অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১১ জন অতিথি অনলাইন

হোয়াইট রিবন নামক ম্যুভির রিভিউয়েরএকটা প্রচেষ্টা...গল্প কিম্বা চরিত্র কিচ্ছু নাই

জীবন অস্থিরতায় আছে...অনেক অপশন বা চয়েস নিয়া দোটানায় আছি কিন্তু এতো অপরচ্যুনিটি আসলে বিপদে ফেলে। কোনটা ছাইড়া কোনটায় মনোনিবেশ করতে হইবো এই কনফিউশন অনেক যন্ত্রণার। এই অস্থিরতায় আত্মতৃপ্তি থাকে, কিন্তু তাতে কোনো গন্তব্য নির্দিষ্ট করা যায় না। চরম স্বাধীনতার এই ডিলেমা আসলেই প্রব্লেমেটিক। প্যাশনের সাথে ভীষণ রকমের কনফ্লিক্টিং। অথচ প্যাশনের সাথে কনফ্লিক্ট নিজেরে অনেক অপরাধী করে,,,ঠিক অপরাধী না অনুশোচনা তৈরী করে। স্বাভাবিক সময়ে রুটি রুজি এই লেইম এক্সকিউজ থেইকা বাইর হইয়া আসনের লেইগা যূক্তির অবকাশ তৈরী কইরা দ্যায়...কিন্তু আজকে কিছুটা ফ্রাস্টেটেড আছি হানেকের হোয়াইট রিবন দেখনে পর থেইকা।

একটা ছবি আসলে সাধারণ ঘটনাগুলিরে, মানে যেইসবরে আমরা সভ্যতার বিকাশের সাথে স্বাভাবিক ভাবতে শুরু করছি তার ডি-কিম্বা রিকন্সট্রাকশন নিয়া ভাবায় তার প্রভাব ফেলে আমার চলচ্চিত্র ভাবনায়। কেবল চলচ্চিত্র ভাবনায় না প্রতিদিনকার জীবন যাপনেও তারা অনেক বড় বিষয় নিয়া আবির্ভূত হয়। একটা শহরে অনেক কিছু ঘটে নৈতিক অনৈতিক সম্পর্ক সেইখানে বেশ স্বাভাবিক পাশ্চাত্যের আল্ট্রা স্বাধীনতাও সেইখানে থামাইতে পারে না রহস্য কিম্বা টেনশন। আমাগো মতোন কনজারভেটিভ শহরের প্রেক্ষাপটে তাই প্রাসঙ্গিক হইয়া হইয়া উঠে এই গল্প। হানেকের মাস্টারীটা হইলো এইসব মিস্ট্রিরে সে রিভিল করনের চেষ্টায় যাইতে চায় নাই আদৌ। সে কেবল মানুষের সম্পর্কের ধরণ আর দায় নেয়া আর অনেয়ার গল্প বইলা যায়।

ক্ষমতার যেই বহিপ্রকাশ আমরা দেখি তারেক জিয়া কিম্বা নানকের কূটকৌশলে এই ছবিতেও তার সম্ভাবনা টের পাওয়া যায়...কিন্তু হানেকে তার ৭০ বছর বয়সেও পোস্ট মডার্ অ্যাটিটউডারে আত্মস্থ করেছেন তার নিজস্ব মতাদদর্শিক অবস্থান থেইকা। একটা থ্রিলার গল্প তার বলার ধরনে তাই হইয়া উঠে মানুষের বিহেইভিয়ারাল এক্সপ্রেশনের গল্প, ভালোবাসার আর তার প্যাশনের ইতিবৃত্ত। (পাম ডি অরতো সাধে পায় নাই)।

খালেদা, পর্ণো, মদ এবং বিটিভির খবর !

রাজনীতিবিদগো এইসব অপরাজনীতি দেইখা , আমরা যারা তথাকথিত রাজনীতিরে ঘৃণা করি, তাগো বিয়াপক আমোদ হয় ! আমোদ হয় কারণ, রাজনৈতিক দলগুলার অন্ধ অনুরক্ত ভক্তগো লাইগা,- রাজনীতিবিদরা নিত্য নতুন সবক রাখেন, এইসব দেইখা ভক্ত অনুরক্তরা অশেষ এলেম হাসিল করতে সমর্থ হয় !

সেইসব ভক্ত অনুরক্তরা , যারা মাঠে-ময়দানে, পথে -প্রান্তে এমনকি অন্তঃর্জালে অন্তরজ্বালায়, বাকযুদ্ধ ছাপিয়ে কখনও সখনও 'বাঘযুদ্ধে' ঝাপিয়ে পড়েন ! কে কার চে' বড় বাঘ তা প্রমাণের জন্যই সে মল্লযুদ্ধ !

খালেদার বাড়ি তল্লাশি করতে গিয়া, কেচু খুঁড়তে পর্ণো ম্যাগাজিন আর মদের বোতল বাইরইয়া আসছে-- খবর বিটিভির !

