চেহারা
আমি আগে টের পাই নাই পৃথিবীতে কত ধরনের চেহারা আছে।পৃথিবীতে অনেক মানুষ, কিন্তু চেহারা তারচে বেশি, কারন, সবারই কয়েকটা করে আছে।
রাইনে মারিয়া রিলকে
নোটবুকস অব মাল্টা লরিজ ব্রিজ
বেখেয়ালি মানুষ আমার একদম পছন্দ না
গ্রাজুয়েশনের আগে ফাইনাল সেমিস্টারে ক্লাসের সবারই একবার দুইবার প্রেম হয়ে ভেঙ্গেও গেছে কেউ নতুন সম্পর্কের সন্ধানে আবার কেউ সম্পর্ক পার্মানেন্ট করার কথা নিয়ে বাসায় আলোচনার নানান প্ল্যান করছে, কিন্তু তৈয়বের কিছুতেই একটা প্রেম হয়না। এক লেভেল নিচের সুমিকে তৈয়বের ভীষণ ভালো লাগে কিন্তু কিছুতেই ভালো লাগাটা মুখ ফুটে বলতে পারেনা, এরই মাঝে তৈয়ব দুইবার গ্রিস্মের ছুটিতে চাপাই নবাবগঞ্জের লেংরাআম এনে সুমিকে উপহার দিয়েছে, সুমি শুধু হাসিমুখে আমগুলো রিসিভ করে হলে ঢুকে গেছে বেশি গল্প করেনি।
আজ সেই ছেলেটার জন্মদিন
গত বছর শীতের সময় গাইবান্ধা গিয়েছিলাম। উদ্দেশ্য ছিলো, সেখানকার গরীব, শীতার্থ মানুষগুলোকে কিছু কম্বল দেয়া। ভোর রাতে গিয়ে নামলাম গাইবান্ধা। শীতে কাবু হয়ে গিয়েছিলাম। তাড়াতাড়ি বন্ধু বাবুর বাসায় যেয়ে কম্বলের নিচে ঠাঁই নিয়েছিলাম। তাতেও রেহাই পাইনি শীত থেকে। ঠকঠক করে কাঁপছিলাম। আমার অবস্থা দেখে বাবু আর তার বৌ হাসছিলো। ওরা বললো, এরচেয়েও ঢের বেশি শীত পড়ে গাইবান্ধাতে। আমার বিশ্বাস হয়নি। তাহলে এখানকার মানুষেরা টিকে থাকে কী করে ?
দুপুরের পর থেকে কম্বল দেয়া শুরু করে রাতে শেষ করি। বাবু এবং তার বন্ধুরা আগেই শহরের বাইরের বিভিন্ন এলাকায় যেয়ে গরীব মানুষদের লিস্ট করে তাদেরকে কূপন দিয়ে এসেছিলো। যা দেখিয়ে তারা কম্বল নেয়। দুটো করে কম্বল পেয়ে লোকগুলোর মুখে যে হাসি ফুটেছে, তা দেখে মনে হয়েছে- কত অল্পতে মানুষ খুশি হয় ! সেরাতে ফেরার ইচ্ছে থাকলেও ফেরা হয়নি। পরদিন সকাল আটটার বাসের টিকেট কেটে আবার বাবুর বাসায়...
রহস্যময়তা আর আমার মা বিষয়ক কবিতা...
