ইউজার লগইন
ব্লগ
ঘামে ঘামে তারা ক্রমে মে দিবস হয়ে উঠে
...............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
শ্রমিকের মজুরীতে যারা ভাগ বসায় নিয়তঃ
আজো তোমার সন্তান কাঁদতে কাঁদতে রাস্তায় হাঁটে
আব্বাজান,
১.
তখন শিশু শ্রেণীর ক্লাস। তোমার চাকরিও নাই। তাই স্কুলের জুতা নাই। কখনো কখনো টিফিন নাই।বছর শেষে নতুন ক্লাসে ভর্তি হওয়ার পয়সা থাকাও স্বপ্ন। স্কুলে যাওয়ার পথে কান্না। স্কুলে চুপচাপ বসে থাকা.. একপর্যায়ে স্কুল থেকে নাম কাটানো... তখন আমি খুব ভাব ধরলাম- এ স্কুল পছন্দ না.. এই তো কিছুদিন পর নতুন স্কুলে কম বেতনে নতুন ক্লাসে ভর্তি হবো! যেখানে বেতন বকেয়া থাকলেও নাম কাটবে না। বাসা থেকে হাসিমুখে বের হলাম, স্কুলে গেলাম হাসিমুখে..কাঁদলাম রাস্তায়...
২.
অস্ত যাওয়া সূর্যের বিরহ
পথ হারিয়ে, দিন ফুরিয়ে
ছদ্মবেশ ধারণ করেছে
একটি শালিক।
তুমি তার কতটুকু জানো-
কতটুকু জেনেছে গতকাল
কতটুকু জানবে আগামীকাল?
ছাড়ো, এইসব ছেড়ে দাও
নতুন করে বুকের কপাট খুলে দাও,
অস্ত যাওয়া সূর্যের বিরহে
বসে না থেকে
সদ্য ওঠা চাঁদের দিকে তাকাও
রাতটা ভালো করে কাটবে।
এবং আগামীকালকে জানিয়ে দিয়ো
প্রথম প্রেম বলে কিছু নেই সকল প্রেমই প্রথম
গল্প: আওয়াজ
-স্যার, ঘুমাচ্ছেন?
- না, মোকাররম। চোখ বন্ধ করে ছিলাম। বলো কি বলবা।
-ছাত্ররা স্যার আপনার বিরুদ্ধে আলাপ সালাপ শুরু করেছে।
-কোথায়?
-টঙ দোকানে। নিজেদের আড্ডায়।
-করুক। ছাত্রদের কাজই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কথা বলা। ওই বয়সে আমিও বলেছি।
- যে কোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি বিগড়ে যেতে পারে স্যার। তাই বলছিলাম...
- বিগড়াবে? কী আর হবে? বিপ্লব হবে?
- হতেও পারে স্যার।
- ভয় পেও না মোকাররম। আজকাল ছেলেপেলেরা বিপ্লব কি জিনিস বোঝে না। তাদের জন্ম বিপ্লবের জন্য হয়নি। তারা কাপুরুষ। পুলিশের ডান্ডার বাড়ি খেলে সুরসুর করে ঘরে চলে যাবে।
- নাও তো যেতে পারে স্যার।
- যাবে না? না গেলে, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করে দেব। তারা হলো চাকরির জন্য পড়ে। এ ভয় সামলানোর ক্ষমতা তাদের নেই।
- তবে স্যার, অবস্থা ক্রমশ আপনার বিপরীতে যাচ্ছে। শুনেছি প্রক্টর তাদের পক্ষে যাচ্ছে।
শ্রীকান্ত (প্রথম পর্ব) [এক]
শরত্চন্দ্র চট্টপাধ্যায় এর বিখ্যাত উপন্যাস শ্রীকান্ত আমি এখানে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করব ।
শ্রীকান্ত
শরত্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
প্রথম পর্ব
[এক]
আমার এই ‘ভবঘুরে’ জীবনের অপরাহ্নবেলায় দাঁড়াইয়া ইহারই একটা অধ্যায় বলিতে বসিয়া আজ কত কথাই না মনে পড়িতেছে!
মেজাজ খারাপের কচড়া !!
