ইউজার লগইন
ব্লগ
আরশোলা জন্ম
অবিন্যস্ত শরীর খুঁজে নেয় কবর অন্ধকারে ঠাঁই
নড়ে চড়ে কেঁপে উঠে
তৃষ্ণায় দগ্ধিত দেহ প্রাণ
মৃত আত্মার গোঙানী ধীরলয়ে মায়।
ওখানে প্রাণের স্পন্দন কি ছিল কখনো?
চোখে পড়ার মত কি কিঞ্চিত লাবণ্য?
ওখানে জন্মেছিল ক্ষুৎ-কর্মী বিদঘুটে বড় বিপন্ন আরশোলা কতক
কাছে এলেই মৃত্যু উড়ে আসে তারা - বিরতীহীন কর্ম-বিভা
অন্ধ অবচেতনে খায় খাবার ক্ষুদে ক্ষুদে খুটে খুটে নীরব
বড় বিচ্ছিরি তাদের দেখাতো বিচ্ছিরি তাদের ভাষ্য ও ব্যাকরণ
তারা না মেরে মরে -
আগুণ লেলিহানে
প্রকান্ড প্রস্তর খন্ডে।।
শাহীনা
মরণ শব্দটা জীবনের সাথে জুড়ে দিলো কে
শাহীনা তুমি যে নও
এ সত্য উচ্চারণে দ্বিধাগ্রস্থ কি
কান্না যদি জীবনের সুর তুলে
তবে মৃত্যুতে ব্যথিত কেন বলো
নিদারুণ সব কান্নাকে স্পর্শ করেছো শাহীনা
তুমি জেগে গেছো জেগে গেছো জেগে গেছো।।
পা বাড়িয়েছি
আমি পুরণো সেই নিশাচর নগ্ন পথে
পা বাড়িয়েছি,বন্ধু তুমি কী পারবে ফেরাতে-
পূর্বের ন্যায় আমাকে ফেরাতে
মিথ্যে ভালবেসে?
আমি আবার পা বাড়িয়েছি ভুলে,
দেবী তুমি কী পারবে ফেরাতে
অতীতের ন্যায় ছলে
মধুর কথা বলে?
পা বাড়িয়েছি নির্জণে ,মধ্যরাতে,
পাবে কী আমায় খুঁজে
পেছন থেকে রাখবে কী হাতে হাত
সেই সে প্রভাতে?
পা বাড়িয়েছি এবার,পরপারে যাবার
সঙ্গী হবে কী বন্ধু তুমি
সঙ্গী হবে কী আমার
যেমন ছিলাম তোমার?
আমি রিক্ত সিক্ত হয়ে বেড়িয়েছি ঘর হতে,
জানি পেয়ে যাব তোমায় আমি
নিশাচরের নগ্ন নির্জন পথে
ঠিক তোমারই সাথে।
পলেস্তারায় জমে থাকা নাকফুলের শোকগাথা...
ভাঙাচোরা টিফিন ক্যারিয়ার,
মানুষ,
চোখের জল
সবাই মিলেছে এক মোহনায়...
প্রেয়সীর বুকে মাথা রেখে
নিশ্চিত নিশ্চিন্ত মৃত্যুর ভয়াবহতা
কিংবা
নুপুর পড়া একটা পায়ের আহাজারী...
দানবের দল
পাঁচতারা হোটেলে লিখে রাখে নিহতের তালিকা
এবং ক্ষতিপূরণ।
আর
খসে পড়া বিবিধ পলেস্তারায় জমে থাকে নাকফুলের শোকগাথা।
__________________________________________________________
অক্ষমের সামান্য উৎসর্গঃ- সাভারে রানা প্লাজা ধ্বসে আহত, নিহত এবং নিখোঁজ সকল ভাইবোন।
__________________________________________________________
দুইটি পেজ সর্বান্তকরণে চেষ্টা করে যাচ্ছে সাভারের ঘটনায় নিহত, আহত, নিখোঁজ মানুষগুলো এবং তাদের পরিবারের একটি সম্পূর্ণ তালিকা তৈরী করার। আসুন আমরা তাদের সাধ্যমত সাহায্য করি...
