ইউজার লগইন
ব্লগ
হ্যাপী বার্থডে জেবীন আপু!
মন মেজাজ শরীর সব খারাপ। অবষাদ আর ক্লান্তিতে বসে আছি চায়ের দোকানে। বাসায় তো আর গীজার নাই তাই ঠান্ডা পানিতে গোসল করতে এতো রাতে মন চায় না। এরকম জঘন্য দিন আমার খুব কম আসছে যে একদিনে তিনটা পরীক্ষা। পারি না পড়ি নাই কিছুই তাও দিয়ে আসলাম। একেকটা পরীক্ষায় কি লিখবো তা ভাবতে ভাবতেই সময় গেছে। শুধু ভার্সিটির সেমিষ্টার ফাইনালটাই একটু জাতের হইছে ক্লাস করছিলাম বলে। অথচ বিসিএস নিয়ে পোলাপানের যে সিরিয়াসনেস তা ম্যাট্রিক পরীক্ষার নার্ভাসনেসের কাছেও হার মেনে যায়। আমি কিছুই করিনা হাড়কাপানো শীতে রিকশা দিয়ে যাই যেয়ে বসে পোলাপানের ক্রিকেট খেলা দেখি মাঠে। সবার পরে হলে ঢুকি আর চেষ্টা করি সবার আগে খাতা জমা দেয়ার। কি লিখলাম তা নিয়ে ভাবি না প্রশ্ন মিলাই না ছিড়ে ফেলে দেই। আমার পাশে যে বসা তৌহিদ ভাই তার ধারনা আমি হিমু রাশির লোক তাই সিরিয়াস না এসব নিয়ে। আসলে আমার বাংলা লেখা সহজে আসে না। পিসিতে বা মোবাইলে লিখতে দিলে দিস্তায় দিস্তায় পেজ লিখতাম কিন্তু খাতায় কলম চলে না। এ এক বিপদ। আর বিসিএসে প্রতিটা প্রশ্ন অংক বাদে প্রচুর তথ্য জানতে হয়। আগে মাথায় প্রচুর তথ্য রাখতে পারতাম এখন কিছুই মনে থাকে না। মাথায় খালি ফেসবুক চায়ের দোকা
জীবন বৃত্তান্ত - এম এ বেগ
আলোকচিত্রাচার্য মঞ্জুর আলম বেগ , যিনি এম.এ.বেগ. অথবা বেগ স্যার নামে বেশি পরিচিত, ২০০৭ সালে একুশে পদক প্রাপ্ত, বাংলাদেশের ফটোগ্রাফীর প্রবাদ পুরুষ, ওনার সংক্ষিপ্ত জীবনী সংকলন করলাম।
M.A. BEG
একুশে পদক ২০০৭
Dip-in-Photography & MIRT (UK), FBPS (BD), ASIIP (INDIA),
Hon. FBPS (BD), Hon.FPAD (INDIA), ESFIAP (Int’l)
পারিবারিক
মনজুর আলম বেগ (এম, এ, বেগ) নানার বাড়ীতে, রাজশাহীর নবাবগঞ্জ জেলায়, শ্যামপুর গ্রামে ১৯৩১ সালে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা প্রফেসর হোসামউদ্দিন বেগ (ছোট হুজুর) বরিশাল বি.এম. কলেজের আরবী ও ফারসীর অধ্যাপনা শুরু করেন মুর্শিদাবাদ থেকে বরিশালে এসে ১৯২৫ সালে। মাতার নাম যাহেদা চৌধুরী।
শিক্ষা বিষয়ক
১৯৪৭ সালে ম্যাট্রিক, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৯৭২ সালে এইচ.এস.সি. পাশ করেন ঢাকা বোর্ড থেকে।
১৯৪৯ সালে পাকিস্থান এয়ার ফোর্স টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারে ফোটগ্রাফী বিষয়ে করাচীতে প্রশিক্ষন লাভ করেন।
এ বাংলার, শাশ্বত শীত প্রকৃতির গল্প ঃ `ঝরা পাতার গান ' পর্ব-১
কুয়াশার অন্ধকারে হাজার বছর ধরে শীত কন্যা আসে ষড়ঋতুর লীলা বৈচিত্রের হেমন্তের ফসলে আঁকা মেঠো পথ ধরে। স্থান, কাল ভেদে এ শীত কন্যায় রূপ নানা অঞ্চলের দেব-দেবীর মত নানা সজ্জায় সজ্জিত হয়। হেমন্তের মাড়াই করা ধান বড় বড় কড়াওয়ালা মাটির হাড়িতে রাখতেই শীত রূপসী শীতের নানা উপকরণ কুয়াশার চাদরে ঢেকে এনে রাখে গৃহস্তের আঙ্গিনায়; কড়াওয়ালা মাটির হাড়িতে টোকা দিয়ে বলে, ‘এই গৃহস্ত আমি এসেছি ; চল, পিঠা-পুলি-পায়েস বানাই।’
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে রাজনীতি করবে কারা ?
ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধের দাবী এদেশে অনেক পুরনো। অনেকে মনে করেন এখনি সময় ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধের। অনেক ইসলামী চিন্তাবিদও এক সময় ইসলামে রাজনীতি হারামের ফতোয়া দিতেন। তাদের কেউ কেউ পরবর্তিতে নিজেরাই ইসলামী রাজনৈতিক দলের কর্ণধার হয়েছেন।
এদেশে প্রচলিত গণতন্ত্র কি ইসলাম সমর্থন করে? ইসলামী চিন্তাবিদদের উত্তর- না। তাহলে তারা কেন এদেশে ভোটের রাজনীতি করে? তাদের উত্তর "মন্দের সয়লাব রুখতে প্রয়োজনে গণতন্ত্রের মাধ্যমে নির্বাচন করা জায়েজ আছে 'তীব্র প্রয়োজন হারামকে হালাল করে দেয়' মূলনীতির ভিত্তিতে। তারা যদি নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় যায় তাহলে কি তারা গণতন্ত্র রাখবে এই দেশে? তাদের উত্তর হল-না। তারা চায় খেলাফত প্রতিষ্ঠা। তারা বলে,আল্লাহর দেয়া নির্ধারিত পথ খিলাফত প্রতিষ্ঠা ছাড়া মানুষের গড়া মতবাদ গণতন্ত্র দিয়ে কখনোই ইসলাম প্রতিষ্ঠা সম্ভব হতে পারে না।
March 26, 1971 / Start of Bangladesh War of Independence
March 26, 1971 / Start of Bangladesh War of Independence
Magnum Photographers
40 Years since the start of the Bangladesh War of Independence.
Link

© Raymond Depardon/Magnum Photos
Near Jessore. December 1971.
The Pakistani army is routed.

© Raymond Depardon/Magnum Photos
BANGLADESH. November 1971.

© Abbas/Magnum Photos
পাঁচ পাঁচটি পার্সেন্ট কতটুকু হেলা করা যায়?
![]()
ওরা পাঁচ পারসেন্ট ওরা গিরগিটি, বর্ণচোরা
গিরগিটি যখন অজগরের সওয়ার
তখন চিন্তা করতই হয়।
ওরা আল্লাহ বেচে খায়, ধর্ম দিয়ে মানুষ চিনে
দাঙ্গার প্রয়োজনে ওরা মসজিদ ভাঙে;
ধার্মিককে কোরআন হাতে নিয়ে দেখাতে হয় না,
দুষ্কৃতিকারীর ছলের অভাব হয় না;
তোমরা ওদের হেলা করতে পার আমি পারি না।
একথা আমি ভুলি নাই--
তারাই ক্ষমতায় ছিল যারা স্বাধীনতার শত্রু।
দেশ জুড়ে সিরিজ বোমা হামলা আমি ভুলি নাই,
বাংলাভাইকে আমি ভুলি নাই,
২১শে আগস্ট, রমনার বটমূল
কোনটাই আমি ভুলি নাই।
ভুলি নাই হাটহাজারি,
ভুলি নাই আহাজারি রামুতে সাতক্ষীরায়।
ভুলি নাই শৈবাল সাহা পার্থের মায়ের কান্না,
ভুলি নাই ভোলা যায়ও না।
এসব অজগর ও তাদের সওয়ারির মিলিত ফল।
ওদের স্ট্রং ইকোনমি আমি দেখেছি,
ওদের সাংগঠনিক শক্তি আমি দেখেছি। আমি চট্টলাবাসী।
দেখেছি তারা বিশ্বাস নিয়ে খেলে
কি করে মানুষকে উন্মত্ত করে তোলে।
অল্প কিছু সময়ের জন্য মহাকালের উপরিভাগে ভেসে উঠেছি
ক্রিস্টিয়ানোর সঙ্গে দেখা হলো অনেকদিন পর। বলছিলো, এই মেয়েটাই নাকি ওর জীবনের শেষ প্রেম।
আমি বললাম, বললাম না কিছু আসলে, হাসলাম। ব্যপারটা ক্রিস্টিয়ানোর চোখ এড়ালো না। ছেলেবেলার বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হওয়ার মজা একটাই। খানিকটা হলেও ছেলেবেলাটায় ফিরে যাওয়া যায়। সে সময়কার সুতার টেনশনটা এখনো মনের ভেতর টের পাই। আশা জাগে এখনো হয়তো বুড়িয়ে যাই নি।
বিশ্বজিতের লাশ মরেও রেহাই পাচ্ছে না।
বিশ্বজিতের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের উপরে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দৈনিক মানবজমিন, দৈনিক জনকণ্ঠ, দৈনিক সমকাল, দৈনিক ইত্তেফাক এবং অন্যান্য কোনো পত্রিকাও হয়তো এই পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রকাশ করতে পারে।
দৈনিক মানবজমিনের প্রতিবেদনের শিরোণাম ছিলো " চাপাতির কোপ খুঁজে পায়নি ফরেনসিক বিভাগ"
দৈনিক সমকালের প্রতিবেদনের শিরোণাম "ময়নাতদন্ত রিপোর্টে মাত্র দুটি আঘাতের চিহ্ন!:
দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদনের শিরোণাম " বিশ্বজিতের শরীরে কোপের চিহ্ন নেই!
ময়না তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন "
দৈনিক জনকণ্ঠের প্রতিবেদনের শিরোণাম " বিএনপিকর্মী ভেবে ভুলবশত বিশ্বজিৎকে হত্যা"
ক্ষয় বিষয়ক কিছু উপলব্ধি
........................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
বিশ্বজিতের মৃত্যুর দায় আমাদের সবার
আমরা ষোল কোটি মানুষের মধ্যে সর্বোচ্চ কত সংখ্যক মানুষ সক্রিয় রাজনীতি করি বা সক্রিয় রাজনীতির সাথে জড়িত?
ফেটে যাওয়া ঠোটেঁ হাসি...
অতি বাস্তবের ঘূর্ণাবর্তে নিজেই এখন উপন্যাস বা ছোটগল্পের উপজীব্য, দেশলাই জ্বালতে জ্বালতে ছাইটুকু উড়াতে গিয়ে মনে পড়ে শীতের সেইসব ঘন চুম্বন; আত্মজার ঘ্রাণে প্রেম কায়া ইতিহাসের অংশ, পরিযায়ী তুমি, আ্মার করোটিতে জন্মভূমি, পরিবার- কোন অয়েভ লেংথে কোকিছু আর মিলছে না কোনভাবেই। সাগর পেরানো আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল সব বিল মিটিয়েও তোমার প্রস্থানের অভাব পূরণ করতে পারে না।
আমি অবন্যিস্ত, অতি মাত্রায় দায়িত্বশীল, আমি নিশিপক্ষী, মোবাইলের স্ক্রীণ, আমি বন্ধুহীন, আমার ঠোঁটে লাগেনি ভেসলিন-আমি ফেটে যাওয়া ঠোটেঁ করি আগুন চুম্বন, প্রেম বোকা নারীর একমাত্র অলীক ভূষণ....
বাংলাদেশ
পথ ধরে যে নিজের মত চলছে পাশাপাশি,
হয়ত তারে দূরে ঠেলি হয়ত ভালবাসি,
হয়ত দেখাই হৃদ্যতা বা হাসির দেয়াল তুলি,
হয়ত কিছু অমিল পেতেই আর যা কিছু ভুলি;
হয়ত অমিল কথায় কিবা অমিল মতামতে,
হয়ত অমিল বেশভূষা আর পোশাক পরিচ্ছদে,
হয়ত অমিল বিশ্বাসে আর হয়ত অমিল কাজে,
হয়ত অনেক অনেক অমিল কেবল চোখে বাজে-
কেবল জানি অমিলগুলো কোথায় যেন এসে,
হাজার 'আমি' 'আমরা' হতেই সরলরেখায় মেশে;
আমরা হতেই সাকিব তামিম আমার হয়ে দাঁড়ায়,
আমরা হতেই প্রত্যাশারা একার সীমা ছাড়ায়,
আমরা হতেই তীব্র বিষাদ-ক্রোধ-হতাশার সুর,
আমরা হতেই প্রবল উছাস,আনন্দ-ভরপুর,
আমরা হতেই সবুজ শ্যামল অনন্য রূপ দেখা,
আমরা হতেই সংস্কৃতি আর ঐক্যে গড়া রেখা,
আমরা হতেই কালের ঘড়ি, রঙ্গীন দিনের আশা,
আমরা হতেই সুরের ছোঁয়া, শান্তি ভালবাসা,
আমরা হতেই বৈশাখী আর ফাল্গুনে বই মেলায়,
আমরা হতেই মিছিল-মিটিং উদ্দীপনার খেলায়,
আমরা হতেই রায়েরবাজার দীর্ঘনিঃশ্বাস আনে,
আমরা হতেই আমতলা আর 'আমার ভায়ের' গানে,
আমরা হতেই স্বজনহারার তীব্র শোক আর ক্রোধে,
আমরা হতেই ন্যায়হীনতায় প্রবল প্রতিরোধে,
