ইউজার লগইন
ব্লগ
হাবিজাবি
ক্যালেন্ডার দেখতাম ছোট বেলায়। বইয়ে মলাট দেবার জন্য "চায়না" নামের একটা ম্যাগাজিন ছিলো। দারুণ দারুণ সব ছবিতে ভরা। ভালো লাগতো খুব। দুইহাতের আঙুল দিয়ে ভিউফাইন্ডারের মত বানিয়ে ক্লিক ক্লিক শব্দ করতাম। ছবিতোলার প্রতি ভালোবাসাটা বোধহয় ঐ সময়েই ভিতরে ঢুকে গিয়েছিলো। [সময়কাল ক্লাস ফোর ফাইভ সিক্স]
যা হোক, বড় হইতে থাকলাম। খালাতো ভাই এসেলার দিয়া ছবি তুলতো, তার কম্পোজিশনগুলো দেখে ইন্সপায়ার্ড হইতাম। নিজের ক্যামেরা ছিলোনা, ভাইয়ার ক্যামেরা ধরার সাহস পাইতাম না। এমনকি জিজ্ঞেস করবো ধরতে দিবে কি না, সেই সাহসও পাইতাম না। [সময়কাল ক্লাস নাইন টেন]
ঢাকায় আসার পর মুশফিকুল আলম পিয়াল ভাইয়ের সাথে পরিচয়। আমার একটু ডিস্ট্যান্ট মামাতো ভাই। উনার বিভিন্ন শখের ভেতর একটা ছিলো ফটোগ্রাফী। এবং যেই সময়ে উনার সাথে পরিচয়, তার কিছুদিন আগে উনি সার্ক ফটোগ্রাফার অফ দ্যা ইয়ার বা এরকম কোনো এওয়ার্ড পাইছেন। ফটোগ্রাফির প্রতি ভালোবাসাটা আবারো মাথাচাড়া দিয়া উঠলো উনারে দেইখা। উনি নিজের ছবি দেখাইতেন, আমি মন্ত্রমুগ্ধের মতো দেখতাম। [সময়কাল '৯৮-'০২]
কম্পিউটার গেমস
আনইন্সটল করে দিলামEmpire Earth III। তিন সপ্তাহ ধরে এটা আমার মাথা খেয়ে আসছিল। এর আগে গিলেছিলাম Empire Earth II,সবচেয়ে বেশী আসক্ত ছিলাম Empire Earthএ। এই গেমসটি অফিসে বসেও খেলেছিলাম কয়েকদিন 
ভার্সিটিলাইফে ফিফা ৯৮ থেকে ২০০৬ সবগুলো খেলেছি, এরপর খেলেছি FIFA 11।ভার্সিটিতে উঠেই খেলেছিলাম Need for Speed II, Underground, Hot Pursuit । Need For Speed III খেলার সময় শ্রীকান্তের রবীন্দ্রসংগীত ছেড়ে দিতাম আর রেসিং খেলতাম।
ওয়েব লগ ২
............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
এক.
মাইকে কাঁদছিলেন কোনো এক মাওলানা
তার অসহায় কণ্ঠ বাজীতে হারিয়ে গেলো।
চমকে ওঠা রাতের আঁধারে তার ধাঁধাঁনো চোখের
আহাজারি ভেসে আসে আমার হিমশীতল ঘরে।
দূরে কোনো মাঠে হৈচৈ অ্যালকোহলিক মাতম...
একজন ট্যাক্সিচালকের ঠোটে তাচ্ছিল্য ভেসেছে
যুবক আর যুবতীর ঠোট বিষয়ক আলাপে-খেয়ালে।
অবর্ণনীয় আঘাত আর ২০১২
২০১২ একটি আক্ষেপের নাম। এই বছরটিতে শুধুই হারিয়েছি।
হবেনাই বা কেন? বছরটি যে শুরু হয়েছিলো ছায়ার বটগাছটি আমার বাবাকে হারানোর মধ্যদিয়ে।
২০১২ তুমি অপয়া হয়েছিলে সেই জানুয়ারী মাসে আমায় এতিম করার মাধ্যদিয়ে। আর তাই হয়তো এখন শুনছি " বাবা কতদিন কতদিন দেখিনা তোমায়" গানটি । আসলে যখন ছিলো তখন বুঝিনি ছায়ার মর্ম। এখন কেমন যেন ফাকা ফাকা লাগে। যখন দেখি কারো বাবা পরম আবেগে তার ছেলেকে বুকে টেনে নিচ্ছে, তখন তাকে আমার অনেক ভাগ্যবান মনেহয়। আসলেই কি সে ভাগ্যবান না ?
