অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

সবক-দ্য লেসন

আমি অনেক অলস একজন মানুষ। আমার সম্পর্কে যারা উচ্চ ধারণা পোষণ করেন, অনেকদিন ধরে তাঁদের আব্দার একটা কিছু সুন্দর করে যেন লিখি। তাই ভাবলাম নাইবা হলাম মুহম্মদ জাফর ইকবালের মত কেউ, অথবা নুশেরা আপু, মীর ভাই বা তাতাপু (আমি সব ব্লগার কে চিনিনা, যারা লেখেন তাঁদের সবার লেখার প্রতি আমার শ্রদ্ধা রইল); তবে মোদ্দা কথা হল এই, এবিতে আমিও পেচ্চাপেচ্চি করে বিমল আনন্দ পেতে চাই। তাই আমার নিজের ও আমার খুব কাছের কিছু ঘটনা দিয়ে শুরু করছি-
নববর্ষের সকালে সবাই বাড়িতে সব্বাইকে শুভেচছা জানাচ্ছি, আমার ছেলে জানতে চাইল শুভ (ওর বাবার নাম)নববর্ষ হল এবার আরভিন বর্ষ কবে হবে?

আমার যাদুমনি (১০)

1_4.jpg
এই বাবা, খবরদার! আমার ছবি তুলবা না Tongue

2_3.jpg
এই বয়সেই শুরু। একেই বলে বাপ-কা বেটা Crazy

3_4.jpg
মা এগুলি কি পঁচা কথা বলে, আমি কিন্তু এখনি কান্না কলে দিবো Tongue

4_5.jpg
নিশি-নবনী-ঋহান (ঋহানের ফুপুতো বোনরা)

5_6.jpg
আনন্দ বাতাসে উড়ে বেরায়, বাবা-ছেলে সেটা ধরতে চায় Smile

6_3.jpg
হতবাক! Shock

7_4.jpg
ঋহানের উকিঝুকি Big smile

8_3.jpg
নোরা-ঋহান এর হামাগুড়ি

জীবন যে রকম

১.
এক উঠতি আঁতেল কবিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কেমন আছেন?
ভাব নিয়ে সেই কবি বলেছিল, ‌'রবীন্দ্রনাথ নেই, নজরুলও মারা গেছে। আমার শরীরটাও ভাল যাচ্ছে না'।
নানা ঝামেলায় অনেকদিন পর ব্লগে ঢুকলাম। কেউ আবার জানতে চাইয়েন না, কেমন আছি। Smile

২.
শচীনদেব বর্মন ত্রিপুরার রাজবংশের ছেলে ছিলেন। সে সময়ের ত্রিপুরা মানেই তো কুমিল্লা। শচীনকর্তা দীর্ঘদিন কুমিল্লায় ছিলেন। তাই সেসময়ের পূর্ব বাংলা নিয়ে শচীনকর্তার বিশেষ ভালবাসা ছিল। আর তাই তিন ইস্ট বেঙ্গলের কঠিন সমর্থক ছিলেন। দলটির খেলার নিয়মিত দর্শক ছিলেন। আর চরম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল মোহনবাগান।
শেষ বয়সটা ভাল যায়নি শচীনকর্তার। অসুস্থ ছিলেন। বলতে গেলে দীর্ঘদিন প্রায় কোমার মধ্যে ছিলেন। কিছু চিনতেন না, কথা বলতে পারতেন না, কোনো ধরণের সাড়াশব্দ ছিল না।

