ইউজার লগইন
ব্লগ
জামায়াতের মুখ ও মুখোশ!
ধর্মটা জামায়াতের মুখোশ। ধর্মের সিঁড়িকে ব্যবহার করে অর্থ ও ক্ষমতার প্রাসাদে আরোহন যে তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তা আবার প্রমাণ করলো তারা। মুখোশ খুলে আবার নিজের প্রকৃত রূপ দেখালো জামায়াত। এ নিয়ে না লিখে থাকতে পারলাম না, তাই কিবোর্ড পিষতে বসলাম।
এবার জামায়াতের মুখ ও মুখোশের কথায় আসি। আজকেই একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম বলেছে, 'নিবন্ধন বাঁচাতে অবশেষে নিজেদের দলীয় গঠনতন্ত্রে ব্যাপক সংশোধন এনেছে স্বাধীনতাযুদ্ধে বিরোধীতাকারী ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। নতুন সংশোধনীর মাধ্যমে দলটি গঠনতন্ত্র থেকে আল্লাহ প্রদত্ত ও রসুল প্রদর্শিত ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থার কথা বাদ দিয়ে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার কথা বলেছে।'
ব্লগর ব্লগর
১।
আমার স্পষ্ট মনে আছে আমি যখন ছোট তখন আমাদের গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম একবার। পাঁচ-ছয় বছর বয়সের স্মৃতি যতটা পরিষ্কার হওয়ার কথা তার থেকেও ভাল করে ওই বাড়িটির কথা আমার মনে আছে। বিশাল উঠান, শানবাঁধানো সিঁড়ি, আধাপাকা বড়সড় বাড়ি। সেটা ঘিরে আরো কিছু ঘর, বাসার সীমানার বাইরে সারি সারি সুপুরি গাছ। ডান দিকে একটা খেলারমাঠ, তার পাশে এক বিশাল বটগাছ। বাম দিকে প্রমত্তা যমুনা। বগুড়া জেলার একটি গ্রাম, নাম খাবুলিয়া।
ওই বাসাতে বেশীদিন থাকার ব্যাপারে আমার ঘোরতর আপত্তি ছিল, কারন, টিভি দেখা যেত না, ইলেক্ট্রিসিটি ছিল না বলে। টিভি না দেখে তো থাকা অসম্ভব। কতদিন পর ওখান থেকে বাড়িতে ফিরেছিলাম তা মনে নেই, কিন্তু এটা মনে আছে যে ওই জায়গায় আমি আর কখনই যেতে চাইতাম না।
এই বয়সে এসে আমার খুব ইচ্ছে করে আর মাত্র একটি বারের জন্য ওই জায়গাটাতে যাব। ছোট বেলায় কোন টান না থাকার পরও গ্রামটি আবছা আবছা আমার চোখে কেন ভাসে তা আমার দেখা খুব দরকার ছিল। কিন্তু বাড়িটা আর আমাদের নেই। রাক্ষুসী যমুনা শুধু বাড়িটা নয়, পুরো গ্রাম এবং এর আশেপাশের সবকিছু খেয়ে ফেলেছে। তাও অনেক দিন আগে।
২।
আমি বেচে আছি আমার সময়ে!
কাহিনী সেই একি। একটা বিরতির পর পোষ্ট লেখতে বসলাম। পোষ্ট লেখার হুজুগ ছিলো প্রতিদিনই কিন্তু মাতি নাই। কারন এই সব দিন লিপি দেখিতে দেখিতে একি কথা পড়িতে পড়িতে পাঠককুলকে আর কত বিরক্ত করিবো। তাই অতো পোষ্ট দেয়াকে উত্তম কিছু বলে মনে হলো না। ভাবলাম একটা গল্প লিখি কিন্তু গল্প কবিতায় অনেক খাটনি। এই দুধ চা খাওয়া মাথায় এতো কিছু কুলায় না। আর গারমেন্টসে হত্যা এতো এতো মরন দেখে কিছুটা ধার্মিক মাওলানায় রুপান্তরিত হয়েছে। ইদানিং রাস্তা পার হতে সিড়ি ভেঙ্গে নামতে সব কিছুতেই খালি এই ভয়ে থাকি। যদি এই মুহূর্তে চলে যাই তবে বাবা মার কি হইবে?
র্যাপিং এ মোড়ানো এক বাক্স বিপ্লব
এইতো বেশ!
