ইউজার লগইন
ব্লগ
দুই হারামি মিলিয়া
আর কত জ্বালাবি তোরা দুই হারামি মিলিয়া ?
পালাবার ও পথ পাবিনে মানুষ গেলে ক্ষ্যাপিয়া ।
আর কত....।
মুখে তোদের গণের কথা,
অন্তরে সব শয়তানী,
হিজাব পরে, হ্বজ করে পাপ রাখতে চা'স ঢাকিয়া ।
তোরা দুই শয়তানী মিলিয়া ।
আর কত ...............
দুজনইতো ছোটলোক,
কথা দিয়ে রাখিসনা ।
ষন্ডা-পান্ডা-গুন্ডা দিয়ে
দল চালাতে ভাবিসনা ।
প্রতিটা দিন মরছে মানুষ, মারছিস দুজন মিলিয়া ।
বাপ-স্বামী কেন্ উপরে গেছে, পারলে দেখিস ভাবিয়া ।
তোরা দুই নষ্টেতে মিলিয়া ।
আর কত............।
পিঠ যখন দে'য়ালে ঠেকে,
পিছুবার আর জায়গা নাই
মানুষ তখন রুখে দাঁড়ায়
হাতের কাছে যা'ই পায় ।
মানুষ আর মরবে ক'বার তোরা দুই ডাইনীর লাগিয়া ?
তোরা দুই বেজন্মার লাগিয়া ?
আর কত ..........
প্রিয় জাফর ইকবাল স্যার স্মরণে....
আমি জানি সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে।
নষ্টদের দানবমুঠোতে ধরা পড়বে মানবিক
সব সংঘ-পরিষদ; চলে যাবে, অত্যন্ত উল্লাসে
চ’লে যাবে এই সমাজ-সভ্যতা-সমস্ত দলিল
নষ্টদের অধিকারে ধুয়েমুছে, যে-রকম রাষ্ট্র
আর রাষ্ট্রযন্ত্র দিকে দিকে চলে গেছে নষ্টদের
অধিকারে। চ’লে যাবে শহর বন্দর ধানক্ষেত
কালো মেঘ লাল শাড়ি শাদা চাঁদ পাখির পালক
মন্দির মসজিদ গির্জা সিনেগগ পবিত্র প্যাগোডা।
অস্ত্র আর গণতন্ত্র চ’লে গেছে, জনতাও যাবে;
চাষার সমস্ত স্বপ্ন আস্তাকুড়ে ছুঁড়ে একদিন
সাধের সমাজতন্ত্রও নষ্টদের অধিকারে যাবে।
অনেক আগে লিখিত এই কবিতাটা কতটা সত্যি হয়ে ফিরে আসলো আমাদের মাঝে। সময় বদলায়... দুনিয়া এগিয়ে যায়... আমরা থেমে থাকি সেই আগের জায়গায়... বরং পেছনে হাটা আমাদের অনেক পছন্দের। আমরা ধুয়ে ফেলি মেয়রেকে তার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে... কিন্তু কথা বলতে শরমিন্দ হই শিক্ষামন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীকে নিয়ে... দলান্ধ এই সময় আমার হাসফাস লাগে... নি:শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। সব কিছু সত্যি নষ্টদের অধিকারে আজ...