আমরা হতেই একাত্তর আর উনসত্তর ডাকে,
একটি পরাধুনিক গাণিতিক কবিতা
১ বলে আমিই শ্রেষ্ঠ ২ বলে কি তাই
৩ আর ৪ এ হাতাহাতি মূল ভাগটা চাই।
৫ পাড়ে ম্যাঙ্গো আর ৬ বসে ভাবে
৭ এর বাড়িতে কবে দাওয়াতটা পাবে।
৮ ব্যস্ত মেরামত আর জিহবায় দিতে ধার
বাকী সব গোল্লায় যাক ৯ হলেই তার।
১০ খায় রসগোল্লা আর ১২ ঘুমায় ঘোরে
১১ মারে চপেটাঘাত ১৩র কপাল পোড়ে।
১৪ কিন্তু জন্ম কানা জীবন সংশয় তার
১৬ করে বিজয় উল্লাস রুখবার সাধ্য কার।
ভাবছেন ১৫ গায়েব বুঝি তার দেখা নাই ক্যান
সে বেচারা সংসার কষ্টে গুহায় করে ধ্যান।
রইলো যা বাকী সংখ্যা রোদ পোহাতেই ব্যস্ত
ভেবেই খুশী দ্বায়ীত্ব সব শূন্যের (০) র উপর ন্যস্ত।।
একটি প্রার্থনা
শুনতে কি পাও তুমি - দাসানুদাস ডাকছে তোমায় - শুনতে কি পাও - মলিন জায়নামাজে দেখো - স্থিত এই দেহ - ভালবাসা বিনয় - আকাংখা আর ভয় - কাঁদছে হৃদয় - শুনতে কি পাও - উদ্ধত শির - আজ সিজদায় নত - শরীর কেঁপে ওঠে - অনির্বচনীয় আবেগ যত - কিছুই কি তোমার হয়না গোচর ?
কঠোর দৃষ্টি কখন যে কোমল হলো - আমারও হয়নি ঠার - কন্ঠে বাস্প -অশ্রু অজস্র - কোথায় অহংকার? সর্বদ্রষ্টা প্রভু আমার - কিছুই কি দেখো না তুমি - এই যে দেখো কাঁপছে হাত - হাতের রেখায় তাই পুরনো মোনাজাত - সব কাজ ঠেলছি দুরে - ভুলছি দেখো আজ সব অজুহাত.
দেখা দাও প্রভু - আজ দেখা দাও আগের মত - জানালায় নড়ে ওঠা পর্দার ভাঁজে - যেভাবে অলৌকিক চাঁদের আলো সাজে - সেভাবেই নাহয় দেখা দাও - অবুঝ বান্দা তোমার - করজোড়ে তোমায় দিচ্ছে দাওয়াত - দীনহীন গৃহ তার - মিম্বর নেই - আতর গোলাপ সুগন্ধির বালাই নেই - আছে এক জীর্ণ জায়নামাজ - যুক্তি বোঝে না বান্দা তোমার - আঁধার ঘরে তাই আজ অভিমানী মোনাজাত তার.
ডাহুক ও রাতের মানচিত্র -৩
বিনিদ্র ডাহুক, নিশুতি রাতের সাথি; দুঃখ নীল পাখি
তোমাকে খুঁজিয়া ফিরে ভেজা ঘাসফুল,কালো মেঘ লাজরাঙা আঁখি।
ডাহুক প্রাণের পাখি - বীজতলা ভরে আছে নাকফুলে সোনার দানায়
নয় অভিমান-রুপোলি দিঘির জলে সরপুটি টাকিমাছ ঘুরিয়া বেড়ায়।
তোমার কোমল গ্রীবা প্রিয়ার অলক বেণী, মেঘের শরীর
তোমার হলুদ ঠ্যাং খুঁজে ভেজা মেঘ, কোহালিয়াচর মুহুরি নদীর তীর,
তোমার ক্রন্দন শুনে আঁধার শাওন রাত – পৃথিবী নিথর
কবির কোমল বুক পুড়ে ইটখোলা
মেঘের মলিন মুখ কবিতার চর।
ডাহুক, বাউল পাখি-
নগরের নাভিমূলে হাত রেখে চলি,
আকাশে অনার্য চাঁদ – অচল আধুলি।