শেখ হাসিনা
শেখ হাসিনা তো শুধু আস্তিক নাস্তিকের প্রধান মন্ত্রী নন। তিনি বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী। সবাই তার কাছে সমান। আর কে আস্তিক কে নাস্তিক সে তো শুধু আল্লাই জানেন। কেঊ কি কারও অন্তর ছেদন করে দেখেছেন কে আস্তিক বা কে নাস্তিক। কেঊ নাস্তিক হলে আল্লাহ তায়ালাই তাকে শাস্তি দিবেন।
আল্লাহ তো তার রহমত হতে কাঊকে বঞ্চিত করেন না।আমি আপনি বঞ্চিত করার কে? তাই যদি হত তবে চীন, জাপান ও সাড়া পৃথিবীতে যে সকল নাস্তিক আছে তাদেরকে তো আল্লাহ সহসাই শেষ করতে পারেন।
ওয়াসিয়া কুরশিয়ুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বি, ওয়ালা ইয়া ঊদুহু হিফজুহুমা অয়া হুয়াল আলিয়্যূল আযীম। (আয়াতুল কুরসীর অংশ বিশেষ)
অর্থঃ তাঁর সিংহাসন আকাশ ও জমীনকে বেষ্টন করে আছে, সাড়া পৃথিবীর সব কিছু সংরক্ষণ করা তার পক্ষে কঠিন নয়। তিনি সর্বোচ্চ ও সর্বাপেক্ষা মহান।
৩০/০৪/২০১৩ইং
নীল শিয়ালের কাহিনী
আমরা সকলেই নীল শিয়ালের কাহিনী জানি। আমার বন্ধু লতু কানাডা প্রবাসী যার সাথে গতকাল অফিসের ফাঁকেও বলতে গেলে অর্ধ দিন ফেবুতে গেজাইছি। সাথে বরাবরের মত চাটনি হিসেবে নর্থ সাঊথ বিশবিদ্যালয়ের শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় বন্ধু ইকবাল। সত্যি কথা হলও কোন মজাদার আড্ডার সূভ সুচনাটা সকল সময় ইকবালুর রহমান রোকনেই করে থাকে। কালও তাই হয়েছিল। ওর চাটনি সদৃশ পিনচিং ফেবালুচনাকে মধুময় করে তোলেছিল যা বাসায় ফিরে কম্পিঊটার খোলার পড়ও রেশ পেয়েছি। বাকি জীবনটা যেন আল্লাহ তায়ালা এভাবেই কাটিয়ে নেন তাই কামনা করি।
গতকাল ফেবুতে লতুর সঙগৃহীত পোষ্টে আমি কড়া কমেন্টস করেছিলাম আর ভাবছিলাম এই বুজি লতু তাঁর লম্বা লম্বা হাত নিয়ে আমার উপর ঝাপায় পড়ল। অনেক রাত জেগেও ছিলাম। কিন্তু না ও এলো না। মনটা বিস্বাদে ভরে গেল। কি আর করি বিষন্ন মন নিয়েই ঘুমুতে গেলাম। মনটা বিষণ্ণ হলেও অনেক খুশি হয়েছি। ইকবালই আমাকে শিখিয়ে ছিল তুই লিখে যা, অনেক সময় অনেক বাজে মন্তব্য আসবে। কখনও রাগবি না। রাগলে লিখতে পারবি না। লতুর এ গুনের গভীরতা আজও জানিনা। তবে তা অনেক ...।
রানী যায় রাজা আসে
আজকে ৩০শে এপ্রিল ২০১৩তে সরকারীভাবে নেদারল্যান্ডসের রানীর রাজত্ব শেষ হয়ে আবার রাজার রাজত্ব শুরু হলো। ৩০শে এপ্রিল “কুইন্সডে” হলেও এটা রানী বিয়াট্রিক্সের জন্মদিন ছিল না। তাঁর জন্মদিন ছিল ৩১শে জানুয়ারী। ৩০শে এপ্রিল ছিল তার মা রানী জুলিয়ানার জন্মদিন। কিন্তু ৩১শে জানুয়ারী যেহেতু আবহাওয়া খারাপ থাকে, জনগন আনন্দ উৎসব করতে পারে না আর ৩০শে এপ্রিল সাধারণত একটু আবহাওয়া ভাল থাকে, চারদিকে ফুল আর পাখির গান তাই