ইউজার লগইন
ব্লগ
কাহার তুমি বাংলাদেশ ?
-বাংলাদেশ, বাংলাদেশ !
কাহার তুমি বাংলাদেশ ?
-সুন্দরের, শ্যামলের ?
শুভ্রতার, সুস্মিতার ?
সমতার, সততার ?
সুমতির, সুনীতির ?
সংহতির, সম্প্রীতির ?
ন্যায়ের, নিয়মের ?
কাহার তুমি বাংলাদেশ ?
-বাংলাদেশ কুৎসিতের ।
বাংলাদেশ কুবৃত্তের ।
সন্ত্রাসের, সংহারের ।
সংঘাতের, সংঘর্ষের,
ধর্ণেষর, মর্ষণের,
দূর্জনের, দূর্মদের,
-বাংলাদেশ বজ্জাতের,
বাংলাদেশ কমজাতের,
হার্মাদের, হারামজাদের,
হারামখোর, ঘুষখোরের,
অন্যায়ের, ঔদ্ধ্যতের,
বাচালের, প্যাঁচালের,
বাংলদেশ উস্কানীর,
বাংলদেশ চুল্কানির,
বংলা আজ এসবের !
-বাংলাদেশ, বাংলাদেশ !
-কাহার তুমি ! বাংলাদেশ ?
গৌ্রবের ? বংলাদেশ ?
সৌ্রভের বংলাদেশ ?
ভ্রাতৃ্ত্বের, মাতৃত্বের ?
সুশীলের ! শালীনের ?
ধানের দেশ বাংলাদেশ ?
গানের দেশ বাংলাদেশ ?
সমৃদ্ধির, উন্নতির ?
ধান সিঁড়ির, জল সিঁড়ির ?
জলাঙ্গীর ! জল পরীর ?
কাহার তুমি বাংলাদেশ ?
শুধু চ্যানেল বদলাই
টিভির সামনে বসে শুধু চ্যানেল বদলাই-এত অনুষ্ঠান-কিন্তু মনে দাগ কাটে না কিছুই-নস্টালজিক হয়ে অতীতে ফিরে যাই-আকাশ সংস্কৃতি তখনও সেভাবে ঢুকেনি দেশে-বিটিভিই ছিল আমাদের সম্বল-সঙ্গ দিত ইন্ডিয়ান ডিডি চ্যানেল-বিটিভির বাংলা নাটকে তখন স্বর্ণযুগ-'ঢাকায় থাকি', 'এই সব দিনরাত্রি', 'অয়োময়', 'বহুব্রীহি', 'সংশপ্তক','কোথাও কেউ নেই','রূপনগর', 'বারো রকমের মানুষ'- এ তালিকা শেষ হবার নয়- আর বিদেশী সিরিয়াল গুলো- 'নাইট রাইডার', 'দা এ টিম', 'স্ট্রীট হক', 'ভয়েজার', 'দা মেনিমেল', 'রবো কপ', আর অবশ্যই 'ম্যাকগাইভার'- এই সিরিয়াল টি বোধহয় সবকিছুকেই ছাপিয়ে গিয়েছিল-আরেকটা সিরিয়াল-'ডার্ক জাস্টিস' -একদম ভিন্ন স্বাদের ছিল-পরবর্তীতে 'টিপু সুলতান' নামের সাইমুম ও এসেছিল এই দেশে-অদ্ভুত মানের একটা ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান (যার কথা কখনো ভুলবো না) - 'যদি কিছু মনে না করেন'-এর উপস্থাপক কে সবাই ভুলে গেছেন-শুধু হানিফ সংকেত এখনো মাঝে মাঝে স্মরণ ক
চক্বরের টুকিটাকি
চক্বরের টুকিটাকি
নিজের মনেই মাঝে মাঝে ভাবি আমি এমন ব্যাপক আকারে ঘোরাঘুরির প্রতি নিবিষ্ট হলাম কিসের মন্ত্রণায়! যেখানে বাংলাদেশের নারীরা এ পাড়া থেকে সে পাড়ায় যাওয়া ও পরিণত বয়সে একটি অপরাধের মধ্যে পড়ে। কিভাবে কিভাবে যেন হয়ে গেল।
নিরক্ষর বন্ধু আমার
মৃত্যু-কত রাত তোমাকে নেমন্তন্ন করলাম
খোলা দরজায় স্বাগত সাইনবোর্ড টানালাম
কত ভোরে - সাদা মাদুর পেতে তোমায় ডাকলাম
কত সূর্যালোকে-ঝুঁকিবহুল কত রাজপথে
কখনো হেঁটে - কখনো বা দ্রুতগামী বাহনের 'পরে
নিয়ত তোমাকে ভাবলাম
কিন্তু কই -তুমি তো এলে না বন্ধু
এত যে ভালবাসি-বোঝো না তুমি
৫ বাই ৩ জায়নামাজের সিজদায়
মোনাজাতে রত হাতের রেখায়
সদাই যে লিখলাম চিঠি
কিছুই কি পেলে না তুমি?
