মেহেরজান বিতর্ক
যুদ্ধ যেকোনো অর্থেই অমানবিক, আক্রান্ত মানুষ এবং আগ্রাসী মানুষের ভেতরে আচরণগত পার্থক্য থাকবেই ধরে নিয়েও আগ্রাসী মানুষদের সবাই মানবিকতাবোধ রহিত এক দঙ্গল এমনটা অনুমাণ করে সে অনুমানের ভিত্তিতে জীবনযাপন কষ্টকর। তৃতীয় প্রজন্মে এসে আমাদের বিশ্লেষণাত্মক হয়ে উঠবার মতো পরিপক্কতা অর্জিত হয়েছে এমনটা আশা করা অনুচিত হবে না।
দি লাস্ট বেঞ্চার
ইস্কুল জিনিসটাকে আমি দুই চক্ষে দেখতে পারি না। না পারার যথেষ্ট কারণও আছে। জীবনে পয়লাবার যেদিন ইস্কুলে গেছিলাম খোদাতালা তার আগের দিন রাতে শয়তানি করে রেখেছিলেন। নতুন জামা জুতা পরিধান পূর্বক স্ব গর্বে যেইনা স্কুলের সীমানায় পদযুগল রাখলাম ওমনি কাদায় পিছলে ধপাস। এখনো মনে আছে চারিদিকে পোলাপানের সেই হাস্য কলরব। বহু চেষ্টা করেও সেদিন হৃদয়ের রুদ্ধ আবেগটাকে বেঁধে রাখতে পারিনি। নিজের অজান্তেই বেরিয়ে এসেছিল দু-ফোঁটা অশ্রু, সোজা বাংলায় যাকে বলে ভ্যাঁ করে কেঁদে ফেলেছিলাম। পরে স্কুলের আয়া উনাকে আমরা বুবু ডাকতাম আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে গেলেন। মেলা আদর টাদর করে ধুয়ে মুছে ক্লাসে পাঠালেন। সেই কবেকার কথা, চেহারাটা ভুলে গেছি অথচ মমতাটুকু আজও মনে আছে। এরপর প্রথম কয়েক দিন প্রথম বেঞ্চে বসে ভাল ছাত্র সাজার প্রাণান্ত চেষ্টা চালালাম। দুই দিনের বুঝে গেলাম ইহা আমার দ্বারা হবে না। পড়া আমার মাথায় কিছুতেই ঢুকে না, যদিও বা কো
এই মন তোমাকে দিলাম : একটি পারিবারিক মিউজিক্যাল ড্রামা

বন্ধু বেঈমান ছবির ব্যাপক সাফল্যের পর দাদাভাই কথাচিত্রের পরিবেশনা এই মন তোমাকে দিলাম। আধুনিক সময়ের একজোড়া তরুন তরুনীর ভালোবাসা ও উচ্ছাস এই ছবির বিষয়বস্তু। নায়ক নায়িকার প্রানবন্ত নাচ গানের সাথে এই ছবির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নৃত্যপটিয়সী অভিনেত্রী তাতিয়ানার জমজমাট নৃত্য।
শিশু শিল্পী মাস্টার ঋহানের অসাধারণ অভিনয় নিশ্চিত ভাবেই দর্শকদের মনিকোঠায় ঠাঁই করে নিবে। এছাড়াও শক্তিমান অভিনেতা শ. হো. মাসুম ও ইয়াজিদ হোসেন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে তাদের দক্ষতার প্রমান রেখেছেন।
ভিডিও পাইরেসি রোধ করুন। ভাল ছবি, পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেখার ছবি এই মন তোমাকে দিলাম প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে উপভোগ করুন।
চায়ের আড্ডা.....