বিটিভি আওয়ামীলীগারদের চে' বড় আওয়ামীলীগ-- কথাটা আওয়ামী নেতা ওবায়দুল কাদেরের , মাত্র ক'দিন আগেই যিনি কথাখানি ফরমাইছেন ।

তো বিটিভির এই খবর থেইকা রাজনৈতিক দলগুলার অন্ধ ভক্ত অনুরক্তরা এই এলেম হাসিল করলো যে, 'প্রতিহিংসার রাজনীতি , বাপ-বেটা, পোলাপাইন মিইলা এক সঙ্গে পর্ণো দেখার মতনই নোংরা ! তয়, সে নোংরা রাজনীতিও তাগোরে করতে অয় !

জীবিকা অথবা জীবন- ২

গতকালই কুমিল্লার কালাসোনা থেকে এসেছে মনু মিয়া। তার ইচ্ছে কাজ করে বেশ কিছু টাকা জমলে গ্রামে ফিরে গিয়ে বোন রহিমার বিয়ে দেবে। এখানকার কোনো একটি বেকারিতেই কর্মরত তার মামা যাদু সরকার। কিন্তু এখানে এলেই যে কাজ পাওয়া যাবে তার কোনো নিশ্চয়তা দিয়ে আসতে পারেনি তার মামা। এলাকায় কানাঘুষা শোনা যাচ্ছে যে, বিহারি মালিকরা নতুন করে কোনো বাঙালীকে কাজে নেবে না। পুরোনো যত বাঙালী কর্মচারি আছে তাদেরও আস্তে ধীরে বরখাস্ত করে দেবে।

গ্রামাঞ্চলে বলতে গেলে তেমন কাজকাম নেই। ধান পাকার আগে এখন আর কারো কাছে কাজও তেমন নেই। যদিও যাদু সরকার তাকে যাওয়ার জন্য কোনো সংবাদ পাঠায়নি, তবুও মনু মিয়া অনন্যোপায় হয়ে চলে এসেছে। মা আর বোনটির জন্য যে সামান্য কিছু চাল রেখে এসেছে তা বড় জোর দু সপ্তাহ চলবে। কিন্তু সে সময়কালের মাঝে তাকে যে করেই হোক টাকা-পয়সা নিয়ে ফিরে গিয়ে খাবারের ব্যবস্থা করে দিয়ে আসতে হবে।

মনু মিয়া বাস ভাড়ার অভাবে কাঠ বোঝাই একটি ট্রাকে করে ঢাকা শহরের ঠাটারী বাজার এলাকায় নামতে বাধ্য হয়ে, শেষপর্যন্ত হেঁটে হেঁটে এতটা পথ এসেছে। জামতলার ভাইয়া বেকারি খুঁজে পেতে তাকে জিজ্ঞেস করতে হয়েছে বেশ কজনকে। কিন্তু লোকজনের কথামত বেকারির সামনে এসে যাদু সরকারের কথা জানতে চাইলে কেউ বলতে পারে না তেমন। মনেমনে খানিকটা দমে গেলেও সে সাহস করে বেকারির টিনের দরজায় বসে ঝিমুতে থাকা দ্বার রক্ষককে ভয়েভয়ে শুধায়, এই ব্যাহারিত যাদু মামু চারহি করে, একটা খবর দিতারবেন? আমি তার ভাইগ্না মনু মিয়া!

দ্বাররক্ষী হয়তো বিরক্ত হয় কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দ শুনে নিদ্রাছুট রক্তিম দৃষ্টি মেলে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে তাকিয়ে থাকে মনু মিয়ার প্রতি।

মনু মিয়া ফের দ্বিগুণ উৎসাহে বলতে আরম্ভ করলে তাকে শুনতে হয়, ইধার যাদু-উদু কই নেহি হ্যায়!

এ কোন জগতের ভাষা বলছে লোকটি? মনু মিয়া বিস্মিত হয়ে তাকায়। দেখতে তো মানুষের মতই সব কিছু। কিন্তু ভাষাটা এমন বিশ্রী কেন? এমন ভাষায় কি কেউ কথা বলে? তারা মানুষ নাকি মানুষের মতই দেখতে ভিন্ন কোনো প্রাণী? অবশ্য বানর দেখতেও অনেকটা মানুষের মতই। কিন্তু তার ভাষা চিঁচিঁ ধরনের। তবে মানুষের মতই এর কণ্ঠস্বর পরিষ্কার। ভাষাটাই কেবল দুর্বোধ্য!