মস্তিষ্কে বাসা বাঁধছে ঘূণপোকা
বুকে হাত দিয়ে বলো সূর্যের আলো রুখিতে কি পারে কেউ? আমাদের ধরে ঠেকানো যাবে না গণজোয়ারের ঢেউ। ডাকসুর দেয়ালে ঝুলে থাকা কালো হয়ে আসা চিকাটা মলয়দা'র লেখা। আর কয়দিন টিকবে কে জানে। যে রাতে মলয়দা' চিকাটা লিখেছিলেন সে রাতে আমি উপস্থিত ছিলাম না কিন্তু পরদিন ক্যাম্পাসে গিয়ে চিকাটা দেখে সারা দিন মনের ভেতর অজানা উচ্ছ্বাস অনুভব করেছি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বা দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলাম তখন। আমরা নিয়ম করে রাতের বেলা ক্যাম্পাসের দেয়ালে চিকা মারতাম। ভালো চিকা দেখতে খুব ভালো লাগতো। বিশেষ করে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কথাটা যত ভালোভাবে লিখতে পারতাম, তত বেশি সুখ পেতাম। তখনও গ্রাফিতির চল ঘটে নি সেভাবে। এখন ক্যাম্পাসে অনেক সুন্দর সুন্দর গ্রাফিতি দেখা যায়। আইএমএল-এর দেয়ালে একটা চমৎকার গ্রাফিতি দেখেছি সেদিন। আমাদের ঘাঁটিটায় একটা বড় গ্রাফিতি আঁকবার শখ জেগেছে সেটা দেখে। আর আফসোস জেগেছে যখন আমার সময় ছিলো, তখন এ বিষয়ে কেন কোনো জ্ঞান ছিলো না ভেবে।
ফেইসবুকের সাম্প্রতিক স্টেটাসমালা
এক.
যাহা লাউ, তাহাই কদু; যাহা ১৫ ফেব্রুয়ারি, তাহাই ৫ জানুয়ারি...
দুই.
যেনতেন ভাবে ক্ষমতায় যাওয়াটাই বিপ্লব, এই তত্ত্ব মেনন সাহেব আর ইনু সাহেব আগে বুঝেছেন; নিজেদের পার্টি ভেঙে জাসদ কিংবা ওয়ার্কার্স পার্টিতে যোগ দেয়াটাই এখন সকল বিপ্লবী বামদের জন্য যথাযথ সিদ্ধান্ত হবে...
তিন.
প্রত্যাশারে বলি এইবেলা দূরে থাকো,
দরোজায় দাড়িয়ে না থেকে রাস্তা মাপো...
চার.
যতোদিন তোমাদের হাতে দেশ;
পথ খুঁজে পাবে না বাংলাদেশ!
পাঁচ.
I called you silently at dawn,
There were waves
But failed to reach your realm...
ছয়.
Spending day and night with the people I really like; the friends whom I really adore...
Enjoying every moment of life, whether I'm awake or travelling through the dreams...
সাত.
যেই অবস্থা চলছে তাতে মনে হচ্ছে দেশ জলে ভাসিয়ে কেবল নৌকা চলবে দেশজুড়ে পিতার ছবি আঁকা পাল তুলে...কিন্তু ডাঙায় অভ্যস্ত ব্যাঘ্র সম্প্রদায় এমন অযাচার মেনে নিবে কতোকাল?
ধূসর গোধূলিঃ আলোর নীচের অন্ধকার...

প্রতিদিন সকালে, সুর্য্য ওঠার পর পরই মসজিদের সাথে লাগোয়া ছোট একটি ঘরে ছেলেমেয়েরা উচ্চস্বরে আরবি পড়ে। শ্যামলপুর গ্রামে এটাই একমাত্র মসজিদ। মসজিদের পাশে একটি আলাদা ঘর, বাঁশের খুঁটির উপরে গোলপাতার ছাউনি দেয়া ঘরটার চারপাশে কোন বেড়া নেই। সেই ঘরের মেঝেতে খেজুর পাতার পাটিতে বসে সকাল থেকে বিভিন্ন বয়সী ছেলেমেয়েরা আরবি পড়ছে। অয়নও প্রতিদিন আসে এখানে। বয়সে বড় ছেলেমেয়েরা কোরাণ আর অপেক্ষাকৃত ছোটরা পড়ছে আমপারা। অগ্রহায়নের হাড় কাঁপানো শীতে কিংবা গ্রীষ্মের মাঠ ঘাট ফেটে চৌচির হওয়া গরমে, কখনই বন্ধ হয়না মাদ্রাসা। সবাই এতটাই উচ্চস্বরে পড়ছে যে কারো উচ্চারণই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছেনা। লম্বা একটা বেত নিয়ে মৌলভীসাব মাঝখানে বসে সবার পড়া দেখছেন, মাঝে মাঝে ওটার ব্যবহারও করছেন।
নিজেরে করিতে গৌরব দান...!
কবিকে দিও না দুঃখ, তাহলে সে তার দুঃখ ছড়িয়ে দেবে জলে স্থলে অন্তরীক্ষে...
কবিকে আমরা দুঃখ দিতে চাই না। তারপরও অজান্তেই কবি দুঃখ পান, কষ্ট পান—আমরা ব্যথিত হই, কিন্তু কিছুই করার থাকে না।
কে কবি আর কে কবি নয়—কোনো মানদণ্ড নেই।
কে ছোট কবি আর কে বড় কবি—তারও কোনো মানদণ্ড নেই।
তবুও কবিরা কষ্ট পান, হয়তো কষ্ট পেতে ভালোবাসেন। তাদের এই কষ্টবিলাসটা যখন আমাদের মতো গোবেচারা, নির্বিরোধী মানুষকেও আক্রান্ত করে—পীড়িত না হয়ে উপায় থাকে না!
মাসিক পত্রিকায় ছেপেছিলাম একজন 'শক্তিশালী' কবির কবিতা। তিনি ক্ষুব্ধ, তার কবিতা অনেক পেছনে ছাপা হয়েছে। যোগ্যতা বিবেচনায় তার কবিতাই আগে থাকার কথা ছিলো! বয়সেও তিনি অনেক বড়। হাঁটুর বয়সী কবির কবিতার নিচে কবিতা ছেপে তাকে অপমান করা হয়েছে। তিনি বিদায় নিলেন; এই পত্রিকায় আর লিখবেন না। আমরাও সসম্মানে তাঁকে বিদায় দিলাম। এমন মহান কবির মর্যাদা আসলেই আমরা করতে পারবো না। তিক্ততা বাড়িয়ে লাভ কী!
বন্ধু মাসুদ হাসানের ঘরে ফেরা
তোমার নষ্টালজিয়া
এখন
তোমাকে পীড়ন করছে
নিষ্পেষন করছে
বাকী ২৪ ঘণ্টা তোমার কাছে
২৪ বর্ষ যেন।
তোমায় বহন কারী হাওয়াই জাহাজ
বাংলার মাটি স্পর্শ করার আগে
প্রতিটি মুহুর্ত হবে বর্ষ সম।
এ মাটি সেই মাটি
যার কল্যাণে তুমি দেখেছ
এ ধরাকে,
যার স্তরে স্তরে
নদীর ডেউ এর পড়তে পড়তে
বায়ুর প্রাবল্য ও মৃদুময়তায়
তুমি বেড়ে উঠেছ
যার, ফুল ফল লতা পাতা
গুল্মরাজি তোমাকে শেফা দিয়েছে।
আর
এ সকল কিছুর কল্যাণে
আজ তোমার হাসান
নামের স্বার্থকতা বাস্তবতায় মূর্ত।
তাই তো তুমি বিশ্বের শ্রেষ্টতম
শহরে থেকেও তোমার
দরিদ্র মাতার ভাংগা ডেরার
ফাঁক গলিয়ে চাঁদের কিরন
দৃশ্যময় ঘরটিকেই
বলেছ,
Sweet Home.
এসো বন্ধু
ঘরে এসো।
টুটে যাক
সকল অকল্যাণ
সকল তিমির
সার্থক হউক
তোমার ঘরে ফেরা।
জীবন,
নভেম্বর, ২৫,২০১৩খ্রীঃ
সিরাজগঞ্জ, পাওয়ার প্লান্ট।
অজানা পরিচয়ে
“বেবুন পিঠা খাবি?”
“না”
“সিংগারা খাবি?”
“না।”
“আচার খাবি?”