ইদানিং জীবনযাপন

খুব ঘন ঘন মৃত্যু সংবাদ পেতে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়ার বয়েসে পৌঁছেছি এখন, এতদিন শুধু জন্মদিবস উদযাপন করেছি, এখন সময় এসেছে মৃত্যুদিন উদযাপনের, নতুন জন্মসংবাদ এখনও আহ্লাদিত করে কিন্তু একই সাথে মৃত্যু সংবাদ শুনবার ভীতিও সমান ভাবে প্রবল। গত এক মাসে চারজন পরিচিত মানুষের মৃত্যু সংবাদ শুনলাম, যাদের সাথে গত দুই দশক বেশ আনন্দে, আড্ডায় কেটেছে সেসব বন্ধুদের বাসায় আমাদের নিয়মিত আড্ডা বসতো, সেইসব পরিচিত মানুষের মৃত্যুর সংবাদ হুট করে পেলে খানিকটা বিষন্ন লাগে কিন্তু এ বয়েসে হারানোর শোক ততটা তীব্র নয়, এই ব্যাথ্যা ততটা তীব্র হয়ে অবশ করে ফেলে না, বরং পরবর্তী মৃত্যু সংবাদ শুনবার প্রস্তুতি নিয়ে রাখি, জানি না কখন কার মৃত্যু সংবাদ ভেসে আসবে মুঠোফোনে।

হটল্যান্ড থেকে ফ্রিজল্যান্ড ১ : প্রস্তুতি

প্রায় অর্ধযুগ হয়ে গেল বিদেশ ঘুরে আসার। কতবার ভাবছি এইটা নিয়ে লিখব কিন্তু আজ না কাল করে করে লেখা হয়ে উঠে না। দেড় মাসের জন্য হল্যান্ডের খুব খুবই ছোট এক শহরে থাকার আনন্দের স্মৃতি এতদিন না লেখার অন্যতম কারণ সেই চমৎকার সময়ের ভিজুয়াল স্মৃতি উপকরণ হারিয়ে ফেলা। সেখানে আমি আমার আশেপাশের যত ছবি তুলিছেলিাম একটা সিডিতে কপি করা ছিল। সেই সিডিটা হারিয়ে ফেলার দুঃখে লেখা আর হয়ে উঠেনা। এইবার ঠিক করেছি লিখেই ফেলব, নাহলে আর হয়ত আমার জীবনের প্রথম বিদেশ ভ্রমনের কথা লেখা হবে না।

আমি তখন একটা ডাচ-বাংলাদেশি কোম্পানিতে কাজ করতাম। কয়েকদিন ধরে কথা হচ্ছিল আমার ও আরেকজন সিনিওর কলিগের নেদারল্যান্ড যাওয়ার। তবে যাওয়া যে হবে নিশ্চিত ছিলনা। কিন্তু যখন নিশ্চিত হল তখন হাতে সময় নাই। এক সপ্তাহের মধ্যে যেতে হবে। এবং একা। এদিকে আমার কোনো প্রস্তুতি ছিলনা। এমনকি পাসপোর্টও ছিলনা।

গল্প: পানকৌড়ি বা ঘাসফড়িঙ না দেখেই কেটে গেছে প্রায় ছয়টি বছর

খেলার কাজটি ভালো পারতাম জন্মের পর থেকেই। আব্বু-আম্মু কিংবা আর সবার কোলে কত যে খেলেছি, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। তখন সবাই কোলে নিয়ে আমার খেলা দেখতেও মজা পেতো। আমিও সবার কোলে উঠে অনেক মজা পেতাম। এর কিছুকাল পর যখন একটু দৌড়াতে শিখেছি তখন জীবনের প্রথম সত্যিকারের খেলার সরঞ্জাম উপহার পেলাম। সে সময় স্কুলে যাওয়ার কোনো বালাই ছিলো না বলে দৌড়-ঝাপেরও কোনো সীমা-পরিসীমা ছিলো না। দিনের যখন খুশি, যেখানে খুশি শুরু হয়ে যেতাম। শুধু আম্মুজানের চোখের আড়াল হওয়ার পারমিশনটুকু ছিলো না। তাতে কোনো অসুবিধা হতো না। বাবা’র সরকারী চাকুরীর সুবাদের প্রাপ্ত বিশাল বাড়িটিতে অনেকখানি জায়গা জুড়ে ছিলো হাত-পা দুইদিকে যতদূর যায় ততদূর ছড়িয়ে দৌড়ানোর সুযোগ। আজ-কালকার ঈশ্বরের আশীর্বাদেরা সে সুযোগ কতটুকু পায়, জানি না।

শেয়ার বাজার ধস ! সরকারের উদাসীনতা !! প্রধানমন্ত্রীর নিরাবতা !!!