শৈশবে আমার মা কবুতর পুষতেন। ছোট ছোট ঘুলঘুলিময় খোপে হরেক রকম কবুতর। তাদের গায়ের রঙে, শরীরের আয়তনে, চোখের সম্মোহনিতে নাম পাল্টে যেতো। আমার মা সেইসব নামের আড়ালে নিজেকে আবদ্ধ রেখে খুঁজতেন রহস্যরে। তার একতালিতে উড়েছে রহস্যরা, আরেক তালিতে ফিরে আসতো রহস্য গাঁথা।
একজোড়া কবুতর ছিলো যারা লুটে আনতো অন্য কবুতর পাল। ওপিয়াম রসে নিমগ্ন শিরাজী কবুতর জোড়া নারী ও পুরুষ ভেদে ঠুকরে দিতো চোখে...অন্ধপ্রেমে তারা পিছু নিয়ে আমার মায়ের ঘুলঘুলিতে ঠাই নিতে এসেছে তখন। এক যোগ এক করে এভাবে রহস্যময়তায় বেড়েছে কবুতরের পাল।
কবুতর রহস্যে হারিয়ে যাওয়া মা আমার, তালি বাজাতো অন্তর নিঃসৃত আবেগে...উড়ে যেতো কবুতর। আবার সময় গেলে ঠিক ফিরে আসতো আপন খোপে। আমার মায়ের কাছে এই ফিরে আসার কোনোই অর্থ ছিলো না কখনো...
বৃষ্টি ও বিহংঙ্গ
মুরাদের সাথে আমার ঝগড়াটা শুরু হলো খুব তুচ্ছ একটা বিষয় নিয়ে। এটা আমাদের জন্য নতুন কিছু নয়। এর থেকে অনেক তুচ্ছ বিষয় নিয়ে আমি ইচ্ছে করেই ওর সাথে ঝগড়া করেছি। কিন্তু আমাদের ঝগড়ার একটা অলিখিত নিয়ম হলো, প্রতিটি ঝগড়ায় আমাকেই জিততে হবে। বাবা মার একমাত্র মেয়ে হিসেবে এটা আমার কাছে কখনই অস্বাভাবিক মনে হয়নি। বরং মনে হয়েছে এটাইতো স্বাভাবিক। ছেলেটা মুখ বুজেই আমার আমার সব জেদ গুলোকে মেনেনিত। এটা যে সব সময় আমার ভাল লাগতো তা কিন্তু নয়। খুব সহজেই আত্মসমর্পণ করলে কি যুদ্ধ জয়ের তৃপ্তিটা পাওয়া যায়! সেদিন বুঝিনি আমার এই খেলা খুব ধীরে ধীরে ওর মনটা বিষিয়ে তুলছে। আর বুঝবই বা কি করে, তখন আমার সব ভাবনা, সব কিছুই আমাকে ঘিরে। আমি কি চাই এটাই বড় কথা। কিন্তু সময়ের নিজস্ব একটা বিচার ব্যবস্থা আছে। আর সেটার কাঠগড়ায় না দাঁড়ানো পর্যন্ত আমাদের উপলব্ধিটা করতে পারিনা।
ব্লগবাকুম-২
১.
হঠাৎ করে অফিসের কাজে খুব ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। এতোটাই যে, নিজস্ব সময় বলতে কিছু থাকছে না। নিজের জন্য কিছু সময় দরকার আছে। আর সেই সময়টা হতে হবে 'কোয়ালিটি টাইম'। মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় এ কথাটা খুব শুনতে পাই। কোয়ালিটি টাইম তো দূরের কথা, স্বাভাবিক সময়টুকুও পাই না। আবার এটাও ঠিক অফিসের নতুন ব্যস্ততাটুকু এখনও উপভোগ করছি।
২.
কাজ শুরু করেছিলাম একজন অর্থনৈতেক সাংবাদিক হিসেবে। জীবনে এর বাইরে কখনো অন্য বিষয় রিপোর্টিং করার চাপ আমার উপর ছিল না। করেছি, মাঝেমধ্যে, সখে। জীবনে প্রথমবারের মতো ইকনমিক রিপোর্টিং এর বাইরে এসে কাজ করছি। ভাল লাগছে, আমার বলা যায় সুখের জীবন শেষ। ইকনমিক রিপোর্টিং-এ তুলনামূলক ভাবে ঝামেলা কম, একটু কঠিন হয়তো। তবে অন্যান্য বিষয়ের মতো খুব বেশি এখানে সেখানে যেতে হয় না। এক ধরণের আভিজাত্য ও মর্যাদা আছে। কঠিন জীবনে আসলাম, এই বয়সে।
৩.