সর্বসম্মতিক্রমে বিয়াট্রিক্সের মায়ের জন্মদিনই এতোদিন কুইন্সডে হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। তবে নতুন রাজা উইলাম আলেকজান্ডার এর জন্মদিন ২৭শে এপ্রিল, তাই আশাকরি কিংসডে পালন করতে বেশি অসুবিধা হবে না। রানী বিয়াট্রিক্স অনেক জনপ্রিয় ছিলেন কারণ তিনি বেশি রয়ালিটি মানতেন না। তাকে প্রায় এদিকে ওদিকে জীন্স পরা অবস্থায় সাইকেল চালাতে দেখতে পাওয়া যেতো। খুব বেশি বডিগার্ড সিকিওরিটি এগুলোর ধার ধারতেন না।
এপিটাফ.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
নিস্তব্ধতার নিঃস্ব দিনলিপি,
যখন নৈঃশব্দের গান গায়।
চেনা সুসময়ও,
তখন অচেনা অসময় মনে হয়;
নিমেষেই।
নেহাতই অসতর্কতায়,
তখন দেখেছি -
পাজরের অন্ধকার কারাগারে,
নেই বিন্দুমাত্র সূর্যের দিন।
খুঁজে না খুঁজে;
পেয়েছি কেবলই,
গাঢ় মহা অকালের লাল।
অনিচ্ছার ফাঁকা আওয়াজ,
যখন কুড়ে কুড়ে খায় -
ফাঁপা বুলির আস্তাকুড়ে;
ধ্বসে পড়ে আশার ইমারত।
তখন শুনেছি,
অমরত্বের আত্মপ্রলয়ে;
নিহত ভালোবাসার স্পন্দন।
তেপান্তরের মাঠ জুড়ে,
বৃষ্টিবিদায়।
অন্ধ আলোয়,
নিরব স্নানে হারায়;
নিয়ন ঝিকিমিকি রাত।
মর্মরের আদর আচ্ছাদনে;
ঢাকা থাক,
অন্তঃদৃষ্টির পরশপাথর -
মেঘলা মনের ডাক।
সুপ্রিয় শব্দপুঞ্জগুলো;
নিরর্থক
নিহত হবার পর,
নিরবতা বুক চেপে ধরে যখন -
তখন জেনেছি,
কিছুই বলার থাকে না আর।
টিকটিকি, তেলেপোকা ও মশার ঊপদ্রপ
কিছুদিন থেকে আমার শোভার ঘরে টিকটিকির উপস্থিতি লক্ষ্য করছি। প্রথম প্রথম এটাকে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম মনে করেই তেমন গুরুত্ব দেইনি।কিন্তু দিনকে দিন তাদের অত্যাচার যেন বেড়েই চলছে। প্রথম দিকে সৃষ্টি কর্তার সৃষ্ট এমন সুন্দর প্রানীটির প্রতি আমার ভাল লাগা ও মায়া মমতার কোন কমতি ছিল বলে মনে করতে পারি না। আস্তে আস্তে তারা তাদের বংশ বৃদ্ধি করছে এটাও আমার নজর এড়ায় নি। আমি ভাবলাম তাতে আর এমন কি? প্রথম প্রথম তারা আমার ঘরের জানালা, ভেন্টিলেটর বা বাথরুমের বিড়াল ঘরে তাদের অবস্থান সীমাবদ্ধ রাখত । কালক্রমে মশারি, ওয়ার ড্রপ, বক্স টিভি স্ট্যান্ড, আলমারি এবং তাতে রক্ষিত কাপড় চোপর সর্বত্র অবাধ বিচরণ করতে আরম্ভ করল। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে টিকটিকির সাথে কিছু তেলাপোকার ঊপস্থিতি আমাকে একটু ভাবিয়ে তুলল। এরা আমার দামি দামি কাপড় চোপড় কাটতে কাগল, এমন কি ব্রিফ কেশে রাখা আমার কিছু স্পেশাল কাপড় যা কিনা বিদেশ থেকে আনা হয়েছিল তাও বাদ দেয়নি। আমার কেন জানি মনে হতে লাগল আল্লাহ ওদের আমাদের মত করে সৃষ্টি করেনি, আমাদের যা অবশ্য প্রয়োজনীয় তাই আমাদের ভোগ বিলাশ মনে করে মেনে নিতে পারছে না।
