার নাম করে হাতে লজেন্স ধরিয়ে নাপিতের দোকানে নিয়ে ন্যাড়া করে দিয়েছে। ক্ষুধায় খেতে না পারার রাগের সাথে মাথা ন্যাড়া করার রাগও যোগ হয়েছে।
ঠিক তেমনি একটা পিচ্চিকে দেখছি তবে এই পিচ্চিটা পুরো জ্যাকেট পরিহিত। কিছুক্ষন আগে গুডিজ মানে মিষ্টি চকলেটের জন্য কান্নাকাটি করছিলো। তার বাবা তাকে গুডিজ কিনে না দিয়ে একটা সেভেনআপের ক্যান ধরিয়ে দেয়। পিচ্চিটা ঠিক বুঝতে পারছে না সে সেভেন আপ টা গিলবে না গুডিজের জন্য কান্নাকাটি চালিয়ে যাবে।
মাফ করে দিও সবাই
বন্ধুরা, ক্ষমা করে দিও সবাই । ২৩/১০/১৪ তারিখ সকালে স্বজনরা হাসপাতালে নিয়েগেছিল, ফেরা হবে ভাবিনি । আল্লাহর রহমত আর সবার আন্তরিক শুভেচ্ছায় ফিরে এসেছি, তবে ডানপিঠে ‘ডান পা’ পুরো এবং তার দোসর ডান হাত আংশিক বিগড়ে আছে । আরে আমার হাত আমার পা, আমার কথা শুনবেনা ওরা ? “কি করা যায় !” ডাক্তারকে বললেন, “এক্সপার্ট কিছু হালকা ব্যায়াম শিখিয়ে দেবে । প্রতিদিন করুন, বুড়োদের রাগ-অভিমান পড়েও যেতে পারে”।
'সহজ কথা যায় না লেখা সহজে..' [আবোল তাবোল - ১৭]
কেমন আছো?
- এইতো, মোটামুটি। অথবা, ভালো নেই।
ভালো আছি, সে মিথ্যে হলেও মানুষ সহজেই মেনে নেয়।
অথচ, ভালো নেই বললেই অন্যদের ভালো থাকাতেও সমস্যা দেখা দেয়।
ভালো লাগে না।
লেখো না কেন?
- মন ভালো নাই, মন ভালো থাকে না।
মাঝে মাঝে ভুলে ভালো হয়ে গেলেও,
নিজের মাঝেই ভুল বোঝাবুঝিতে তা ভুলে যেতে সময় লাগে না।
অথবা, ভালো থাকার মত তেমন কিছু হয় না আর।
হলেও, তা শুরু হতে হতেই শেষ।
দিনকাল বড্ড বেশি স্লো হয়ে গেছে আজকাল। বলতে গেলে থেমেই আছে সে-ই কবে থেকে, মনে নেই। রিস্টার্ট দেওয়ার চেষ্টায় আছি অনেকদিন ধরেই, হচ্ছে না কিছুতেই।
ছুটি দরকার একটা, নিজের কাছ থেকেই – অথবা, এই বৃত্তবন্দি সময় থেকে। তাও হচ্ছে না। যার কাজ নেই, তার হাতের কাজ কখনই শেষ হয় না।
নিজের মত করে থাকতে পারাটাও ভালো থাকা। তাও হয় না সবসময়।
অসময়ে কথা শোনানোর সুযোগ হাতছাড়া করার ভুল করে না বলতে গেলে কেউই।
মৈথুনানন্দের মহোৎসব
মাইমুনা আসেনি। সে দেশেই আছে। বাচা গেলো, টেনশনটা কমলো। তবে বাবা মৃত্যুর আগে টেনশন বাড়িয়ে গেছেন। তার আগত নাতীর নাম আকবর রহমান রেখে গেছেন। আকবর নামটা শুনলে সবার মোঘল সম্রাটের কথা মনে পড়লেও আমার মনে পড়ে এক রিক্সা চালকের কথা। সেই রিক্সাচালক ভদ্রলোক কিশোরকুমারকে হুবহু নকল করতেন। তার গান গুলো ঠিক একই ভাবে গাইতেন। ছোটবেলায় ইত্যাদি অনুষ্ঠানে এই রিক্সাচালক "একদিন পাখি উড়ে " এমনভাবে গাচ্ছিলেন যে আমি তার গানে মোহমুগ্ধ হবার বদলে উল্টো স্ক্রিনে পাখি খুজতেছিলাম। কারন তার হাত আর মুখের ভঙ্গিটা সত্যি ময়না পাখি হারিয়ে যাবার দুঃখে কাতর ছিলো।
: বাবা কি আর নাম পান নাই?
