অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ২৩ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

মেহেরজান : আবার খানিকটা চাবানি

মানুষ যখন বাজার থেইকা গরুর মাংশ কিনে, তখন, অনেক দেইখা শুইনা কিনে। সুতরাং মাংস যার যার মন মতই হয়, রান্না কৈরা আরাম কৈরা খায়।কিন্তু কোরবানীর সময় একজনের ঘরে সব রকম মাংশ পরে। সেই সময় নানারকম মাংশের মাঝে, একধরনের মাংশ পরে, যেই গুলার ভিতরে মজা থাকেনা কোনো, কিন্তু চাবাইয়াও ঐটার কিছু করা যায়না। রাবারের মত, চাবাইতেই থাকে, চাবাইতে থাকে, চাবাইতেই থাকে---------

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

আমরা আধুনিক মনস্ক, কোনো কিছু না দেইখা তার সমালোচনা করতে রাজি না। সুতরাং, সমালোচনার জন্য দেইখা আসলাম টাইপ একটা ব্যাপার হৈলো আজকের ডিসক্লেইমার, মুহাহাহা।

কারখানা...(সাত)

ঘরে ঢুকতেই সাদ দেখে রুনা কিচেনে ঢুকছে। সে টিপটো করে কিচেনের দিকে গেলে দেখে রুনা তার প্রিয় চিঙড়ি ভুনা করছে নারিকেল দিয়ে। সাদ রুনার ঠিক পেছনে গিয়ে দাঁড়ায়, পেছন ফিরে তাকায় আলভী। ওকে রুনার টিশার্ট আর ট্রাউজারে কেমন উদ্ভট দেখাচ্ছে। আলভী রান্নাঘরে সাদের পছন্দের ডিশ রান্না করছে বিষয়টা কেমন অস্বস্তিকর লাগে সাদের কাছে। আলভীও কেমন অপ্রকৃতিস্থের মতোন হেসে হাত বাড়িয়ে দেয় তার দিকে। সাদ হাত ধরতে গিয়ে দেখে হাত কই! এতো পাখির পালক। আলভী কিম্বা রুনা, রুনা কিম্বা আলভী পালক ছাড়িয়ে নিয়ে ছুটে বেরিয়ে যায় কিচেন থেকে। সাদও তার পেছনে ছুটে যায়...ব্যালকনিতে গিয়ে ঘুরে দাঁড়ায় নিরুপমা, সাদের দিকে তাকিয়ে বিভৎস স্বরে আঙুল তুলে বাচ্চাদের মতোন লাফিয়ে লাফিয়ে বলতে থাকে,

: তুমি খুনী, তুমি খুনী...হা হা হা!

বেঁচে থাকা, না থাকা ( ছোট গল্প )

কত বছর কেটেছে জানিনা । বছর গোনা আমাদের হয়ে ওঠেনা । এমনকি সপ্তাহের দিনগুলিরও আমরা হিসেব রাখিনা । মা চাল শেষ হয়ে এলে দু একদিন কাইকুই করে তারপর বাবাকে বলে , বাবা চোখ বড় বড় করে চেয়ে থাকে মায়ের দিকে , তারপর কিছুটা অনিশ্চিত ভাবে বলে " গেলো শুক্রবার না এনেছি "। বাবার মনেই থাকেনা চাল সে এনেছে মাস পেড়িয়ে গিয়েছে । মা'ও মনে করায় না । কিছুটা দয়াপরবশ হয়ে বা কিছুটা বিরক্তিতে । এভাবেই চলছে আমাদের সংসার ।

কারখানা...(ছয়)

উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোতে লুকোছাপা কেমন? কতোজন কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে মৃত্যুবরণকারীর পোস্টমর্টেম হয় এই বিষয়টা একটু খতিয়ে দেখতে হবে। থ্যালামিয়ার প্রতিক্রিয়া নাকি তিনদিন পরেও দেখা দিতে পারে। এই তিনদিন যদি শরীর খারাপের বাহানা থাকে তবুও কি বিষয়টা নিয়ে নাড়াচাড়া হবে খুব বেশিদূর? সাদ একটু এলোমেলো হয়ে যায়। তার মনে হয় নিরুপমার মৃত্যু যদি নিজ চোখে না দেখে তাহলে তার কি খুব ভালো লাগবে? নিরুপমা তার সামনেই ভেসে যাচ্ছে রক্তের স্রোতে, উপড়ানো চোখে কেবল একজন পরাজিত রমনীর করুণামাখা দৃষ্টি এমন নাহলে কি তার মৃত্যুর কোন অর্থ তৈরী হবে সাদের বিক্ষুব্ধ হৃদয়ে?

মোহাম্মদপুর গার্লস হাইস্কুলে ২০১১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছে এডমিডকার্ড(প্রবেশপত্র) বিক্রয়!!!???

আগামী ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে ২০১১ সালের এসএসসি পরীক্ষা। ছাত্র-ছাত্রীরা কেমন টেনশনে আছে তাকি বলার অপেক্ষা রাখে? পরীক্ষার আর মাত্র একসপ্তাহ বাকি থাকলেও আমার মেয়েসহ কোন পরীক্ষার্থীই আজ(২৬/০১/১১) পর্যন্ত ঐ স্কুলের এডমিডকার্ড(প্রবেশপত্র)পায়নি, যা মারাত্মক এক টেনশনের কারণও বৈকি!

অন্য স্কুলের খবর জানিনা, কিন্তু আমার মেয়ের স্কুল মোহাম্মদপুর গার্লস হাইস্কুলে আজই ছিলো ২০১১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান। ফলে বিদায় অনুষ্ঠান থাকায় আমার মেয়েসহ সব পরীক্ষার্থীরাই এডমিডকার্ডটি পাবার অধিকারসহ আশা করেই গিয়েছিলো আজ বিদায় অনুষ্ঠানে; এটা কি তাদের কোন অন্যায় আশা বা দাবী ছিলো?

অথচ বিদায় অনুষ্ঠানে তাদের কাছে প্রাপ্য পরীক্ষার এডমিডকার্ডটি হস্তান্তর না করে মাত্র একটি করে গন্ধবিহীন অর্কিড ফুল দিয়েই বিদায় জানানো হয়?

সম্পর্কের মূল্যহ্রাস

১৯৯০ সালের দিকের একটি ঘটনা। বড় বোন আর তার নতুন বর গেছে ঢাকায়। মধুচন্দ্রিমার মতো কোনো ব্যাপার নয়; উদ্দেশ্য শুধু দুটো দিন নতুন জীবনকে একটু ভিন্নভাবে উদযাপন করা, স্বপ্নের শহর ঢাকাকে দুজন মিলে দেখা। মধুচন্দ্রিমা শব্দটা আমাদের কাছে তখন স্বল্পপরিচিত। নিম্নমধ্যবিত্তের কাছে যা এক বিলাসী স্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই ছিল না।
ঢাকায় তারা উঠেছিল বড়লোক মামার বাসায়। দুদিন পর গ্রামে এসে বড় বোনের সে কী কান্নাকাটি- লজ্জা- সংকোচ! এই অতি আপন আত্মীয়টি নতুন এই দম্পতিকে নানাভাবে অমর্যাদা দিয়েছে। মেঝেতে ঘুমাতে দিয়েছে, তাদের নেওয়া মিষ্টি পঁচা বলে উপহাস করেছে। বোনের প্রশ্ন- কেন উনারা আমাদের সঙ্গে এমন আচরণ করলেন? আমরা তো পর নই। ছোটবেলায় বোনকে কত্তো কোলে নিয়েছে সেই মামাটি। মেলায় নিয়ে গিয়ে চিনিবাতাসা আর ভেঁপু কিনে দিয়েছে! এখন শহরের বাসিন্দা হয়েছে, কিছু টাকাপয়সা হয়েছে, তাই কি এত পরিবর্তন?

আজ ভারতের ৬২তম প্রজাতন্ত্র দিবস (রিপাবলিক ডে) ।

আজ ২৬শে জানুয়ারী সারা ভারতে ৬২তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হচ্ছে। প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাজধানী দিল্লী সহ নানা প্রদেশের কেন্দ্রে নানা রকম জাকঝমক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সামরিক বাহিনীর কুচকাওয়াজ সহ নানা ধরনের সামরিক যন্ত্রপাতি সর্ব সাধারনের জানার জন্য উন্মুক্ত প্রদশিত হয়ে থাকে। আজকাল সারা ভারতে 'হেপী রিপাব্লিক ডে' বলে একজন নাগরিক অন্য নাগরিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকে। বছরের এইদিনে সারা ভারতের সরকারী অফিস আদালত, জেলখানা থেকে এতিমখানা সব জায়গাই একটা খুশির আমেজ দেখা যায়। ব্যক্তি উদ্দোগ্যে ভাল খাবার পরিবেশন করা হয় মহল্লায় মহল্লায়! সারা ভারতে এক অপরিসীম আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।

কার লাগিয়া গাথিঁরে মালা...

মাঝে মাঝে না, প্রায়ই এমন হয় সকালে উঠে যে গান শুনলাম সারাদিন মাথায় বাজতে থাকে সেটা। দেখা গেছে অফিসে পিসিতে সারাদিন সেইটাই শুনছি। শুনতে শুনতে যখন এমন হয় যে শুনলেই বিরক্তি আসে তখন বন্ধ হয় শোনা। যেমন গত কয়দিন এক নাগাড়ে শুনছি, আমি তোমার মনের ভিতর..।

মাঝে মাঝে ভাবি গ্রামের অর্ধ শিক্ষিত বাউল শিল্পীদের অপরিশীলিত গলায় না আছে সুর না মনন। ইনফ্যাক্ট গতকালই ভাবছিলাম কোথাও গান শুনে। সেই ধারণা যে কত বড় ভুল সকাল না হতেই টের পেলাম।

অনেক দিন আগে টিভিতে দেখা সাধক কালা শাহর মাজারে তার দৌহিত্রের দোতারা বাজিয়ে গাওয়া গান - নীরিখ বাইন্ধো রে দুই নয়নে, এখনো চোখে ভাসে মনে বাজে। প্রতি বছর কালু শাহর মাজারে ওরসে সারা রাত গান হয়। ভক্তরা সব্জি, ফল নিয়া আসে উপহার হিসাবে। আমি ঠিক করে রেখেছিলাম কালু শাহর ওরসে অবশ্য যাবো, সারা রাত গান শুনব বাউলদের। হায়, আমার অন্য সব ভালো ভালো ইচ্ছার মত এটারও উপায় হয় নাই।

স্বচ্ছ জলের কোলাহল পেরিয়ে পূর্বমুখী যাত্রাপথে

পূর্ব ঘটনা...... এক............দুই...........তিন


চার.

দেরী হয়ে গেছে অনেক। কুঁড়েতে গিয়ে ব্যাগটা নিয়ে আসতে অনেক সময় লেগে গেল। এক মাইল হাঁটতে এক ঘন্টা লাগে এখানে। তাড়াতাড়ি দাঁড় বাইতে শুরু করলো ধনু। বিকেলের হিম শীতল হাওয়া দিতে শুরু করেছে। সূর্যকে পেছনে রেখে নৌকা এগিয়ে চললো সামনে। আমি ছইয়ের নীচে হেলান দিয়ে ফোকর দিয়ে আকাশ দেখছি। আকাশের এই নীলটা শুধু এখানে না, সারা পৃথিবীতেই আছে। কিন্তু শংখ নদী ছাড়া দেশের অন্য কোন নদীতে এই নীলের এতটা স্ফটিকস্বচ্ছ বিচ্ছুরণ দেখিনি। পাহাড় চুড়া থেকে থেকে নদীটা দেখে মনে হয় সবুজ পাহাড়ের মাঝখানে কেউ আঁকাবাঁকা নীল আঁচল বিছিয়ে দিয়েছে।

শূন্য

খুব একা লাগে, শূন্যতায় ভরে যায় পৃথিবী
আমি ছুটে চলি আমার প্রার্থিত গন্তব্য ফেলে
জীবনের রাস্তায় কত গলি পথ, কত বাঁক পেরিয়ে
আমি বুঝতে পারি না কিভাবে বিবর্ণ হয়ে যায় জীবন ।

হয়তোবা প্রতিটি গলি আর বাঁকের বর্ননা করতে পারি,
পারি হৃদয়ে হীম শীতল স্রোতের অনুভূতি নিতে
সংজ্ঞাহীন একটা কিছু বেরিয়ে আসতে চায় ভেতর থেকে,
সামনে উপস্থিত প্রশ্ন বোধক চিহ্নটা সরাতে পারি না,
পরাজিত মানুষের কোন শক্তি থাকে না,
আমি আজ তাই, শূন্যে দাঁড়িয়ে থাকা তথা কথিত কেউ ।

অশ্রুহীন দু চোখে ক্লান্তির আঁধার নেমে আসে
মস্তিষ্কের তপ্ত চিন্তাগুলো বাড়িয়ে চলে শূন্যতা,
হৃদয়ের দু কূল ছাপানো হীম শীতল স্রোতে আমি ভেসে যাই।

আর কোমল কন্ঠের কবিতা শান্তি বিলাতে আসবেনা,
দেখা হবেনা এলোকেশী প্রতিমার মুখোবিম্ব
অর্জিত কোন প্রলম্বিত যন্ত্রনায় ডুবে যাবো আমি,
প্রত্যাবর্তনের পূর্বে বার বার ফিরে দেখার সাধে বিভোর থেকে।

সাধারণ কমলা বনাম কিনু কমলা

পরপর দুইদুই বার ধরা খেয়ে তবে এখন অভিজ্ঞ হয়েছি কিনু (কিংবা কেনু) বিষয়ে। কি লজ্জা! শাশুড়ি দেখেই চিনে ফেললেন। বললেন , মামুন এটাতো কমলা না এটা কেনু?
এখন আমি দেখলেই চিনি। চেনা আসলেই খুব সহজ, কিন্তু জানতে তো হবে। কয়জনা আমরা জানি!
না , কেনু প্রজাতির ফলটি খেতে কোন দোষ নেই। পুষ্টি গুনও কম না। একটু টক টক এই যা। আমার মত যারা টক পছন্দ করেন তাদের কাছে বরং ভালোই লাগবে। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে আমাদের চিরপরিচিত কমলার স্বাদ ও গন্ধ কোনটাই কেনুর মধ্যে নেই।
ধরা খাবার পর থেকে ফলের দোকানে গিয়ে যে চকচকে সুন্দর বড় বড় আকারের গোটা গোটা কমলা দৃষ্টি আকর্ষন করে সেটাকে কেনু বলা হয়, এই জ্ঞান আহরণ করায় ফল বিক্রেতাকে বলি , এটাতো কেনু, কত করে?

কোনো ভিনগ্রহ

ছুটছি তো ছুটছি আমি অবিরাম
এ ছোটার নেই কোনো শেষ --
পেছনে ফেলে যাচ্ছি একে একে পথ
বাঁকের পর বাঁক
যেনো ট্রেন থেকে দেখা চলন্ত পরিবেশ;
পেছনে ছুটছে গাছপালা নদী পাখি
হারিয়ে যাচ্ছে দৃশ্যাবলী বাড়িঘর সব
হঠাৎ দেখি উধাও হয়ে যাচ্ছে
আমার চিরচেনা প্রিয় বাংলাদেশ!

একি কোনো নতুন ভূখন্ড আবার
নাকি ভিনগ্রহ অচেনা জগত?
যেদিকে তাকাই ঝাঁকঝাঁক শকুন চিল
ছিঁড়েছূঁড়ে খাচ্ছে সোল্লাসে
ফুলেল শিশুর পেলব শরীর।
কারা যেনো কামড়াচ্ছে জীবন্ত লাশ
তানিয়ার শরীরও খুবলে নিচ্ছে অদ্ভুত জীব!
হায়, এখানে বসন্ত নেই কলগুঞ্জন নেই
বয়ে চলেছে কোথাও কোথাও অশ্রনহর!!

দেখে তাই শিউরে উঠি, দেই পেছনছুট----
ছুটতে ছুটতে কবে পার হলো তিনযুগ
এখন খুঁজেও পাইনা আমার সেই সবুজ বাসর
একি মধ্যযুগ, এরা কি তবে ইয়াজুজ-মাজুজ?

সোহেল ভাই------------

মজনু ভাইয়ের চায়ের দোকানের সামনে অনেক দিন পর আজকে সবাই এসেছে, অবশ্য ফুল হাউস বলা যাবে না ফারুক আর নান্নু এখনও এসে পৌঁছায় নি, তবে সবারই আজকে আসবার কথা। কোনো উপলক্ষ্য নেই কিন্তু অনেক দিনের অদর্শণে সবার ভেতরেই একটা দুরত্ব তৈরি হয়েছে, সেই দুরত্ব ঘোচানোর একটা উপলক্ষ্য সোহেল ভাইয়ের নতুন চাকুরি, সোহেল ভাই অবশেষে বিসিএস পোষ্টিং পেয়েছে, সুদুর মাগুড়ায়, যদিও মাগুড়ায় সোহেল ভাইয়ের কোনো জ্ঞাতিগুষ্ঠি নেই, কিন্তু এবার বিসিএসে কোটায় মাগুড়ার চাকুরির পরিমাণ বেশী ছিলো, সে কারণেই সোহেল ভাই নিজের স্থায়ী ঠিকানা দিয়েছিলেন মাগুড়ার মুন্সী পাড়া। সোহেল ভাইয়ের ভালো পরীক্ষা না কি জেলা কোটায় কোন কারণে এটা সম্ভব হলো বলা কঠিন কিন্তু অবশেষে মাগুড়ায় সোহেল ভাইয়ের পোষ্টির হয়েছে, এসি(ল্যান্ড)। সোহেল ভাই উৎফুল্ল, এত দিনের প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। মজনু ভাইও বেশ আনন্দিত, আমাদের সবাইকে অনেক দিন পর একসাথে দেখে।

কারখানা...(পাঁচ)

বারিস্তার কাঁচ ঘেরা লাউঞ্জে বসে সাদ অপেক্ষা করে নিরুপমার জন্য। তখন সন্ধ্যা প্রায় সমাগত। ক্যাফে’তে লোকজনের উপস্থিতি ধীরে ধীরে বাড়ছে। বাইরে হালকা বৃষ্টি ঝরছে। সাদ কাঁচের দেয়ালে চোখ রেখে জলের গড়িয়ে পড়া দেখে। গ্রাফিতি’র উপর দিয়ে গেলে জলেরা যেনো অন্যরকম মুখোশ পরে। সাদ অপেক্ষা করে। তার পকেটে হোমিওপ্যাথির শিশি বোতলে ১৫০ গ্রাম থ্যালামিয়া লিকুইড। স্বাদ আর গন্ধহীন থ্যালামিয়া মানুষের রক্তের সাথে মিশে যেতে খানিকটা সময় নেয়। তাই সাথে সাথে অচেতন হওয়ার ঝুঁকিটা নেই। ধীরে ধীরে হয়তো শরীর বিবমিষা বোধ করবে, মাথা ঘুরবে, খাবারে অনীহা দেখা দেবে। তারপর সেই একই প্রতিক্রিয়া, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট। মৃত্যু ঘটবে হঠাৎ করেই।

আমার প্রথম বই।

179876_1827132085138_1445377116_32144827_274284_n.jpg

 

 

গল্প লিখছিলাম মনে মনে। ভাবছিলাম লেখব কি না। মনে মনেই গল্প জমাই না হয়। কিন্তু লেইখা ফেললাম। ব্লগ থাকায় সুবিধা বেশি হল। একই সাথে লেখা আর মতামত জমাইতে থাকলাম। ভাবতে থাকলাম। সমসাময়িক গল্প-উপন্যাস পড়তে থাকলাম। সময়রে বুঝতে থাকলাম। এই করতে করতে আইজ আমার বই প্রকাশের সংবাদ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পারতেছি। বইয়ের ফ্ল্যাপ লিখছেন রুবাইয়াৎ আহমেদ।

---

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