শাহাবাজ সাহেবের ঘটকালি
শাহাবাজ সাহেব আমার নতুন সহকর্মী।মাসখানেক আগে আমাদের সাথে জয়েন্ট করেছেন।নিস্পাপ চেহারার দারুণ স্মার্ট একটাছেলে।মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এম এস করা ছাত্র।কথায় কথায় হাসেন।কর্ম জীবনে নতুন হলেও একদুপুরে জানতে পারলাম তিনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী।এই বয়সে তিনি সাত-সাতটি বিয়ের ঘটকালি করেছেন।অথাৎ তিনি একজন সফল(?)ঘটক।শুনে টাসকি খেয়ে গেলাম।এই ছেলে বলে কী?আমি এই বুড়ো বয়সে একটা ঘটকালি করতে গিয়ে কত নাকানি-চুবানি খাচ্ছি।আর শাহাবাজ সাহেব কিনা সাত-সাতটা ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেছেন(কোন এক বিখ্যাত দার্শনিক বলেছেন যিনি ঘটনা ঘটান তিনি হলেন ঘটক !)সব বিয়েতে তিনি খেয়ে-ধেয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুললেও বিপপ্তি ঘটল ৫ম বিয়েতে।সেবার পাত্রী ছিল শাহাবাজ সাহেবের বন্ধুর ছোট বোন।বন্ধুমানে একেবারে ঘনিষ্ট বন্ধু।স্কুল থেকে ভার্সিটি এক সাথে পড়ালেখা ।এক সাথে নাওয়া খাওয়া।একেবারে হরিহর আত্মা।দু’জনের বাড়ীও একই এলাকায়।উল্লেখ্য উনার বন্ধুটি ছিলেন হিন্দু ধর্মালম্বী।ঘটক সাহেব একদিন যথারীতি প্রস্তাব নিয়ে পাত্রীর বাড়ীতে হাজির হলেন।পাত্রও বেশ ভাল।একেবারে উপযুক্ত পাত্রীর উপযুক্ত পাত্র।সবাই খুশী।এদিকে ঘটক সাহেব এবং পাত্রীর পরিবা
কষ্ট কিম্বা হতাশা
কিছু করার নাই । মনটা খারাপ ।
ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আগাম ধারনা করার একটা শখ আমার মজ্জাগত। কাজেই আমি জানতাম আমি একটা বিপদে পরতে পারি। তাই, সত্যিই যখন বিপদ হতে চলল তখন আমি কিছুটা শুন্যতা টের পাই ।
নিরবে সময় কাটানো, আত্বকেন্দ্রিকতা ...কিছুই করার নেই । শুধু ভেবে যাওয়া এর পর কি করব।
(কিছুটা ভাবনা শেয়ার করার জন্যেই)
মানুষ অন্যের জন্য তখন এ এগিয়ে আশে যখন তার মন থাকে চিন্তামুক্ত । অর্থনৈতিক, পরপকার ব্যাপার টা পুরোটাই মানসিকতার ব্যাপার।
সিলেট কিম ব্রিজ এর নিচে যে লোক রিকশা ঠেলে তাকেও মাঝে মাঝে আমার একজন ডাক্তার থেকে বেশি সুখি মনে হয় (এইটা ব্যক্তিগত মত)। তাদের মন মানসিকতা অনেক সময়ই দেখি আমাদের থেকে অনেক এ মানবিক। ক্রমশ উন্নত জীবন যাপনের চেষ্টা আমাদের অনেকই যান্ত্রিক করে দেয়। আমরা তখন দেখতে পাই না চার দিকে কি হচ্ছে । হইত আমি ও তাদের কাতার এর ই একজন। তবে এক্ষেত্রে কিছু মানুষ এখন ও টিকে আছেন যারা নিজের অপারগতা স্বীকার করেন , অন্যের উপকার করা কে শ্রদ্ধা করেন , বিনা কারনে তেনা পেচান না , অন্যের খুত ধরে নিজের সংকীর্ণতা ঢাকতে চান না ।
একজন ডাক্তার এর হতাশা দিয়েই শেষ করি ...