আজকের বিকেলটা আমার জন্য একটু অন্যরকম ছিল।আসলে বিকেল থেকে সন্ধ্যা।আমরা বন্ধু'র কয়েকজন বিশিষ্ট বন্ধুর সাথে আজ মুখোমুখী পরিচয় হইল
।ভাবতেই ভাল্লাগতেসে।বাসা থেকে বের হলাম ৪ টায়।১৫-২০ মিনিটের পথ,কিন্তু ১ ঘন্টা লেগে গেল যানজটের কারণে।আমি পৌঁছে দেখলাম আমি সবার শেষে।যাই হোক সবাইরে একটা সালাম দিয়া কইলাম (সালাম দিসি কিনা মনে নাই
) আমি রুমিয়া।বাকিরাও পরিচয় দিলেন।যদিও সবাইরে চেনা যাইতেসিল
এরপর চা (চা টা আসলে কি সেইটা সাঈদ ভাই বলবে
) খেতে ঢুকলাম সবাই।সাঈদ ভাই,নীড়দা,নুশেরাপু,সিরাজী ভাই,মুকুল ভাই সবাইরে খুউবই ভাল্লাগসে।সাঈদ ভাই দেখতে যেমন লম্বা,ভালর দিক থেকেও সেইরকম লম্বা।মাসাল্লাহ।উনারে দেখলে মনে হয়না উনি এত মজা করতে পারে
।সাঈদ ভাইরে অনেক আপ্যায়ন করা হইসে।উনার কাছে ছবি আছে।পোস্টাইলে দেইখেন সবাই
।নুশেরা আপুর পাংখা হই গেসি আমি
আপু দেখতে যেমন সুন্দর,হাস
প্রেম ......... ঢাকা স্টাইল (শেষ পর্ব)
এ ঘটনার কিছুদিন পর এক ছুটির দিনে বেশ ভোরে কঙ্কার ঘুম ভেঙে গেলো। সারা বাড়ির সবাই তখন ঘুমে বিভোর, ছুটির দিনের আয়েশী ঘুম। ক্লাশের পড়াশোনার চাপে আজকাল আর গল্পের বই পড়ার সময়ই পায় না কঙ্কা। ভাবল ঘুম যখন ভেঙ্গেই গেলো শুয়ে না থেকে যাই একটু বই পড়ি। যেই ভাবা সেই কাজ, উঠে কঙ্কা হাত মুখে ধুয়ে চায়ের মগ নিয়ে বই হাতে বসার ঘরে যাচ্ছিল। দরজা জানালা খোলা দেখে আর রান্না ঘরের টুকটাক মৃদু শব্দে কঙ্কা বুঝতে পারল মা একবার উঠে ওদেরকে ডেকে দিয়ে গিয়ে আবার শুয়েছে। খুব সন্তর্পনে কঙ্কা যাচ্ছিল যাতে কারো ঘুম না ভেঙ্গে যায়। বসার ঘরে ঢুকতে ঢুকতেই হঠাৎ অকারণে বারান্দার দিকে চোখ গেলো তার। তার ই.এস.পি বলছিল কিছু একটা ঘটছে ওদিকে। এগিয়ে যেয়ে দেখতে পেলো রাজমিস্ত্রী মজনু হাতে পাইপ নিয়ে দুলে দুলে ছাদের উপর ডাই করে রাখা ইট ভিজাচ্ছে, এমন ভঙ্গিতে ইট ভিজাচ্ছে দেখে জীবন বীমার এ্যাড এর কথা মনে পড়ে গেলো কঙ্কার। জীবন বীমার এ্যাডে যেমন
কারখানা...(দুই)
রুনার জন্মদিন ঠিক কয় তারিখে তা নিয়ে গতো তিন বছর ধরেই সাদ কনফিউশনে থাকে। তবে শেষ মুহুর্তে হয়তো ঠিকঠাক তারিখেই কোনো একটা কিছু সে অ্যারেঞ্জ করেছে। কিন্তু জন্মদিনের তিন মাস আগ থেকেই তার মাথায় খেলতে থাকে ১১ মার্চ নাকি ১৩?
আমার নামটাও ভুলে যাই
আজকাল কেনো যেনো হয়, বড্ড মতিভ্রম
নিজেকেও আর বিশ্বাস হয়না আমার
কিংবা মনে হয়না কোনো জ্বলজ্যান্ত মানুষ;
কী আশ্চর্য, আমার অনিন্দ্য-সুন্দর নামটাও ভুলে যাই
এমনকি ভুলি চৌদ্দপুরুষেরও সুণাম
হঠাৎ হয়ে যাই যখন জাতি-ধর্মবিমুখ এক ভাষাহীন!
আমার বিবেকের সকল তন্ত্রী ছিঁড়ে যায়--
হৃদয়কন্দরে বাজে নিষিদ্ধসুর
আয়নায় দাঁড়ালেই দেখি নিজেকে দাঁতাল
হায়েনার মতোন হয়ে গেছি ভীষণ ভয়ংকর জীব?
তখন আমি খুবলে খুবলে খাই কোমল শরীর
বিষাক্ত লালায় ঝলসে যায় কতো নন্দিত মুখ।
কেটে গেলে ভ্রম, খোলে বিবেকের দ্বার---
হায় আমি কি মানুষ, কেনো এমন হয়ে যাই!!
'আমরা বন্ধু'র কিছু বাস্তব সমস্যা?