“বলছি তো, খাবো না!!! আর আমাকে বেবুন বেবুন করছেন কেন? আমার নাম বেবুন না।”
“বাবা রাগ করছস? তোর বাপের উপর রাগ করছস?। কতদিন বাদ তোরে দেখতাছি।”
আমি লোকটার চোখে দিকে তাকালাম। তাতে পানি এসে গেছে। বুঝতে পারছি না কি করবো। আমি নিশাদের বাড়ির প্রাচীরে বসে আছি, নিশা জানলার কাছে এলেই গান ধরবো। এই উটকো ঝামেলার জন্য পারছি না। মাথা ঘুরিয়ে নিশার জানালার দিকে তাকালাম। মেয়েটা চলে এসেছে। আমি গলা ঝেড়ে গান শুরু করলাম, “মাই নেম ইস শিলাআআআ”...”বেবুন, জানিস তোরে আমি কত খুজছি। কোনঠেও পাই নাই।”
মেজাজ চড়ে গেল। নিশা দেখছে তাই আবার চেষ্টা করলাম, “শিলা কি জাবানীইইই...” “ তোর জইন্য আমার অনেক মন পুড়ায় বাপ।”
“তেরে পাস না আউউউউউ...” “পান খাবি বাপ? খয়ের দিয়া পানা বানাই দি?”
“বললাম তো পান খাবো না!!! কথা কানে যায় না???”
দড়াম করে নিশার জানালা লাগানোর শব্দ পাওয়া গেল। মাথায় আগুন ধরে গেছে। প্রাচীর থেকে লাফ দিয়ে নামলাম।
লোকটা রাস্তায় বসে কাঁদছে। সাদা টুপি মাথা থেকে পড়ে গেছে, ধুলো লাগছে সাদা পাঞ্জাবীতে । শুভ্র দাড়ি বেয়ে টুপ টুপ করে চোখের পানি পড়ছে।
বিশাল এক ক্ষুদ্রতা
সুইবাসে করে ওরেব্রো যাচ্ছিলাম। মাঝপথে থামলো ভসতেরস নামের একটা শহরে। খুব সুন্দর শহর। বাস স্টেশন থেকেই দেখা যায় কাঁচে ঘেরা সুউচ্চ দালান। স্টক হোমের বাইরে জমাটি শহর গুলোর মধ্যে এই শহর একটি। বয়সে যৌবনা এই শহরটিতে ৩০ মিনিটের যাত্রাবিরতী। সবাই হাটা হাটি করছে, ফোনে কথা বলে চলেছে কেউ অবিরাম। ব্যাস্ত সবার মাঝে এক লাল টুকটকে স্বর্নকেশী ছোট্ট মেয়ে তাকিয়ে দেখছে আমাকে। আমি তাকে সুইডিশে বললাম," কি দেখছো সিন্ডারেলা?"
ভ্রু কুচকে বললো,"আমি সিন্ডারেলা না, আমি প্রিন্সেস সারা!"
"ওকে সারা, তোমার মা কোথায়?" মেয়েটি আমার প্রশ্নের ধারে কাছে না গিয়ে জিজ্ঞেস করলো,"মিস বলেছে রাস্তায় মুখ হা করে দাড়িয়ে থাকতে নেই। পেটে পীড়া হয়।" এই বলে মেয়েটি উল্টো ঘিরে ভোঁ দৌড়। আমার বুঝতে সময় লাগলেও পাশের এক বুড়ি হাসতে শুরু করলো জোরসে। তার দিকে তাকিয়ে বুঝলাম আমি কাঁচে ঘেরা ঐ তিলোত্তমা দেখে আনমনে তাকিয়ে ছিলাম বেশ কিছুক্ষন। 
চলে যায় ভালো সময়গুলো!
গত তিন দিন জীবনে এক ব্যাতিক্রমী এক্সপিরিয়েন্সের ভিতর দিয়ে যাচ্ছে। না চাইতেই এত বড় সাফল্য আমার জীবনে আর আসে নি। সাফল্য পেতে উন্মুখ হয়েও ছিলাম না। তাও এসে গেল, হঠাৎ করেই। হুট করে আসা এই সাফল্যে কিছুটা লজ্জিত ও কুন্ঠিত অবস্থাতেই কাটছে দিন। তেমন হাতি ঘোড়া কিছু উদ্ধার করি নাই, সামান্য বিসিএসে রিটেন আর ভাইবা শেষে সাময়িক ভাবে সুপারিশ পাওয়া প্রশাসনের তালিকায় স্থান পেয়েছি। যদিও নিয়োগ এখনও দিল্লি বহুদুর তাতেও আমি এই সাফল্যে নিজেই আনন্দে আটখানা। আর যাদের নিয়ে আমার জগত তারা আনন্দে ৮*৮*২= ১৩২ খানা!