এক বোকা নানার বোকামী -২

(দুই)
নানা তার ফেসবুকে ‘I am Areeb’ শিরোনামে একটি এ্যালবাম তৈরী করল । সেখানে আরীবের হয়ে নানা লিখল –“আমার নাম আরীব । এ নামটি রেখেছে আমার লিজি নানি । বাবা আমার নাম রেখেছে অদ্বয় । ১৯ জুলাই আমার বয়স দেড় বছর পূর্ণ হবে । মানুষের মত সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আমার আছে । আমি এখনও বসতে পারি না । হাটতে পারি না । আমার হাত দুটো দিয়ে আমি কিছু ধরতে পারি না । প্রয়োজনীয় অক্সিজেন বাতাস থেকে নিতে পারি না বলে সব সময় আমার শ্বাস কষ্ট । আমার মেরুদন্ড শক্ত হয়নি, তাই ঘাড় ও পিঠ সোজা রাখতে পারি না । খাবার প্রায়ই শ্বাসনালীতে চলে যায় বলে খেতে আমার কষ্ট হয় । পানিও খেতে পারিনা ঠিক মত । আমার ডান পায়ের পাতা কেমন যেন, আমি হয়তো হাটা শিখতে পারব না । আমি সব শব্দ শুনতে পাই, সকলের কথাও শুনি, কিন্তু আমি তো কথা বলতে পারিনা । আর জানো, আমি এত বড় হয়ে গেলাম, আলো কি তা বুঝতে পারলাম না । আমার দুটো সুন্দর চোখ আছে, তা আমার কোন কাজে লাগেনা । আমি কিছুই দেখতে পাইনা । তোমরাও কি সবাই আমার মত ? আমি যেমন তোমাদের দেখতে পাইনা, তেমনই তোমরাও কি আমাকে দেখতে পাওনা ? তা'হলে আমাকে তোমাদের মত করে দাও না কেন ? মানুষের অসাধ্য নাকি কিছুই নাই ! আমি তো কোন অন্যায় করিনি, তা'হলে আমাকে কেন এত কষ্ট পেতে হচ্ছে । বিধাতারও কি সাধ্য নাই আমাকে তোমাদের মত করে দেবার ? আমি তোমাদের দেখতে চাই. তোমাদের মত হতে চাই, আমি একটা সাধারণ ও স্বাভাবিক ছেলে হতে চাই । তোমরা কি আমার কথা শুনতে পাচ্ছো ?”

ফেসবুকে আরীবের আকুলতা ও আকাঙ্খা পড়ে অষ্ট্রেলিয়া থেকে নানার এক ভাগ্নীজামাই (ডাক্তার) ফোন করল ।আরীবের চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র মেইল করে পাঠালে কিছু করা যাবে বলে আশা দিল । খুলনার তৃষ্ঞা ও কৃষ্ঞা, যাদের কেউ কোথাও নাই, তাদের আধুনিক চিকিৎসা জুটল, অথচ আরীবকে এ পৃথিবীর অবহেলা সইতে হচ্ছে । তারা অস্ট্রেলিয়াতে উপভোগ করছে তাদের শৈশব, সেখানেই তারা মানুষ হবে । আরীবের জন্য এমন ব্যাবস্থাও করা যেতে পারে বলে সে জানালো । বোকা নানা আশায় বুক বাঁধে । সব ডকুমেন্টস পাঠায় তার ভাগ্নীজামাইয়ের কাছে । আর পাঠায় একটা মেইল --
“স্নেহভাজন স্বপন,

উৎসর্গ ও উদ্দেশ্য মেসবাহ য়াযাদ আর বিধেয় আমরা আমরাই

খোচাঁনিঃ যখন তখন ধুমধারাক্কা আড্ডা দিতে দিতে সেটা পিকনিকের রূপ নেয়া কোন ব্যাপারই না, কিন্তু আমরা সব্বাইরে নিয়ে পিকনিক করার পক্ষপাতী। গোপনের কাজকারবার নাই এবি’র, নাই কোন সূত্রধর ও! শুনছি, কানে কানে কথা বলে কাইন্যা আর তার বৌ!  Wink   তাই কোন কাইন্যার বৌয়ের থুক্কু গোপনীয় সুত্রের দোহাই দিয়ে কাজী’সাব যা বলিলেন তার ধিক্কার জানাই!  আমরা জ্বলুনি’ওলা পাব্লিক না তাই আমাদের ছোট্ট ছোট্ট মজার আড্ডাও বিশাল আনন্দময় হয়ে হজম হয়... 8)  আর কারো কারো বিশাল  ঘুরান্তিসের সুযোগ এলেও লোটা-কম্বল সম্বল হয়ে পড়ে!  Tongue

 মূলঃ মেসবাহভাই এককালের শ’দেড়েক মানুষ ভরা জাহাজ নিয়া হারিয়ে যাওয়া প্রতিথযশা গামছা গলায় দেয়া কাপ্তান! হুটহাট করেই কতো কতো পিকনিকের কার্য সম্পন্ন করে ফেলেন উনি। শুধু কি তাই, সারা পিকনিক মাতায়ে রাখতে উনি সিদ্ধহস্ত! সেই মেসবাহভাইকে গতক’দিন যাবত হন্যে হয়ে খুজঁছি আমরা। উনার ফেসবুকের পাতা ভরে আছে সেই খোজঁ দা সার্চ- এর প্রমানে।   Stare কিন্তু আমরা সিষ্টেম্যাটিক্যালি এগিয়ে যাই নাই, কারন উনারে ফেসবুকে মেসেজ দিলে সেটা মোবাইলে এসএমএস করে জানাইতে হয় এবং ফোন করে বলতে হয় ওটা দেখার জন্যে!   Shock   তো মেসবাহভাই, আপনি যেখানেই আছেন জলদি এই লেখাটা পড়েন আর ডিসেম্বরেই পিকনিকের জন্যে কি কি করা দরকার তার বুদ্ধি/ব্যবস্থা দেন। বাকীরা যে যেমনে পারেন মেসবাহভাই'কে জানান দেন। Cool