হটল্যান্ড থেকে ফ্রিজল্যান্ড ৪ : অফিসে প্রথম দিন
নেদারল্যান্ডের বারটা প্রদেশের একটা, ফ্রিসল্যান্ডের (Friesland) শহর বোলসওয়ার্ড। এই ফ্রিসল্যান্ড থেকেই আমার এই কাহিনীর শিরোনাম। বোলসওয়ার্ড শহরে যেখানে আমার থাকার ব্যাবস্থা হয়েছে সেটার নাম, অল মেন হুজ। ইংরেজি অল মেন হাউজ। শহরের বিশাল গির্জার পাশে। বোলসওয়ার্ড শহরটা খুবই ছোট ছিমছাম। জনসংখ্যা দশ হাজারেরও কম। এত টিপটপ পরিস্কার যে ছবির মত সুন্দর। রাস্তায় সিগারেটের ছাই ফেলতেও খারাপ লাগত। আরো খারাপ লাগত নিজের শহরের কথা ভেবে। সুন্দর পরিচ্ছন্ন শহর, মানুষের নিরাপদ শান্তিময় জীবন এসব দেখে আমার আসলে মন ভার হত। আমাদের সাথে তুলনায় ওরা যেন বেহেশ্তে আছে।

বোলসওয়ার্ড শহরের প্রধান কেন্দ্র।
শিবশবশব্দ
আবিদা তাঁর বাচ্চাটার দুই বগলের নিচে দুই হাত দিয়ে মোড়ার উপর দাঁড় করিয়ে হিস হিইইইস হিইস হিইস করছে । এইভাবে কিছুক্ষণ করার পর ফয়েরবাখ ঠিক ঠাক হিসু করে দেবে। ফয়েরবাখের স্কুল শিক্ষক মামী যে কিনা বলে যে,একদিন দেখা যাবে আবিদার এই হিস হিস শব্দে ফয়েরবাকের কোন কাজ হলো না,বাসার অন্য সবাই হিসু করে যে যেখানে আছে ভিজিয়ে দিল।আমার এইসব কথায় মন নাই। আমি কেবল ভাবছি শব্দগুনের কথা!শব্দগুন ব্যবহার করেই কি বেদেরা মানুষের শরীর থেকে বিষ বের করতো!অনেকেই হয়তো বলবেন সে-তো শব্দ নয়;মন্ত্র। আমিও বলি একই কথা। মন্ত্রতো শব্দগুনফল ধরেই মন্ত্র। মনকে ত্র মানে তরণ করে যে বার্তা পাঠানো হয়। আর সেই তরণ করা হয় শব্দ যোগে। যাই হোক শব্দের যে বিশেষ সামান্য ক্ষমতা রয়েছে সেকথা আমাদের সকলেরই জানা। এমন অনেক লোকই তো এই দেশে পাওয়া যাবে যারা তেমন কাজ কাম করেন না। কেবল শব্দ উচ্চারণ করেন আর তাতেই কাজ হয়ে যায়। পৃথিবী ধ্বংস করার
এভাবে চলে যেতে দিতে নেই!