মধ্যবিত্ত তরুণেরা ঘুরছে ফিরছে।
চা সিগারেট খাচ্ছে। আড্ডাবাজিতে মেতে উঠছে।
মৃদু খুনসুটি, ফোনকল,
হয়তো খানিক রঙীন নেশার আবেশ...
সবকিছুই ঠিকঠাক চলছে।
এরই মাঝে অনেকেই নেতা হয়ে উঠছে।
শরীর-বেশভুষায় নেতৃত্বের কিংবা বৈচিত্রের ছাপ,
শুধু মনটা শেষতক সামন্ত'ই থেকে যাচ্ছে।
বিপ্লব প্রয়োজন।
দেশের স্বার্থেই, তৃণমূল থেকে।
"বিকেলে প্রতিবাদ"
ব্যানার হাতে দাড়াতে হবে নির্দিষ্ট স্থানে,
মিছিল নিয়ে হাঁটতে হবে অতিপরিচিত রাস্তায়,
মেপে রাখা কদমের সংখ্যায়।
বন্ধুগোত্রীয় নেতৃবৃন্দ বা কমরেড সাথে নিয়ে।
রাত শেষে,
সবার হাতে রঙচঙে র্যাপিং এ মোড়ানো এক বাক্স বিপ্লব...
শুভমিতার চিঠি-৮

প্রিয় শুভমিতা,
মুক্তিযুদ্ধ এবং অতপরঃ
ঝিক্-ঝিক্...ঝিক্-ঝিক্...করে ট্রেন চলছে দৃশ্যমান গতিতে, আর আমার জীবন চলছে অদৃশ্যমান গতিতে। যে গতির গতিময়তা কখনো আমি উপলব্ধি করি না--করতে পারি না। ট্রেনের কামড়ায় বসে আধবোজা চোখে অনুপম সেনের ‘কল্পনা’ উপন্যাসের নায়কের নিজের মতামত পড়ছি। লেখকের প্রতিটি কথা সমুদ্রের ঢেউ এর মতো আন্দোলিত করে আমার মনে। জীবনের অনেক মিল রয়েছে স্বকল্প আর আমার ব্যর্থময় জীবনের প্রতিটি ধাপে ধাপে। ছত্রিশ বছরের জীবনে আজো বিয়ে করিনি। নীড়হারা পাখি সব হারিয়ে ক্লান্ত মনে যেমন করে ভাবে, তেমনি ভাবতে ভাবতে হঠাৎ শরীরটা ঝাকুনি দিয়ে উঠলো। ট্রেন থামছে কোন এক অচেনা ষ্টেশনে। জায়গাটির নাম মনে নেই। ট্রেন থামার সাথে সাথেই আরো তিন জন মানুষ একই কামড়ায় উঠল। তিন জনের মধ্যে একজন ৪০/৪৫ বছর বয়স্ক পুরুষ, এক জন ৩০/৩২ বছর বয়স্ক স্ত্রীলোক, আরেক জন ১০/১১ বছরের বালিকা।
উড়ে যাও বর্ষামেঘ
বিষণ্ণ কুয়াশা জেগেছে খয়েরী পাতায়, মাঝবয়েসী গাছে
স্বর্ণলতার আলিঙ্গণে।
দূরে উড়ে যাও বর্ষামেঘ
বিষণ্ণ কুয়াশার ঝাঁকে হারিয়ে যাবে তোমার জলভরা চোখ।
__________________________________________
ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক
শেষ চিঠির আগের চিঠি
প্রিয় আকাশী,
অনেক দিন পর তোমায় লিখছি। হয়তো বসে আছো প্রচন্ড ক্ষোভ নিয়ে। হয়তো দিচ্ছো গাল হারামজাদা শুয়োর বলে। হয়তো বা বসে আছো তীব্র আকাঙ্খা নিয়ে, বুকভরা ভালোবাসা নিয়ে আমার এই পত্রের প্রতিক্ষায়।
এখন আমি অনেক বড় হয়েছি। নিজের স্বিদ্ধান্ত নিজেই নিতে পারি । কক্ষনওই কার্টুনের মত লাফাই না। এখন ঘুরতে যেতেও ইচ্ছা করে না। ভুলেও তাকাই না পরস্ত্রী বা পরপ্রেমিকার পানে।
এখন আমি স্থীর , কোন পাগলামী নেই আচরনে। শুধু একটা অভ্যাস এখনও ধরে রেখেছি। নির্ঘুম রাত জাগি আগের মত। কিন্তু কথা বলতে বলতে রাত পার হয় না। আগে সাথী ছিলো মোবাইল ফোন, আর এখন একাকিত্ব।
আচ্ছা তুমি কি আগের মতই বানর হও?