 শেষকথাঃ একটা দারুন সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন আনন্দময় পিকনিক করার জন্যে প্রয়োজন সবার একাত্নতা। তাই বন্ধুরা সব্বাই টাকা জমানি শুরু করেন। আমরা ডিসেম্বরের শেষদিকে পিকনিকে যাচ্ছি ইনশাল্লাহ। ভেন্যু যথাযথ সময়ে জানানো হবে। Party

ঘুরন্তিস ব্লগ; সুন্দরবন

গোপন সূত্রে খবর পাইলাম এবির আকাশে বাতাসে পিকনিকের গন্ধ ভাইস্যা বেড়াইতেছে। Cool তাই মনে হইল পাব্লিকেরে আরেকটু দিলজ্বলে করনের এইটাই উপযুক্ত সময়। Crazy সো যারা যারা জ্বলতে চান তারা নিজ দায়িত্বে জ্বলতে পারেন Steve
সুন্দরবনের পুরো ট্যুরটাই ছিল একটা ডাবল ইঞ্জিন জাহাজ দিয়ে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে প্রথম দিনই চরম অসুস্থ হয়ে পড়ি তাই আমার গন্ডিটাও সেই জাহাজের ডেকে-ই ছিল। বন্ধুরা যখন তুমুল বৃষ্টিতে বনে বাঁধন হারা হয়েছিল তখন আমি আমার কেবিনে বসে গায়ে মম্বল জড়িয়ে জানালা দিয়ে জলের সাথে পাতার কোলাহল শুনি। আর মাঝে মাঝে হাত বাড়িয়ে বৃষ্টির ফোঁটা ছুঁয়ে দিচ্ছিলাম আনমনে....

সে দিন শেষ বিকেলে বৃষ্টি বিধৌত বনে রঙধনু হেসেছিল
রংধনু

সুন্দরবনকে আঁকড়ে থাকা অসংখ্য নদীতে ওরা জীবিকা খোঁজে
জেলে

আমরা ডিঙ্গি নৌকায় করে একটা শাখা নদী দিয়ে বনের ভেতর দিকে চলে গিয়েছিলাম। মাঝে মাঝেই কিছু চিত্রা হরিণ বিরক্ত হয়ে আমাদের দিকে তাকাচ্ছিল। হঠাতই দেখি আমাদের ডিঙ্গির উপরে ঝুলে পড়া একটা কেওড়া গাছে মস্ত বড় এক অজগর সাপ আমাদের ঠিক মাথার উপর ঝুলছে। অজগরটা অন্য একটা নাম না জানা সাপ গিলছিল। আমি অজগরটা সবাইকে দেখাতেই সহযাত্রি কয়েকটা মেয়ে চিতকার করে নৌকো থেকে প্রায় পড়ে যাওয়ার উপক্রম করেছিল Crazy
অজগর

এইসব নাম না জানা নদী বেয়ে আমরা চলে গিয়েছি সাগরের টানে
নদী-১
নদী-১
নদী-২
নদী-২

বন যতই গভীর হচ্ছিল তীরের দিকে ততই গোলপাতার জঙ্গলের দেখা মিলছিল।
গোলপাতা-১
গোলপাতা মাঝেই মাঝেই নড়ে উঠছিল আর আমরা এক্সাইটেড হচ্ছিলাম ব্যাঘ্র মামা দেখার আশায় Day Dreaming (যদিও ব্যাগ্রমামা দেখেছিলাম আয়েসি ভঙ্গীতে নদী পাড় হচ্ছে কিন্তু হাতের কাছে কোন ক্যামেরা ছিল না Puzzled )

এক বোকা নানার বোকামী -১

এক নানা আর নানি সরকারি চাকরি হতে অবসর পাবার পরে স্বপ্ন দেখেছিল অনেক । নানা চাকরি সূত্রে চার-পাঁচটি দেশ দেখবার সুযোগ পেয়েছিল । তার ইচ্ছা ছিল অবসর জীবনে অন্ততঃ সে দেশগুলোতে স্ত্রীকে নিয়ে যাবে । আর্থিক অপ্রতুলতাহেতু তা সম্ভব না হওয়ায় দু’জনে সিদ্ধান্ত নিল, আগে নিজের দেশটা ঘুরে দেখতে হবে । দেশের সব অঞ্চল, বিখ্যাত সব ঐতিহাসিক স্থান, দর্শণীয় স্থাপনাসমূহ দেখার স্বপ্ন বাস্তবতার আলো দেখতে পাবার আগেই কেমন কেমন করে যেন সব স্বপ্ন হারিয়ে গেল ।

