অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১১ জন অতিথি অনলাইন

নো মাশরাফি, নো ক্রিকেট

(রায়হান ভাইয়ের অনুরোধে আসলে এই পোস্টের অবতারণা করতে হইলো। ৬০ দশকে ভারতের ব্যাটসম্যান মুস্তাক আলীরে ইডেন গার্ডেন টেস্টে দলভূক্ত না করনের পর সারা ভারত জুইড়া বিক্ষোভ শুরু হয়, তখনকার একটা শ্লোগান থেইকা শিরোনামটা ধার করলাম)

ভেতর-বাহির ( সপ্তদশ পর্ব)

অস্ত্রের ব্যবহার সবখানেই, নড়বড়ে নড়াইল

সামনে সেচ মৌসুম তাই ভাবছিলাম বিদ্যুতের উপর আরেকটা লেখা লিখব আর তাতে একটু রাজনৈতিক আলাপও থাকবে কারণ সরকার সম্প্রতি যে হলুদ কার্ড দেখেছে তার প্রধান কারণ সমূহের মধ্যে যেমন অনিয়ন্ত্রিত দলীয় আচারণ আছে তেমন মূদ্রাস্ফিতি, আইন শৃংখলা ও বিদ্যুৎ স্বল্পতাও সমান ভাবেই আছে । কিন্তু আজ আর বিদ্যুৎ নিয়ে লেখা হবে না, একটা নিউজ শুনবার পর কোন ভাবেই ওটা ছাড়া আর কোন কিছুতে মন নিতে পারছিনা । বাংলাদেশ বিশ্বকাপের দল ঘোষনা করেছে আর তার জের ধরে নড়াইলে হরতাল, বাংলাদেশের বড় অস্ত্রের আরেক দফা ব্যবহার।

টুন টুন টুইন-১

#১. ভেবেছিলাম কার নাম কোনটা তা ওদের বুঝতে অনেক সময় লাগবে। কিন্তু তা লাগেনি। ওরা কেমন করে যেন ঠিকি বুঝেছিলো কার নাম কি। ঠিক বুঝলাম না, ওরা কনফিউজ্ড হলোনা ক্যানো? যাই হোক, একজনের নাম জারা আর আরেকজন জুন্না। আমার জমজ মেয়ে। ওদেরকে সব সময় এক সাথে রেখেছি, ডেকেছি আর তাই আমার ধারনা হয়েছিলো টুইনরা হয়তো সহজে বুঝতে পারবে না কার নাম কোনটা। Smile

দিনের অভিজ্ঞতা ২

বিকেল ৫টায় আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির আগে এফ আর খান অনুরোধ করে বলেছিলেন "আগামী কাল অবশ্যই সবাই সকাল ৯টার সময় উপস্থিত থাকবেন।" জাপান এরোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সীর সদস্যরা সবাই দুপুরের ভেতরেই ঢাকা ত্যাগ করবেন, সে কারণে আগামী কাল হাতে কলমে শিক্ষার সম্পূর্ণ বিষয়টাই দুপুরের আগে শেষ করে ফেলতে হবে।

গদাইলস্করি চালে বাসা থেকে বের হয়ে হন্তদন্ত হয়ে যখন ছুটছি তখন ঘড়িতে ৯টা ছুঁইছুঁই। পায়ে হেঁটে যতটা দ্রুত যাওয়া সম্ভব, হনহনিয়ে হেঁটে ঠিক ততটুকু দ্রুতই মাঝের পথ অতিক্রম করছি, সেকেন্ডের কাঁটা এগিয়ে যাচ্ছে, ঘড়িতে দেখলাম ৯টা বেজে ৩ মিনিট, গেটের সামনে এসে দাঁড়িয়ে গতকালের পোশাকী পুলিশকে খুঁজি, তিনি আমাকে দেখে মাথা নেড়ে জানালেন আমি চলে যেতে পারি। তারপরও যখন পৌঁছালাম তখন ৯টা ৫।

কইলজার ভিতর গাত্থি রাইখুম তোঁয়ারে

ইদানীংএর কোনো এক নাটকে কাকে যেন গুন গুন করে একটা গান গাইতে শুনেছিলাম। তাও এক লাইন মাত্র। সেই একলাইনই গেঁথে গিয়েছিলো মনের ভেতর। একেকটা গান একবার শোনা শুরু হলে সেইটা শুনতে শুনতে ছিবড়ে না হওয়া পর্যন্ত ছাড়ি না। ওইদিন ব্লগার নাম নাইএর গান পোস্ট দেখে আফসুস হইলো। আমারো খুবই গান পোস্ট দিতে ইচ্ছা করে, কিন্তু পারি না। এই গানটা সালমা'র গলায় খেলছেও ভালো,
সিনার লগে বাঁধি রাইখুম
কি নিয়ে আলাপ করি সেটা বুঝতে পারছি না। নাটকের কথা বলা যায়। বাংলা টিভি নাটকগুলো বেশ ভালো হচ্ছে। আমার কখনো নায়িকাদের প্রতি স্থায়ী ভালবাসা জন্মায় না। কারণ স্থায়ীত্ব দেখা দিলে বার বার প্রিয় নায়িকা চেঞ্জ করা সমস্যা। এটা শুধু নাটকে না, মুভির ক্ষেত্রেও।