গুজব রিলোডেড
জব একটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। ইহার আগে পিছে কিছু লাগাইলেই ভয়াবহ আকার ধারন করে।
যেমন ধরেন জব এর আগে যদি ব্লো লাগায়া দেই তাইলে পুরাই ১৮+ ব্যাপার ঘইটা যাইবেক।
আবার যদি আগে আ লাগায় দেই তাইলে সবাই অবাক হইযাবে।
আবার যদি গু আজমের গু কে আগে লাগায়া দেই তাইলে অবস্থা তো আরো ভয়াবহ! এতই ভয়াবহ যে এই গুজব এ গজব আইসা পরতারে। ওইত্তেরি, গ লাগাইলেও দেখি ঘটনা ঘইট্যা যায়!!!! 
এইবার ভিন্ন কথায় আসি। মাঠেঘাটে বিভিন্ন সময় শিয়াল, কুত্তায় হাইগা দেয়। ওই গু মাঠের মাঝে একলা পইরা থাকে। কিছু অতি উতসাহি জব লেস মানুষ বেহুদা মাঠেঘাটে ঘুরাঘুরির সময় ওই গু কে পায়ে করে লোকালয়ে নিয়ে আসে। আর লোকালয়ে গু ছড়ানোকে নিজের জব মনে করে। আর ঠিক তখনই গুজবের সৃষ্টি হয়।
যাউকগা অতশত কতা কইয়া লাভ নাই। শুনলাম গুজব শোনা যাইতাছে। ব্যাচেলর গো নাকি ঢাকায় বাড়িভাড়া নিয়ে থাকতে দিবে না? এইডা নিয়ে নাকি আবার সবাই টেনশন ও করিচ্ছে? ক্যামনে কি রে মমিনুল হক? তুই বিয়া করস নাই বইলা কি ঢাহায় থাকতি পারবি না?
ধূসর গোধূলিঃ মৌমাছি

বাড়ি এসে অয়ন দেখে বাবা ফেরেনি তখনো। মা উঠান ঝাড়ু দিয়ে এসে বলে,
-তোদের কি নাওয়া-খাওয়া লাগব না?
-একটু পর যাই মা, দুই একদিন দেরীতে খাইলে কিছু অয়না, শিউলি বলে।
-আপা দেখ, ঐ ডালটায় কত্তবড় দুইডা সপরি! ঘরের সামনের পেয়ারা গাছটার মাথার দিকে আঙ্গুল তুলে শিউলিকে দেখায় বকুল। অয়ন গলা বাড়িয়ে বকুলের দেখানো হাতের দিকে তাকিয়ে দেখে বড় দু’টো ডাঁসা পেয়ারা যেন ওর দিকে তাকিয়ে আছে। একলাফে সিঁড়ি থেকে উঠানে নেমে পেয়ারা গাছটার কাছে গিয়ে বলে,
-এইডা আমার গাছ, ছোটদি তুই আমার গাছের পেয়ারা ধরবি না কইলাম। এই দুইডার একটা আমার আরেকটা বড়দির।
-ক্যান, তুই আমার গাছ থেইক্যা বড়ই খাস না?
-হ খাই, তোরটা তো আমি খামুই কিন্তু আমার গাছের পেয়ারা তুই ধরতে পারবি না, বাবা কইছে এইডা আমার গাছ।
-দ্যাখ আপা, কেমন হিংসুইটে অইছে!
-থাউক, অরে খ্যাপাইস না। যা পাইড়া নিয়া আয়, একটা অরে দে আরেকটা তুই আর আমি ভাগ কইরা খামুনে।
কোন এক হরতালের ফল......
গত হব়তালে মতিঝিলে সিএনজির পিছনে পেট্রল বোমা মারলো৷:-P ভাগ্য ভালো পিছনে মারছিল,তা না হলে চালকের মৃত্যু হতে পারতো৷গাড়িতে আগুন ধরে গেলে আশেপাশের মানুষের সহায়তায় চালককে হাসপাতালে ও আগুন নেভানো হল!!!গাড়ির কাজেও লাগলো অনেক টাকা!!কদিন আগে ভর্তি হলাম আর এই বিপদ,টাকা চাইলে বাবার উত্তর"টাকা নাই"৷:O
ভাই গল্পটা আমার৷মধ্যবিত্ত পরিবারতো,তাই মধ্যম মানের গল্প৷
আমার আব্বায় বলে টাকা নাই,শুনতে খারাপ লাগে না!!