বেশ কিছুদিন ধরে মনটা অনেক খারাপ । শেয়ার বাজার ধসের পর ধস হচ্ছে । মূলধন প্রায় নাই হয়ে যাচ্ছে । তবে মনটা খারাপ অন্য কারনে । সেটা হল সরকারের উদাসীনতা । সরকারের কোন মহলই মনে হয় না বেপারটা সিরিয়াসলি নিচ্ছে । একটি তদন্ত করে তার রিপোর্ট নিয়ে লুকচুরি করছে । এ যেন মজার একটা বিষয় । অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে কেলেঙ্কারির মহা নায়কদের সরকার শক্তি অর্জন করার সময় দিচ্ছে ।আওয়ামিলিগের আমলে(১৯৭৪) একবার দুর্ভিক্ষ হয়ে ছিল এবং সেই বদনাম তাদেরকে অনেক দিন বয়ে বেরাতে হয়েছে । সবাই বলত আওমীলিগ মানেই দুর্ভিক্ষ । আওমী বিরোধিদের এই কথা থেকে বের হতে তাদের বেশ কস্ট করতে হয়েছিল । অনেক আগের হলেও আবার কথাটি আবার মনে পরল তাদের সমসাময়িক কিছু কার্যকলাপ থেকে । ৯৬ সালের শেয়ার বাজার কেলেংকারীর কথা আশাকরি সবার মনে আছে । কত মানুষ যে নিস্ব হয়েছিল সব কিছু হারিয়ে !

ফেরানো গেল না কিছুতেই

বহুকালের পরিচিত সেই জটিল মুখটি দেখার জন্যে পাশে মুখ ফেরালাম। সেই একই ভঙ্গী! কোনকিছু মনমতো না হলে দু’ঠোঁট চেপে রাখা ওর সবসময়ের অভ্যাস।ভেবে ভেবে দিশেহারা হওয়া মনে হয় একেই বলে! কিভাবে আমি ওকে আজ বিয়ের কথা বলব! বললে প্রতিক্রিয়াই বা কী হবে!ভ্রু থেকে ঘাম গড়িয়ে পড়লো;আমার পাগলপারা দশাকে ওর কাছে একেবারে উন্মুক্ত করে দেবার জন্য যে এটা যথেষ্ট হবে আমি জানতাম।
ও আমার দিকে মুখ ফেরালো, স্বাভাবিক প্রশ্নটাই ছুড়েঁ দিলো – তুমি এভাবে ঘামছো কেন?
বোকার মতো হেসে বললাম, “এখানে আজকে খুব গরম, না কি বলো? দাঁড়াও গাড়ির জানালার কাঁচ নামিয়ে দেই।”
কাঁচ নামানোর সুইচে হাত দিতে গিয়েই দেখলাম ও সিট বেল্ট বাধেঁনি, নিশ্চয়ই প্র্যাগন্যান্সির এমন অ্যাডভান্স স্টেজে বেচারার সামনের সিটে সিটবেল্ট বেঁধে অনেক সময় ধরে বসতে খুবই কষ্ট হবে!পরক্ষণেই মনে হলো ও সামনের সিটে, সিট বেল্ট ছাড়া বসাটা বিপদজনক তো বটেই, বিশেষ করে হাইওয়েতে।

২০৭১ - এ ব্লগ স্টোরি (২০)

