ইউজার লগইন
ব্লগ
অস্কার! অস্কার!
অস্কার নিয়ে লেখার হুকুম দিছে শান্ত। অস্কার নিয়ে আসলে লেখার তেমন কিছু নেই। যেমনটি ভাবা হয়েছিল, প্রায় তেমনটিই হয়েছে। বড় পার্থক্য একটি। আর সেটি হচ্ছে, আং লি সেরা পরিচালক হওয়া, লাইফ অফ পাই থেকে। জেনিফার লরেন্স নিয়েও অনেকের দ্বিধা ছিল। সম্ভবত জুরিরা জেনিফার লরেন্সের মুখের নীচেও অনেকটা সময় ব্যয় করেছিল। 
তবে এবারের অস্কার মনে থাকবে ব্রিটিশ বর্ন অভিনেতা ডেনিয়েল ডে লুইসের জন্য। এখন পর্যন্ত তিনবার সেরা অভিনেতার অস্কার আর কেউ জেতেনি। তবে লিঙ্কন এখনো দেখা হয়নি। তবুও সবাই ধরেই নিয়েছিলেন পুরস্কারটি এখানেই থাকবে।
আরগো পাবে এটাও ধরে রাখা ছিল। ছবিটি দেখে আমার ভাল লাগে নি। সম্ভবত এটি পলিটিকালি কারেক্ট চয়েজ। আরগো না হলে নাম থাকতো বিন লাদের হান্টিং মুভি জিরো ডার্ক থার্টির। আরগো সাধারণ মানের এক মুভি। ইরানে সিআইএর বীরত্ব দেখানোর এই ছবি অবশ্য ভালই ব্যবসা করেছে। আর বেন এফ্লেককের প্রথম ছবি গুড উইল হান্টিং দেখে যতটা চমৎকৃত হয়েছিলাম এর পর আর কখনো হইনি।
আহেন... কিছুক্ষন আড্ডাই
পয়লা এই ফেসবুক স্টেটাসটা পড়েন... আখেরে কামে দিবো
সকালবেলা গ্রাম থেকে এক শিবিরের কর্মী দুরসম্পর্কের ভাইগ্না ফোন দিয়া কইল....
"মামা বলগার(ব্লগার) একটা ধরছে পুলিশে,এইবার এর ফাঁসি চাই ।কতবড় সাহস নবীজী কি নিয়া উল্ঠাপাল্ঠা কথা কয় ।"
বিরক্ত হয়ে জিগাইলাম নাম কি?
কয়, ফারাবী সাফিউর রহমান !
কইলামঃ হ হ মামা ঠিকই কইছত,এই হালাও ব্লগার ,ওর বাঁইচা থাকার অধিকার নাই,তারাতারি ফাঁসির লাগি হরতাল দে !
"বুঝেন কাহিনী ,রাজাকারের বাচ্চারা সারাদেশের গ্রামে গন্ঞ্জে গুজব ছড়াইছে সব ব্লগার নাস্তিক,এইবার ঠেলা সামলা" পিঃ
সংগৃহীত
কামাল ভাই, শ্রদ্ধাভাজনেষু!
গত পরশুদিন রাতে বাসায় ফিরে আমার মনটা কোনো একটা অদ্ভুত কারনে খুবই খারাপ ছিলো। হুট করেই আম্মুর কথা খুব মনে হলো। তবে দেশ গ্রামে থাকে ১১ টাতে ফোন দিয়ে বিরক্ত করার মানে নাই সেইরাতে। কি আর করা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলাম ওয়ারফেইজের একটা গানের একটা লাইন আছে এমন 'এ সবই তো সুন্দর, এ জীবনের আনন্দ/ তার থেকেও সুন্দর আমার মা।' আর তখনি দেখলাম টেবিল পড়ে আছে কামাল ভাইয়ের দেয়া উপহার লিটলম্যাগ 'ধাবমান ৯' যার ট্যাগ লাইনে বলা আছে সাহিত্য আন্দোলনের কাগজ। এবারের বিষয় যার যার মা। মেলার ভীড়ে তা ভালো করে দেখা হয় নাই। খালি একটা জিনিসই দেখছিলাম সলিমুল্লাহ খানের লেখা আছে। ছফা ভক্ত হবার কারনে বাই ডিফল্ট আমার সলিমুল্লাহ খান পছন্দ। যদিও তার বিভিন্ন শব্দের আরবী ফারসী সাধু বাংলা করন আমার পছন্দ না। তাও তার লেখা চিন্তা ভাবনা, রেফারেন্স আমাকে মুগ্ধ করে। আমি এখনো বই মেলার থেকে কেনা বই গুলা পড়া শুরু করি নাই সেভাবে। শুধু মাসুম ভাইয়ের বই, তাতা আপুর বই, আর মোস্তাক শরীফের একটা বই পড়ে শেষ করছি। আর পড়ছিলাম মাহবুব মোর্শেদের গুরু ও চন্ডাল আর নাসির আলী মামুনের আহমদ ছফার সময়। আমি সাধারনত যেগুলা বই পড়ছি তার বাইরে কোনো বই নিয়ে বসি না। ক
পাখি তার নীড় হারালে, কোন কোন সন্ধ্যা তারা খুব কাঁদে
মন হাওয়ায় পেয়েছি তোর নাম
মন হাওয়ায় হারিয়ে ফেললাম
আজকাল তুমি বড্ড অপ্রতিরোধ্য হয়ে যাচ্ছ। কিছুতেই তোমাকে প্রতিহত করতে পারছি না। আমার মগজের প্রতিটি কোনায় কোনায় এখন তোমার অবাধ যাতায়ত। চব্বিশ ঘন্টার ছত্রিশ রকম কাজে বারবার তুমি এসে ভীষণ গোল বাঁধিয়ে ফেলছ। মস্তিষ্কের কোষ থেকে কিছুতেই তোমাকে সরাতে পারিনা। ঘূণ পোকার মত কুড়ে কুড়ে খাচ্ছ আমার অস্থি-মজ্জা আর হৃদয়। তুমি নেই, অথচ এই জগত সংসারে আমি ঠিক বেঁচে বর্তে আছি-এ ভাবনাই অর্থহীন।
তাই আমি পালাব বলে, মনস্থির করেছি। তুমি আমাকে তোমার কথার চাতুর্যে বেঁধে কিছুতেই পালাতে দিতে চাইবে না আমি জানি। কিন্তু পণ্ডিত অজয়ের একটা গান আছে, শুনেছ কি? "যত পাহারাই দাও মন পালাবেই"।
প্রেমের গল্প লেখার অপচেষ্টা
আমরা খুব অস্থির একটা সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। অনেক দূরে, ছোট্ট ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের যে ভূখণ্ডে আমি জন্মেছিলাম, বিস্ময়কর পরিবর্তন ঘটছে তার রাজনীতিতে, সমাজনীতিতে। নিজেকে কখনো রাজনৈতিক মানুষ বলে বিবেচনা করিনি। সক্রিয় রাজনৈতিক কার্যক্রমের জায়গা আমার জীবনে খুবই অল্প। তারপরেও দিনশেষে আমরা সবাই রাজনৈতিক জীব। বেঁচে থাকার জন্য জীববিজ্ঞানের সংজ্ঞায় প্রোটোপ্লাজমের ভেতরে থাকা অস্তিত্বকে স্বীকার করে নেই যেমন, ঠিক তেমনি বুদ্ধিবৃত্তিক প্রণোদনা জোগানো চেতনাকে ধারণ করি অনায়াসেই। ঠিক এমনি অস্থির সময়ে প্রেমের গল্প লেখার আইডিয়া আমার মনে কেমন যেন একটা অপরাধবোধের জন্ম দিচ্ছে। কিন্তু আপাতঃ ঘটনাহীন জীবনে, অনেকগুলো দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে সেই নিষিদ্ধ গন্ধম ফলের হাতছানিকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করতে পারছিনা। মগজ বলছে, ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য, মন বলছে হারাই হারাই সদা ভয় হয়, হারাইয়া ফেলি চকিতে। এই টানাপোড়েনে মনের জয় অবশ্যম্ভাবী আমি জানি। কারণ আমি নিজেকে চিনি। পৃথিবীর সবচাইতে সম্পূর্ণ আবেগ আমার কাছে প্রেম। সবচাইতে শুদ্ধ অনুভূতির নাম ভালোবাসা। ভালোবাসা, ভালোলাগা, ঘোরলাগা মুহুর্ত এদের জন্য আমি অনায়া
ব্লগার মানেই নাস্তিক নন
ব্লগ লিখছি কতদিন হয়? চার বছর চার মাস! এই দীর্ঘ সময়ে পড়া হয়েছে শত সহস্র ব্লগ। সবচাইতে প্রিয় ব্লগ কোনটা আমার, কেউ কোনোদিন জিজ্ঞেস করেনি। যদি জিজ্ঞেস করতো, তাহলে আমি বলতাম, ব্লগার 'জানালা'র একটি ব্লগের কথা।
ভেলরি টেইলরকে নিয়ে যখন আমরা পুরো ব্লগ দুনিয়ার লোকগুলো হাতে হাত রেখে দাঁড়িয়েছিলাম, তখন জানালা নামে একজন ক্ষণজন্মা ব্লগার একটি ব্লগ লিখেছিলেন। আমি মাঝে মাঝে সেই লেখা পড়ি, চোখ জলে ভরে যায়। 'জানালা' লিখেছিলেন এক অসহায় মেয়ের গল্প। যে নিজের পায়ে হাঁটতে পারে না বলে মেলায় যেতে পারে না। অপেক্ষায় থাকে তার ভাই তাঁকে মেলায় নিয়ে যাবে। জানালা নামের ব্লগার তার মিহিদানা অক্ষরে সেই মেয়েটির গল্প লিখেন আমাদের জন্য।
"হঠাৎ খেয়াল করি, যেখানে যাই সে আসছে সাথে সাথে। এক ফাঁকে বোনকেও ফোন করে একবার; আমি না মেলায় যাচ্ছি। এমনকি অফিস রুমেও। তুমুল বিরক্তি নিয়ে বলি, কিছু চাই তোমার? সে বলে আবারো, তুমি মেলায় যাবে না? আমি একটু চিন্তায় পড়ে যাই। বৃষ্টি কমে যায় যদি! সে আমার সামনে একটা সোফায় বসে থাকে। চোখের আড়াল করে না। যদি তাকে ফেলে মেলায় চলে যাই।"
বইমেলায় আগুন লাগেনি, আগুন লেগেছে আমাদের প্রাণে, আমাদের অস্তিত্বে
বই মেলায় আগুন! এও সম্ভব, এটাও হতে পারে! খবরটা শুনার পর স্থাণু হয়ে গিয়েছিলাম। পুরো ২৪ ঘন্টা অনুভূতিশূন্য থাকার পর লিখতে বসেছি। চোখ ফেটে জল আসছে, রাগ, ক্ষোভ -ঘৃণা অপমান, অভিমানে সারা শরীর থরথর করে কাপছে। বইমেলা শুধুই একটা মেলা নয়। এই মেলার সাথে জড়িয়ে আছে আমাদের অস্তিত্বের ইতিহাস, আমাদের চেতনা, আমাদের ভাষার ইতিহাস। বইমেলা আমাদের প্রাণের মেলা। এই মেলা রাতারাতি সৃষ্টি হয়নি। এ মেলার সাথে জড়িয়ে আছে একটি জাতির অভ্যূত্থানের ইতিহাস। বইমেলার সাথে জড়িয়ে আছে বাঙ্গালীর আবেগ, ভালবাসা। অথচ সেই বইমেলায় আগুন! অবিশ্বাস্য! নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস হয় না।
আলামীন আশীষদের মতোন ছেলেরা যে কারনে বিদেশে যায়।
আজ সকাল থেকে উঠেই আমার মন মেজাজ ভালো না। একে তো পচিশে ফেব্রুয়ারী বিডিয়ার বিদ্রোহের নির্মমতার কথা তার সাথে সাথে বই মেলার স্টল আগুনে পোড়া আবার রাতে বাজে স্বপ্ন দেখে হতাশ, মন আজ সকাল থেকে উঠেই ভালো না।কি আর করার মানুষের জীবন এমনই। অনেক কিছুর মিলিয়ে একটা মন খারাপের অবস্থা তৈরী হয়। তার ভেতরেও সকালে একটা পোস্ট লিখলাম। উইন্ডো ট্যাব খুলে অনেক কিছুই পড়ছিলাম তার ফাকেই লিখে ফেললাম। মনে করলাম বেশী সময় তো লাগে নাই আর লগ আউটও হয় নাই এখানে থেকেই প্রকাশ করুন দিয়ে দেই সেভ না করেই। দিলাম আর দেখালো এক্সেস ডিনাইড, পোস্ট উধাও। মেজাজটা যত খারাপ হবার কথা ছিলো ওতো খারাপ হলো না। খালি দুই ঘন্টা সময় নস্টের জন্য নিজেকে অভিশাপ দিলাম। এই দুই ঘন্টা সময় দিয়ে বই পড়লে মাহবুব মোর্শেদের বই গুরু ও চন্ডালটা শেষ করে ফেলতে পারতাম। কি আর করার সময় খারাপ। আমারই শুধু এমন হয়। মন ভালো করতে গেলাম চায়ের দোকানে দেখি খা খা রোদ। শ্রমিক মিস্ত্রি লোকজন রুটি কলা খায়তেছে। বসার জায়গা নাই। আমাকে দেখার সাথে সাথেই সবাই উঠে পড়তে পরি মরি অবস্থা। আমি বলি এতো ব্যাস্ত কেন আপনারা?
শাহবাগনামা : বুলেটিনের জন্য লেখা আহ্বান
শাহবাগ এখন চেতনার স্বরূপ। দ্রোহের আগুনে পুড়ছে ৪২ বছরের পুরোনো জঞ্জাল। তারুণ্যের সম্ভাবনা, তারুণ্যের অমিত শক্তি আবারো উজ্জীবিত। জেগে উঠেছে মানুষ। জেগে উঠেছে বাংলাদেশ। চলছে ঘুমভাঙানির গান। জাগো বাহে কুনঠে সবাই...।
শাহবাগের তরুণ প্রজন্মের এ অবিস্মরণীয় আন্দোলনকে উপজীব্য করে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে বুলেটিন 'শাহবাগনামা'। এ বুলেটিনে আপনার অংশগ্রহণ চাচ্ছি। অনূর্ধ্ব ১০০ শব্দে লিখুন গদ্য বা পদ্য। এখানে পোস্ট করুন (কমেন্ট হিসেবে) অথবা ইমেইল করুন shafique_hasan79@yahoo.com
কলকাতার কিছু সিনেমা নিয়ে কথাবারতা
টিভি দেখি না গত চার পাচ মাস ধরে। এতে উপকার অপকার দুটোই আছে। এতো বড় আন্দোলন গেলো কত খেলা টেলা গেলো কিছুই দেখতে পারলাম না টিভিতে। আর উপকারের দিক হলো টেলিভিশন না থাকলে অনেক কাজে মন বসে। অনেক সময় নষ্ট বন্ধ হয়। এই যে গত সাতদিন কত গুলান বই পড়লাম তার কোনো কিছুই সম্ভব হতো না টিভি থাকলে। এই যে দুপুর বেলা পড়তে বসি সকাল বেলা ব্লগ লিখি টিভি থাকলে খালি রিমোট চেঞ্জ করতে করতেই টাইম শেষ হয়ে যেতো। তবে আমি টিভি দেখতে পারি না এই আপসোসটা আম্মুকে খুব জ্বালা দেয়। বলবে 'বাড়ীতে আয় কারেন্ট টারেন্ট থাকে ভালো মন্দ খায়া টিভি দেইখা যা' মায়ের এই আদরের আসলেই কোনো তুলনা নাই।
তবে টিভি না দেখতে পারার কারনে এতো চ্যানেলে কি সব সার্কাস চলে তা নিয়ে ব্লগে লিখে ফাটাতে পারতেছি না। বাসা তো সেই আগেরটাতেই আছি এই বাসায় থাকলে আবারো ১০০০ টাকা লাইন চার্জ নিয়ে ডিস নেয়ার কোনো মানে হয় না। কিন্তু সমস্যা হলো আমি সিনেমা দেখারও অতো লোক না। রিমোটের ফাকে মাঝে সাজে টিভিতে সিনেমা দেখাতেই আমার আনন্দ। পিসিতে সিনেমা দেখার অভ্যাস একেবারেই নাই। আর এই জন্যেই এতো টাকা পয়সা প্রাপ্তি সত্তেও আমার পিসিতে ডিভিডি রম নাই আছে একখান সিডিরম।
সংবাদপত্রের কালো অধ্যায় দৈনিক আমার দেশ
আমি অভিশাপ দিচ্ছি দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে।
ঘৃণার আগুন ছুড়ে দিচ্ছি তার নষ্ট হয়ে যাওয়া মস্তিষ্কে।
থুতু ছিটাই তার চাটুকারিতার স্বভাব এবং ভ্রান্ত নীতিতে।
লাথি মারি তার রাজাকার আর জামায়াত তোষণের মানসিকতায়।
ইনকিলাব, নয়া দিগন্ত, সংগ্রামের সাথে দৈনিক আমার দেশের আর কোনো পার্থক্যই থাকলো না!
সংবাদপত্রের ইতিহাসের কালো অধ্যায় হয়েই থাক দৈনিক আমার দেশ। আরেকটি মীর জাফর হিসেবে উচ্চারিত মাহমুদুর রহমানের নাম।
কিন্তু দৈনিক আমার দেশ-এ আমার যে সব বন্ধু, গুরুজন, শুভানুধ্যায়ীরা কাজ করে তাদের জন্য কী করতে পারি, কী বলতে পারি তাদের?
দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও
প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সুবাদে সুদূর জাপানে বসেও বাংলাদেশের সমসাময়িক ঘটনাবলী সম্পর্কে একটা সম্যক ধারণা পাওয়া যায়। যদিও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া প্রায়শই দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সংবাদ প্রচার করে থাকে। বাংলাদেশের অধিকাংশ গণমাধ্যম নিরপেক্ষ খবর প্রচার করতে পারে না দলীয় আনুগত্যের কারণে। তারপরও সকল গণমাধ্যমে প্রচারিত খবর দেখলে একটা বাস্তব চিত্র বিশ্লেষণ করার প্রয়াস পাওয়া যেতে পারে। ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩ তারিখে বাংলাদেশের কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত শিরোনাম হলোঃ “সিলেটে শহীদ মিনারে হামলা-ভাঙ্চুর, গুলি”, “চট্টগ্রামে গণজাগরণ মঞ্চে হামলা”, “হামলায় ১৭ জন সাংবাদিক আহত”, “দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা, নিহত ৪” – (দৈনিক প্রথম আলো)। “উত্তাল সারাদেশ” “কুচক্রী মহলের ফাঁদে পা দিয়ে ধর্মপ্রাণ মানুষ ও সাধারণ মুসল্লীদেরকেও প্রতিপক্ষ বানানো শুভকর হবে না” “তৌহিদী জনতার আড়ালে জামায়াতে শিবিরের হামলা” “যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির এক দাবিসহ জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে ফের প্রকম্পিত শাহবাগ চত্বর”, “ইসলাম ও মহানবী (সা.) অবমাননা প্রতিবাদে গর্জে উঠছে চট্টগ্রাম” (দৈনিক ইনকিলাব)। “সি
কালো অর্থনীতির তথ্যপুর্ন, রসাত্মক, সহজ পাঠ!
প্রথমেই বলে নেই আমার রিভিউ আমার মতোই সাধারন। একটা বই পড়ে আমার মতো সাধারন মানুষের কি অনুভুতি হলো তাই জানানোই আমার রিভিউয়ের দায়। এর বাইরে আর কিছু নাই। আমি কোনো একাডেমিক রিভিউ লিখতে বসি নাই। তা লেখার মেলা লোক আছে। আর লীনা আপু রিভিউ লেখার পড়ে এ বই নিয়ে আরও নতুন কিছু বলা সম্ভব কিনা তাই নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভাবছি।
শিরোনামে আমি বলতেছি কালো অর্থনীতি। কালো শব্দটা আমার ব্যাক্তিগত পছন্দ না কারন চায়ের দোকানে বসতে বসতে আর বাইরে থাকতে থাকতে চেহারার ভেতরে যে শ্যামবর্নের ব্যাপার স্যাপার ছিলো তা তুমুল মাইর খেয়েছে। তাই কালোদের নিয়ে কিছু বললে এখন নিজেরই লাগে। আর পুলক যে ভাবে লোকজনকে নাক সিটকিয়ে বলে ঐ কাইল্লাটা কই গেলো? (আমারে না) তখন নিজের অন্তরাত্মা কেপে উঠে। একদিন হয়তো আমারো শুনতে হবে এমন ডাক। কিন্তু কালো অর্থনীতি বলা দোষের কিছু না। যেমন দোষের না কালোবাজার বা কালো টাকা বলা। বলাই যেতে পারে। আর আনু মুহাম্মদ সাহেবের মতো অজস্র লোকেরাও তাদের বইতে কালো শব্দটাই বারবার ব্যাবহার করেন।
আমি কে ?
(এই লেখাটি অনেকগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা বা কথার সংকলন, আমার মনের কথা। যা একটির সাথে সাথে আরেকটির মিল নাও হতে পারে। পাঠক ক্ষমা করে দেবেন।)
আন্দোলনের একদিন
শুক্রবার। বাসা থেকে বের হতে একটু দেরি হয়ে গেলো। আগের দিন রাত ৪ টা পর্যন্ত মনিটরের দিকে তাকিয়ে থাকার ফল। কাজের কাজ কিছু হয় নাই, এমনটা বলবো না। আন্দোলনের নানান দিক নিয়ে অসংখ্য আলোচনা মস্তিষ্কের নিউরণের ভেতর বানের পানির মতো প্রবেশ করেছে। ভাগ্যিস ইনফরমেশনের কোনো ভর থাকে না। নাহলে আমার মাথাটা এত ভারী হয়ে যেতো যে, নিশ্চিত সেটা আজ আর আমি বালিশ থেকে তুলতে পারতাম না।
পৌনে ১২টার দিকে দৈনিক বাংলা মোড় দিয়ে ঢুকে বায়তুল মোকাররমের সামনে একটা চক্কর দিলাম। শ্রম ভবনের দিকটা একেবারে পল্টন মোড় পর্যন্ত বন্ধ। উল্টা রাস্তায় সাইকেল চালাচ্ছি আর দেখছি হাজারো দাঙ্গা পুলিশ, রাব দাঁড়িয়ে আছে পজিশন নিয়ে। তাদের মধ্যে যুদ্ধের প্রস্তুতি। বায়তুল মোকাররমের সিঁড়ির ওপর দাঁড়িয়ে স্লোগান দিচ্ছিলো শ'পাচেক অল্পবয়সী পাঞ্জবি পড়া ছেলে। পুরো সিঁড়িই দখল করে ছিলো ওরা। সংবাদকর্মীদের অনেককেই দেখলাম মাথায় হেলমেট পড়ে ঘোরাঘুরি করছেন। নয়া দিগন্তের এক রিপোর্টারকে দেখলাম। দেখে মেজাজ খারাপ হলো। কেন, কে জানে?