প্রতিটি বস্তু কিংবা প্রাণী যায় বলি না কেন, সব কিছুতেই একটা ভাল আর মন্দ দিক আছে। কখনো কথনো এই মন্দ দিক গুলো আমরা একান্ত ভাবে কাছে ডেকে নিয়ে আসি। এর প্রভাবে ভেসে যায় আনন্দ, ক্লান্ত হয় সুখ। প্রায় প্রতিটা পরীক্ষার রেজাল্টগুলো প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর জীবনে যেন এক একটা অধ্যায় বয়ে নিয়ে আসে। এই অধ্যায়ের সমাপ্তিগুলো হয় খুব আনন্দের আর নয়তো বিষাদের। ২০১১ সালের এইচ,এস,সি পরীক্ষার রেজাল্টেও এই সকল বিষয়ের ব্যাতিক্রম কোন কিছু ঘটেনি। আনন্দে ভেসে গেছে সারা দেশ আবার কেঁদেছে অনেকেই। এবার সারা দেশে এইচ,এস,সি পরীক্ষার্থীর সংখ্যার তুলনাই সারাদেশে পাসের হার ছিল ৭৫.০৮। যা গত বছরের তুলনাই ০.৫৪ হার বেশী। এ বছরই রেকর্ড সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী জিপিএ ৫ পেয়ে সারা দেশকে আনন্দের বন্যায় ভাসিয়ে দিয়েছে আরো একবার। ফলাফল প্রকাশের পর আনন্দে উল্লাসে মেতেছে সবাই। বাবা, মার বুকটা যেমন বড় হয়েছে তেমনি কলেজগুলোও। এই গৌরব যেমন একদিকে বাড়তি
মাহে রমজান
রমজান এলো বলে-
আসবেই তো,
বিশ্ব মুসলিমের এবাদত
বন্দেগীর তরে,
ভ্রাতৃত্ববন্ধন সুদৃঢ় করার
অঙ্গীকার নিয়ে।
রমজান এলো
সিয়াম-সাধনা আর
আত্মশুদ্ধির মধ্য দিয়ে,
সাহরি-ইফতারের
বারতা নিয়ে।
রমজান এলো
পবিত্র আল-কুরআনের
মহিমা জানাতে
খতম তারাবি আর
বেশুমার এবাদত মানাতে।
রমজান এলো
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি
মজুদদারি ব্যবসা আর
জনদুর্ভোগ বাড়াতে(?)
রমজান এলো
বাঁকা চাঁদের হাসি আর
উৎসবের আমেজে।
*** পুনশ্চ : বিশ্ব পরিক্রমায় প্রতি বছরই পবিত্র রমজান এবাদত-বন্দেগীর বারতা নিয়ে আমাদের মাঝে হাজির হয়। আর এ সুযোগকে পুঁজি করে একশ্রেণীর ব্যবসায়ী চক্র নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। ফলে দুর্ভোগ বাড়ে সাধারণ জনতার। এ ব্যাপারে রমজানের আগে সরকারের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপের ঘোষণা এলেও বাস্তবে এর প্রতিফলন লক্ষ করা যায় না। ফলে মাহে রমজানের উদ্দেশ্য অনেকটাই ক্ষুণ্ন হয়। ***
মাতৃত্বের দায়িত্ব নাকি দায়িত্বের মাতৃত্ব?
শেষ বয়সে আমার সংগ্রামী স্বভাবের নানী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। প্রায় শয্যাশায়ী অবস্থায় একবার তিনি হঠাৎ কইরা নিখোঁজ হন। প্রায় ঘণ্টা তিনেক পরে তার সন্ধান মিলে বাড়ির পেছনের তিড়তিড় করে বহমান বুড়িগঙ্গার ছোট্ট শাখাটার পারে। অর্ধনগ্ন অবস্থায় হাটু গাইড়া সে বেলে মাটি মাখতেছিলো সারা শরীরের। সেইখান থেইকা আবার তারে ঘরে ফিরাইয়া আননের সময় তার তারস্বরে চিৎকার আমার কৈশোর প্রাণে কেমন স্তব্ধতা মাখছিলো...সেই অনুভূতির কথা মনে হইলে আমি আজো শিউড়ে উঠি। বড় মা মানে নানার মা'ও তার মৃত্যুর আগে আগে কেমন উদ্ভট আচরণ করতো! একেবারেই বালকবেলার স্মৃতি হিসাবে একদিন সারাদিন বিছানায় শুইয়া গোঙাইতে থাকা বড় মা'রে দরজার চৌকাঠ ধইরা দাঁড়াইতে দেইখা আমি তব্ধা খাইছিলাম মনে পড়ে। বড় মা'র গায়ে কোনো কাপড় ছিলো না...
