ইউজার লগইন
ব্লগ
সাইবার যোদ্ধারা অপ্রতিরোধ্য : অনলাইনে কোনঠাসা জামায়াত-শিবির
আন্দোলনের এখন দু’টি ফ্রন্ট। প্রজন্ম চত্বর আর ইন্টারনেট। প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলনে যেভাবে লাখো জনতা যোগ দিচ্ছেন প্রতিদিন, ঠিক তেমনিভাবে অনলাইনেও প্রতিদিন জামায়াত-শিবির তাড়ানোর কাজ নিষ্ঠার সঙ্গে করে যাচ্ছেন লাখো জনতা। অল্প সময়ে ব্লগস্ফিয়ার, ফেসবুক, টুইটারসহ সর্বত্রই কোনঠাসা হয়ে পড়েছে তারা। প্রতিটি ব্লগেই তাদের বিরুদ্ধে ছাপানো লেখাগুলো ব্যপক পাঠকপ্রিয়তা পাচ্ছে। ফেসবুকে শিবির বিরোধী স্ট্যাটাসগুলো শেয়ার হচ্ছে হাজার-হাজারবার। অপরদিকে নিজেদের ব্লগেও নিজেদের পক্ষে কিছু লিখে সুবিধা করতে পারছে না জামায়াত-শিবির। সোনার বাংলাদেশ ব্লগে তাদের পক্ষাবলম্বন করে ছাপানো লেখাগুলোয় গড়ে হিট পড়ছে ২৩টা-২৫ টা করে। মন্তব্যের সংখ্যা অধিকাংশ পোস্টেই শূন্য। গণপ্রতিরোধের মুখে জামায়াত-শিবির এখন আর নিজেদের ওপরেই ভরসা রাখতে পারছে না।
নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ সাত!
পোষ্ট তো কেউ পড়ে না তাই কমেন্টও হয় কম। এরকম পরিস্থিতিতে পোস্ট কম দেয়াই ভালো। তাও অতো ভেবে লাভ কি? আরেকটা পোস্ট শুরু করি। জানালা খুলে বের হয়ে ছিলাম বাসা থেকে তাই এসে দেখি বাসা ভর্তি মশা। এখন পাব্লিক ডিমান্ডে আমার মশার কামড় খেতে খেতে লিখতে হবে, কি একটা বিপদ! কত কষ্ট করে একেকটা পোস্ট লিখি তা তো পাব্লিক বুঝে না তাই কমেন্টও করে না এই মরা ব্লগে। এই ছিলো আমার কপালে!
কবিতা: শ্রাবস্তী, তুমি জানো!
নোট: কবিতাটি মোহাম্মদ জহির সম্পাদিত, আরএসি চেম্বার, ৩৭ রাজাপুকুর লেইন, আন্দরকিল্লা, চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত মাসিক ম্যাগাজিন ‘শ্লোগান’ এর ১-২৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। কিন্তু প্রকাশিত লেখায় আমার নাম ছাপা হয়নি। এ ভুলের কথা মোবাইল ফোনে সম্পাদকে জানালে, কবিতাটি বর্ষ ১৭, সংখ্যা ১০/ জুন ২০০৮ ইং সংখ্যায় পূনঃমুদ্রণ করা হয়। কিন্তু পূণঃমুদ্রিত কবিতাটিতেও কিছু লাইন বাদ পড়ে যায়। সেটা কি সম্পদাকীয় নীতির কারনে হয়েছে কীনা জানতে পারিনি। তবে আমার আপত্তির কথা সম্পাদককে জানানোর পর সম্পাদক দুঃখ প্রকাশ করে পূর্ণবার পূণঃমুদ্রণের জন্য কবিতাটি আবার পাঠাতে বলেন। কিন্তু মূল লেখাটি আবার পাঠালেও সম্পাদক তার কথা রাখেন নি। আমি দু’বার তাকে মনে করিয়ে দিয়েছি, তিনি আবারও কথা দিয়েছেন। কিন্তু কাজ হয়নি। হয়তোবা তিনি ব্যপারটা ভুলেই গেছেন। শেষে নিরাশ হয়ে আমিও ক্ষান্ত দিয়েছি এবং ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। সে হিসেবে আমার মূল কবিতাটি অপ্রকাশিত কবিতাই বলা চলে। মূল কবিতাটি এখানে 'আমরা বন্ধু'র পাঠকদের জন্য প্রকাশ করলাম। আর সেইসাথে-
ভালোবাসা আজ তোমার জন্যে স্বদেশ
ভালোবাসা আজ তোমার জন্যে স্বদেশ
শাহবাগে প্রেমিক প্রেমিকার ছুটি,বলছে
আমাদের ভালোবাসা অশেষ
শুধু তোমার জন্যে বাংলাদেশ
কোটিপ্রাণের মুষ্টিবদ্ধ হুংকার
আমাদের সব অহংকার
রক্তের দাম, তোমাকে সালাম
শহীদ জননী জাহানারা ইমাম
আমাদের বন্য বেশ
তোমার জন্যে বাংলাদেশ
তোমার শরীরে থাকবে না কালো ভূষণ
বুকে থাকবে না রাজাকারের দূষণ
ধর্মের অহেতুক শোষণ
আমাদের দামামা, খালাম্মা সুফিয়া কামাল
আমরা যে আপনারই স্নেহের সন্তান
হৃদয়ে জাগ্রত একাত্তরের রেশ
ভালোবাসা আজ তোমার জন্যে স্বদেশ
আমাদের ভালোবাসা অশেষ
শুধু তোমার জন্যে বাংলাদেশ
নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ ছয়!