এরপর মে মাসে আমি হারালাম আমার প্রয়ানের প্রিয়তমাকে। আর জুন মাসে সে আমায় আনুষ্ঠানিক ভাবে ছেড়ে চলে গেলো। তারপর অনেক রাত নির্ঘুম কাটিয়েছি। বিনিদ্র নয়নে তাকে ভেবেছি, প্রতিক্ষায় থেকেছি তার ফিরে আসার। আসেনি সে , অসীম শূন্যতায় ফেলে চলে গেছে। আর তাই হয়তো শুনবো, " ভেবে ভেবে তোমার কথা আমি উদাস হয়ে যাই"।
বছরের শেষদিকে সেপ্টেম্বরে দীর্ঘ দুই বছর পর ছেড়ে দিয়েছি আমার প্রথম চাকুরীটা। অনেক খারাপ লেগেছিলো সে সময়।
নতুন বছরে যুবকদের শপথ হোক--আপস নয় কোন অন্যায়ের সাথে
বাঁধাহীন ভয় নয় অথবা ভয়হীন বাঁধা নয়--আসুক বিপদসঙ্কুলে ভরা বাঁধা, ভয়। প্রাণসম্পদে পরিপূর্ন এ সময়ের যুবকরা মানবে না কোন বাঁধা, ভয়, কোন অজুহাত; আপস করবে না কোন অসত্যের সাথে। পূর্বপুরুষের মত সত্যের কঠিন আঁকা-বাঁকা পথ বেয়ে সমকালের শ্যাঁওলা পথের শত বাঁধা ডিঙিয়ে মহাকালের নতুন প্রাণে জাগাবে নতুন আলোর স্রোতধারা।
জমিতে ধরে লাঙ্গল
কয়েকটা কাক উড়ে গেলে কারো কিছু হয় না
হয় না কোন নিকষ কালো আঁধার
বস্তিতে বসে বসে যখন তসবী গোণে বুড়ি
ওঃ তাকে অশরীরী লাগে এক
সে এক বুড়ি, শনের মত চুল
পরণে শ্বেতম্বরী থান
যখন কলের তলে কলসিতে পানি ভরতে থাকে মইত্যার মা
পাশ দিয়ে রাস্তায় হেঁটে যেতে যেতে
কাশেম বৌয়ের সুঠাম উদোম শরীর দিকে
তাকায় সম্ভ্রম ভরে রহম মাষ্টার -
মাষ্টারই সে জানে
মতির মার ফুরসত কই তাকাবার, কোন এক দিকে শুধু একটিবার -
বুড়ি তসবী গুণেই চলে
তার পিচ্চি নাতি বাইরে উদোম ন্যাংটো
কাশেম মুখোমুখি দাঁড়ালে অনতিদূরে তার সন্তান -
বিঘা বিঘা জমি একর পর একর প্রান্তর বিস্তীর্ণ বিশাল, কাশেম
কোপাতে থাকে, কোপাতে থাকে জমি ক্ষিপ্রহাতে ধরে সে লাঙ্গল।
অপ্রকাশিত ভালবাসা
যে ভালবাসার কথা
বলা যায় না কোনদিন,
যে ভালবাসা প্রকাশ পায় না,
সে ভালবাসা চাঁদনী রাতের আলো হয়ে জোছনা ছড়ায় দিকে দিকে
জোছনার কিরণকে উজ্জ্বল থেকে করে উজ্জ্বলতর।
সে কিরণের ছোঁয়া তাই হৃদয়কে করে কোমল
মনের অনুভূতিতে যোগ হয় ফুলেল সুভাষ।
প্রেমের পূজারী তাই চাঁদনীকে পুজা করে
আর চাঁদনীরে খোঁজে ভালবাসার প্রতি প্রহরে প্রহরে।
তাই চাঁদনীতে সাগর আসে তীরের কাছে
জোছনা রাতের এ মিলনমেলায় তার যেন পেতেই হবে প্রিয়াকে।
আর প্রিয়ার হৃদয় খোঁজে প্রিয়ের হৃদয়;
চাঁদনী রাত তাই প্রেমের, চাঁদনী রাত তাই ভালবাসার।
২৭-১২-১২, জাজিরা।
স্মৃতিকথা – ৩
স্মৃতিকথা – ১
স্মৃতিকথা – ২
বছর শেষ হতে চলল কিন্তু বেড়াতে যাওয়া হল না এখনো ! মামা বাড়ি থেকে বার বার তাগাদা দিচ্ছে- তোরা কবে আসবি? ধান উঠে গেছে, তোরা এলে একসাথে পিঠা খাব। আমি বলি, মামা এখন ছুটি পাব না। অন্যদের সাথে যোগাযোগ করে ঠিক একই উত্তর পান মামা। তাই নিয়ে খুব আক্ষেপ মামার- খুব শহুরে হয়ে গেছিস, গ্রামের প্রতি তোদের আর কোন টানই নেই!