: মুসলমান সম্রাটের নাম, খারাপ কি দেখলা বাবা?
: মনে হইতেছে এক রিক্সাচালক সারাদিন রিক্সা চালিয়ে দুপুরে ভাত ডান হাতে ভাত খাইতেছে আর এক হাতে হাতপাখা ঘুরাচ্ছে।
আটপৌরে শীতকাল
এবারও শীত কথা দিয়ে কথা রাখলো না; জ্যাকেট, বুট জুতো নতুন জীন্স শপিং করার পর থেকে শীত উধাও। কোথায় তুষারপাত হবে তা না, শুরু হয় ঝিরঝিরে বিরক্তিকর বৃষ্টি। এই বৃষ্টিতে ভিজে উদাস হওয়া যায় না, গায়ে শীতের কাঁপুনি ধরা আর কি।
স্টকহোম শহরটা ঘুরবার কিছু নেই তেমন। সামার হলে শহর ঘিরে থাকা লেকের পাশে বীচ আর নাগরিক শান্ত কোলাহল উপভোগ করার মত, ইউরোপের অপরাপর দেশের মতো ঐতিহ্যগত সৌন্দর্য্য এখানে অনুপস্হিত। বছরের পর বছর শহরটার খুব বেশী বাহ্যিক পরিবর্তন নেই। মানুষ শুধু ছুটছে, হয়তো গত বছর এই রাস্তা ধরে যে মেয়েটি সকাল বেলা কাজে যেতো, এ বছর রাস্তাটা একই থাকবে কিন্তু মানুষগুলো পাল্টে যাচ্ছে।
আলস্যের দিনলিপি ৩
আমার সবকিছু প্রচণ্ড অগোছালো হয়ে আছে। কতোটা অগোছালো তা মাপারও কোনো উপায় নেই। পড়াশুনা করি না কত যুগ তারও হিসেব নেই। অনেকদিন হল ক্লাসে যাই না। অনেকদিন হল বেলা দুপুর করে ঘুম থেকে উঠি। হটাৎ করে একদিন শীতকাল চলে এলো। আর আমার আলসেমিও কয়েকগুণ বেড়ে গেল। আমি আসলে করি টা কি? কোথায় আমার মন, জানি না।
অথচ আজ সকালে ঘুম ভেঙেছে। স্নান করে একটা ডিম ঝালফ্রাই দিয়ে ব্রেকফাস্ট করেছি। নজরুলের গান শুনতে শুনতে আরাম করে একটা সিগারেটও টেনেছি- মোর ঘুম ঘোরে এলে মনোহর। আহা কি স্নিগ্ধ সকাল। আর ভাবছি কেন ক্লাসে গেলাম না। এই ক্লাসটা খুব বেশি জরুরি নয়।
সততা !!!
প্রতিদিনের মত সেই দিনেও মায়ের ফোন ......
তবে মা সাধারণত সন্ধ্যা বেলায় কখনও ফোন দিত না। সারাদিন ক্লাস আর আড্ডা বিকেলে ঘুম, সন্ধ্যায় পদ্মার চড়ে ঘুরে বেড়ানো তারপর রুমে ফেরা। যা কথাই তা রাত নয়- দশটা ছাড়া হত না।
কিন্তু অন্য আর দশ দিনের মত সেদিন ছিল না। ফোন রিসিভ করার সাথেই ওপাশের কন্ঠটা কিছুটা বিচলিত। কুশল বিনিময় করার আগেই মায়ের মুখে গুরুগম্ভীর কথা শুনে কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। হঠাৎ মা কেনই বা এসব কথা বলছে। তারপর যা শুনলাম তা রীতিমতই কাল্পনিক, যদিও তা বাস্তব ছিল।