নাকি বন্ধু-নিরক্ষর তুমি
আমার প্রণয় কাব্য পড়তে অপারগ
নাকি কুঞ্চিত ভুরু-বিব্রত বিধাতার
তুমি সলজ্জ বাহক?
কুন্ঠা কেন বন্ধু এত
দেখো-এই বাড়ালাম হাত
বিশ্বাস কর-তোমার চোখে যত বিভীষিকা
তার চেয়ে কালো আমার এই রাত.
চিত্রগ্রাফী...
অনেকদিন ধরেই ভাবতেছি ছবি ব্লগ দেই একটা। কিন্তু আলস্যের কারণে দেয়া হয়ে ওঠে নাই। আইজ ভাব্লাম কি আছে দুনিয়ায়! কস্ট কইরা দিয়াই ফালাই একটা ছবি ব্লগ। কিন্তু কথা হইলো যে আমি গৌতম'দার মতো অত সুন্দর কইরা কথা লিখতে পারি না। সেইলাইগাই শুধু ছবি, আর লগে এগুলার নাম দিয়া দেই...
বিস্মৃত স্মৃতি

স্বপ্নের ভুবন

Time pass

Here comes the transport
হৈমন্তী... (২)
তাহার পিতা ছিলেন উগ্রভাবে সমাজবিরোধী। দেশের প্রচলিত নিয়ম কানুনের প্রতি তাহার কোন আস্থা ছিলো না। সরকারী চাকুরে হইয়াও তিনি ঘুষ খাইতেন না, নীতি কথা বলিতেন , তাহাতে সরকার , উর্দ্ধতন কর্মকর্তা তাঁহার উপর ক্ষুদ্ধ হইয়া তাহাকে খাগড়াছড়ি ট্রান্সফার করিয়া দিয়াছে। তিনি রাজধানীতে আসিবার জন্য পরবর্তিতে আর লবিং করেন নাই। আমার পিতা ছিলেন উগ্রভাবে সমাজের অনুগামী। সমাজে প্রতিষ্ঠা পাইতে হেন কাজ নাই, তিনি করেন নাই। অবৈধ পথে টাকা পয়সা কামাই করিয়া, সরকারী জমি দখল করিয়া, সর্বদা সরকারী দলের হইয়া কাজ করিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠা পাইয়াছেন। শিলা আমার শ্বশুড়ের একমাত্র মেয়ে। বাবার বিশ্বাস ছিল কন্যার পিতার সমস্ত টাকা ভাবী জামাতার ভবিষ্যতের গর্ভ পূরণ করিয়া তুলিতেছে।
নিরাশাগ্রস্ত মানুষদের পরিসেবায়
মা হীন মাতৃভূমি
www.mahinmatribhumi.org/
নিরাশাগ্রস্ত মানুষদের পরিসেবায়
* আপনি কি কোন বন্ধু অথবা আত্মীয়কে জানেন যার সাহায্য প্রয়োজন?
* আপনি কি কোন ইন্টারসেক্স শিশুকে চিনেন যে নির্যাতিত হচ্ছে?
* আপনি কি বিবাহ বহির্ভূত কোন যুবতী/নারীকে চিনেন যিনি গর্ভবতী এবং একা হয়েও অসহায় শিশু/ভ্রণটির জীবন রক্ষা করতে চান ?