ভীড় ঠেলে আয়, সামনে দাঁড়া!
সাভার বিপর্যয়ের পরে কত মানুষ কত ভাবে মাঠে নামলো, কত কাজে কতো ভাবে ঝাপিয়ে আত্মনিয়োগ করলো অথচ আমি কিছুই করতে পারলাম না। একে তো পকেটে টাকা নাই। তারপর আবার যাওয়ার ইচ্ছাও পেলাম না। এতো লাশ এতো মৃত্যু যে দেখতেই ভালো লাগে না। তাও মানুষ যাচ্ছে। দেলোয়ার সাহেবের মতো বাস ড্রাইভাররা বাস চালানো বাদ দিয়ে সারা দিন রাত সাভারে ছিলেন। কী একটা অবস্থা!
দুঃখ-বিলাস
ধারাবাহিক উপন্যাসঃ হৃদয়ের এপিঠ-ওপিঠ (পর্ব-১৪)
--শাশ্বত স্বপন
যেমনি তার চেহারা, তেমনি তার কথার স্বর। সবাই তাকে ভালোবাসত। সে ততক্ষণই বাসায় পড়ত যতক্ষণ শিক্ষকরা তার পাশে বসে থাকত। সেই কারণেই তার টিচার এর সংখ্যা সাবজেক্ট এর চেয়ে বেশি ছিল। টিফিন পিরিয়ডে সে টাকা খুব একটা খরচ করতে পারত না। কারণ তার প্রিয় খাবারগুলো বাসা থেকেই সরবরাহ করা হত। আব্বু, আম্মু বা আত্মীয়দের দেওয়া টাকা তার ব্যাগেই থাকত।
নিভৃত স্বপ্নচারী।
আমারও ছিল মনে
কেমনে ব্যাটা পেরেছে সেটা জানতে।
না নিভৃতস্বপ্নচারী আমি তোমাকে নয় আমার নিজকেই নিজে গালি দিচ্ছি। কেন আমি তোমার আগে এ প্রিয় নামটি আমার করে নিতে পারিনি। স্বপ্ন দেখতে যে আমিও ভালবাসি। তাই তো কবি গুরু যে বাণীতে জুতা আবিস্কার শেষ করেছিলেন। একি বানীর শুভ সুচনায় আমি আমার প্রিয় নামটি আবিস্কার করলাম।
কিন্তু এর অধিকার যে এখন শুধু তোমার। “আমরা বন্ধুর” রেজেষ্ট্রি অফিসে ডিজিটাল যুগে ডিজিটহীন মূল্যে তুমি যে তা নিজের করে নিয়েছ। কিন্তু তোমার সাথে আমার একটু পার্থক্য আছে, তা হল তুমি নিভৃতে স্বপ্ন দেখ, আমি নিভৃতে ও জেগে জেগেও স্বপ্ন দেখি। জেগে জেগে যা দেখি,বাস্তবে তা সফল হওয়া সম্ভব নয় তাই নিভৃতে ঘুমের ঘোরে তা পূরন করতে চাই।
কত রকমের স্বপ্ন, ছোট স্বপ্ন, বড় স্বপ্ন, লাল নীল,বা সাত রংগা স্বপ্ন। মুঠো মুঠো বা দুই হাত ১৮০ ডিগ্রী প্রসারিত অর্থাৎ দিগন্ত বিস্তৃত স্বপ্ন। একি তুমি হাসছ যে, আমার কথা শুনে, হাসবেই তো এভাবে কেঊ স্নপ্ন দেখে নাকি। কেঊ দেখে কি না জানিনা, তবে আমি দেখি না। আমি দেখি একটার পর একটা স্বপ্ন।
একজন সুইপারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা।