দুইপাশে ঝুটি বাধো পুতুলের মত?
নাকি শীতে ঠোট ফেটে গেছে ?
তোমার মনে আছে যখন তুমি আমার সাথে বসে কথা বলতে, তখন আমি অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখতাম তোমার স্নিগ্ধ ঠোটের পানে। আর তুমি বলতে কি দেখ অমন করে?
আমি বলতাম তোমায় দেখি।
তুমি বলতে আমার কি রূপ জালাইছে নতুন করে ?
আমি বলতাম তোমায় তো আমার প্রতিদিনই নতুন লাগে ।
বলতে ঢং বাদ দাও।
ইন দ্য টাইম অব দ্য বাটারফ্লাইস
চার বোনের কথা বলি।
প্যাটরিয়া, দিদি, মিনার্ভা ও মারিয়া তেরেসা। ওদের বলা হয় মিরাবল সিসটার্স। জন্ম যথাক্রমে ১৯২৪, ১৯২৫, ১৯২৬ ও ১৯৩৫ সালে, ডমিনিক রিপাবলিকের সিরাস অঞ্চলে। বাবা এনরিক মিরাবল ও মা মারিয়া মেরসিডস রিয়েস।
মিনার্ভা ও মারিয়া বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত গিয়েছিলেন উচ্চশিক্ষার্থে।
ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রে তখন রাফায়েল ট্রুজিলার স্বৈরশাসন। মিরাবল বোনরা স্বৈরশাসক ট্রজিলোর বিরুদ্ধে নানা ধরনের আন্দোলনে সক্রিয় ছিল। বিশেষ করে মিনার্ভা ছিল বেশি সক্রিয়। ফলে কারাগারেও যেতে হয়েছিল মিরাবল বোনদের। ১৯৬০ সালের ২৫ নভেম্বর এই মিরাবল বোনদের বহনকারী মোটরগাড়ির দুর্ঘটনা ঘটে। বলা যায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাদের হত্যা করা হয়। বলাই বাহুল্য ট্রজিলা ছিলেন এই ঘটনার হোতা। তার নির্দেশেই হত্যাকান্ড ঘটনো হয়।
নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড ট্রজিলোবিরোধী আন্দোলনকে উস্কে দেয়। এর এক বছরের মধ্যে ট্রজিলাও আততায়ীর গুলিতে নিহত হয়েছিল।
রাধা যাবে অভিসারে

সাঁজ নিয়েছি নীল ময়ূরের
ঘন নীল শাড়ি
কোমড়ে পড়েছি রূপালি বিছা
নাকে নাকছাপি।মন মেতেছে কালো ভ্রমরে
সিঁদ কাটে দিনদুপুরে
চাঁদ তুমি দূরে পালাও
কেউ যদি দেখে ফেলে প্রানবন্ধুরে!ঝেপে আস তাড়াতাড়ি যমকালো রাত্রী
সয় না আমার কোন দেরী
ঢেকে দাও ব্রজভূমি তোমার চাদরে
দেখা হবে মনের মানুষে গোপনে।ঘরের প্রদীপ ঘরে রইল
টিমটিমে তাঁর আলো
মন পড়ে রয় চাঁদের পানে
বরন ঘন কালো।স্বীয়ভালে থাকে যে জনা
চাঁদের আলো দেখেও দেখে না
তাঁর সনে দিলাম আড়ি
মনের মানুষই হয় রাধেঃস্বামী।ছাড়তে পারি প্রাসাদের ছায়া
মন-মানুষের বড় মায়া
বাঁশরীর সুর মনকাড়া
জাদু করেছে সেই রাখালরাজা।রাধা যাবে আজ অভিসারে
মিষ্টি চাঁদের সুবাসে
বহু দিনের ঘাসফুলের সাধ
শোভা দিবে নৃপতাজ।
ম্যান বিহাইন্ড দা গ্লাস বার
এই মিলে তিনবার গোনা হলো - না - কোনো ভুল নেই- দশ হাজার টাকা কম পড়ছে - এই শীতের সন্ধ্যায়ও মাসুমের কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম - মাথাটা কেমন ফাঁকা ফাঁকা লাগছে - তার ভাগ্যটা এত খারাপ কেন - এত সতর্ক থাকে- তবু ... আজকে কাস্টমারের চাপটা বেশি ছিল - অনেকগুলো বড় পেমেন্ট হয়েছে - কোথাও একটা ভুল হয়ে গেছে - কিন্তু শোধরাবার সুযোগ কি আছে?