আমি ইদানিং খুব ভালো প্রাক্টিক্যাল মিথ্যে কথা বলতে পারি। আগেও পারতাম। কিন্তু এখন তা পারফেক্টশনিস্টের পর্যায়ে চলে গেছি। আব্বু আম্মুর সাথে প্রতিদিন দেখা যায় ডজন খানেক আংশিক মিথ্যা বা পুরোটাই মিথ্যাতে বলে চলে যায়। এই তো গত পরশু দিন আব্বু ফোন দিলো'শাহবাগে যাস? আমি বললাম না ভার্সিটিতে ব্যাস্ত তাই যাই না আর কি। আব্বু বলে ওইদিকে অনেক গেঞ্জাম, সারাদিন তো পাঞ্জাবী পড়োস, তোকে শিবির মনে করে যদি ধোলাই দেয়, সাবধানে থাকিস' আমি বলি ' না আব্বু আমি গেঞ্জামে যাই না তবে ইন্টারনেট থেকে সংহতি জানাই। আব্বু বলে তাই ভালো। ভাইয়া বলে আন্দোলোনে যাস? আমি বলি আমাদের আন্দোলন আমরা যাবো না কেন? প্রতিদিন যাই। ভাইয়া বলে সাবাশ। ডাবল স্ট্যান্ডার্ড আর কাকে বলে? আমি নিজেও এই ডাবল স্ট্যান্ডার্ডে আটকানো। এমন অনেক কথা বলি যা মাঝে মধ্যে নিজেই খুব একটা বিশ্বাস করি না। তাও বলি বাবা মা বন্ধুদের খুশী করতে। যাপিত জীবনে সবাইকে সাথে নিয়ে চলতে হলে মিথ্যে বলার বিকল্প নাই। তবে আমি তা সর্বোচ্চ মাত্রায় বাবা মায়ের সাথেই প্রয়োগ করি। আর বন্ধু বান্ধবদের সাথে যতো কমে পারা যায়।
আজ না হলে আর কবে?

ভোরের সূর্য পুবের জানালায় উঁকি দিয়ে বলে
ফুল ফুটুক আর না ফুটুক
আজ ফাগুন
আমি উঠে গেছি ঝরাব আগুন।
এমন দিনে যদি না জাগো
শরৎ তোমার দখল নিবে
শীতে হবে কাঁথা বুড়ো
জৈষ্ঠে তোমার কপাল ফাটবে
আষাঢ়ে শ্রাবণ ধারা বইবে
অঘ্রানে ফল ফলবে না।
এমন দিনে যদি না জাগো
তবে আর কবে?

শিমুলের ডালে কোকিলের কুহুভাষা-
হারিয়ে গেছে তারা নাম চেয়েছে যারা,
যারা ভালোবেসে গেয়েছে
পেয়েছে সপ্তসুরের মালা।
চাঁদ বলে এই হল ভোর
বাড়ি যাই আজ
রাতের ডালে থাকব জাগি
সুখবর পেতে বাকি বহু কাজ।
লাল পেড়ে হলদে শাড়ির ময়নাটি
ঠোঁটে রঙ মেখে খুব করে ডাকছে-
আয় শাহবাগে।
এমন দিনে যদি হৃদয়ের পাড় না খুলো
তবে আর কবে?

ফাগুনের বইমেলাটা খুলে দেখি
এসেছে কত দাদা দিদি
হাতে হাত ধরে দীঘি
টুপ টাপ করে জলধ্বনী।
বাঁশিওয়ালা সাইকেল নিয়ে
উত্তরাধুনিক বিপ্লববটিকা বিতরণ -- সম্ভব কি শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ গণপ্রতিরোধ মঞ্চ হয়ে ওঠা?
অবশেষে কেন্দ্র থেকে ঘোষণা এসেছে আজ বিকাল ৪টায় শাহবাগ বিক্ষোভের সাথে সংহতি জানাতে ৩ মিনিটের কর্মবিরতি নিরবতা পালন করবে বাংলার মানুষ। উদ্যোগের ট্যাগ লাইন যদিও "সংহতি" তবে আদতে এটা কেন্দ্রের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক উদ্যোগ। জনগণের অবচেতনে এক ধরণের নির্দেশনা দেওয়া, রশি আমার হাতে সুতরাং আমার টানেই নাচতে হবে তোমাকে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ঘোষণা এসেছে আগামীকাল গণসংগীত আর বৃহঃস্পতিবার মোম বাতি ...জ্বালানো হবে।
এ ধরণের কর্মসূচির সবচেয়ে বড় সুবিধা খুব সহজেই এসবে একাত্ম হওয়া যায়। তেমন বেআইনীও না আবার নিজের মানসিক প্রশান্তিও টিকে থাকে, সংগ্রামের বিক্ষুব্ধ ক্লেশকর পথ শেষে আত্মসচেতনতার উপলব্ধি এখানে নেই বরং রেডিমেড ইন্সট্যান্ট নুডলস খাওয়া লোকজন এইসব ঘোষণার সাথে একাত্ম হয়ে খুব সহজেই রেডিমেড বিপ্লবাসক্ত হয়ে যায়।
কালুদার পারফরমেন্স
আজ মন আমার বেদনায় ভারাক্রান্ত। আমার আজ বার বার মনে হয়েছিল এই জীবন রেখে কি করবো। শেষ পর্যন্ত এও দেখতে হলো আজ?
তাহলে কাহিনীটা বলি
খুব অল্প সময়ের জন্য বই মেলায় গেলাম আজ। মাত্র আধ ঘন্টা ছিলাম। টিএসসির মোড়ে দেখা হল জ্যোতি আর পারভীন আপার সঙ্গে (তারে আপা কওয়া ঠিক হইলো কি না বুঝতাছি না)। তারা আমি আসার আগেই চটপটি চেটেপুটে খেয়ে চুপচাপ বসে ছিল। তিনজন ঢুকলাম মেলায়। পৃথিবীর সেরা স্টলে গেলাম। শুদ্ধস্বরেই ছিলাম ওই সময়টা। বই কিনলাম তিনটা। কারণ এখনও সেভাবে বই কেনা শুরু করিনি। তালিকা ঠিকঠাক করছি। পারভীন (আপা) আমার বই কিনলেন। ঘটা করে অটোগ্রাফ দিলাম। তারপর বই দিলাম তাঁর হাতে। জ্যোতি সেই ছবি তুললো লোকজনকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে। ক্যামেরা নিয়ে খালি পেছনেই যায় আর পেছনের লোকজন ধাক্কা খেয়ে এদিক-ওদিক সরে যাচ্ছিল। আমার তখন মনে হচ্ছিল অটোগ্রাফ দেয়ার চেয়ে ক্যামেরাওম্যানের পেছনে থাকা ভাল।
ভাল কথা, পারভীন (আপা) আমারে আর জ্যোতিরে বই উপহার দিল। এবারে এটাই পাওয়া প্রথম বই উপহার।
তারপর ঘটলো সেই ঐতিহাসিক ঘটনা। আমরা গেলাম লিটলম্যাগ চত্বরে। তাকিয়ে দেখি.................
শোনা কথায় বইমেলা: শেষ
গত দুই/তিনদিন ধরে এই সিরিজের লেখা প্রকাশ ধীরগতিতে এগুচ্ছে। গতকাল যে পর্বটি প্রকাশিত হলো, সেটি আরও দুইদিন আগেই লেখা হলেও প্রকাশ করতে মন চাচ্ছিল না। লিখতেও ইচ্ছে করে না। কারণ একটাই। সবাই প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলন নিয়ে কথা বলছে, লেখালেখি করছে। সে তুলনায় আমি কিছুই করছি না। ঢাকার বাইরে থাকি- সেটা কোনো কারণ হতে পারে না। এখানেও আন্দোলনগুলোর সাথে একাত্ম আছি- কিন্তু তারপরও সব মিলিয়ে মন সায় দেয় না। মানুষের সামনে এমন কিছু কিছু সময় যখন আর সব কাজ বাদ দিয়ে শুধু একটিমাত্র কাজই করতে হয়। এখন সেই কাজটি হচ্ছে শাহবাগ। আর আমি কিনা শাহবাগ বাদ দিয়ে বসে বসে ব্লগ লিখছি!
এই দ্যাশেতে ধানের কৈতর
চলি আইসো ধান খ্যাতের কৈতর
কথা কইবা আগুনের ভাষায়
পরান যেদিন ভাঙ্গিছিলো পতাকার
দেইখ্যাও সেইদিন কেন দেখো নাই তুমি?
বলি আইস্যো মাইনষেরে
ক কতটা পুড়িছে খ এর যন্ত্রণায়
ভালোবাইস্যা হাত ধরিলে মিছিলের
কেউ আর অচিন থাকে নাগো সই...
ও কৈতর, আইস্যো দেখিবা দহনেরে
মুখগুলান কেমন কাঁপতেয়াছে কতদিন
কলিজার পিরিত উৎলায়া উঠিলে
আমার দ্যাশের লাগি
ঠোঁটে জিয়াইয়া রাইখ্যো বাঙলা বোলের ঘ্রাণ
চলি আইসো ধানের কৈতর, তুমি চলি আইসো
দেখিবা এই দ্যাশেতে আবার কেমন
এহানে ওহানে ফুটিছে আলোর আন্দোলন
জোছনার ঢল, সমস্বরের আগুনখাকি রজণীগন্ধা।
(উৎসর্গ: শাহবাগে যে আগামী প্রজন্মের শিশুরা গত নয়দিন দেশকে ভালোবেসে স্লোগান দিয়েছে।)
আমার বই: কেলেঙ্কারির অর্থনীতি

আমি লেখক না, রিপোর্টার। সম্ভবত আমার কথা ভেবেই প্রমথনাথ বিশী বলেছিলেন, ‘না ভাবিয়া লিখিলে জার্নালিজম, ভাবিয়া লিখিলে সাহিত্য।’ আবার ড. আকবর আলি খানের বইয়ে আছে, ‘সাংবাদিক হচ্ছেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি নিজে যা বোঝেন না তা সবাইকে বুঝিয়ে বেড়ান।’
সেই আমি আবার একটা বই লিখে ফেলেছি। বইটি এখন মেলায় পাওয়াও যাচ্ছে। এর পেছনে ছোট একটা গল্প আছে। দীর্ঘদিন ধরে অর্থনীতির সাংবাদিকতা করি। এখন আর মাঠের রিপোর্টার না আমি। অফিসে বসেই বেশি সময় দিতে হয়। কিন্তু রিপোর্টারের মন, তাই না লিখতে পারলে শান্তি পাই না। মন ভরে না। এখন আমি না লিখলে অফিস ধরবে না। তবুও লিখতে চাই। মনে হয় আবার রিপোর্টার হয়ে যাই।
লিখতে চাইলে বাংলাদেশে বিষয়বস্তুর অভাব হয় না। কখনো শেয়ারবাজার, কখনো পদ্মা সেতু আবার কখনো হল-মার্ক। কিছু না কিছু থাকেই। সুতরাং আমিও লিখে গেছি, আরও লিখতে পারলে ভাল লাগতো। রিপোর্টারের হাতে এখনো মরচে ধরে নি।
নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ পাঁচ!
আজ সকালেই মামা চলে গেলো বাড়ীতে। যাবে জামালপুর সকালের ট্রেন অগ্নীবিনাতে। আমারো যাওয়ার কথা ছিলো কিন্তু এই ক্লাস টাস শাহবাগ অবরোধ ফেলে বাড়িতে যেতে ইচ্ছা করলো না। যদিও বাড়িতে যাওয়াটা খুব ইম্পোর্টেন্ট। তবে মামা এতো সাত সকালে গিয়েও পড়ছে ফ্যাসাদে। ট্রেন ছাড়ার কথা নয়টা ২০য়ে। কিন্তু এখনো ট্রেনের কোনো নাম গন্ধ নাই। সেই নভেম্বরে বাড়ি থেকে এসে আর গেলাম না। অথচ উত্তরবংগ, খুলনা এতো দুরে দূরে বাড়ী থেকেও লোকজন প্রতি মাসেই চলে যায় একটু সময় পেলেই। আর আমার বাড়ীতে যাওয়াই হয় না। আসলে বাড়ী আমার খুব যেতে ইচ্ছা করে। কিন্তু কাহিনী হলো বাড়ীতে এতো আদর যত্নের পরেও বারবার যখন মনে হয় আব্বু আম্মু আমার জন্য এতো কষ্ট করলো তাদের জন্য কি দিলাম? আমি কি করলাম জীবনে?
শোনা কথায় বইমেলা: ফেব্রুয়ারি ১০
বইমেলা, বই প্রকাশ, বই বিপণন, ব্যবসায়িক সাফল্য ইত্যাদি নানা বিষয় নিয়ে বিডিনিউজে/বাংলানিউজে রাখাল রাহা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ লিখেছেন। বাইরের দেশের প্রকাশনা সংস্থাগুলোর উদাহরণ দিয়ে তিনি বাংলাদেশের প্রকাশনা সংস্থার কিছু বিচার্য বিষয় আলোচনা করার চেষ্টা করেছেন। পাশাপাশি দেশ ও বিদেশের প্রকাশকদের অবস্থার তুলনামূলক আলোচনার পাশাপাশি এ দেশের প্রকাশকদের পূর্বের ও বর্তমান ধারার চিত্রও তুলনা করেছেন। এ আলোচনা থেকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিতে পারলেও অন্তত উপলব্ধি করা যায় যে, প্রকাশনা সংস্থাগুলোতে যে ধরনের পেশাদারিত্ব আমরা আশা করি, সেটা বাংলাদেশে অনুপস্থিত বললে অত্যুক্তি হবে না।
শুদ্ধতম ৩ মিনিট
জীবনের শুদ্ধতম ৩টা মিনিট পার করলাম আজ বিকেলে। এখন নিজেকে পৃথীবির বিশুদ্ধতম মানুষদের একজন মনে হচ্ছে। আমি সেই হতভাগাদের একজন যারা আজ শাহবাগে প্রজন্ম চত্বরে যেতে পারিনি। কিন্তু তারপরও আজ এই প্রথম নিজেকে বিকেলের তিন মিনিটের জন্য হলেও নিষ্পাপ, বিশুদ্ধ মনে হচ্ছিল। জীবনের আঠারটি বসন্ত পার করে এখন উনিশতম বসন্ত পার করার প্রস্তুতি নিচ্ছি, কিন্তু নিজেকে কখনোই আজকের মত নিষ্পাপ, কলংকমুক্ত লাগেনি।
আজকের তিন মিনিট শুধুমাত্র বাংলাদেশকে স্তব্ধ করে দেওয়ার তিন মিনিটই নয়, এ তিন মিনিট বাংলাকে, বাঙালীকে বিশুদ্ধ করার তিন মিনিটও বটে। অনেকে হয়ত প্রশ্ন করবে কি হবে তিন মিনিট নিরব থেকে? সাহিত্যিক, লেখক ইমদাদুল হক মিলনের সাথে গলা মিলিয়ে তাদেরকে বলতে চাই-" এগুলো করে কি হবে জানিনা কিন্তু এগুলো না করলে যে কিছুই হবে না তা যানি।" তাই কি হবে না হবে তার হিসেব না কষে আমিও দাঁড়িয়ে পড়েছিলাম পুরো বাংলাকে স্তব্ধ আর বিশুদ্ধ করতে চাওয়া মানুষগুলোর একজন হয়ে।
দায়শোধ- [৩য় পর্ব]
আমায় দিয়ে হয় না কিছুই;
নেই স্লোগানে নেইকো বসে থাকায়
নেই মিছিলে পোস্টারে নেই নেই কার্টুন আঁকায়!
বিক্ষোভে নেই, উৎসবে নেই, নেই জাগরণ গানে,
পথ হেঁটে যাই; কেবল দেখি- মানুষ সবই জানে!
তীব্র প্রতিবাদের সুরে এই ঐক্যের দেখা
এতেই থাকুক স্বপন আঁকা ভবিষ্যতের লেখা!
প্রকাশ যা হোক; এই জনতার আবেগটুকুন খঁটি-
আমায় দিয়ে কিছুই না হোক-
ভিড় বাড়াতেই হাঁটি!
[লেখাটা ফেসবুকে ছিল, ওখানেই থাকত শুধু। এই লেখাটা চোখে না পড়লে।]
ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১২