আমরা বন্ধু টিমকে শুভেচ্ছা জানাই অনাকাংখিত দীর্ঘ সময়ক্ষেপণসত্বেও আজ আমার নিবন্ধন জটিলতা দূর করার জন্য। ।। এরপর আমি একজন লেখক হিসেবে মূল লেখা শুরুর আগে ''আমরাবন্ধু''র কিছু বাস্তব সমস্যা'' সম্পর্কে মনোযোগ আকর্ষণ করছি, আমার সাথে অন্য ব্লগার ভাইরাও হয়তো একমত হবেন।। ।
১। '''আমরাবন্ধু''র ডিফল্ট ফন্ট সেটিং এত ক্ষুদ্র যে লেখাগুলো পড়তে কষ্ট হয়, বিশেষত সবুজ লেখা বেশ অস্পষ্ট, যা পীড়াদায়ক।।।
২। ব্লগ লেখার সময় বা মন্তব্যের সময়ও ডিফল্ট সেটিং পড়া যায় না। এ লেখাটির সময়ও এত ক্ষুদ্র ফন্ট ''ক্যাটাগরি''র অপশন খুজতে বেগ পেতে হয়েছে (এত ক্ষুদ্র ফন্ট পড়তে গিয়ে)
৩। মন্তব্য বা জবাব দিতে গিয়ে ভুল হলেও এখানে সংশোধনের অপশন নেই অন্যব্লগের মত, তা-ও থাকা দরকার।।
বিদ্যুৎ ও বাংলাদেশ- ৩
পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্ত, পুঁজি হারানো মানুষের আর্তনাদ,পৌর নির্বাচনের প্রাক পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের সাময়িক ব্যবস্থাপন টুল গুলো এতো বেশি ব্যস্ত হয়ে যাবে যে সরকারের দীর্ঘ মেয়াদি কাজ গুলোতে গুরুত্ব কিছুটা কমতির দিকে থাকবে এবং কাক্ষিত লক্ষ্য মাত্রার যাত্রা পথ দীর্ঘায়িত হয়ে অসীমে মিলাবে । সাময়িক ভাবে আসতে থাকা বিষয়গুলো স্থায়ী হবে , হতে বাধ্য কারণ রাজনীতির মাঠে ওয়াক ওভার মানে বিশাল ক্ষতি। সরকারের বাইরে থাকা রাজনৈতিক শক্তিগুলো কেবল মাত্র নিজেদের লাভের করণে জনতার স্বার্থ না ভেবেই বিভ্রান্তির জালে জড়িয়ে পরিস্থিতি অন্য দিকে নিয়ে যাবার চেষ্টা করবে আর তার অনেকটা জুড়ে থাকবে ভারতের সাথে বাংলাদেশের প্রাপ্তি সংক্রান্ত অপ্রকৃ্ত বিশ্লেষন।সরকারের দু আড়াই বছর শেষে রাজপথের মিছিল আর প্রতিপক্ষ সামলানোই হয়ে পড়ে সরকারের একমাত্র কাজ । এমন সব কারণ সমূহে বিদ্যুতের জন্য সরকারের দৈনন্দিন কাজ কর্ম, চিন্
শেয়ারবাজার: দায় সরকারেরই
দেশের শেয়ারবাজার যে পর্যায়ে গিয়েছিল, তাতে পতন অনিবার্য ছিল। প্রশ্ন ছিল, পতন কখন হবে এবং কী গতিতে হবে। শেষ পর্যন্ত পতন ঘটল। তবে ধারণার আগে এবং অনেক দ্রুতগতিতেই সেটি হয়েছে। যত দ্রুতগতিতে বাজার বেড়েছিল, তার তুলনায় অনেক কম সময়ে বাজারের পতন ঘটল।
বাজার এখন ক্রেতাশূন্য বলা যায়। রাতারাতি লাখপতি হওয়ার জন্য যাঁরা বাজারে ছুটে এসেছিলেন, তাঁরা এখন যেকোনোভাবে বাজার থেকে বেরিয়ে যেতে মরিয়া হয়ে পড়েছেন। আর এ কারণেই কিছুতেই পতন ঠেকানো যাচ্ছে না। সবাই এখন শেয়ার বিক্রি করার দীর্ঘ সারিতে।
আমার প্রিয় বন্ধুরা।
জীবন চলার পথে অনেক বন্ধুর সাথে পরিচয় হয়। কেহ থাকে কেহ হারিয়ে যায়। জীবন যেখানে যেমন। জীবন শুধু জানে সামনে এগিয়ে যেতে। শেষ কি হয় কে জানে! আজ আমি আমার তেমন ছয় বন্ধুর কথা শুনাবো। এদের কথা আমি ভুলি কি করে।
এ কঃ