তাদের কন্যার কোল আলো করে মেয়ের পরে ছেলে এল । কি সুন্দর যে দেখতে ! নানা ও নানি নাতিকে দেখতে গেল, নাতির নাকে দেখল অক্সিজেনের টিউব লাগানো । সে টিউব লাগানো থাকলো তিন মাসেরও অধিককাল । মুখ দিয়ে খাবার খেতে পারেনা বলে টিউব ফিডিং-এর জন্য আরেকটা টিউব নাকে । হাসপাতাল থেকে বাসায় আনা হলো অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ । তার তাকানো এতই স্বাভাবিক যে, সে যে চোখে দেখেনা তা বুঝতে তাদের সময় লেগে গেল প্রায় চারমাস । নিয়ে গেল ডাক্তারের কাছে, “চোখে তো কোন অসুবিধা নেই” ডাক্তারের অভিমত । সিটি স্ক্যান দেখে ডাক্তার কোন মন্তব্যই করলেন না । কিছুই নাকি করার নাই । নয় মাস বয়সের সময় নিউমোনিয়ায় ধরলো তাকে । নানা তাকে নিয়ে দিনদশেক হাসপাতালে কাটালো । যে হাসপাতালে বা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়, সেখানেই শুনতে হয়. “বাচ্চার মা কোথায়?” শেষে অতিষ্ট হয়ে নানা নিজেকে ওর মা বলে দাবী করলো । বড় বড় চোখ করে প্রশ্নকর্তা অবাক হয়ে তাকায় তার দিকে । ‘পেটে ধরলেই মা হয়না, যে মায়ের মত বাচ্চাকে আগলে রাখতে পারে সেই-ই তো আসলে মা’ – বক্তব্য তাদের উদ্দেশ্যে ।

ঈদের উপহারে অবশেষে হরতাল পাইলাম

ব্রেকিং নিউজ দেখাচ্ছিল টিভি চ্যানলে গুলতে:

আগামী রবিবার সকাল সন্ধ্যা হরতাল - দেলোয়ার

ঈদের আর মাত্র ২ দিন বাকি... শহর ছাড়ছে লক্ষ লক্ষ মানুষ... প্রিয়জনদের উদ্দেশ্যে.... একত্রে পবিত্র ঈদুল আযহা উদ্‌যাপন। স্বাভাবিক ভাবেই যোগাযোগ ব্যবস্থা এই চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। প্রতিবারই তাই হয়... ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে। প্রয়োজনের চাইতে দ্বিগুণ সময় ব্যয় করেও ঘড়ে ফিরছে মানুষ। এর মধ্যেই বাজ পরার মত খবর "আগামী রবিবার হরতাল"।

মি: দেলোয়ার... আপনি কি কখনো ঈদের এই সময়ে খুলনা, বরিশাল, দিনাজপুর, রংপুর, রাজশাহী, সিলেট, চিটাগাং, কক্সবাজার গিয়েছেন? কি পরিমাণ দূর্ভোগ সহ্য করে মানুষগুলো ছুটে যাচ্ছে গ্রামের বাড়িতে ... আপনি কি বুঝেন মি: দেলোয়ার? দুষ্টজনেরা বলে আপনি নাকি সব সময় থাকেন নেশায় বুঁদ হয়ে থাকেন... সেটা আপনার ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু নেশাগ্রস্থ অবস্থায় দেশের জন্য আপনার কোন সিদ্ধান্তে আমার আপত্তি আছে মি: দেলোয়ার।

মি: দেলোয়ার... পারলে ঢাকা সেনানিবাসকে ঢাকার বাইরে পাঠান... ঢাকার যানজট নাই হয়ে যাবে। ঢাকার সকলে আপনাকে ঢাকার মেয়র বানিয়ে দেবে। আপনার সেই সাহস কি হবে মি: দেলোয়ার?

ঢাকা থেকে ঘরমুখো মানুষের স্রোত ছাড়াও ঢাকাতে আসছে কোরবানির জন্য পশুর চালান। শহরের সবটুকু যোগানই আসে ঢাকার বাইরে থেকে। এমন সময় এমন একটা হরতালের আহ্বান শহরবাসীকে বিপদে ফেলা ছাড়া আসলে আর কোন কাজে আসবেনা মি: দেলোয়ার।

এমন অপরিপক্ব রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত একটা দেশের বড় একটা রাজনৈতিক দলইবা কীভাবে নেয়? আপনারা না মানুষের জন্য রাজনীতি করেন? মানুষের সুখ দু:খ ... সুযোগ সুবিধা নিয়ে জীবনের সবটুকু সময় ব্যয় করেন? এই কি তার নিদর্শন? একজন নেত্রীর বাড়ির জন্য এভাবে কোটি কোটি মানুষের দুর্ভোগ ডেকে আনা কোন ধরনের জনসেবা? শেখ হাসিনাকেও তো আপনার গনভবন থেকে বের করে দিয়েছিলেন... তখন কি একবারও মাথায় আসে নাই যে ইট মারলে পাটকেল খেতে হবে? আমি শেখ হাসিনার গনভবন নেয়ার বিপক্ষে ছিলাম.. আমি আপনার নেত্রীর সেনানিবাসের বাসভবনে অবস্থানেও বিপক্ষে...