* এ বিষয়ে আপনার মাধ্যমে আমরা সাহায্য করতে পারি।
** কৃপা করে মা হীন মাতৃভূমির উক্ত হোম পেজটি দেখুন এবং যোগাযোগ করুন। ব্লগেও লিখতে পারেন।
মা হীন মাতৃভূমি অ্যাডমিন ডেস্ক
পাঠ প্রতিক্রিয়া- সেদিন অনন্ত মধ্যরাতে।
মোস্তাক শরীফের সেদিন অনন্ত মধ্যরাতে পড়া শেষ করলাম, কিছু কিছু গল্প এক ঘন্টার নাটক হওয়ার সম্ভবনা রাখে- এ উপন্যাসটিও সে ধাঁচেরই। হালকা দু:খ, হালকা বিষাদ, হালকা প্রেম, হালকা জীবনবোধ, হালকা চটুলতা আর হালকা দার্শণিকতা, সব মিলিয়ে পাঠকপ্রিয় হয়ে উঠবার সব গুণই এই উপন্যাসের আছে।
যে গল্পের শেষ নেই
বাল্যকালের ভাবনা ছিল সৈনিক হব-সে ভাবনা স্থায়ী হয়নি-জীবনানন্দের কবিতা যেদিন প্রথম হাতে পেয়েছিলাম-মনে হলো কবিদের চেয়ে বড় কে আছে-তারপর আশুতোষ মুখোপাধ্যায় নামের এক গল্পকার জানিয়ে দিলেন আমায়-লেখকরাই শ্রেষ্ঠ-তারপর আবারও স্বপ্ন বদল-মঞ্চে এলেন হেমন্ত নামের গানের পাখি-আমার মনোজগত হলো এলোমেলো-ঈশ্বর কে দুষলাম-আমাকে কর্কশ কন্ঠ কেন দিলেন তিনি-মাঝে একবার রাজনীতিবিদ হবার দুরভিসন্ধি ও হয়েছিল-সে গল্প অন্য একদিন-তারপর ঘটল দুর্ঘটনা-প্রেমে পড়ে গেলাম আর বুঝলাম প্রেমিকের মাঝে বিরাজে ঈশ্বর-অত:পর থার্ড ডিগ্রী অগ্নি দহন-স্বপ্ন উধাও-প্রেমিকা গেলেন সুখ বাসরে-প্রেমিক রইলো চিতার 'পরে-তারপরে ও কিন্তু গল্প শেষ হয় না-সেসব কথা অন্য একদিন হবে -আজকের পাগলামির কোটা অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে বলে আমার ধারণা.
কথা

আমার মৃত্যু চাই আমি
কোন নির্জন বনভূমিতে,
অসীম নীরবতার মাঝে
কিছু না বুঝে চমকে ওঠা
সবুজ ঘাসের মেঝেতে ।
কেউ জানবেনা, কাউকে সইতে হবে না
এ ঝঞ্ঝাট!!
আমি একাই বইবো আমার মৃত্যুভার ।
আমার অবমুক্ত আত্মা
হয়তো মুখে কিছু কাল্পনিক কষ্টের ভার চাপিয়ে
বহন করবে আমার শারীরিক খোলস ।
আমি চাইনা, কেউ আমার গল্প করুক অন্য কারো ভ্রু কুঞ্চিত মুখের সামনে ।
কেউ ফেলুক দীর্ঘশ্বাস
কেঁপে কেঁপে ওঠা অক্সিজেনবাহী বাতাসে ।
আমি সবার অলক্ষে চলে যেতে চাই
অনেক অনেক দূরে ।
যেখানে আমাকে খুঁজতে যেতেও কাউকে আলসেমিতে পেয়ে বসবে ।
তখন সবাই বলবে, ধুর চাই!!
খুজে পাওয়ার থেকে ভুলে যাওয়া সহজ ।
আমি এভাবেই হারিয়ে যেতে চাই ।
কত ভীষনভাবে যে চাই!!
হৈমন্তী (১)
কনের বাপ সবুর করিতে পারিতেন কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন মেয়েটির অবৈধ ভাবে ছাত্রী থাকিবার বয়স পার হইয়া গিয়াছে অনেক আগেই কিন্তু যৌতুকের টাকার কাছে তাহা নিতান্তই নগণ্য । এরকম যৌতুক আর কোথাও পাইবেন না ।
আমি ছিলাম বর সুতরাং বিবাহ সম্বন্ধে আমার মত যাচাই করা অনাবশ্যক ছিলো। আমার কাজ আমি করিয়াছি। বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হইয়াই ইয়াবা, ফেন্সিডিল ধরিয়া সারাক্ষন নেশায় বুদ হইয়া থাকিয়া পড়ালেখা চাঙ্গে তুলিয়াছি। চার বছরের কোর্স নয় বছরেও পাশ করিতে না পারিয়া পরে এফ এ আই এল বৃত্তি পাইয়াছি । তাই প্রজাপতির দুই পক্ষ কন্যাপক্ষ ও বরপক্ষ, ঘন ঘন বিচলিত হইয়া পড়িল।
অণুগল্প: পোকা
তার মাথার ভিতর একটা পোকা ঢুকেছে। যেকোনো ভাবে হোক এটা ঢুকেছে। এখন সে পোকাটাকে বের করে মেরে ফেলতে চায়। কিন্তু কেমন করে? সে ভাবে। কোনো কূলকিনারা করতে পারে না। ডাক্তারের কাছে গেলে তাকে পুরো বৃত্তান্ত দিতে হবে। সে তা চায় না। কী হবে এখন? সে ভাবে।
একদিন পুরনো বইয়ের দোকানে গিয়ে তার মাথায় আইডিয়াটা আসে। সে একগাদা ডাক্তারি বই কিনে, ক্ষুর-কাঁচি, ওষুধ এইসব কিনে। অনেকগুলি আয়না কিনে। টানা এগারোদিন পড়াশোনা করে। তারপর সে ঠিক করে পোকাটা সে নিজেই বের করবে। চারপাশ থেকে মাথার চারটা এক্স রে করে। কিন্তু পোকাটা সেখানে দেখা যায় না। তার মনে হয় মেশিনে সমস্যা ছিলো। মাথার তালুর নীচেই পোকাটা আছে সে নিশ্চিত।
আমার সিসিমপুর (৫)
১.