যুক্তিও আছে পেছনে৷কিন্তু গত কয়েকটা হরতালে যে কজন মারা তাদের স্বজনরা জিঞ্জেস করলে মানুষ বলে,"তোর বাবা নাই"কিংবা তোর মা বা বোন নাই "আহতরা থাকুক তারা তো বাইচ্চা আছেই=-O !!!!
আজ আবার বোরকা ফকরুল কইলো,ছাত্রদলের কর্মীদের দু-একটা গাড়ি ভাঙ্গলে হবে না,
দলে দলে ব়াস্তায়নেমে পড়তে হবে!!!
এর চাইতে বইল্লা দিলেই তো পারে,"সবাই দেশ ছাইব়া চইলা যাও ৷"
শুনলাম সামনের সপ্তাহে পুরোটাই হরতাল হইতে পারে৷:O
ভাবতাছি আব্বারে কমু "চলেন,গাট্টি-বোস্ত বাইন্দা বাড়ি চইল্লা যাই,হরতাল শেষে হইলে আমানে!!!!"
এছাড়া তো কোন গতি নাই ৷কবে লাশের মিছিলে আমার নাম থাকবে জানি না৷ — feeling বেগতিক৷.
শারামারা
নরসুন্দরে হস্তে ধরিয়া একখানি দিয়া কাঁচি,
কহিয়াছে কেহ, "কাটিয়া দেহ, এইবেলা তবে বাঁচি!"
কুন্তলে তার দৃষ্টি পড়িতে হা হা করি শত মানা-
"ঐখানি নহে, কাটিতে হইবে মগজের ফোঁড়াখানা!"
নরসুন্দর হাসিয়া কহে, "উহা কি পারিব আমি?
মুন্ডু ভেদিয়া উঠিয়াছে যাহা তাঁদেরে ছাটিয়া থামি,
কী ফোঁড়া রহিছে মগজেরি তলে, উহারে আনিব কাটিয়া?
জানিনেকো, খুলি নারকোল বুঝি? ধরিলে যাইবে ফাটিয়া!"
"তাহা কেন বাপু? অত কেন কথা? বড্ড বকিছো দেখি?
পারিবে না কেন? হইয়াছ ভারি আমড়া কাঠের ঢেঁকি!
ডাক্তারে কাটে ছুরি কাঁচি দিয়া, বিদ্যা তোমারো তাতে,
কতজনে কত দূর হতে আসি নতশির তব হাতে,
সেই ডাক্তারে পারিতেছে যদি হইবে তোমারে দিয়া,
আজ হতে তুমি ইহাও করিবে,আস তব কাঁচি নিয়া!"
যাহারা জগতে ভাবিছে বসিয়া কাঁচি দিয়া দিলে কর-এ,
নরসুন্দর দন্ত বিকাশি উহারে যদি বা ধরে,
লাগিবে না আর ডাক্তার আর বাঁচিবে কাজের ধারা-
উহাদেরি কহে 'বুদ্ধিজীবী', আরো কহে 'শারামারা'!!!
আমি গুছিয়ে ঠিক কথা বলতে পারি না, শুধু সময় নিজের গল্প বলে যায়!
শিরোনামটা বেশী আদিখ্যেতার হয়ে গেল। কি আর করা, একটা গানের লাইন পছন্দ হলো তাই দিয়ে ফেললাম নামটা। পোস্ট লিখতে গিয়ে একটু ভাবছি। কারন ঠিক করে রেখেছিলাম পরের কিছু পোষ্ট গুলো শুধু বই নিয়ে লিখবো। প্রচুর বই পড়া হচ্ছে ইদানিং, জমছে চোখের সামনে কিন্তু তা নিয়ে লিখতে পারলাম আর কই?