ইউজার লগইন
ব্লগ
যুদ্ধকালীন অপরাধে সংগঠনের বিচার যেভাবে সম্ভব
গত রোববার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) (সংশোধন) বিল-২০১৩ পাস হয়েছে। সোমবার এই বিলে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করেছেন। এর কার্যকারিতা ২০০৯ সালের ১৪ জুলাই থেকে প্রযোজ্য হবে। শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলনকারীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয় সরকার। মূলত সরকার ও বাদীপক্ষের আপিলের সমান সুযোগ রাখার জন্যই আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। যুদ্ধকালীন অপরাধের (যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ, শান্তিবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা ইত্যাদি) মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ কতদিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করবেন তাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। সংশোধিত আইনে উল্লেখ করা হয়েছে, আপিল দায়েরের ৪৫ দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করতে হবে। প্রয়োজনে আরও ১৫ দিন সময় বেশি নেওয়া যাবে। তবে অবশ্যই ৬০ দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করতে হবে। সংশোধিত ট্রাইব্যুনাল আইনের যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে তা হলো, যুদ্ধকালীন অপরাধের দায়ে সংগঠনগুলোর বিচার। এখানে উল্লেখ্য, সংগঠনগুলোর বিচার কেবল মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্যই হবে না। চিহ্নিত রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠনগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্
নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ আট!
আবার লিখতে বসলাম সকাল সকাল। রাত তিনটার দিকে ঘুমিয়ে আট টায় উঠলে শরীরটা একটু ম্যাজম্যাজ করে। তার ভেতরে সকাল নাস্তা করা হয় না। তাই কেমন কেমন জানি লাগে। বাবা মায়ের সাথে যখন ছিলাম তখন কোনোকালেই নাস্তা জিনিসটা আমার এতো আরাধ্য ছিলো না। ঘুম থেকে উঠতাম দেখি আম্মু নাস্তা বানিয়ে রেডি তাই অল্প খেতাম। কিন্তু এখন ঘুম থেকে উঠি দেরীতে, নাস্তা প্রাপ্তির কোনো সম্ভাবনা নাই তাই চা বিস্কুটই ভরসা। ইহাই উত্তম নাস্তা। তবে আজ বিস্কুটও নাই খালি চা। আর ওদিকে বাকীর চায়ের দোকান তো উঠে গেছে। তাই সকাল সকাল বের হতেও ইচ্ছা করে না।
শান্ত ভাই শান্ত হয়ে যাওয়ার পর...
কার্টুনিস্ট তারিকুল ইসলাম শান্ত বড় অসময়ে চলে গেলেন।
১৮ ফেব্রুয়ারি বিকালে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে রাজাকারবিরোধী স্লোগান দিতে দিতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।
হাসপাতালে নিয়ে গিয়েও শেষ রা হয়নি। সবাইকে কাঁদিয়ে চিরবিদায় নিলেন শান্ত ভাই।
আমার কত স্মৃতি, সুখকর অভিজ্ঞতা তার সাথে।
তাকে প্রথম দেখেছি চট্টগ্রামে, বোধহয় ২০০৫ সালে। শিল্পকলা একাডেমিতে কার্টুন ম্যাগাজিন ‘উন্মাদ’ কার্টুন প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলো। আহসান হাবীব, আহমেদ কবীর কিশোর, বাবলু, মেহেদী হাসান খান, হাসান খুরশীদ রুমী প্রমুখের সাথে ছিলেন শান্ত ভাইও। শান্ত ভাইকে দেখলাম ‘অকারণ গম্ভীর’। কার্টুনে যতটা প্রাণবন্ত তিনি, বাস্তবে ততটাই গম্ভীর যেন। মনে পড়ে, শান্ত ভাইয়ের সাথে সরাসরি পরিচয় হওয়ার পর বন্ধু সিরাজুল ইসলাম হৃদয়কে বলেছিলাম, ‘ছোকরা তো হ্যাভি হ্যান্ডসাম!’
আসলেই ভীষণ সুদর্শন, সুপুরুষ শান্ত ভাই। প্রথম দর্শনেই প্রেমে পড়ে যাওয়া যায়, এমন মানুষের।
আমার সেই ‘হ্যাভি হ্যান্ডসাম ছোকরা’ না-ই হয়ে গেলো।
যুদ্ধের শুরুতে অল্পই যোদ্ধা মেলে
আমি যে শহরে থাকছি সেই ক্যানবেরায় অস্ট্রেলিয়ার অন্যান্য বড় শহরগুলোর তুলনায় বাংলাদেশীর সংখ্যা তুলনামুলক অনেক কম। পড়াশোনা করতে আসা ছেলে মেয়ে বাদে বেশির ভাগই পাবলিক সার্ভেন্ট। সঠিক সংখ্যা জানা না গেলেও হয়তো ১৫০০-১৭০০ হবে, বেশীও হতে পারে। প্রশাসনিক রাজধানী হওয়াতে মূলত সরকারী কাজে নিয়োজিত মানুষজনই এখানে বেশি। ৯৯% বাংলাদেশীরই ২ এর অধিক ডিগ্রি আছে, ডিগ্রী হিসেব করলে শিক্ষিতই বলা যায়, মননে শিক্ষিত কিনা সেটা জানি না।
গত ২ ফেব্রুয়ারীতে এখানে চাঁটগাইয়া মানুষরা মেজবান করেছিলো। ফ্রি গরুর মাংস - ফ্রি ছাগু মাংস সাথে পোলাও/ভাত। প্রায় ৭০০ লোক হয়েছিলো, ফ্রি খাবার পেলে লোক একটু বেশীই হয়।আমি যাই নাই। ফান্ড রেইজিং এর ব্যবস্থা ছিলো। শুনেছি সেটায় নাকি মেরে কেটে ৫০০ ডলারও উঠেনি। বলা দরকার , ক্যানবেরায় মেইডেন হাউজহোল্ড ইনকাম ৳২৮১৫/সপ্তাহ যেখানে অস্ট্রেলিয়ার ক্ষেত্রে ৳১২৩৪/সপ্তাহ।বাঙালি কিপটা না হলেও এখানকার স্বচ্ছল বাঙালিরা কিপটা।
এনাএনাদ্দার অতীন্দ্রীয় প্রতুত্তরাধুনিক কাইব্য
ভুমিকাটাঃ-
আইচ্ছা, পিরে আসার্পর আবার্ফের চৈলাগেস্লাম। শাবাগে ডাক দিসিলো যেডি এরাইতে পারিনাই। হাজার্হৌক, দেশের্ডাক এরানি যায়না। পৈলা পৈলা পতিদিং গেসি, এক্সপ্তা পরেত্থে যাউয়া কোমাইয়া দিসি। প্যাটের্ধান্দায় থাক্তে হৈলে এট্টুহিসাব কর্তেই হৈ। যাউজ্ঞা এলা, যা কৈতেসিলাম- শাবাগের আন্দুলুন আমার্ভিত্রে জোশাইনা দিসিলো। কিন্তুক রিসেং কামকার্বারে হাল্কিশ ঝাস্পা হৈয়া যাইতেচি আর্কি। অবৈশ্য আমার্ঝাস্পা হোউয়ায় আস্লে কিছু যায়াসে না। ত্য হাচা কৈতেছি বেলুঙ্গের কতা হুনলেই কেরাম কন্ডম কন্ডম চিন্তা মাতায় হান্দায় যায়, কিকর্মু? মনৈ পাপ। আমি হ্লায় সুবিদাবাদির *ট, হেল্লিগা আমার্কতায় কান্দিয়েন্না। পোলাপাইনে কস্ট কর্তেছে অবৈশ্যৈ সফল হৈবো। যত দুয়া কালামজানি পর্তেছি সবার্সাফল্যের লাইগ্যা।
আইজারা আবার্ফের হাজির্হৈসি আরেআরেক্কান প্রতুত্তরাধুনিক কাইব্য হাতেরাঙ্গুলের ডঘায় লৈয়া। আপ্নেগোর খিদ্মতে প্যাশকর্তেচি এইবেলা
এনাএনাদ্দার অতীন্দ্রীয় প্রতুত্তরাধুনিক কাইব্য
আম্রার পুতলা আম্রারে কয় মেও
তুম্রার পুতলা কেম্মে চুম্মা দেও
তুমার চৌক্ষে যকন রাকি চৌক্ষ
পাংখা মেইল্ল্যা উইরা যায়গা দুক্ষ
প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলন এবং জামায়াত শিবিরের অপপ্রচার
আজকের (১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩) দৈনিক ইনকিলাবের ইন্টারনেট সংস্করণে “ফুঁসে উঠেছে তৌহিদী জনতা” শিরোনামের রিপোর্টটি পড়লাম। রিপোর্টটির মূল বক্তব্য হচ্ছে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বর আমাদের পবিত্র ধর্ম ইসলাম, আমাদের প্রিয় নবী (সাং), ইসলামী অনুশাসন ইত্যাদির বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করছে। শাহবাগ আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারীদের ইসলামের শত্রু হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। জামায়াত শিবির এবং বিএনপি যখন রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশের জনগণের আন্দোলনকে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়েছে, তখন তারা আমাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশের নিরপেক্ষ ধর্মপ্রাণ মুসলমান ভাইদেরকে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি শাহবাগের আন্দোলনের সাথে ধর্মের কোন বিরোধিতা নেই। ইসলাম আমাদের প্রাণের ধর্ম। বাংলাদেশের অধিকাংশ মুসলমান খুবই খোদাভীরু, ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যেই আমাদের বেড়ে ওঠা। শাহবাগের প্রজন্ম চত্বর থেকে ধর্মীয় অনুভূতির সাথে সাংঘর্ষিক কোন বক্তৃতা বা বিবৃতি দেয়া হয়নি। আপনারা একটা জিনিস লক্ষ্য করবেন, গত দুই সপ্তাহ যাবৎ কোনপ্রকার অঘটন ছাড়াই শাহবাগের আন্দোলন এগিয়ে যাচ্ছে। এখানে হাজার হাজার ছেলে মেয়ে হাতে হাত ক
আন্দোলনের কি হবে- এই প্রশ্ন এখনো তোলার সময় হয় নি
বেলুন ওড়ানো কর্মসূচি নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দে ভোগার কোনো কারণ নাই। আগামীকাল বিকাল ৪টা ১৩ মিনিটে কয়েক লাখ বেলুন যে প্রজন্ম চত্বর থেকে উড়বেই, এ ব্যপারে সবাই নিশ্চিত থাকতে পারেন। মানুষের মধ্যে এটার প্রস্তুতি চলছে। বিশেষ করে আন্দোলনের সহযোগী ব্রিগেড/ স্কোয়াডগুলো এই লাইনে কাজ অলরেডী শুরু করে দিয়েছে। ক্যম্পাস, চারুকলা, ছবির হাট সব জায়গায় চলছে তোড়জোড়।
এর আগে যেমন মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচির সময় ট্রাকে করে মোমবাতি আসতে দেখা গেছে, তেমন বেলুনও সম্ভবত চলে আসবে। সিজনাল ব্যবসায় যারা পুঁজি খাটাতে জানেন, তাদের জন্য সময়টা এখন পোয়াবারো। পুরান ঢাকার কিছু বন্ধু-বান্ধবের মন্তব্য পাইলাম এমন, মোমবাতির সময় বিরাট ব্যবসা মিস্ করছি। কিন্তু এইবার করুম না।
হে শাহবাগ--দোখো, সৃষ্টির সুরে হবে গান একদিন
শাহবাগের গণ আন্দোলন নিয়ে আমার অনেক বন্ধু, স্বজন ও পরিচিতরা অনেকে অনেক কথা বলেন। কেউ বলছেন এই আন্দোলন সফল, কেউ বলছেন এই আন্দোলন এখন আওয়ামীকরণ হয়ে গেছে, কেউবা এটিকে তারুণ্যের জন্য এক রাজনৈতিক গোলকধাঁধা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
অনেকেই এখন প্রশ্ন করছেন, এই আন্দোলনের আসলে গোলটা কী? শুধুই রাজাকারদের ফাঁসি? কাদের মোল্লার ফাঁসি দিলে কিংবা জামায়াত নিষিদ্ধ করলেই যদি আন্দোলন থেমে যায়, তাহলে এই উত্তাল প্রজন্মের উত্তরাধীকার দেশের আর কোন কাজে লাগবে? এই আন্দোলনের আসলে মূল শিক্ষা কী?
কেউ বলছেন, ‘আরে সব সাজানো, আওয়ামী লীগই বিরোধী দরকে ট্রিট করতে এই তরুণদের আবেগকে এখন কাজে লাগাচ্ছে। সরকার যদি না চাইতো তাহলে এই আন্দোলন কখনও সফলই হতে পারতো না।’
আমার ওইসব বন্ধুকে বলি, শাহবাগের আন্দোলন এমনি এমনি একটি জাতিকে নাড়িয়ে দিয়ে যায়নি। ১৯৯০ সালের পর থেকে রাজনীতির যে দুষ্টচক্র বাংলাদেশটাকে খুবলে খামচে খেয়েছে সেই যন্ত্রণার চাক্ষুস সাক্ষী আমরা তরুণেরা।
শাহবাগের চলমান আন্দোলন নিয়ে এক ফেসবুক ব্যবহারকারীর ভ্রান্ত ধারণা এবং আমার প্রতিউত্তর
গত পরশু সকালে প্রাক্তন একজন সহকর্মীর কাছ থেকে একটা লেখা পেলাম, লেখাটি লিখেছেন তাঁর ফেসবুকের একজন বন্ধু। লেখাটি নিচে হুবহু তুলে দিলাম, তার লেখার নিচে আমার প্রতিউত্তরও আমার ঐ সহকর্মীকে পাঠিয়েছি, আমার উত্তরটা তিনি ঐ লেখকের ফেসবুকে পোষ্ট করবেন। এবি ব্লগের সকল বন্ধুদের জ্ঞাতার্থে দুটি লেখাই নিচে দিলামঃ
মূল লেখাঃ-
দয়া করে যুদ্ধঅপরাধীদের ‘রাজাকার’ বলে সম্বোধন করবেন না। ‘রাজাকার’ একটি উর্দু শব্দ যার অর্থ সাহায্যকারী। এর উৎপত্তি আরবী ভাষা থেকে যেখানে আল্লাহ্র সাহায্যকারীদের এই নামে ডাকা হত। তাই যেসব মুসলিম ভাইবোনরা দিনরাত ‘রাজাকার’ শব্দটি গালি হিসেবে ব্যবহার করছেন এবং সব রাজাকারদের মৃত্যু ও ধ্বংস কামনা করছেন তারা মূলত আল্লাহ্র সকল সাহায্যকারীদের গালি দিচ্ছেন। এর মধ্যে সকল নবী-রাসুল ও সাহাবীরাও পরে। আল্লাহ্ আমাদের সকলের জানা-অজানা গুনাহসমূহ যেন মাফ করেন।
দু'টি বিষয় কি কোনোভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব?
ব্লগে কমেন্ট কম আর লেখা বেশি দিচ্ছি বলে কেউ সেন্টু খায়েন্না প্লীজ। অনেক কিছু ঘটে আশপাশে, যেগুলার প্রত্যক্ষদর্শী হওয়ার সুযোগ ছাড়তে মন চায় না কোনমতেই। তাই প্রজন্ম চত্বরে পড়ে থাকি দিনরাত। এদিক-সেদিক ঘোরাঘুরি করি। মানুষের মধ্যে বিলীন হই। আজ ক'দিন ধরেই মনে হচ্ছে আমার পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেড়ে গেছে। লাখো মানুষের এক পরিবার হয়ে উঠেছে। প্রজন্ম চত্বর থেকে দূরে, হলে বা বাসায় গেলে কানের মধ্যে বাজতে থাকে স্লোগান। একটানা স্লোগানের মধ্যে থাকতে থাকতে এই অবস্থা হয়েছে বলে ধারণা করছি।
সময়গুলো এখন খুব অস্থিরভাবে কাটছে। হরতাল হচ্ছে না শহরের কোথাও সেভাবে। রাস্তায় প্রচুর রিকশা, বাস, প্রাইভেট কার। প্রজন্ম চত্বরের কাদাপানিও শুকিয়ে গেছে। রবিবার সারাদিন বৃষ্টির কারণে রাতে চার আঙ্গুল উঁচু কাদাপানি জমে গিয়েছিলো। ডিসিসি'র ক্লিনাররা অল্প সময়ে সেগুলো সরিয়ে ফেলে। আর তারপরে রাতের আদ্র বাতাস, ভোরের সূর্য সবকিছু এখন অনবরত কাজ করে যাচ্ছে আন্দোলনকারীদের জন্য পরিবেশটাকে একটু সহজ করে তুলতে।
ফড়িংয়ের ডানাতেও এই জীবন দেয় ডাক!
শিরোনামটা কবীর সুমনের গান থেকে ধার করা। আমার মাথায় এতো কাব্য কিংবা উপমা আসে না কখনো তাই এ ধার ও ধার করেই চলি! আর এখন যে অস্থিরতার ভেতরে আছি তাতে কাব্য আসার কোনো সম্ভাবনাই তাই। তাও এই পোষ্টটা লিখছি স্রেফ মন মেজাজ হালকা করার জন্য সাথে হালকা থাকার জন্যে। কাল মামা সেই মাঝ রাতে বাসায় ফিরলো। আমি কামাল ভাইয়ের বই পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়লাম। ভাগ্যিস দরজা খোলার গেঞ্জামে পড়তে হয় নাই। নয়তো সাড়ে তিনটায় উঠে নীচের তালা যেয়ে চাবি নিয়ে দেনদরবার করতে হতো। আমাদের বাসাটা এদিক দিয়ে অসাধারন। রাত যতই বাজুক গেট নিয়ে টেনশন নাই। তারপর বাসাটা ছাদের উপরে। মানুষ যে ধরনের বাসায় থাকার স্বপ্ন থাকে আমার বাসাটা ঠিক তেমনি। সব দিক থেকেই দারুন। খালি ডিশের লাইন নিয়ে একটা গেঞ্জাম তাই চার মাস ধরে টিভি দেখতে পারি না আর বাসা থেকে টাকা নিয়ে চলতে হয় ইহাই বড় সংকট। তা না ছাড়া স্বর্গে আছি। বাবা মা কে খুব মিস করি কিন্তু কি আর করা সেই মিস সবাই করে। বাবা মায়ের সাথে থেকেও তা করে এই যা।
আজকের সুসংবাদ গুলো [ ২ ]
১.
শাহবাগ আন্দোলন নিয়ে কটূক্তি করায় গণপিটুনি
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
মাগুরা: মাগুরার উদর উপজেলার আবালপুরে ওয়াজ মাহফিলে শাহবাগ আন্দোলন নিয়ে কটূক্তি করার মাহফিলের বক্তা মাওলানা এনায়েতুল্লাহ্ আব্বাসীকে গণপিটুনি দিয়েছে এলাকাবাসী।
আবালপুর মসজিদ সংলগ্ন মাঠে রোববার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
২.

1
1
1
1
1
1
1
1
1
1
1
1
1
1
1
1
1
মাগুরা: মাগুরার উদর উপজেলার আবালপুরে ওয়াজ মাহফিলে শাহবাগ আন্দোলন নিয়ে কটূক্তি করার মাহফিলের বক্তা মাওলানা এনায়েতুল্লাহ্ আব্বাসীকে গণপিটুনি দিয়েছে এলাকাবাসী।
আবালপুর মসজিদ সংলগ্ন মাঠে রোববার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আসুন সুশিলতা ফুটাই, কামেল হয়ে যাই
অনেককেই দেখেছিলাম শাহবাগ আন্দোলনের শুরু থেকেই চুপ করেছিল। এই উত্তাল আন্দোলনের মাঝেও তারা স্বাভাবিক পোষ্ট দিচ্ছিল, কবিতা হান্দাইতেছিল। এখন দেখি পরিস্থিতির বদল হইছে। তারাও এখন সরব। এখানে সব সরকারী দলের হাত, সব চক্রান্ত। এইসব করতেছে আবার ক্ষমতায় আসার জন্য। এরা থাবা বাবা ইস্যু দেখে এখন অনেক বড় ধার্মিক। এত দিন নাকি সাপোর্ট দিচ্ছিল, শাহবাগ যাচ্ছিল। কিন্তু একটা নাস্তিকের জানাজা দেখেই তাদের মেজাজ সপ্তমে। তাদের আর লাগবে না এই সব আন্দোলন। জামাত ধর্মব্যবসায়ী হতে পারে তাই বলে জামাতের জন্য ধর্মের রাজনীতি তারা বিসর্জন দিতেও পারবে না। ধর্ম ব্যবসা আর ধর্মের রাজনীতির মধ্যে কতটুকু তফাৎ আছে নাই সেটা যারা বুঝতে পারে না তাদের আবার কিসের আন্দোলন। বরং তারা মুখোশ খুলে ভালই করেছে। হিপোক্রেট হওয়া তো ঠিক না। এইসব ধার্মিকের কাছে আমার প্রশ্ন- জামায়াত কেন এভাবে বিস্তার লাভ করছে বলতে পারবেন?
কাপ্তাই থেকে বইমেলায়
আমার একটা বই বেরিয়েছে। বইমেলায় যেতে হবে। শুধু কি নিজের বইয়ের টানে ঢাকায় যাওয়া? কাপ্তাই থেকে ১২ ঘণ্টার জার্নি। না, অন্য কিছু টানও ছিল। শাহবাগের গণজাগরণে অংশ না নিয়ে কি থাকা যায়? তাই যেতে হলো প্রাণের টানে।
এবার কাকলী থেকে বেরিয়েছি আমার উপন্যাস 'অংক স্যার+একদল দুষ্টু ছেলে'। সৌজন্য কপি এখনো পাইনি বলে বইটা কিনতে হয়েছে। কিনেছি আরো কিছু বই। বেশিরভাগই বন্ধু-পরিচিতজনদের (বর্ণক্রমে সাজানো):
১. আখতার হুসেন: সমুদ্র অনেক বড়-প্রথমা
২. আনিসুল হক Anisul Hoque: উষার দুয়ারে-প্রথমা
৩. আনিসুল হক: যারা ভোর এনেছিল-প্রথমা
৪. আহমাদ মোস্তফা কামাল Ahmad Mostofa Kamal: অন্ধকারে কিছুই দেখা যাচ্ছে না বলে- শুদ্ধস্বর
৫. আহসান হাবীব: একটি প্রায় ভয়ঙ্কর গল্প-তাম্রলিপি
৬. ইকবাল খন্দকার Iqbal Khondokar: তরুণী তখন ঘরে একা-রোদেলা
৭. ইমন চৌধুরী Emon Chowdhury: শুভ্রা আজ বাসায় একা-অনুপম
৮. এবিএম মূসা: মুজিব ভাই-প্রথমা
৯. জয়দীপ দে Joydip Dey Shaplu: হারকিউলিসের পাখা-শুদ্ধস্বর
১০. ফারজানা ঊর্মি Farzana Urmee: স্বপ্নসখা-কাকলী
১১. মুহম্মদ জাফর ইকবাল: ইস্টিশন-তাম্রলিপি
জল!নাকি ছিল অশ্রু
নিজের মনটিকে সাজাতে গিয়ে আমি কোথায় হারিয়ে যাচ্ছি ।তা কিভাবে হচ্ছে জানিনা ,কিন্তু কিছু বুঝলাম কোথাও হইতো ভুল হলো।
আয়নার সামনে দাড়াতে সে বলে উঠে,আর কত দিন এই ব্যস্থতা? স্বাভাবিক মুহুর্ত টুকু মাঝেমধ্যে অস্বাভাবিক ভাবে টেনে হেচড়ে নিয়ে যায় কঠিন বাস্তবতার দিকে।মানুষের জীবনটা কেন কাঁদে করুন সুরে ? পাল্টাই তার ভিতর যতটুকু ছিল সে।কখনও অভাবের দ্বারপাল বন্ধি করে রাখতে চায়,নিজেকে ধরে রাখার শেষ কোথায় গিয়ে থামায় নিজের অজান্তে হইতো বাধ্যগত ভাবে ।। শক্তি খুব সীমিত তাই যুদ্ধশেষ হওয়া পর্যন্ত হইতো থাকবোনা।