বিরতি আমার জন্য ভালো না। দীর্ঘ তিনমাস পর নেটের লাইন পেয়ে ব্লগ, ফেসবুকে বসে মনে হয় যেন এখানে আমি ছিলামই না। এমন না যে এ কয়দিন একেবারেই নেট এক্সেস ছিল না, সময়েরও অভাব ছিল। দিন গুলো কাটসে যেন সুনামীর গতিতে। এর মধ্যে কত কাহিনি যে করল আমার সিসিমপুর বাহিনী!!!
২.
এই বাহিনীর সবচেয়ে ছোটটা হচ্ছে আমার ভাইয়ের ছেলে 'শ্রেয়'। আমাকে আশেপাশে দেখলেই হলো। দু হাত তুলে, আ আ আ করে চিৎকার করবে কোলে আসার জন্য। আমি ডাকি ওরে 'রাজা বেটা'। আমার ধারে কাছে আর কাউকে আসতে দেখলে সে অভিমানী চোখ করে তাকাবে। দ্রুত হামাগুড়ি দিয়ে কাছে এসে তাকে টেনে সরাবে। আর নাহলে কান্না শুরু করবে। আমি তাই ভাবি মেঘলা এসে যখন দেখবে এই কান্ড তখন মেঘলার অবস্থা কি হবে!!
সেই অস্থির সময়ের কাব্য
১.
এই তোমারি জন্য অনায়াসে আমি হিমালয় ডিঙাবো। আমি কি হিমালয় ডিঙাতে পারবো? আমার তো হিল ট্র্যাকিংয়ের অভিজ্ঞতা নেই। থাকলে কোনো চিন্তা না করেই বলতাম, পারবো। কারণ আমার সাহসের কোনো অভাব নেই। শুনেছি হিমালয় ডিঙাতে নাকি অনেক সাহস লাগে।
ভাস্কর'দার সাথে কথা বার্তা
রায়েহাত শুভঃ- রাত জেগে জেগে ক্লান্ত চাঁদটা যখন ঘুমিয়ে পড়ে পশ্চিমের কামরায়
তার কিছুটা আগে থেকেই শুরু হয় পথ চলার গান...
ভাস্কর'দাঃ- প্রতি দিন তার ঘুমের রুটিন পাল্টে গেলে
পথ চলা কিম্বা গানের রুটিনো কি তবে পাল্টে যায়?
রায়েহাত শুভঃ- গানের রুটিন পালটায় ঋতুচক্রের পালাবদলে
পথচলাও বদলে যায় সময় বদলানোর সময়ে...
ভাস্কর'দাঃ- যখন দিবস দীর্ঘ হয় তখন পথের দৈর্ঘ্য
কার সাথে তবে যাতায়াত করে! নাকি পথের সীমানা
অন্ধকার চাঁদ অথবা পথিক কারো নিয়ম মানে না...
রায়েহাত শুভঃ- পথিকেরই সব দায়,
পথ থাকে পথেরই মতো।
পথিক নিয়ম ভাঙে এবং গড়ে
পথ তার রুক্ষ্ম বুকে ধারণ করে রাখে পথিকের হাসি কান্না দুঃখ সুখ...
ভাস্কর'দাঃ- তবে ইতিহাসে শুনিয়াছি পথের আরম্ভ কিম্বা শেষ
কেবল পথিক নিজেই সাজায়, পথের আসলে কোনো
অস্তিত্ব থাকে না পথিকের পদছাপ ছাড়া...