দামিনী বনাম সাজিয়া- প্রতিবাদ বনাম ভুলে থাকা
ইচ্ছে ছিল সাংবাদিকতা নিয়ে লেখার। যদিও আমি এমন কোন হ্যাডম হয়ে যাইনি যে সাংবাদিকতার মতো সাংঘাতিক বিষয় নিয়ে আলাপ করব। তারপরও চাইছিলাম- কিছু বিষয় পরিষ্কার করে নেয়ার জন্য।
তার আগেই দিল্লীর "আমানত" ঘটনাটি সামনে চলে এলো। দামিনী নামের তারুণ্য ভরা মেয়েটি অসময়ে চলে গেল কতগুলো নরপশুর কারণে। ঘটনাটা সবার জানা। তারপরও ছোট্ট করে বলে নেই।
গত ১৬ ডিসেম্বর রাতে বাসে করে বাড়ি ফেরত আসার সময় বাসচালক এবং তার পাঁচ সহযোগী ধর্ষক মিলে দামিনী নামের মেয়েটিকে বিভৎসভাবে আক্রমণ করে। সাথে থাকা বন্ধুটিকেও মারতে থাকে। মেয়েটিকে ধর্ষণের পর বন্ধুসহ চলন্ত বাস থেকে ফেলে দেয়া হয়। ভারতে চিকিৎসার পর যখন মেয়েটির অবস্থার অবনতি ঘটে তখন সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেথ হসপিটালে তাকে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু শারীরিক এবং মানসিকভাবে মারত্মকভাবে শিকার হওয়ার কারণে মেয়েটি অবশেষে শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) ভোরে মারা যায়।
পিকনিক !!! পিকনিক !!! পিকনিক !!! আপডেট নিউজ !!!
সুধী,
অত্যন্ত আনন্দের সহিত জানাচ্ছি যে আগামী ১৮-০১-২০১৩ ইং , রোজ শুক্রবার , পিকনিক এর দিন ধার্য্য হয়েছে।
পিকনিকের স্থান হিসাবে এবার মুন্সীগঞ্জ এর স্যার জগদিশ চন্দ্র বসু কমপ্লেক্স মনোনীত করা হয়েছে। ছায়া সুনিবিড়, বিস্তৃত পুকুর সহ মনরোম পরিবেশে সকলে সারাটাদিন হৈ হুল্লোড়, আড্ডাবাজি, ছবি তুলে, গান বাজনা করে , খাওয়া-দাওয়া করে আনন্দে কাটিয়ে দিতে পারবে এই আশা করছি।
আমরা বন্ধু ব্লগ , আমরা বন্ধু ফেসবুক গ্রুপ এবং আমরা বন্ধু ফটোগ্রাফি ক্লাব যৌথ ভাবে পিকনিকের আয়োজন করবে এবার।
পিকনিকের চাঁদাঃ জনপ্রতি ৭০০ টাকা। (সাতশত টাকা মাত্র)
জমা দেবার শেষ তারিখঃ ১১ই জানুয়ারী ২০১৩। (ওয়ান ইলেভেন)
আগামী ১০ই জানুয়ারী, ৭ টায় ছবির হাটে আপনাদের টাকা জমা নেবার জন্য এবং বিস্তারিত আলাপের জন্য আমি, সর্বজনাব টুটুল , সর্বভাই মেসবাহ ভাই সহ অনেকেই উপস্থিত থাকবো । ১০ তারিখ আসতে না পারলে ১১ তারিখ সন্ধ্যার পর মিরপুর এসে জমা দিয়ে যাবেন।
কনফার্ম ব্যাক্তির তালিকা এখানে আপডেট করা হবে।
১। সাঈদ
২। টুটুল
৩। নাজ , ঋহান
৪। আসাদ
৫। জিয়াউদ্দিন
৬। শান্ত
৩৬ মাস
আমি আবেগের গাট্টি বস্তা নিয়ে চলাচল করা মানুষ। অতি সাধারন জীবন যাপনের মাঝেও এতো বেশী নানান কারনে আবেগাক্রান্ত হয়ে পড়ি যা দেখে নিজেই বিরক্ত হই বারবার। অনেক চেষ্টা করছি জীবনে যুক্তিশীলতা ও প্রজ্ঞা নিয়ে চিন্তা করতে পারি নাই। তাই সেই ব্যার্থতা ঢাকার কোনো চেষ্টা করি নাই। আমার অনেক বন্ধুরা আমাকে নিয়ে বলে শান্তর আবেগ মাইয়া মানুষের মতো। কোনো একটা ঘটনা শোনার দুই তিনদিন পরে তা যখন কাউকে বলতে যাই চোখে পানি এসে যায় অবলীলায়। এ এক বিপদ। যার বিপদ তার খবর নাই চোখে পানি আসে আমার। বা কোনো বই পড়তে গেলাম সেখানে আবেগের কিস্তা কারবার দেইখা নিজের চোখেই পানি এসে গেছে। এমন না যে আমি কঠিন আবেগী মানুষ। অনেক জায়গাতেই আমি ঠিক ঠাক কেদেঁ উঠতে পারি নাই। এই যেমন আজ থেকে ১২ বছর আগে আমার নানু যে দিন মারা যায় সেদিনই আমার চোখ দিয়ে পানি আসে নাই এমনকি ৬ বছর আগে বন্ধু কামরুলের বাবা মেরে গেলো আমার ভালো বন্ধু কামরুলের যত মন খারাপ তার কাছাকাছি আমারো। আমার কাধে মাথা রেখে কামরুল সেমি চিতকার করে কাদছে সেদিন আমার তীব্র মন খারাপ তাও কান্না আসে নি এ এক নিদারুন মন খারাপের কথা। অথচ কিছু দিন উত্তরখন্ড আহমদ ছফার লেখা যখন পড়ছি সেখানে কর্নফ
আবোল তাবোল - ১৪
#
আর মাত্র কয়েকটা দিন। আরেকটা বছর শেষ হয়ে এলো।
২০১২, কেমন গেল তা নিয়ে কিছু বলে লাভ নেই আসলে। বছর শেষ হতে নিলেই মানুষজনের হিসাবনিকাশের বহর দেখলে একটু অবাক-ই হতে হয়। একদিকে চলে চলে যাওয়া বছর নিয়ে পোস্টমর্টেম, আরেকদিকে চলে যত নিউ ইয়ার রেজ্যুল্যুশনের লিস্ট বানানোর কাজ। এসব আমার ভাল্লাগে না। কি লাভ!
প্রত্যেকটা দিন পার হয় নানা রকমের দুঃসংবাদ হজম করে। এতসবকিছুর পরেও যে খেয়েপড়ে বেঁচে মুভি দেখে গান শুনে দিব্যি প্রতিদিন চায়ের কাপে ঝড় তুলে চলছি, এই জমানায় এর চাইতে বড় আশীর্বাদ আর কি ই বা হতে পারে!
বছর শেষে বেঁচে যখন আছি; বলতে হবে ভাল-ই আছি।
আর আসছে বছর কি কি করব তা নিয়ে ভেবে সময় নষ্ট করেও আসলে লাভের লাভ কিছুই হয় না। আমাদের একেকটা প্রিয় প্ল্যান ভণ্ডুল করে দেওয়ার চাইতে প্রিয় কাজ মনে হয় নেই অসময়ের হাতে। আগে করতাম, এখন তাই লাইফ নিয়ে বড়সড় কোন প্ল্যান করি না আর। আর কাউকে কোনরকম কষ্ট না দিয়ে নিজের মত থাকতে পারলেই অনেক, আর কিছু চাই না আমার।
উপরে তো একজন আছেনই, বাকিটা উনিই দেখবেন। তাইলে, যা হবার ভালই হবে!
#
ওয়েব লগ ১
..................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
এক.
নিয়মিত বাড়িগুলো বদলে যাচ্ছে
বদলে যাচ্ছে আলো-বাতাস, পাখির ডাক
রিকসার ক্রিং ক্রিং, ব্যর্থ চাকা,
পাশের ফ্ল্যাট, স্কুল পড়ুয়া বাচ্চা মেয়েটার বিনুনীর ফিতা
বদলে যাচ্ছে লঙ্গিচিউড-ল্যাটিচিউড
এবং কাহারো কাহারো অ্যাটিচিউড।
তবে আমি ঠিক আগের মতোই
বরং কিছুটা বেশি আগের মতোন
আমি যদি ভীড় হয়ে যাই!
মন মেজাজ বলা যায় যথেষ্ট আমোদে ছিলো। কাল শেষ হলো বিসিএস রিটেন। ভালোই দিলাম মানে পার করলাম আর কি। সেমিস্টার ফাইনালও চলে গেলো। মনে করছিলাম যে সময়গুলো যাবে আগের মতো হেসে খেলেই অবসরে চায়ের দোকানে আড্ডায় সময় যাবে দারুন। কিন্তু মানুষ যা ভাবে তা আর কি হয় ইহাই সবচেয়ে বড় ফেইলোর। এমনিতেই সকালে একা একা চায়ের দোকানে বোর হচ্ছিলাম। তারভেতরে দুপুরে বাসায় ফিরে দেখি ফেসবুকে কি কান্ড। এক বন্ধু আমারে জব ক্যারিয়ার নিয়ে হেদায়েতের বানী দেয় মেসেজে। আমি শুধু জানতে চাইছিলাম লোক নিলে জানাইস। সে আমার জব সংক্রান্ত হেদায়েত দেয় সাথে আমার এটিচিউড টাইম ওয়েস্ট নিয়া নসিহত দেয়। মেজাজটা হান্ড্রেডের উপরে খারাপ হইলো। জানতে চাইছি সামান্য কথা সে দেখি দেয় হাদীসের বানী। আরে শালা হাদীস মানলে তো তোদের আগে চাকরী পাইতাম। ফাজায়েলে আমল পড়ে আমল করে বেহেশতের খোয়াব তো সবাই দেখে। সেইটা বয়ান দেয়ার ঠেকা কেন তোদের এতো?
একটা ভ্রান্ত কথা মনে পড়বার অপেক্ষায়
নির্মলেন্দু গুণ একজন দারুণ কবি! এই কবির কবিতা আমার আপাদমস্তক ভালো লাগে। আজ অন্তর্জালে ঘুরে ঘুরে শুধু কবিতা পড়ছি সকাল থেকে। মন ভালো নেই। আকাশটারও মনে হয় একই অবস্থা। এখন পর্যন্ত এক টুকরো রোদও উঠতে দেখলাম না কোথাও। কাশেম ভাইএর দোকানে হয়তো কিছু বিমর্ষ ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। খুব বেশি উচ্চবাচ্য না করে চা-সিগারেট টানছে। আমি নিরাবেগ শুয়ে কবিতার পাতা উল্টে যাচ্ছি। চোখে পড়লো নির্মলেন্দু গুণের 'যাত্রা-ভঙ্গ' কবিতাটি-
"হাত বাড়িয়ে ছুঁই না তোকে,
মন বাড়িয়ে ছুঁই,
দুইকে আমি এক করি না
এক কে করি দুই৷
হেমের মাঝে শুই না যবে,
প্রেমের মাঝে শুই
তুই কেমন করে যাবি?
পা বাড়ালেই পায়ের ছায়া
আমাকেই তুই পাবি৷
তবুও তুই বলিস যদি যাই,
দেখবি তোর সমুখে পথ নাই৷
তখন আমি একটু ছোঁব,
হাত বাড়িয়ে জাড়াব তোর
বিদায় দুটি পায়ে,
তুই উঠবি আমার নায়ে,
আমার বৈতরনী নায়ে৷
নায়ের মাঝে বসব বটে,
না-এর মাঝে শোব৷
হাত দিয়েতো ছোঁব না মুখ,
দু:খ দিয়ে ছোঁব৷
তুই কেমন করে যাবি?"