দু'বছর হলো এই চাকরিতে ঢুকেছে মাসুম - ব্যাঙ্কের চাকরি - ক্যাশ অফিসার - কাজের চাপটা বেশি - সেটা সমস্যা না - কিন্তু সার্বক্ষণিক ঝুঁকিটা বড় পীড়াদায়ক- সামান্য অসতর্কতার দণ্ডি দিতে হয় গুনে গুনে - উপরন্তু আছে ম্যানেজারের গালাগালি - না - মাসুম অসতর্ক নয় - কাজের সময় সাধ্যমত সাবধানতা অবলম্বন করে - কাজেও সে দক্ষ - তবু নিয়তির মার তো এড়ানো যায় না.
মাসুম পেমেন্টে বসে - তার দায়িত্বটাও বেশি - রিসিভের ছেলেটি একেবারেই নতুন - মাসুম তাকে চোখে চোখে রাখে - পাছে বেচারা বিপদে পড়ে - কিন্তু আজকের বেচারা যে সে নিজেই.
হাসপাতালে কতিপয় চিকিৎসকদের দূর্ব্যবহারের প্রতিকার কী? আসুন অন্তত একজন করে কুলাঙ্গার চিকিৎসককে চিহ্নিত করি
‘এই এগুলোকে ভাগাও, এগুলোকে এক্ষুনি ভাগাও’
উদ্ধত ভঙ্গিতে ডাক্তার এসে আমার সমনে আমার প্রতি আঙুল নির্দেশ করে ওয়ার্ড বয়কে কথা গুলো বলে। আমি বিষ্ফোরিত চোখে চেয়ে থাকলাম। যেন মনে হলো কেউ একজন কুকুর-বেড়াল তাড়াচ্ছে। সম্বিত ফিরে পেতে কয়েক মুহুর্ত সময় লাগলো আমার।
বললাম, ‘ডাক্তার! এটা কোন ধরনের ব্যবহার হলো? আমরা কি কুকুর-বেড়াল নাকি?’
তিনি কথার উত্তর করলেন না। গটগট করে হেঁটে গেলেন। তাঁর হাঁটবার ভঙ্গিতে ভাবখানা এমন যেন মনে মনে ভাবছে সে মানুষের চেয়ে উচ্চস্তরের কোন অভিজাত প্রাণী সে। সাথে সুন্দরী ইন্টার্নি নিয়ে হাওয়ায় ভাসতে ভাসতে চারপাশের রোগীদের যেন পোকামাকড়ের মতো দেখছে।
এটা যে একটি পাবলিক মেডিকেল হাসপাতাল সে কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বললাম, ‘আপনি তো রোগীদের সাথে এমন ব্যবহার করতে পারেন না।’
তিনি ঘুুরে এসে আবার বলতে থাকেন, ‘ এগুলোকে ভাগা। কোথায় দাড়োয়ান? এগুলোকে এক্ষুনি ভাগা।’
জিজ্ঞেস করলাম, ‘ডাক্তার আপনার নাম কি?’
তিনি উত্তর দিলেন না।
আবারও তাঁর নাম জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি আমাকে নিজের নাম না বলে বললেন, ‘ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নিকট শুনে নেবেন।’
জয়নব
মাঝরাতে দরজায় কে ধাক্কা দিচ্ছে এমন জোরে জোরে? ফাগুনের মাঝামাঝি কিন্তু ঠিকই সন্ধ্যা নামলে জারের চাদর মোলায়েম বিছিয়ে থাকে চারপাশে আর ফিনফিনে মশারীর মতো কুয়াশা ঢেকে রাখে চারপাশে। কুপির আলো উসকে জয়নাব বিছানা ছাড়ে, মিলের চাদরটা জড়িয়ে বারান্দায় থামে, শব্দটা আবার পায়, ঠিকই কেউ দরজায় ধাক্কা দিচ্ছে।
জয়নাব ত্রস্ত গলায় হাঁক দেয় কে?