ছেলেবেলার কুরবানির ঈদ

“অতঃপর হযরত ঈব্রাহিম (আঃ) তার পুত্র ঈসমাইল কে কুরবানী করার প্রস্তুতি নিলেন। ছুরি শান দিয়ে পুত্রের চোখ বেঁধে দিলেন যাতে তার মায়াময় চোখ পিতৃস্নেহকে আবার জাগিয়ে না তুলে। ছুরি ঈসমাইলের গলায় দিতেই আল্লাহ বললেন হে ঈব্রাহিম থাম। তুমি পরীক্ষায় পাস করেছ। তাই ঈসমাইলের বদলে দুম্বা কুরবাণি হল। বুঝলি বাবারা। চুপ করে আছে!! আল হামদুলিল্লাহ বল বান্দরের দল”।

হ্যা এভাবেই আমাদের ক্লাস ফোরে পড়াতেন ফারুক হুজুর। আর আমরা আমাদের গলার সমস্ত শক্তি এক করে বলতাম আল হামদুলিল্লাহ। সত্যি আল হামদুলিল্লাহ। কুরবানীর ঈদের সময় আমার হৃদয় সবচেয়ে পুলকিত থাকে। আকৃতিগত কারণেই আমার খাওয়া দাওয়ার প্রতি মারাত্মক আগ্রহ। আমি তো এখন তাও লাইনে আসছি। এই ক্লাস নাইনেও রাতে স্বপ্নে দেখতাম চকোলেটের উপরে ভাসতেসি। সে এক মারাত্মক স্বপ্ন। আজ অনেক দিন পর আবার মৌসুম এসেছে কুরবানীর। মন তাই আমার যথারীতি পুলকিত এবং আশংকিত। পুলকিত আমার মা জানের হাতের রুটি মাংস ভুনা খাওয়ার আনন্দে আর আশংকিত এবার আমার ছোটবোন ফ্রী বলে। কারণ সে ফ্রী থাকলেই নানা কিছু রান্না করে এবং আমি হলাম তার নিয়মিত গিনিপিগ। আর খাবার যা সে রান্না করবে প্রতিবার খাওয়ার পর বলতে হবে-অসাধারন হইসে। এক্ষেত্রে আব্বুর স্টাইলটা ইউনিক। খেয়ে “অনেক ভাল। তবে তোমার মুল কাজ পড়াশোনা। এসব আর করার দরকার নাই। তবে রান্না ভাল হইসে”।

জীবন যেখানে যেমন - ১

আফা মালা নিবেন মালা?

জীবিকা অথবা জীবন-১

এদিকটায় সকাল হলেই নানা রকম বিচিত্র হাক-ডাক আর নানাবিধ খুটখাট-ধুমধাম শব্দের খই ফুটতে থাকে অবিরাম। পাশেই কয়েকটি ওয়ার্কসপ, দুটি লেদ-কারখানা আর একটি টিনের বালতি তৈরির কারখানা। বলতে গেলে এগুলোই এ এলাকার প্রাণ। লোকজনের জগতও এই কটি কর্মক্ষেত্রকে ঘিরেই। এখানকার যতগুলো ঘরবাড়ি আছে প্রতিটি ঘর থেকেই কেউ না কেউ এখানকার কোনো একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। আর এ কারণেই গাড়ির ওয়ার্কসপের কর্মচারি গলা বাড়িয়ে জিজ্ঞেস করতে পারে টিনের বালতির কারখানার জিয়াকে, তর বিটির জ্বরের কী অবস্থা? কিংবা লেদ মেশিনে কর্মরত হিমু পোদ্দার কাজের ফাঁকে কণ্ঠস্বর উঁচু করে গনি গ্যারেজ ঘরের টায়ারম্যান আলিমুদ্দিনকে বলে, উরে আলিম্যা, ছা খাইতায়নিরে বো?