২০০২ সালের দিকে আমি কাজ করতাম কালুরঘাটস্হ রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলে।সেখানে ৩০/৩৫ বছরের বোকা-সোকা ধরনের একজন লোক কাজ করতো।তার নাম রাজু।রাজ বিহারী জলদাস(রাজু)।তত
তার সাথে আমার দারুণ ভাব ছিল।আমাদের ভাবের মূল কারণ আমরা দুজনেই একটু বেকুব(বোকা)টাইপের মানুষ।আমি কাজ করতাম যন্ত্রিক বিভাগে আর সে ছিল সুইপার মানে টয়লেট পরিস্কার
করতো।সেজন্য অনেকে আমাদের ভাবটাকে একটু বাঁকা চোখে দেখতো।সময়ে অসময়ে রাজু আমার কানের কাছে এসে ঘ্যান ঘ্যান করতো তাকে যেন আমি উপর থেকে নিচে নামিয়ে আনি অথাৎ
অফিসের টয়লেটগুলো ছিল দোতালায়।তার এই কাজ করতে ভাল লাগেনা।নাকে সব সময় গন্ধ লেগে থাকে।ঠিকমত খেতে পারেনা।তাছাড়া তার পূর্বপুরুষরা কেউ এই পেশায় ছিলনা।রাজুরা
বংশ পরিক্রমায় সবাই মৎস্যজীবি।আমি তাকে উল্টো প্রশ্ন করতাম তহলে এই লাইনে এলি কেন ? তার সোজা সাপ্টা জবাব পেটের দায়ে।আমি চুপ করে থাকতাম। রাজুকে আমি বোঝাতে
পারতামনা ছাপোষা একজন জুনিয়র অফিসারের পক্ষে একজন সুইপারকে প্রমোশন দিয়ে জেনারেল লেবার করার ক্ষমতা আমার নেই।
তুমিত্বের মাঝে আমিত্ব
বড় বেশী পাগলামী করি আমি....
অনেক ব্যাস্ততার মাঝেও তোমার কথা ভাবতে ভুলি না...
তোমাকে মেসেজ দিতে ভুলি না...
তোমার ছবি দেখতে ভুলি না...
তোমার খোজ নিতে ভুলি না...
আর তুমি একটু ব্যাস্ত হলেই এসব কিছুই করো না...
কারণ এখন তোমার অনেক ব্যাস্ততা...
তবে কি আমাক নিয়ে ভাবার সময়টুকুও নেই আজ তোমার..![]()
সারা দিনের কথা গুলো জমিয়ে রাখি রাতে তোমাকে বলব বলে আর আমি রাতে যা বলি পরের দিন সকালে তোমার তা মনে থাকে না। সারা দিনের অবসাধ, ভালো লাগা, খারাপ লাগা সব তোমায় বলি আর তুমি সে গুলা ভুলে যাও। আমার কত কষ্ট লাগে বল তো।
এভাবে বার বার আমাকে কষ্ট না দিয়ে এক বারে তোমার জীবন থেকে ছুরে ফেলে দাও। সহ্যের সিমা তা আবার কবে ভেঙ্গে যায় আমার, তাহলে তোমাকে একা করে দিয়ে এক বারে চলে যাব।
পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো সম্পর্ক
হল সেটা -
যখন তুমি অপরজনের হাত ধর
এবং সে তোমার সাথে চলা শুরু
করে ,,
কিন্তু সে প্রশ্ন করেনা