নেপাল শিক্ষা ভ্রমণ:বিষ্ণু দি, মাদারস গ্রুপ এবং নেপালী নারীবাদী প্রতিরোধের উপাখ্যান

IMG_0748.jpg
বিষ্ণু দি‘র সাথে দেখা করার লোভটা তৈরি হয় কাঠমান্ডু পৌছাবার পরই। নানা আলোচনা-গল্পে একই নামের পুনপৌনিক উচ্চারণ দেখে ভেতরে ভেতরে সে আগ্রহ দানাবাঁধতে থাকে। ডালপালা গজাতে থাকে আরও দ্রুত গতিতে। ভিনে ও শ্বেতা আপার কাছে আগেই শুনেছি যে, বিষ্ণু দি পোখারায় থাকেন। নেপালকে হিমালয় কন্যা বলা হলে পোখারা সম্ভবত সে হিমালয় কন্যার হৃদয়-প্রাণ। যেন প্রকৃতি অকৃপনভাবে ঢেলে দিয়েছে তার সমস্ত সৌন্দর্য। কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৭-৮ ঘন্টার বাসযাত্রা দুরত্বের পর্যটন শহর পোখারা যাবার পথে আঁকাবাঁকা, উচু-নিচু পাহাড়ী শ্যমলিমা আর দূর হিমালয়ের দুধশুভ্রু আভা থেকে বিচ্ছুরিত সৌন্দর্য উপভোগ এর সাথে একটি বাড়তি আনন্দ হিসেবে যুক্ত হয় বিষ্ণু দির সাথে সাক্ষাতের সম্ভাবনা।

বান্দর খেলা ও ফার্স্ট বয়দের গল্প

আশি নব্বই এর দশক বা আরও আগে যাবার দরকার নাই, এখনও বাংলার অনেক বিদ্যালয় আছে যেখানে ক্লাশের পড়া আদায় শেষে যারা পড়া বুঝিয়ে দিতে আপারোগ থাকে তাদের কান মলে দিতে একেবারে প্রথম দিক থেকে মেধাবী ২/৩ জনের ডাক পড়ে মাষ্টামশাই এর কাছ থেকে।। ঐ বয়সে ঐ ডাক যে কি সম্মানের আর কর্ম সম্পাদন যে কি নায়কোচিত তা কেবল কম মানুষই আনুধাবন করতে পারবেন। এ সুযোগের অভাব জনিত কারণে ক্লাশের বাকী সব ছেলেই ঐ ২/৩ বীর শিশু পুরুষকে হিংসা করে আর ভেতরে ভেতরে তাদের মতো হবার , তাদের বন্ধুত্ব পাবার জন্য চেষ্টা করে। এমন শৈশবের হিরোরা কেবল তাদের মেধা, ক্ষীপ্রতা,যোগ্যতা, দক্ষতা থাকার কারণে হারিয়ে যায়, দেশে তাদের যা অবস্থা হয় তা বলে বুঝানোর না, ঠিক ঝরে যাওয়া একটা পাতা ক্লোরোফিল উজাড় করে ঝরে পড়ে গেলে যেমন তার মূল্য থাকে না ঠিক তেমন।

কারখানা...(এক)

এক.

প্যাট্রিক ইয়োহানসনের গল্প - যা আছে সব খেয়ে ফেলে

ব্যাপারটা শুরু হয়েছিল হট-ডগ খাবার এক স্থানীয় প্রতিযোগিতা থেকে। লু ভারবেইন সেখানে প্রথম হয়ে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হয়। প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় সে দ্বিতীয় হলেও প্রথম স্থান অধিকারীর পেট খারাপ হলে লু-কেই জাতীয় প্রতিযোগিতায় পাঠানো হয়। সেখানে এক খ্যাংড়া-কাঠি জাপানী মেয়ে প্রথম হয়, আর লু অনেক পেছনে থেকে তৃতীয়।

এমন ফলাফলে লু মোটেও ঘাবড়ালো না। সে কঠোর ট্রেনিং নেবার সিদ্ধান্ত নিলো। সে শহরের সব হট-ডগ খেয়ে ফেল্‌লো। এরপর প্রদেশের সব হট-ডগ, এমনকি সে গোটা মহাদেশের মাংস দিয়ে বানানো খাবারের ঘাটতিও সে তৈরি করে ফেল্‌লো।

লু খেয়েই চল্‌লো। হ্যামবার্গার, পাই, বিস্কুট - যা কিছু তার পেটে ধরে স-অ-ব। আর সে বেলুনের মতো ফুলতে লাগলো, আগাছার মতো বাড়তে থাকলো। ব্যাপারটা দেখতে স্যুররিয়ালিস্টিক হয়ে গেলো।

বিবিধ নিজস্ব হাবিজাবি...

-
ইদানিং, কেন জানিনা, সব কিছু থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি। সময় বয়ে যাচ্ছে, আমিও বয়ে যাচ্ছি সময়ের সাথে। যেন যেতে হয় বলেই।
-
সিগারেট জ্বালাই অভ্যেসে। কিছুক্ষণ পর আর স্বাদ পাইনা, ছুঁড়ে ফেলে দেই।
-
অফিসের ছাদে উঠলে কিনারে গিয়ে দাঁড়াই। নীচে তাকালে পেটের ভেতর শিরশির করে। হাঁটুর পেছনের শিরশিরে অনুভূতিটা মেরুদন্ড বেয়ে উঠে আসে। উচ্চতা ভীতি আমার সারাজীবনই। তবু, চাদের কিনারে দাঁড়িয়ে কেমন বিচিত্র আনন্দ পাই। নীচে রাস্তাতে লাফিয়ে পড়তে ইচ্ছে হয়। পারিনা। হয়তো দায়িত্ববোধ বেশী, নয়তো সাহস হয় না। বিল্ডিং ফুঁড়ে বেরিয়ে আসা রড এক হাতে ধরে মাথাটাকে বের করে দেই ছাদের সীমানার বাইরে। হয়তো আশা করি একদিন মাথা ঘুরে পড়ে যাবো। পেটের ভেতরের, হাঁটুর পেছনের শিরশিরানি উপভোগ করি।
-

কম্পিউটারাইজড জ্যোতিষিদর্শন এবং আমাদের “সোল-হিলিং”

কম্পিউটারাইজড জ্যোতিষি দর্শনের শানে নুজুল দেখার জন্য মৌসুমের ব্লগটি দেখুন।

দিনের অভিজ্ঞতা

সকাল ৮:১৫ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান(প্রাক্তন ভাসানি) নভোথিয়েটারের গেটে দাঁড়িয়ে আছি,
সাড়ে ৮টায় মহাকাশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মহাকাশ শিক্ষার উপযোগিতা নামের একটা সেমিনার শুরু হওয়ার কথা, দুর্ভাগ্য কিংবা সৌভাগ্যক্রমে আমারও সেখানে অংশগ্রহন করবার কথা। গেটের সামনে শীতের রোদ্দুর উপভোগ করছে কয়েকজন পুলিশ এবং কয়েকজন মানুষ, যাদের কাউকে দেখেই মনে হচ্ছে না এরা সেমিনার উপলক্ষে এখানে এসেছেন।
ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছি, উদ্যোক্তা বাংলাদেশ এস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি, উদ্যোক্তাদের কাউকেই দেখছি না, অবশ্য আমি উদ্যোক্তাদের কাউকেই চিনি না। আমার ধারণা ছিলো এরা সবাই বছরের প্রথম সূর্যোদয় দেখতে দেশের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে উপস্থিত হয় বিশাল কাফেলা নিয়ে।

এ জার্নি বাই বাস ফ্রম মহাখালি

নামটাই যার খালি, তায় সেইটা যদি হয় আবার “মহা”, তাহলে অবস্থা কিরকম হবে সেটা তো সহজেই অনুমেয়! না পাওয়া যায় বাস, না আসতে চায় কোন সি.এন.জি.। গরীবের সি.এন.জি রিকসা ছিলো শেষ ভরসা, বিদ্যুতবিভাগের ঔদার্য্যে রাস্তাভাঙ্গার অযুহাত, ভাড়া আকাশ ছোঁয়া। মানুষ পয়সা খরচ করে সিনেমা দেখতে যায় “আকাশছোঁয়া ভালোবাসা”, আর আমরা ভাড়ার ঊর্ধমুখিতায় উত্তপ্ত রিকসাচালকের কাছে পাত্তাই পাই না নিয়মিত ভাড়ার কথা বলে! ঝাড়ি খেয়ে মুখ উদাস করে ইতি- উতি তাকাই পাশে দাঁড়ানো কোন তরুণী দেখে ফেললো না তো আমার দৈন্যদশা! আমাদেরও অবশ্য সেরকম মাহেন্দ্রক্ষণ আসে, যখন কোন তরুণীকেও কোন এক রিকসাচালক মুখের উপর না করে দেয়। আমরা আড়ে-ঠাড়ে তাকাই আর আরেকদিকে মুখ ঘুরিয়ে মুচকি হাসি!

অহনার অজানা যাত্রা (এগারো)

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