যদিও জামতলা নামের এ জায়গাটিতে একটি জামগাছ তো দূরের কথা কোনো রকম গাছের অস্তিত্বই নেই। তবে খানিকটা দূরে মারোয়ারিদের ট্যানারির পেছনের খালের দুপাশে কিছু শিয়ালমূত্রা গাছের অস্তিত্ব চোখে পড়লেও তাদের শ্রেণীটা কখনোই গাছের আওতাভুক্ত হয় না। তাদের পরিচয় হয় ঝোপ-ঝাঁড় অথবা জঙলা। হলুদ অথবা লালচে হলুদ কখনো বা কমলা রঙের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ফুলে ছেয়ে যায় খালের দুপাশ। সৌন্দর্য বলতে অতটুকুই।

এলাকাটার প্রায় সবগুলো ঘরবাড়ি আর কারখানা গড়ে উঠেছে অবৈধভাবেই। কিন্তু যারা এখানে কাজ করছে তারা কেউ নিজেদের অবৈধ মনে করে না। তারা জানে, তাদের মালিক খুবই ভালো লোক। সামান্য ভাড়ার বিনিময়ে এখানে থাকতে দিয়েছে তাদের।

ছোটছোট এই প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন পাশাপাশি আর গা লাগালাগি, তেমনি মানুষগুলোও বেশ গলাগলি। যারা কথা বলার সময় নিজস্ব আঞ্চলিক ভাষা ছাড়া কথা বলতে চায় না। প্রত্যেকেই যার যার আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলছে। কিন্তু কারো কোনো কথা বুঝতে অসুবিধা হয় বলেও মনে হয় না। এখানে কোনো অশান্তি নেই বা কারো মাঝে অমিল নেই। আপাত দৃষ্টিতে এমনটাই মনে হওয়ার কথা। কিন্তু হঠাৎ করেই যেন এলাকার আবহাওয়া কেমন থমথমে হয়ে উঠলো। মনে হচ্ছিলো দূরের ট্যানারির বর্জপরিপূর্ণ প্রায় মরা খালটির পচা পানির দুর্গন্ধে আবহাওয়া ভারী হয়ে উঠবার ফলে শ্বাস নিতেও যেন কষ্ট হচ্ছে লোকগুলোর।

শরবত পান করবেন জনাব।

অনেক গরমে জীবনটা যখন বের হয়ে যাবার দশায় পড়ে যায় তুখন এক গ্লাস ঠান্ডা শরবত খেয়ে দেখতে পারেন। কেমন লাগে! পুরা শরীরে একটা ঠান্ডার পরশ ছুঁয়ে যাবে, মনে হবে আহ কি শান্তি! শরবতের কথা আমি ছোট বেলা থেকে জানি, আমি দেখেছি আমার বাবা যখন দুপুরে কোথায়ও থেকে আসতেন তখন আমার আম্মা আমার বাবাকে লেবুর শরবত বানিয়ে দিতেন, মাঝে মাঝে পাকা বেলের। এক চুমুকে বাবা পান করে নিতেন। তার পর বের হত বাবার মুখে কথার ফুলঝুরি! (আজকাল কোন স্ত্রী তার স্বামীকে শরবত বানিয়ে দেন কিনা আমার জানা নেই!)

এরপর কখনো আমরা দুপুরের দিকে স্কুল থেকে রোদ্দে পুড়ে ফিরলে আম্মা আমাদেরও শরবত বানিয়ে দিতেন - লেবু, কাঁচা আম, কামরাঙ্গা, তরমুজ আরো কত কি দিয়ে! আমরা ভাই বোন কেহ শরবত পছন্দ করতাম না। তবুও আম্মা বানিয়ে দিতেন। বলতেন খেয়ে দেখ, মনে শান্তি পাবি! বাবার মত আমরাও এক চুমুকে পান করে সতেজতা ফিরে পেতাম। দুপুরের দিকে আমাদের বাসায় কোন মেহমান আসলে, শরবত মাষ্ট। (আজকাল মেহমানদের শরবত দিলে মাইন্ড খেতে পারে!) শরবতের জন্য আমার আম্মাকে আমার এক চাচী বলতেন - শরবতের মাষ্টার। নানা প্রকারের শরবত বানাতে আম্মার জুড়ি মেলা ভার ছিল। তবে আম্মাকে আমি কখনো শরবত খেতে দেখি নাই!

শরবতটা আমাদের সমাজে/ পরিবারে খুব একটা আর টিকে নেই। তবে একটা জায়গায় এখনো আছে। বিয়ে বাড়ীর দরজায়! বিয়ে বাড়ীর দরজায় দুলামিয়াকে ফিতা দিয়ে আটকে দেয়া হয়। তারপর টাকা পয়সা নিয়ে ফয়সালা হলে ফিতা কাটার পর দুলামিয়াকে শরবত খেতে দেয়া হয়। তবে পরীক্ষার একটা ব্যবস্থা থাকে! এক গ্লাসে থাকে লবন দিয়ে আর অন্য গ্লাসে চিনি দিয়ে। দুলামিয়াকে রুমালের ফাঁকে সঠিক গ্লাস চিনে নিতে হয় (এই শরবতের কোয়ালিটি একে বারে জিরো, কোন মতে পানিতে গুলানো, দুলামিয়ার সাথে প্রথম ঠাট্টা হয় শ্বশুর বাড়ীতে!)।