সেদিন পাশের বাড়ীতে একটা বড়সড় ডাকাতি হয়ে গেলো। তিনটা সিকিউরিটি এজেন্সি আগে থেকে বিষয়টা জানতো। টাপুরের মা যে মহিলার সাথে এন্টি-সুইসাইডাল থেরাপি নিতো তার বাসা। সিকিউরিটি এজেন্সি থেকে এলার্ট করা হয়েছিলো। এমনকি ডাকাত গ্যাং প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন লাইভ কভারেজ ট্রান্সমিট করেছিলো তাদের বাসার সবকটি লেজার স্ক্রিন, সেলফোন, এমনকি যেকোন অপটিকাল সারফেসে। অদ্ভুত বিষয় হলো বাসার লোকজন নাকি বলেছে ডাকাতি ঠেকাবার সময় নেই। ছেলেমেয়েদের গেট টুগেদার হচ্ছে বারো বছরে প্রথমবারের মত, রাষ্ট্র যদি চায় তবে যেন ডাকাতদের ধরে। সমস্যা হলো সংবাদটা কোনো বখাটে ওয়েবার একটা ফান টিভিতে জানিয়ে দিয়েছে। যারা মুহূর্তে বিষয়টাকে রাষ্ট্রীয় তাৎপর্যময় সংকট হিসাবে উপস্থাপন করলো। বিশাল ডিবেট শুরু হয়ে গেলো রাষ্ট্র কেনো জনগণের মাইক্রো নিরাপত্তার দায়ভার নেবে – এসব নিয়ে। আমার পাশের বাড়ির ঘটনা আর আমি ডাকাতির সংবাদ পেয়ে হাত-পা গুটিয়ে ডিবেটে অংশ নেবো

মোটা বন্ধুগো ফটুক

আমগো দুই মোটা বন্ধু ,
সুমন পাটোয়ারী ও মাসুদ পারভেজ;।
তাগোরে নিয়া একটা পোস্ট দিছিলাম। শিরোনাম আছিল
মোটা কাহিনী ।

মাগার জনগনের দাবীর কারণে দুই জনের দুইটা ছবি পোস্ট দিলাম।
আরো অনেক ছবি আছিল। খুঁইজা পাইতেছিনা।

Patwari.jpg
এই ছবিটা বন্ধু স্বপনের বিয়ার, এক পোলা আর এক মাইয়ারে সুমন পাটোয়ারী
পেটের মধ্যে ধইরা আদর করতাছে।
Masud.jpg
আরেকটা মাসুদ পারভেজের। হের দোস্ত হাতির লগে তুলছে...দেখেন মাসুদের সামনে হাতিও কত ছুডো দেখায়..

আশা করি সবতের আগ্রহ মিটবো...

ওড টু মাই ফ্যামিলি-৪

নিজের বাড়ির লোকগুলোই কি শুধু আপন? ভাবছি গত ২-৩ দিন ধরে।

চিত্রগ্রাফী...

বেশ কিছুদিন ধইরা একটা ছবিব্লগ দিবো ভাবতেছিলাম। আজকা দিয়াই ফেল্লাম। ছবি ব্লগে কিছু লিখতে ইচ্ছা করে না। তারপরও, ছবিগুলার টাইটেল তো দিতেই হইবো। সো...
সাথে কোথায় তোলা সেইটাও দিয়া দিলাম...