দবিরের বৈদেশ যাত্রা- দুই
বিমানে উঠলেই দবিরের এই সমস্যাটা হয়। এর আগেও দবির ৩ বার বিমানে উঠছে। সেইটা অবশ্য বৈদেশ যাত্রা ছিলো না। দেশের মধ্যেই। একবার ঢাকা থেকে যশোর, একবার সিলেট আর একবার চিটাগাং। তাও নিজের পয়সায় না। সেইটা ১২/১৩ বছর আগের ঘটনা। একটা নতুন দৈনিক পত্রিকা বাইর হৈবো। সেইজন্য দবিরের মতন কিছু মানুষ সেই পত্রিকার পক্ষে জনমত তৈরির লাইগা সারাদেশ ঘুরছিলো। লোকজনের লগে কতা কৈছিলো। সেই সব দিনের কতা মনে পড়লে দবিরের নিজের কাছেই শর্মিন্দা মনে হয়। এখন দবিরের মনে হয়, সেইটা ছিলো সেই পত্রিকার পক্ষে একরকম দালালি করা। যদিও তখনকার দবিরের মতন মানুষগুলির উদ্দেশ্য সৎ ছিলো। ভালোবাসা ছিলো। স্বপ্ন ছিলো। মনে মনে লজ্জিত হাসি নিয়া দবির ভাবতে লাগলো, প্রতিবার বিমানে উঠলে তার এই অবস্থা হয় ক্যান ?
বদলে গেছি আমি!!
সময়ের সাথে আমার সম্পর্ক বহু বছরের। সে সম্পর্কে ভাব ভালোবাসা ছিলো না কখনো। নিষ্ঠুরতাই মনে হয় বেশী পেয়েছি সময়ের কাছ থেকে।
কখনো আমি ভেবেছি সময়কে দেখে নিবো আবার কখনো সময় আমাকে দেখে নেয়ার চ্যালেঞ্জ করেছে। কখনো আমি পরাজিত হয়েছি, কখনো সময় হয়েছে। নিয়ম মতো, আমার পরাজিত হওয়ার সংখ্যাই আমার কাছে বেশী মনে হয়।
আমার চাওয়া-পাওয়াগুলো সময় কেমন উদ্ভট ভাবে যেন পূরণ করে। অন্য কারো সাথে কি তবে গুলিয়ে ফেলে আমাকে? না হলে এত আগে পরে হয় কেন সবকিছু? হাজারবার চেয়েও কত কিছু পাই না সময়ের কাছ থেকে। আবার যা কল্পনাতেও থাকে না তাই জোর করে হাতে গুঁজে দেয়।
সময়ের সাথে না বরং অসময়ের সাথেই আমার বেশী ভাব।
নাস্তিক্যবাদ : কমিউনিষ্ট ধারনা নাকি বূর্জোয়া বিপ্লবের আবশ্যিক কতব্য ?
শুধু মার্কসবাদীরাই ধর্মের বিরুদ্ধে লড়েনি। যদিও আমাদের দেশে ধর্মের বিরুদ্ভে আলোচনা-সমালোচনা করলেই বলা হয় “কমিউনিষ্ট”। যেন নাস্তিক মানেই কমিউনিষ্ট। ধর্মের সঙ্গে সংগ্রামটা হলো বূর্জোয়া বিপ্লবের অবশ্য কতৃব্য এবং পশ্চিমে বূর্জোয়া গণতন্ত্র তার বিপ্লবের যুগে অথবা সামন্ততন্ত্র ও মধ্যযূগীয়তার উপর আক্রমনের যুগে সে কর্তব্য অনেক পরিমান পালন করেছিলো বা পালন করতে নেমেছিলো। ফ্রান্স এবং জার্মানীর উভয় দেশেরই আছে ধর্মের বিরুদ্ধে বূর্জোয়া সংগ্রামের ঐতিহ্য।