ভোররাত ৩টায় ঘুমিয়ে যখন আপনি ৬টায় উঠে পরবেন,মানে আপনাকে ক্লাশের জন্যে উঠতে হবে তখন আপনার মেজাজ খারাপ হবে।
যখন ৭টার বিভীষিকাময় গাইনী ক্লাশে যাওয়ার জন্যে রাতের ঘুমের জামা-পাজামার উপর এপ্রন গলিয়ে,লেকচার খাতাটা নাকে মুখে গুজঁতে হবে তখন আপনার মেজাজ খারাপ হবে।
ক্লাশে মাননীয় টিচার ঢোকার পর ঢুকতে গেলে মুখের উপর দরজা লাগিয়ে দেয়া হবে এই ভয়ে যখন হুরোহুরি করে সিঁড়ি দিয়ে নামতে হয় তখন মেজাজ খারাপ হবে।
যখন বসার জন্যে যথারীতি ফ্যানের নিচের আরামদায়ক সিটটি দখল হয়ে যাবে তখন মেজাজ খারাপ হবে।
যখন ক্লাশে ঢোকার সব দৌড়-ঝাপ শেষ করে বান্ধবীর পাশে বসে কুটুর কুটুর করে গল্প করবেন ও সেই মুহুর্তে আপনাকে জানানো হবে আজ আর কোনো ক্লাশ হচ্ছেনা তখন মেজাজ খারাপ হবে।
ক্যান্টিনে খেতে বসে আবিষ্কার করলেন খাওয়া নেই তখন মেজাজ খারাপ হবে।
ক্ষ্যাপ
ঢাকা শহরে আমার ক্রিকেটে হাতেখড়ি এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের চুড়ান্ত সময়ে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিলন নিহত হওয়ার পর হুট করেই স্কুল বন্ধ, হোস্টেল থেকে হাটখোলায়, অভিসার সিনেমা হলের পাশের গলিতে, সেখানেই হরতালের দিন ক্রিকেটে হাতেখড়ি হলো। তখন বোলিং একশন ছিলো চুড়ান্ত রকমের বাজে, বল ডেলিভারি দেওয়ার সময় মাটিতে পা লেগে থাকতো, খালি পায়ে ৩ ওভার বোলিং করে রক্তাক্ত পা নিয়ে ফিরে আসলাম। এক সপ্তাহের বেশী আনন্দ স্থায়ী হলো না, এরশাদ পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর হেঁটে হেঁটে প্রেসক্লাবে গিয়ে দেখলাম একটা বিল্ডিং খুলে নিয়ে চলে গেছে উন্মত্ত জনতা। স্কুল-কলেজ শেষ করে পুনরায় ঢাকা আসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিপরীক্ষা দিতে, ধুপখোলা মাঠে, ততদিনে বোলিং একশন বদলেছে, পায়ে ঘষা লেগে লেগে বেশ কয়েকবার পা কাটবার পর আমি পপিং ক্রীজের আগেই লাফানো শুরু করেছি, পরে সেটাও বদলে ফেলেছি কোনো একভাবে।
অনেকদিন পরে এপ্লিকেশন লিখলাম...
হরতালে বাসায়। সকাল থেকে প্রত্যেক ঘণ্টায় একবার করে বিদ্যুৎ গেছে পরের ঘণ্টায় এসেছে। এভাবে জেনারেটরের সঞ্চিত তেল শেষ। ওদিকে পেট্রল পাম্প বন্ধ, স্থানীয় থানার নির্দেশ হরতালে তাদের অনুমতি ছাড়া তেল বিক্রয় করা যাবে না। এদিকে বিদ্যুতাভাবে জীবন অতিষ্ঠ। অবশেষে, থানায় এপ্লিকেশন লিখলাম ...আবাসিক কমপ্লেক্সের জেনারেটরের জন্য সংশ্লিষ্ট পেট্রোল পাম্পকে ডিজেল বিক্রয়ের নির্দেশ প্রদানের জন্য বিনীত আবেদন। মেজাজ খারাপ ছিল তাই, এপ্লিকেশন টা ইংরেজিতেই লিখেছি। আমার এপ্লিকেশন নিয়ে কেয়ারটেকার গেছে থানায়। পরবর্তী ফলাফল জানি না। আবার বিদ্যুৎ-শালা ফুড়ুত, ল্যাপ টপের ব্যাটারীও ক্লান্ত, তাড়াতাড়ি শেষ করি...
যাহোক, ভবিষ্যতে এই ধরণের আবেদন পত্র মাধ্যমিকের বাংলা/ইংরেজি বইয়ে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন মনে করছি...
~
পিকেটার
থাম এখুনি থাম,
তোরা থাম ভাঙিসনে বাস টেম্পো রিক্সা আর টেক্সি,
তোরা আগুন জালাসনে গরীবের দোকানে,
তারা ও তোদের মতো দিনে খায় দিনে এনে,
তোরা কি জানিসনে?