IMG_4575_.jpg

ফাগুনের আহ্বান
স্থান:- জংগলছড়া চা বাগান, শ্রীমঙ্গল

IMG_4791_.jpg

নীলিমা যাত্রার প্রতীক্ষায়
স্থান:- জাফলং

IMG_4049.jpg

Togetherness / যুদ্ধ ও ভালোবাসায়
স্থান:- বলধা গার্ডেন, ঢাকা

একাকীকথন ২

ইচ্ছে ছিলো দক্ষিনমুখী একটা বারান্দা হবে, আয়েশ করে সকালের চায়ের ওম নিতে নিতে পারিপার্শিক খবরাদি জানা যাবে, অলস কোন দুপুরে বারান্দা পেরিয়ে রোদেলা হুটহাট এসে পড়বে শোবার ঘরটায়। সাধসাধ্য দু’টাই থাকা স্বত্তেও বাড়ির গা ঘেষে দরদর করে দালানকোঠা উঠে পড়ায় সেই আশায় গুড়ে বালি। নিজে যেমন এতটুকু জায়গায়ও না ছেড়ে ফ্লাট তুলেছেন ঠিক তেমনি পাশের প্লটের জনও, তাও স্বস্তি এটুকুই যে পূর্বদিকটা রাস্তা বিধায় তাতে বারান্দা করে বসার যোগার হয়েছে।

নানান ভাবনার রৌদ্রজ্জ্বল সকালটা বিষাদে ছেয়ে দিলো দিনের পত্রিকাটা। দু’টা ভিন্ন ধাচেঁর খবর “মুক্তিযুদ্ধকালীন ঘটা নারী নির্যাতনের বিচারের দাবীতে সোচ্চার জনতা” আর “গণধর্ষনের শিকার জনৈকা”। কিছুপর বিষাদ ছাপিয়েও অবাক লাগল এই আশ্চর্য মিল এতো দিন পর উপলব্ধি হলো বলে, এটা সম্ভব হয়েছে ঐ খবর দু’টো পাশাপাশি কলামে ছিলো বলেই।

খুচরা পোস্ট ৩ :জেন্স পাঞ্জাবী

jens
প্রায়ই রিক্সায় অন্যের সাথে শেয়ারে যেতে হয়। এতে লাভ আছে যেমন আবার ঝামেলাও আছে। লাভ, রিক্সা ভাড়া অর্ধেক লাগে। কিন্তু সাথের লোকটা যদি ফাউল হয় ঝামেলা হয়। আর যদি দলীয় সমর্থক হয় তাইলেতো কথাই নাই। একবার এক লোকের সাথে দৈনিক বাংলা যাচ্ছি। আগের দিনের রাজনীতিকদের নিয়া কথা হচ্ছে। সোরাওয়ার্দির খুব গুণগান গাওয়া শুরু করলে আমি খালি জিজ্ঞাস করলাম সে দেশের কী উপকারটা করছে? সাথে সাথে টিপিক্যাল আওয়ামী সমর্থকদের মত হাউকাউ শুরু করল জোরে জোরে। মহান নেতাদের স্বীকার করিনা। বেটারে থামাইতেই পারিনা। আশেপাশে রিক্সার লোকজন কৌতুহল নিয়া তাকাচ্ছে। আপনার সাথে কথা বলতে ইচ্ছা করছেনা বলে মুখ অন্যদিকে ঘুরায় রাখলাম। তারপর থেকে শেয়ারের লোকজনদের সাথে কথা বার্তা খুব খিয়াল করে বলি।

রোদ-নাট্যম

আজ রোদের বুকে ঝাঁপ দেব
নিজেই নিজেকে শাপ দেব
পুড়ে যাক যাক
খাক হয়ে যাক
মাটির দেহে চৌচির চির
ইঞ্চি ইঞ্চি মাপ নেব
হাপর শ্বাসে দমে দমে
পোড়া মাটির ভাপ নেব
ধূসর চোখে ঠুলি মেরে
খুলির ভেতর ধূলি ঝড়ে
আলগা বাতাস হলকা হলে
মগ্ন ধ্যানে তাপ নেব
রোদের সাথে যুক্তি করে
কারাগারে মুক্তি পুড়ে
ভাগাভাগি পাপ নেব
খান্নাসের বিলোপ হলে
সন্তাপ আর বিলাপ ফেলে
নিংড়ে নিয়ে সূর্য ছটা
সূর্য স্নানের আলাপ হব
রোদের ভেতর ঝাঁপ দেব
রোদের বুকেই ঝাঁপ দেব

***
২৪শে এপ্রিল ২০১১/২৫শে এপ্রিল ২০১১

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা