অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৭ জন অতিথি অনলাইন

জীবিকা অথবা জীবন- ৯

খুব ভোরবেলা ফজরের নামাজ পড়তে যাওয়ার আগে রহমান সাহেব মনু মিয়ার রুমে উঁকি দিয়ে তাকে দেখতে না পেয়ে কিছুটা অবাক হয়ে গেলেন। তারপর কিছু একটা ভাবতে ভাবতে গেট খুলে বাইরে বেরোবার আগে আজগরকে ডেকে তুলে বললেন, আমি আইতাছি। ঘুমাইয়া পরিস না জানি!

আজগর বিছানায় উঠে বসে চোখ ডলতে ডলতে হাই তুলে বললো, আইচ্ছা যান!
আজগর তার ঘরের জানালা দিয়ে একবার বাইরে উঁকি দিয়ে ফের বিছানায় গিয়ে বসে। জানালা পথে দেখতে পায় মনু মিয়া মোরগ-মুরগিগুলোকে খোঁয়াড় থেকে বের করে তারের খাঁচায় ঢুকিয়ে দিচ্ছে। তখনই সে আবার উঠে জানালায় মুখ বাড়িয়ে শব্দ করে থুতু ফেলে।

শব্দ শুনে মনু মিয়া একবার ফিরে তাকালেও কিছু বললো না। বাসিমুখে কেউ কথা বললে তার মনে হয় যে, সেই মুখ থেকে ভকভক করে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে।

একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি

আমি নেই।
আমাকে পাওয়া যাচ্ছে না কিছুতেই।
শেষবার যখন দেখা গিয়েছিল তখন আমার হাতে ছিল নীল প্রজাপতি
পায়ে চাপ চাপ কাদা, মেঠো পথের
বয়স হরিণ চপল
গায়ে রংধনু বর্ণ
তারপর উবে গেছি
গুম হয়ে গেছি
বলা নেই কওয়া নেই।
আমি নেই
আমাকে যাচ্ছে না পাওয়া কিছুতেই।

খোঁজকেরা দেখে নেয় পেঁজা মেঘ সরিয়ে
যদি ছেলেখেলা করে আড়ালে থাকি লুকিয়ে!
আমাকে গেল না পাওয়া ঘাসের গোড়াতেও
কৃষ্ণচূড়ার ডালে,
সাম্পানের পালে,
ঝিনুকের খোলে,
আমি নেই!
আমাকে পাওয়া যাচ্ছে না কিছুতেই।

আর কোথায় কিভাবে হারায় কেউ?
জানে না ওরা।
অভয় ঘোষনায় জোর প্রলোভন চলে। বলে,
পৃথিবী কে মুড়ে শব্দ খাতার মলাট করে দেবে সত্যি সত্যি ···

আমি ফিরি না তবু ।

আমি বামপন্থী আলাপে নেই
ডানপন্থী মেজাজে নেই
ওরা আমাকে পেল না খুঁজে কোনভাবেই।

অবশেষে,
খোঁজ থেমে আসে।
স্বজনের অশ্রু মুছে গেছে ওই গণ্ডদেশে।

লাবড়া

বহুদিন যাবৎ বাইরে বাইরে থাকার ফলে একটা ভাল অভ্যাস হইছে যে আমি কোন খাবারেই না করি না, তেলাপোকার মতন যা পাই তাই খাই। এমন কি মাঝে মাঝে অখাদ্যরেও খাদ্য মনে হয়, যেমন কবি সুকান্ত পূর্ণিমার চাঁদের মতন অখাদ্য বস্তুরে রুটি ভাবতেন। আমি অবশ্য কবি টবি না তবে ক্ষুধা লাগলে নিতান্ত গদ্যময় মানুষেরও কবি হইতে ইচ্ছা করে ব্যাপারটা আমি খিয়াল করে দেখেছি। চরম ক্ষুধার্ত অবস্থায় আমিও একদা একটা কবিতা লিখেছিলাম ….

নীল নীল চাঁদের আলো যেন নরম পেলব মাখন
পিচ ঢালা পথটাকে পাউরুটির স্লাইস বানিয়ে খেয়ে নিতে পারলে
এ যাত্রা বেঁচে যেতাম
আকাশটা যদি হত বিরাট বড় এক পাত্র
অনন্ত নক্ষত্রেরা কর্ণ ফ্লেক্সের দানা
ফ্রিজে রাখা আধা নষ্ট দুধের সাথে খেয়ে নিতে পারলে
এ যাত্রা বেঁচে যেতাম
কান পেতে শোন....
অদূরে কোথাও ডেকে চলেছে রাত জাগা পাখী
তার কণ্ঠ সুমধুর, আরো মধুর হবে নিশ্চয় তার রোস্ট
পাখিটাকে খেয়ে নিতে পারলে

অপচেষ্টায় ব্লান্ট

একদিন সাব-ওয়েতে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ডাউনটাউনের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছি। অফিস যেতে হবে, অসংখ্য ফাইল জমে আছে, সেগুলোকে কুপোকাৎ করতে হবে। বাড়িতে ফোন করি না অনেকদিন। কবে যে এ বন্দিদশা থেকে মুক্তি পাবো জানি না। মাথার ভেতর ঘুরছে হাজারটা চিন্তা।
হঠাৎ চোখের সামনে আকাশ থেকে নেমে আসা অ্যঞ্জেল দেখতে পেলাম এবং স্তম্ভিত হলাম। ওর ঠোঁটের কোণার সত্যিকারের মিষ্টি হাসিটুকু প্রায় মাথা খারাপ করে দিলো। কিন্তু খুবই দুঃখের কথা, শী ওয়াজ উইদ আনাদার ম্যন। মেয়েটি যে সত্যিই প্রাণে মেরে রেখে গেছে তার প্রমাণ পেলাম, যখন দেখলাম সারারাত আর আমার চোখে ঘুম আসলো না। খুবই কষ্টের একটা রাত ছিলো সেটা। ট্রেনের কাঁচের ওপাশ থেকে সে আমার দিকে যে হ্যলো-হাসিটা দিয়েছিলো, সেটা ভুলতে পারছিলাম না।

একটা রাগী মাথার ব্লগ

গত নির্বাচনে আমি প্রথম ভোট দেবার অধিকার অর্জন করি । আমি আওয়ামিলীগকেই ভোট দিতে চাইছিলাম । কিন্তু চোখের ঝাপসা দৃষ্টি নাকি নতুন ভোট দেবার উত্তেজনায় উতফুল্ল হয়ে সিল মারার পরে দেখি সেটা কোন এক পাখা প্রতীকের উপর জ্বলজ্বল করছে । মন খারাপ হয় । পরে অবশ্যই লীগকেই দেব । যতদিন না একটা সত্যিকারের ভালো কোন রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব না হয় লীগকেই দিয়ে যাব ভোট ।
এটা আমার জেদ না , একপেশে দৃষ্টিভঙ্গী না , আওয়ামিলীগের অন্ধভক্তিও না , এটা শুধুমাত্র শেখ মুজিব আর তাজুদ্দিনের মত নেতাদের জন্য । যাদেরকে আমি দেখার সুযোগ পাইনি , যাদের সাথে এককাতারে নেমে আন্দোলন করার সুযোগ পাইনি . তাদেরকে ভালোবেসে এই কাজটুকু করা । আমার এ মনোভাব পরিবর্তন করতে হবে দেখতেছি ।

অভিশপ্ত ঘড়ি

এক............দুই...........তিন ...........চার

কেরোসিন স্টোভ জ্বেলে ভাত আর আলু একসঙ্গে সেদ্ধ করতে দিল ধনু। হঠাৎ করে মাছ খেতে ইচ্ছে করলো আমার।

আবদার পাড়লাম, খালি ভাত আর আলু সেদ্ধ খাওয়াবি? মাছ খাইতে মন চায়, তোদের এই নদীতে মাছ নেই?
ধনু চোখ টেরা করে তাকালো, তারপর হেসে ফেললো, তোর দেখি খায়েশ কম না। এই রাতে মাছ ধরবো কেমনে?

আমি জানি মাছ খেতে ইচ্ছে করাটাই সার। রাতের বেলা মাছ ধরা অসম্ভব। কথার কথা বলা।

কিন্তু ধনু ভাত চুলায় দিয়ে নৌকার পেছনে চলে গেল। ওখান থেকে দুটো বাঁশ বের করলো। বাঁশ দুটোতে গামছামতো কিছু বাঁধা আছে। আমি অন্ধকারে বুঝতে পারলাম না কি ওটা। জাল নাকি?

আমার যাদুমনি (১)

ঋহানের ছবি দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন অনেকেই, তাদের সেই ইচ্ছা পূরন করার সামান্য চেষ্টা.....
(যদিও অনেকেই এই ছবি গুলো অনেক আগেই ফেইসবুক এ দেখেছেন, তাও আবারো একবার সবার জন্য)

1_0.jpg
বিড়াল বাবা আমার, নিজেই নিজেকে খামচি কেটেছে Sad
2.jpg
3_0.jpg
বসা'র চেষ্টা
4_0.jpg
mommy's little monster
5_0.jpg

জীবিকা অথবা জীবন- ৯ (জুলিয়ান সিদ্দিকী)

সকালে হাটতে বের হয়েছেন রহমান সাহেব। আজকাল দুবেলা করে হাটেন, এতে যদি কিছু দিন বেশী বাচা যায় মন্দ কি! দুনিয়া থেকে চলে গেলে তো সব শেষ। তার চেয়ে কিছু দিন বেশী বাচার চেষ্টা করা সবার উচিত। এই পৃথিবীর রঙ্গশালায় যত দিন অভিনয় করে মজা পাওয়া যায় ততই লাভ!

পথিমধ্য বাল্যবন্ধু ডাক্তার শৈলেশ বর্মনকে পেয়ে গেলেন। কি রে কেমন আছিস? আজকাল তো আর দেখা পাচ্ছি না। সে কবে স্যালাইন দিয়ে ঘুমপাড়িয়ে রেখে এসেছিস আর তো এলি না। তোরা ডাক্তারাও পারিস বটে! দিনে এত রোগী দেখিস কেন। যত গুলো রোগী দেখিস তাদের বর্তমান কি হালচাল, কে আছে, কে দুনিয়া থেকে বিদায় হয়েছে তা জানতে ইচ্ছা হয় না।

ডাক্তার শৈলেশ বাবু রহমান সাহেবের কথা শুনছিলেন। আসলে বলার কি আছে? রহমানের কথা তো সত্যি। দিনে যদি একজন ডাক্তার পাঞ্চাশ/ষাট জন রোগী দেখে তবে ডাক্তার মশাই কাকে কাকে মনে রাখবে। আজ দিনে তার দেখা কেন রোগী মারা গেছে তা জানবে কি করে।

প্রেসার, চারিদিকে প্রেসার

১.
আমাদের অফিসে ব্লাড প্রেসার মাপার একটা যন্ত্র আছে। সেইটা থাকে প্রশাসনে। সেখানে কাজ করে কুসুম (ছদ্ম নাম)। আমাদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে শাড়ি পরে এসে আমার সামনে এসে জানতে চাইছিল তাকে কেমন লাগছে। আমি সেই ঐতিহাসিক বাণী দিছিলাম। বলছিলাম, ‌'পরের বউয়ের মতোই লাগছে'।
তাকে অবশ্য সবসময়ই এরকম লাগে।
প্রায়ই দেখি অফিসের কেউ না কেউ কুসুমের কাছে যাচ্ছে এবং ব্লাড প্রেশার মাপছে। সবারই প্রেসার অস্বাভাবিক। দেখা গেল আমাদের অফিসের সবাই উচ্চ ব্লাড প্রেশারের সমস্যায় ভুগছে। বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করলো।
অফিসের কাজের চাপ বেশি। সবাইকে অতিরিক্ত খাটায়। এই ধারণাটা সবার মধ্যে বেশ পোক্ত হয়ে গেল। সবারই ধারণা কাজের চাপেই ব্লাড প্রেসার বাড়ছে। অসন্তোষ ধুমায়িত হল।

শাহ আলম বাদশা সম্পাদিত ও ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিতব্য ' মাসিক ওয়েব ম্যাগাজিনে' ১০/২/২০১১ তারিখের মধ্য লেখা পাঠান

এটি নিরেট একটি মাসিক সাহিত্য মাগাজিন। ''শিল্পের জন্য শিল্প'' এবং ''জীবনের জন্য শিল্প'' দুটোকেই এখানে প্রাধান্য দেয়া হবে। রাজনীতিবিবর্জিত সৃজনশীল সবধরনের শিল্পসম্মত ও রুচিশীল লেখাই এখানে স্থান পাবে দলমতনির্বিবিশেষে সব লেখকের। মিনি গল্প, ধারাবাহিক উপন্যাস, কল্পকাহিনী, ছড়া-কবিতা, লিমেরিক, রম্যরচনা, অনুবাদ ইত্যাদি এবং লেখার গঠনমূলক সমালোচনাও সাদরে গৃহীত হবে। তবে ওয়েব ম্যাগাজিন বিধায় মিনি সাইজের শৈ্ল্পিক মানসম্মত লেখাকেই অগ্রাধিকার দেয়া হবে। আর ধর্মবিরোধী, সরকারবিরোধী কিংবা দলীয় প্রচারণামূলক কোন লেখাও বিবেচনা করা হবে না।

ম্যাগাজিনের সার্বিক উন্নয়নের জন্য নবীণ-প্রবীণ লেখকদের পরামর্শ সম্মানের সাথেই গ্রহণ করা হবে। ম্যাগাজিন প্রকাশ পাবে প্রতিমাসের ১০ তারিখের মধ্যে এবং প্রকাশিতব্য সংখ্যার জন্য লেখা অবশ্যই পূর্ববর্তী মাসের ২০ তারিখের মধ্যেই সম্পাদকীয় ইমেইল ঠিকানায় পাঠাতে হবে।

পেছনে অশরীরি হাত

একটা মাস চলে গেল। চুপচাপ কোনোকিছুর পরিবর্তন না ঘটিয়ে, কেটে পড়লো কোনো দুঃখ-কষ্ট ছাড়াই। আমিও নির্লিপ্ততার দিকে এক ধাপ এগিয়ে গেলাম। মাথার ভেতর খেলছিলো শুধুই অনগ্রসরতার খতিয়ান; কিছুক্ষণ টানা ঘুষালাম, শক্ত কংক্রীটের মেঝেতে।
টাইএর নটটা পর্যন্ত খুলতে চাচ্ছে না। একটা জড়বস্তুও গলায় ফাঁস হয়ে আটকে বসতে চাইছে। খুব করে অনুভব করছি জীবনের দেয়াল বাওয়ার সময়টির অনুপস্থিতি। জীবনে একটা পর্যায়ে দেয়াল বাওয়ার মতো উচ্চমানের একটি কাজ করতাম। এখন চেষ্টা করলে হয়তো অমন পারবোও না। কিন্তু ওয়ান্স আপন আ টাইম, পারতাম।

পিতৃত্বের মূল্য

পুরুষ বন্ধ্যা প্রাণী(barren animal)- এ অভিযোগের বয়স অনেক।এ বন্ধ্যাত্ব ছোট্ট একটি কণাকে প্রাণ করে তুলতে না পারার, প্রাণকে লালন করতে না পারার। কলকাতার কবি জয়া মিত্র এই অভিযোগের সচ্ছল কাব্যভাষা দিয়েছেন। কবিতাটা খুব প্রিয় বিধায় পুরটাই কোট করছি। পড়ুন:

ওড টু অ্যালিস ওয়াকার

ইভ, তুমি কালো মেয়ে
তাই আদি সরীসৃপ
আদিম রহস্যবার্তা
বলে গেছে তোরই কানে কানে
বলে কি যাদুবিদ্যা বলে
তীব্রতম রূপোল্লাস গোপনে সঙ্চয় করে
গর্ভে ধরতে পারে শুধু তোমার শরীর
গভীর যোনীর মধ্যে
যে রৌদ্র চুঁইয়ে পড়ে
তাকে তুমি পরমরহস্য বলে
প্রাণকণা করে তোল

পুরুষ, সে কতদূরে
কেবল ইন্দ্রিয়সুখ সম্বল করে
অভাগ্য দাঁড়িয়ে থাকে
তোমার রাজ্যের বাইরে দীনহীন
হাতে হাতে মূল্য চুকিয়ে নিয়ে
একা
আমি ডেকে বলছি তোমাকে
ইভ, আদিম জননী নও
জায়া কিংবা ভার্যা নও
জন্ম সাম্রাজ্যের রহস্য ঐশ্বর্যমূলে
অধীশ্বরী তুমি

ভারত ভ্রমণের সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা ও বাংলাদেশের পর্যটন

বেশ কিছুদিন আগে পর্যটন বিষয়ক একটি লেখা প্রকাশের পর পরিচিত একজন বাংলাদেশের বাইরে পর্যটনের অভিজ্ঞতা আছে কিনা জানতে চেয়েছিলেন। ‘খুব সামান্য’ জবাব দেয়ায় তিনি উপদেশ দিয়েছিলেন- সম্ভব হলে অন্তত পাশের কয়েকটি দেশ যেমন ভারত, ভুটান এবং নেপাল ঘুরে এসে তারপর যেন বাংলাদেশের পর্যটন নিয়ে আশাবাদী হই। গুরুতর কিছু না হলে সাধারণত পাঠক প্রতিক্রিয়াকে সম্মান জানিয়ে একমত হওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু তার বক্তব্যে এমন কিছু দৃঢ়তা ছিল যে কারণে পরবর্তী সময়ে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হয়েছে। নানা দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যটন বিষয়ে তার সঙ্গে কিছু আলোচনাও হয়েছে। তার কথায় মনে হয়েছে, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প নিয়ে আমি যে আশাবাদ ও উচ্ছ্বাস ব্যক্ত করেছি বা করছি, কিছু দেশ ঘুরলে আমার সেই বক্তব্য বদলেও যেতে পারে।

কারখানা...(আট)

অপ্রত্যাশিতভাবেই সাদ বেশ স্বাভাবিক পেইসেই প্রেজেন্টেশন শেষ করে। সবাই বেশ খুশি-সুখী চেহারা নিয়ে বেরিয়ে যখন প্ল্যান করছিলো ওয়েস্টিনে লাঞ্চের জন্য সাদ তখন ছুটি চাওয়ায় বিষয়টা সবার কাছেই আন ইউজ্যুয়াল লাগে। কিন্তু কারো কথায় কান না দিয়ে সে নিজের গাড়িতে উঠে সাই করে বেরিয়ে যায়। যদিও সে নিজেও জানে না তার প্ল্যানটা কি, বাকী দিনটায় সে কি করবে কিংবা আদৌ আজ সে ছুটি কাটাবে কিনা...কিন্তু সাদের মনে হয় আজ তার অস্থিরতার দিন। সে মনে করতে পারে না তার জীবনে ২৫ সেপ্টেম্বরের কোনো মর্তবা রয়েছে কিনা, অথচ তার মনে খচ খচ করতে থাকে আজ ২৫ সেপ্টেম্বর, আজ তার জীবনে কিছু একটা ঘটেছিলো। কিন্তু ঘটনাটা সে কোনো কারনে ভুলে গিয়েছে। এই ভুলে যাওয়াটা অপরাধ। অপরাধের কথা মাথায় আসতে আবার তার নিরুপমার কথা মনে পড়ে। নিরুপমা নিষ্পাপ চেহারার আপটাউন মেয়ে। যে হয়তো রেসপন্সিবলিটির সংজ্ঞা শিখেনি কখনো। জল গড়িয়ে খাওয়ার জন্যও হয়তো তার বাবার বাড়িতে

মেহেরজানঃ একাধিক বিয়েপাগলের সমাহার ও একটি প্রেমের ফোক ফ্যান্টাসি (মুক্তিযুদ্ধের গোলমরিচের গুড়া ফ্রি)

পরিচালকের দাবী এইটা একটা ফোক ফ্যান্টাসী।
.
তইলে আমরা সিনেমার ভিত্রে ঢুকনের আগে টিপিকাল ফোক ফ্যান্টাসীগুলানের মোটামুটি টেমপ্লেটটা দেইখা লই-

১. নায়কের বাপ অত্যাচারী সামন্ত প্রভু।
২. নায়কে আদর্শবাদী, প্রজাগো উপ্রে বাপের অত্যাচারে ত্যাক্ত; চান্স পাইলেই বাপের বিরোধীতা করে।
৩. নায়কে নাইকারে বাপের পুষা গুন্ডাগো আক্রমণের থিকা বাঁচায়। ফলশ্রুতিতে নাইকার লগে পেরেম।
৪. নাইকার বাপ/চাচা এলাকার প্রজাগো লিডার টাইপের, যার নায়কের বাপের লগে বনেনা। আবার সেয় অই অত্যাচারের এগেইন্সটেও অ্যাকশনে যাইবার চায় না তার ফলোয়ারগো কথা ভাইবা।
৫. দুই মুরুব্বীরে ফাকি দিয়া বিদ্রোহী নায়কের লগে নাইকার আগানে বাগানে পেরেম চলে। তাতে হেল্প করে এক/দুইজন ভাঁড় টাইপের লোক। যেইটা আবার নাইকার “জেনুইন” প্রেমিকের চউখে ধরা পইরা যায়।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