একদিন না চললে বাস চুলো জ্বলে না হেল্পারের ঘরে,
একদিন না চললে টেম্পো খেতে দেয় না হেল্পার ছৌট ছেলেটারে,
একদিন না চললে রিক্সা খাওয়া হয় না রিক্সাওয়ালাটার,
তোরা কি দেখিসনি বাস হেল্পার ছেলেটা সারাদিন ঝুলে বেড়ায়,
ঘামে শরীর তার ভিজে যায়,
তবুও সে যাত্রীদের বসতে দিয়ে নিজে দাড়িয়ে যায়,
কিছু টাকা বেশি পাবে বলে,
তার ছৌট ভাইটারে স্কুলে পড়াবে বলে,
বুক ভরা স্বপ্ন তার সে ড্রাইভার হবে,
একটা সুন্দর জীবন একটা সুন্দরী বউ পাবে,
তোরা দেখিসনি ১২ বছর বয়সী বালক টেম্পো হেল্পার,
গায়ে ছিন্ন ময়লা জামা বুক ভরা স্বপ্ন যার,
রুক্ষ তার চুল শরীর গেছে শুকিয়ে,
টেম্পোর পা দানিতে দাঁড়িয়ে স্কুলগুলোর দিকে যায় তাকিয়ে,
একদিন হঠাৎ.. [এলোমেলো কাব্যকথন]
একদিন হঠাৎ..
রাত জাগা চোখ;
খানিক ঘুমের পর,
হঠাৎ জেগে দেখে ভোর..
অবাক চেয়ে রয়;
বোকা, চেনা দেয়াল ঘড়িটা.।
এদিক ওদিক একেক কাজে;
ঘুম চোখে,
কেটে যায় খানিক সময়..।
অলস দুপুর..
অসময়ের ঘুমে;
পথ হারায়,
চেনা অচেনা স্বপন ভিড়ে..।
দুপুরের শেষ সীমায়,
আবারও, জেগে উঠা..
এক ফালি বারান্দায়,
শেষ বিকেলের মরা রোদ্দুর..।
গ্রিল-এর অপাশে;
অনেক দূরে আনমনে,
আকাশ দেখে মেঘলা চোখ..।
চেনা মুখের স্মৃতির খেলা;
ঝাপসা হয়ে আসে,
ক্ষণিকের বাস্তবতায়..
অচেনা গানের সুরে;
উদাসী হাওয়ায়,
ভিজে আসে চোখ..
থেমে থেমে চুমুকে;
কফির কাপে,
ভোরের সতেজ শুভ্রতা..।
সাঁঝের আলোয়;
বিকেল ছাঁদে,
মেঘের খেলায় আকাশ বদল..
অবাক আলোয়,
হৃদয় ভরার নিমন্ত্রন..।
দুরের আকাশের গা'য়..
হেটে চলে নানা রঙ মেঘ..
আকাশের ক্যানভাস জুড়ে,
কুসুম লাল; ফিরোজা তুলির ছোপ..।
মেঘেদের ভিড়ে উঁকি দেয়,
চেনা রবির অচেনা কিরণ..
যেসব রাতে আমার ঘুম আসে না
যেসব রাতে আমার ঘুম আসে না, সেসব রাতে আমি তোমায় নিয়ে ভাবি।
আমাদের প্রিয় ক্যম্পাসে চলে যাই, আমাদের সিঁড়িঘর
আমাদের বারান্দা, আমাদের করিডর।
যেসব রাতে আমার ঘুম আসে না, সেসব রাতে মনে পড়ে যায় কলাভবনের
ছাদের কথা। আমাদের প্রিয় ছাদটা আর নেই, কলাভবন
ছয়তলা হয়ে গেছে; তুমি কেমন আছো মন?