আমি, দরজা খুল।
এই সময় তো তার আসবার কথা না, জয়নাব নিজেকে সামলে নিয়ে পুনরায় প্রশ্ন করে আপনি?
হ্যাঁ, এখন দরজাটা খুল।
জয়নাব পাখীর মতো উড়ে উড়ে দরজার দিকে গেলো যেনো। দরজা খুলে মানুষটাকে অবাক হয়ে দেখে জয়নাব, চোখে প্রশ্ন
শহরের অবস্থা খারাপ রে বৌ, সব বন্ধ, হাতে কাজ নাই তাই চলে আসলাম বাসায়
দাঁড়ান আপনাকে পানি গরম করে দেই, এত রাইতে আবার কলঘরে যান ক্যান? এই রাইতে ঠান্ডাপ ানিতে গোসল করে একটা জ্বর বাধান আর কি তারপর যমে মানুষে টানাটানি হউক। আপনি দাঁড়ান আমি চুলাটাতে এক হাঁড়ি পানি বসায় আসতেছি।
ও বন্ধু আমার(বন্ধু নিয়ে আমার লেখা গান)
ও বন্ধু আমার হারানো আকাশের নীল
পুরোনো হাসিতে মলিন
ওবন্ধু আমার কত চেনা!
ও বন্ধু আমার কোথায় আছিস কেমন?
হারানো দিন কেন আজ ফিরে চায় এ মন!
ওবন্ধু আমার ভাল থাকিস কেমন?
সময় কি ছাড়াতে পারে পুরোনো হাতের বাঁধন!
কবেকার কোন্ শ্রাবণে কবেকার কোন্ সুখ
কোথাকার কোন মেয়ে ভাসিয়ে দিয়েছিল বুক।।
অবসরের অলস মুহূর্তে মনে পড়ে সেইক্ষন...
ওবন্ধু আমার কোথায় আছিস কেমন!
বন্ধু আমার ভালো থাকিস কেমন!
কবেকার কোন ফাগুনে পলাশ বেলার মেলা
স্কুল পালিয়ে হারিয়ে গিয়েছি সারা দুপুর সন্ধ্যাবেলা।।
অবসরের অলস মুহূর্তে খুঁজে ফিরি সেইক্ষন...
ও বন্ধু আমার কোথায় আছিস কেমন!
সময় কি ছাড়াতে পারে পুরোনো হাতের বাঁধন!
শীত বার্তা ২
খেয়াল করে দেখলাম শীতের কাপড় সংগ্রহ ও বিতরণ প্রক্রিয়াটা বিষদভাবে লেখা তেমনভাবে কোথাও খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ ব্যাপারটা জানলে অনেকেই নিজেরা কাপড় সংগ্রহ করে বিতরণ করতে পারেন। আমি সংগ্রহ প্রক্রিয়া জানি। বিতরণের জন্য পরিচিত মানুষ খুজে বের করতে হয়। আমি সংগ্রহ প্রক্রিয়াটা বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বিষদভাবে জানাচ্ছি। বিতরণ প্রক্রিয়া জন জনে আলাদা হতে পারে।
সবচেয়ে ভালো হয় ব্যাপারটা দুই ভাগে ভাগ করলে।
১। সংগ্রহকারীরা এবং ২। বিতরণকারীরা।
সংগ্রহকারীরা যা করতে পারেন
ধাপ ১ (চিঠি লেখা)-
*এলাকাবাসীদের উদ্দেশ্যে একটা ছোট্ট চিঠি লিখুন যেখানে সংক্ষেপে লেখা থাকবে আপনারা এই এলাকাবাসী, আপনারা বন্ধুরা শীতের কাপড় সংগ্রহ করছেন, বিতরণের জায়গার নাম, কাদের বিতরণ করা হচ্ছে।
*তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কাছে কাপড় না থাকলে তারা যে কোন পরিমাণ টাকা দিয়ে অংশ নিতে পারেন সেটাও জানিয়ে দিন।
*চিঠির শেষে একটি ভালো কাজে অংশ নেওয়ার জন্য তাদের শুভেচ্ছা দিয়ে, ধণ্যবাদ দিয়ে চিঠি শেষ করুন।
*চিঠি প্রিন্ট করুন এবং প্রাথমিকভাবে ২০ কপি ফটোকপি করতে পারেন।
মনে রাখা দরকারঃ