(ছবি তোলার কথা বলা হয় নাই, কিছুদিন আগে একশীতের সকালে এভাবে ফিরছিলাম)
গল্প: কিউব রুট ২৭
ক্যন্টনমেন্ট কলেজ হিসেবে যতই ভালো হোক, এখানকার কিছু টিচার যে নিতান্ত খাটাশ; সেটা একবাক্যে স্বীকার করবে যেকোন কালের, যেকোন ব্যচের তাবত স্টুডেন্ট। এমনকি স্টুডেন্টরা শুধু নয়, ক্যন্টিনের মামা বা দারোয়ান চাচা বা মালিচাচা বা আর যারা স্টাফ আছে সবাই তাই করবে।
এর কারণ আছে। এ কলেজের অধিকাংশ টিচার সরাসরি কেম ফ্রম আর্মি কিংবা আর্মি ফ্যমিলি। মানসিকতাটাই তাই ভিন্নরকম। তবে নিয়ম-শৃংখলা শিক্ষার কথা যদি বলা হয়, ক্যন্ট. পাবলিকের উপরে আর কিছু নাই।
আবার নিয়ম-শৃংখলা আসলে কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ এ নিয়ে তর্ক করতে গেলেও বিপদ, আমার মতো বাউন্ডুলেরা আজীবন নিয়ম-শৃংখলার বাইরেই রয়ে গেল। কই তাও তো একদিনের জন্যও পৃথিবীটা একমূহুর্ত থমকালো না।
পোলিশ ডিভোর্স!!
পোলিশ একলোক আমেরিকা যাবার পর বিয়ে করলো এক আমেরিকান মেয়েকে। যদিও লোকটা ইংরেজীতে মোটেই ভালো না, কিন্তু তারা সুখেই ঘরসংসার করছিলো।
একদিন হন্তদন্ত হয়ে উকিলের কাছে হাজির হয়ে ভদ্রলোক যত সম্ভব দ্রুত তার ডিভোর্সের ব্যবস্থা করতে বললেন। উকিল জানালো পরিস্থিতি বিবেচনা করেই ডিভোর্স পাওয়া যেতে পারে, তাই কিছু প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইলেনঃ
- আপনার কি কোন গ্রাঊন্ড আছে?
- হ্যাঁ, এক একর জমি আর ছোট্ট একটা বাড়ি।
বিবিধ বই বিষয়ক হাবিজাবি...
এমনিতেই বেশ কিছুদিন ধরে স্মৃতিকাতরতা ঘণ মেঘের মত ভর করে আছে মনে। তার উপর গতকাল মীরের পোস্ট আর সেই পোস্টে নুশেরান্টির দেয়া দু’টো লিংক পুরোই প্রাচীন যুগের শ্রাবণ মাসের মত করে স্মৃতির বৃষ্টি নামিয়ে দিলো। দুজনকেই তীব্র মাইনাস দিয়ে এই পোস্টের শুরু করলাম।
প্রেম ......... ঢাকা স্টাইল (১)
কঙ্কাদের বাড়িতে আজ দারুন হৈচৈ চলছে, ‘সীমা’ পালিয়েছে। এতোদিন ধরে চোখে চোখে রেখেও কোন লাভ হলো না কঙ্কার মায়ের। পাখি শেষ পর্যন্ত ফুড়ুত করে উড়েই গেলো। এখন কি করে তাই নিয়ে সবাই দিশেহারা। ‘সীমা’ কঙ্কার মায়ের বাপের বাড়ির দেশ থেকে আনা লোক। সীমার বাবা মা ভাই বোন যাকে বলে সীমাদের পরিবারের সবাই কোন না কোন ভাবে কঙ্কার মায়ের বাপের বাড়ির কারো না কারো কাছে আছে। অনেক দিনের সম্পর্ক তাদের সাথে তাই ব্যাপারটাকে অবহেলা করার জোও নেই কঙ্কাদের পরিবারের, এক গ্রামের লোক, হোক গরীব কিন্তু এক গ্রামেরতো। গ্রামে যদি কথা রটে কঙ্কাদের বাসায় থেকে সীমার সর্বনাশ হয়েছে তাহলে আর গ্রামে মুখ দেখানো যাবে না, সবাই ছি ছি করবে। গ্রামেতো আর শত্রুর অভাব নেই তাছাড়া ভবিষ্যতে আবার লোকের দরকার হলে কথাটা বারবার উঠবে। আজকাল গার্মেন্টস আর গ্রামীন ব্যাংক হয়েতো পোয়া বারো। হয় বাড়ি বসে বসে হাস মুরগী পালবে নয় ঢাকা এসে চাকুরী করবে কিন্তু ঝিগিরি আজ