যেসব রাতে আমার ঘুম আসে না, সেসব রাতে আমার সুইসের পঁচিশ টাকা দামী
বার্গার আর গাউসুল আজমের সমমূল্যের জাটকা ভাজা'র মতো দুই
বিপরীত মেরুর জিনিসের কথাও মনে পড়ে।
আরো অসংখ্য কথা শুধু মনে পড়ে, পড়তেই থাকে
সবখানে শুধু তুমি আর আমি,
একটা সময় আমার একটা জীবন ছিলো খুব দামী;
তখন একেকটা সকাল আমাদের দু'জনকে কাছে নিয়ে আসতো
একেকটা দুপুর আমাদের দু'জনকে ভালোবাসা-বাসির সুযোগ করে দিতো
বিকেল আমাদের দু'জনকে বিলের জলে ভেসে বেড়াবার সুখ দিতো
একেকটা সন্ধ্যা আমাদের আকাশে কালো কালো মেঘ ডেকে আনতো
ফ্রেমবন্দী অনুভব: ১
ক. নিজের চোখের চেয়ে বড় কোনো ক্যামেরা আছে কিনা জানা নেই। এই তত্ত্ব ধারণ করে বহুদিন ক্যামেরা কেনা হয় নি। ক্যামেরা ফ্রেমের বাইরে যায় না, চোখ দেখে কোনা দিয়েও। যে কাদা-ময়লা-মাখা-জীবন চোখ সহ্য করতে পারে না, ক্যামেরা তাকে ফুটিয়ে তুলতে পারে নিপুণ শিল্পে! আকাশে বয়ে যাওয়া সাদা মেঘ চোখে তাই বাড়তি আলোড়ন না তুললেও ক্যামেরা এবং এইচডিআর মুখ দিয়ে বের করে নেয়- ওয়াও!
খ. জানতে চেয়েছিলাম, পড়ালেখা শিখে তোমরা কী করতে চাও?

ইহা একটি অনুর্বর মস্তিষ্কের গবেষণাধর্মী পোস্ট
......................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
ইহা একটি চুল্কানিমূলক গবেষণা ধর্মী পোষ্ট। যাদের চুল্কানির ব্যারাম আছে তাদেরকে এই ব্লগটা না পড়তে অনুরোধ করা যাচ্ছে। কেননা চুল্কানির জন্য মলম সরবরাহ করার ক্ষমতা আমার নাই। তারপরেও কেউ ভুলে পড়ে ফেললে চুল্কানির জন্য কতৃপক্ষ দায়ী নয়।
অনেকে প্রোফাইল এ কি ছবি দিবেন তা ঠিক করতে পারেন না। তাদের জন্য কিছু প্রোফাইল পরামর্শ দেয়া হইলো।
১) যারা স্বমেহন পছন্দ করেন না।তাদের প্রোফাইল এর ছবি হবে এইরাম
কবিতা '৭২~ '১২
কবিতা ’৭২ ~ ’১২
১
সবুরে মেওয়া ফলে জানেন তো !
সুতরাং সবুর করুন !
নাহয় পেঠে জ্বলুক আগুন
তিনটে বছর -----
তারপরতো সবই পাবেন,
কোর্মা খাবেন, কোপ্তা খাবে্ন ----
তিনটে বছর---
নাহয় একটু কমই খেলেন,
কি এমন এসে যায় !
আপনারা বড্ড বেশি চেঁচামেচি করেন ।
জিনিষ পাতির দাম বেড়েছে ?
আরে ---- এতে চেঁচাবার কি আছে ?
বিশ্বজুড়ে দাম বেড়েছে
দু’দশ গুণ সব কিছুরই,
এথায় নাহয় পাঁচশ গুণই,-----
এ নিয়ে নাহক হৈচৈ নাইবা করলেন !
আপনাদের মোটেই শোকর ছবর নাই,
কেবলই খাই খাই নাই নাই !
আরে ---- কিছুই কি পান নাই ?
সব কিছুর স্বাধীনতা যে পেয়েছেন,
এই যে নকল দখল খুন ধর্ষণ
ফ্রিলি করতে পারছেন,
এ সবও দেখছি ভুলে আছেন ।
আর স্মরণ করুন
পাকিদের হাতে মরতে ছিলে
কি বাঁচাই না বেঁচে গেছিলেন !
এর জন্য অন্ততঃ শোকর দেন !
আপনারা, মহিলারা বড্ড বেশি লাজুক,
টি সি বি’র শাড়ী পরেছেন ?
কি লেখা যায়?
......................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
ইহা একটি চুল্কানিমূলক গবেষণা ধর্মী পোষ্ট। যাদের চুল্কানির ব্যারাম আছে তাদেরকে এই ব্লগটা না পড়তে অনুরোধ করা যাচ্ছে। কেননা চুল্কানির জন্য মলম সরবরাহ করার ক্ষমতা আমার নাই। তারপরেও কেউ ভুলে পড়ে ফেললে চুল্কানির জন্য কতৃপক্ষ দায়ী নয়।
অনেকে প্রোফাইল এ কি ছবি দিবেন তা ঠিক করতে পারেন না। তাদের জন্য কিছু পরামর্শ দেয়া হইলো।
১। যারা স্বমেহন পছন্দ করেন না । তাদের প্রোফাইল এর ছবি হবে এইরাম