সে যাই হোক, আপনাদের বলা ভাল আমার বিয়েতে এ রকম শরবত খেতে হয় নাই, আলহামদুল্লিলাহে। সুযোগ ছিল না। লম্বা কাহিনী, পরে বলব। মায়ের হাতের শরবতের পর এ দুনিয়াতে আর একজনের হাতের শরবত পান করার সুযোগ হয়েছে, দুই দফায় অনেকবার। প্রথম দফায় তার হাতের শরবত পান করেছিলাম ১৯৯১ সালে, আর ২য় দফায় ২০১০ সালে। আমি তার হাতের শরবতের ভক্ত হয়ে উঠেছি। তার বানানো শরবতের মাঝে যে কি যাদু আছে, না পান করলে বুঝা যাবে না। সেই ছোট বেলা থেকে শরবত বানিয়ে আসছেন, প্রায় ২৫ বছর! একই জায়গায়! একই ধরনের লেবুর শরবত!

পাঠচক্র ব্লগ:লরেন্স লিফশুলজ-এর এই লেখাটি পড়েছেন?

লেখাটা এখানে দেয়ার লোভ সামলানো গেল না। জরুরী এবং গুরুত্বপূর্ণ একটা লেখা। লেখাটা অনেক বড়। আগ্রহী পাঠকরা পুরোটাই পড়তে পারেন। তবে আমি গুরুত্বপূর্ণ চারটি অধ্যায় এখানে দিচ্ছি। ব্লগে এতো বড় লেখা হয়তো পুরো আসবে না। তাই বিশেষ বিশেষ অংশ এখানে দিলাম।

লেখাটার নাম বাংলাদেশ: প্রতিশ্রুতি, বিপদ ও আশা
লেখক লরেন্স লিফশুলজ।

১.

নির্বাসিতজনের আত্মকথা...

নির্বাসিত শরীর চলেছে পৃথিবীর পথে। নির্বাসনের পথেরা গন্তব্যহীন...যদিও অধিবাসীরা ঠিকি পৌছে যায় তাদের ঘর-গৃহস্থালিতে। বিকেলে আরাম করে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে ভাবে নিজস্ব এক টুকরো জমির কথা। নির্বাসিত আমার অধিকার নাই ভূমির ভূমিকায়।

তুমিও পেয়েছ খুঁজে একটা মেইল বক্স। আর আমার দরোজা পেরিয়ে খবরের কাগজটাও নিয়মিত এসে পৌছায় না প্রায়শঃ। সিঁড়ি বেয়ে যদি কোনদিন দুধওয়ালা কিম্বা মাছ বিক্রেতা এলে খাবার জুটে যায়...দুপুরটা নিশ্চিন্তে কাটে। তবে রাতে অন্ধকার ছাড়া আর কোনো খাবার থাকে না।

তোমার মেইল বক্সে আমি রোজ একটা করে চিঠি লিখে আসবো বলে ভাবি। কাগজ অথবা কলমের অভাব আমাকে অসহায় করে তোলে। মেইল বক্স খুলতেই তুমি একতাড়া মেইলে হাবুডুবু খেয়ে আবার বাড়িতেই ফিরে যাও। আমি তোমার মেইল আর তোমাকে চলে যেতে দেখি। আমাদের দূরত্ব বাড়ে। আমার জানালা থেকে তোমার দরোজা বেশ অনেকটা দূর...

আমি গরাদে মুষ্টিবদ্ধ হাত আর চিবুক রেখে নির্বাসনের জ্বালাটা টের পাই। টের পাই এইখানে নির্বাসিতজনেরা খুব সুখে থাকে না...

প্রিয় নারী,”শুভ জন্মদিন”

প্রিয় নারী,
আজ রাতে কিছুতেই নিজেকে অন্য কারো দৃষ্টিতে প্রশংসিত দেখতে ইচ্ছে করছে না। পৃথিবীর তাবত ভালোকে পাশ কাটিয়ে আমার আপন দুর্ভাগ্যের জন্য নিজেকেসহ অপরাপর অন্য নারীরা যারা আমার সাথে কোন না কোনভাবে যুক্ত তাদের দোষারোপ করার সাধ জাগছে।

ছদ্মবেশের প্রতিটা মুখোশ টেনে সরিয়ে আসল ’আমি’ কে নিয়ে যদি বাঁচতে পারতাম! বেদনার সব স্তর অতিক্রম করতে করতে আমি জানি তুমি আমার সব শান্তির উৎস। হায়! আমি তোমাকে হারিয়ে ফেলেছি ’দূরত্ব ’ নামক অদ্ভূত দেয়ালের আড়ালে। সময়ের ফেরে আমি হাবুডুবু, স্পর্শহীনতায় আমার নাক পর্যন্ত বিষাদ। আমাদের আর একে অন্যের ঝুরকো রূপোলী চুল নিয়ে হাসা হয় না। তুমি হয়তো আজকাল বানরটুপিতে সবটা ঢাকো!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা